স্বর্ণ
কমার এক দিন পরই আগের জায়গায় স্বর্ণের দাম
দাম কমার এক দিন পর আজ (শনিবার) দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে এই মানের সোনার নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ভরিপ্রতি ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে এ নতুন দর কার্যকর হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) স্বর্ণের দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা।
স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
এর আগে গতকাল (শুক্রবার) বিশ্ববাজারে সোনার দরপতনের প্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমানো হয়েছিল। আজ আবার ঠিক একই অঙ্কে দাম বাড়ানো হলো। গতকাল সোনার পাশাপাশি রুপার দামও ভরিপ্রতি ১৭৫ টাকা কমানো হয়েছিল।
গত সপ্তাহজুড়ে দেশের বাজারে সোনার দামে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার সোনার দাম ভরিপ্রতি ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়ানো হয়। তার আগের দিন সোমবার সকাল ও বিকেলে দুই দফায় সোনার দাম কমে মোট ১২ হাজার ১৪ টাকা। এরও আগে, গত ২৯ জানুয়ারি ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ানো হলে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
মূলত বিশ্ববাজারের দামের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়। শুক্রবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৯৮ ডলার ৫৮ সেন্ট বেড়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিশ্ববাজারে সোনার দাম দাঁড়িয়েছে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৯৬৬ ডলার ২৬ সেন্ট।
৬ দিন আগে
২ হাজার ৪০৩ টাকা বেড়ে নতুন দরে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের বাজারে মূল্যবান এ ধাতুটির দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। ফলে এখন এক ভরি স্বর্ণে দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
গতকাল (শনিবার) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৪০৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩১০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ এক হাজার ৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৭১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম এক লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৬৭৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে গত ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। এতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম হয় ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা।
৭৫ দিন আগে
এক ধাক্কায় স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১৮৯০ টাকা
টানা দুই দফা কমার পর এবার দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে ১ হাজার ৮৯০ টাকা বেড়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ১২৬ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, বুধবার (২ জুলাই) থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস।
নতুন দাম অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ১২৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে, সবশেষ গত ২৮ জুন দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ৬২৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ২৩৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
২২৬ দিন আগে
ঈদের ছুটিতে বাড়তি নিরাপত্তার দাবি স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের
ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে চলমান বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে বাড়তি নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলম করেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
সংবাদ সম্মেলনে বাজুসের সহ-সভাপতি রিপনুল হাসান জানান, দেশে মোট ৪০ হাজার জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান আছে। সাম্প্রতিক সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করে যে হারে চুরি-ডাকাতি বেড়েছে—তা উদ্বেগজনক। এতে করে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
আরও পড়ুন: ভরিতে ২৬১৩ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম
স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে বাজুসের নিউ ইস্কাটন রোডের স্থায়ী কার্যালয়ে শুক্রবার (২৮ মার্চ) আইনশৃঙ্খলা আরও জোরদার এবং জানমালের নিরাপত্তার দাবি জানায় বাজুস।
