তারেক রহমান
বৃহস্পতিবার খুলনা-বাগেরহাটে দিনব্যাপী কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৯টায় হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বাগেরহাটের মোংলায় যাবেন। পরে সেখান থেকে সড়কপথে খুলনায় যাবেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর দুটি ও খুলনায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে। এছাড়া তিনি বাগেরহাট জেলা শহরে হজরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।
মোংলায় কর্মসূচি শেষ করে তারেক রহমান সড়কপথে খুলনায় যাবেন এবং খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন।
দেশজুড়ে তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
তার সফরকে সামনে রেখে খুলনা নগরী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সাজানো হয়েছে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার প্রচারে জেলা স্টেডিয়াম ও আশপাশের সড়কে লাগানো হয়েছে রঙিন ব্যানার ও ফেস্টুন।
শিববাড়ী মোড় থেকে রেলওয়ে স্টেশনের প্রধান ফটক পর্যন্ত দেয়ালে খুলনার ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরে গ্রাফিতিও আঁকা হয়েছে। এসব গ্রাফিতিতে জায়গা পেয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, সুন্দরবন ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রতিকৃতি।
সরকারপ্রধানদের আগের সফরগুলোর মতো এবার নগরী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের লাগানো স্বাগত তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে যায়নি।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে স্থাপন করা তোরণ ও বিলবোর্ডের পাশাপাশি দলীয় ব্যানার ও ফেস্টুনও সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে নগরজুড়ে নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে।
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে নগরী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষা করছি।’
৭ ঘণ্টা আগে
একনেকে ৫৮,০৮৯ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ের ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১১টি নতুন ও দুটি সংশোধিত প্রকল্প।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৫০ হাজার ৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ থেকে সাত হাজার ৯৭৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৭৩ কোটি সাত লাখ টাকা জোগান দেওয়া হবে।
সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন খালের পাড় সংরক্ষণসহ পুনরুদ্ধার ও পুনঃখনন কাজের প্রথম পর্ব।
মন্ত্রণালয়টির অন্য তিনটি প্রকল্প হলো ইনোভেশন ফর ক্লাইমেট স্মার্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট, সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (এসআইডিপি) ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-৩ (তৃতীয় সংশোধিত)।
এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষায়িত যানবাহন ও অপারেশনাল যানবাহন ক্রয় করা হবে।
ঢাকা সেনানিবাসে মঈনুল রোড আবাসিক এলাকায় ‘বি’ টাইপ অফিসার্স বাসস্থান নির্মাণে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।
জিগাতলায় গাবতলা কলোনীতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পের অধীনে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় দেশের পাঁচটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচিও (পিইডিপি-৫) অনুমোদন পেয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পের আওতায় তিতাস গ্যাস ফিল্ডে তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ নামে দুটি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন করা হবে।
গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের তৃতীয় সংশোধিত প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে, যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবে।
৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের আরও পাঁচটি প্রকল্পের বিষয়ে একনেককে সভায় অবহিত করা হয়, যেগুলো ইতোমধ্যে পরিকল্পনামন্ত্রী অনুমোদন করেছেন।
প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের হৃদরোগ চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়ন, দেশের শিশু-কিশোরসহ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার ট্রাফিক অবকাঠামো উন্নয়নসহ সড়ক নিরাপত্তার প্রথম সংশোধিত প্রকল্প।
ঢাকা কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের প্রথম সংশোধিত প্রকল্প এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে আধুনিক যান-যন্ত্রপাতি সংগ্রহ প্রকল্পও পরিকল্পনামন্ত্রী অনুমোদন করেছেন।
সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু অংশ নেন।
অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
৭ ঘণ্টা আগে
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের ওপর সৃষ্ট চাপের কথা তুলে ধরে দীর্ঘদিনের এ সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে এ অনুরোধ জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানান, বৈঠকে তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে ১৩ লাখ রোহিঙ্গার উপস্থিতির কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ, জনমিতি ও পরিবেশের ওপর সৃষ্ট চাপের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং এ সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন।
জবাবে লিউ হাইশিং বলেন, চীন রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে অবগত। এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগের কথা তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে অবহিত করবেন।
সাক্ষাৎকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দেন লিউ হাইশিং।
জবাবে প্রধানমন্ত্রীও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও দেশটির প্রিমিয়ার (প্রধানমন্ত্রী) লি কিয়াংকে শুভেচ্ছা জানান।
লিউ হাইশিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরের সময় দুই দেশের ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি নতুন যুগের যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেই ঘোষণার আলোকে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতি চীনের অঙ্গীকার অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের সম্ভাবনার প্রতিও আস্থা প্রকাশ করেন চীনা মন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের জনগণের হৃদয়ে এ সম্পর্কের বিশেষ স্থান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই ঐতিহাসিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা এগিয়ে নেওয়া এখন তাদের দায়িত্ব।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিটের পাশাপাশি ১০ টাকা মূল্যমানের উদ্বোধনী খাম ও ৫ টাকা মূল্যমানের ডেটা কার্ড অবমুক্ত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এসব তথ্য জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী স্মারক ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খামে স্বাক্ষর করেন এবং বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করে আনুষ্ঠানিকভাবে সেগুলো অবমুক্ত করেন।
বাংলাদেশ ডাক বিভাগ প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকিটটি দেশের সব ডাকঘরে বিক্রি করা হবে।
এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান স্মরণে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আগামী শনিবার সারা দেশে পালিত হবে।
গত ৫ অক্টোবর মন্ত্রিসভা দিবসটি উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন করে।
১২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতিকে জাপান সফরের অভিজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক জাপান সফরের বিভিন্ন দিক এবং সফরে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
এ সময় তারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন।
এছাড়া একান্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাপানের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার আলোচনার বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে জানান।
রাষ্ট্রপতি এ সফরে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব, বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে জাপানি বিনিয়োগসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফর দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও আরও সুদৃঢ় করতে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল।
এর আগে দুপুরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান এবং বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব, অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও একান্ত সচিব-২সহ বঙ্গভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
