ঈদের জামাত
১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত আয়োজনে প্রস্তুত শোলাকিয়া
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের জামাত আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ঈদের দিন সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে দেশের অন্যতম বৃহৎ এই জামাত।
শতবর্ষের ধারাবাহিকতায় এবার শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত। এতে দেশ-বিদেশ থেকে আগত লাখো মুসল্লির সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। এবারের জামাতে ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
জামাতকে কেন্দ্র করে মাঠের দাগ কাটা, মেহরাব নির্মাণ, দেয়ালে চুনকাম, ওজুখানা স্থাপন এবং সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজকরা জানান, একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মুসল্লির নামাজ আদায় ও দোয়া কবুলের বিশেষ গুরুত্বের কারণে শোলাকিয়ায় নামাজ পড়তে মুসল্লিদের আগ্রহ থাকে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ২০১৬ সালের জঙ্গি হামলার অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবারও নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাঠ ও আশপাশে বসানো হয়েছে ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরা। ছয়টি ওয়াচ টাওয়ার থেকে পুলিশ ও র্যাব সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে। মোতায়েন থাকবে প্রায় এক হাজার ১০০ পুলিশ সদস্য, র্যাবের ছয়টি টিম, পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, পাঁচ প্লাটুন আনসার ও চার প্লাটুন সেনাবাহিনী। এছাড়া থাকবে ড্রোন নজরদারি, মেটাল ডিটেক্টর, আর্চওয়ে এবং একাধিক চেকপোস্ট। মুসল্লিদের ঈদগাহে প্রবেশের আগে পুলিশের চারটি নিরাপত্তা স্তর অতিক্রম করতে হবে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, মেডিক্যাল টিম এবং কুইক রেসপন্স ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
দূর-দূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের যাতায়াত সহজ করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করেছে।
ঐতিহ্য অনুযায়ী, ঈদ জামাত শুরুর আগে বন্দুকের গুলির মাধ্যমে সংকেত দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে তিনটি, ১০ মিনিট আগে দুটি এবং ৫ মিনিট আগে একটি গুলি ছুড়ে মুসল্লিদের সতর্ক করা হবে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারও মুসল্লিদের শুধুমাত্র জায়নামাজ সঙ্গে নিয়ে মাঠে প্রবেশ করতে হবে।
১২ দিন আগে
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক জাতীয় ঈদগাহে ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন। বিকল্প ইমাম হিসেবে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী।
এছাড়া ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৫টি ঈদের জামাত সকাল ৭টা, সকাল ৮টা, সকাল ৯টা, সকাল ১০টা ও বেলা পৌনে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম জামাতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান, দ্বিতীয় জামাতে বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, তৃতীয় জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেন, চতুর্থ জামাতে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় বিকল্প ইমাম হিসেবে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মাওলানা শহীদুল ইসলাম।
১২ দিন আগে
শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত সকাল ৯টায়, থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তা
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে এবারও দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শোলাকিয়ায় এবার অনুষ্ঠিত হবে ঈদের ১৯৮তম জামাত।
ঐতিহ্য অনুসারে তিন দফা গুলি ফুটিয়ে জামাত শুরু হবে সকাল ৯ টায়। এই জামাতে ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। এবার থাকবে চার স্তুরের নিরাপত্তাব্যবস্থা।
সোমবার (১৯ মে) সকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে ঈদুল আযহার ১৯৮তম প্রস্তুতি সভা থেকে এ তথ্য দিয়েছে জেলা প্রশাসক ও ঐতিহাসিক ঈদগাহ কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান।
আরও পড়ুন: শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতে ৬ লাখ মুসল্লির নামাজ আদায়
বক্তারা বলেন, ঈদ জামাতের ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। বিকল্প ইমাম হিসেবে থাকবেন হয়বত নগর এ ইউ কামিল মাদরাসার প্রভাষক মাওলানা জুবায়ের ইবনে আব্দুল হাই। নারীদের জন্য সূর্যবালা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আলাদা জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রায় সাত একর আয়তনের ঈদগাহের মূল মাঠে ২০৬টি কাতার রয়েছে। প্রতিটি কাতারে ৭০০ থেকে ৮০০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করার সুযোগ পাবেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিজাবে রহমত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল ইসলাম তালুকদার, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এরশাদ মিয়াসহ ঈদগাহ কমিটির সদস্যরা।
৩১৫ দিন আগে
শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন: জামাত সকাল ৯টায়
