তারেক রহমান
সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয়, নিজেদের বাংলাদেশি ভাবতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু হিসেবে নয়, দেশের সব নাগরিককে নিজেদের বাংলাদেশি হিসেবে ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, রাষ্ট্র ও সমাজে দল, মত, ধর্ম ও বর্ণের পরিচয় যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ ও বৈষম্য সৃষ্টির কারণ না হয়। এ উপলব্ধি থেকেই দেশের সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ রাখতে স্বাধীনতার ঘোষকের যুগান্তকারী রাজনৈতিক দর্শন ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং পুরোহিত ও সেবাইতদের মধ্যে সম্মানি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান গ্লোবাল ভিলেজে সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু—এসব পরিচয় কোনো মুখ্য বিষয় নয়। অতএব, সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয়, আসুন আমরা সবাই নিজেদের বাংলাদেশি ভাবি।’
তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্র ও সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের সম্মেলনই বৈচিত্র্যময় সমাজের সৌন্দর্য। কেউ যদি কাউকে সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু হিসেবে বিবেচনা করেন, তাহলে ইউরোপ বা আমেরিকা সফরের কথা মনে রাখা উচিত। ইউরোপ-আমেরিকা সফরে গেলে আমরা সবাই কিন্তু সেখানে সংখ্যালঘু!
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সকল নাগরিকের গর্বিত পরিচয়—আমরা সকলে বাংলাদেশি।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশে আবহমানকাল থেকে দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি পালন করে আসছে। তবে মাঝেমধ্যে কংস চরিত্রের মানুষেরা রাষ্ট্র ও সমাজে বিভেদ ও বিরোধ সৃষ্টি করে তা জিইয়ে রাখার অপচেষ্টা চালিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশে-বিদেশে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ চালুর পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের আয়োজন করার পরিকল্পনা করছে।’
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে সংসদ অধিবেশন শুরুর পর প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হয়। প্রথম ৩০ মিনিটে তারেক রহমান সরাসরি চারটি লিখিত প্রশ্ন ও ছয়টি সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর দেন।
মনিরুল হকের একটি তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৬ সালে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সব কওমি মাদরাসার সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ‘কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ’ নামে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামী’য়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর অধীনে সরকার ২০১৮ সালে কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) সনদকে ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সমমান দিয়ে একটি আইন প্রণয়ন করে এবং ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
সেই ছয়টি বোর্ড হলো বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ, বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া গওহরডাঙ্গা বাংলাদেশ, আনজুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ (কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড), আযাদ দ্বীনি এদারায়ে তাঅলীম বাংলাদেশ বোর্ড, তানজিমুল মাদারিসিদ্বীনিয়া বাংলাদেশ ও জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ।
তারেক রহমান জানান, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬’ সংশোধনের পর গত ২৩ জুন ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সনদ স্বীকৃতি পায়।
এর ফলে কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) ডিগ্রির পাশাপাশি ইলমুল কিরাত বা হিফজুল কোরআন সনদধারীরা সহকারী মৌলভী (ক্বারী) ও ইবতেদায়ী ক্বারী পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
সাধারণ শিক্ষা কারিকুলামে আরও আরবি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়ার অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় শিক্ষা ইতোমধ্যে নিয়মিত কারিকুলামের অংশ এবং সরকার এটিকে কীভাবে আরও উন্নত করা যায় তা পর্যালোচনা করে দেখতে পারে।
এছাড়া ইবতেদায়ী মাদরাসা জাতীয়করণের বিষয়ে কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুল আলমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান তাকে এ বিষয়ে আলাদা নোটিশ দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, আপনি আমাকে একটি আলাদা নোটিশ দিলে আমি বিষয়টি সঠিকভাবে খতিয়ে দেখব এবং বিস্তারিত তথ্য সংসদে উপস্থাপন করব।
১ দিন আগে
শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের
শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই প্রত্যাশার কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে ট্রাম্প বলেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেলেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
চিঠিতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালবাসার কথাও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এছাড়া বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেন, বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মনোযোগের কথা ভুলবেন না বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প।
২ দিন আগে
জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায়: প্রধানমন্ত্রী
জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ ১ সেপ্টেম্বর সোমবার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
তিনি বলেন, দেশের জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ণ রেখে বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভার্থীরা দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিবেদন করে আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দিনটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার।
তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে দলটির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দেন। এর ধারাবাহিকতায় বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন পথচলা শুরু হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুম বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের মাধ্যমে বিএনপিকে দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।
তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে এবং করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশে যতবার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে, ততবারই গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী, শুভার্থী ও সমর্থকরা জীবন উৎসর্গ করেছেন।
গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত যারা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন এবং আহত হয়েছেন, তাঁদের অবদানও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, জনগণ যখনই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, তখনই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারীশিক্ষার প্রসারসহ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশকের ‘ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের’ অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায় বিএনপি।
বিএনপির অপর নাম একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম উল্লেখ করে তিনি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গণতন্ত্রকামী ও স্বাধীনতাপ্রিয় দেশবাসীকে আবারও শুভেচ্ছা জানান।
২ দিন আগে
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া-খালেদার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে তাদের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানান।
পরে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সবাইকে নিয়ে ফাতেহা পাঠ করেন এবং শহিদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।
২ দিন আগে
রাজধানীর যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারের একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত
রাজধানীর যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) ব্যবস্থা চালু, ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর, গাবতলী বাস টার্মিনাল সম্প্রসারণ এবং কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেট গাবতলীতে সরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে ঢাকার চলমান যানজট পরিস্থিতি, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফ্লাইওভারে যানবাহনের চাপ, গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, বাস টার্মিনাল পুনর্বিন্যাস, পার্কিং ব্যবস্থা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওভারের টোল প্লাজাগুলোতে ইটিসি ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত হয়। এর মাধ্যমে টোল আদায় ব্যবস্থাকে আরও দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হবে। এ লক্ষ্যে একটি অ্যাপও তৈরি করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগামী চার মাসের মধ্যে এ কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের আশপাশের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আগে তৈরি করা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে বুয়েটকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল করতে ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ করে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
স্থায়ী বাস টার্মিনাল নির্মাণ দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প হওয়ায় এর আগে ঝিলমিল প্রকল্পের ১৫ একর জমিতে আগামী চার মাসের মধ্যে একটি অস্থায়ী বাস টার্মিনাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফুলবাড়িয়া থেকে টার্মিনালটি সরানো হলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় অংশে বাস ও আন্তঃজেলা যানবাহনের চাপ কমবে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।
গাবতলী বাস টার্মিনালের সক্ষমতা বাড়াতে এর পেছনের অংশ সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তও হয়েছে। কাজটি দ্রুত বাস্তবায়নে সড়ক বিভাগ, ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর যানজট কমাতে কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটও গাবতলীতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
সচিবালয়ের আশপাশের যানজট নিরসনে পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প পার্কিংয়ের স্থানও খুঁজে দেখতে বলা হয়েছে।
ঢাকা শহরে অটোরিকশা চলাচল আরও সুশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রিত করতে পৃথক নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া অনুমোদনহীন ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের চলাচলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর যানজট নিরসনে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহিদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন এবং সর্বশেষ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যারা শহিদ, নিখোঁজ বা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন বাস্তবতার কারণে অনেক সময় হয়তো প্রত্যাশা অনুযায়ী অনেক কিছু সময়মতো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। কিন্তু তারপরেও আমরা সেখান থেকে ইনশাল্লাহ পিছিয়ে আসব না এবং আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে আমরা চেষ্টা করব সেই আকাঙ্ক্ষাগুলো বাস্তবায়ন করতে।’
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে গুম-খুনের শিকার পরিবার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ও শহিদ পরিবারের ৭৪ জন সদস্যের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য যারা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং যারা বিভিন্নভাবে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের ত্যাগের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।
উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের পরিবারের যে সদস্যরা আজকে হারিয়ে গিয়েছেন, তারা যে লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য নিয়ে এই দেশের জন্য বা এই দেশের মানুষের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন, অথবা যারা বিভিন্নভাবে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন—তাদের যে লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য ছিল, দেশ ও জাতিকে ঘিরে যে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ছিল, সেই লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য যাতে সরকার বাস্তবায়ন করতে পারে, তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।’
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের আকাঙ্ক্ষা, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহিদ ও ক্ষতিগ্রস্ত গণতন্ত্রকামী মানুষের আকাঙ্ক্ষা এবং সর্বশেষ জুলাই আন্দোলনে শহিদ ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে।
তিনি বলেন, নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সরকার দাঁড়িয়েছে—বিষয়টি এভাবে দেখলে পুরো চিত্রটি পাওয়া যাবে না। বরং এসব পরিবার সরকারের উৎসাহ, উদ্দীপনা ও শক্তির উৎস।
এ বিষয়ে তার ভাষ্য, ‘এই মানুষগুলো বা এই পরিবারগুলোর সহযোগিতা বা সমর্থন আছে বলেই সরকার পূর্ণ উদ্যোগে সেই শহিদ বা সেই আত্মত্যাগকারী মানুষগুলোর আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করার জন্য উৎসাহ নিয়ে, উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করছে। কাজেই আমরা না, বরং আপনারাই হচ্ছেন আমাদের উৎসাহ, উদ্দীপনা এবং শক্তির উৎস।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ সরকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রাখলে সরকার ততদিন এসব পরিবারের সমর্থন ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাবে।
সরকারপ্রধান বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অরাজনৈতিক ব্যক্তি-পরিবারেরও অবদান ও আত্মত্যাগ রয়েছে। সরকারের সীমাবদ্ধতা থাকলেও তাদের ও তাদের পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত পরিবারগুলোর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তা কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে সরকার তাদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। ‘আমাদের অবস্থান থেকে আমরা আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি, ইনশাল্লাহ থাকব।’
শহিদসহ সব আত্মত্যাগী গণতন্ত্রকামী মানুষের দেশ ও জাতিকে ঘিরে থাকা প্রত্যাশা পূরণে সরকারের প্রচেষ্টায় এসব পরিবারের সহযোগিতা ও সমর্থনও কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
৫ দিন আগে
জুলাই শহিদ জুবায়েরের অসুস্থ বোনের পাশে প্রধানমন্ত্রী
চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে লালমনিরহাটে শহিদ জুবায়ের হোসেনের বোন জেসমিন আকতারের চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট লালমনিরহাটে শহিদ হন জুবায়ের হোসেন। তার একমাত্র বোন ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী জেসমিন আকতার বর্তমানে ব্রেন টিউমারে (ব্রেন স্টেম গ্লাইওমা) আক্রান্ত। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জেসমিনের অসুস্থতার বিষয়টি জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে যায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের নিউরো অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম সাইফুদ্দিন বাবু, ড্যাবের আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য গোলাম রহমান ও রবিউল আওয়াল এবং ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ অন্যরা।
প্রতিনিধিদলটি শহিদ জুবায়েরের বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে এবং জেসমিনের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
৯ দিন আগে
বাল্যবিবাহ ও ঝরে পড়া রোধে মেয়েদের উপবৃত্তি ফের চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহ রোধে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।
এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সর্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়ে আলোচনা হয়। ওই কর্মসূচি মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানো, শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছিল বলে বৈঠকে উঠে আসে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং এর প্রত্যাশিত সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
একই সঙ্গে ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকেও শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিদ্যালয় পর্যায়ে মধ্যাহ্নভোজ কর্মসূচির ব্যবস্থাপনা, খাবারের পুষ্টিমান এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করা খাবার পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে খাদ্যের মানের ক্ষেত্রে কোনো আপস না করার নির্দেশ দেন।
মধ্যাহ্নভোজ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যয়, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ ও খাবারের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয় বিবেচনায় রেখে দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এসব পদ্ধতির কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য ফলাফল যাচাইয়ে পৃথক দুটি জেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১০ দিন আগে
পেশাগত দক্ষতা-সততার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পদোন্নতির জন্য রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে থেকে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনি পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (২৩ আগস্ট) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে ‘নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। এ ছাড়াও বিমান বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদবির যোগ্য কর্মকর্তারা পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।
১১ দিন আগে