তারেক রহমান
জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিইএআর সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবোটিকস (বিইএআর) কনফারেন্স ২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি দেশের উচ্চপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নভোথিয়েটারে শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টায় দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং সিলিকন রিভার বাংলাদেশ কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়েছে।
‘বিল্ডিং বাংলাদেশ’স সেমিকন্ডাক্টর ফিউচার থ্রু গ্লোবাল পার্টনারশিপ’, অর্থাৎ ‘বৈশ্বিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের ভবিষ্যৎ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনে নীতিনির্ধারক, বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা, গবেষক, উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ, বিনিয়োগকারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন। তারা দেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করছেন।
আয়োজকদের মতে, সম্মেলনের লক্ষ্য বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত করা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা।
সম্মেলনে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের উন্নয়ন, বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতৃত্ব, প্রযুক্তির সমন্বয়, উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পের ভবিষ্যৎ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, প্রবাসী বাংলাদেশি প্রযুক্তি পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা এবং উন্নত উৎপাদন ব্যবস্থা নিয়ে ১১টি কারিগরি অধিবেশন ও সাতটি কৌশলগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অতিথি হিসেবে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমন্ত্রণপত্র এসেছে। আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি।’
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এ সময় ভারতে চলমান আন্দোলন, দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে আমরা আমাদের এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা এবং শান্তি বজায় থাকুক, সেটাই চাই।
ভারতের চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আমরা আশা করব, একটি গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে তারা তাদের জনগণের অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধানের দিকে এগিয়ে যাবে।
এ সময় সাংবাদিকরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলন এবং পাকিস্তান, নেপাল ও মিয়ানমারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুরো অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় থাকুক—এই নীতিতেই বিশ্বাসী।
১ দিন আগে
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে তার সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কেবল বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর নির্ভর করে না, বরং তা নির্ভর করে দীর্ঘস্থায়ী ও বিশ্বাসযোগ্য অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর। আমি প্রতিটি ব্যবসায়িক নেতাকে সেই সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের অংশ হতে আহ্বান জানাচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে ফরিন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) কর্তৃক আয়োজিত ‘বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক ‘এফআইসিসিআই এফডিআই সম্মেলন ২০২৬’-এ তিনি এসব কথা বলেন।
দেশি-বিদেশি অতিথি, ব্যবসায়ী নেতা, এফআইসিসিআইয়ের সদস্য, উন্নয়ন সহযোগী ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিদের স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই মিলনায়তনের দিকে তাকালেই আমি দেখতে পাচ্ছি দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সবচেয়ে প্রতিভাবান করপোরেট প্রধান, সফল বিনিয়োগকারী এবং বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞদের উজ্জ্বল উপস্থিতি। আপনাদের অনেকেই বাংলাদেশকে আপনাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ ও নতুন বিনিয়োগের প্রধান গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন। আপনাদের এই উদ্যোগ নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, আধুনিক প্রযুক্তির প্রবর্তন ঘটিয়েছে, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলকে সমৃদ্ধ করেছে এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অভাবনীয় অবদান রেখে চলেছে। এজন্য আমি আপনাদের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
তিনি বলেন, ‘আজ আমি আপনাদের একটি সহজ ও স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই—নতুন ও দূরদর্শী বিএনপি সরকার চায়, আপনারা বাংলাদেশে আসুন, নতুন উদ্যোগ নিন এবং ব্যবসা প্রসারিত করুন।
‘আপনি দেশীয় উদ্যোক্তা হোন কিংবা বিদেশি বিনিয়োগকারী, আপনি যখন বাংলাদেশে মূলধন বিনিয়োগ করবেন, তখন আমাদের সরকারও তার সময়, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং সময়োপযোগী নীতিমালার মাধ্যমে আপনার পাশে থাকবে। এটি কেবল একটি আশ্বাস নয়, ইনশাআল্লাহ এটি আমাদের সরকারের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার।’
রাজনীতিতে আসার আগে নিজের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমার সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে আমি শিখেছি-যেকোনও ব্যবসা কেবল উদ্যোক্তার দক্ষতা বা রাজনৈতিক আশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে সফল হতে পারে না; ব্যবসার সাফল্যের একটি বড় অংশ নির্ভর করে সরকারের প্রবৃদ্ধি-সহায়ক নীতিমালার ওপর।’
সরকারপ্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে সত্যি, তবে এর পাশাপাশি আমাদের রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা ও সুদৃঢ় ভিত্তি। আমাদের রয়েছে একটি দ্রুত বিকাশমান বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার, একঝাঁক তরুণ ও পরিশ্রমী মানবসম্পদ, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান এবং নিরঙ্কুশ জনসমর্থনপুষ্ট একটি নির্বাচিত সরকার। এই শক্তিগুলো একত্রিত হয়ে বাংলাদেশকে এক টেকসই ও স্থায়ী সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মভিত্তিক, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় পরিচালিত অর্থনীতি গড়ে তোলা। আমাদের নির্বাচনি ইশতেহার এই অর্থনৈতিক রূপান্তরের একটি সুস্পষ্ট সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রদান করে। আমরা আপনাদের কেবল বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাচ্ছি না, বরং এই রূপকল্প বাস্তবায়নে আমাদের সঙ্গে বিশ্বস্ত অংশীদার হওয়ারও উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’
২ দিন আগে
নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে র্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী
নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ভাইস অ্যাডমিরাল পদমর্যাদার র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম. নাজমুল হাসানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে এ র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানান। জবাবে ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শাহীনুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, তা-ই করবে সরকার, আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এ খাতের অগ্রযাত্রায় বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বিজিএমইএর নেতারা পোশাক শিল্পের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। পাশাপাশি এ খাতের স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে কয়েকটি দাবি ও প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন তারা।
