গলায় ফাঁস
‘পুলিশ-বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে’ ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা, ক্ষোভে কিশোরীর গলায় ফাঁস
নরসিংদীতে পুলিশ ও বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে ধষর্ণের ঘটনায় সালিশ চলাকালে ক্ষোভে এক কিশোরীর আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের সোনাতলা চকপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় কিশোরীকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নরসিংদীর পাশের শিবপুর উপজেলায় বিয়ে হয়েছিল ওই কিশোরীর। বিয়ের পর থেকেই প্রতিবেশী প্রাইভেটকারচালক এক যুবক তাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত ও বিয়ের প্রলোভন দেখাতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ওই কিশোরীকে তার স্বামীর সংসার থেকে নিয়ে আসেন যুবকটি। এরপর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি। এ ঘটনা জানাজানি হলে ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার পরিবার ছেলেটিকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু সে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে কিশোরীর পরিবার আইনি সহযোগিতা নিতে চাইলে স্থানীয় বিএনপি নেতারা মীমাংসা করে দেবে বলে জানান।
পরবর্তী সময়ে ওই কিশোরীর পরিবার উপায়ন্তর না পেয়ে সালিশি বিচারে রাজি হয়। পরে গতকাল (শুক্রবার) বিকেলে সোনাতলা চকপাড়া এলাকায় জেলা বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আউলাদ হোসেন মোল্লা, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল হক টিটু, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন খোকা, চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন, ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাহাঙ্গীরসহ একাধিক নেতার উপস্থিতে সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সেখানে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইউনুস নামে একজন পুলিশ সদস্যও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, সালিশ দরবারে উপস্থিত নেতারা বিয়ের পরিবর্তে ধর্ষণের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকায় মীমাংসা করার প্রস্তাব উঠান। এ খবর ওই কিশোরী জেনে সালিশ চলাকালেই ঘরের দরজা আটকে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এ সময় পরিবারের লোকজন ঘটনা বুঝতে পেরে ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে তাকে উদ্ধার করে অচেতন অবস্থায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে সে এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে।
ভুক্তভোগীর মা অভিযুক্ত যুবককে দোষী দাবি করে বলেন, সে আমার মেয়ের সংসার ভেঙেছে। আমার মেয়েকে গত এক বছর ধরে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। আমার মেয়ে বিয়ের কথা বললে সে তালবাহানা করতে থাকে। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। মানুষ আমার মেয়েকে নিয়ে বাজে কথা বলায় সে বাইরে যেতে পারত না। আজকের সালিশে বিচারকরা বিয়ের কথা না বলে প্রথমে ২০ হাজার, ৩০ হাজার ও পরে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে মীমাংসার কথা বলেন। এ কথা শুনে আমার মেয়ে ক্ষোভে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এখন সে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।
তার অভিযোগ, আমি থানায় আগেই লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু বিচার পাইনি। আমি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
জেলা বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আউলাদ হোসেন মোল্লা বলেন, আমি অল্প সময়ের জন্য দরবারে গিয়েছিলাম। ছেলে ও মেয়ের কথা শোনার পর জরুরি কাজ থাকায় চলে এসেছি। পরে জানতে পেরেছি, দরবারে ১১ জনের একটি বোর্ড বসেছিল। তারা সকলের কথা শুনে ৮ জন বিয়ের পক্ষে ও তিন জন টাকা দিয়ে সমাধানের পক্ষে মতামত দেন। এর মধ্যে কেউ টাকা দিয়ে সমাধানের বিষয়টি জানালে মেয়েটি আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে দরবার থেকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিয়ের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
ধর্ষণ সালিশযোগ্য কিনা—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি উভয়পক্ষের অনুরোধে গিয়েছিলাম। যেখানে এলাকার অনেক মানুষ ছিল।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. খায়রুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যায় ফাঁস নেওয়া এক কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়।
চিনিশপুর ইউনিয়নের বিট কর্মকর্তা মো. ইসহাক মিয়া বলেন, সোনাতলা চকপাড়া এলাকায় সালিশে আমি ছিলাম না তবে মো. ইউনুস নামে একজন পুলিশ সদস্য ছিলেন।
তিনি জানান, আমি ঘটনার খোঁজ খবর নিয়েছি, কিন্তু সালিশে ছিলাম না।
তবে নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর আল মামুন ওই শালিসে কোনো পুলিশ সদস্যের উপস্থিত থাকার বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সালিশে আমাদের কোনো পুলিশ সদস্য ছিলেন না। আমরা শারীরিক সম্পর্কের ঘটনায় একটা মৌখিক অভিযোগ পেয়েছিলাম, কিন্তু কোনো লিখিত অভিযোগ পায়নি।
৪ দিন আগে