আমদানিনির্ভরতা কমানো ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকার আগামী গ্রীষ্মের আগে জাতীয় গ্রিডে তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার আশা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক যদি এগোয়, আগামী গ্রীষ্ম মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই জাতীয় গ্রিডে সরকার তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ করতে সক্ষম হবে ইনশাআল্লাহ।’
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো আয়োজিত বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণে অর্থায়ন সহজ করতে সরকার প্রাথমিকভাবে দেড় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীরা যাতে অর্থের অভাবে পিছিয়ে না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে আরও অর্থের সংস্থান করা হবে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, এ খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে সরকার বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করেছে এবং বিভিন্ন নীতিমালা, কর ও শুল্ক-সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ নেট মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রণোদনাসহ প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কিনবে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং বাসাবাড়ির অব্যবহৃত ছাদ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, নিজের বাসায়ও তিনি সৌরপ্যানেল স্থাপন করেছেন। পরিবারের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পর সেখান থেকে কিছু অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ইতোমধ্যে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারছেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, সোলার এক্সপো প্রমাণ করেছে, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নামে লুটপাটের পরিবর্তে সাশ্রয়ী সমাধানের মাধ্যমে দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনাময় একটি খাত নয়; এটি একটি অনিবার্য বাস্তবতা।’
১ দিন আগে
ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও উদ্ধার সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণ ও জরুরি উদ্ধার কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও করণীয় বিষয়ে এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, সভায় প্রধানমন্ত্রী রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাগুলোতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবন শনাক্ত, ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বানও জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ সময় হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা, উদ্ধার সরঞ্জামের পর্যাপ্ততা, উদ্ধারকর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভূমিকম্পবিষয়ক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজুসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
কলকারখানার কার্যক্রম ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
শ্রমিক অসন্তোষ বাড়তে থাকায় কলকারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (১ নভেম্বর) রাতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ নির্দেশনার কথা জানান শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কলকারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান যেন সঠিকভাবে চলে এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা যেন নিশ্চিত থাকে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তিনি।’
তিনি আরও বলেন, মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলন, মিরপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনাসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
আরিফুল হক বলেন, জননিরাপত্তা ও স্থিতিশীল পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার উপায় নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
৩ দিন আগে
পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী
দেশের পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সংকট মোকাবিলায় বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় সচিবালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে কয়েকজন মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক ও পরিবহন শ্রমিক নেতা সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বৈঠকে অংশ নেন।।
এদিন ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে ঢাকা ও গাজীপুরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন পোশাকশ্রমিকরা। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরও করা হয়।
দাবি আদায়ে শ্রমিকরা রাস্তায় নামলে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় পুলিশ ও তৈরি পোশাকশ্রমিকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে চার থেকে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
৩ দিন আগে
দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে দেশ গঠনে তরুণদের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
তরুণদের মেধা, উদ্ভাবনী শক্তি ও কারিগরি দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে টিকে থাকতে প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
রবিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
দিবসটিতে এবারের প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজই যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি।
স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ নির্মাণ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি সংকট উত্তরণ এবং উন্নয়ন-অগ্রগতিতে তরুণদের অবদান অনস্বীকার্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় পারদর্শী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এ উপলব্ধি থেকে সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রকল্প নিয়েছে।
ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অনলাইন কাজে যুক্ত হয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারছেন বলেও জানান তিনি।
দেশের যুবসমাজকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে স্মার্ট কৃষি, রপ্তানিমুখী প্যাকেজিং ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিদেশি ভাষা শিক্ষার মতো বিষয়ে প্রশিক্ষণ চালুর ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।
বাণীতে তিনি জানান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এ পর্যন্ত ৮০ লাখের বেশি যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ সফল আত্মকর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তারা মাসে ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা এবং ক্ষেত্রবিশেষে এর চেয়েও বেশি আয় করে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছেন।
প্রশিক্ষিত যুবকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দুই হাজার ৮৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা যুব ঋণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুবশক্তির অসীম সম্ভাবনা অনুধাবন করে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশ গঠনে যুবসমাজকে সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তার দূরদর্শী নির্দেশনায় ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা পরবর্তী সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নামে পরিচিতি পায়। মাঠপর্যায়ে যুব কার্যক্রম বাস্তবায়নে ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ১৯৯১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তরুণদের কারিগরি ও বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশের সব জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। এর ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে সব জেলায় এসব কেন্দ্র স্থাপিত হয় এবং যুব কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশ ও জাতি গঠনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পর্যন্ত ৫৪৬ জন আত্মকর্মী যুবক ও যুব সংগঠককে জাতীয় যুব পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এ বছর পুরস্কার পেতে যাওয়াদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান তিনি।
এছাড়া ইমপ্যান্ট প্রকল্পের মাধ্যমে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করে পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, তরুণদের যেকোনো উদ্ভাবনী উদ্যোগ এগিয়ে নিতে সরকার ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছে। কোনো উদ্ভাবনী উদ্যোগ যেন অর্থের অভাবে থেমে না যায়, সে লক্ষ্যেই দেশে প্রথমবারের মতো স্টার্টআপ খাতে বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
জাতীয় যুব দিবসের প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে যুবসমাজ দেশের অগ্রগতি, নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
দিবসটি উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৪ দিন আগে