খাল খনন
হালদার প্রাণ ফেরাতে পাহাড়ের উজানজুড়ে কর্মযজ্ঞ
দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীকে ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণার পর এর অস্তিত্ব রক্ষায় শুরু হয়েছে নতুন এক কর্মযজ্ঞ। হালদার প্রাণ সঞ্চার ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে নদীর উজানে শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচি। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে হারানো স্রোত ফিরিয়ে আনার এই লড়াইয়ে কাজ করছেন কয়েকশ শ্রমিক, যার লক্ষ্য হালদাকে তার আদি রূপ ফিরিয়ে দেওয়া।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে হালদার উজান সালদা অংশে ৪৭৬ জন শ্রমিকের কর্মতৎপরতায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। দুই কিলোমিটার খনন কাজে লেভেলিং, ড্রেসিং ও ঘাসের চাপড়া লাগানোর কাজ ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান হয়েছে। অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় এই বিশাল উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝেও আশার সঞ্চার করেছে।
৪ দিন আগে
বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিতে জনগণকে পাশে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জনগণের স্বার্থ রক্ষা ও তাদের সমস্যার সমাধান করাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ গড়ার কর্মসূচিতে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সরকারের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আসুন, কাজ করে নিজের দেশকে নিজেরাই গড়ে তুলি। বিদেশ নিয়ে নয়, আমরা বাংলাদেশ নিয়ে গর্ব করব।
শনিবার (২ মে) দুপুরে সিলেট সদর উপজেলার কাশিপুরের ঐতিহ্যবাহী বাঁশিয়া খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সরকারের (বিএনপি) এক নম্বর দায়িত্ব হচ্ছে, এই দেশের মানুষের স্বার্থ দেখা; এই দেশের মানুষের সমস্যার সামাধান করা। আপনারা যদি আমাদের পাশে থাকেন, বাংলাদেশকে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। অন্যান্য উন্নত দেশের পাশাপাশি আমরা বাংলাদেশকে দাঁড় করাতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ।
নিজের ‘করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দিয়ে তিনি বলেন, আসুন, কাজ করে নিজের দেশকে নিজেরাই গড়ে তুলি। বিদেশ নিয়ে নয়, আমরা বাংলাদেশ নিয়ে গর্ব করব।
এর আগে, দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে নিজে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন তিনি।
উদ্বোধন শেষে উপস্থিত এলাকাবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খালটি ১৯৭৭ সালে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খনন করেছিলেন। এরপর চলতে চলতে খালটি আবার বন্ধ হয়ে গেছে। এই খালটি আমরা কাটতে চাই।
তিনি বলেন, খালটি কাটলে প্রায় ৮০ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। এর বাইরে আরও প্রায় দেড় লাখ কৃষক উপকার পাবেন। এতে করে বর্তমানে খালের দুপাশে যে পরিমাণ ফসল উৎপাদন হয়, তার চেয়ে প্রায় ৭ হাজার টন ফসল বেশি উৎপাদিত হবে।
৭ দিন আগে
ঢাকা-সিলেট ডবল রেললাইন হবে: প্রধানমন্ত্রী
সিলেট-ঢাকা যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এই রুটে ডবল লাইন চালু করা হবে।
শনিবার (২ মে) দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
সমাবেশে সিলেটের সার্বিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ এই অঞ্চলের সড়ক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ট্রেন যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়নে ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডবল লাইন চালু করা হবে।
এ ছাড়াও সিলেটের কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় খাল খনন কর্মসূচি এবং সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
৭ দিন আগে
গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টার ব্যাপারে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী
গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায় তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) যশোরের শার্শা উপজেলায় ঐতিহাসিক উলশী খালের পুনর্খনন কাজ উদ্বোধনের পর খালের পাড়ে এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এ সতর্কবাণী দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই সনদের অর্থ ভিন্নভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রিয় ভাই-বোনেরা, আপনাদের সজাগ থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। যারা গণভোটের রায়কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চায়, যারা জুলাই সনদের অর্থ ভিন্নভাবে তাদের নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য উপস্থাপন করতে চায়, এরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়।’
