বিজ্ঞান-ও-প্রযুক্তি
২০৪১ সালের মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলারের সেমিকন্ডাক্টর খাতের উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ
সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলারের সেমিকন্ডাক্টর খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাজধানীতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং এলএলপির অংশীদারিত্বে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম নিয়ে এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।
বর্তমানে, বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর শিল্প থেকে বার্ষিক প্রায় ৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে, যার বেশিরভাগই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) চিপ ডিজাইন পরিষেবা সরবরাহ করে, যখন ফ্যাব্রিকেশন, প্যাকেজিং, সংযোজন এবং পরীক্ষা অব্যবহৃত রয়েছে।
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং এলএলপি'র পার্টনার অভিষেক গুপ্ত, যেখানে সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু চেইন এবং বাংলাদেশের সম্ভাব্য গুরুত্বের ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরেন।
সালমান ফজলুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনা অপরিসীম। এ জন্য বেসরকারি খাতের উদ্যোগ এবং একাডেমিক অবদানের সঙ্গে সরকারের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন নিয়ে দেশের বাজারে ওয়ানপ্লাসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা
তিনি বলেন, ‘এই শিল্প দেশীয় চাহিদা পূরণ করতে পারে এবং আমাদের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে পারে। তাই আসুন আমরা সেমিকন্ডাক্টরের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে একযোগে কাজ করি।’
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, সেমিকন্ডাক্টর সব ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও সিস্টেমের জন্য একটি লাইফলাইন, প্রযুক্তিতে যেটির প্রয়োগ সীমাহীন।
তিনি বলেন, এশিয়া-প্যাসিফিক সরবরাহ প্রক্রিয়ার কাছাকাছি থাকা, শিল্প বৈচিত্র্যকরণ, অবকাঠামো ও প্রণোদনা সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপের পাশাপাশি এসটিইএম ক্ষেত্রগুলোতে তরুণ পেশাজীবীদের বিশাল অংশ থাকায় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পেয়েছে।
সরকারি, বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সংস্থার স্টেকহোল্ডারদের অংশগ্রহণে গ্রুপ টেকনিক্যাল পর্বের মাধ্যমে এ খাতের সম্ভাবনা, প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা, উৎপাদনের বাইরেও সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ নেওয়া হয়।
কর্মশালায় উল্লেখ করা হয়, এ খাতে সমন্বিত বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে প্রাপ্ত পরামর্শের ভিত্তিতে একটি খসড়া কর্মসূচি প্রণয়ন করা হবে।
আরও পড়ুন: টেসলার বৈদ্যুতিক গাড়িকে টক্কর দিতে চীনা কোম্পানির নতুন ব্র্যান্ড
৬৫৯ দিন আগে
টেসলার বৈদ্যুতিক গাড়িকে টক্কর দিতে চীনা কোম্পানির নতুন ব্র্যান্ড
চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) নির্মাতা নিও টেসলার সর্বাধিক বিক্রিত গাড়িকে টক্কর দিতে নতুন গাড়ি উন্মোচন করেছে। নতুন এই গাড়িটি হবে নিও’র কম দামের গাড়ির ব্র্যান্ড অনভোর প্রথম গাড়ি।
আজ বৃহস্পতিবার বিবিসির খবরে বলা হয়, নতুন মডেল এল৬০ এসইউভির দাম শুরু হবে ২ লাখ ১৯ হাজার ৯০০ ইউয়ান (৩০ হাজার ৪৬৫ মার্কিন ডলার) থেকে। এদিকে, বিশ্বের জনপ্রিয় বৈদ্যুতিক গাড়ি টেসলার মডেল ওয়াইয়ের দাম ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯০০ ইউয়ান। ফলে নিও ১০ শতাংশ সস্তায় গাড়ি নিয়ে আসছে বাজারে।
চীনা কোম্পানিটি এমন এক সপ্তাহে নতুন গাড়ি উন্মোচন করল যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি চীন থেকে ইভি আমদানিতে শুল্ক করবেন চারগুণ।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবিতে দেশে সর্বপ্রথম তারবিহীন চার্জিং বৈদ্যুতিক যান উদ্ভাবন
