হাম
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫৮৮, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ প্রাণহানি
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭৯টি শিশু।
সোমবার (১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৯৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৮৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৪৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৩৪। এই সময়ে ১ হাজার ১৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৮১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭২ হাজার ৭০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯হাজার ৯৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৭ হাজার ৯০২ রোগী, যাদের মধ্যে ৫৩ হাজার ৭২২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ ঘণ্টা আগে
হামের লক্ষণ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৩৭৭
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৭৭টি শিশু।
রবিবার (৩১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে অবশ্য কারও মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৯৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৮৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩২৪। এই সময়ে ১ হাজার ১৮১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৯১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৩৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৪৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৬ হাজার ৮৮৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৫২ হাজার ৮৪১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫৮৩, আজও ৮ প্রাণহানি
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৬টি শিশু।
শনিবার (৩০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে অবশ্য কারও মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৯৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৮৩টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৩। এই সময়ে ৯০৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৩৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৯ হাজার ৬১২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৯৯৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৫ হাজার ৭০৫ রোগী, যাদের মধ্যে ৫২ হাজার ৫০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ জনে।
শনিবার (৩০ মে) সকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মৃত ২ শিশুর মধ্যে হুমায়রার বাড়ি সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় (বয়স ৬ মাস। সে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এবং অপর শিশু আব্দুল্লাহ আল মাহিনের বাড়ি জকিগঞ্জ উপজেলায় (বয়স ৮ মাস। সে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ (শনিবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৪১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।
বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৩৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৩৯ জন, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১৫ জন, মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ১১ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ জন এবং সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ২২ জন চিকিৎসা নিচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য উপজেলা ও বেসরকারি হাসপাতালেও আরও রোগী ভর্তি রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ১৬৫ জনের শরীরে নমুনা পরীক্ষায় হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলায় সর্বোচ্চ ৮৬ জন, সিলেট জেলায় ৪২ জন, হবিগঞ্জে ২১ জন ও মৌলভীবাজারে ১৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
২ দিন আগে
মমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে মোট ৪৩ শিশুর মৃত্যু হলো।
এছাড়া এই সময়ে নতুন করে আরও ৩৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ১১৬ শিশু। আইসোলেশন ওয়ার্ডে শয্যা সংকট থাকায় রোগীরা হাসপাতালের মেঝেতে ও বারান্দায় স্থান নিয়েছে।
হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ মাস ও সাড়ে ৩ মাস বয়সী দুই ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি জানান, ২২ মে কিশোরগঞ্জের পূর্ব ঝিনাইর থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে ৪ মাস বয়সী এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৯মে সকালে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত ব্যর্থতায় শিশুটি মারা যায়।
অন্যদিকে, ২৫ মে ময়মনসিংহ সদরের আকুয়া থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে সাড়ে তিন মাস বয়সী এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। এরই মধ্যে ২৯ মে সকালে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত ব্যর্থতায় তারও মৃত্যু হয়।
ডা. গোলাম মাওলা আরও জানান, গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ১ হাজার ৭০৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৪৯ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এবং ৪৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি বলেন, সর্বনিম্ন ৩ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। তবে হাসপাতালে ৩ মাস থেকে ১ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা বেশি।
এ বিষয়ে মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সব রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই হাসপাতালে লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) এখনও চালু করা সম্ভব হয়নি । তবে বর্তমানে বাবল সিপ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
২ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫৭৫, আজও ১০ প্রাণহানি
দেশে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৩২টি শিশু।
শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৮৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৭৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৬৭৪। এই সময়ে ৬১৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৮৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৮ হাজার ৫৭৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৯৪৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৪ হাজার ৭৯৮ রোগী, যাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৫১১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগে হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ জনে।
শুক্রবার (২৯ মে) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. মাহবুবুল আলম।
মৃত শিশু আরিমের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায়। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ মাস বয়সী ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ (শুক্রবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১৮ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২০৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তবে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে নতুন করে কোনো রোগীর হাম শনাক্ত হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৬৫ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলায় ৮৬ জন, সিলেটে ৪২, হবিগঞ্জে ২১ ও মৌলভীবাজারের ১৬ জন রোগীর হাম শনাক্ত হয়েছে।
৩ দিন আগে
হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৮৭৭টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৭৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮৮টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৬৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫১টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮২৬। এই সময়ে ৭২৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ২৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯০৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৮৮৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৪ হাজার ১৮৮ রোগী, যাদের মধ্যে ৫০ হাজার ৯২৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
মমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে মোট ৪১ শিশুর মৃত্যু হলো।
এছাড়া এই সময়ে নতুন করে আরও ১৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ৪৭ শিশু। আইসোলেশন ওয়ার্ডে শয্যা সংকট থাকায় রোগীরা হাসপাতালের মেঝেতে ও বারান্দায় স্থান নিয়েছে।
হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১৭ মাস ও ৮ মাস বয়সী দুই ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি জানান, গত ২০ মে নেত্রকোনার পূর্বধলা থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে ১৭ মাস বয়সী এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ মে রাতে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত ব্যর্থতায় শিশুটি মারা যায়।
অন্যদিকে, ১৬ মে নেত্রকোনার কলমাকান্দা থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে ৮ মাস বয়সী এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে করা ভর্তি হয়। তাকেও যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। ২৬ মে রাতে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত ব্যর্থতায় তারও মৃত্যু হয় বলে জানান তিনি।
ডা. গোলাম মাওলা আরও জানান, গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ১ হাজার ৬২৩ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৩৫ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এবং ৪১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৮ শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
তিনি বলেন, সর্বনিম্ন ৩ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। তবে হাসপাতালে ৩ মাস থেকে ১ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা বেশি।
এ বিষয়ে মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সব রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই হাসপাতালে লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) এখনও চালু করা সম্ভব হয়নি । তবে বর্তমানে বাবল সিপ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
৫ দিন আগে
সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ জনে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মারা যাওয়া শিশুটির নাম আব্দুল্লাহ আল জায়ান। ৫ মাস ৭ দিন বয়সী শিশুটি সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার ওসমানীনগরের বাসিন্দা। শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৬৪ জন রোগী। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি, তবে একই সময়ে ৫৮ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এদিকে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৫৬ শিশুর মধ্যে ৪ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম রোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকীরা হাম উপসর্গে মারা যায়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৬৪ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ২১ জন (যার ২ জন রুবেলায় আক্রান্ত), মৌলভীবাজারে ১৬ জন, সুনামগঞ্জে ৮৫ জন এবং সিলেট জেলায় ৪২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
৬ দিন আগে