যাবজ্জীবন
মুন্সীগঞ্জে কুলসুম হত্যা মামলায় এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে কুলসুম বেগম (৩৫) হত্যা মামলায় মো. সুমন হোসেন ওরফে সুমন শেখকে (৩৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফুল আলম ভূঁইয়া এ রায় দেন। ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
নিহত কুলসুম বেগম ও দণ্ডিত সুমন শেখ দুজনই শ্রীনগর উপজেলার পূর্ব হাসাড়গাঁও গ্রামে পাশাপাশি বাড়িতে থাকতেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে পূর্ব হাসাড়গাঁওয়ে স্বামীর বাড়ির উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর নিখোঁজ হন কুলসুম। সে সময় তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।
নিখোঁজের ১৯ দিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি পূর্ব হাসাড়গাঁও গ্রামের পশ্চিম চকের একটি পতিত জমি থেকে মানুষের হাড়, মাথার খুলি, স্যান্ডেল, মাথার ক্লিপ ও কাপড়ের অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের ছেলে কামরুল হাসান অয়ন ও পরিবারের অন্য সদস্যরা এসব আলামত দেখে কঙ্কালটি কুলসুমের বলে দাবি করেন। পরে আদালতের নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আলামত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানো হয়।
ডিএনএ পরীক্ষায় আলামতগুলো কুলসুম বেগমের বলে প্রমাণিত হওয়ার পর তার ছেলে কামরুল হাসান অয়ন বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি মুন্সীগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) হস্তান্তর করা হয়।
পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসে, কামরুলকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে সুমন বিভিন্ন সময়ে ৬ লাখ টাকা নেন। পরে আরও ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়া এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কুলসুমের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সুমন কুলসুমকে পূর্ব হাসাড়গাঁওয়ের একটি অনাবাদি জমিতে ডেকে নিয়ে ধারালো দা দিয়ে মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ঘাসের স্তূপের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। হত্যায় ব্যবহৃত দা ও ভ্যানিটি ব্যাগ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সুমনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
রায়ের পর মামলার আইনজীবী ও সাবেক সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. হালিম হোসেন বলেন, আদালতের রায়ে তিনি সন্তুষ্ট ও খুশি। এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
অন্যদিকে, বাদী ও নিহতের ছেলে কামরুল হাসান অয়ন বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম আসামির ফাঁসির আদেশ হবে। সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে আদালতের রায়কে আমরা সম্মান করি।
৪ দিন আগে
খুলনায় দাদিকে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
খুলনায় দাদিকে হত্যার দায়ে মো. খলিল মোড়ল ওরফে ইরফান (২১) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমাম এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী (উচ্চমান সহকারী) মো. মাজাহারুল ইসলাম। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইরফান পাইকগাছা উপজেলার শ্রীকন্ঠপুর উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
আদালত সূত্র জানায়, আসামি ইরফান খুলনা ব্রজলাল (বিএল) কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। নিহত নুর জাহান ওরফে খানো বিবি আসামির দাদি। ইরফানের মা ফাতেমা খাতুন প্রায়ই নুর জাহানের সম্পত্তি তার নাতির নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতেন। এ নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত। বিষয়টি নিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময়ে তাদের পারিবারিক সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, ইরফান ছাত্র অবস্থায়ই অসাধু কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। মাদকের টাকার জন্য তিনি প্রায়ই দাদিকে মারধর করতেন। ইরফানের মা ফাতেমা নেশার জন্য ছেলেকে টাকা দিতেন। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করলে দাদির ওপর চলত অমানবিক নির্যাতন। একপর্যায়ে ইরফানকে পুলিশে ধরিয়ে দেন তার বাবা। পরবর্তীতে আসামির মা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে আনেন।
২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর সকালে নেশার টাকার জন্য বাড়িতে বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন ইরফান। তখন তার দাদি তাকে বাধা দেন। নেশার টাকা জোগাড় করার জন্য ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে ডাব পাড়তে গাছে উঠলে ইরফানকে বাধা দেন ওই বৃদ্ধা। সেদিন দুপুর দেড়টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ধারালো দা দিয়ে দাদিকে আঘাত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন ইরফান। এতে ঘটনাস্থলেই নুর জাহানের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় নিহতের মেয়ে ফুলি বেগম বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।
২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর-অপারেশন) দেবাশীষ দাশ ইরফানকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সিনিয়র দায়রা জজ মশিউর রহমান চৌধুরীর আদালতে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়। পরে মামলাটি খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছিল।
