অলি আহমদ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদের মনোনয়নপত্র দাখিল
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বেলা ১১ টা ৪৯ মিনিটে তার পক্ষে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনি কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
অলি আহমদের মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক হয়েছেন ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। আর সমর্থক হয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি ও এনসিপির নেতা আব্দুল্লাহ আল আমিন।
রাজধানীর শেরেবাংলানগরে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ও এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী নির্বাচনি কর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং কয়েকজন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দুপুরে স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল করা হবে বলে জানা গেছে।
তফসিল অনুযায়ী, আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার মধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। ভোটগ্রহণ সংসদ অধিবেশনকক্ষে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত।
গত ২৪ জুলাই মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর সম্প্রতি নির্বাচনের তফসিল দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে তা পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।
একাধিক প্রার্থী থাকায় ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট হবে। এর আগে, একক প্রার্থী থাকায় ১৯৯১ সালের পর প্রতিটি নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
১ দিন আগে
আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই; নিষিদ্ধ হওয়া উচিত: অলি আহমদ
লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) ওলি আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিরুদ্ধে তাদের যে ভূমিকা ছিল, এরপর তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।
শনিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
অলি বলেন, ‘কেন আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হবে না? আমরা আজ আবার বলেছি, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত কারণ তারা ১৮ কোটি মানুষের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।’
বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় যোগাযোগমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করা ওলি আহমদ বলেন, ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে পুলিশ ও প্রশাসনসহ সবকিছু ব্যবহার করেছে আওয়ামী লীগ।
আরও পড়ুন: সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আ.লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত: অলি আহমদ
তিনি বলেন, সেনাবাহিনী ও কিছু পুলিশ প্রতিবাদ চলাকালে গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানানোয় তারা টিকতে পারেনি।
তার মতে, এই আন্দোলনে ১৫০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ গেছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছে।
ওলি বলেন, আজ তারা ২৩টি প্রস্তাব দিয়েছেন। এর মধ্যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির সমাধানের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
গত ৫ অক্টোবর বিএনপি, জামায়াত, সিপিবিসহ কয়েকটি দলের অংশগ্রহণে শুরু হওয়া চলতি পর্বে এটি দ্বিতীয় সংলাপ।
গণফোরাম, লিবারেল ডেমোক্রেটস পার্টি (এলডিপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (আন্দালিব) সহ ১৫টি রাজনৈতিক দলকে আজকের সংলাপে অংশ নিতে আমন্ত্রণ আজানো হয়েছে।
সংলাপের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সংস্কার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে রাজনৈতিক দলগুলোকে জানানো এবং তাদের পরামর্শ নেওয়া।
এছাড়া রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয় গণফোরামের নয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বিকেল ৩টার দিকে যমুনায় প্রবেশ করে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার প্রধান মিত্র জাতীয় পার্টি (এরশাদ) ছাড়া প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চলমান সংলাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল প্রায় সব রাজনৈতিক দলের।
এদিকে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বেই নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার রাতে এক টিভি অনুষ্ঠানে দেওয়া তার বক্তব্যের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, 'এটা (নির্বাচনের সময়) ঘোষণা করার এখতিয়ার একমাত্র তারই আছে।’
তবে ২০২৫ সালের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: কর্নেল অলি আহমদের গাড়িতে ‘ছাত্রলীগের’ হামলা ?
৬৬৪ দিন আগে
সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আ.লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত: অলি আহমদ
স্বৈরাচারী ও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম।
তিনি বলেন, স্বৈরশাসকের পতনের পর জাতি-ধর্ম-রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে। একনায়কতান্ত্রিক ও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করতে হবে এবং নিষিদ্ধ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর মগবাজারে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অলি আহমদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সাম্প্রতিক আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন করতে হবে এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
আজ রাতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আগাম শুভেচ্ছা জানান বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ।
তিনি নতুন সরকারের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাফল্য কামনা করেন।
এলডিপি সভাপতি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ২০০৯ সাল থেকে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে গ্রেপ্তার ও আটককৃতদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।
তিনি বলেন, এসব অপরাধের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সাবেক সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলীসহ অপহরণ, নিহত ও জোরপূর্বক গুমের ব্যক্তিদের তালিকা অবশ্যই প্রস্তুত করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘এই সরকারের আমলে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে।’
অলি আহমেদ বলেন, ১৯৯৬ সালের পর যারা অবৈধভাবে ও অযৌক্তিকভাবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তাদের নাম বাতিল করে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা সংশোধন করতে হবে।
তিনি বলেন, কোনো আসামি যেন পালাতে না পারে কিংবা স্থল, নৌ ও আকাশপথে কোনো অপরাধীও যেন দেশে প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যবস্থাও করতে হবে।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের সঙ্গে যুক্ত সব অভিযুক্ত ও পলাতককে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে তাদের অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে। বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানাতে হবে।
এলডিপি সভাপতি বলেন, উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হলেই শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।
তিনি বলেন, ছয় মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য একটি সুস্পষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করতে হবে এবং কমপক্ষে পরবর্তী চারটি জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় করতে হবে।
সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি কমিটি গঠনের কথা উল্লেখ করে অলি আহমদ বলেন, কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী ও প্রজাতন্ত্রের কোনো প্রতিষ্ঠানের (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ) শীর্ষ নির্বাহী পদে থাকতে পারবেন না।
৭৩৬ দিন আগে
জরুরি অবস্থা বা কারফিউ ঘোষণা করুন: অলি
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশে জরুরি অবস্থা বা কারফিউ ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদ।
২৩১৯ দিন আগে