পাটুরিয়া
তিন ঘণ্টা পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু
আকস্মিক কুয়াশায় প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া এবং মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চালু হয়েছে। এর আগে, ভোর ৪টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া দুটি ফেরি মাঝ পদ্মায় ঘন কুয়াশার কবলে আটকা পড়ে।
সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে পদ্মা নদী অববাহিকা আকস্মিক কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় নৌযান চলাচলে ঝুঁকি দেখা দেয়। এরপর মাঝ নদীতে দুটি ফেরি আটকে পড়ার খবরে সাড়ে ৪টা থেকে ফেরিসহ সকল নৌযান বন্ধ রাখা হয়।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয় জানায়, গতকাল (রবিবার) দিবাগত রাতের পর থেকে পদ্মা অববাহিকায় কুয়াশা পড়তে থাকে। সময়ের সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে, ভোর ৪টার দিকে চারদিকে কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এতে করে দুর্ঘটনার ঝুঁকি দেখা যায়।
এ সময় দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া এনায়েতপুরী নামক একটি রো রো এবং বাইগার নামক একটি কে-টাইপ ফেরি মাঝ নদীতে কুয়াশার কবলে পড়ে। চারদিকে কিছুই দেখতে না পেয়ে ফেরি দুটি মাঝ নদীতেই নোঙর করে থাকে বলে জানায় বিআইডব্লিউটিসি।
ফেরি নোঙর করে থাকার খবর পেয়ে উপায় না পেয়ে কর্তৃপক্ষ ভোর সাড়ে ৪টা থেকে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া নৌপথে ফেরিসহ নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, এ সময় পাটুরিয়া প্রান্তে ৩ নম্বর ঘাটে রো রো (বড়) ফেরি খানজাহান আলী, কেরামত আলী ও ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি বনলতা নোঙর করে থাকে। একইভাবে, ৪ নম্বর ঘাটে ভাষা সৈনিক ডা. গোলাম মাওলা ও শাহ পরান নামক দুটি রো রো ফেরি এবং ৫ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি শাহ মখদুম ও ইউটিলিটি পেরি হাসনাহেনা নোঙর করে থাকে।
অন্যদিকে, দৌলতদিয়া প্রান্তে ৪ নম্বর ঘাটে কেটাইপ (মাঝারি) ফেরি ঢাকা এবং ৭ নম্বর ঘাটে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান নামক একটি রো রো ফেরি নোঙর করে থাকে।
এদিকে, নদী অববাহিকার পাশাপাশি সড়ক ও মহাসড়কেও কুয়াশার কবলে পড়ে যানবাহন। যানবাহনগুলো লাইট জ্বালিয়ে ধীরে ধীরে চলতে থাকে। মাঝে মধ্যে অতিমাত্রায় ঘন কুয়াশায় কিছুই দেখতে না পেয়ে যানবাহনগুলোকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
সরেজমিন ভোর পাঁচটার দিকে দেখা যায়, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় দূরপাল্লার যানবাহনগুলো সতর্কতার সঙ্গে ধীরে গতিতে চলছে।
মোটরসাইকেল নিয়ে তেল আনতে পাম্পের দিকে যাওয়া রাকিবুল হক নামের এক ব্যক্তি বলেন, দিনের বেলায় অনেক লম্বা লাইন হয় বলে ভোরে রওনা করেছি। কিন্তু কুয়াশার কারণে গাড়ি চালাতে খুব ভয় করছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, কুয়াশায় নদীপথ অন্ধকার হয়ে আসায় নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ভোর চারটার দিকে ঘাট ছেড়ে যাওয়া দুটি ফেরি মাঝ নদীতে কুয়াশার কবলে আটকা পড়লে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে সাড়ে ৪টার দিকে ফেরি বন্ধ করা হয়।
প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধের পর সকাল পৌনে ৭টার দিকে কুয়াশা কম দেখে মাঝ নদীতে থাকা ফেরিগুলো ঘাটের দিকে আসে। ঘাটে নোঙরে থাকা ফেরিগুলো একে একে ঘাট ছেড়ে যায় বলে জানান মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন।
৪ দিন আগে
কুয়াশার দাপটে আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক
আবারও পদ্মা নদীর অববাহিকায় ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এ সময় মাঝ নদীতেও আটকা পড়ে দুটি ফেরি। আকস্মিক কুয়াশায় ফেরি বন্ধ থাকায় বাড়তি ভোগান্তিতে পড়েন বিভিন্ন যাবাহনের চালক ও যাত্রীরা।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় জানায়, শনিবার সকাল থেকে নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশা পড়তে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বাড়লে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সামান্য দূরেও কিছুই দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকাল ৭টার পর উভয় ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া রো রো (বড়) ফেরি খান জাহান আলী ও কে-টাইপ (মাঝারি) ফেরি বাইগার মাঝ নদীতে গিয়ে দিক হারিয়ে ফেলে। মাঝ নদীতে ফেরি আটকে পড়ার খবর পেয়ে দুর্ঘটনা এড়াতে দুই ঘাট থেকে ফেরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ সময় পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় ৩ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি শাহ পরাণ, ভাষা শহীদ বরকত, কে-টাইপ ফেরি ফরিদপুর, ৪ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, কেরামত আলী এবং ৫ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি ভাষা সৈনিক ডা. গোলাম মাওলা নামক ফেরিগুলো নোঙর করে থাকে। দৌলতদিয়া প্রান্তে ৩ নম্বর ঘাটে ইউটিলিটি ফেরি হাসনা হেনা, ৪ নম্বর ঘাটে কে-টাইপ ফেরি ঢাকা, রো রো ফেরি শাহ মখদুম ও ইউটিলিটি ফেরি বনলতা নোঙর করে থাকে।