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া মাঠে দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ঈদুল আজহার জামাত নির্বিঘ্নে করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জামাত শুরু হবে সকাল ৯টায়।
জেলা ও পুলিশ প্রশাসন, ঈদগাহ কমিটির কর্মকর্তাদের তৎপরতা ও দিন-রাতের পরিশ্রমে নামাজের উপযোগী হয়ে উঠছে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান। এ মাঠে একসঙ্গে এক লাখের বেশি মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করেন। রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে বন্দুকের গুলির শব্দে নামাজের প্রস্তুতি নেওয়ার সংকেত দেওয়া হয়।
এরই মধ্যে মাঠে দাগ কাটা, বালু ফেলা, দেয়ালে রং করাসহ শোলাকিয়া ময়দানকে জামাতের উপযোগী করার কাজ শেষ হয়েছে। সংস্কার করা হয়েছে ওজুখানা ও টয়লেট। চলছে শোভাবর্ধনের কাজও।
তাছাড়া মুসল্লিদের জন্য সুপেয় পানি, মেডিক্যাল টিম, দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাসহ নানা আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে এরই মধ্যে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে বহুসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ও কয়েকটি মেডিক্যাল টিম।
আরও পড়ুন: শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতে ৬ লাখ মুসল্লির নামাজ আদায়
দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের যাতায়াতের জন্য শোলাকিয়া স্পেশাল নামে দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থাও করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। ট্রেন দুটি মুসল্লি নিয়ে ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে এসে নামাজের শেষে আবার ফিরে যাবে।
শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, সুষ্ঠুভাবে জামাত অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জামাতের মুসল্লিদের জন্য দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জামাত অনুষ্ঠিত হবে। যেন মুসল্লিরা নিরাপদে জামাতে এসে নির্বিঘ্নে ফিরে যেতে পারেন। জামাতে শুধু টুপি, মাস্ক ও জায়নামাজ ছাড়া কিছুই বহন করা যাবে না।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ জানান, ২০১৬ সালে শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার কথা মাথায় রেখে এবারও অন্যান্য বারের চেয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাঠসহ আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি জানান, নামাজের সময় ২ প্লাটুন বিজিবি, বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র্যাব. আনসার সদস্যের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয়ের পাশাপাশি মাঠে সাদা পোশাকে নজরদারি করবে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন। এছাড়াও মাঠসহ প্রবেশ পথগুলোতে থাকছে সিসি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ার। আর আকাশে উড়বে পুলিশের ড্রোন ক্যামেরা। এর ফলে নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিন্তে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতে পারবেন।
মসনদ-ই-আলা ঈশা খাঁর ষষ্ঠ বংশধর দেওয়ান হয়বত খান বাহাদুর কিশোরগঞ্জের জমিদারি প্রতিষ্ঠার পর ইংরেজি ১৮২৮ সালে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্ব প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় ৭ একর জমির উপর এ ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা করেন। সে বছর শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রথম জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি অংশ নেন বলে মাঠের নাম হয় “সোয়া লাখি মাঠ”। সেখান থেকে উচ্চারণের বিবর্তনে পরিণত হয়ে নাম হয়েছে আজকের শোলাকিয়া মাঠে। মাঠে একসঙ্গে দুই লাখেরও বেশি মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করেন। প্রায় সাত একর আয়তনের মাঠটিতে নামাজের ২৬৫টি কাতার রয়েছে। এবার এ মাঠে ১৯৭তম ঈদের জামাত হবে।
আরও পড়ুন: বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত সকাল ৭টায়
পদ্মায় গোসলে নেমে তাবলিগ জামাতের সদস্যের মৃত্যু
৬৫৩ দিন আগে
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। এরই মধ্যে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠানের সব আয়োজন শেষ করা হয়েছে।
প্রতিকূল আবহাওয়া বা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে এ জামাত অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
ঈদ জামাতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন ইমাম এবং বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ক্বারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
আরও পড়ুন: বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রথম জামাত সকাল ৭টায়
ঈদগাহের ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার আয়তনের মূল প্যান্ডেলে একসঙ্গে ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের জামাত আদায় করবেন।
এর আগে আগামীকাল (৯ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ঈদ জামাত আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি সরেজমিন পরিদর্শন করবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
