তারেক রহমান
শোকের সময় জাতির মাঝেই পরিবার খুঁজে নিলেন তারেক রহমান
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ে লাখ লাখ মানুষ শ্রদ্ধা-ভালোবাসা জানানোয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তার বড় ছেলে তারেক রহমান। তার মার বিদায়ের এই চরম দুঃখের সময়ে জাতি যে বিপুল ভালোবাসা ও সংহতি প্রকাশ করেছে , তাতে তার মনে হয়েছে যে পুরো জাতিই তার পরিবার।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জতির কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এ কথা বলেছেন।
তারেক রহমান বলেন, গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভাস্বর হয়ে আমি আমার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম শিক্ষক, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আমার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছি। তার অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তবু, এই কঠিন মুহূর্তে দেশের মানুষের অভূতপূর্ব উপস্থিতি আমাকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি।
তারেক রহমান আরও বলেন, অগণিত নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, পরিবার ও দেশবাসীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আমি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। লক্ষ-লক্ষ মানুষ একসাথে এসে যেভাবে সম্মান জানিয়েছে, ভালোবাসা দিয়েছে, এবং এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছে; তা আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, তিনি শুধু আমার মা ছিলেন না; অনেক দিক থেকে তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির মা।
এ সময় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি যারা খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি, বৈশ্বিক কূটনীতিক এবং উন্নয়ন সহোযোগীরা সশরীরে উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা জানান, আমি গভীরভাবে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। যেসব দেশ সমবেদনা প্রকাশ করেছে, তাদের প্রতিও আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আপনাদের এই সহমর্মিতা আমাদের হৃদয় গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে।
তারেক রহমান বলেন, শোকের এই মুহূর্তে আমি আমার প্রাণপ্রিয় বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করছি। আজ এত মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে, পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, আমার মা সারাজীবন নিরলসভাবে মানুষের সেবা করেছেন। আজ তার সেই দায়িত্ব ও উত্তরাধিকার আমি গভীরভাবে অনুভব করছি। একাগ্রতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যেখানে আমার মার পথচলা থেমেছে, সেখানে আমি চেষ্টা করবো সেই পথযাত্রাকে এগিয়ে নিতে—সেই মানুষদের জন্য, যাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস তাকে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শক্তি দিয়েছে, প্রেরণা যুগিয়েছে।
তিনি তার মায়ের জন্য দোয়া কামনা করে বলেন, আল্লাহ যেন আমার মার রূহকে শান্তি দান করেন। আর তিনি যে অসীম ভালোবাসা, ত্যাগ ও উদারতার উদাহরণ আমাদের সবাইকে দিয়ে গেছেন, সেখান থেকেই আমরা শক্তি, ঐক্য এবং দেশপ্রেম খুঁজে পাই।
১ দিন আগে
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠকে বিএনপি
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা, দাফন ও পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির জরুরি সভা শুরু হয়েছে।
গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ৩৮ মিনিটে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ সভা শুরু হয়।
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় গুলশানের বাসভবন থেকে তারেক রহমানের গাড়ি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রবেশ করে। তার আসার আগেই সভায় অংশ নিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এসে পৌঁছান।
বৈঠকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলের বিস্তারিত কর্মসূচির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।
বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান।
এ ছাড়াও উপস্থিত হতে পথে রয়েছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বৈঠক ঘিরে কার্যালয়ের সামনে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী জড়ো হয়েছেন।
৩ দিন আগে
দেশকে নতুন করে গড়ে তোলার আহ্বান তারেক রহমানের
দেশের নতুন রূপরেখা ও জাতি গঠনে প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, ‘দেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, তাকে সে অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে হবে। এমনকি রাস্তায় একটি ময়লা কাগজ পড়ে থাকলেও তা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।’
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রায় দেড় যুগ পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি এ আহ্বান জানান।
এর আগে, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। এসময় দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী ও কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ফুল দিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অভ্যর্থনা জানান।
এসময় কার্যালয়ের বাইরে ভিড় জমান বিএনপির হাজারো নেতা-কর্মী। তারেক রহমান কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বারান্দায় এসে নেতা-কর্মীদের হাত নেড়ে অভিবাদন জানান।
সেসময় তিনি লক্ষ্য করেন, কার্যালয়ের সামনের সড়ক ও আশপাশে নেতা-কর্মীদের ভিড়ে সড়কে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছে।
