হাজতি
বাগেরহাট কারাগারে গলায় খাবার আটকে হাজতির মৃত্যু
বাগেরহাট জেলা কারাগারে খাবার খাওয়ার সময় গলায় খাবার আটকে চাঁন মিয়া ফকির (৪৪) নামে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে কারাগারে সকালের খাবার খাওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
চাঁন মিয়া বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ফুলহাতা গ্রামের হেলাল উদ্দিন ফকিরের ছেলে।
বাগেরহাট জেলা কারাগারের সুপার মো. মোস্তফা কামাল জানান, আজ (শুক্রবার) সকালে বন্দিরা খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ চাঁন মিয়ার শ্বাসনালিতে খাবার আটকে যায়। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে চিকিৎসার জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
কারাগার সুপার আরও জানান, কারা বিধি অনুযায়ী সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে তার মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার জানান, অসুস্থ অবস্থায় কারাগার থেকে হাজতি চাঁন মিয়াকে হাসপাতালে আনা হয়। জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় আদালতের মাধ্যমে তাকে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
৩ দিন আগে
ঢামেকে চিকিৎসাধীন হাজতির মৃত্যু
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের এক হাজতি মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৭০১ নম্বর ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়।
মৃত মো. শাহিন আলমের (৪০) হাজতি নম্বর ২৮২১০/২৬। তিনি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার টেকপাড়া এলাকার মো. বশির উদ্দিনের ছেলে। তবে কোন মামলায় তিনি কারাবন্দি ছিলেন, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
কারারক্ষী আমিরুল ইসলাম জানান, গতকাল (বুধবার) কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শাহিনকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। পরে তাকে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। এরপর আজ সকালে তিনি মারা যান।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। এরপর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৪ দিন আগে
গোপালগঞ্জ কারাগারে হাজতির মৃত্যু
গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে রতন মোল্লা (৪৫) নামে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ মে) দুপুরে তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রতন মোল্লার বাড়ি পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার পাচুড়িয়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মুজিব মোল্লার ছেলে।
নিহত রতনের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ৫টি ডাকাতি মামলা রয়েছে।
গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার তানিয়া জামান জানান, ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে রতনকে গত ১৯ মে জেলা কারাগারে পাঠায় পুলিশ। গতকাল (বুধবার) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রতন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে ট্রলিচাপায় নারী নিহত
এ ব্যাপারে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আফতাব জিলানী বলেন, ‘রতন মোল্লা নামে একজন হাজতিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসে জেলা পুলিশ। রোগী হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পরে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
৫০১ দিন আগে
খুলনায় হাজতির প্রহারে এসআই আহত
খুলনা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের সামনে অবস্থিত গারদখানায় দুটি ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনায় কারা পুলিশ ও হাজতির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হাজতির প্রহারে ওই হাজতখানার এটিএসআই শুভংকর সাহা ওরফে শুভ (৫০) গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহত কারা পুলিশ সদস্যকে খুলনা জেনারেল হাসপাতালে রেখে চিকিৎসসাধীন দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনার পরপরই আদালতে চত্বরের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এ সময় হাজতখানা থেকে আসামিরা এডিসি হুমায়ুনের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এডিসি কোর্ট (প্রসিকিউশন) মো. হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, ‘আজ (রবিবার) বেলা ১১টার দিকে ওই হাজতখানার মধ্যে তিনজন আসামি ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন। স্ত্রী করা মামলায় তাকে আদালতে উপস্থিত করা হয়।’
‘অপরজন সোনাডাঙ্গা থানার ডাকাতি মামলার আসামি। ৪১ শিপইয়ার্ড মেইন রোড মতিয়াখালী লবণচরা এলাকার বাসিন্দা ইউনুস শেখের ছেলে মো. জাহিদুল ইসলাম রাজ ওরফে রাজউজ্জামান রাজু ওরফে গলাকাটা রাজু। তিনি মূলত এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটান।’
