তারেক রহমান
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
পরিবেশ সুরক্ষা জোরদার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে একটি গর্জন গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ১১ প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।
জানা গেছে, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল-ক্ষমতায় এলে সারাদেশে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে।
কক্সবাজারের মালুমঘাটে এই কর্মসূচির উদ্বোধনের মাধ্যমে সরকার তাদের আরেকটি নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করল।
পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আগামী পাঁচ বছরে এই বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
প্রথম ধাপে দেশের ৪৯টি জেলার ১৪৯টি উপজেলায় দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এবং পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার প্রমুখ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। এরপর ঢাকার কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ এবং সিলেটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি’ উদ্বোধনের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় পাইলটিং প্রকল্প শুরু করে সরকার। একই সঙ্গে সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতা এবং ক্রীড়াবিদদের জন্য সম্মানী ও স্পোর্টস কার্ড প্রদান কর্মসূচিরও সূচনা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটাই তার প্রথম কক্সবাজার সফর। সফরসূচি অনুযায়ী, পাতলী খালের খনন উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে এক পথসভায় বক্তব্য দেন। পরে তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন এবং মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে পেকুয়ায় গিয়ে জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহিদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। একই সফরে পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলা প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনেরও কথা রয়েছে।
বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনাল এলাকায় স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জনসভা শেষে তিনি কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র সৈকত এলাকা পরিদর্শন করবেন। সফরের শেষ পর্যায়ে হোটেল লং বিচের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন।
সব কর্মসূচি শেষে রাত প্রায় ১০টার দিকে আকাশপথে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারজুড়ে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। দীর্ঘদিন পর এমন উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় সফরে নতুন প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠেছে দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজার।
১ দিন আগে
অস্থিতিশীলতা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বাজেটের বিরোধিতা করছে বিরোধী দল: প্রধানমন্ত্রী
দেশে অস্থিতিশীলতা ও অশান্তি তৈরি করতে বিরোধী দল প্রস্তাবিত বাজেটের বিরোধিতা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, তাদের (বিরোধী দল) লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়; তাদের উদ্দেশ্য একটাই, দেশের মধ্যে একটি অস্থিতিশীতা-অশান্তি তৈরি করা, মানুষকে বিভ্রান্ত করা।
শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী পাতলীখাল আনুষ্ঠানিক পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খবরের কাগজগুলোতে দেখলাম, আলহামদুলিল্লাহ, এইবার বাজেটের পরে এখন পর্যন্ত কোন জিনিসের দাম বৃদ্ধি পায়নি। কারণ চাল, ডাল, তেল, নুন সব প্রয়োজনীয় যে জিনিসপত্রগুলো আছে তার ওপর যে সকল ট্যাক্স ছিল, বর্তমান সরকার এই দুইদিন আগের বাজেটে ৬০টি পণ্যের উপর থেকে ট্যাক্স তুলে নিয়েছে, যাতে করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম না বাড়ে। এর উদ্দেশ্য লক্ষ্য একটাই. দেশের মানুষ যাতে ভালো থাকতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘বিরোধী দল বলছে যে এই বাজেট তারা মানে না, এই গণবিরোধ বাজেট তারা মানে না। আপনাদের কাছে আমি প্রশ্ন রেখে যেতে চাই, যেই বাজেটে ট্যাক্স কমানো হয়, সেই বাজেটও বিরোধী দল মানে না। যেই বাজেটে মদের দাম বাড়ানো হয়, যেই বাজেটে সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়, সেই বাজেটও বিরোধী দলের পছন্দ নয়। তাহলে এবার বিরোধী দলের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন?’