চীনা ব্যান্ডগুলোর তীব্র প্রতিযোগিতায় অন্যান্য ইভি ব্র্যান্ডগুলোর মতোই টেসলাও বিক্রিতে হ্রাসের সম্মুখীন হচ্ছে।
সাংহাইয়ে নিওর প্রধান নির্বাহী উইলিয়াম লি গাড়িটি উন্মোচন করেন। তিনি বলেন, কোম্পানিটি টেসলার মডেল ওয়াই এবং টয়োটা আরএভি৪-কে টেক্কা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রযুক্তির বিকাশ বেড়েছে, পাশাপাশি ইভি সম্পর্কে মানুষের জ্ঞানও। তাই এখন আমাদের সময় এসেছে পারিবারিক গাড়ির সংজ্ঞা নতুন করে সাজানোর।’
আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের শহরে চালকবিহীন গাড়ি ভাড়ার সেবা চালু
কোম্পানিটি এল৬০ এর অর্ডার নেওয়া শুরু করেছে এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে সরবরাহ শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
এর সুবাদে দেশের সীমানা পেরিয়ে বাইরেও নিও’র ব্যবসা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে অনভো।
তবে কোম্পানিটি যুক্তরাষ্ট্রে শতভাগ শুল্ক এবং চীন থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চলমান ভর্তুকি বিরোধী তদন্তের মুখে পড়েছে।
৬৫৯ দিন আগে
বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন নিয়ে দেশের বাজারে ওয়ানপ্লাসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা
স্মার্টফোন প্রযুক্তিতে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ানপ্লাস আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের স্মার্টফোন বাজারে যাত্রা শুরু করেছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৪ মে) ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জনপ্রিয় এই ব্র্যান্ডের প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে তৈরি করা স্মার্টফোন ‘নর্ড এন৩০ এসই ফাইভজি’ উন্মোচন করা হয়।
আনুষ্ঠানিক এই যাত্রার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের সব ব্যবহারকারীর জন্য ব্যতিক্রমধর্মী বিক্রয় পরবর্তী সেবা, বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য সাপোর্ট সিস্টেম নিশ্চিত করবে ওয়ানপ্লাস।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাশাপাশি, ওয়ারেন্টি স্ট্যাটাস বিবেচনায় না নিয়ে ওয়ানপ্লাসের গ্লোবাল ভার্সনের স্মার্টফোনে ভার্টিকাল লাইনের সমস্যার ক্ষেত্রে বিনামূল্যে রিপেয়ার সেবা দিবে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রথম পর্যায়ে সারা দেশের ৩৫টি স্থানে (২২টি সার্ভিস সেন্টার ও ১৩টি সার্ভিস পয়েন্ট) বিক্রয় পরবর্তী সেবা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি গ্লোবাল ভার্সনের পণ্যের ক্ষেত্রে ৭ দিনের স্মার্টফোন রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি ও ১২ মাসের স্মার্টফোন সার্ভিস দেবে ওয়ানপ্লাস বাংলাদেশ।
এ বিষয়ে ওয়ানপ্লাস বাংলাদেশ’র আফটার সেলস সার্ভিস ডিরেক্টর মো. রুবায়েত ফেরদৌস চৌধুরী বলেন, ‘আমরা নির্ভরযোগ্য বিক্রয় পরবর্তী সেবার গুরুত্ব বুঝি। তাই, দেশের সব ওয়ানপ্লাস ব্যবহারকারীর জন্য ইতিবাচক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে আমরা আমাদের গ্লোবাল ভার্সন স্মার্টফোনের ডিসপ্লের ভার্টিকাল লাইনের সমস্যায় ফ্রি রিপেয়ার সার্ভিস দিব।’
স্থানীয় উৎপাদনের শুরুতেই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন ‘বিগার, লাউডার, ফাস্টার’ ওয়ানপ্লাস নর্ড এন৩০ এসই ফাইভজি বাজারে নিয়ে আসা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে টিকটকের মামলা
৬৬০ দিন আগে
২-৩ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে: শাহজাহান মাহমুদ
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেছেন, আগামী ২-৩ মাসের মধ্যে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য চুক্তি চূড়ান্ত করা হবে এবং ২-৩ বছরের মধ্যে চালু করা হবে।