আরও পড়ুন: ঈদে পর্যটন খাতে মন্দা কাটিয়ে উঠার আশা কক্সবাজারের ব্যবসায়ীদের
৭২১ দিন আগে
কিশোরগঞ্জে ঈদের জামাতের সময় নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ঈদের নামাজ আদায়ের সময় নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ।
শনিবার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার জিনারি ইউনিয়নের বীরকাটিহারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম নজরুল ইসলাম। তিনি জিনারি ইউনিয়নের বীরকাটিহারি গ্রামের বাসিন্দা।
আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে টমটম চাপায় কিশোর নিহত
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউপি সদস্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বীরকাটিহারি গ্রামে উক্ত দুই গ্রুপ তৈরি হয়।
এদিকে ওই এলাকায় একটি মসজিদ থাকলেও অন্য দল আরেকটি মসজিদ নির্মাণ করে। তবে ঈদের জামাতের জন্য একটি জায়গা থাকায় উভয় দলকেই সেখানে নামাজ পড়তে হবে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, এর আগে শুক্রবার ওই দুই দলের লোকজন সকাল ৮টা ও ৯টায় দুই জামাতে আলাদাভাবে ঈদের নামাজ পড়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে নজরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলে তাকে হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান টিটু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ১
কিশোরগঞ্জে বজ্রপাতে কাঠমিস্ত্রির মৃত্যু
১০৭৩ দিন আগে
৫ লাখের বেশি মুসল্লির অংশগ্রহণ শোলাকিয়ার ঈদের জামাতে
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের জামাতে পাঁচ লাখের বেশি মুসল্লি অংশ নেন।
শনিবার সকাল ১০টায় দেশের বৃহৎ এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
শোলাকিয়া ঈদগাহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, এবারের ঈদুল ফিতরের জামাতে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ঈদের জামাতে অংশ নিতে এদিন সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ঈদগাহে আসেন। ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে দুটি ট্রেন সকালে ভক্তদের নিয়ে কিশোরগঞ্জে পৌঁছায়। সকাল ৯টার মধ্যেই ঈদগাহ লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে।
ঈদের জামাতে ইমামতি করেন বাংলাদেশ ইসলাহুল মুসলিমীন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।
এ বছর শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ১৯৬তম জামাত অনুষ্ঠিত হলো।
প্রথা অনুযায়ী, জামাত শুরুর আগে বন্দুকের সালাম দেওয়া হয়। খুতবা শেষে বাংলাদেশসহ মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
আরও পড়ুন: শোলাকিয়ায় দেশের বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত
দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের চলাচলের জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ শোলাকিয়া স্পেশাল নামে দুটি বিশেষ ট্রেনেরও ব্যবস্থা করেছে।
একটি ট্রেন ময়মনসিংহ থেকে এবং অন্যটি ভৈরব থেকে ছেড়েছে।
কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসাবে, প্রার্থনার ক্যাপ, মুখোশ এবং প্রার্থনার ম্যাট ছাড়া অন্য কিছু বহন করা নিষিদ্ধ ছিল।
ভক্তদের সাহায্য করার জন্য বিপুল সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক এবং কয়েকটি মেডিকেল টিম মাঠে কর্তব্যরত ছিল।
মাঠসহ প্রবেশপথে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ারও ছিল। আর পুলিশের ড্রোন ক্যামেরা আকাশে উড়েছে।
২০১৬ সালে শোলাকিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যা ব), পুলিশ, সাদা পোশাকে সাদা পোশাকের গোয়েন্দাদের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর মোট পাঁচটি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছিল। আনসার সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে মাঠ পর্যবেক্ষণ করছিলেন।
সিসিটিভি ক্যামেরা ছাড়াও, ছয়টি ওয়াচ টাওয়ার এবং ড্রোনও মাঠে নজরদারির জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল।
জরুরি সেবার জন্য ছয়টি অ্যাম্বুলেন্স এবং ফায়ার সার্ভিস সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: শোলাকিয়ায় চলছে দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাতের প্রস্তুতি
১০৭৩ দিন আগে
মহামারি শেষে উৎসবমুখর ঈদ
রমজানে দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে মঙ্গলবার মুসলমানদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল-ফিতর উদযাপন করছে দেশবাসী।
মহামারি করোনার কারণে দুই বছর বন্ধ থাকার পর এবার ঢাকাসহ সারাদেশে স্থায়ী ও অস্থায়ী ময়দানে ঈদের জামাত আদায় করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিরা।
সকাল ৮টায় রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের জামাতে বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপন করুন: রাষ্ট্রপতি হামিদ
চট্টগ্রাম নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ঈদগাহে যথাক্রমে সকাল ৮টা ও সকাল ৯টায় দুটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ঈদগাহে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এ জেড এম নাছির উদ্দিন, সাবেক সিটি মেয়র মীর নাছির, মহানগর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সোলায়মান আলম ঈদের নামাজ আদায় করেন।