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘জাহিদুলের নেতৃত্বে তিন আসামি প্রথমে হাজতখানার দুটি ক্যামেরার ক্যাবল সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং পরে তা ভাঙচুর করেন। জানতে পেরে এটিএসআই শুভংকর ওই তিন আসামির কাছে বিষয়টি জানতে চান। তখন ক্ষিপ্ত হয়ে ওই তিনজন তাকে মারধর করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের আঘাতে এটিএসআইয়ের মাথা ফেটে রক্ত বের হতে থাকে। পরে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।’
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল ১৭ দোকান, আহত ১৫
তিনি আরও বলেন, ‘ওই তিন আসামি শোরগোল সৃষ্টি করে হাজতখানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পুলিশের তৎপরতার কারণে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যেতে পারেননি।’
তিনি জানান, আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবী ও অতিরিক্ত পিপি হুমায়ুন কবির উজ্জল বলেন, ‘হাজতখানার আসামিরা এডিসি প্রসিকিউশনকে উদ্দেশ করে অকথ্য ভাষায় গলিগালাজ করতে থাকেন। তাদের চিৎকারে আদালত চত্বরে অনেক লোক জড়ো হয়ে যায়। এর মধ্যে দেখা যায়, আহত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য শুভংকরকে হাসপাতালের উদ্দেশে নিয়ে যায় কিছু পুলিশ সদস্য।’
৫৬১ দিন আগে
সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারে হাজতির ‘আত্মহত্যা’
সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারে মেহেদী হাসান পাপ্পু (৩২) নামে এক হাজতির আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) সকালে এ ঘটনা ঘটনা ঘটে। পাপ্পু সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার ধানবান্দি মহল্লার আবুল হোসেনের ছেলে।
আরও পড়ুন: কোম্পানীগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর আত্মহত্যা, স্বামী পলাতক
সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার রেজা বলেন, ‘পাপ্পু মাদক ও মারামারির পৃথক ২টি মামলায় ১ বছর ২ মাস ধরে জেল হাজতে ছিল। শুক্রবার সকালের দিকে কারাগারের বাথরুমে গলায় লুঙ্গি পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাজতি ও কারারক্ষীরা উদ্ধার করেন।’
তিনি বলেন, ‘পরে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। তার লাশ ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
আরও পড়ুন: সিলেট কারাগারে কয়েদির আত্মহত্যা
মাগুরায় বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
৭৮৭ দিন আগে
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু
কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নাদিম নামে এক হাজতির মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার মৃত্যু হয়।
হাজতি মো. নাদিম রাজধানী ঢাকার মুগদার খ্রিস্টান গলির বাসিন্দা। তার বাবার নাম জব্বার।
আরও পড়ুন: ঢাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ও তার স্ত্রীর মৃত্যু
কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্র জানায়, শনিবার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে নাদিম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়ে নারীর মৃত্যু
মাদারীপুরে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে ৪ জনের মৃত্যু, আহত ১০
৯৫৪ দিন আগে
বাগেরহাট কারাগারে হাজতির মৃত্যু
বাগেরহাট জেলা কারাগারে কামাল হোসেন মিজান (৪৩) নামে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) রাত সোয়া ১১টার দিকে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: বছরের প্রথম দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৮৫ জন, মৃত্যু নেই
হাজতি কামাল হোসেন বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার সানকিভাঙ্গা গ্রামের মোকলেছ হোসেনের ছেলে।
২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর একটি নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল বলে কারা কর্তৃপক্ষ জানায়।
আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে আলমসাধু উল্টে চাচা ও ভাতিজার মৃত্যু
বাগেরহাট জেলা কারাগারের সুপার শংকর কুমার মজুমদার জানান, কামাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, সেখানে রাত সোয়া ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে কামাল হোসেনের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মঙ্গলবার ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৬০
১০০৬ দিন আগে
কাশিমপুর কারাগারে হাজতির মৃত্যু
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত রতন মিয়া (৪৫) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
রতন গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার ব্যাংকের মাঠ এলাকার সিরাজুল মৃধার ছেলে। এ কারাগারে তার হাজতি নম্বর-১৭০৫/২৩ ছিল।
আরও পড়ুন: কাশিমপুর কারাগারে হাজতির মৃত্যু
