গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
এমসিজে ক্লাবের সদস্যপদ আবেদন শুরু বুধবার
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দেশের স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সদস্যপদ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে এমসিজে ক্লাব লিমিটেড।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে সদস্যপদের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে বলে জানিয়েছে ক্লাবটির ব্যবস্থাপনা কমিটি।
আগ্রহীরা ক্লাবের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে ফি জমা দিয়ে www.mcjclub.com ওয়েবসাইটে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবেন। এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ক্লাবের ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে রয়েছে।
দেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, মিডিয়া স্টাডিজ, যোগাযোগ, ব্রডকাস্ট, টেলিভিশন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে সদস্যপদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর ন্যূনতম বয়স হতে হবে ২৭ বছর।
ক্লাবটির সাধারণ সদস্যপদের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে সরকার নির্ধারিত শুল্ক ও অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জসহ মোট ৫৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে।
এছাড়া সদস্যপদ নীতিমালা মেনে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে সংরক্ষিত নির্দিষ্ট কিছু সদস্য নম্বর পাওয়া যাবে।
ক্লাবটির পরিচালনা পর্ষদ প্রথম ২০০ জন সদস্যকে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্লাবের কার্যক্রমের শুরুতে যুক্ত হওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের নাম ক্লাব প্রাঙ্গণে বিশেষভাবে প্রদর্শন করা হবে।
এমসিজে ক্লাব লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হাসনাত সুমন বলেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সামাজিক ক্লাব গঠনের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিন ধরেই অনুভব করছিলেন তারা। কয়েক দফা বৈঠক ও পর্যালোচনার পর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ক্লাবের সভাপতি হাসনাইন খুরশেদ বলেন, সদস্যপদের আবেদনগুলো দ্রুত যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই শেষে আবেদনকারীদের সদস্যপদ নম্বর জানিয়ে দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ক্লাবটি সম্প্রতি যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে (আরজেএসসি) নিবন্ধিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্লাবটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ক্লাব পরিচালকরা জানান, ভবিষ্যতে সদস্যদের সঙ্গে করপোরেট খাতের যোগাযোগ ও নেটওয়ার্কিং বাড়ানোর পাশাপাশি সদস্য ও তাদের পরিবারের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
১২ দিন আগে
ঢাবির হলের ‘গেস্টরুমে’ অসুস্থ শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের গেস্টরুমে এক শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আখতারুল ইসলাম নামে ওই শিক্ষার্থী গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র। বলে জানা গেছে।
বুধবার রাত ১০টার দিকে দ্বিতীয় বর্ষের পাঁচ-ছয় জন শিক্ষার্থী আখতারুল ইসলামকে গেস্টরুমে ডেকে নিয়ে যায়।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আখতারের বাবা কয়েকদিন আগে হার্ট স্ট্রোক করেছেন। তিনি অসুস্থ ছিলেন। যখন তাকে গেস্টরুমে ডাকা হয়েছিল, তখন অসুস্থতার জন্য তিনি গেস্টরুমে আসতে পারেননি।
তিনি বলেন, পরে তাকে ডেকে এনে গেস্টরুমে ১০ মিনিট লাইটের দিকে তাকিয়ে থাকার সাজা দেন। এসময় আখতার আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ইসিজি পরীক্ষা করা হয়।
নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা ইউএনবিকে বলেন, অভিযুক্তরা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কর্মী।
অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে ঢাবি কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে ঢাবিতে সমাবেশ
বিজয় একাত্তর হলের প্রভোস্ট ও প্রভোস্ট স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আবদুল বশির বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং আজকের মধ্যে এ ঘটনার তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সদস্য আবু ইউনুস বলেন, ‘আমাদের সংগঠন এ ধরনের কোনো অমানবিক কাজ সমর্থন করে না। যত দ্রুত সম্ভব আমাদের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ঢাবিতে সমাবেশ
ঢাবিতে সশরীরে ক্লাস বন্ধ
১৭৩৩ দিন আগে
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান: একজন আদর্শবান মানুষের বিদায়
জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতো মহান ব্যক্তির মৃত্যুতে জাতির কী পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা মূল্যায়ন করার দায়িত্ব অন্যদের ওপরই ছেড়ে দেব। প্রকৃতপক্ষে এর মূলায়ন করতে যাওয়াটা সবচেয়ে দুঃসাহসিক কাজ হতে পারে। বাংলাদেশকে দেয়া তার অতুলনীয় অবদানকে বলে বোঝানো সম্ভব না। মানুষকে গড়ে তোলার বিষয়ে তিনি যতটা দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছিলেন তারও কোনো তুলনা হয় না। নিখুঁত কৃতিত্বের মাধ্যমে জাতির বিবেককে জাগিয়ে তোলার জন্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ও যুগে যুগে তিনি অনুসরণীয় হয়ে থাকবেন। সম্ভবত, তিনি এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যার স্বভাবের এবং আচরণের সমকক্ষ কেউ নেই।
২৩৫৪ দিন আগে