বরিশালে নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বিভাগীয় কমিশনার আমিন-উল-আহসান, জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সিলেটে ৩০০ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ ময়দানে এক লাখের বেশি মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত ঈদের জামাত পরিচালনা করেন পীর মাওলানা রশিদুর রহমান ফারুক।
আরও পড়ুন: মুক্তিযোদ্ধাদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
জামাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী অংশ নেন এবং মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
১৪২৭ দিন আগে
সোমবার বাংলাদেশের ৬ জেলায় ঈদ উদযাপিত
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুর, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, সাতক্ষীরা, কুড়িগ্রাম ও বরিশালের অনেক গ্রামবাসী সোমবার ঈদ-উল-ফিতরের জামাত করেছেন।
সৌদি আরবসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে সোমবার উৎসব উদযাপন করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে মঙ্গলবার ঈদ উদযাপনের কথা রয়েছে।
চাঁদপুরে জেলার ৪০টি গ্রামের প্রায় কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ উৎসবের আমেজে ঈদ উদযাপন করছেন।
ফরিদপুর উপজেলার মুন্সিরহাট বাজার জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সকাল ৯টায় বৃহত্তম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের জামাত পরিচালনা করেন মাওলানা আ স ম সালামাতুল্লা।
আরও পড়ুন: সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
লালমনিরহাটে জেলার তিনটি ইউনিয়নের পাঁচ শতাধিক মুসল্লি আজ ঈদ উদযাপন করছেন।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসুল জানান, জেলার তিনটি ইউনিয়নের মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এখানকার মুসলমানরা ঈদ উদযাপন করছেন।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
দিনাজপুরে জেলার বিভিন্ন স্থানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনাজপুর শহরের পার্টি সেন্টারে সকাল ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।মাওলানা মোখলেছুর রহমানের নেতৃত্বে তিন শতাধিক মানুষ নামাজে অংশ নেন।
জেলার মুসলমানদের একটি অংশ ২০০৭ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ পড়া অব্যাহত রেখেছেন।
আরও পড়ুন: ঈদের দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস
এদিকে সাতক্ষীরার সাতক্ষীরা সদর, তালা ও কলারোয়া উপজেলার শতাধিক মুসল্লি সোমবার আরবসহ কয়েকটি আরব দেশের সঙ্গে মিলিয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন।
কুড়িগ্রামের ভূরুইঙ্গামারী উপজেলার দুই গ্রামবাসীও আজ পবিত্র ঈদ উদযাপন করছেন। সকালের ঈদের জামাতে প্রায় দেড় শতাধিক পরিবার অংশ নেয়। জেলার আহলে হাদিস নামে একটি সংগঠনও সোমবার ঈদের জামাত করেছে।
সৌদি আরবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বরিশালে জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে। তারা সবাই চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাইগরিয়া শাহসুফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারী।
সকাল ৯টায় জেলার প্রায় ৫০টি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: ঈদ উদযাপনে ৪ দিনে ঢাকা ছেড়েছেন ৭৩ লাখের বেশি মোবাইল সিম ব্যবহারকারী
১৪২৮ দিন আগে
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে লালমনিরহাটের ৩ ইউনিয়নে ঈদ উদযাপন
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে তিন ইউনিয়নের পাঁচ শতাধিক মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে রোজা ও ঈদ করেন এসব গ্রামের মুসল্লিরা।
সোমবার সকালে সাড়ে ৯টার দিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপজেলার কাকিনা ও তুষভান্ডার ইউনিয়নের সুন্দ্রাহবি চন্দ্রপুর ইউনিয়নের পানি খাওয়ার ঘাট ও একই ইউনিয়নের বোতলা এলাকায় এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটের কয়েকটি গ্রামে আজ ঈদ উদযাপন
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসূল জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে অনেক আগে থেকে কাকিনা-তুষভান্ডার ইউনিয়নের সুন্দ্রাহবি, চন্দ্রপুর ইউনিয়নের বোতলা ও পানি খাওয়ার ঘাট এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় করে আসছে কিছু মানুষ। এবার সুন্দ্রাহবিতে প্রায় ১৬০ জন, পানি খাওয়ার ঘাটে প্রায় ১২০ জন ও বোতলা এলাকায় প্রায় ৬০ জন মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করেন।
একদিন আগে ঈদের বিষয়ে মুন্সীপাড়া জামে মসজিদের ইমাম আব্দুল মাজেদ বলেন, কোরআন থেকে জেনে শুনে এই ঈদ আমরা পালন করে আসছি, এখানে কোনো ভুল নেই। আমাদের মত দেশের সকল মানুষের ঈদ পালন করা উচিত। তাহলে ঈদের আনন্দ আরও বেড়ে যাবে।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদ উদযাপন
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও সুন্দ্রাহবি, বোতলা ও পানি খাওয়ার ঘাট এলাকায় কিছু মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন স্থানীয় মুসল্লিরা। বিষয়টি নজরদারি করার জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছে।
১৪২৮ দিন আগে