ডিএনসিসি
ফুটপাত-রাস্তায় ব্যবসা নয়, বিকল্প ব্যবস্থা করবে ডিএনসিসি
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতে ফুটপাতে বা রাস্তায় ব্যবসা করা যাবে না। তবে ক্ষুদ্র ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবসার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরের মুকুল ফৌজ মাঠে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১ পর্যন্ত সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে ভাসমান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক বলেন, আমরা বিকল্প স্থানে ব্যবসার ব্যবস্থা করে দেব। ফুটপাতে বা রাস্তায় আর ব্যবসা করা যাবে না—এটাকে মাথায় রেখে আপনাদের কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, আগে যারা ফুটপাতে ব্যবসা করতে সহযোগিতা করতেন, তারা আর সহযোগিতা করতে পারবেন না। ব্যবসায়ীদের সমস্যা রয়েছে, সেসব সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে সিটি করপোরেশন মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবে।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, মানবিক কারণে আমরা আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। চাইলে আমরা ফোর্স দিয়ে উচ্ছেদ করতে পারতাম, কিন্তু তা করিনি। আমরা চাই আমাদের এলাকার মানুষ ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করুক।
সভায় হকার ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। তারা পুনর্বাসনের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, পর্যাপ্ত সময় এবং এমন স্থান চেয়েছেন যেখানে ব্যবসা পরিচালনা সম্ভব হবে।
ব্যবসায়ীরা বলেন, বহু বছর ধরে তারা ফুটপাতে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। হঠাৎ উচ্ছেদ হলে পরিবার-পরিজন নিয়ে সংকটে পড়তে হবে। তারা পুনর্বাসনের আগে নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ এবং পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার দাবি করেন।
প্রশাসক বলেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর সমাধান বের করা হবে এবং এ বিষয়ে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘সিটি করপোরেশন থেকে আমরা ব্যবসায়ীদের একটি টোকেন প্রদান করব, যাতে কেউ চাঁদা দাবি করলে তা দিতে না হয়, এবং আপনারা জানাবেন। আমরা আপনাদের পাশে আছি।
মতবিনিময় সভায় ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসান, ডিএমপি মিরপুর জোনের ডিসি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন সুরাইয়া আখতার জাহান
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার জাহানকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ (ক)-এর ১ উপধারার অনুবৃত্তিক্রমে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নিয়োগ করা প্রশাসক ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ (ক)-এর ১ উপধারা অনুযায়ী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে এ দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধিমোতাবেক দায়িত্বভাতা প্রাবেন।
ভাতা ছাড়া কোনো আর্থিক বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রশাসক পাবেন না বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
এর আগে ডিএনসিসির প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন মোহাম্মদ এজাজ।
৫৬ দিন আগে
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানাবিধ অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ থাকায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. তরিকুল ইসলাম তরিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আশিকুর রহমান তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ‘মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অধীন মিরপুর গাবতলী পশুর হাট ইজারা, ই-রিকশা প্রকল্প, বোরাক টাওয়ার বা হোটেল শেরাটন দখলভার, বনানী কাঁচাবাজারে দোকান বরাদ্দ, খিলগাঁও তালতলা সুপার মার্কেটের পার্কিং স্থানে দোকান নির্মাণ ও বরাদ্দ, সিটি কর্পোরেশনের ভ্যান সার্ভিস, ফুটপাতে দোকান বরাদ্দ ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য নানাবিধ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২২ ধারা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর ৮ বিধিসহ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬০ ধারা মতে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মোহাম্মদ এজাজকে বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ প্রসঙ্গে নোটিশ দেওয়া হলে তিনি দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হননি।’
আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন বলে বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ গমন বন্ধ করা প্রয়োজন।
৬৪ দিন আগে
ঈদে ঢাকার পরিচ্ছন্নতায় দুই সিটিকে সহযোগিতার অঙ্গীকার ইশরাকের