প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ৯টার পরপরই কুয়াশা কমতে থাকলে প্রথমে মাঝ নদীতে থাকা ফেরিগুলো নির্দিষ্ট ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এরপর ১০টার দিকে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাট থেকে নোঙর করে থাকা ফেরিগুলো যানবাহন বোঝাই করে ছাড়তে শুরু করে।
এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে কুয়াশার দাপটে দুই দিন কয়েক ঘণ্টা ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটল।
২৭ দিন আগে
১৫ ঘণ্টা পর দুই নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু
ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে মানিকগঞ্জের আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে টানা ১৫ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। ওই সময় মাঝনদীতে যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে আটকে ছিল তিনটি ফেরি। তবে সকালে রোদের তেজ বাড়ার পর এই নৌপথগুলো দিয়ে ফের নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নৌপথদুটি দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়েছে। তবে সারা রাত আটকে থাকায় চারটি ঘাটে পারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে ৬ শতাধিক যানবাহন।
বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘন কুয়াশায় দুর্ঘটনা এড়াতে শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় মাঝ নদীতে আটকে পড়ে শাহ মখদুম, বরকত ও এনায়েতপুরী নামে তিনটি ফেরি।
৯৭ দিন আগে
ঈদযাত্রায় প্রস্তুত পাটুরিয়া-আরিচা ঘাটের ফেরি ও লঞ্চ
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার খ্যাত সড়ক যোগাযোগের মাধ্যম পাটুরিয়া ও উত্তর বঙ্গে যাওয়ার অন্যতম নৌ-রুট আরিচা ঘাট। এছাড়া প্রতিদিন পাটুরিয়া ঘাট দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী ২১ জেলার যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করে।
তাই ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ২৩টি ফেরি যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে নিয়োজিত থাকবে।
পাশাপাশি মানিকগঞ্জের ৩৬ কিলোমিটার সড়কপথ, আরিচা, পাটুরিয়া নৌপথে ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে মোতায়েন থাকবে ৬০০ পুলিশ। চালু থাকবে টেলিফোন সেবাও।
এরই মধ্যে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, পরিবহন খাতের নেতারাসহ সংশ্লিষ্ট ঘাট কর্তৃপক্ষের সমন্বয় সভা হয়েছে।
সভায় নানামুখী সিদ্ধান্তের মধ্যে পাটুরিয়া ঘাটে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সামলাতে ঘাটের উত্তর পার্শ্বে বিআরটিসি টার্মিনাল ব্যবহার করা হবে। মহাসড়ক ও সংযোগ রাস্তায় বালু ও মাটিবাহী কোনো ট্রাক চলাচল করতে পারবে না। নিরাপত্তায় জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন ছাড়াও স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সেবা দেবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) অতিরিক্ত জেনারেল ম্যানেজার (এজিম) আব্দুস ছালাম বলেন, ‘ঈদে যাত্রী-যানবাহন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পারাপারের জন্য পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ারুটে ১৭টি ফেরি ও আরিচা-কাজীরহাট রুটে ৬টি ছোট-বড় ফেরি সচল রাখা হয়েছে। ফেরিতে যানবাহন ওঠানামায় ঘাটের পন্টুন, অ্যাপ্রোচ সড়কের সংস্কার কাজ করা হয়েছে। যানজট নিরসনে ঘাটের এক কিলোমিটার পর্যন্ত ওয়ানওয়ে পদ্ধতিসহ ছোট ও বড় গাড়ির জন্য রাখা হচ্ছে আলাদা লেনের ব্যবস্থা। ঈদের চারদিন আগ থেকে বন্ধ থাকবে পন্যবাহী ট্রাক পারাপার।
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় ভোগান্তি ছাড়াই ভ্রমণ করছেন যাত্রীরা
পাটুরিয়া লঞ্চ ঘাটের সুপারভাইজার পান্না লাল বলেন, ‘ঈদযাত্রায় যাত্রীদের বড় একটি অংশ পারাপার হয় লঞ্চে। তাই ত্রুটিমুক্ত করা হয়েছে দুই রুটে ৩২টি লঞ্চ। এছাড়া পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ২০টি ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ১২টি লঞ্চ চলবে।’
৩৭৫ দিন আগে
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধ, সতর্কতার সঙ্গে চলছে ফেরি
