তারেক রহমান
দেশের ভেতরে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে, সবাইকে সজাগ থাকতে হবে: তারেক রহমান
দেশের ভেতরের কোনো কোনো মহল ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা এদেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তারা যেভাবে ভোট ডাকাতি করেছিল, ঠিক একইভাবে সেই ষড়যন্ত্র আবার শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধ সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে বিএনপির প্রথম নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই আহ্বান জানান।
সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের পর স্থানীয় জনসভায় ভাষণের মাধ্যমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রচারণা শুরু করেছে বিএনপি। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বহু মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে দেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে উপস্থিত লাখো জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, কিন্তু আমরা লক্ষ করছি, দেশের ভেতরের কোনো কোনো মহল ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। গত কয়েকদিনে পত্রপত্রিকা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছে—মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানো পোস্টাল ব্যালটগুলো কীভাবে ডাকাতি করা হয়েছে। যারা এদেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তারা যেভাবে আপনাদের ভোট ডাকাতি করেছিল, ঠিক একইভাবে সেই ষড়যন্ত্র আবার শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধ আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশের মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে, জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোনো ষড়যন্ত্রকে তারা প্রতিহত করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, সবকিছুর মালিক আল্লাহ। অথচ নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেব, ওই দেব বলছে। সেটা যদি তারা বলে, তাহলে শিরকি করা হচ্ছে। কাজেই আগেই আপনাদের ঠকাচ্ছে, নির্বাচনের পরে তাহলে আপনাদের কেমন ঠকানো ঠকাবে, বোঝেন এবার। তারা শুধু আপনাদের ঠকাচ্ছেই না, যারা মুসলমান তাদের শিরকি করাচ্ছে, নাউজুবিল্লাহ!
তিনি বলেন, কেউ কেউ বলে—অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি, এবার একে দেখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাদের ভূমিকার কারণে এদেশের লাখ লাখ ভাইয়েরা শহিদ হয়েছে, এদেশের লাখ লাখ মা-বোনেরা সম্মানহানি হয়েছেন। কাজেই তাদের তো বাংলাদেশের মানুষ দেখেই নিয়েছে। এই কুফরি, হঠকারিতা ও মিথ্যার বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
১ দিন আগে
সিলেটে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা শুরু, সমাবেশস্থলে তারেক রহমান
এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিএনপির। সিলেট থেকে বরাবরের মতো এবারও প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছে দলটি। এ উপলক্ষে আলিয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় দুপুর সাড়ে ১২টায় উপস্থিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা শুরু হয়েছে। সেখানে বিএনপির স্থানীয় নেতারা বক্তব্য শুরু করেছেন।
সিলেট জেলা ও মহানগর এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে এ জনসভার আয়োজন করেছে। এতে সভাপতিত্ব করছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি বক্তব্য দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বেলা ১১ টার দিকে সভাস্থলে পৌঁছান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
জনসভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি এহসান। এ সময় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ধানের শীষ নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি (এষ) বলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো। আমাদের স্বপ্ন ছিল দলের চেয়ারম্যানকে নিয়ে সিলেটে জনসভা করা। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এখন নতুন করে স্বপ্ন দেখার সময় এসেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করে নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।’
মঞ্চে আছেন বিএনপি সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, সিলেট–২ আসনের তাহসিনা রুশদীর প্রমুখ। এ ছাড়া সুনামগঞ্জের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার সংসদ সদস্য প্রার্থীরা আছেন। এ ছাড়া সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।
সকালে গ্র্যান্ড সিলেট হোটেলে ‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এতে সিলেটের ১৯টি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
জনসভায় যোগ দিতে গতকাল (বুধবার) রাত ৮টার দিকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আকাশপথে সিলেটে আসেন। পরে তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পাশাপাশি তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ কবরস্থানে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর কবরও জিয়ারত করেন।
এরপর তিনি নগরের উপকণ্ঠে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বিরাইমপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে উপস্থিত নেতা-কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি। শ্বশুরবাড়িতে কিছু সময় অবস্থান করে সিলেট বিমানবন্দর–সংলগ্ন হোটেলে ফেরেন তিনি।
উল্লেখ্য, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমান এবং সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও প্রতিবার নির্বাচনের আগে মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি সিলেটে প্রথম নির্বাচনি জনসভা করতেন।
১ দিন আগে
চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে বিএনপি: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। পরিবারের প্রধান নারীকে এ কার্ড দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সিলেটের একটি পাঁচ তারকা হোটেলের কনফারেন্স রুমে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এই কার্ডের সুবিধাদি প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে মাসিক ভিত্তিক একটি পরিবারকে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া দেওয়া হবে খাদ্যসামগ্রী।
তিনি আরও বলেছেন, বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য বহুমাত্রিক দক্ষতা বাড়াতে কারিগরি শিক্ষা আধুনিকায়ন করা হবে। বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষায়ও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
‘দ্য প্ল্যান, ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে তরুণদের কথা শুনেন তারেক রহমান। তরুণদের উদ্দেশে নিজেও দিকনির্দেশনা দেন।
এতে উপস্থিত তরুণরা সকলেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সাধারণ শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। এই মতবিনিময় পর্ব শেষে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান।
১ দিন আগে
আজ সিলেট থেকে ভোটের প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান
মর্যাদার সিলেট-১ আসন থেকে বরাবরের ন্যায় এবারও নির্বাচনি জনসভা করতে যাচ্ছে বিএনপি। ইতোমধ্যে নির্বাচনি জনসভাকে ঘিরে সিলেটের ঐতিহাসিক সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে জড়ো হতে শুরু করেছেন দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় আলিয়া মাদরাসা মাঠে সিলেটবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে জনসভাকে কেন্দ্র করে আলিয়ার মাঠে জড়ো হতে থাকেন দলটির নেতা-কর্মীরা। অনেকেই সিলেটের দূর-দূরান্ত থেকে এসে বুধবার রাতেই মাঠে অবস্থান নিতে দেখা যায়। তারেক রহমানের আগমনে সিলেট বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসবের আমেজ।
আজ সিলেট থেকে জনসভার মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান।
এর আগে, বুধবার রাত ৮টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সেখান থেকে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে দিবাগত রাত ১টার দিকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বিরাইমপুরে তার শ্বশুরবাড়িতে যান।
বিরামপুরে তারেক রহমান হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।
এ সময় তারেক রহমান বলেন, ‘ড. জুবাইদা যেমন আপনাদের সন্তান, আমিও আপনাদের সন্তান। আমার দাবি রয়ে গেল যাতে ১২ তারিখে এই এলাকা থেকে ধানের শীষ বিজয়ী হয়। আপনাদের কাছ থেকে এই জবান নিয়ে গেলাম।’
জানা যায়, মঠের পূর্ব পাশে নির্মাণাধীন মঞ্চের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। মঞ্চের সামনে প্রায় ৩০ ফুট এলাকাজুড়ে বাঁশের খুঁটি দিয়ে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। ব্যারিকেডের ভেতরের উত্তর অংশে জুলাইয়ের শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের বসার জন্য আলাদা জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। সমাবেশস্থল থেকে সিলেট বিভাগে ১৯টি আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন তারেক রহমান।
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) বেলা সাড়ে ১১টায় আলিয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান। ওই সমাবেশে সিলেট জেলার ছয়টি এবং সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনে দল ও জোট মনোনীত প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।
১ দিন আগে
তারেক রহমানের আগমন ঘিরে সিলেটে উৎসবের আমেজ
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে আজ বুধবার সিলেট যাচ্ছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে পুরো সিলেট বিভাগজুড়ে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে।
দীর্ঘ ২২ বছর পর তারেক রহমানের সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে পুরো বিভাগ উৎসবমুখর। থানা, জেলা ও বিভাগীয় সদরে ঘণ্টায় ঘণ্টায় বের হচ্ছে প্রচার মিছিল। বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ছাড়াও জোটভুক্ত দলগুলো প্রচার মিছিল করছে। শুধু সিলেট নয়, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জেও রাজনীতির মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ছয় স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা।
দলীয় সূত্র, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
সিলেটের সমাবেশ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলেও জনসভায় ভাষণ দেবেন তারেক রহমান।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারেক রহমান আজ (বুধবার) রাতে আকাশপথে সিলেটে পৌঁছাবেন। তার সঙ্গে আসবেন দলের কেন্দ্রীয় পর্যয়ের স্থানীয় কয়েকজন নেতাও। আগামীকাল সকাল ১০টায় সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে বিএনপির জনসভা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ওই সভার মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে দলটির নির্বাচনি প্রচারণা।
২ দিন আগে
সিলেট সফরের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করছেন তারেক রহমান
আগামীকাল ২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিলেট সফরের মধ্য দিয়ে এই প্রচারণার সূচনা হবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর গুলশানে ৯০ নম্বর রোডের নির্বাচনি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, ঘোষিত তফসিল মোতাবেক, তিনি (তারেক রহমান) আজ (বুধবার) রাত সোয়া ৮টায় বিমানযোগে সিলেট জেলায় পৌঁছাবেন। এরপর গভীর রাতে হজরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন এবং আগামীকাল সকালে সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠে নির্বাচনি সমাবেশে যোগ দেবেন।
