যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার আগে ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে ইরানি প্রতিনিধিদল।
স্থানীয় সময় শনিবার (১১ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন এ তথ্য জানিয়েছে। ডন জানিয়েছে, এই বৈঠকের পরেই ইরান-মার্কিন আলোচনার রূপরেখা নির্ধারিত হবে।
এদিকে, আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরিফ বলেছেন, ইসলামাবাদে এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ফলাফল পুরোপুরি নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকারের ওপর।
আরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, যদি মার্কিন প্রতিনিধিরা তাদের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ (আগে আমেরিকা) নীতির দিকে মনোনিবেশ করেন, তবে একটি পারস্পরিক সুবিধাজনক চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব।
তিনি আরও বলেছেন, তবে যদি আমরা ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ (আগে ইসরায়েল) নীতি অনুসরণকারী প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হই, তবে কোনো চুক্তি হবে না। সেক্ষেত্রে আমরা আগের চেয়ে আরও জোরালোভাবে আমাদের প্রতিরক্ষা বজায় রাখব এবং বিশ্ব আরও বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
অন্যদিকে, আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি আলোচনার ঘোষণা দিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট। তবে এর ঠিক একদিন পরই হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য হাসান ফজলুল্লাহ পুনরায় তার সংগঠনের পক্ষ থেকে এই আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এক বিবৃতিতে ফজলুল্লাহ বলেছেন, এই পদক্ষেপ জাতীয় চুক্তি, সংবিধান এবং লেবাননের আইনের একটি চরম লঙ্ঘন... এবং এটি এমন এক সময়ে অভ্যন্তরীণ বিভেদ আরও বাড়িয়ে তুলছে, যখন ইসরায়েলি আগ্রাসন মোকাবিলায় লেবাননের সবচেয়ে বেশি সংহতি ও অভ্যন্তরীণ ঐক্য প্রয়োজন।