ঝড়-বৃষ্টির কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে শনিবার (১৪ সেপ্টেম্ব) সকাল থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
শনিবার সকালে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা বন্ধ ছিল ফেরি চলাচল। এখন সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করছে ফেরি।
খুব প্রয়োজন ছাড়া সহজে কেউ বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। যারাও বের হচ্ছেন তাদের পড়তে হচ্ছে দুর্ভোগে।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় হামুন: বরিশাল থেকে সব ধরনের লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা দেখা যায়। মাঝেমধ্যে এক-দুইটি যান চলাচল করলেও যাত্রী তেমন নেই।
লঞ্চ বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া ঘাটের পন্টুনে বসে চালক, সারেং, ইনচার্জরা অলস সময় পার করছেন। এছাড়া পন্টুনে বাঁধা চার থেকে পাঁচটি লঞ্চ।
এদিকে পদ্মা নদীর পাড় ঘেঁষে রাখা হয়েছে আরও কয়েকটি লঞ্চ।
পন্টুনে বসে থাকা এমভি আমানত লঞ্চের মাস্টার নাসির উদ্দিন বলেন, আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে সরকারি নির্দেশনা মেনে শনিবার বেলা ১১টার পর থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘাটে লঞ্চ রেখে এই আবহাওয়ায় কোথাও যেতে পারছেন না কেউ। তাই পন্টুনে বসেই সময় পার করতে হচ্ছে।
এছাড়া নদী পাড়ি দিতে কোনো যাত্রী এলে তাদের ফেরিতে নদীপথ পাড়ি দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
আরও পড়ুন: বরিশালের অভ্যন্তরীণ ১০ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ
ঘূর্ণিঝড় রিমাল: দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ
৫৬৫ দিন আগে
ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ৬ ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু
ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে বুধবার দিবাগত রাত দেড়টা থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ৬ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।
এ সময় মাঝ পদ্মায় আটকা ছিল ২টি ফেরি। এছাড়া পাটুরিয়ায় ২টি ও দৌলতদিয়া ঘাটে আরও ৭টি ফেরি আটকিয়ে রাখা হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন নদী পার করতে আসা যাত্রীরা।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা সেক্টরের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আবদুস সালাম জানান, মধ্য রাত থেকে কুয়াশার প্রকোপ বাড়তে থাকে। রাত দেড়টায় ঘন কুয়াশায় পুরো নৌপথ ঢেকে যায়। এতে নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ
তিনি আরও জানান, মাঝ পদ্মায় আটকা পড়ে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ও করবি নামে দুইটি ফেরি। এছাড়া আরো ১০টি ফেরি উভয় ঘাটে আটকিয়ে রাখা হয়।
এদিকে ফেরি বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া পাড়ে আটকা পড়ে অর্ধশত যাত্রীবাহী বাস ও তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক।
বিআইডব্লিউটিসি কর্মকর্তা বলেন, সকাল সাড়ে ৭টায় ঘন কুয়াশার প্রকোপ কেটে গেলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আরও পড়ুন: ঘন কুয়াশায় ঢাকার বদলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট নামল সিলেটে
ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ১২ ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু
৮০৬ দিন আগে
পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যানবাহন নিয়ে ফেরিডুবি, চালক নিখোঁজ
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় ৫নং ফেরিগাট এলাকায় একটি ফেরি ডুবে গেছে। ফেরিটি দৌলতদিয়া ঘাট থেকে পাটুরিয়ায় যাচ্ছিল। এতে ৭টি পিকআপ ও ২টি ট্রাক ছিল।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের গুদাম পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সকাল ৮টা ১৬ মিনিটের দিকে পিকআপ ও কাভার্ডভ্যানসহ রজনীগন্ধা নামের ফেরিটি নদীতে ডুবে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ছয়জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, আরিচা ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি ইউনিট কাজ করছে। সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশন থেকে ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
ফেরিটি উল্টে গিয়ে এর বেশকিছু অংশ পানির উপরে ভাসমান অবস্থায় ছিল।
ফেরির সেকেন্ড ড্রাইভার হুমায়ূন কবির (৩৯) নিখোঁজ রয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কার্যক্রম চলমান।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বলেছে, উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে নৌবাহিনীর ডুবুরি দল।
