জন্মবার্ষিকী
একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী এই সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়: মির্জা ফখরুল
একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠি এই সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রাইয়ের পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী আছে, তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্ন সময় এই সমাজকে আবার অস্থির করে রাখতে চায়। আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির কথা বলতে চাই না। আমাদের রাজনীতি সুন্দর-পরিচ্ছন্ন না। বারবার মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে, পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি।
তিনি আরও বলেন, আমি শুধু বলতে চাই আমাদের যে মূল জায়গাটা—১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের যে সক্রিয়তা ও পরিচয়—আমরা বাংলাদেশি তা সবার আগে মনে রাখতে হবে। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করেছি। এই যুদ্ধ করেই আমরা স্বাধীনতা নিয়ে এসেছি। আবার গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি লড়াই করেই। এমনি এমনি গণতন্ত্র ফিরে পাইনি।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ে আমাদের সন্তানেরা সবাই মিলে যে লড়াইটা করল, আমরা একে বলি জুলাই যুদ্ধ। পরিবর্তন এসেছে, নতুন নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশা নিয়ে আছে।
তিনি বলেন, যারা ফ্যাসিস্ট ছিল তারা দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে, অর্থনীতিকে বিদেশে লুটপাট করে নিয়ে গেছে, ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করেছে, প্রশাসনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে লড়াই করেই আমরা আজকে এই অবস্থাতে এসেছি। অনেকেই চেষ্টা করছে এই পরিবর্তনটাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে। ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করতে। আমরা কেউ চাই না দেশে আর কোনো গোলযোগ হোক।
তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ এখানে যখন আসতেন, তিনি কৃষকদের দুঃখ দুর্দশা দেখে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। কৃষিকে আধুনিক করার জন্য আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি কাজ শুরু করেছিলেন। এটি তার জীবন, কাজ ও কবিতার বাইরের ব্যপার ছিল। রবীন্দ্রনাথের কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্ব মানবতার কবি। আমার প্রায়ই মনে হয়, রবীন্দ্রনাথকে সারা জীবন পড়লেও পড়া যায় না।
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারি টিপু, নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, বাংলাদেশ দূতাবাস মেক্সিকোর সাবেক রাষ্ট্রদূত এম. মুশফিকুল ফজল আনসারী, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নুসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভা শেষে ঢাকা ও স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে আবৃত্তি, রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত পতিসরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে দিনভর ভিড় করেন হাজারো দর্শনার্থী ও রবীন্দ্রপ্রেমী মানুষ।
৯ দিন আগে
কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলার বড় আয়োজন
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী আগামীকাল ২৫ বৈশাখ (৮ মে)। এ উপলক্ষে চার দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
আগামী ২৫ থেকে ২৮ বৈশাখ, অর্থাৎ ৮ থেকে ১১ মে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ৪ দিনব্যাপী ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে শিল্পকলা একাডেমি।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল সাড়ে ৫টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এদিন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।
প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং সভাপতিত্ব করবেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশণ করা হবে।
দ্বিতীয় দিন (৯ মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।
এ দিনের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সংগীত, গানের সঙ্গে নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশিত হবে।
আয়োজনের তৃতীয় দিন (১০ মে) বিকেল ৫টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব কানিজ মওলা। এদিন স্বাগত বক্তব্য রাখবেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
তৃতীয় দিন বিকেল সাড়ে ৫টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে এবং বিকেল ৫টায় জাতীয় চিত্রশালা ভবনের গ্যালারি-২-এ চারুকলা বিভাগের আয়োজনে ‘রবির চিত্র চিত্রে রবী’ শীর্ষক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হবে। প্রদর্শনী চলবে আগামী ২৩ মে প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।
আগামী ১১ মে অনুষ্ঠানের সমাপনী দিন সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী। সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং স্বাগত বক্তব্য দেবেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন। আলোচনা শেষে নাট্যদল প্রাচ্যনাট মঞ্চস্থ করবে নাটক ‘অচলায়তন’। নাটকটির নির্দেশনায় থাকবেন আজাদ আবুল কালাম।
এছাড়া দেশের সকল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে কবিগুরুর স্মরণে আলোচনা ও তার সৃষ্টিকর্ম নিয়ে নানা অনুষ্ঠানমালা পরিবেশিত হবে। সকল আয়োজন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে শিল্পকলা একাডেমি।
১০ দিন আগে
পল্লীকবি জসীম উদদীনের ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালিত
ফরিদপুরে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে পল্লীকবি জসীম উদদীনের ১২২তম জন্মবার্ষিকী পালন করছে ‘জসীম ফাউন্ডেশন’।
বুধবার (১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় ফরিদপুর শহরের অম্বিকাপুরে কবির পারিবারিক কবরস্থানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে কবির বাড়ি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা, কবির কবিতা থেকে পাঠের আয়োজন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক ও জসিম ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. কামরুল হাসান মোল্লা, পুলিশ সুপার আব্দুল জলিলসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতা-কর্মীরা।
উল্লেখ্য, ১৯০৩ সালে ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামে মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন জসীম উদদীন।
আরও পড়ুন: আজ পল্লীকবি জসীম উদদীনের ১২১তম জন্মবার্ষিকী