৫ দিন আগে
লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্রাকচালককে অপহরণ ও ছিনতাই মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন
লালমনিরহাটের পাটগ্রামে এক ভারতীয় ট্রাকচালককে অপহরণ, ছুরিকাঘাত ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২-এর বিচারক এস এম শফিকুল ইসলাম এ রায় দেন।
রায়ে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় (অপহরণ) তিন আসামির প্রত্যেককে পৃথকভাবে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। তবে দুটি সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে বলে আদালত উল্লেখ করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—পাটগ্রাম উপজেলার ইসফারমারা (সোনারভিটা) এলাকার সবুজ মিয়া, একই উপজেলার হাদীসপাড়া এলাকার রমজান আলী এবং ভাটিয়াটারী এলাকার আরিফুল ইসলাম ওরফে তানজিদ।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২১ আগস্ট দুপুরে বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে পাথর নিয়ে আসা ভারতীয় ট্রাকচালক লক্ষ্মীনন্দর সিংয়ের (৩৬) ট্রাকটি বুড়িমারী সড়কে আটকে যায়। ওইদিন দিবাগত রাত ১টার দিকে আসামিরা পে-লোডার বা ক্রেন দিয়ে ট্রাক উদ্ধারের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে মোটরসাইকেলে করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান।
পরে পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর ভোটবাড়ী এলাকায় নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে গুরুতর জখম করা হয়। এরপর তার কাছে থাকা ৮ হাজার ভারতীয় রুপি ছিনিয়ে নিয়ে তাকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় আসামিরা।
পরবর্তী সময়ে টহল পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ট্রাকচালককে উদ্ধার করে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মতিয়ার রহমান বাদী হয়ে পাটগ্রাম থানায় মামলা করেন।
বিচার শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিদের দণ্ডবিধির ৩৬৫ (অপহরণ) ও ৩৯৪ (আঘাত করে ছিনতাই) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।
আদালত সূত্র জানায়, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজ মিয়া শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন।
রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সামসুল আলম মিলন সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ তিন আসামির বিরুদ্ধে যে রায় দিয়েছেন, তাতে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি। ভারতীয় নাগরিককে অপহরণ ও ডাকাতির ঘটনা নিন্দনীয়। এই রায় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’
২০ দিন আগে
সিলেটে ১৪ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রায় ১৪ বছর ধরে পরিচয় গোপন করে আত্মগোপনে থাকা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জৈন্তাপুর মডেল থানার পুলিশ।
বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গোয়াইনঘাট থানার হরুখেল এলাকার খাটারীগাংয়ে পাথর শ্রমিক আব্দুল জলিলকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় হত্যা মামলা করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এজাহারভুক্ত আসামি জৈন্তাপুর উপজেলার জীবন বক্তারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
রায় ঘোষণার পর থেকেই জীবন বক্তার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে নিজের পরিচয় পরিবর্তন করে ‘মো. আল-আমিন’ নামে নতুন পরিচয় গ্রহণ করেন। এমনকি ভোটার তালিকায়ও নাম পরিবর্তন করে বাঘছড়া চা বাগান এলাকায় বসবাস শুরু করেন। ভুয়া পরিচয় ব্যবহারের কারণে দীর্ঘদিন তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লার সার্বিক দিকনির্দেশনায় গতকাল (বুধবার) দিবাগত রাত ২টা ৪০ মিনিটে এসআই (নিরস্ত্র) সজল দাস ফোর্সসহ বাঘছড়া চা বাগান এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন এবং জীবন বক্তার ওরফে আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।
গ্রেপ্তার আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ তথ্য নিশ্চিত করে ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, আইনের হাত থেকে কেউ চিরদিন পালিয়ে থাকতে পারে না। পরিচয় পরিবর্তন করে দীর্ঘ ১৪ বছর আত্মগোপনে থাকলেও পুলিশের ধারাবাহিক গোয়েন্দা তৎপরতা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সাজাপ্রাপ্ত এই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। জৈন্তাপুর মডেল থানা অপরাধ দমনে এবং সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
২৪ দিন আগে
ফরিদপুরে শিশুধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন
ফরিদপুরের সালথায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ মামলায় শওকত মিয়া (৩৮) নামে এক ব্যাক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আবুল বাসার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর পুলিশ পাহারায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত শওকত মিয়া ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২২ মে বিকেলে সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ৯ বছরের ওই শিশুটি বাড়ির পাশে নিজেদের শাক-সবজির (ডাটা) খেত দেখতে গিয়েছিল। এ সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা প্রতিবেশী শওকত মিয়া শিশুটিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে পাশের একটি নির্জন পাটখেতে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
