জাতীয় স্মৃতিসৌধ
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত তিন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত তিন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালীব রহমান পার্থ দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন।
এদিন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনও জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে বীর শহিদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। পরে তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু জানান, তিন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার পর সাধারণ মানুষের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
৪ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর।
৪ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তারা এ শ্রদ্ধা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোর ৫টা ৫৩ মিনিটে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে পৌঁছান। রাষ্ট্রপতি স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তারা বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায় এবং বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে পুনরায় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরবর্তীতে বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। এরপর তারা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন। এছাড়া প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি এবং দেশের উত্তরোত্তর কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে প্রার্থনা করা হয়।
রাষ্ট্রীয় অতিথিতের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবাবের সদস্যরা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বিদেশি কূটনীতিকরা পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাদের শ্রদ্ধা জানান।
এর আগে, ভোরে রাজধানীতে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ভিআইপিদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষ হওয়ার পর জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
১৫৩ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তারেক রহমান।
এ সময় তিন বাহিনীর একটি সুশৃঙ্খল চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে; বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।
পরে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে সংরক্ষিত দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি পারিজাতের চারাও রোপণ করেন।
১৮৯ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। সূর্যাস্তের আগে তারেক রহমান স্মৃতিসৌধে পৌঁছাতে না পারায় শহিদদের বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্মৃতিসৌধ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের নির্ধারিত সময়সীমা সূর্যাস্তের আগেই শেষ হওয়ায় বিকাল ৫টা ৬ মিনিটে তারেক রহমানের পক্ষে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও লুৎফুজ্জামান বাবর।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, ডা. দেওয়ানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
২৪৩ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন
মহান বিজয় দিবসে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের পর ভোর ৬টা ৫৬ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান উপদেষ্টা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করে। বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতিসৌধে সংরক্ষিত দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিকসহ পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শ্রদ্ধা জানানোর পর ড. ইউনূস উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সেনা কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
২৫৩ দিন আগে
চার স্তরের নিরাপত্তায় শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ
আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। পাকিস্তানের শাসন-শোষণ থেকে বাঙালির মুক্তির ৫৪তম বার্ষিকী। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে জাতির শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হতে প্রস্তুত সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ।
ইতোমধ্যে পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রঙ-তুলির আঁচড়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। স্মৃতিসৌধ এলাকায় গ্রহণ করা হয়েছে চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। এরই মধ্যে ১১ ডিসেম্বর থেকে সব দর্শনার্থীর জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চলছে।
নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে ইতোমধ্যে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, জেলা পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও বিভিন্ন সংস্থার বড় বড় কর্তাব্যক্তিরা একাধিকবার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
রাজধানী ঢাকা থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত প্রায় ২৩ কিলোমিটার মহাসড়কে ১৩টি সেক্টরের মাধ্যমে ৪ হাজার পুলিশের ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ১৩ ডিসেম্বর থেকে সাদা পোশাকে এবং ইউনিফর্মে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে, যা ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে।
এ বিষয়ে ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, জনগণ যতক্ষণ থাকবে, ততক্ষণ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে। ১৬ ডিসেম্বর প্রত্যুষে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, কূটনৈতিক কোরের ডিন, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা জাতীয় স্মৃতিসৌধে নাম না জানা লাখো শহীদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টাকে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সর্বসাধারণের জন্য স্মৃতিসৌধ খুলে দেওয়া হবে। পরে সাধারণ জনগণের পাশাপাশি সেখানে শ্রদ্ধা জানাবেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
ঢাকা জেলা পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাভারের আমিনবাজার থেকে শুরু করে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত করার পাশাপাশি পোশাকে এবং সাদা পোশাকে চার হাজারের বেশি ফোর্স মোতায়েন করা হচ্ছে। তারা জনগণের জানমাল রক্ষাসহ সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে।
এদিকে, তথ্য অধিদপ্তরের এক বার্তায় বলা হয়েছে, বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকার গাবতলী থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত সড়কে কোনো ধরনের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো যাবে না। ওইদিন সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে স্মৃতিসৌধের আকর্ষণীয় ফুলের বাগানের কোনোরকম ক্ষতি না করার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
২৫৪ দিন আগে
মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে নির্দেশনা
মহান বিজয় দিবস-২০২৫ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন উপলক্ষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে আগামী ১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্মৃতিসৌধ এলাকার ভেতরে সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সরকারি তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতি জানানো হয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর প্রত্যুষে ভিভিআইপি ও ভিআইপিদের পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা স্মৃতিসৌধ ত্যাগ না করা পর্যন্ত, অর্থাৎ সকাল সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতি আরও জানানো হয়েছে, দিবসের অনুষ্ঠান উপলক্ষে ঢাকার গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত সড়কে কোনো ধরনের পোস্টার, ব্যানার বা ফেস্টুন লাগানো যাবে না। এছাড়া, পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগানের কোনো ক্ষতি না করার জন্য সর্বস্তরের জনগণকে বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।
২৫৮ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন
দেশের ৫৫তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টা ১১ মিনিটে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।
এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি কয়েক মিনিট নীরবতা পালন করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। বিউগলে এ সময় বেজে ওঠে করুণ সুর।
শ্রদ্ধা নিবেদনকালে প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা, তিন বাহিনীর প্রধানরা, মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। এরপর সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, দেশকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে এবং স্বাধীনতার পূর্ণ সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে অন্তর্বর্তী সরকার বদ্ধপরিকর।
তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, জনমুখী ও টেকসই উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সামনে রেখে দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
৫১৮ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং ভিআইপি নিরাপত্তার জন্য আগামী ২৫ মার্চ পর্যন্ত সব ধরনের দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৭ মার্চ) এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও বিদেশি কূটনীতিকরা শ্রদ্ধা জানাবেন। এ কারণে ২৫ মার্চ পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য স্মৃতিসৌধে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এসময় স্মৃতিসৌধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজসহ সৌন্দর্যবর্ধন করা হবে।
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সর্বসাধারণের জন্য স্মৃতিসৌধের গেট উন্মুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।
৫২৭ দিন আগে