হাইকোর্টে দায়ের করা রিট খারিজ হয়ে যাওয়ায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে শপথ নেওয়ার আইনি পথ সুগম হয়েছে বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের। এরপরই নগরবাসীর পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (২৩ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে নিজেকে ‘জনতার মেয়র’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইশরাক। সেইসঙ্গে আসন্ন ঈদুল আজহায় ডিএনসিসির পাশাপাশি ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতায়ও সহযোগীতার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে ইশরাক হোসেন বলেছেন, শপথ কেবল একটি ফরমালিটি (আনুষ্ঠানিকতা)। জনতার মেয়র হিসেবে আগামী কোরবানির ঈদের আগে যাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি থাকে, তার ওপর আমার দায়িত্ব বর্তায়।
তিনি বলেন, ‘আমি ঢাকাবাসীকে নিশ্চিত করছি, উত্তরে মেয়র না আসা পর্যন্ত সেখানকার প্রশাসন ও পরিচ্ছন্ন কর্মীদের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করব।… বিকালের মধ্যে (১৬ ঘণ্টায়) একটা স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করব।’
আরও পড়ুন: কাকরাইলের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করলেন ইশরাক
ইশরাক জানান, দক্ষিণ সিটিতে সাবেক কাউন্সিলর ও বিগত নির্বাচনের প্রার্থীদের সমন্বয়ে জোনভিত্তিক মনিটরিং টিম গঠনের অনুমোদন দেওয়া হবে। নিজেও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সঙ্গে মাঠে থাকার ঘোষণা দেন তিনি।
ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে পিন করে রাখা একটি কমেন্টে আগামী সিটি নির্বাচনে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন বিএনপির এই নেতা।
সেখানে লিখেছেন, টানা ১০ বছর বিএনপি গ্রেটার (বৃহত্তর) ঢাকা চালিয়েছে। ৯০টির মধ্যে ৭০টির বেশি ওয়ার্ড কমিশনার আমাদের (বিএনপির) ছিল। এখন অনেকে মারা গিয়েছেন কিন্তু একাধিক বিকল্প প্রার্থী আছেন। তাদের কাজে লাগিয়ে পরবর্তী নির্বাচনে ঢাকা সিটির জন্যে প্রাথী বাছাই করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে, ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনকে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে করা একটি রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
বিকেলে এ সংক্রান্ত আদেশ প্রকাশ হয়। ফলে ইশরাকের শপথ গ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
আরও পড়ুন: রাস্তা না ছেড়ে আরও জোরদার আন্দোলনের আহ্বান ইশরাকের
২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে পরাজিত হন বিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেন। পরবর্তীতে নির্বাচনি ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। চলতি বছরের ২৭ মার্চ ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম তৎকালীন ফলাফল বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এরপর নির্বাচন কমিশন গত ২৭ এপ্রিল গেজেট প্রকাশ করে তাকে ডিএসসিসির নতুন মেয়র হিসেবে ঘোষণা দেয়।
৩১৮ দিন আগে
শব্দদূষণ রোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: ডিএনসিসি প্রশাসক
শব্দদূষণ রোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি বলেন, জনগণের সচেনতাই পারে ঢাকা শহরকে শব্দদূষণের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে।
বুধবার (৭ মে) রাজধানীর গুলশান ২ নম্বর সিগন্যালে শব্দদূষণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজাতে নিরুৎসাহিতকরণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে ডিএনসিসি প্রশাসক এসব কথা বলেন।
তিনি এসময় আরও বলেন, জনসচেতনতার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলার সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে শহরের শব্দদূষণ প্রতিরোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
আরও পড়ুন: শব্দদূষণ রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
ঢাকা উত্তরের গুরুত্বপূর্ণ করিডোরের সিগন্যালগুলোতে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সহায়তা অযথা হর্ন বাজানো গাড়ির চালককে শনাক্ত করা হবে এবং প্রচলিত আইন অনুসারে শাস্তির আওতায় আনা হবে বলেও জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক ও সাস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মাইক ব্যবহারে সৃষ্ট শব্দদূষণ কমানোর জন্য সময়সীমা ও নির্দিষ্ট পরিধির সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। বৃদ্ধ, অসুস্থ সর্বোপরি সকল মানুষের জন্য শব্দ দূষণ অত্যন্ত ক্ষতিকর। শব্দ দূষণ কমানোর জন্য যত্রতত্র অপ্রয়োজনীয় মাইক ব্যবহার বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য ডিএনসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোকে নির্দশনা দেওয়া হয়েছে।
এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার অফ এটমোস্ফেরিক পলুশন স্ট্যাডি’র চেয়ারম্যান ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার এবং গ্রিন ভয়েসের শতাধিক সেচ্ছাসেবক।
৩৩৪ দিন আগে
চলতি বছরে ডিএনসিসি এলাকায় ৫ লাখ গাছ লাগানো হবে: মোহাম্মদ এজাজ