মাহদী আমিন জানান, নির্বাচনি প্রচারণা উপলক্ষে আজ দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে ঢাকার লেকশোর হোটেলে দলের নির্বাচনি ‘থিম সং’ উন্মোচন করা হবে। বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।
তিনি জানান, সিলেটের জনসভা শেষ করে তারেক রহমান সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। যাত্রাপথে তিনি মৌলভীবাজারের শেরপুর, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, নরসিংদী এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার বা রূপগঞ্জে নির্বাচনি পথসভা ও সমাবেশে অংশ নেবেন। এরপর রাতেই ঢাকায় গুলশানের বাসভবনে ফেরার কথা রয়েছে তার।
বিএনপি চেয়ারম্যানের এই সফরে দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ত্যাগী ও শীর্ষ নেতাদের সফরসঙ্গী করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে চিঠির মাধ্যমে এই কর্মসূচির বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। আমরা বিশ্বাস করি, ইতিবাচকভাবে একটি সুন্দর, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনি প্রচারণায় গুরুত্ব দিয়ে, প্রতিটি রাজনৈতিক দল সর্বোচ্চ সহনশীলতা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করবে। সব রাজনৈতিক দলের কাছে আমরা আহ্বান জানাই, নির্বাচনি আচরণবিধি পূর্ণাঙ্গ প্রতিপালনের মাধ্যমে বহুল আকাঙ্ক্ষিত নির্বাচনে যেন জনপ্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটে। আমাদের সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে এই নির্বাচন এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে, ইনশাআল্লাহ।
২ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাবেন তারেক রহমান, গণজোয়ারের প্রস্তুতি জেলা বিএনপির
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২২ জানুয়ারি সিলেট সফর শেষে সড়কপথে ঢাকায় ফেরার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়ায় আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। এই জনসভাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়াজুড়ে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
এ উপলক্ষে শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলা বিএনপির উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে জনসভা ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও প্রত্যাশিত জনসমাগম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনীতিবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
তিনি বলেন, সিলেটে মাজার জিয়ারত শেষে ঢাকায় ফেরার পথে সরাইলে তারেক রহমানের এই জনসভা গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চার করবে। তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
খালেদ হোসেন বলেন, জনসভা সফল করতে জেলা বিএনপি সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। মঞ্চ নির্মাণ, আধুনিক শব্দব্যবস্থা স্থাপন, শৃঙ্খলা রক্ষা, স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। সরাইলসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৪ থেকে ৫ লাখ নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, সহ-সভাপতি এ বি এম মমিনুল হক, জেষ্ঠ্য যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম চপলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
জেলা বিএনপি নেতারা আশা প্রকাশ করেন, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিতব্য এই জনসভা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রত্যাশা সৃষ্টি করবে।
৪ দিন আগে
সরকারে গেলে গণভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশেষ বিভাগ খুলবে বিএনপি
বিএনপি আগামী দিনে সরকার গঠনে সক্ষম হলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহিদের পরিবারগুলোর দেখভাল করার উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি বিভাগ তৈরি করবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এর আগে যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তারা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় নামে একটি মন্ত্রণালয় তৈরি করে, যা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যারা শহিদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন, এক কথায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দেখভাল করে থাকে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে বিএনপি আগামী দিনে সরকার গঠনে সক্ষম হলে জুলাই আন্দোলনের যারা শহিদ পরিবার বা যোদ্ধা আছেন, তাদের কষ্টগুলো যাতে আমরা কিছুটা হলেও কমাতে পারি, সেজন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আমরা আরেকটি বিভাগ তৈরি করব।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য জীবন দিয়েছিলেন। ঠিক একইভাবে চব্বিশে যারা যুদ্ধ করেছেন, তারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার যুদ্ধ করেছেন। স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল ১৯৭১ সালে, তাকে রক্ষা করা হয়েছে ২০২৪ সালে। তাই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আমরা একটি বিভাগ তৈরি করব, যাদের দায়িত্ব হবে এই মানুষগুলোর দেখভাল করা।
৫ দিন আগে
ইসির বিতর্কিত ভূমিকা সত্ত্বেও বিএনপি ধৈর্য দেখাচ্ছে: তারেক রহমান
গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথরুদ্ধ করার যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের কিছু বিতর্কিত ভূমিকা বা অবস্থান দেখেছি। তারপরেও একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিতে চাই।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের বাধ্যবাধকতার কারণে আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে বিএনপির পরিকল্পনা বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। কিন্তু, ইসি কিছু বিতর্কিত পদক্ষেপ নিয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা রাজনৈতিক দল হিসেবে ধৈর্য্যের পরিচয় দিতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের তীব্রতা কখনো কখনো হয়তো কিছুটা স্তিমিত হয়েছে কিংবা আন্দোলন কখনো তুঙ্গে উঠেছে। এই আন্দোলন করতে গিয়ে বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য গুম-খুন, অপহরণ, মিথ্যা মামলার হয়রানি, নির্যাতনের পরও বিএনপির একজন নেতা-কর্মীও রাজপথ ছাড়েনি।