তারেক রহমান বলেন, ‘এই বিশৃঙ্খলা যদি সৃষ্টি করতে পারে তারা, তাহলে জনগণের যে কর্মসূচি— ফ্যামিলি কার্ডের যে কর্মসূচি, মা-বোনদের যে কর্মসূচি, কৃষকদের কৃষি কার্ডের যে কর্মসূচি, খাল খননের যে কর্মসূচি, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য মিল-কারখানা চালু করার যে কর্মসূচি, স্বাস্থ্যসেবা গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার যে কর্মসূচি— সকল কর্মসূচি ব্যাহত হবে, এই বিশৃঙ্খলা যদি প্রশ্রয় পায়।’
তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণকেই নিশ্চিত করতে হবে যেন কেউ জাতির অগ্রগতিকে নস্যাৎ করার সুযোগ না পায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’ তার সরকার পর্যায়ক্রমে এবং অক্ষরে অক্ষরে পূর্ণ বাস্তবায়ন করবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ এবং সতর্ক থাকি, তবে কেউ বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে পারবে না।’
৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে তারা কেমন জবাব দিতে পারে, তা সেদিন মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট মানুষ যেভাবে উপযুক্ত জবাব দিয়েছিল, ভবিষ্যতে কেউ যদি তাদের ভাগ্য নিয়ে খেলার চেষ্টা করে, তবে তারা আবারও একইভাবে জবাব দেবে।
১২ দিন আগে
জনগণের আস্থা ধরে রাখতে না পারলে কী হয়, তার শিক্ষা শেখ হাসিনার কাছ থেকে নিতে পারেন: তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘জনগণের মধ্যে আমাদের ভিত্তি আছে বলেই আমরা বিজয়ী হয়েছি। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনে জয়লাভ করেছি। জনগণের আস্থা যদি আমরা ধরে রাখতে না পারি তাহলে কি পরিণাম পরিণতি হয়, সেটা শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিক্ষা নিতে পারি। যদি কারো কোনো জ্ঞানের অভাব থাকে, তাহলে আমি টিকেট কেটে দেব, দিল্লিতে গিয়ে শেখ হাসিনার কাছে জেনে নেবেন—ভুল করলে পরে তার খেসারত কতটুকু দিতে হয়।’
সোমবার (১৬ মার্চ) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের কুতুবপুর স্বনির্ভর খালের ২ কিলোমিটার পুনর্খনন কাজ উদ্বোধনের আগে এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খাল খনন প্রকল্প ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ারের টাকা পয়সা আয় করার জন্য হতে পারে না। খালে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি টাকা চুরি করতে দেওয়া যাবে না। খালের পানি কৃষি জমিতে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীকে। স্থানীয়রা তদারকি করবেন খালে পানি প্রবাহ ঠিক আছে কি না। সরকারি কাজ আপনাদের উপকারে আসল কি না সেটা জানাবেন, আর উপকারে না আসলে আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন। এখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী থাকতে দেব না।’
এ সময় প্রশাসন ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ কৃষক ও স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
৫৪ দিন আগে
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শুধু কথার রাজনীতি করে না, বরং বাস্তব কাজের মাধ্যমে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ শুরু করেছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে লালমাই উপজেলার দোশারীচোঁ মৌজার ডাকাতিয়া নদীর শাখা খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন এবং খাল-সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগেই বিএনপি দরিদ্র ও অসহায় নারীদের সহায়তার জন্য ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ঘোষণা দিয়েছিল এবং নির্বাচন শেষে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সেই কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। একইভাবে কৃষকদের সহায়তায় কৃষক কার্ড চালু করার প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন হয়েছে এবং পহেলা বৈশাখের আগেপরে তা চালু করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। কৃষকদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। এ লক্ষ্যে সরকার কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন সহায়ক উদ্যোগ ইতোমধ্যে নিয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ের মতো আবারও খাল খনন কর্মসূচি চালু করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল পুনর্খনন ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
খাল পুনর্খননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং মাছ উৎপাদনের সম্ভাবনা বাড়বে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতেও এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আমিন উর রশিদ জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো কৃষকবান্ধব নীতি গ্রহণের মাধ্যমে দেশের কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো।