সঙ্গে সঙ্গে মাইক হাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘যেহেতু আজকে আমাদের কোনো কর্মসূচি নেই, তাই জনদুর্ভোগ এড়াতে আমি আপনাদের রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনাদের অবস্থানের কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ও যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।’
একইসঙ্গে তিনি তার অসুস্থ মা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।
এর আগে, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গুলশানের বাসভবন থেকে তারেক রহমানের গাড়িবহর নয়াপল্টনের উদ্দেশে রওনা হয়। নেতা-কর্মীদের উপচে পড়া ভিড় ঠেলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করতে তার প্রায় আধঘণ্টা সময় লাগে। বিকেল ৪টার দিকে তিনি কার্যালয়ের মূল ফটকে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান রিজভী ও মিল্লাতসহ দলের শীর্ষ নেতারা।
এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারাসহ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তারেক রহমানের আগমনের খবরে দুপুর থেকেই নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে থাকেন নেতা-কর্মীরা। তারা জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবিসম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে শোডাউন করেন। এ সময় যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দলটির কার্যালয় ও সংলগ্ন এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকদেরও তৎপর থাকতে দেখা যায়।
৪ দিন আগে
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তার প্রধান নির্বাচনি সমন্বয়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম এবং অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।
এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকসহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশের বাইরে রাখা হয়েছে। তাকে অত্যাচার-নিপীড়ন করা হয়েছে। আমরা আপনাদের সবার কাছে তার জন্য দোয়া চাই। আগামী নির্বাচনে আমরা বিশ্বাস করি, উনি এ আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন এবং দেশের সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দেশের যে আজকে একটা ক্রাইসিস, সংকট চলছে, সেটা থেকে উত্তরণ ঘটাতে সচেষ্ট হবেন।
অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কথা রয়েছে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার।
এছাড়া, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে আজ বগুড়া-৭ আসনের মনোনয়নপত্রও জমা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনুর নেতৃত্বে বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে ফেনী-১ আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে।
এর আগে, রবিবার বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে দিনাজপুর-৩ আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেন জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শয়রুল কবির খান জানিয়েছেন, ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং দলের সব প্রার্থী নিজ নিজ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় আজ (সোমবার) বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এরপর গত ১৮ ডিসেম্বর তফসিল-সংক্রান্ত সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি। সেখানে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সময় দুদিন কমিয়ে আপিল নিষ্পত্তির সময় দুদিন বাড়ানো হয়।
সংশোধিত তফসিলের নির্বাচন সময়সূচি অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে, আর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।
৪ দিন আগে
ভোটার হলেন তারেক রহমান
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোটার হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা সারার পরের দিনই তার নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান সাহেবের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি মাননীয় নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।’
এর আগে, গতকাল (শনিবার) তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমান আগাওগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন ও ভোটার হওয়ার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
তারেক রহমান ও জাইমা রহমান গুলশান এলাকার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওতায় ঢাকা-১৭ আসনে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। ভোটার নিবন্ধনে গুলশান-২-এর ১৯৬ নম্বর বাড়ি তাদের ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
গতকাল ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন, তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানের ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। তাদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে রবিবার সিদ্ধান্ত নেবে ইসি।
তিনি আরও বলেছিলেন, ভোটার নিবন্ধন আইন ২০০৯-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক, ভোটার হতে সক্ষম ব্যক্তিকে ভোটার করার এখতিয়ার কমিশনের আছে। তাদের (তারেক ও জাইমা) আবেদন আগামীকাল (রবিবার) কমিশনে পেশ করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
৫ দিন আগে
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ইউএনবিকে বলেছিলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানকে ঢাকা-১৭ আসনটি ছেড়ে দিয়ে ভোলা-১ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ।
৫ দিন আগে
তারেক-জাইমার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত রবিবার