দ্বিতীয় স্যাটেলাইট বাংলাদেশ আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট হবে বলে জানান তিনি।
রবিবার (১২ মে) রাতে ঢাকা ক্লাবে দেশের প্রথম যোগাযোগ স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর সফল উৎক্ষেপণের ষষ্ঠ বার্ষিকীতে তিনি এ কথা বলেন।
স্যাটেলাইটটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ, কৃষি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত পরিবর্তন মূল্যায়নসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হবে।
কার্যকর উৎক্ষেপণের ফলে প্রথম স্যাটেলাইটের আয়ুষ্কাল তিন বছর থেকে ১৮ বছর বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শাহজাহান।
২০১৮ সালের মে মাসে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের আওতায় স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হয়।
এখন বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট ব্যবহার করে ৪০টি বেসরকারি টেলিভিশন স্টেশন এবং রাষ্ট্র পরিচালিত বাংলাদেশ টেলিভিশনের তিনটি চ্যানেল অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে।
সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট সেবা প্রদান শুরু করেছে।
এছাড়া ২৬টি বিদেশি টিভি চ্যানেল সম্প্রচারের জন্য বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট ব্যবহার করে।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) এবং এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস এসএএস, ফ্রান্সের মধ্যে বঙ্গবন্ধু-২ পৃথিবী পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট সিস্টেমের বিষয়ে সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) সই হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর উপস্থিতিতে এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।
সে সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য ফ্রান্সের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে এবং এটির উৎক্ষেপণ বাংলাদেশকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে সাহায্য করবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান।
৬৬২ দিন আগে
সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে টিকটকের মামলা
অনলাইন ভিডিও বিনোদন প্ল্যাটফর্ম টিকটকের চীনের নাগরিকের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিয়েছে।
টিকটকের মতো অতি জনপ্রিয় অ্যাপটি বিক্রি করতে বা দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে বাইটড্যান্সকে বাধ্য করার আইনের বৈধতা নিয়ে মঙ্গলবার এ মামলা করে প্রতিষ্ঠানটি।
এর আগে গত মাসে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে টিকটক নিষিদ্ধ করার একটি বিলে সই করে একে আইনে পরিণত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়া সার্কিটের আপিল আদালতে দায়ের করা আবেদনে টিকটক জানিয়েছে, ‘কংগ্রেস টিকটককে স্পষ্টভাবে একঘরে করা এবং নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপ নিয়েছে। ১৭০ মিলিয়ন আমেরিকান ভিডিও তৈরি-অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করা ও মত প্রকাশের জন্য এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে থাকে। আইন প্রণয়নের মাধ্যমে টিকটককে স্থায়ী ও দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার মাধ্যমে প্রত্যেক আমেরিকানকে বিশ্বজুড়ে ১ বিলিয়নেরও বেশি মানুষের সঙ্গে একই প্ল্যাটফর্ম শেয়ার করার ক্ষেত্রে বাধা দেয়।’
'প্রোটেক্টিং আমেরিকানস ফ্রম ফরেন অ্যাডভার্সারি কন্ট্রোল্ড অ্যাপ্লিকেশন্স অ্যাক্ট' আইনটি অসাংবিধানিক বলে টিকটক আবেদনে উল্লেখ করেছে।
টিকটক কর্তৃপক্ষ বলছে, ‘টিকটক নিষিদ্ধ করা এতটাই অসাংবিধানিক যে এই আইনের স্পনসররাও এই বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং তাই আইনটিকে মোটেও নিষেধাজ্ঞা হিসেবে নয়, বরং টিকটকের মালিকানার নিয়ন্ত্রণ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।’