রিপন বলেন, জানুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ২৩টি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ঢাকায় সর্বোচ্চ ১১টি ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া মুন্সীগঞ্জ, সিলেট, কুমিল্লা, খুলনা এবং হবিগঞ্জে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি হয়েছে। এ অবস্থায় ঈদের ছুটিতে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান অলংকারের কর্ণধার এম এ হান্নান আজাদ বলেন, ‘২৬ মার্চ ভোর পাঁচটায় ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল আমার বাসায় হামলা চালায়। তারা আমাকে টার্গেট করেই এসেছিল। যেভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে তারা গেট ভেঙে বাসায় প্রবেশ করে তাতে করেই বোঝা যায় এরা প্রশিক্ষিত ডাকাত। এরা আমাকে অপহরণের চেষ্টাও করে। এ ধরণের ঘটনার পর খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বাজুসের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গুলজার আহমেদ বলেন, সরকারের নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যক্তি এবং প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগেও স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিজ এবং প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং নিরাপত্তা প্রহরীর সংখ্যাবৃদ্ধির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মার্কেট মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনা করে ঈদে কীভাবে জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়—তা নির্ধারণে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ঈদের আগে স্বর্ণের দাম বেড়ে ইতিহাসে সর্বোচ্চ
সংবাদ সম্মেলনে জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র প্রহরার দাবি জানিয়ে বাজুসের পক্ষ থেকে বলা হয়, যারা স্বর্ণ চুরি এবং ডাকাতির সঙ্গে জড়িত—তাদের দ্রুত বিচার করতে হবে। নিরাপত্তাহীনতা না কাটলে ১৫ এপ্রিলের পর পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে বাজুস।
৩২২ দিন আগে
ঈদের আগে স্বর্ণের দাম বেড়ে ইতিহাসে সর্বোচ্চ
দুই দিনের মাথায় আবারও দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে ১ হাজার ৪৭০ টাকা বেড়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৪৫ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বুধবার (১৯ মার্চ) থেকে নতুন এ দাম স্থানীয় বাজারে কার্যকর হবে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট ছাড়াও ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪ হাজার ৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভরিতে ২৬১৩ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হওয়ার কথা জানিয়েছে বাজুস।
সবশেষ গত ১৬ মার্চ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৭৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এ নিয়ে চলতি বছর ১৫ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ১১ বার, আর কমেছে মাত্র ৪ বার।
৩৩২ দিন আগে
ভরিতে ২৬১৩ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৭৫ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
বাজুসের রবিবারের (১৬ মার্চ) পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোমবার (১৭ মার্চ) থেকেই কার্যকর হবে নির্ধারিত নতুন এই মূল্য।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করার কথা জানিয়েছে বাজুস।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
আরও পড়ুন: আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম, ইতিহাসে সর্বোচ্চ
সবশেষ গত ৮ মার্চ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে ভরিতে ১ হাজার ৩৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৬২ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস।
এ নিয়ে চলতি বছর ১৪ বার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ১০ বার এবং ৪ বার কমানো হয়েছে।
স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫৭৮ টাকায়।
৩৩৪ দিন আগে
ভারতে স্বর্ণ পাচারের চেষ্টা, সাতক্ষীরায় আটক ১
সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে পাচারের চেষ্টাকালে ১৫টি স্বর্ণের বারসহ মো. সোহেল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে রবিবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (১০ মার্চ) বিজিবির সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশরাফুল হক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশরাফুল হকের তত্ত্বাবধানে ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের একটি বিশেষ আভিযানিক দল ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের দায়িত্বাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহেল উদ্দিনকে আটক করে।
সময় তার সঙ্গে থাকা ইজিবাইক ও দুটি মোবাইল ফোন তল্লাশি করে ইজিবাইকের স্টিয়ারিংয়ের সেটিংয়ের মধ্যে টেপ দিয়ে পেচিয়ে রাখা ১৫টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ১ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার ২০০ টাকা।
আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণালংকার-টাকা লুট
আটক স্বর্ণ পাচারের জন্য ভারতে নেওয়া হচ্ছিল বলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশর (বিজিবি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সোহেল উদ্দিনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা করা হয়েছে। উদ্ধার করা স্বর্ণ সাতক্ষীরা ট্রেজারি অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান।