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমান ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, তাদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে রবিবার সিদ্ধান্ত নেবে ইসি।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আখতার আহমেদ বলেন, ঢাকা-১৭ আসনের গুলশান এলাকার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনরে (ডিএনসিসি) ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই ওয়ার্ডে ভোটার হতে আবেদন করেছেন তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। তাদের ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, ভোটার নিবন্ধন আইন ২০০৯-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক, ভোটার হতে সক্ষম ব্যক্তিকে ভোটার করার এখতিয়ার কমিশনের আছে। তাদের (তারেক ও জাইমা) আবেদন আগামীকাল (রবিবার) কমিশনে পেশ করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এর আগে, আজ দুপুর ১টার দিকে আগারগাঁও নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে উপস্থিত হন তারেক রহমান। সেখানে প্রথমে আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ প্রদান করে ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন তিনি। এসময় তার মেয়ে জাইমা রহমানও ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেন।
৬ দিন আগে
ছোট ভাই কোকোর কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
ইনকিলাব মঞ্চের সদ্য প্রয়াত আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের পর ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে গিয়ে কোকোর কবর জিয়ারত করেন তিনি।
আরাফাত রহমান কোকো বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এর আগে, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাদির কবর জিয়ারত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে যান তারেক রহমান। এরপর ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে পৌঁছান তিনি।
গত বৃহস্পতিবার দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজধানীর জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে গণসংবর্ধনার আয়োজন করে বিএনপি। সেখানে লাখ লাখ মানুষ ও দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা সমবেত হন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যান।
এরপর গতকাল (শুক্রবার) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। এরপর তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
৬ দিন আগে
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এনআইডি পাবেন তারেক রহমান: ডিজি
ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করার ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাবেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এস এম হুমায়ুন কবীর।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নির্বাচন কমিশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
হুমায়ুন কবীর বলেন, আমরা যতটুকু জেনেছি, তিনি অনলাইনে ফরম পূরণ করেছেন। এখন আমাদের কাছে এসে কেবল আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন। এরপর সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার তথ্য সার্ভারে অনুসন্ধান করে দেখবে, সেটি কারও সঙ্গে মিলছে কি না। না মিললে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে। এটি আমাদের হাতে নেই।
মহাপরিচালক বলেন, তিনি আমাদের কাছ থেকে এনআইডি বা স্মার্ট কার্ড যে কোনোটি নিতে পারবেন। আবার তার মোবাইলে এসএমএস যাবে, সেখান থেকেও ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
আজ দুপুরেই তার নিবন্ধন সম্পন্ন করার কথা রয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারেক রহমান ইনকিলাব মঞ্চের সদ্য প্রয়াত মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন।
৬ দিন আগে
হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে তিনি গুলশানের বাসা থেকে বের হন। এরপর সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ-সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে পৌঁছান।
এদিকে, নেতার আগমনের খবরে শাহবাগ মোড় ও আশেপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন।
অনেকে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা প্রদর্শন করে নানা স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন। শাহবাগ থানার সামনে নিরাপত্তা বেস্টনি দিয়ে সাধারণ মানুষের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
ওসমান হাদির কবর জিয়ারত শেষে তারেক রহমানের নির্বাচন কমিশন (ইসি) অফিসে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি নাগরিক হিসেবে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।
এরপর তিনি ধানমণ্ডিতে তার শ্বশুরবাড়িতে যাবেন। ধানমণ্ডি থেকে অসুস্থ মাকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান।
তবে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে (জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান) জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আহত না থাকায় সেখানে যাওয়ার কর্মসূচি বাতিল করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি মিডিয়া সেল এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে শুক্রবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন তারেক রহমান। এরপর তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
গত বৃহস্পতিবার দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজধানীর ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে বিএনপি গণসংবর্ধনার আয়োজন করে। সেখানে লাখ লাখ মানুষ ও বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা সমবেত হন।
৬ দিন আগে