পরে শিশুটির রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থা দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার’ (ওসিএসি)-এ ভর্তি করান। ঘটনার পরদিনই ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে সালথা থানায় শওকত মিয়াকে একমাত্র আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা করেন।
এরপর তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৫ অক্টোবর সালথা থানা পুলিশ আসামি শওকত মিয়াকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় সাক্ষী গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে দীর্ঘ ৬ বছর পর আদালত আজ এ রায় প্রদান করেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট অর্চনা দাস বলেন, ‘একটি অবুঝ শিশুকে নির্যাতন করে যে নৃশংসতা চালানো হয়েছিল, আজকের এই রায়ের মাধ্যমে তার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো। এই শাস্তি সমাজে অপরাধীদের মনে ভীতি সঞ্চার করবে এবং শিশু সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা এ রায়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট।’
২৪ দিন আগে
ফরিদপুরে অটোরিকশাচালক হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
ফরিদপুরে অটোরিকশাচালক নাঈম শেখ হত্যা মামলার দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই মামলার আরেক আসামি আশিক শেখের শিশু আদালতে বিচার চলছে ।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ (পারিবারিক আপিল আদালত) আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: আসমত শেখ ও সাগর মোল্লা।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২১ এপ্রিল অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে অটোরিকশাচালক নাঈম শেখকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়।
ওই ঘটনার পরদিন ২২ এপ্রিল নিহতের ভাই রাসেদ শেখ বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় আসমত শেখ, আশিক শেখ ও সাগর মোল্লাকে আসামি করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৫ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।
ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আজিজুর রহমান বলেন, আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসমত শেখ ও সাগর মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। অপর আসামির বয়স কম হওয়ায় শিশু আদালতে তর বিচার চলছে।
তিনি বলেন, ‘এই রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এতে সমাজে অপরাধ দমনে ইতিবাচক বার্তা যাবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধপ্রবণতা কমাতে সহায়ক হবে।’
২৬ দিন আগে
জামালপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন
জামালপুরে এক কিশোরীকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের মামলায় ৩ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। আসামিদের উপস্থিতিতেই বিচার কার্য সম্পন্ন হয়।
মামলার সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর সকাল ৭টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলার ভারুয়াখালী হরিপুর গ্রামের কবির হোসেনের কিশোরী কন্যা প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এ সময় বাড়ির পাশের রাস্তায় প্রাইভেটকার নিয়ে ওঁৎ পেতে থাকা শামীমের নেতৃত্বে ৩ থেকে ৪ জনের একটি দল তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান। তারা ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। সে সময় ভুক্তভোগী ভারুয়াখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা কবির হোসেন ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি জামালপুর সদর থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা করেন। সেই মামলায় আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলায় আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. জাবেদ আলী।
২৭ দিন আগে
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ২০১৫ সালের একটি হত্যা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পিরোজপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি পলাতক ছিলেন। একই মামলায় অন্য আরেক আসামি মো. ইউসুফ আকনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলে— মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের মো. ইউনুস আকনের ছেলে মো. কামরুল আকন ও চরকখালী গ্রামের মো. টুকু মিয়া হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ হাওলাদার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৭ মে বিকেলে পূর্বশত্রুতার জেরে কামরুল, সোহাগ, ইউসুফসহ আরও ২-৩ জন মঠবাড়িয়া পৌর এলাকার মো. হালিম কাজীর ছেলে রাকিবুলকে বেতমোর বাজারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ওই দিন মঠবাড়িয়া থানায় কামরুল আকন, সোহাগ হাওলাদার ও ইউসুফ আকনসহ আরও ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করে। এরপর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত কামরুল আকন ও সোহাগ হাওলাদারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল কালাম আকন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল কবির বাদল।