আইনটির মাধ্যমে বাইটড্যান্সকে চীনের বাইরের কোনো ক্রেতার কাছে টিকটক বিক্রি করতে ২৭০ দিনের সময় দেওয়া হয়। আর বলা হয় যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রয়োজন মনে করেন, তবে আরও ৯০ দিন বাড়ানো হতে পারে।
টিকটক জানায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক চালু রাখতে এই আইন অনুযায়ী ‘যোগ্য বিভাজন’ সম্ভব নয়। সেটা বাণিজ্যিকভাবে, প্রযুক্তিগতভাবে বা আইনতই হোক না কেন।
‘বাস্তবতা হলো, কোনও বিকল্প নেই’ উল্লেখ করে টিকটক বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনত ‘যোগ্য বিভাজন’সম্ভব নয়। যা বাণিজ্যিকভাবে, প্রযুক্তিগতভাবে কিংবা আইনতও সম্ভব নয়।
চীনা মালিকানার কারণে ভিত্তিহীন জাতীয় সুরক্ষা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে টিকটকের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষযে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এবং বাইরের বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। কী কারণে ওয়াশিংটন জনপ্রিয় এই অ্যাপটি বন্ধে উঠেপড়ে লেগেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে সাংবিধানিক অধিকার এবং সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার নীতি লঙ্ঘনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
৬৬৭ দিন আগে
হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশনের এশিয়া প্যাসিফিক পর্বে রুয়েট তৃতীয়
হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন-এর এশিয়া প্যাসিফিক (এপিএসি) পর্বে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীদের একটি দল তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত এপিএসি অ্যাওয়ার্ড সিরিমনিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
গত বছর শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজারেরও বেশি স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এই প্রতিযোগিতায় নেটওয়ার্ক ট্র্যাক, ক্লাউড ট্র্যাক, কম্পিউটিং ট্র্যাক ও ইনোভেশন ট্র্যাকের চারটি গ্রুপে অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল।
প্রতিটি ট্র্যাক থেকে ১০ জন শিক্ষার্থীকে তাদের অধ্যয়ন ও পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ পর্বে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
পরে তাদের মধ্য থেকে শীর্ষ ১২জন চারটি দলে ভাগ হয়ে এপিএসি পর্বে যোগ দেয়। রুয়েটের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তৈরি একটি দল যোগ দেয় নেটওয়ার্ক ট্র্যাকে এবং আরেকটি দল যোগ দেয় কম্পিউটিং ট্র্যাকে। এই ট্র্যাকে প্রতিযোগিতা করে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) আরও একটি দল। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য একটি দল যোগ দেয় ক্লাউড ট্র্যাকে। এই চার দলের মধ্যে নেটওয়ার্ক ট্র্যাক গ্রুপে অংশগ্রহণকারী রুয়েটের তিনজনের দলটি এপিএসি পর্বের ১৪টি দেশের ৬ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শীর্ষ তিনে জায়গা করে নিয়েছে।
আরও পড়ুন: মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে হুয়াওয়ের ৪ পুরস্কার অর্জন
বিজয়ী দলে রয়েছে রুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শুভাম আগারওয়ালা, রাকেশ কার এবং মো. মাজহারুল ইসলাম। আজ ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় তাদের হাতে পুরষ্কার ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। আগামী মাসে দলটি চীনের শেনজেনে অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল রাউন্ডে অংশ নেবে।
