স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
টিকা নিয়ে অব্যবস্থাপনা: সংকট কাটলে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, টিকা ব্যবস্থাপনায় কোনো ভুল বা অব্যবস্থাপনা হয়ে থাকলে তা তদন্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সংকট কাটার পর কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে দোষী ব্যক্তি নির্ধারণের চেয়ে এই মুহূর্তে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাকেই সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ মে) সরকারি ভ্যাকসিনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, তদন্ত করব না, সেটা বলিনি। এখন আমরা সংকটকাল অতিক্রম করছি। এই ক্রাইসিসটা (সংকট) শেষ হলেই আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেব।
তিনি বলেন, টিকা নিয়ে কী ভুল করেছে, সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে হামের চিকিৎসা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আক্রান্তদের জন্য আইসোলেশন, আইসিইউ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং চিকিৎসকেরাও সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন হামের পরেই অনেকের নিউমোনিয়া হয়ে যায়। ভেন্টিলেশনই এই রোগের শেষ চিকিৎসা। আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে সেই ভেন্টিলেশন দিয়েছি। আমাদের হাতে আজকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত আমেরিকা থেকে আরও ১০টি ভেন্টিলেটর দান করেছে একজন বেসরকারি ফার্মাসিটিউক্যালস উদ্যেক্তা। আমরা সেগুলো আজকে বণ্টন করব।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমাদের হামের চিকিৎসা চলছে, আইসোলেশন চলছে, আইসিইউ আছে, চিকিৎসকরাও সচেষ্ট আছেন, আমরাও চেষ্টা করছি। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন।
তিনি বলেন, আজকে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাক চীন সরকারের এনড্রোসমেন্টসহ ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল বা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজের সমপরিমাণ ভ্যাকসিন হাতে পেয়েছি। আমাদের হাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। আমরা পোলিও ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করব। এটাতে কোনো অসুবিধা হবে না। আমরা অ্যান্টি র্যাবিস টিকাও দেওয়া শুরু করেছি। একটা রোগীও এই ভ্যাকসিন এর বাইরে থাকব না। প্রতিটা ভ্যাকসিন এখন চলছে।
ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ভিটামিন এ ক্যাপসুলটা একটু কম আছে। জুন নাগাদ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও পেয়ে যাব। পূর্বনির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দিব। এই সেক্টরে কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, যেসব শিশু এখনো টিকার আওতায় আসেনি, তাদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে এবং নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
৩ দিন আগে
মাইলস্টোনে বিমান বিধ্বস্ত: চলে গেল ৯ বছরের নাফিস
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় হাসপাতালে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ জনে।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
গতরাত পৌনে ২টার দিকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ৪৪ জনের মধ্যে নাফিস নামের ৯ বছর বয়সী একটি শিশু মঙ্গলবার রাত সোয়া ১২টার দিকে মারা যায়। শরীরের ৯৫ শতাংশ পোড়ার ক্ষত নিয়ে ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল শিশুটি।
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে কুর্মিটোলার বিমানবাহিনী ঘাঁটি এ কে খন্দকার থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর বিমানটি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ চত্বরে বিধ্বস্ত হয়। পরে জানা যায়, স্কুল চত্বরের একটি দোতলা ভবনে বিধ্বস্ত হওয়া ওই বিমানটি ছিল বিমানবাহিনীর এফটি-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান। প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহৃত চীনের তৈরি এই যুদ্ধবিমান যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উত্তরার ওই স্কুল ভবনে আছড়ে পড়েছিল।
বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই স্কুল ভবনে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় দেড় শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটে যার বেশিরভাগই শিশু। যারা এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছে, তাদের অধিকাংশের শরীরও মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে।
আরও পড়ুন: নিহতদের কবরের স্থান নির্ধারণ করে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান গতকাল দুপুরে বার্ন ইনস্টিটিউটে এক ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, যারা চিকিৎসাধীন, তাদের মধ্যে ১০ জনকে ‘শঙ্কামুক্ত’ বলে মনে করা হচ্ছে।
তার কথায়, ‘৩০ জন একটা অস্পষ্ট জায়গায় আছে, যার মধ্যে ১০ জনকে মনে করছি এখনও শঙ্কার মধ্যে আছে। বাকিদের অবস্থা মাঝামাঝি জায়গায়।’
নাফিসের মৃত্যুর পর ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের সংখ্যা কমে ৬৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ৪৩ জন, ঢাকা সিএমএইচে ২১ জন, কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে ১ জন, শহিদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন এবং উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন ভর্তি আছে।
এর আগে, গতকাল দুপুরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিহতের সংখ্যা ৩১ ও আহতের সংখ্যা বলা হয়েছিল ১৬৫ জন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও আইএসপিআরের পক্ষ থেকে দুই ধরনের তথ্য দেওয়ায় জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। এ বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ২৮, আর বিভিন্ন হাসপাতালে আহত অবস্থায় ভর্তি আছেন ৬৮ জন।
তিনি আরও জানান, আইএসপিআর পরিচালকের সঙ্গে মন্ত্রণালয় থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যই সঠিক।
আরও পড়ুন: ‘চোখের সামনেই মারা গেল আমার বন্ধু’
এদিকে, নিহতদের মধ্যে ২২ জনের পরিচয় শনাক্তের পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) মর্গে রাখা ছয়টি অজ্ঞাত লাশের পরিচয় শনাক্তে স্বজনদের খুঁজছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন পর্যন্ত মর্গে রাখা ছয়টি লাশের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ডিএনএ বিশ্লেষণের (প্রোফাইলিং) জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধায়নে লাশগুলো থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রুতই সিআইডির ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ প্রোফাইলিং করা হবে।
সায়েদুর রহমানকে উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেসব নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের নাম আহত ও নিহতদের প্রকাশিত তালিকায় নেই, তাদের মালিবাগে সিআইডির কার্যালয়ে গিয়ে ডিএনএ নমুনা প্রদান করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত মাত্র একটি পরিবারের পক্ষ থেকে নমুনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যত দ্রুত সম্ভব নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের নমুনা পাওয়া গেলে ডিএনএ ম্যাচিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কাম্য।
২৯৮ দিন আগে
অভ্যুত্থানে আহতদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও মনোযোগ দিতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা
জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শারীরিকভাবে সুস্থ করার পাশাপাশি তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও মনোযোগ দিতে হবে। যার যেটাতে আগ্রহ আছে, তারা যেন সে কাজটি আনন্দ নিয়ে করতে পারে, ধাপে ধাপে তার পথ তৈরি করে দিতে হবে।
বুধবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় অভ্যুত্থানে আহতদের দেশের সব সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হেলথ কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
হেলথ কার্ডের উদ্বোধন ঘোষণা করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই হেলথ কার্ড থাকার অর্থ হলো, এক বা দুই বছর পরে হোক, যেকোনো সময় দেশের যেকোনো সরকারি হাসপাতালে কার্ডধারীরা চিকিৎসা পাবেন। এই কার্ড সবসময়ই থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ে আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সেটি আমরা করব। অভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার ও আহতদের আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। তাদের আর্থিক নিরাপত্তা সরকার নিশ্চিত করবে।’