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিরুল ইসলাম জানান, সকাল পৌনে ৮টার দিকে কারাগারের ভেতর অসুস্থ হয়ে পড়েন হাজতি রতন। এ সময় তাকে কারা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন সকাল ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, তার নামে টঙ্গী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা ছিল। ওই মামলায় তিনি এ কারাগারে বন্দি ছিলেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু
সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু
১০৯৪ দিন আগে
কাশিমপুর কারাগারে নারী হাজতির মৃত্যু
গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে কছিরন (৪৫) নামের এক নারী হাজতির মৃত্যু হয়েছে। তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।
শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে কছিরনকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত
তিনি জামালপুর সদর থানার গোপালপুর এলাকার লোকমান হোসেনের স্ত্রী।
কারাগার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর সদর থানায় হত্যা মামলার আসামি কছিরন গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন। শুক্রবার দুপুরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কছিরনকে মৃত ঘোষণা করেন।
গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মাহমুদা আক্তার জানান, কছিরনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহজাহান আহমেদ জানান, ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন কছিরন। সেখানে তিনি অসুস্থ থাকা অবস্থায় তাকে ঢাকায় হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, সেখান থেকে গত ১৯ আগস্ট তাকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়। দুই-তিনদিন পর তাকে আবার হাসপাতালে নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তি নিহত
কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
১১২৩ দিন আগে
ঠাকুরগাঁওয়ে হাজতি পাঠাগার উদ্বোধন
ঠাকুরগাঁওয়ে হাজতে থাকা আসামিদের জন্য ‘হাজতি পাঠাগার’ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জুন ) ফিতা কেটে পাঠাগারের উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁওয়ের মুখ্য বিচারিক হাকিম নিত্যানন্দ সরকার।
ঠাকুরগাঁও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও মুখ্য বিচারিক হাকিম নিত্যানন্দ সরকার, মুখ্য বিচারিক হাকিম এস. রমেশ কুমার ডাগা, বিচারিক হাকিম আরিফুর রহমান, বিচারিক হাকিম মো. আলাউদ্দীন, চিটাগাং গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ঠাকুরগাঁও চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি কাজী আহসান হাবিব আলমগীর, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. মো. আব্দুল হালিম, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মো. জয়নাল আবেদীন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মোস্তাক আলম টুলু, জেলা কারাগারের জেলার খোন্দকার মো. আল-মামুন প্রমুখ।
আরও পড়ুন: আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকা শনিবার উদযাপন করতে যাচ্ছে ‘ফেত দো লা মিউজিক ২০২৩’
এছাড়াও অনুষ্ঠানে কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. আব্দুল ওয়াহেদ ও আদালতের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশের বিভিন্ন সদস্য, জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক ও হাজতিরা উপস্থিত ছিলেন।
ঠাকুরগাঁও মুখ্য বিচারিক হাকিম নিত্যানন্দ সরকার বলেন, হাজতবাসকারী ব্যক্তিদের চিন্তা, চেতনাকে বিকশিত করার জন্য এ হাজতি পাঠাগার উদ্বোধন করা হলো। আমরা বলি হাজতিরা কিন্তু আমাদের সমাজেরই একটি অংশ। তাদেরকে ঘৃণা বা অবহেলা করার কথা কিন্তু আমাদের আইন বলে না। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র কাউকে বৈষম্য করতে পারে না। সবাই সমান। পাঠাগারে বিভিন্ন পরিকল্পনা করে বইগুলো সাজানো হয়েছে। এখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বিভিন্ন ধর্মীয়, বিভিন্ন আইন জানার বইসহ জীবনকে উজ্জ্বল করার জন্য বিভিন্ন মনিষীদের লেখা বই রাখা রয়েছে। বই সম্পর্কে ভাল ভাল উক্তি তুলে ধরা হয়েছে, যাতে করে তারা বই পড়ার প্রতি আগ্রহী হয়। হাজতিরা যেন কখনও মনে না করে তারা অপরাধি।
তিনি আরও বলেন, বই পড়ার মধ্য দিয়ে এই হাজতখানাকে একটি কারেকশন সেন্টারে পরিণত করতে চাই। যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে ততক্ষণ পর্যন্ত সে অপরাধী নয়। আমরা আশা করি হাজতবাসীগণ উদ্বুদ্ধ হবেন এবং আমাদের সমাজ ব্যবস্থা, সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে সমাজ ব্যবস্থাকে কারেকশন করে একটা উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে মনে করছি।
আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে ১০ টাকায় গাছ বিক্রি
ঠাকুরগাঁওয়ে গরু ও মহিষের ১০ গাড়িতে করে বরযাত্রা!
১২০১ দিন আগে