রুয়েটের বিজয়ী দলের সদস্য শুভাম আগারওয়ালা বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতা আমাদের আইসিটি এবং নেটওয়ার্ক সেক্টর সম্পর্কে নতুন কিছু শেখার অনেক সুযোগ দিয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মেও আসতে পেরেছি। ষ্টেজে সবার সামনে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে দাঁড়ান আমাদের জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা ছিল। এমন অভাবনীয় সুযোগ তৈরি করার জন্য আমরা হুয়াওয়ের কাছে সত্যিই কৃতজ্ঞ। আমরা গ্লোবাল রাউন্ডে আরও ভালো কিছু অর্জনের চেষ্টা আমাদের থাকবে।’
হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার বোর্ড সদস্য লিজংশেং (জেসন) বলেন, ‘হুয়াওয়ে বিশ্বাস করে, তরুণরা যেকোনো দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। বাংলাদেশে যে বিশাল সংখ্যক তরুণ রয়েছে তাদের সম্ভাবনা অসীম। আর সেই বিশ্বাস নিয়েই হুয়াওয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আইসিটির জ্ঞান বৃদ্ধি করতে নানা ধরনের উদ্যোগের নিয়ে আসছে। বিজয়ী দলকে আমি অভিনন্দন জানাই। আমরা বাংলাদেশে প্রতিভা বিকাশের জন্য একটি দায়িত্বশীল করপোরেট প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ চালিয়ে যাব।’
জাকার্তার অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থাকা রুয়েটের সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আজমাইন ইয়াক্কীন সৃজন বলেন, ‘আমার ছাত্ররা এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শুধু বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বই করছে না, তারা সকলের মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করে নিয়েছে। এতে আমি খুবই গর্ববোধ করছি।’
তিনি বলেন, এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার ফলে তাদের জ্ঞান যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমন আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে। তাদেরকে এমন একটি দারুণ প্ল্যাটফর্ম দেওয়ার জন্য আমি হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাই।
গ্লোবাল রাউন্ডে প্রায় ৪০টি দেশের পাঁচশ’র বেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে তৈরি ১৭০টিরও বেশি দল অংশগ্রহণ করবে। শুরুর পর এটি হুয়াওয়ে আইসিটি প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় অফলাইন গ্লোবাল ফাইনালে পরিণত হতে যাচ্ছে।
‘কানেকশন, গ্লোরি, অ্যান্ড ফিউচার’ থিমের এই ইভেন্টে দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করেছে।
আরও পড়ুন: ২০২৩ সালে বাংলাদেশে ৭২টিরও বেশি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে হুয়াওয়ে
৬৮৭ দিন আগে
মে মাসের মধ্যে ৫০০টি ডাকঘরকে স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্টে রূপান্তর করা হবে: পলক
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, আগামী মে মাসের মধ্যে ৫০০টি ডাকঘর এবং পর্যায়ক্রমে দেশের ৯ হাজার ৯৭০টি ডাকঘরকে স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্টে রূপান্তর করা হবে।
আজ শনিবার (৩০ মার্চ) টুঙ্গিপাড়ার প্রধান ডাকঘর, কোটালীপাড়া উপজেলা ডাকঘর, রংপুরের পীরগঞ্জ ডাকঘর এবং যশোরের প্রধান ডাকঘরকে স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্টে রূপান্তরের উদ্বোধন উপলক্ষে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, রূপান্তরের লক্ষ্যে শতাব্দীর প্রাচীন ডাক আইন পরিবর্তনসহ ডাকঘরের বিশাল অবকাঠামো, সুবিস্তীর্ণ জনপদ ও জনবলকে কাজে লাগাতে পরিকল্পনা প্রণয়নে কাজ শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইন্টারনেটের ঝুলন্ত তার মাটির তলদেশে নিতে আইএসপি উদ্যোক্তাদের প্রতি পলকের আহ্বান
