খাল খনন
জনগণের আস্থা ধরে রাখতে না পারলে কী হয়, তার শিক্ষা শেখ হাসিনার কাছ থেকে নিতে পারেন: তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘জনগণের মধ্যে আমাদের ভিত্তি আছে বলেই আমরা বিজয়ী হয়েছি। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনে জয়লাভ করেছি। জনগণের আস্থা যদি আমরা ধরে রাখতে না পারি তাহলে কি পরিণাম পরিণতি হয়, সেটা শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিক্ষা নিতে পারি। যদি কারো কোনো জ্ঞানের অভাব থাকে, তাহলে আমি টিকেট কেটে দেব, দিল্লিতে গিয়ে শেখ হাসিনার কাছে জেনে নেবেন—ভুল করলে পরে তার খেসারত কতটুকু দিতে হয়।’
সোমবার (১৬ মার্চ) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের কুতুবপুর স্বনির্ভর খালের ২ কিলোমিটার পুনর্খনন কাজ উদ্বোধনের আগে এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খাল খনন প্রকল্প ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ারের টাকা পয়সা আয় করার জন্য হতে পারে না। খালে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি টাকা চুরি করতে দেওয়া যাবে না। খালের পানি কৃষি জমিতে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীকে। স্থানীয়রা তদারকি করবেন খালে পানি প্রবাহ ঠিক আছে কি না। সরকারি কাজ আপনাদের উপকারে আসল কি না সেটা জানাবেন, আর উপকারে না আসলে আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন। এখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী থাকতে দেব না।’
এ সময় প্রশাসন ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ কৃষক ও স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
১৪ দিন আগে
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শুধু কথার রাজনীতি করে না, বরং বাস্তব কাজের মাধ্যমে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ শুরু করেছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে লালমাই উপজেলার দোশারীচোঁ মৌজার ডাকাতিয়া নদীর শাখা খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন এবং খাল-সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগেই বিএনপি দরিদ্র ও অসহায় নারীদের সহায়তার জন্য ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ঘোষণা দিয়েছিল এবং নির্বাচন শেষে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সেই কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। একইভাবে কৃষকদের সহায়তায় কৃষক কার্ড চালু করার প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন হয়েছে এবং পহেলা বৈশাখের আগেপরে তা চালু করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। কৃষকদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। এ লক্ষ্যে সরকার কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন সহায়ক উদ্যোগ ইতোমধ্যে নিয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ের মতো আবারও খাল খনন কর্মসূচি চালু করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল পুনর্খনন ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
খাল পুনর্খননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং মাছ উৎপাদনের সম্ভাবনা বাড়বে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতেও এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আমিন উর রশিদ জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো কৃষকবান্ধব নীতি গ্রহণের মাধ্যমে দেশের কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো।
স্থানীয় জনগণকে খাল রক্ষা ও ব্যবস্থাপনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খালগুলো সচল থাকলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-১০-এর (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। এ সময় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনর্খনন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) আওতাধীন ‘বি-স্ট্র’ প্রকল্পের অধীনে খাল খননের কার্যক্রম আজ শুরু হয়েছে। এ খাল খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে লালমাই উপজেলার ৪২টি গ্রামের জলাবদ্ধতা দূরীভূত হবে। ফলে এ অঞ্চলের বিপুল সংখ্যক মানুষ উপকৃত হবে।
১৪ দিন আগে
কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের কৃষক ও কৃষাণী ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই বিএনপির রাজনীতি। বিএনপি জনগণের দল জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা সরকার পরিচালনা করব।
সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় ‘শাহাপাড়া খাল’ পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এদিন দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে দেশের ৫৩টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এই কর্মসূচির আওতায় পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, খাল খনন কর্মসুচির মাধ্যমে আমরা দেশ গড়ার কর্মসুচিতে হাত দিলাম। কৃষক ও কৃষানের ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
তারেক রহমান বলেন, ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ শাহাপাড়া খালটির খনন কাজ শেষ হলে এলাকার প্রায় ৩৩ হাজার কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। এর মাধ্যমে ১২০০ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে এবং এলাকার সাড়ে তিন লাখ মানুষ নানাভাবে এই খালের সুবিধা ভোগ করবেন। এতে এই এলাকায় আগের চেয়ে প্রায় ৬০ হাজার টন বেশি ফসল উৎপাদিত হবে।
এ সময় শুধু খাল খননই নয়, খালের দুই পাড়ে সাত হাজার বৃক্ষরোপণ এবং মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণেরও ঘোষণা দেন তিনি।