‘কোনো পরিবারের এক ভাই নির্যাতিত হলে আরেকজন রাজপথে নেমে এসেছে। কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত রূপ ধারণ করেনি বিএনপির নেতা-কর্মীরা। তাই ভবিষ্যতে আমাদের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না।’
তিনি বলেন, গণতন্ত্রকামী প্রজন্মের উচিত শহিদ এবং যারা গুম হয়েছেন ও এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের জন্য তাদের পরিবার এখনো অপেক্ষা করছে—তাদের ত্যাগ থেকে প্রেরণা গ্রহণ করা।
শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর উদ্দেশ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান দলের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে জানান, জনগণের সমর্থনে বিএনপি যদি সরকার গঠন করে, তবে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রাষ্ট্রীয় প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম শহিদদের নামে রাখা হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের গর্বের সঙ্গে স্মরণ করতে পারে। তিনি তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, আমরা আপনাদের পাশে আছি।
তারেক রহমান আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সহিংসতার শিকার পরিবারগুলোর যথাযথ রাষ্ট্রীয় সহায়তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, রাষ্ট্রকে সাধ্যমতো এসব পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে।
তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের সামনে এখন একটি মানবিক ও জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘স্বাধীনতাপ্রিয়, গণতন্ত্রপ্রিয় প্রতিটি মানুষের সামনে জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। কেউ কেউ বিভিন্ন রকম কথা বলে একটি অবস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে, যেখানে এই গণতন্ত্রের পথ যেটি তৈরি হয়েছে সেটি যাতে বাধাগ্রস্ত হয়।
‘আমি অনুরোধ করব, বাংলাদেশের দলমত নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন; সেই প্রতিটি মানুষকে আজ সজাগ থাকার জন্য যারা বিভিন্ন উসিলা দিয়ে বিতর্ক তৈরি করে গণতন্ত্রের পথকে আবার নষ্ট করার বা ব্যহত করার চেষ্টা করছেন- তারা যাতে সফল না হয়।’
অতীতের সব অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করতে আগামীতে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা জরুরি মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এবার যদি আমরা একটি দায়িত্বশীল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং সরকার গঠনের সুযোগ হাতছাড়া, করি তাহলে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আমাদের যে শহিদ—সেই শহিদদের প্রতি জুলুম করা হবে, তাদের আত্মত্যাগের প্রতি অমর্যাদা করা হবে।’
অশ্রুসিক্ত হয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারগুলোর স্বজনরা জানান, বিগত দিনে বাসা-অফিস বা রাস্তা থেকে তাদের স্বজনদের তুলে নেওয়া হয়েছে। তাদের শেষ পরিণতি কী হয়েছে, তা তারা জানে না। অনেক সন্তান তার বাবার ছবি নিয়ে এসেছেন। তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে হাউমাউ করে কেঁদে উঠেন। তাকে জড়িয়ে ধরেন। তারেক রহমানও এ সময় চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। তিনি তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেন।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর স্বজনরা বাদেও অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কোষাধ্যক্ষ ও আমরা বিএনপি পরিবারের উপদেষ্টা রশিদুজ্জামান মিল্লাত, নিখোঁজ ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, বিএনপির সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন ও মায়ের ডাক’র সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি।
৬ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় এ বৈঠক হবে বলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে।
তারা জানিয়েছেন, বৈঠকে তারেক রহমানের সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য উপস্থিত থাকবেন। আলোচনায় নির্বাচনকালীন পরিবেশ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় উঠে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এটি হবে প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপি চেয়ারম্যানের মধ্যে দ্বিতীয় আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
এর আগে, গত বছরের ১৩ জুন লন্ডনে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের প্রথম একান্ত বৈঠক হয়। তখন তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। ডরচেস্টার হোটেলে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর উভয় পক্ষ যৌথ বিবৃতি দেয়।
যুক্তরাজ্যে ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ভিআইপি লাউঞ্জ থেকে তিনি অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।
এরপর গত ৩১ ডিসেম্বর সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় তাদের মধ্যে সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ হলেও দেশে ফেরার পর আজকের বৈঠকই হবে দুজনের প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা।
গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা যান।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে সংস্কার বিষয়ে গণভোট এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সম্পর্কিত গণভোট হওয়ার কথাও রয়েছে।
৮ দিন আগে