স্থানীয় জনগণকে খাল রক্ষা ও ব্যবস্থাপনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খালগুলো সচল থাকলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-১০-এর (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। এ সময় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনর্খনন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) আওতাধীন ‘বি-স্ট্র’ প্রকল্পের অধীনে খাল খননের কার্যক্রম আজ শুরু হয়েছে। এ খাল খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে লালমাই উপজেলার ৪২টি গ্রামের জলাবদ্ধতা দূরীভূত হবে। ফলে এ অঞ্চলের বিপুল সংখ্যক মানুষ উপকৃত হবে।
৫৪ দিন আগে
কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের কৃষক ও কৃষাণী ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই বিএনপির রাজনীতি। বিএনপি জনগণের দল জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা সরকার পরিচালনা করব।
সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় ‘শাহাপাড়া খাল’ পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এদিন দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে দেশের ৫৩টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এই কর্মসূচির আওতায় পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, খাল খনন কর্মসুচির মাধ্যমে আমরা দেশ গড়ার কর্মসুচিতে হাত দিলাম। কৃষক ও কৃষানের ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
তারেক রহমান বলেন, ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ শাহাপাড়া খালটির খনন কাজ শেষ হলে এলাকার প্রায় ৩৩ হাজার কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। এর মাধ্যমে ১২০০ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে এবং এলাকার সাড়ে তিন লাখ মানুষ নানাভাবে এই খালের সুবিধা ভোগ করবেন। এতে এই এলাকায় আগের চেয়ে প্রায় ৬০ হাজার টন বেশি ফসল উৎপাদিত হবে।
এ সময় শুধু খাল খননই নয়, খালের দুই পাড়ে সাত হাজার বৃক্ষরোপণ এবং মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণেরও ঘোষণা দেন তিনি।
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে কথা দিয়েছিলাম ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করব। সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই আমরা সুদসহ সেই কৃষি ঋণ মওকুফের ব্যবস্থা করেছি। দেশের চার কোটি পরিবারের মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার মায়ের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামী মাস থেকে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
উত্তরাঞ্চলের কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় কৃষিপ্রধান এলাকা। এখানকার বেকার যুবক ও নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য ইপিজেডগুলোতে কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঈদের পর এ বিষয়ে বড় বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আমরা বসব।
বিএনপি সরকারকে ‘কৃষকবান্ধব’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য হলো মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করা। আজকে যে মানুষটি মাসে পাঁচ হাজার টাকা আয় করে, আগামী দুই থেকে চার বছরের মধ্যে তার আয় যেন ১০ হাজার টাকায় পৌঁছায়, আমরা সেই পলিসি নিয়েই কাজ করছি। কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে।
দেশের উন্নয়ন ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সমর্থন ছাড়া দেশের উন্নয়ন কাজ করা সম্ভব নয়। জনগণই হচ্ছে আমাদের সব ক্ষমতার উৎস। এই দেশের মানুষই একাত্তর সালে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে এবং ২৪ সালে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচার বিদায় করেছে। এ মানুষগুলোই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
তবে বিভিন্ন রকম মিষ্টি কথা বলে যারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান তুলে দেশ গড়ার কাজে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল কাটার উদ্বোধন করেন এবং সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
৫৪ দিন আগে
খাল খননের মাধ্যমে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়াউর রহমান: ভূমিমন্ত্রী
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, সারা দেশে খাল খননের মাধ্যমে একটি দুর্ভিক্ষপূর্ণ অবস্থা থেকে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় বিল লতা খালের বেলগাপুর থেকে জুলুপাড়া পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ মিটার খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যায়ে এই খাল খনন করা হবে বলে তিনি জানান।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, নওগাঁ জেলা ধানের জন্য বিখ্যাত। আমাদের খাদ্যের যে চাহিদা সেগুলো আমাদের পূরণ করতে হবে। সেই লক্ষ্যে নওগাঁসহ সারা দেশের সকল নদীনালা ও খাল খননের মাধ্যমে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে।
তিনি বলেন, সারা দেশে খাল খননের মাধ্যমে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি দুর্ভিক্ষপীড়িত অবস্থা থেকে দেশকে শস্যশ্যামলা বাংলাদেশে পরিণত করেছিলেন; বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন।