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে কথা দিয়েছিলাম ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করব। সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই আমরা সুদসহ সেই কৃষি ঋণ মওকুফের ব্যবস্থা করেছি। দেশের চার কোটি পরিবারের মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার মায়ের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামী মাস থেকে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
উত্তরাঞ্চলের কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় কৃষিপ্রধান এলাকা। এখানকার বেকার যুবক ও নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য ইপিজেডগুলোতে কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঈদের পর এ বিষয়ে বড় বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আমরা বসব।
বিএনপি সরকারকে ‘কৃষকবান্ধব’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য হলো মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করা। আজকে যে মানুষটি মাসে পাঁচ হাজার টাকা আয় করে, আগামী দুই থেকে চার বছরের মধ্যে তার আয় যেন ১০ হাজার টাকায় পৌঁছায়, আমরা সেই পলিসি নিয়েই কাজ করছি। কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে।
দেশের উন্নয়ন ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সমর্থন ছাড়া দেশের উন্নয়ন কাজ করা সম্ভব নয়। জনগণই হচ্ছে আমাদের সব ক্ষমতার উৎস। এই দেশের মানুষই একাত্তর সালে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে এবং ২৪ সালে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচার বিদায় করেছে। এ মানুষগুলোই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
তবে বিভিন্ন রকম মিষ্টি কথা বলে যারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান তুলে দেশ গড়ার কাজে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল কাটার উদ্বোধন করেন এবং সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
১৪ দিন আগে
খাল খননের মাধ্যমে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়াউর রহমান: ভূমিমন্ত্রী
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, সারা দেশে খাল খননের মাধ্যমে একটি দুর্ভিক্ষপূর্ণ অবস্থা থেকে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় বিল লতা খালের বেলগাপুর থেকে জুলুপাড়া পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ মিটার খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যায়ে এই খাল খনন করা হবে বলে তিনি জানান।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, নওগাঁ জেলা ধানের জন্য বিখ্যাত। আমাদের খাদ্যের যে চাহিদা সেগুলো আমাদের পূরণ করতে হবে। সেই লক্ষ্যে নওগাঁসহ সারা দেশের সকল নদীনালা ও খাল খননের মাধ্যমে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে।
তিনি বলেন, সারা দেশে খাল খননের মাধ্যমে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি দুর্ভিক্ষপীড়িত অবস্থা থেকে দেশকে শস্যশ্যামলা বাংলাদেশে পরিণত করেছিলেন; বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন।
নিজের দপ্তর নিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমি বিষয়ে এখানকার ১০০ জনের মধ্যে ১০০ জনেরই অভিযোগ রয়েছে। আমি খোলাখুলি কিছু বলব না, কিন্তু আমি এখানকার মানুষের জন্য কিছু করব। আমি জনগণের জন্য অবশ্যই সততার সঙ্গে কিছু করব। কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি যাতে না থাকে, সেজন্য আমরা কাজ করছি। যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আপনাদের সেবক হওয়ার জন্য এসেছি। আপনারা নির্দেশ করবেন, আপনাদের প্রত্যাশা পূরণ করাই আমাদের দায়িত্ব। আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী কোনো প্রটোকল নেন না। সরকারি কাজ ছাড়া গাড়িতে ফ্ল্যাগ নেন না। প্রশাসনের ভাইয়েরা দূর থেকে সংবাদ শুনছেন, অপরাধীদের ধরেন ফোর্স দিয়ে; আমাদের নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। আমরা মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশে থাকতে চাই।
এ সময় নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নওগাঁ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক নান্নু, নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁ-৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর) আসনের ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের ইকরামুল বারি টিপু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
১৪ দিন আগে
খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খালে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে দেশব্যাপী খাল খনন ও পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামে এ কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। এই উদ্যোগটি মূলত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচিকে পুনরায় ফিরিয়ে আনল।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালুর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির দেওয়া আরও একটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্ত্রী ও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তারেক রহমান কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে সাহাপাড়া খাল পুনর্খননের কাজ শুরু করেন।
নিজ হাতে খাল খনন করার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তার পিতা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দেন। প্রায় পাঁচ দশক আগে, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি নিজে খাল খনন করে এই ধরনের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