৩৪০ দিন আগে
দাম বাড়লো স্মারক স্বর্ণ-রৌপ্য মুদ্রার
আন্তর্জাতিক এবং স্থানীয় বাজারে স্বর্ণ ও রূপার দাম বাড়ায় স্মারক স্বর্ণ-রৌপ্য মুদ্রার দাম আরেক দফা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রিত স্মারক স্বর্ণ মুদ্রার (বক্সসহ) দাম ১০ হাজার টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে রৌপ্যমুদ্রার (বক্সসহ) দাম ১ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৭ হাজার টাকা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
আরও পড়ুন: বৈদেশিক মুদ্রা সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ, আশঙ্কা বিএনপির
এর আগে গত বছর অক্টোবরে দাম বাড়ানো হয়েছিল স্মারক স্বর্ণ-রৌপ্য মুদ্রার।
৩৬২ দিন আগে
আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম, ইতিহাসে সর্বোচ্চ
এবার ভরিতে স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯২৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮১৮ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), যা দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বাড়ায় বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নতুন এ দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস। বৃহস্পতিবার থেকে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮১৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৪৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৯ হাজার ৫২৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্বর্ণের ভরি কি ২ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এ নিয়ে ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় বারের মতো স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস। এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি ভরিতে ২ হাজার ৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস।
৩৭৩ দিন আগে
স্বর্ণের ভরি কি ২ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে
বিশ্ব বাজারে হু হু করে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, যার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশের বাজারেও নিত্যনতুন রেকর্ড গড়ে চলেছে মূল্যবান এ ধাতুটি। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে আগামীতে স্বর্ণের ভরি বেড়ে কত হবে—সেই প্রশ্নটিই এখন জনমনে।
আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটের হিসাব অনুযায়ী, সর্বশেষ প্রতি আউন্স (২ দশমিক ৪৩ ভরি) স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৮০০ ডলার, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে সর্বশেষ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯০ টাকা, দেশের ইতিহাসেও যা সর্বোচ্চ।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) তথ্যমতে, ২০০০ সালে দেশে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ছিল ৬ হাজার ৯০০ টাকা। ২০১০ সালে তার দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৪২ হাজার ১৬৫ টাকায়। এক দশক পর ২০২০ সালে ধাপে ধাপে স্বর্ণের দাম বেড়ে হয় প্রতি ভরি ৬৯ হাজার ৮৬৭ টাকা।
গত ১৫ বছরে দেশে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। এর মধ্যে করোনা ও করোনা পরবর্তী সময় মিলিয়ে গত ৪ বছরে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ভরিতে ৭৫ হাজার টাকা।
দেশের বাজারে সর্বশেষ ২০২৩ সালের জুলাই মাসে স্বর্ণের ভরি ১ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়। সে হিসাবে দেড় বছরে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ভরিতে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা।
যে হারে স্বর্ণের দাম বাড়ছে, তাতে করে ২০২৬ সালের শেষের দিকে স্বর্ণের ভরি দুই লাখের কাছকাছি পৌঁছাতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।
রাজধানীর পুরান ঢাকার তাঁতিবাজারে প্রায় পাঁচ দশক ধরে স্বর্ণের ব্যবসা করেন গোবিন্দ হালদার। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে দেশে গিনি সোনার দাম ছিল দেড়শ টাকা। বর্তমান বাজারে দেড়শ টাকা তুচ্ছ মনে হলেও সে সময়েও মানুষের অভিযোগ ছিল, স্বর্ণের দাম নাগালের বাইরে। তবে বর্তমানে যেভাবে দাম বাড়ছে, তাতে করে বছর খানেকের মধ্যে ভরিপ্রতি ২ লাখ টাকাও হয়ে যেতে পারে।’
তবে সাধারণ মানুষের ভাষ্যমতে, দাম যতই নাগালের বাইরে থাকুক, স্বর্ণের চাহিদা কোনোদিন কমেনি।
দেশে স্বর্ণের দামের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান বলেন, ‘স্বর্ণের ভরি ২০২৬ সালের দিকে ২ লাখের কাছাকাছি পৌঁছাবে কিনা সেটা হলফ করে বলা যায় না। তবে বিশ্ববাজারে যে হারে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো যেভাবে স্বর্ণ মজুত করছে, তাতে দাম ২ লাখ হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।’
তবে এটি বাজারের ওপরই ছেড়ে দেওয়া ভালো বলে মনে করেন তিনি।