‘তবে এর পাশাপাশি তাদের মানসিক ও সামাজিকভাবে পুনর্বাসন করার বিষয়েও আমাদের ভাবতে হবে; এটিকে গুরুত্ব দিতে হবে। মানুষগুলো যেন আনন্দে জীবনযাপন করতে পারে, সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, সে বিষয়ে যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে।’
রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় অভ্যুত্থানে আহত দুই শিক্ষার্থীর হাতে হেলথ কার্ড তুলে দেন তিনি।
তারা হলেন— নরসিংদী ইউনাইটেড কলেজের শিক্ষার্থী ইফাত হোসেন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ইমু।
গত ১৯ জুলাই আন্দোলনের সময় নরসিংদীতে পুলিশের গুলিতে দুই চোখের দৃষ্টিশক্তি হারান ইফাত। আর ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলায় গুরুতর আহত ইসরাত বর্তমানে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে তাদের দুজনের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবা ও অন্যান্য বিষয়ে খোঁজ নেন প্রধান উপদেষ্টা।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের মাঝে প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট জেলায় হেলথ কার্ড বিতরণ করা হবে।
এ সময় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক খায়ের আহমেদ চৌধুরী প্রধান উপদেষ্টাকে (আহতদের) চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ১ হাজার ৭৪ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩৯ জনের দুই চোখ চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া প্রায় ৪৫০ জনের এক চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
তিনি জানান, চোখের ইনজুরির জন্য প্রায় ৬৫০টি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। এর মধ্যে দ্বিতীয় ধাপে তিন শ’র বেশি রেটিনা সার্জারি হয়েছে। চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের বাইরে আরও দুটি হাসপাতালে ৬০ জন রোগীর অস্ত্রোপচার হয়েছে। কোনো কোনো রোগীর তৃতীয় ধাপেও অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়ছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত চীন, ফ্রান্স, নেপাল ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে চিকিৎসকরা চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেছেন এবং যে প্রক্রিয়ায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে তাতে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
পাশাপাশি, এখন পর্যন্ত চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে চিকিৎসায় ৬৫ জন রোগীর চোখ ভালো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর) পরিচালক ড. মুহাম্মদ আবুল কেনান জানান, এখন পর্যন্ত তাদের হাসপাতালে ২১ জন রোগীর হাত অথবা পা কেটে ফেলতে হয়েছে। কয়েকজন রোগীকে বিদেশে নেওয়ার জন্য বাছাই করা হয়েছে।
চিকিৎসাধীন অধিকাংশ রোগীই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবে এবং তাদের কেউ মৃত্যু ঝুঁকিতে নেই বলেও জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, স্বাস্থ্য সচিব মো. সাইদুর রহমান এবং জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ ও সম্পাদক সারজিস আলমসহ আরও অনেকে।
৫০০ দিন আগে
লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ২৭৯২: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ৭৯২ জনে পৌঁছেছে। একই সময় আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৭৭২ জনে।
মঙ্গলবার লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এসব তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, শুধু সোমবারই ৮২ জন নিহত ও ১৮০ জন আহত হয়েছেন।
লেবাননের সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, মঙ্গলবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের প্রায় ৩০টি গ্রাম ও শহরে ৫০টিরও বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: পূর্ব লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ৬০
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রগুলো জানিয়েছে, সবচেয়ে তীব্র হামলা করে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সিডনের সাইদা এলাকায়; যেখানে তিনটি ভবন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এর ফলে ছয়জন নিহত ও ৩৭ জন আহত হন। তাদের বেশিরভাগই বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি।