১ দিন আগে
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু: প্রধানমন্ত্রী
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যে ৫ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিষয়ক একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮০ দিনের মধ্যে ৫টি জেলা যথাক্রমে খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার জনসাধারণকে ই-হেলথ কার্ড সেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই ই-হেলথ কার্ড ইলেক্ট্রনিক রিফারেল সিষ্টেম এবং ইলেক্ট্রনিক পেসেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম এর সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ১৮০ দিনের কর্মসূচি অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন।
কর্মসূচিগুলো হচ্ছে—
নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং পর্যায়ে এ পর্যন্ত ৩৬টি ইউনিটের ৬০ হাজার ৪৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।
কৃষক কার্ড এর প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি কৃষি ব্লকে এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৭৪৮ জনকে কৃষক কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে।
৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার-প্যাগোডা এবং ৩৯৬টি গির্জায় কর্মরত ব্যক্তিবর্গকে মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ সুবিধা সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৬৬৬টি খাল খনন, পুনঃখনন কার্যক্রম চলমান। খনন/পুনঃখননকৃত খালের মোট দৈঘ্য ৯৬৫ দশমিক ০৪ কিলোমিটার।
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বনায়ন সৃজনের অংশ হিসেবে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৩ কোটি ১৪ লাখ চারা রোপণ করা হবে।
আগামী অর্থবছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন স্কুলে পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।
ল্যাংগুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় বিদ্যমান জামানতবিহীন ঋণ সীমা ৩ লাখ হতে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। জাপানগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা প্রাপ্তির পূর্বেই সার্টিফিকেট অফ ইলিজিবেলিটির ভিত্তিতে এ ঋণ প্রদান সহজীকরণ করা হয়েছে।
২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি ও নেট মিটারিং এর মাধ্যমে মোট ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।
১২-১৪ বছরের শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এতে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ মোট ৮টি খেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ শুরু হবে শীঘ্রই: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করবে সরকার।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আবুল কালামের সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ সংক্রান্ত এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সংসদকে জানাতে চাই, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে বেশ কিছু শূন্য পদ রয়েছে। সরকারি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এবং মানুষের কাছে সেবা আরও সহজে ও দক্ষতার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে এই পদগুলো পূরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি জানান, সরকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা ও পর্যালোচনা করছে।
তারেক রহমান বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আমরা যত দ্রুত সম্ভব এই শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করব।’
পাবনা-৫ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের অনুপস্থিতিতে তার তারকা চিহ্নিত অপর এক প্রশ্ন উত্থাপন করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব। জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ৫ লাখ সরকারি কর্মচারি নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তারমধ্যে শুধু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাসমূহে শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জন লোক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল ৩টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রশ্নোত্তরের জন্য বরাদ্দ ছিল। তার জন্য তালিকাভুক্ত পাঁচটি তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের মধ্যে তারেক রহমান তিনটির উত্তর দেন এবং সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নেরও জবাব দেন।
সরকার সম উন্নয়নে বিশ্বাসী
মাদারীপুর-২ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান বলেন, রাজনৈতিক অধিভুক্তি নির্বিশেষে সারা দেশে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিরোধীদলীয় নেতার উপস্থিতিতে সংসদীয় কার্য উপদেষ্টা কমিটির সাম্প্রতিক একটি বৈঠকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঈদুল ফিতরের আগে বিতরণ করা সরকারি কিছু সহায়তা বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য পাননি বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বৈঠকের পর আমি অবিলম্বে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশ দিই যেন কোনো বিরোধী দলীয় এমপি সহায়তা না পেয়ে থাকলে তাদের বিলম্ব না করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’
এই নির্দেশনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করতে চান যে, বর্তমান সরকার দেশের সুষম উন্নয়নে বিশ্বাসী।
তিনি বলেন, সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা যেভাবে তাদের নির্বাচনি এলাকার উন্নয়নে কাজ করেন, ঠিক তেমনি বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরাও সরকারের কাছ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন। আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব যেন তাদের এলাকাতেও সমানভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।
৪ দিন আগে
বাজেট-পূর্ব একনেক বৈঠকে উন্নয়ন প্রকল্প ও প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার মাত্র দুই দিন আগে আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, সকাল ১০টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠক শুরু হয় এবং দুপুর সোয়া ১টায় তা শেষ হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াসিন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
এছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সচিবগণ বৈঠকে অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন এবং সেগুলোর ওপর আলোচনা করেন।
আগামী ১১ জুন সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করার কথা রয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর।
এর আগে, গত ১৮ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) আগামী অর্থবছরের জন্য ৩,০৮,৯২৪.৮৩ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন করে।
তারও আগে, গত ১২ মে ৩৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ের পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পসহ নয়টি বড় প্রকল্প অনুমোদন করেছিল একনেক।
৫ দিন আগে
দক্ষতাভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সনদনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, ‘প্রযুক্তিগত বিপ্লব মোকাবিলায় সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তে বর্তমানে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার বিকল্প নেই।’
রবিবার (৭ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা বিষয়ক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের ফ্যাসিবাদী শাসন শুধু জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকারই কেড়ে নেয়নি, সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর করার পাশাপাশি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকেও বিপর্যস্ত করেছে।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলাই হবে সেই পথের প্রধান ভিত্তি।
তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত করতে না পারলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, কারণ এর অধিভুক্ত দুই হাজারের বেশি কলেজে বর্তমানে ৪০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন এবং ইতোমধ্যে এক কোটির বেশি শিক্ষার্থী এখান থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।
বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিস্তার মানুষের জন্য নতুন সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ দুটোই তৈরি করেছে। অটোমেশন (স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি) ও এআই-চালিত প্রযুক্তির কারণে অনেক প্রচলিত পেশা ঝুঁকির মুখে পড়েছে বা বিলুপ্ত হয়েছে, আবার একই সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও তৈরি হয়েছে।
সরকারপ্রধান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও ফরেনসিক বিজ্ঞান, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল উদ্যোক্তা, ডিজিটাল যোগাযোগ, জ্ঞানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, উপস্থাপন দক্ষতা, নেতৃত্ব এবং আর্থিক সাক্ষরতার মতো দক্ষতাভিত্তিক বিষয় ছাড়া আধুনিক শিক্ষাক্রম পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না।
এছাড়া জেনেটিক প্রকৌশল, জৈবপ্রযুক্তি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ইন্ডাসট্রিয়াল ইন্টারনেট অব থিংস, ম্যাটারিয়াল সায়েন্স, ন্যানোপ্রযুক্তি, থ্রিডি প্রিন্টিং এবং পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলো ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে প্রাথমিক স্তর থেকে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষাক্রমকে বাস্তবভিত্তিক, কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করার কাজ শুরু করেছে। একই সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও পাঠ্যক্রমকে সময়োপযোগী, আধুনিক ও বাস্তবমুখী করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে তিনি প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষা এখন শুধু ব্যক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যম নয়; এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জনের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। এজন্য উচ্চশিক্ষাকে আরও কর্মমুখী করতে শিল্পখাত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো, ইন্টার্নশিপ এবং শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগ বাধ্যতামূলক করা সময়ের দাবি।
৭ দিন আগে
অঞ্চলভিত্তিক মাটি ও পরিবেশের ধরন অনুযায়ী বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাটি ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গাছ নির্বাচন ও রোপণ করা হলে গাছের বেঁচে থাকার হার বাড়বে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শনিবার (৬ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-সংক্রান্ত এক সভায় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ নির্দেশনা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় তারেক রহমান বলেন, দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়। তাই প্রতিটি এলাকার মাটি ও পরিবেশের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত গাছ নির্বাচন করে রোপণ করতে হবে। এতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়বে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়া যাবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঋতুচক্রেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আগে জুন মাস এলেই নিয়মিত বৃষ্টিপাত হত, কিন্তু এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে।
তিনি বলেন, প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণের পেছনে বনাঞ্চল ও বৃক্ষসম্পদ কমে যাওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তাই পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
সভায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের সরকারি পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। এই বৃহৎ কর্মসূচি বাস্তবায়নের কৌশল এবং বিভিন্ন অঞ্চলে কীভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে, সে বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ১৪ জুন কক্সবাজারের ডুলাহাজারায় আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, পরিবেশ সচিব রাইহান কাওসার, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী এবং ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৮ দিন আগে
দেশে তৈরি বৈদ্যুতিক অ্যাম্বুলেন্স চালুর পরিকল্পনায় সরকার
জরুরি স্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং গ্রামাঞ্চলসহ সারা দেশে রোগী পরিবহন সুবিধা সহজলভ্য করতে দেশে তৈরি বৈদ্যুতিক অ্যাম্বুলেন্স চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার।
শনিবার (৬ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে স্থানীয় প্রযুক্তিতে বৈদ্যুতিক অ্যাম্বুলেন্স নির্মাণ ও সরবরাহ কার্যক্রম সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
তিনি বলেন, সরকার জনগণের দোরগোড়ায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এই লক্ষ্যে আজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি সভা হয়েছে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
হাসান শিপলু জানান, প্রথমে একটি উপজেলাকে মডেল হিসেবে ধরে এই প্রকল্পের অ্যাম্বুলেন্স তৈরির কাজ শুরু হবে। সরকারের এই উাদ্যোগ সফল হলে দেশে অ্যাম্বুলেন্সের চাহিদা পূরণ হবে এবং আমদানি নির্ভরতাও কমবে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, সরকার তিন স্তরের অ্যাম্বুলেন্স সেবা ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গ্রাম থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে রাজধানীতে রোগী পরিবহনের জন্য পৃথক ধরনের অ্যাম্বুলেন্স তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশে অ্যাম্বুলেন্সের চাহিদা পূরণ হবে। ফলে আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং তুলনামূলক কম খরচে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে জরুরি রোগী পরিবহন ব্যবস্থাতেও উন্নয়ন ঘটবে।
প্রেস উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অ্যাম্বুলেন্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, অক্সিজেন সাপোর্ট এবং জরুরি সেবার বিভিন্ন সুবিধা সংযোজনের পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশের ভৌগোলিক ও সড়ক যোগাযোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে এসব যানবাহনের ডিজাইন করা হবে।
সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারি ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মুহাম্মদ এহসান, অধ্যাপক জিয়াউর রহমান, অধ্যাপক আবদুল সালাম আখন্দ, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৮ দিন আগে
বৃক্ষরোপণ ও বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
দেশব্যাপী ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে কর্মপর্যায়ভিত্তিক জলবায়ু বার্তা ও বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি সভাপতিত্ব করেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বিভিন্ন বাস্তবায়ন পর্যায়ে প্রচারের জন্য জলবায়ুবিষয়ক বার্তা এবং বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।
এতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।
৮ দিন আগে
জিয়ার নেতৃত্বে স্বাধীনতার সূচনা, তারেকের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে দেশ: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমরা আধিপত্যবাদের বাইরে গিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াব, দেশের মানুষ এখন সেই বাংলাদেশ দেখতে চায়। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সকল পক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মিত্রদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। পাশাপাশি গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ এবং জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিলেন।
এর আগে, অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক অবদানভিত্তিক সংবাদপত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। প্রদর্শনীতে তার রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং দেশের উন্নয়নে অবদানসংবলিত বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন, আলোকচিত্র ও দলিল উপস্থাপন করা হয়।
১০ দিন আগে