বিএনপি কার্যালয়
বরগুনায় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর মামলায় আওয়ামীপন্থী ১২ আইনজীবী কারাগারে
বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় বরগুনা আইনজীবী সমিতির আওয়াপন্থী ১২ আইউনজীবীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বরগুনা বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মো. সাইফুর রহমানের আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে বরগুনা সদর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
আসামিরা হলেন- মাহবুবুল বারী আসলাম, মজিবুর রহমান, এম মজিবুল হক কিসলু, হুমায়ুন কবির, হুমায়ুন কবির পল্টু, সাইমুল ইসলাম রাব্বি, জুনায়েদ জুয়েল, আমিনুল ইসলাম মিলন, নুরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন মোল্লা, ইমরান হোসেন, আব্দুর রহমান জুয়েল।
মামলা সূত্র জানায়, দুই বছর আগে ২০২৩ সালের ১৭ মার্চ মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা জেলা আওয়ামী লীগের অফিস কার্যালয়ে কেক কেটে শেখ মজিবুর রহমানের জন্মদিন পালন করেন। পরে সেখান থেকে সবাই একত্রিত হয়ে লোহার রড, জিআই পাইপ, বগি দাসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র নিয়ে বরগুনার বিএনপিকে উৎখাত করতে মিছিল সহকারে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। পরে অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর শুরু করেন তারা।
মামলার পর ১২ আসামি চলতি বছরের ২ জুলাই হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের জন্য আগাম জামিন নেন এবং ২১ জুলাই বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিননামা দাখিল করেন। পরে জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ২৪ জুলাই তারা আবারও জামিনের আবেদন করেন। আদালত সেদিন নথি তলব করে শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করেন। মঙ্গলবার শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আবদুল মোতালেব মিয়া ও মো. হাবিবুর রহমান আকন বলেন, ‘আমরা আবারও জামিনের জন্য আবেদন করব। আসামিরা প্রত্যেকেই কোর্টে নিয়মিত কর্মরত, পালানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া, মামলাটি দুই বছর আগের ঘটনা নিয়ে করা হয়েছে এবং অনেক আসামি আওয়ামী লীগের সদস্যও নন।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের পিপি মো. নুরুল আমীন বলেন, ২০২৩ সালে ১৭ মার্চ বরগুনা জেলা বিএনপির অফিস ভাঙচুর ও শহীদ জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার ছবি ভাঙচুর করেন তারা। এ ঘটনার মামলায় ১২ জন আইনজীবী আসামি ছিল। আসামিরা সবাই আওয়ামী লীগের পদধারী।
১৫৬ দিন আগে
বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ড-নাশকতা মামলায় মানিকগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ড ও নাশকতার মামলার এজাহারভূক্ত আসামি জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) মহাদেবপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ আল মামুন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার তরাঘাট মিল্কভিটা এলাকার মো. আব্দুল মতিন মোল্লার ছেলে।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে জাহাজে হত্যাকাণ্ড: বাগেরহাট থেকে গ্রেপ্তার ১
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আমান উল্লাহ বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের পৌর শাখার আহ্বায়ক আইনজীবী মুরাদ হোসেন গত ২৫ সেপ্টেম্বর মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা করেন।
তিনি বলেন, মামলায় সাবেক স্বাস্থমন্ত্রী জাহিদ মালেক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ৯১ জনের নাম উল্লেখসহ ১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মামলায় এজাহারভূক্ত আসামী মামুন।
৪০৬ দিন আগে
নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে ডিবির অভিযান, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতিসহ গ্রেপ্তার ৭
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ (ডিবি)। এসময় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রওনকুল ইসলাম শ্রাবণসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
মঙ্গলবার সারাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের কয়েক ঘণ্টা পর রাত ১২টার দিকে বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান চালায় ডিবি।
এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবি প্রধান মো. হারুন-অর-রশীদ।
অভিযান শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডিবি প্রধান জানান, বিএনপি কার্যালয়ের শৌচাগার থেকে বেশ কিছু ককটেল ও বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে। শ্রাবণসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তারই ধারাবাহিকতায় এই অভিযান চালানো হয়। যারা গুজব ছড়াচ্ছে, অর্থায়ন করছে, অপরাজনীতি করছে, তাদের সবার নাম আমরা পেয়েছি।’
একটি রাজনৈতিক দল শিক্ষার্থীদের রাজনীতি ও কোটাবিরোধী আন্দোলনে ব্যবহার করছে দাবি করে ডিবি প্রধান বলেন, তাদের গ্রেপ্তারে ডিবি বিভিন্ন এলাকায় কাজ শুরু করেছে তবে তাদের পরিচয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
এদিকে জরুরি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকারের মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসেবে বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এসময় বিএনপি কার্যালয়ে ডিবির অভিযানকে ‘নোংরা তামাশা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি।
৫৬৮ দিন আগে
মঙ্গলবার কালো পতাকা উত্তোলন করবে বিএনপি
সারা দেশে দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিবস পালন করবে বিএনপি।
১৮৫৭ দিন আগে
বিএনপি কার্যালয় থেকে ৭৮৭ দিন পর বাসায় ফিরলেন রিজভী
বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে ৭৮৭ দিন অবস্থানের পর অবশেষে বাসায় ফিরেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
২১৪১ দিন আগে