এই বছরে ডিএনসিসি এলাকায় ৫ লাখ গাছ লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা'য় 'পরিবেশ বাঁচাও' শিরোনামে প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী মো. আবু সেলিমের একক চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, 'ডিএনসিসি এলাকার সব রাস্তা, ফুটপাত, মিডিয়ান ও সব পাবলিক স্পেসে আমরা বৃক্ষরোপণ শুরু করেছি। এই বছর আমরা ৫ লাখ বৃক্ষরোপণ করব। এই বৃক্ষরোপণে কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করা হবে, পরিবেশ রক্ষায় কাজ করে এমন সংগঠনকে সম্পৃক্ত করা হবে।'
তিনি বলেন, 'ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সিটি করপোরেশনের কর্মীরা প্রতিদিন ময়লা পরিষ্কার করছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলো ঢাকার রাস্তায়, ফুটপাতে, মাঠে, পার্কে, খালে, ড্রেনে প্রতিটি জায়গায় এতো বেশি ময়লা যা সংগ্রহ করতে করতে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা টায়ার্ড হয়ে যায়। মানুষ ঢাকা শহরে নির্বিচারে যত্রতত্র ময়লা ফেলে দেয়। পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে হলে যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করতে হবে। আমাদের সিটি করপোরেশনের কর্মীদেরও আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচ্ছন্নতার কাজ করার জন্য সচেষ্ট হতে হবে। আমরা এগুলো নিয়ে কাজ করছি।'
আরও পড়ুন: ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় না চড়তে ডিএনসিসি প্রশাসকের আহ্বান
তিনি আরও বলেন, 'অনেক জায়গায় দেখা যায় ময়লা এসটিএসে (সেকেন ট্রান্সফার স্টেশন) না ফেলে খালে, বিলে ফেলে দিচ্ছে। অনেকে রান্না ঘরের জানালা দিয়ে ময়লা ফেলে দিচ্ছে। এর ফলে শহর নোংরা হচ্ছে, আমরা নিজেরা নিজেদের বাড়িঘর নোংরা করছি পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি করছি। বাসাবাড়ির এসব ময়লা বিশেষ করে প্লাস্টিক, পলিথিনে বৃষ্টির পানি জমে এডিস মশার জন্ম হয়৷ এতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এগুলো বন্ধ করতে হবে, সবাইকে সচেতন হতে হবে।
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, 'ঢাকা শহরে বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিল্প প্রতিষ্ঠান বড় অঙ্কের মুনাফার জন্য পরিবেশের ক্ষতি করেছে। তাদের দখলেই গেছে খাল, বন। আমরা গত সরকারের আমলে প্রাণ বিনাশী উন্নয়ন দেখেছি। আমাদের লেখক, শিল্পী, সাংস্কৃতিকদের প্রাণ বিনাশী ক্ষতির বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে। এমন কোনো উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া যাবে না যে প্রকল্প মানুষের জীবন বিপন্ন করে, প্রাণ বিপন্ন করে, নদী বিনষ্ট করে, বাতাস দূষিত করে।'
৩৪৬ দিন আগে
ডিএনসিসির খালগুলোর টেকসই উন্নয়নে সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন খাল খনন, পানি দূষণ রোধ এবং খালগুলোর টেকসই উন্নয়নে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গুলশানে ডিএনসিসির নগরভবনে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের তত্ত্বাবধায়নে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ডিএনসিসির আওতাধীন খালগুলোর উন্নয়ন এবং খালের পানি দূষণ রোধকল্পে খালের ময়লা অপসারণ (ফিক্যাল স্ল্যাজ ম্যানেজমেন্ট) ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা হবে।
ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে খালের উন্নয়নে কাজ শুরু করেছি। বিশ্বব্যাংকের সহায়তা ঢাকার জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসনে এবং খালের দূষণ রোধ করে পরিবেশবান্ধব শহর গড়তে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।’
আরও পড়ুন: বিজয় দিবসে ডিএনসিসির শিশুপার্কে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ
বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র ওয়াটার স্পেশালিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার হার্শ গোয়েল, লিড ওয়াটার স্পেশালিস্ট ডেভিড ম্যালকম লর্ড, সিনিয়র ওয়াটার সাপ্লাই ও স্যানিটেশন স্পেশালিস্ট আরিফ আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এ বি এম সামসুল আলম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. শরীফ উদ্দীন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খন্দকার মাহাবুব আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফারুক হাসান মো. আল মাসুদ প্রমুখ।
৪০৪ দিন আগে
পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে ডিএনসিসিকে কারিগরি সহায়তা দেবে ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট, বাস অপারেশন এবং নিরাপত্তা এই ৩টি বিষয়ে ডিএনসিসিকে কারিগরি সহায়তা দেবে ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন (টিএফএল)।
সোমবার (৪ নভেম্বর) সকালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ ক্যাথরিন কুক।
বৈঠকে আরও ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খন্দকার মাহাবুব আলমসহ ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম বন্দরে ফের ধর্মঘটে শ্রমিকরা, পণ্য পরিবহন বন্ধ