৩২ দিন আগে
ময়মনসিংহে মিন্টু হত্যা মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ময়মনসিংহের ভালুকায় দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টু হত্যা মামলায় দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস অভিযুক্তদের উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ৩০ হাজার টাকা এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজাপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ভালুকার নারাঙ্গীর বাসিন্দা মো.মাসুদ মিয়া (৪১) ও মো. ফরিদ খলিফা (৪৮)।
এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফরিদ খলিফার ভাই আব্দুস ছামাদ (৬৮) ও ভাতিজা আব্দুল মতিন (৪৫); মো. মোশারফ হোসেন (৫৮) ও তার ভাই মো. মোখলেছুর রহমান (৫৩); মো. মোফাজ্জল হোসেন (৫৮) ও তার ভাই তোফাজ্জল হোসেন (৪৮); মো. নাজমুল মিয়া (৪৩), মো. শাহজাহান আকন্দ (৪৮) ও তার ভাই মো. আতিকুল আকন্দ (৩৯) এবং মো. সিদ্দিক মিয়া (৬৩)। আদালতে সব আসামি উপস্থিত থাকলেও সিদ্দিক মিয়া পলাতক রয়েছেন।
বিশেষ দায়রা জজ আদালতের স্টোনোগ্রাফার হাফিজুর রহমান জানান, জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে ২০১৩ সালের ১৪ আগস্ট সকালে ভালুকার নারাঙ্গী এলাকায় দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টুর ওপর তার প্রতিবেশীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই নিহত মিন্টুর স্ত্রী লতিফা খাতুন ভালুকা মডেল থানায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এরপর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্ত, ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা, আইনজীবীদের তর্ক, শুনানী শেষে আদালতে বিচারক এ আদেশ দেন বলে জানান হাফিজুর রহমান।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. আকরাম হোসেন এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী এ এইচ এম খালেকুজ্জামান মামলাটি পরিচালনা করেন।
৩২ দিন আগে
লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যা মামলা: ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
কক্সবাজারের চকরিয়ায় সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন (২৩) হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৯ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকায় খালাস দেওয়া হয়েছে পাঁচজনকে।
বুধবার (২০ মে) দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন— চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব ডুমখালী এলাকার মো. হেলাল উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, মোর্শেদ আলম এবং একই ইউনিয়নের রিংভং ছগিরশাহ কাটা এলাকার নুরুল আমিন। তাদের মধ্যে মোর্শেদ আলম পলাতক।
হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— চকরিয়া পৌরসভার কাহারিয়াঘোনা এলাকার জালাল উদ্দিন, ভরামুহুরী এলাকার মো. আনোয়ার হাকিম, চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের উচিতার বিলের মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকার জিয়াবুল করিম, মো. ইসমাইল হোসেন, এনামুল হক, পূর্ব ডুমখালী এলাকার মোহাম্মদ এনাম, রংমহল এলাকার মো. কামাল, ছগিরশাহ কাটা এলাকার আবদুল করিম।
মামলাটিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪ জনসহ ১৩ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) খুরশিদ আলম চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিয়ে বলেন, দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামত পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি অস্ত্র মামলারও রায় দেওয়া হয়। সেই মামলায় ১৩ আসামিকে দুটি পৃথক ধারায় ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। হত্যা মামলাটির মতো ওই মামলায়ও পাঁচ আসামি খালাস পেয়েছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী তৌহিদুল এহেছান বলেন, সমাজে শৃঙ্খলা ফেরাতে এ রায় যুগান্তকারী হিসেবে পরিগণিত হবে। মামলার রায় ঘোষণার সময় ১৮ আসামির মধ্যে ১২ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ফাসির দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামির মধ্যে তিনজন কারাগারে। মোর্শেদ আলম নামের একজন পলাতক।
২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে গিয়ে ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার। এ ঘটনায় ২৫ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ ওয়ারেন্ট কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে ১৭ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতিসহ হত্যা মামলা করেন। পরে চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে একই আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করেন। দীর্ঘ ৪ মাস তদন্ত শেষে গত বছরের ১৯ জানুয়ারি ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিমের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। তিনি ৮২তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সে ২০২২ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে আর্মি সার্ভিস কোরে (এএসসি) কমিশন লাভ করেছিলেন।
৮৮ দিন আগে