আরও পড়ুন: স্বর্ণ চোরাচালানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার অঙ্গীকার এনবিআর চেয়ারম্যানের
২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়, আর কমানো হয় ২৭ বার। চলতি বছর এখন পর্যন্ত চারবার স্বর্ণের সমন্বয় করে শীর্ষে অবস্থান করছেন মূল্যবান এ ধাতুটির দাম।
আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের পর থেকে ডলারের হিসাবে প্রতি বছর স্বর্ণের দাম ৮ শতাংশ হারে বেড়েছে। দাম বাড়তে থাকায় এবং স্বর্ণকে মুদ্রায় রূপান্তর সহজ হওয়ায় দামের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চাহিদা।
বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের বার্ষিক চাহিদা বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৩৪ টন, যার মূল্যমান ২৩৩ বিলিয়ন ডলার। উপমহাদেশে অলঙ্কার হিসেবে স্বর্ণ জনপ্রিয় হলেও বিশ্বের বহু দেশে স্বর্ণকে বিনিয়োগের বড় মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়।
স্বর্ণের ৪০ শতাংশ মজুত ব্যবহার করা হয় শুধু বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে, এর বিপরীতে গহনার পরিমাণ ৩৩ শতাংশ। এছাড়া, বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর হাতে আছে ২০ শতাংশ স্বর্ণের রিজার্ভ এবং প্রযুক্তি খাতে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় ৭ শতাংশ স্বর্ণ।
তবে স্বর্ণের বৈশ্বিক মজুতের হিসাব থাকলেও বাংলাদেশে এর কোনো সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক হিসাব নেই।
এ ব্যাপারে মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ভারতে সাধারণ মানুষের হাতে কত টন স্বর্ণ আছে—তার একটি সরকারি হিসাব আছে। দেশটির মানুষ জানে, বিনিয়োগের বড় মাধ্যম স্বর্ণ এবং তাদের স্বর্ণে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করার কাজ করে রাষ্ট্র স্বয়ং। কিন্তু বাংলাদেশে স্বর্ণের ব্যক্তি পর্যায়ের মজুত নিয়ে কোনো সরকারি হিসাব নেই। এমনকি বাজুসের কাছেও এ নিয়ে সঠিক কোনো তথ্য নেই।’
করোনা-পরবর্তী সময়ে ডলালের দাম বাড়তে থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো স্বর্ণকে নিরাপদ রিজার্ভ হিসেবে বেছে নিয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়ার ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞাও স্বর্ণের বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে।
এছাড়া, কানাডা-মেক্সিকোর ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক শুল্কনীতিও স্বর্ণের বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছে বাজুস।
আরও পড়ুন: আট মাসে ১০ টন স্বর্ণ কিনেছে মঙ্গোলিয়া
দেশে সাধারণ মানুষের কাছে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে স্বর্ণের মজুত কেন জনপ্রিয় নয়—এমন প্রশ্নের ব্যাখ্যায় বেশিরভাগ মানুষই মনে করেন, যে হারে স্বর্ণের দাম বাড়ছে সেটি অযৌক্তিক। একসময় দাম কমে এলে তারা স্বর্ণ বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে কেনার চিন্তা করবেন। আবার স্বর্ণের মজুত কীভাবে বিনিয়োগের মাধ্যম হতে পারে—এ ব্যাপারটিও অনেকের কাছে পরিষ্কার নয়।
করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হাসিবুর রহমান বলেন, ‘এককালে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমাদের আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে স্বর্ণ উপহার দেওয়ার প্রথা ছিল। এটা মূলত তাদের ভবিষ্যতের সঞ্চয়ের কথা ভেবেই উপহার দেওয়া হতো। কিন্তু দাম বাড়ায় এ প্রথা একদমই উঠে গেছে। এখন গহনা দেওয়ার বদলে টাকা দেওয়ার প্রথা চালু হয়েছে।’
আরেক বেসরকারি চাকরিজীবী রুম্মান রুবায়েত বলেন, ‘ব্যাংকে রাখা টাকা এবং এ থেকে প্রাপ্ত মুনাফা অনেকাংশ ঝুঁকিমুক্ত। অন্যদিকে স্বর্ণের দাম এখন বাড়লেও আগামীতে কোনদিকে যাবে, সেটি নিশ্চিত হয়ে বলা যায় না। জমাকৃত অর্থের নিশ্চিত মুনাফার জন্যই মানুষ স্বর্ণ না কিনে ব্যাংকে টাকা রাখেন।’
তবে এ ব্যাপারে মানুষের সচেতনতা ও সঠিক আর্থিক জ্ঞান জরুরি মনে করেন বাজুস কর্মকর্তা মাসুদুর।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘লাখ লাখ মানুষ নিশ্চিত ঝুঁকি জেনেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছে। আগামীতে স্বর্ণের ভরি যতই হোক না কেন, স্বর্ণে বিনিয়োগ করে লোকসানের মুখে পড়েছেন—আজ পর্যন্ত এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল। শুধু সাজসজ্জার গহনা হিসাবে স্বর্ণ ব্যবহার না করে, বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে দেখলে মূল্যবান এ ধাতুর দাম বাড়লেও চাহিদা কমবে না।’
স্বর্ণের বাজারে ভ্যাট-ট্যাক্স সমস্যার সমাধান করা এবং সাধারণ মানুষকে স্বর্ণে বিনিয়োগ সুবিধাজনক—এমন বার্তা পৌঁছে দিতে পারলে বিশ্ব বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে আগামীতে স্বর্ণের দাম যতই বৃদ্ধি পাক, চাহিদা কোনোদিনও তলানিতে ঠেকবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন: পুরনো স্বর্ণ বিক্রির সময় যে কারণে দাম কেটে রাখা হয়
৩৭৬ দিন আগে