কবি জসীম উদদীন বাংলা সাহিত্যে একজন আধুনিক মানের শক্তিশালী কবি ছিলেন। গ্রাম-বাংলার মাটি ও মানুষের সহজ সরল জীবনযাত্রা ফুঁটে উঠেছে তার কবিতা, গান, গল্প ও উপন্যাসে। এজন্য তাকে পল্লীকবিও বলা হয়।
কবি জসীম উদদীন রচিত ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ বাংলা ভাষার গীতিময় কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শনগুলো অন্যতম।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইয়াছিন কবিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা, পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল, কবির ছেলে খুরশিদ আনোয়ার, ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি শেখ সামাদ, অধ্যাপক আলতাফ হোসেন প্রমুখ।
৫০১ দিন আগে
বিমানে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন
নানা কর্মসূচির মাধ্যমে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
রবিবার (১৭ মার্চ) দিবসটি উপলক্ষে বিমানের প্রধান কার্যালয় বলাকায় এবং ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।
আরও পড়ুন: ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিমানের অতিরিক্ত ফ্লাইট
এসময় বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
১৭ মার্চ উপলক্ষে বিমানের প্রধান কার্যালয় বলাকায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন ও ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষ্যে বিমানের সব অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসের ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ইন ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্টে (আইএফই) প্রচার করা হয়।
বিমানের প্রধান কার্যালয় বলাকায় বঙ্গবন্ধুর গৌরবময় কর্মজীবন নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন এবং সভাপতিত্ব করেন বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব শফিউল আজিম।
আলোচনা সভা শেষে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সকল শিশুর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
আরও পড়ুন: ফেসবুকে বিমানের লন্ডন-ঢাকা ফ্লাইটের আসন ফাঁকা পোস্টের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
বিমানের নতুন গ্রাউন্ড সাপোর্ট ইক্যুইপমেন্ট কমিশনিং ও যানবাহন প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
৭৯০ দিন আগে
জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস ২০২৪ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ রবিবার (১৭ মার্চ) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
দিনটি উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুর ১০৪তম জন্মবার্ষিকী রবিবার
১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডে শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নতুন দুই ডেপুটি গভর্নরের
এরপর প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে টুঙ্গিপাড়ায় যাবেন এবং বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও তার জন্য দোয়া করবেন।
জাতীয় শিশু দিবসের একটি অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন তিনি।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকেসহ পরিবারের অধিকাংশ সদস্যদের হত্যা করা হয়।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতাবিরোধীরা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ মুছে ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
৭৯১ দিন আগে
বঙ্গবন্ধুর ১০৪তম জন্মবার্ষিকী রবিবার
দেশে আগামীকাল রবিবার (১৭ মার্চ) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষে সরকারি ছুটির পাশাপাশি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবেও উদযাপন করা হবে।
দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার সকাল ৭টায় ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় তিনি গার্ড অব অনার প্রদান ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন।
আরও পড়ুন: ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপিত
বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে বেলা ১১টায় যোগ দেবেন।
দিবসটি উপলক্ষে টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ‘জাতির পিতার ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আমি এই মহান নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।’
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হয়ে আছেন বাঙালি জাতির প্রেরণার চিরন্তন উৎস। রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু নীতি ও আদর্শের প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হন।’
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দেশের সব শিশুকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
বঙ্গবন্ধু ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।
আরও পড়ুন: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শ্রদ্ধা
কারাগারে থেকে এবং কারাগারের বাইরেও বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি যখন ভাষা আন্দোলনের নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়, তখন বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন করেছিলেন।
ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির সব বড় আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন শেখ মুজিব।
বঙ্গবন্ধু তার গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে সংগঠিত করেছিলেন। ১৯৭১ সালে ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীন অর্জিত হয়।
বঙ্গবন্ধু যখন সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন পরাজিত ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী চক্র তাকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করে।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সরকার ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময়কে ‘মুজিববর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। তবে পরে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তা বাড়ানো হয়েছে।
দিবসটি পালনে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর প্রতি নতুন মন্ত্রিসভার শ্রদ্ধা
৭৯১ দিন আগে
আজ পল্লীকবি জসীম উদদীনের ১২১তম জন্মবার্ষিকী
ফরিদপুরে নানান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পল্লীকবি জসীম উদদীনের ১২১তম জন্মবার্ষিকী পালন করছে ‘জসীম ফাউন্ডেশন’।
সোমবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় ফরিদপুর শহরের গোবিন্দপুর গ্রামে কবির মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে কবির বাড়ির প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা, কবির কবিতা থেকে পাঠের আয়োজন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, ১৯০৩ সালে ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামে মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন জসীম উদদীন। কবর, নিমন্ত্রণসহ অনেক স্মরণীয় কবিতা; সোজন বাদিয়ার ঘাট, নকশি কাঁথাসহ অনেক কালজয়ী কাব্যগ্রন্থের জন্ম দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন তিনি।
৮৬৭ দিন আগে
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের আয়োজনে শেখ রাসেল মেমোরিয়াল ফুটবল টুর্নামেন্ট
মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির ১২টি দলের অংশগ্রহণে শনিবার (২১ অক্টোবর) শেখ রাসেল মেমোরিয়াল ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়'- প্রতিপাদ্য নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়।
এসময়, মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট এন্ড সিভিলাইজেশন ফ্যাকাল্টির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর দাতুক ড. ওয়ান আহমেদ ফৌজি বিন ওয়ান হোসেন, হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান শেখ রাসেল মেমোরিয়াল ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান এবং আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শিশু রাসেলসহ ১৫ আগস্টে শাহাদত বরণকারী সকলের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে বলেন, শিশু শেখ রাসেল ছিল সরলতা, নির্ভীকতা ও নির্মলতার প্রতীক এবং তার আদর্শ ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সকল শিশু-কিশোরের জন্য আদর্শ।
হাইকমিশনার আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকারদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে শিশু রাসেলকেও নির্মমভাবে হত্যা করে।
এসময় শেখ রাসেলের আত্মত্যাগকে শক্তিতে রুপান্তর করে শেখ রাসেলের স্বপ্নের সুন্দর পৃথিবী গড়ার প্রত্যয়ে সকলকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
পরবর্তীতে, হাইকমিশনার বিপুল করতালির মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
৯৩৮ দিন আগে
সারা দেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারা দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপিত হচ্ছে।
৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে হিজরি ক্যালেন্ডারের ১২ই রবিউল আউয়াল মানবজাতির জন্য ঐশ্বরিক আশীর্বাদ ও শান্তির বার্তা নিয়ে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন মুহাম্মদ (সা.)। একই দিনেই তিনি মারা যান।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জনগণ ও সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য পৃথক বাণী দিয়েছেন।
দিনটি সরকারি ছুটির দিন।
আরও পড়ুন: ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
দিবসটি উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করছে।
এদিকে, চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকার জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠ থেকে আনজুমান-ই-রাহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের আয়োজনে 'জশনে জুলুস' বের করা হয়।
কয়েক হাজার মুসল্লি পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে আয়োজনটিতে যোগ দেন।
এ উপলক্ষে আজ (বৃহস্পতিবার) জোহরের নামাজের পর বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ঈদে মিলাদুন্নবী
ঈদে মিলাদুন্নবী: হিলিতে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
৯৬২ দিন আগে
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন
নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের বড় ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল-এর ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
শনিবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠানের শুরুতেই বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহত জাতির পিতার পরিবারের সকল শহীদ সদস্যদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এরপর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ এবং শেখ কামালের জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানটিতে মূল বক্তব্য প্রদান করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।
তিনি বলেন, ‘শেখ কামাল ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা কিংবদন্তী। মাত্র ২৬ বছরের জীবনে তিনি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য অসংখ্য অবদান রেখে গেছেন। একজন নিবেদিত, সংগ্রামী ও আদর্শবাদী রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা পালন করেন শহীদ শেখ কামাল।’
আব্দুল মুহিত বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সরাসরি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে গেছেন।
আরও পড়ুন: শেখ কামাল অমায়িক ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তিনি ছিলেন আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠা, ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, স্বাধীন বাংলাদেশে গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন আন্দোলনের একজন পুরোধা। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন স্পন্দন শিল্পীগোষ্ঠী।
স্থায়ী প্রতিনিধি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশে যে অসামান্য অগ্রগতি সাধন করেছে, তার মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হচ্ছে স্বপ্নদর্শী তরুণ শেখ কামালের স্বপ্ন।
অবশেষে শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জীবন ও কর্মকে অনুকরণ করে দেশের জন্য কাজ করার জন্য বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রদূত মুহিত তার বক্তব্য শেষ করেন।
উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে মিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বক্তব্য রাখেন। শেখ কামালের আদর্শ ধারণ করে দেশের যুবসমাজ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশকে আরও উচ্চতর আসনে তুলে ধরবে মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
আলোচনাপর্ব শেষে কেক কেটে শেখ কামালের জন্মদিন পালন করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
আরও পড়ুন: ১০ ব্যক্তি ও ২ সংগঠনকে শেখ কামাল ক্রীড়া পুরস্কার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদরাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা-২০২৩: ঢাকায় চূড়ান্ত পর্ব শুরু আজ
১০১৫ দিন আগে