ডিএনসিসিতে পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে শুরুতে গুলশান-১ থেকে গুলশান-২ এ পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম শুরু করবে লন্ডন ভিত্তিকসংস্থা টিএফএল। এরইমধ্যে গত জুলাই মাসে সংস্থাটির একটি প্রতিনিধি দল গুলশান এলাকার বর্তমান পরিবহন ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছে।
এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা, ট্রাফিক সিগন্যাল ও যানজট নিরসনে কাজ করার লক্ষ্যে ডিএনসিসি ও যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ ও ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়। প্রথম ধাপে পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে সংস্থা দুটি।
বৈঠকে ডিএনসিসির প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, 'ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন (টিএফএল) তাদের শহরে আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করেছে যেটি বিশ্বে অত্যন্ত বিখ্যাত। ডিএনসিসি লন্ডন শহরের পরিবহন ব্যবস্থার (টিএফএল) জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করে ঢাকা শহরে আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। লন্ডন শহরে বিদ্যমান বাস ফ্রাঞ্চাইজি মডেল ও ট্রাফিক সিগন্যাল সিস্টেমের অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে। প্রাথমিকভাবে গুলশানে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম গ্রহণের ফলাফলের ভিত্তিতে পুরো ঢাকা শহরের পরিবহন ব্যবস্থার মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।'
প্রশাসক আরও বলেন, 'পুরো ঢাকা শহরের পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ডিএনসিসি অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গেও সমন্বিতভাবে কার্যক্রম গ্রহণ করবে। লন্ডনের পরিবহন ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা ও কারিগরি পরামর্শের ভিত্তিতে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনসহ আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে অত্যন্ত সুসম্পর্ক বিদ্যমান। আমি বিশ্বাস করি ডিএনসিসির সঙ্গে এই কার্যক্রমের ফলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।'
রাজধানীর গুলশানে নগর ভবনে ডিএনসিসির প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে আরও ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম।
আরও পড়ুন: জাতীয় স্বার্থ রক্ষাই সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার: নৌপরিবহন উপদেষ্টা
৫১৮ দিন আগে
ডিএনসিসির আওতাধীন সব ওয়ার্ডে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন সব ওয়ার্ডে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
বুধবার (৯ অক্টোবর) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এলাকাকে 'নীরব এলাকা' ঘোষণা করল ডিএনসিসি
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কাউন্সিলরদের নিজ নিজ পদ থেকে অপসারিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ওয়ার্ডভিত্তিক জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সরবরাহ করার জন্য আঞ্চলিক অফিসের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর ফলে সুষ্ঠুভাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সব ওয়ার্ডে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সরবরাহ সেবা নিশ্চিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ডিএনসিসির ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ৩৬ ওয়ার্ড পর্যন্ত কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে এবং ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক অফিস থেকে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো৷ গত ২৬ সেপ্টেম্বর সব কাউন্সিলরদের স্ব স্ব পদ থেকে অপসারণ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য অনলাইনে আবেদনের লিংক
http://bdris.gov.bd/br/application
আরও পড়ুন: মশা নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে: ডিএনসিসির সিইও
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলমান উন্নয়ন সম্পন্ন করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক
৫৪৪ দিন আগে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এলাকাকে 'নীরব এলাকা' ঘোষণা করল ডিএনসিসি
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চারপাশের দেড় কিলোমিটার এলাকাকে 'নীরব এলাকা' হিসেবে ঘোষণা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মকবুল হোসেন এ তথ্য জানান।
বিমানবন্দরের উত্তর এবং দক্ষিণ উভয় দিকের নির্ধারিত অঞ্চলটি স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে হোটেল লে মেরিডিয়ান পর্যন্ত প্রসারিত।
বিমানবন্দরের আশেপাশে শব্দের মাত্রা হ্রাস করার লক্ষ্যে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা-২০০৬ এর বিধি ৪ এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
আগামী ১ অক্টোবর থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে।
৫৫৪ দিন আগে