পলক বলেন, স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্ট অব পো্স্ট অফিসের মাধ্যমে নিয়মিত ডাকসেবার পাশাপাশি দেশের দুর্গম এলাকাসহ প্রতিটি গ্রামের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্মার্ট পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। এর ফলে একদিকে ডিজিটাল বৈষম্য হ্রাস পাবে, অন্য দিকে গ্রামে বসেই ৩২৫টিরও বেশি ই-গভর্নমেন্ট সেবা, ই-কমার্স ও ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যাবে। এই লক্ষ্যে সরকার দেশের প্রতিটি ডাকঘরকে স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্টে রূপান্তরে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অভিযাত্রায় আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিক নির্দেশনায় প্রচলিত ডাক ব্যবস্থাকে স্মার্ট ডাক ব্যবস্থায় রূপান্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৪টি ডাকঘরের স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্ট উদ্বোধন করা হচ্ছে। এর আগে ১৯ মার্চ খুলনার কয়রা ডাকঘরকে স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্টে রূপান্তর করা হয়। আগামী মে মাসের মধ্যে ৫০০টি ডাকঘর এবং পর্যায়ক্রমে দেশের বিদ্যমান ৯ হাজার ৯৭০টি ডাকঘরকে স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্টে রূপান্তর করা হবে।
তিনি বলেন, ‘১৫ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে প্রযুক্তি নির্ভর জাতিতে আমারা পরিণত হয়েছি। অগ্রগতির অগ্রযাত্রার এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৪১ সালের আগেই স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধ জাতিতে আমরা পরিণত হবই।’
আরও পড়ুন: সব ডাকঘর স্মার্ট সার্ভিসে রূপান্তর করা হবে: পলক
স্মার্ট সার্ভিস পয়েন্ট (এসএসপি) উদ্যোগ, প্রথাগত ডাক পরিষেবাগুলোর সঙ্গে ডিজিটাল সমাধানগুলোকে একীভূত করার একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে পার্সেল ট্র্যাকিং, বিল পেমেন্ট এবং ই-কমার্স সুবিধার মতো সুযোগ-সুবিধার আয়োজন নিয়ে এই সার্ভিস পয়েন্ট বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় অভিগম্যতা ও দক্ষতার বিপ্লব ঘটাবে।
তিনি ডাকঘরকে মেইল ডেলিভারি থেকে সার্ভিস ডেলিভারিতে রূপান্তরের এই পথচলাকে সহজ করতে ডাক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারিদের যে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে হুশিয়ার উচ্চারণ করেন।
অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তরুণ কান্তি সিকদার, দক্ষিণাঞ্চল খুলনার পোস্ট মাস্টার জেনারেল সামসুল আলম,উত্তরাঞ্চল রাজশাহীর পোস্ট মাস্টার জেনারেল কাজী আসাদুজ্জামান, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম এবং রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান এবং পুলিশ সুপার মোঃ ফেরদৌস আলী চৌধুরী প্রমূখ বক্তৃতা করেন।
প্রতিমন্ত্রী ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ৪টি স্মাট সার্ভিস পয়েন্ট অব পোস্ট অফিসের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন।
আরও পড়ুন: জনগণের প্রতি সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির দায় রয়েছে: পলক
৭০৬ দিন আগে
সংবাদ-রাজনৈতিক বিষয়বস্তু কমিয়ে দেওয়ায় ফেসবুক নিউজ ট্যাব থাকছে না
সংবাদ ও রাজনৈতিক বিষয়বস্তুকে ভবিষ্যতে কম গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এপ্রিলের শুরুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য ফেসবুকে খবর প্রচার বন্ধ করবে মেটা। গত বছর যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানিতে ফিচারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ফেসবুকে ২০১৯ সালে চালু হওয়া নিউজ ট্যাবটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি ছোট ও স্থানীয় প্রকাশনাগুলোর শিরোনামগুলো ব্যবসায়িকভাবে ব্যবহার করেছে।
মেটা বলছে, ব্যবহারকারীরা সংবাদ নিবন্ধের লিংক দেখতে সক্ষম হবেন। সংবাদ সংস্থাগুলো তাদের লেখা ও ওয়েবসাইটগুলো পোস্ট ও প্রচার করতে পারবে, যেমনটি অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা ফেসবুকে করতে পারে।
ভুল তথ্য কীভাবে ছড়ানো হয় এবং এটি রাজনৈতিক মেরুকরণে অবদান রাখে কি না, তা নিয়ে বছরের পর বছর ধরে সমালোচনার পরে মেটা তার প্ল্যাটফর্মগুলোতে সংবাদ ও রাজনৈতিক উপাদান হ্রাস করার চেষ্টার পরে এই পরিবর্তন আসে।
