হাম
হামের উপসর্গে আরও ২ মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২১৪
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২১৪টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ১ হাজার ৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ১১০টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৮২টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৩২। এই সময়ে ১ হাজার ৭৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১০০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৬০২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৭৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে আরও ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,৩৪৯
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৪৯টি শিশু।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ১ হাজার ৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ১০৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২২১। এই সময়ে ১ হাজার ১৪৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৭৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৩১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৫২০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০০ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৬২ হাজার ৮৭৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গে আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,৩৩৯
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৩৯টি শিশু।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ১ হাজার ৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ১০৪টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৮৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৫৫। এই সময়ে ১ হাজার ১৮৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৯৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার ৫১০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৩৯২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৫৫ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৯৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,৩১০
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১০টি শিশু।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৯৯৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ৯৯টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৯৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২১৪। এই সময়ে ১ হাজার ১৫৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৮৬টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৫৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৩০৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৯ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার ৭০৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
হামের উপসর্গে আরও ৯ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,৩৪১
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৪১টি শিশু।
রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৯৯৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ৯৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২২৮। এই সময়ে ১ হাজার ১১৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৪৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮৮ হাজার ৪১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ২১২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩১০ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫১৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
হামের উপসর্গে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,০৬৪
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৪টি শিশু।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৯৮৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ৮৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৮৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৮০। এই সময়ে ৯০৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৬৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮১৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৯৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৫৫ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৫ দিন আগে
আগের সরকারের গাফিলতিতে হামে বহু শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে দীর্ঘ চার বছর গাফিলতি ও বিলম্বের কারণে বহু শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দেশব্যাপী বিশাল পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে বলেও জানান তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বনানীর কড়াইল টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে দ্বিতীয় ধাপে হামের টিকা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ রাখা এবং ওপেন টেন্ডার সিস্টেমের অজুহাতে বিদেশ থেকে ভ্যাকসিন আমদানিতে আগের সরকারের দীর্ঘসূত্রতা ও গাফিলতির খেসারত জাতিকে দিতে হয়েছে। অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে।
তিনি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে জানান, প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুর মধ্যে এক হাজারের মতো শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। প্রতিটি শিশুর মৃত্যু সরকারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও লজ্জাজনক।
মন্ত্রী আরও জানান, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই গত ৫ এপ্রিল থেকে তিন পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। সর্বশেষ গত ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী এই কর্মসূচিতে প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া আরও ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য এই ক্যাম্পেইন আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনের জন্য ১০ লাখ টিকা সংরক্ষিত আছে, স্বাভাবিক টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে এই টিকা দেওয়া অব্যাহত থাকবে।
৫ দিন আগে
হাম উপসর্গে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,২৬৫
দেশে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৬৫টি শিশু।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৯৮৩ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ৮৪ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৬৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২০১। এই সময়ে ১ হাজার ৯৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৬৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ১৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৪৮ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮০৭ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৬ দিন আগে
হামের উপসর্গে আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,২৮৩
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৮৩টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৯৮০টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ৮১টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১০০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৮৩। এই সময়ে ১ হাজার ১০৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৩২টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৯৫১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৫৩ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪৪ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৭ দিন আগে
হামের উপসর্গে আরও ১১ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,২৭০
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৭০টি শিশু।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৯৭৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ৭৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৭। এই সময়ে ১ হাজার ৬৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১০২টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৮৫১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৮ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬১২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৮ দিন আগে