মায়ের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে নুরজাহান (১৪) নামে এক কিশোরী বসতঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের চরমহিষকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নুরজাহান ওই গ্রামের জহিরুল ইসলামের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, নুরজাহানের সঙ্গে তার মা রুচিয়া বেগমের সাংসারিক কাজকর্ম নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে অভিমান করে সে নিজের শোবার ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়।
এ সময় পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানান নুরজাহান আর বেঁচে নেই।
গোসাইরহাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সজিবুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ থানায় নিয়ে আসে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
তবে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তরের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পেলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৯৫ দিন আগে
বাড্ডার ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ
রাজধানীর উত্তর বাড্ডার হাসান উদ্দিন রোডের মিশ্রিটোলা এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার কক্ষে তাহিয়া আক্তার মিন্নি (২০) নামে গৃহবধূর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তাহিয়া আক্তার দক্ষিণখান আইনুসবাগ এলাকার আব্দুল আউয়ালের মেয়ে ছিলেন। বর্তমানে স্বামীর সঙ্গে মিশ্রিটোলার মীর কাশেম আলীর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন তিনি।
নিহতের বাবা আব্দুল আউয়াল বলেন, আমরা খবর পেয়ে বাড্ডার ওই বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো, ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পাই। পরে অচেতন অবস্থায় দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, আমার মেয়ে আর বেঁচে নেই।
তিনি আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর কলহের জেরে অভিমানে আমার মেয়ে সিলিং ফ্যানে সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানতে পেরেছি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ওই গৃহবধূর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বাড্ডা থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
১৫১ দিন আগে
দিনাজপুরে গলায় ফাঁস দেওয়া পুলিশ কনস্টেবলের লাশ উদ্ধার
দিনাজপুরে গলায় ফাঁস দেওয়া পুলিশের এক কনস্টেবলের লাশ শুক্রবার বিকালে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷
কনেস্টেবল আতাউর রহমান দিনাজপুর সদরের শেখপুরা মহল্লার বসবাসকারী মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেনের ছেলে। তাদের বাড়ি লালমনিরহাটে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোতালেব বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলায় কর্মরত ছিলেন কনস্টেবল আতাউর রহমান। তিনি রংপুর বদলি জনিত ছুটিতে ছিলেন। আগামী রবিবার তার কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।
আরও পড়ুন: সিলেটে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে মিলল যুবকের ঝুলন্ত লাশ
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকালে গলায় ফাঁস দেওয়া তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা ধারণা করা হচ্ছে। সঠিক কারণ জানা যায়নি।
মাস ছয়েক আগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আতাউর কিছুটা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন: সিলেটের কানাইঘাটে নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
নওগাঁয় একই ঘর থেকে ঝুলন্ত মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার
৯৬৩ দিন আগে
মাগুরায় স্কুলছাত্রীসহ ২ জনের আত্মহত্যা
মাগুরার মহম্মদপুরে এক স্কুলছাত্রী ২ জন আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাতে ও রবিবার সকালে তারা দুজন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
আত্মহত্যাকারী সমাজদার সাগর (২৩) মহম্মদপুর উপজেলার পলাশাবাড়িয়া ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের সনজিত সমাজদারের ছেলে। অপর আত্মহত্যাকারী আয়েশা খাতুন ঐশী (১৫) সদর ইউনিয়নের ধোয়াইল গ্রামের আক্কাস আলীর মেয়ে। তিনি ধোয়াইল আর্দশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
আরও পড়ুন: মাগুরায় দুই শিশুর মৃত্যু, পরিবার বলছে আত্মহত্যা
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, সাগর সমাজদার রাতে তার নিজের মুদি দোকানে ঘুমিয়ে ছিলেন। কিন্তু সকালে দোকান ঘরে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে স্থানীয়রা দরজা ভেঙ্গে গামছা দিয়ে ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত লাশটি দেখতে পায়।
অপরদিকে রবিবার সকালে আয়েশা তার বোনের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে অভিমান করে গোয়াল ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
মহম্মদপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বোরহান উল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উভয় ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চিরকুট লিখে ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা!