মেটার মুখপাত্র ড্যানি লিভার বলেছেন, ‘এই পরিবর্তন গ্রাহকের অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টের পোস্টে প্রভাব ফেলবে না। এটি সিস্টেমের সুপারিশগুলোকে প্রভাবিত করে এবং ব্যবহারকারীরা যদি আরও বেশি চায়, তবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।’ ‘ঘোষণাটি এমন সময় আসছে, যখন ব্যবহারকারীরা বছরের পর বছর আমাদের কাছে জানতে চেয়েছিল যে আমরা কীভাবে রাজনৈতিক বিষয়বস্তুগুলো পরিচালনা করি তার উপর ভিত্তি করে।’
আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে এইচডি ছবি যেভাবে পাঠাবেন
মেটার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিউজ ট্যাবে এই পরিবর্তন তাদের ফ্যাক্ট-চেকিং নেটওয়ার্ক এবং ভুল তথ্যের পর্যালোচনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না।
কিন্তু ভুল তথ্য প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েই গেছে, বিশেষ করে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতা চলছে।
কর্নেল ব্রুকস স্কুল অব পাবলিক পলিসির টেক পলিসি ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও প্রযুক্তি নীতি গবেষক সারাহ ক্রেপস বলেছেন, ‘ফেসবুক নিজেকে রাজনৈতিক প্লাটফর্ম হিসেবে মনে করে না। এটি চালান প্রযুক্তিবিদরা। তারপর হঠাৎ এটি মূল্যায়ন শুরু করে এবং তারা নিজেদের রাজনীতিতে নিমজ্জিত দেখতে পায় এবং তারা নিজেরাই শিরোনাম হয়ে ওঠে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি এই বছর অনেকগুলো বড় নির্বাচন আসছে, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে ফেসবুক রাজনীতি থেকে আরও এক ধাপ দূরে সরে যাচ্ছে, যাতে তারা অসাবধানতাবশত নিজেরাই রাজনৈতিক শিরোনাম হতে না পারে।’
পয়েন্টারের মিডিয়া বিশ্লেষক রিক অ্যাডমন্ডস বলেন, নিউজ ট্যাবের বিলুপ্তি সংবাদ সংস্থাগুলোর জন্য আশ্চর্যজনক নয়। বেশ কয়েক বছর ধরে তাদের ওয়েবসাইটগুলোতে ফেসবুক ট্র্যাফিক হ্রাস পাচ্ছে। ফলে সংস্থাগুলোকে দর্শকদের আকৃষ্ট করার অনুসন্ধান ও নিউজলেটারের মতো অন্যান্য উপায়গুলোতে মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করছে।
অ্যাডমন্ডস বলেন, ‘আমি বলব আপনি যদি খেয়াল করতেন, তাহলে আপনি দেখতে পেতেন এটি আসছে। তবে এটি সংবাদের ব্যবসার জন্য আরও একটি খুবই দুঃসংবাদ।’
আরও পড়ুন: কিছু ফিলিস্তিনি ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর বায়োতে 'সন্ত্রাসী' উল্লেখ করায় ক্ষমা চেয়েছে মেটা
মেটা জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীরা তাদের ফেসবুক ফিডে যা দেখেন তার চেয়ে তিন শতাংশেরও কম সংবাদ তৈরি হয়। অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক সংবাদ ব্যবহারকারীর সংখ্যা গত বছর ৮০ শতাংশেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে।
তবে ২০২৩ সালের পিউ রিসার্চ স্টাডি অনুসারে, মার্কিন প্রাপ্তবয়স্কদের অর্ধেক অন্তত মাঝে মাঝে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে খবর পান। ফেসবুকের মতো একটি প্ল্যাটফর্ম অন্যান্য মাধ্যমকে ছাড়িয়ে গেছে।
পিউ জানিয়েছে, প্রতি ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিকের মধ্যে তিনজন বলেছেন যে তারা নিয়মিত ফেসবুক থেকে খবর পান এবং ১৬ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক বলেছেন যে, তারা নিয়মিত ইনস্টাগ্রাম থেকে খবর পান। এই দুটো মাধ্যমেরই মালিকানা মেটার।
ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা সম্প্রতি ব্যবহারকারীদের অনুসরণ করেন না এমন অ্যাকাউন্টগুলোতে পোস্ট করা রাজনৈতিক বিষয়বস্তুর ‘সক্রিয়ভাবে’ সুপারিশ করা বন্ধ করার জন্য অ্যাপটির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কারণ, ফিল্টার বন্ধ করার অপশন সবসময় ইউজার সেটিংসে থাকলেও মেটা যে এই পরিবর্তন করেছে তা অনেকেই জানতেন না।
আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে আরও সহজে অডিও বার্তা যেভাবে পাঠাবেন
৭০৭ দিন আগে