সরকারপ্রধানকে তার প্রয়াত পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে নিজে খাল খনন করতে দেখে স্থানীয় হাজার হাজার মানুষ বিপুল উৎসাহের সঙ্গে তা প্রত্যক্ষ করেন।
প্রধানমন্ত্রী সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা থেকে বিমানে করে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে দিনাজপুরের বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় যান। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকার বাইরে এটিই তারেক রহমানের প্রথম সফর।
সাহাপাড়া খালের কাছে একটি জনসভায় তার ভাষণ দেওয়ারও কথা রয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বিএনপি যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
১৪ দিন আগে
খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে দিনাজপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করতে দিনাজপুর যাওয়ার পথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখান থেকে তিনি সড়ক পথে দিনাজপুরের পথে রওনা হয়েছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে রওনা হয়ে সকাল সোয়া ১০টার দিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান।
রুমন আরও জানান, বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় যাবেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমান সাহাপাড়া খাল পুনঃখননের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাহাপাড়ায় একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ঢাকার বাইরে তারেক রহমানের প্রথম সফর।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালুর পর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আরও একটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার এখন খাল খনন কর্মসূচি শুরু করছে।
প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুর শহরের উপকণ্ঠে শেখ ফরিদ মডেল কবরস্থানে তার নানা মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশিদ জাহান হকের কবর জিয়ারত করবেন।
বিকেল ৫টার দিকে দিনাজপুর সার্কিট হাউসে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন তিনি। এরপর রাতে আকাশপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এই সফরকে ঘিরে দিনাজপুরের বিএনপি নেতা-কর্মী, কৃষক এবং সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
১৪ দিন আগে
১৬ মার্চ দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: জাহিদ হোসেন
দিনাজপুরের কাহারোলের বলরামপুরে সাহাপাড়া থেকে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় একইসঙ্গে সারা দেশের ৫৩টি খাল খনন উদ্বোধন করবেন তিনি।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে সাহাপাড়া–বলরামপুর খাল পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, জাতীয় সংসদের হুইপ আক্তারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুরের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদসহ সংশ্লিষ্টরা।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সময় একইসঙ্গে সারা দেশে ৫৩টি জেলায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি।
তিনি বলেন, দলের নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে খাল পুনঃখনন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে যে সমস্ত খাল খনন করা হয়েছিল, সেই সমস্ত খালের অনেকগুলি ভরাট হয়ে গেছে। খালগুলো পুনরায় খননে বিগত সরকারগুলো কোনো দ্বায়িত্ব নেয়নি।
এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, খাল খননের মাধ্যমে কৃষকের সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং খাল নির্ভর অর্থনীতি—মাছ চাষ, হাঁস পালন, খালের পাড়ে বৃক্ষ রোপন দেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, খাল খননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর করে অতিরিক্ত পানি বের করে দেওয়া যায়। শুকনা মৌসুমে পানি ধরে রেখে এর মাধ্যমে সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে। এর ফলে ভূ-অভ্যন্তরের পানি কম ব্যবহার হবে এবং উপরিতলের পানি বেশি ব্যবহার হবে। এতে মরুভূমি হবার সম্ভাবনা কমে যাবে। এটা আমাদের উত্তরাঞ্চলের জন্য অতি জরুরি।
পাউবোর প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ জানান, সাড়ে ২২ কোটি টাকা খরচে ১২ দশমিক ২ কিলোমিটার পুরাতন ওই খাল পুনঃখননের ফলে প্রতি বছর রক্ষা পাবে ২টি বিলের ১ হাজার ৫০০ একর জমির প্রায় ৬০ হাজার টন আমন ধান। নষ্ট হয়ে যাওয়া ধানের দাম প্রায় ২০৫ কোটি টাকা। খননের ফলে পাশাপাশি সেচ সুবিধার আওতায় পানির অভাবে পড়ে থাকা অনাবাদি ১ হাজার ২০০ হেক্টর জমি থেকে আসবে বাড়তি ফসল। খালের সেচের সুবিধায় আসবে ৪০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা।
১৬ দিন আগে
কোনো বাধার মুখে খাল খনন বন্ধ করবে না সরকার: পানি সম্পদমন্ত্রী
অনির্বাচিত সরকারের সময় প্রভাবশালীদের বাধার মুখে খাল খনন বাধাগ্রস্ত হলেও তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার কোনো বাধার মুখে খাল খনন প্রকল্প বন্ধ করবে না বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খনন করা চৌক্কার খাল পরিদর্শনে এসে তিনি গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে থাকা পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, শিল্প-কারখানারসহ ব্যক্তি পর্যায়ে যারা খাল ও নদী দখল করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে মন্ত্রণালয়।
খাল নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন করা পরিবেশ কর্মীরা মন্ত্রীর হাতে স্মারক লিপি তুলে দেন। এরপর তিনি লবলং খাল পরিদর্শন করেন৷
দীর্ঘ এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খোন্দকার আজিম আহমেদ, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. আলম হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন, পানি সম্পদ মন্ত্রীর একান্ত সচিব মাসুম রেজা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদসহ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