প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের বক্তব্য শোনেন এবং যেসব সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব, সেগুলো নিরসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এগুলোর অনেকগুলোই দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা। তবে যেসব সমস্যা এখনই সমাধান করা যায়, সেগুলোতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার অবকাঠামো উন্নয়নসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিদায়ী নৌ বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এ সময় বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের কর্মজীবনের সাফল্য, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেশাদার বাহিনী হিসেবে নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অবদানের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা ও আন্তরিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান। প্রধানমন্ত্রী পরে বিদায়ী নৌপ্রধানকে নিয়ে মধ্যহ্নভোজ করেন।
২০২৩ সালের ২৪ জুলাই নৌ বাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এম নাজমুল হাসান। ১৯৮৬ সালের ১ জুলাই তিনি কমিশন লাভ করেন। সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য চাকরি জীবনে তিনি বিভিন্ন স্টাফ, ইস্ট্রাকশনাল এবং কমান্ড দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।
এছাড়া, তিনি নৌ সদরে সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশন্স), সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (পার্সোনেল), পরিচালক নৌ অপারেশন্স ও নৌ গোয়েন্দা এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অসামরিক-সামরিক সংযোগ পরিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধজাহাজ বানৌজা ওমর ফারুকসহ চারটি যুদ্ধজাহাজের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২ দিন আগে
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়-সংবলিত আটটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ হিসেবে ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
বুধবার (২২ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের। এগুলো হলো— সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (জিএসআইডিপি-২) (প্রথম সংশোধন) প্রকল্প, বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প এবং পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প।
এর পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ’ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনেরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো— সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন ও একটি মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং দুটি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ এবং সুনেত্র-২) খনন প্রকল্প।
এ ছাড়াও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় সংশোধিত একটি প্রকল্পের আওতায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর বিদ্যমান কিডনি ডায়ালাইসিস কেন্দ্রকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা এবং জেলা হাসপাতালগুলোতে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়-সংবলিত ১১টি প্রকল্প সর্ম্পকেও সভায় জানানো হয়।
এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন, গৌরনদীতে বরিশাল টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন, আঞ্চলিক ও জেলা মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ উন্নয়ন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বিদ্যুৎ সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নয়ন, পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিড নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন জেলায় বিটাকের ছয়টি কেন্দ্র স্থাপন।
অর্থ এবং পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
৩ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা চলছে।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রান্তিক মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত, সহজলভ্য ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের রোগীদের প্রতি আরও আন্তরিক হয়ে দায়িত্ব পালনের তাগিদ দিয়ে অবহেলার অভিযোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। এটাই ছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অডিটোরিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বৈঠক।
বৈঠকের শুরুতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত পাঁচ মাসে স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তারা স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন উদ্যোগ ও অগ্রগতি তুলে ধরেন।
কর্মকর্তারা জানান, বিগত সরকারগুলো স্বাস্থ্যখাত একে বারে খাদের কিনারে নিয়ে গিয়েছিল। প্রান্তিক মানুষের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
বৈঠকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসাসেবা-সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগও আলোচনায় আসে। বিশেষ করে চিকিৎসক কর্মস্থলে উপস্থিত থাকলেও রোগীরা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার অভিযোগ এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, গ্রামের মানুষের জন্য যেকোনো উপায়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে হবে। সরকারি হাসপাতালে যেন রোগীরা কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই মানসম্মত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পান এবং চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও যেতে বাধ্য না হন। সরকারি হাসপাতালকে মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কিডনি রোগীদের চিকিৎসা নিয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জেলা পর্যায়ে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টারগুলো পর্যায়ক্রমে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলা পর্যায়ে ধাপে ধাপে ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানান। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল তৈরি এবং লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করারও নির্দেশ দেন তিনি।
বৈঠকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৫১ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সরকারি উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলীরা অবকাঠামো উন্নয়নের নকশা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও শীর্ষ কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।
৪ দিন আগে
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারা দেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এর সম্প্রসারণের রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধাপে ধাপে সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
৫ দিন আগে