হোয়াটসঅ্যাপে আরও সহজে অডিও বার্তা যেভাবে পাঠাবেন
অফিসের কাজে বা পরিবার-বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ একটি অন্যতম অনুষঙ্গ। ছবি ও ভিডিওর পাশাপাশি যে কোনো ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিতে অডিও বার্তা বেশ কাজের। দীর্ঘ অডিও বার্তা এখন আরও সহজে পাঠানো যায় ফেসবুকের প্রধান কোম্পানি মেটা প্ল্যাটফর্মসের মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপের মুঠোফোন অ্যাপে।
আগে অডিও বার্তা পাঠানোর জন্য কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি বা গ্রুপে মাইক্রোফোন আইকনটি চেপে ধরে প্রয়োজনীয় বার্তা রেকর্ড করতে হতো। এরপর আইকন ছেড়ে দিলেই তা চলে যেত। রেকর্ড করার সময় যদি তা বাদ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে তাহলে মাইক্রোফোনের আইকনটি ঠিক বাম দিকে স্লাইড করলেই তা মুছে যেত। সুবিধাটি এখনও আছে। তবে যোগ করা হয়েছে নতুন কিছু।
আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে এইচডি ছবি যেভাবে পাঠাবেন
৭১৫ দিন আগে
টিকটক নিষিদ্ধ করতে পারে এমন বিল পাস মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে একটি বিল পাস করেছেন ওয়াশিংটনের আইন প্রণেতারা। এর ফলে দেশব্যাপী নিষিদ্ধ হতে পারে টিকটক।
পাস করা এই বিলে বলা হয়েছে, এটি কার্যকর হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে যদি এই জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটির চীনভিত্তিক মালিক বাইটড্যান্স তার অংশীদারিত্ব বিক্রি না করে, তাহলে টিকটক নিষিদ্ধ করা হবে।
বুধবার পাস হওয়া এই বিলে বাইটড্যান্সকে বলা হয় টিকটক বিক্রি করে দিতে হবে অথবা নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে হবে।
যদি বাইটড্যান্স তার অংশীদারিত্ব বিক্রি করে দেয় তাহলে টিকটক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ চালিয়ে যাবে। বলা হয়, যদি প্রেসিডেন্ট এটি নিশ্চিত হন যে টিকটক প্ল্যাটফর্মটি ‘আর কোনো বিদেশি প্রতিপক্ষের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে না, তাহলে এটি কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।’
আরও পড়ুন: পবিত্র রমজান মাসে প্রয়োজনীয় ১০টি মোবাইল অ্যাপস
বিলে উল্লেখ করা হয়েছে, বাইটড্যান্সকে টিকটকের সুপরিচিত অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতে হবে, যা ব্যবহারকারীদের তাদের পছন্দের ভিত্তিতে কন্টেন্ট ফিড করে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বাইটড্যান্সের পক্ষে কয়েক মাসের মধ্যে টিকটক বিক্রি করা কঠিন হবে।
যদি কোম্পানিটি বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বিল অনুসারে টিকটক অ্যাপল ও গুগলসহ অন্যান্য অ্যাপ স্টোর থেকে নিষিদ্ধ করা হবে।
টিকটক ব্যবহারকারী ১৭০ মিলিয়ন আমেরিকান নাগরিকের তথ্য দিতে চীনা কর্তৃপক্ষ বাইটড্যান্সকে বাধ্য করতে পারে বলে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের উভয় পক্ষের আইনপ্রণেতাসহ আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
তবে টিকটক এ দাবি অস্বীকার করে জানায়, সংস্থাটি কখনও চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে মার্কিন ব্যবহারকারীদের তথ্য সরবরাহ করেনি এবং করবেও না। অন্যদিকে মার্কিন সরকারও এমন কোনো প্রমাণ পায়নি।
গত সোমবার ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালকের কার্যালয় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়, চীন সরকার সাম্প্রতিক মার্কিন নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে টিকটক ব্যবহার করেছে।
আইন প্রণেতারা বিলটি পাস করলে স্বাক্ষর করবেন বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
এর আগেও ২০২০ সালে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টিকটক নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন।
আরও পড়ুন: দামি ফ্ল্যাগশিপ ফোন কেনার সুবিধা-অসুবিধা
৭২২ দিন আগে