ফেরিডুবির কারণ এখনও স্পষ্ট হয়নি।
আরও পড়ুন: মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ট্রাকচাপায় পথচারী নিহত
মোবাইলে কথা বলার সময় ফেরি থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ বৃদ্ধ
৮০৭ দিন আগে
ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ
ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে রাত ৩টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। মাঝ নদীতে আটকা পড়েছে ৪টি ফেরি।
এছাড়া, পাটুরিয়ায় ৮টি ও দৌলতদিয়া ঘাটে আরও ২টি ফেরি আটকে রাখা হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন নদী পারাপারের যাত্রীরা।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা সেক্টরের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আবদুস সালাম বলেন, মধ্যরাত থেকে কুয়াশার প্রকোপ বাড়তে থাকে। রাত ৩টায় ঘন কুয়াশায় পুরো নৌপথ ঢেকে যায়। এতে নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ঘন কুয়াশায় লঞ্চে কার্গো জাহাজের ধাক্কা, নিখোঁজ ১
তিনি আরও বলেন, মাঝ পদ্মায় আটকা পড়ে হামিদুর রহমান, বনলতা, বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ও হাসনা হেনা নামে ৪টি ফেরি। এছাড়া আরও ১০টি ফেরি উভয় ঘাটে আটকে রাখা হয়।
এদিকে ফেরি বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া পাড়ে আটকা পড়েছে অর্ধ শত যাত্রীবাহী বাস ও ৩ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক।
ঘন কুয়াশার প্রকোপ কেটে পুনরায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে বলেও তিনি জানান।
আরও পড়ুন: ঘন কুয়াশা: চাঁদপুর-শরীয়তপুর নৌপথে ৬ ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু
ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ১২ ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু
৮১৩ দিন আগে
ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ১২ ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু
ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে বুধবার (৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে কুয়াশা কমতে শুরু করায় ফেরি চলাচল আবারও শুরু হয়।
এ সময় মাঝ পদ্মায় আটকা ছিল ৩টি ফেরি। এছাড়া, ২ ঘাটে আরো ১১টি ফেরি আটকে রাখা হয়েছিল। এতে দুর্ভোগে পড়তে হয় নদী পারাপারের যাত্রীদের।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা সেক্টরের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মহি উদ্দিন রাসেল জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে কুয়াশার প্রকোপ বাড়তে থাকে।
তিনি আরও জানান, রাত সাড়ে ৯টায় ঘন কুয়াশায় পুরো নৌপথ ঢেকে যায়। এতে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয় শাহপরান, কেরামত আলী ও বনলতা নামে তিনটি ফেরির। এছাড়া আরো ১১টি ফেরি উভয় ঘাটে আটকে রাখা হয়। তবে কুয়াশা কমতে থাকায় আজ সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ফেরি চলাচল শুরু করা হয়েছে।
এদিকে ফেরি বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া পাড়ে আটকা পড়েছিল অর্ধশত যাত্রীবাহী বাসসহ ৩ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক।
আরও পড়ুন: ৬ ঘণ্টা পর চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরি চলাচল শুরু
৯ ঘণ্টা পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক
৮২০ দিন আগে
ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।
মাঝ নদীতে যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে আটকা আছে ফেরি বনলতা। এছাড়া পাটুরিয়াঘাটে ৭টি ও দৌলতদিয়া ঘাটে ৪টি ফেরি আটকে রাখা হয়েছে।
পদ্মার উভয় পাড়ে আটকা পড়েছে শতাধিক যানবাহন।
আরও পড়ুন: ঘন কুয়াশা আর শীতে বিপর্যস্ত লালমনিরহাটের জনজীবন
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা সেক্টরের ম্যানেজার মহিউদ্দিন রাসেল জানান, সোমবার দিবাগত রাত ১২টায় কুয়াশার প্রকোপ বেড়ে পুরো নৌপথ ঢেকে যায়। এতে ফেরির সার্চ লাইটেও নৌপথ দেখতে না পেয়ে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, এ সময় মাঝ নদীতে বনলতা নামে একটি ছোট ফেরি যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে নোঙর করে রাখা হয়েছে। এছাড়া পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ঘাটে আরও ১১টি ফেরি আটকে রাখা হয়েছে।
ঘন কুয়াশা কেটে না যাওয়া পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হবে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে নৌ চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে আটকা ৪ ফেরি
ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে আটকা পড়া ফেরি চলাচল শুরু
৮৪৩ দিন আগে