তারেক রহমান
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তে থাকায় উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে এক বিশেষ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ২ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছান এবং বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করেন।
এ সময় তিনি স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিটও উন্মোচন করেন।
আজ (বুধবার) বিকেল ৪টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রুমন জানান, সাধারণত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে চলতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস হওয়ায় বৈঠকটি এগিয়ে আনা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তার দপ্তরে এ ডাকটিকিট উন্মোচন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ২ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছান এবং তার কিছু দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করেন। এরপরই স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেন।
এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবদুন নাসের খান এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
আজ বিকেল ৪টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রুমন জানান, সাধারণত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে চলতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পড়ায় বৈঠকটি এগিয়ে আনা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
উচ্চশিক্ষায় বিদেশগামীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য ঋণ সহায়তার ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ এবং তার নির্দেশনায় আমরা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে যারা কোরিয়া, জাপান, চায়না, জার্মানি—এরকম দেশগুলোতে যাবেন, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন।
‘সেটা আমাদের মন্ত্রণালয়ের একটা ব্যাংক আছে—প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, ওই ব্যাংকই ডেডিকেটেড করতে বলেছেন যেন এই মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়।’
প্রতিমন্ত্রী নুর বলেন, আমাদের শ্রমবাজারের বড় একটা অংশই কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য। এই যুদ্ধের ফলে আমাদের কী ধরনের সংকট এবং সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, সেগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ধরেনমধ্যপাচ্যে যে ধরনের অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে, এগুলো আবার পুনর্নিমাণ করতে হবে। ওখানে আশা করি আমাদের দেশের শ্রমবাজার খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, বরং আমাদের দেশের চাহিদা আরও তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, সেখানে প্রধানমন্ত্রী বরাবরই থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষা শেখার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আমাদের দেশের মানুষ শুধু ভাষা না জানার কারণে তারা অল্প পয়সার চাকরি করে। ভাষা জানলে তারা একটু ভালো বেতন পেতে পারে। জাপানে এক লাখ লোক পাঠানোর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে একটা এমওইউ হয়েছে, সেটাকে কীভাবে ত্বরান্বিত করা যায়, জাপানসহ ইউরোপে কীভাবে আমরা লোক পাঠাতে পারি—এসব বিষয় নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ হয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, ইউরোপের বেশ কিছু দেশের ভিসা করার জন্য ভারত যেতে হয়। তো এটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, বাংলাদেশে তাদের একটা অফিস বা কনস্যুলার সেবা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা। এই বিষয়ে আজকে আলোচনা হয়েছে। কিছু দেশ এরইমধ্যে এখানে কনস্যুলার সেবা দিচ্ছে। বাকি দেশগুলো যেন এখানে নিশ্চিত করে—এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ সভায় অন্যদের মধ্যে ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম প্রমুখ।
১ দিন আগে
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দেশবাসীর সহযোগিতা থাকলে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে সরকার।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহুবছর পর দেশের মাটিতে দেশের মানুষের সঙ্গে স্বপরিবারে ঈদ করতে পারায় আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি বলেন, এবার যেমন নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপিত হয়েছে, ভবিষ্যতেও দেশবাসী আরও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবে—এমনটাই প্রত্যাশা।
এ সময় তিনি ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালে যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
তারেক রহমান বলেন, এই ঈদে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। প্রত্যাশিত দেশ গড়তে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
দেশবাসীর সহযোগিতা থাকলে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিন প্রথমে ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রায় বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে এ কর্মসূচি।
এ সময় তিনি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে, সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন তারা।
এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ঈদগাহ ময়দান মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহে পৌঁছান। এসময় পুরো এলাকা জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় করা হয় বিশেষ মোনাজাত।
মোনাজাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসভবনের উদ্দেশে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।
৪ দিন আগে
অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যাপক ইউনূস ছাড়াও রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক ও সিনিয়র সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম ঈদ উদযাপন। তাকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোর থেকেই যমুনা প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে জনসাধারণের জন্য যমুনার দ্বার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
৪ দিন আগে
কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
দীর্ঘ দেড় যুগ পর দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
এদিন প্রথমে ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রায় বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে এ কর্মসূচি।
এ সময় তিনি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে, সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন তারা।
এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ঈদগাহ ময়দান মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহে পৌঁছান। এসময় পুরো এলাকা জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় করা হয় বিশেষ মোনাজাত।
মোনাজাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসভবনের উদ্দেশে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।
৪ দিন আগে
একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২১ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন তারা।
এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ঈদগাহ ময়দান মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহে পৌঁছান। এসময় পুরো এলাকা জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় করা হয় বিশেষ মোনাজাত।
মোনাজাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসভবনের উদ্দেশে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।
৪ দিন আগে
ঈদ হোক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিকতার বন্ধন জোরদারের অনুপ্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।’
তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযমের পর পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জীবনে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে।
তারেক রহমান বলেন, পবিত্র রমজান মাস সংযম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির অনন্য শিক্ষা দেয়। এই এক মাসের সাধনা মানুষকে আত্মসংযমী হতে এবং অন্যের কষ্ট অনুভব করতে শেখায়। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব জাগ্রত হয়।
তিনি বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। ঈদ আমাদের ধনী-গরিব, ছোট-বড় সব ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আনন্দের দিনে আমরা যেন সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই—এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে। ‘আসুন, আমরা ঈদের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করি।’
শেষে তিনি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে প্রার্থনা করেন, তিনি যেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ, রহমত ও বরকত সবার জীবনে বর্ষিত করেন এবং দেশ ও জাতিকে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন।
৫ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশ জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো এক বার্তায় মোদি বলেছেন, ‘ভারত সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আপনাকে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।’
বার্তায় তিনি বলেন, গত এক মাস ধরে ভারতসহ সারা বিশ্বের মুসলমানরা পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালন ও ইবাদতে সময় অতিবাহিত করেছেন। ঈদের এই উৎসব মানুষকে সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও একসঙ্গে থাকার চিরন্তন মূল্যবোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে সবার শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য ও সুখ কামনা করি। আমাদের দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হোক।’
৬ দিন আগে
যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নয়, গুলশান অ্যাভেনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে নিজের বাসাতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৯ বৃহস্পতিবার) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে নিজের বাসায় থাকবেন। সরকারি বাসভবন যমুনায় উঠছেন না। তারেক রহমান গুলশানের নিজের যে ছোট বাসাটি, তাতে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সেজন্য তিনি দেশে ফেরার পর এই বাসায় উঠেছেন। সেই ভাবে বাসাটি সাজানো-গোছানো হয়েছে।’
রুমন জানান, পবিত্র ঈদের দিন সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিয়ে নামাজ আদায় করবেন।
নামাজ শেষে সকাল ১০টা থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে তিনি পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
৬ দিন আগে