২৮ দিন আগে
জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন চলমান থাকবে: পানি সম্পদ উপদেষ্টা
ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
বুধবার (৫ মার্চ) সকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার ৬টি খালের চলমান খনন কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই ঢাকার ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এ অবস্থা থেকে থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে ঢাকার খালগুলোতে পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে হবে। একারণে খাল খনন কার্যক্রম চলমান রাখার পরামর্শ দেন তিনি।
শহরের জীববৈচিত্র্য ঠিক রাখতে খালগুলোকে বাঁচিয়ে রাখা জরুরি বলে অভিমত দেন তিনি।
আরও পড়ুন: ঢাকার ১৯ খাল উদ্ধারের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে: রিজওয়ানা
উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৬টি খাল খননের কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এ বছরের মধ্যেই মোট ১৯ খাল খননের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দিন দিন ঢাকা শহরের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এ অবস্থায় ঢাকার খালগুলো খনন করে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর উন্নত হবে।
ঢাকার খালগুলো খননের পর খালের পাড়ে দৃষ্টিনন্দন ফুলের চারা এবং পাখিদের খাওয়ার উপযোগী ফলদ বৃক্ষরোপণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
খাল খনন পরিদর্শনকালে বাউনিয়া খালের সাগুফতা সেতুর পাশে এবং উত্তরা ১০ নাম্বার সেক্টর সংলগ্ন খিদির খালের পাড়ে ২টি গাছের চারা রোপণ করেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা।
এসময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, স্থপতি ফজলে রেজা সুমনসহ ডিএনসিসি ও নৌ বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৩৯০ দিন আগে
নবীনগরে পাড়ের মাটি কেটেই খাল খনন!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়াইল বাজারে খাল পুনঃখননে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। খালের তলদেশ খনন না করে শুধু পাড়ের মাটি কেটে প্রস্থ বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন খালপাড়ের বাসিন্দারা।
সেই মাটি আবার খালের পাড়েই ফেলার কারণে আসন্ন বর্ষায় মাটি ধ্বসে ফের খাল ভরাট হয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এতে কোন লাভ হচ্ছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
আরও পড়ুন: সালথায় পাউবোর খাল পুনঃখনন কাজে অনিয়মের অভিযোগ
বড়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, 'দেশের ৬৪ জেলায় ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) আওতায় আমাদের এখানে খাল খনন করতে প্রায় ২৭ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়। বড়াইল, খারঘর ও জালশুকা এই তিনটি গ্রামের প্রায় ৩০ একর কৃষি জমিতে পানি সেচ এবং খরা মৌসুমে খালে পানি সংরক্ষণের জন্য এই খালটি পুনঃখনন অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু খাল খননের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ময়মনসিংহের এম/এস এম রহমান এন্টারপ্রাইজ নিজেরা কাজ না করে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার আল-আমিন নামের এক ঠিকাদারের সঙ্গে এটি খননের ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হন।
তিনি বলেন, ভৈরবের ঠিকাদারও নিজেরা কাজ না করে স্থানীয় খারঘর গ্রামের ব্যবসায়ি মুজিবুর রহমানকে খাল খননের দায়িত্ব দেন। এভাবে হাত বদলের পর দায়সারাভ খনন কাজ করে নদীর পানি খালে ছেড়ে দেয়ায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সংশ্লিষ্টদের নির্লিপ্ততা ও খামখেয়ালির কারণে খননকাজ ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে অভিযোগ করে ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, 'সরকারের এই টাকা যে জলে যাবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে অসময়ে যমুনার ভাঙনে বহু বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন
এলাকাবাসীর অভিযোগ, খালটি খননের ক্ষেত্রে নিয়মের ধার-ধারেনি ঠিকাদার। পাউবোর লোকজন সঠিক সময়ে খনন কাজও তদারকি করেনি। বড় আকারের ভেকু মেশিনের সাহায্যে খনন করার কথা থাকলেও ছোট মেশিনে খনন করে মাটি উত্তোলন করে দূরে না ফেলে পাড়েই রেখে দেয়ায় সামান্য বৃষ্টি হতে না হতেই কিছু কিছু অংশের মাটি ধ্বসে গেছে।
গত ২৭ মে খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা রঞ্জন কুমার দাসসহ অন্য দুজন প্রকৌশলী।
রঞ্জন কুমার দাস বলেন, 'স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সার্ভে করা হয়। খাল খনন প্রকল্পের শিডিউলে ২০০০ ঘনমিটার মাটি কাটার কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু সার্ভেতে ১৬০০ ঘনমিটার পাওয়া গেছে। মাটি কম কাটার বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।'
আরও পড়ুন: দাকোপে কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে নদী-খাল খননের দাবি
বড়াইল গ্রামের কৃষক তাজুল ইসলাম বলেন, 'যারা কাম করছে তারা কইছিল পরে পাড়ের মাডি দূরে সরাইয়া খাল আরও গভীর কইরা দিবে। কিন্তু তারা এইডা না কইরা নদীরপানি হালে (খাল) ছাইড়া দিছে।'
অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে খনন কাজে নিয়োজিত মুজিবুর রহমান বলেন, ‘খাল খননের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম করা হয়নি।’
এলাকার একটি কুচক্রী মহল তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে তিনি জানান।
১৭৬২ দিন আগে