নিজের দপ্তর নিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমি বিষয়ে এখানকার ১০০ জনের মধ্যে ১০০ জনেরই অভিযোগ রয়েছে। আমি খোলাখুলি কিছু বলব না, কিন্তু আমি এখানকার মানুষের জন্য কিছু করব। আমি জনগণের জন্য অবশ্যই সততার সঙ্গে কিছু করব। কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি যাতে না থাকে, সেজন্য আমরা কাজ করছি। যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আপনাদের সেবক হওয়ার জন্য এসেছি। আপনারা নির্দেশ করবেন, আপনাদের প্রত্যাশা পূরণ করাই আমাদের দায়িত্ব। আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী কোনো প্রটোকল নেন না। সরকারি কাজ ছাড়া গাড়িতে ফ্ল্যাগ নেন না। প্রশাসনের ভাইয়েরা দূর থেকে সংবাদ শুনছেন, অপরাধীদের ধরেন ফোর্স দিয়ে; আমাদের নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। আমরা মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশে থাকতে চাই।
এ সময় নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নওগাঁ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক নান্নু, নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁ-৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর) আসনের ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের ইকরামুল বারি টিপু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
৫৪ দিন আগে
খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খালে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে দেশব্যাপী খাল খনন ও পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামে এ কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। এই উদ্যোগটি মূলত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচিকে পুনরায় ফিরিয়ে আনল।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালুর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির দেওয়া আরও একটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্ত্রী ও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তারেক রহমান কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে সাহাপাড়া খাল পুনর্খননের কাজ শুরু করেন।
নিজ হাতে খাল খনন করার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তার পিতা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দেন। প্রায় পাঁচ দশক আগে, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি নিজে খাল খনন করে এই ধরনের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
সরকারপ্রধানকে তার প্রয়াত পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে নিজে খাল খনন করতে দেখে স্থানীয় হাজার হাজার মানুষ বিপুল উৎসাহের সঙ্গে তা প্রত্যক্ষ করেন।
প্রধানমন্ত্রী সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা থেকে বিমানে করে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে দিনাজপুরের বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় যান। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকার বাইরে এটিই তারেক রহমানের প্রথম সফর।
সাহাপাড়া খালের কাছে একটি জনসভায় তার ভাষণ দেওয়ারও কথা রয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বিএনপি যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
৫৪ দিন আগে
খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে দিনাজপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করতে দিনাজপুর যাওয়ার পথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখান থেকে তিনি সড়ক পথে দিনাজপুরের পথে রওনা হয়েছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে রওনা হয়ে সকাল সোয়া ১০টার দিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান।
রুমন আরও জানান, বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় যাবেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমান সাহাপাড়া খাল পুনঃখননের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাহাপাড়ায় একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ঢাকার বাইরে তারেক রহমানের প্রথম সফর।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালুর পর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আরও একটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার এখন খাল খনন কর্মসূচি শুরু করছে।
প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুর শহরের উপকণ্ঠে শেখ ফরিদ মডেল কবরস্থানে তার নানা মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশিদ জাহান হকের কবর জিয়ারত করবেন।
বিকেল ৫টার দিকে দিনাজপুর সার্কিট হাউসে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন তিনি। এরপর রাতে আকাশপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এই সফরকে ঘিরে দিনাজপুরের বিএনপি নেতা-কর্মী, কৃষক এবং সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
৫৪ দিন আগে