সূত্র জানায়, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো লেবানন ও সিরিয়ার মধ্যে সংযোগকারী সীমান্ত সড়কে আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে তিনটি বিমান হামলা চালিয়েছে। এটি দুই দেশের মধ্যে উভয় দিক থেকে চলাচলকারী পথচারীদের বাধা সৃষ্টি করেছে।
এদিকে, লেবাননের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় খিয়াম গ্রামে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে এখনও সংঘর্ষ চলছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
তারা জানায়, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো গ্রামের কেন্দ্রস্থলে নিবিড় অভিযান চালাচ্ছে। এসব হামলায় ভারী মেশিনগান, আর্টিলারি শেল ও রকেট ব্যবহার করা হচ্ছে। খিয়ামে ইসরায়েলি বাহিনী অগ্রসর হওয়ার পরে, লেবাননের একটি বাড়িতে বসবাসকারী ১৭ জন বেসামরিক নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার পৃথক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বলেছে, তাদের যোদ্ধারা ইসরায়েলি সদর দপ্তর ও স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উত্তর ইসরায়েলের কিব্বুতজিম, জারিত, বেইত হিলেল এবং ইসরায়েলি শহর মা'আ লট।
এতে আরও বলা হয়, লেবাননের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় মারজেইউন শহরের আকাশসীমায় একটি ইসরায়েলি হার্মিস ৯০০ ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননের ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে ইসরায়েল তাদের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত পেরিয়ে লেবাননে স্থল অভিযান শুরু করে।
আরও পড়ুন: হিজবুল্লার হামলায় দক্ষিণ লেবাননে ৫ ইসরায়েলি সেনা নিহত
৫৬৪ দিন আগে
এমপক্স অ্যালার্ট জারি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের, প্রবেশপথগুলোতে নজরদারি
সংক্রামক রোগ এমপক্সের (মাঙ্কিপক্স) জন্য বাংলাদেশে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে মধ্য আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়েছে রোগটি।
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা ও কেনিয়ায় এ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে ব্যথা, লসিকাগ্রন্থি ফুলে যাওয়া এবং জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার পাকিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এমপক্সে আক্রান্ত একজন রোগী শনাক্ত করেছে। তবে এটি নতুন ভ্যারিয়েন্ট কি না তা নির্ধারণের জন্য আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার ব্যয় বহন করবে সরকার: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত এ রোগে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক অধিদপ্তরের উপপরিচালক দাউদ আদনান। তবে তিনি রোগের সংক্রামক প্রকৃতির কারণে সতর্ক থাকার উপর জোর দিয়েছেন।
আদনান ইউএনবিকে বলেন, 'এমপক্স যাতে দেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা কার্যকরী ব্যবস্থা নিচ্ছি। বিমানবন্দর, নৌপথ ও অন্যান্য প্রবেশ পয়েন্টগুলোতে সাবধানতা অবলম্বনের জন্য নির্দেশিকা জারি করা হবে।’
এ রোগের লক্ষণগুলো অনুভব করলে বা সংক্রামিত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।
বিশেষ করে ২১ দিনের মধ্যে আক্রান্ত কোনো দেশ ভ্রমণ করলে চিৎিসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জনসাধারণকে সহায়তার জন্য হেল্পলাইন ১৬২৬৩ বা ১০৬৫৫ নম্বরে এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকারের দৃঢ় সংকল্পের কথা তুলে ধরে আদনান বলেন, 'কেউ যাতে এমপক্স নিয়ে দেশে প্রবেশ করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ১০০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আমাদের কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের স্থান দিতে হবে: অধ্যাপক ইউনূস
৬৩৭ দিন আগে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার ব্যয় বহন করবে সরকার: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যেসকল ছাত্র-জনতা আহত হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করবে সরকার।
শনিবার (১৭ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।
এতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহতদের ব্যাপারে অনুসন্ধান করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটি কর্মপন্থা নির্ধারণে রবিবার(১৮ আগস্ট) বৈঠকে বসবে।
আরও পড়ুন: চার দফা দাবিতে 'প্রতিরোধ সপ্তাহ' ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোকেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসা বিল গ্রহণ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রয়োজনে এ সকল বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্র-জনতার সকল বিল সরকার বহন করবে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
আরও পড়ুন: মানুষের জন্য কল্যাণকর প্রকল্প নিয়ে কাজ করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
৬৩৮ দিন আগে
অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ করার ক্ষেত্রে কোনো চাপে নেই, আবার অভিযান শুরু হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ করার ক্ষেত্রে কোনো চাপে নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।
তিনি বলেন, রমজান মাসে এবং দেশের বাইরে থাকায় অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে কিছুদিন অভিযান বন্ধ ছিল। এখন আবার অভিযান শুরু হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জেনেভা ও লন্ডন ট্যুর নিয়ে রবিবার (২ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: রোগীর প্রতি চিকিৎসকের অবহেলা সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কোনো চাপের মধ্যে নেই। একদম স্পষ্টভাবে আমি বলি আমার উপর কোনো চাপ নেই।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি কারো কথাও শুনি না। এটা (অভিযান) বন্ধ ঠিক হয়নি, আমরা কিছুটা সময় দিয়েছি যাতে তারা সংশোধন হয়। আর একসঙ্গে বাংলাদেশের সব ক্লিনিক বন্ধ করে দিতে তো পারব না। আমি আবার শুরু করব।’
তিনি বলেন, ‘রমজান মাসে আমি বন্ধ রাখতে বলেছি। আমার কাছে যতটুকু তথ্য আছে জেলা পর্যায়ে এটা চলছে। এটা বন্ধ হবে না।’
ডেঙ্গুর প্রস্তুতি বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রচুর স্যালাইন আছে। এখন একেবারে উপজেলা পর্যায়েও চিকিৎসকরা ডেঙ্গু চিকিৎসার বিষয়ে ওয়াকিবহাল। আমাদের গাইড লাইনও আছে। সুতরাং অসুবিধা হবে বলে আমি মনে করি না। সবাই যদি সচেতন হয়, তাহলে ডেঙ্গু মোকাবিলা করা সম্ভব।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চীন একটা হাসপাতাল বানিয়ে দিচ্ছে আমাদের। চট্টগ্রামে ১৫০ বেডের বার্ন হাসপাতাল। সেটা পাস হয়ে গেছে এবং তারা আগামী শনিবার বাংলাদেশে আসবে, আমার সঙ্গে মিটিং করবে। তারপর আমরা কাজ শুরু করব।
এর আগে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) পক্ষ থেকে সায়মা ওয়াজেদ অক্টোবর মাসের ৭ থেকে ১০ তারিখে পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী পর্যায়ের একটি সম্মেলন করার প্রস্তাব দেন। আমরা সানন্দে গ্রহণ করে বলি- সবাই রাজি হলে ৭ থেকে ১০ অক্টোবর স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের একটা সম্মেলন এখানে হবে। যে সম্মেলন হবে, সেখানে ১০টি দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অংশগ্রহণ করবেন। আশা করছি প্রধানমন্ত্রী এটা উদ্বোধন করবেন। সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।
আরও পড়ুন: ‘ভিটামিন এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন সফল করতে জনগণের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ প্রয়োজন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
২০৪০ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ তামাকমুক্ত হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৭১৩ দিন আগে
মানুষের জন্য কল্যাণকর প্রকল্প নিয়ে কাজ করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
সাধারণ মানুষের উপকারে আসবে যে প্রকল্প, সেই প্রকল্প নিয়ে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাজ করবে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
এ ধরনের প্রকল্পের জন্যই এই অর্থবছরের বাজেট চাওয়া হবে। সরকার অর্থবছরে যে বরাদ্দ দেবে তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যয় করা হবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম এমন তথ্য জানিয়েছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জেনেভা ও লন্ডন ট্যুর নিয়ে রবিবার (২ জুন) আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তারা এসব তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: গাজায় ২৪ ঘণ্টায় ১৫০ জন নিহত: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
আগামী অর্থবছরের বাজেট পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চাইলে এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সেসব প্রকল্প নেব, যেসব প্রকল্প সাধারণ মানুষের উপকার হবে। আমি অহেতুক কোনো প্রকল্প নেব না, যে প্রকল্প নিয়ে আমি কাজ শেষ করতে পারব না। আমি প্রত্যেক মাসে সবার সঙ্গে কথা বলব, যাতে অর্থবছরেই টাকা শেষ করতে পারি।’
এ সময়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমাদের মন্ত্রণালয়ে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, তার ৭৬ শতাংশ ব্যয় হয়। আপনারা জানেন অনেকগুলো প্রকল্প অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ক্যাটাগরি করে দেওয়া ছিল- ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’। আমাদের মন্ত্রণালয়ের যে প্রকল্প ছিল তার বেশিরভাগ ‘বি’ ক্যাটাগরির। যে কারণে আমাদের এখানে ২৫ শতাংশ আগেই কাট করে দেওয়া হয়েছে। আর আমাদের যে অপারেশন প্ল্যান্ট তার সাকসেস, ন্যাশনাল যে প্রগ্রেস তার কাছাকাছি ছিল।
তিনি আরও বলেন, কোনো বাজেটই শতভাগ ব্যয় করা যায় না, বিশেষ করে প্রজেক্টের ক্ষেত্রে। আর কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকে। আপনারা জানেন এখানে অনেকগুলো পূর্ত কাজ। এই পূর্ত কাজ করতে গিয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে অনেক সময় আমাদের ঝগড়াঝাটি করতে হয়। আমরা মনে করি কোনো অর্থবছরে ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ ব্যয় করতে পারলে মোটামুটি শতভাগ ধরে নেওয়া হয়। আমরা আশা করছি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমরা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে থাকতে পারব।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা বছরের শুরু থেকেই প্রকিউরমেন্ট প্ল্যান করব। আপনারা জানেন এখানে সবচেয়ে বড় প্রকিউরমেন্ট থাকে এবং কিছু অবকাঠামো থাকে। সেটা আমরা বছরের শুরু থেকেই প্ল্যান করব, যেন সরকার আমাদের যে টাকা দেবে ওই টাকা আমরা সময়ের মধ্যে ব্যয় করতে পারি।
আরও পড়ুন: ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়: সামন্ত লাল সেন
খতনা করতে শিশুর মৃত্যু: জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
৭১৩ দিন আগে
ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়: সামন্ত লাল সেন
ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি এবং এটি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ওষুধ কোম্পানির মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সামন্ত লাল সেন।
মঙ্গলবার(২৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
আরও পড়ুন: খতনা করতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নির্দেশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ওষুধের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনার নির্দেশ দেন তিনি।
তিনি বলেন, 'সংবাদপত্রে প্রায়ই ওষুধের মূল্য নিয়ে লেখালেখি হয়। হঠাৎ করে ওষুধের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে পারে না। কেন বাড়ছে, কতটা বাড়ছে, যৌক্তিক কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।’
আরও পড়ুন: প্রাক্তন স্বামীর আগুনে দগ্ধ চিকিৎসকের খোঁজ নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৮০৯ দিন আগে
গাজায় ২৪ ঘণ্টায় ১৫০ জন নিহত: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ওই অঞ্চলে ১৫০ জন নিহত হয়েছে এবং আরও ৩১৩ জন আহত হয়েছে। কারণ ইসরায়েলি বাহিনী সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রেখেছে, এমনকি ভূখণ্ডের উত্তর অংশেও।
অক্টোবরের শেষের দিকে ইসরায়েলের স্থল অভিযানের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল উত্তরাঞ্চল।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বুধবার জানিয়েছে, তাদের বাহিনী গত একদিনে গাজার উত্তরাঞ্চলে ১৫ জনেরও বেশি হামাস জঙ্গিকে হত্যা করেছে এবং একটি স্কুলে জঙ্গি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সর্বশেষ হামলাসহ ইসরায়েলি অভিযানে ফিলিস্তিনি নিহতের সংখ্যা ২৬ হাজার ৯০০ জনে দাঁড়িয়েছে। বেসামরিক ও যোদ্ধা নিহতের মধ্যে পার্থক্য না করলেও নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের হামলায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক এবং প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করা হয়।
আরও পড়ুন: গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ২০ হাজার ছুঁইছুঁই
গাজায় মানবিক যুদ্ধ বিরতির জাতিসংঘের প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো
৮৩৬ দিন আগে