খাগড়াছড়িতে আত্মহত্যার চেষ্টা: প্রেমিকের মৃত্যু, প্রেমিকা হাসপাতালে
৯৭৫ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে গৃহবধূর আত্মহত্যা!
সিরাজগঞ্জে সাদিয়া (২০) নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
রবিবার সকালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চক শিয়ালকোল গ্রামে নিজ ঘরের তীরের সঙ্গে সাদিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সাদিয়া চক শিয়ালকোল গ্রামের সামিদুল ইসলামের মেয়ে ও শহরের হোসেনপুর মহল্লার তারেকের স্ত্রী।
আরও পড়ুন: বরিশালে প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে প্রেমিকার আত্মহত্যা!
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার হোসেনপুর মহল্লার সুরুতজ্জামানের ছেলে তারেকের সঙ্গে প্রায় দেড় বছর আগে সাদিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তারেক স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতো।
তিনি আরও জানান, রবিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে পারিবারিক কলহের জের ধরে নিজ ঘরের তীরের সঙ্গে সাদিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরিবারের লোকজন আশংকাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ওই হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা!
কুমিল্লায় চিরকুট লিখে ইন্টার্ন চিকিৎসকের আত্মহত্যা!
১২১৪ দিন আগে
বরগুনায় ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে কৃষকের আত্মহত্যা!
বরগুনায় ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে পরিবারের ওপর অভিমান করে এক কৃষক আত্মহত্যা করেছেন।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের বদরখালী গ্রামের একটি গাছ থেকে দুলাল মাতুব্বরের (৫৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত এই কৃষক বদরখালী গ্রামের মৃত কদম মাতুব্বরের ছেলে। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
বদরখালী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আল আমিন বলেন যে এনজিও, সমিতি ও স্থানীয়দের কাছ থেকে নেয়া ঋণের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে পারিবারিক ঝগড়া সৃষ্টি হয়। সেখান থেকেই অভিমান করে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মেদ জানান, গাছের সঙ্গে গালায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হত্যা না আত্মহত্যা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হত্যা হয়ে থাকলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: যশোরে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোবাইল না কিনে দেয়ায় কিশোরের আত্মহত্যা!
১২৩২ দিন আগে
গোয়ালন্দে গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা!
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের ভাগলপুর এলাকার নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবার দাবি করেছে।
রিমন শেখ (১১) গোয়ালন্দের ভাঘলপুর এলাকার মো.আব্দুর রাজ্জাক শেখ এর ছেলে। সে স্থানীয় ভাগলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, রিমনের বাবা ঢাকায় পোশাক কারখানার ঝুট এর ব্যবসা করেন। রিমন পরিবারের দুই ভাইয়ের মধ্যে ছোট। সে তার মায়ের সঙ্গে বাড়িতে থাকে।
আরও পড়ুন: আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলায় যুবকের ৭ বছরের কারাদণ্ড
নিহতের পরিবারের স্বজনরা জানান, সোমবার সকালে রিমনের ফুপু ও ফুফাতো বোন রাজবাড়ী শহরে কেনাকাটার জন্য যেতে চাইলে রিমনও তাদের সঙ্গে যাবে বলে বায়না ধরে। কিন্তু রিমনের ফুপু ও ফুফাতো বোন তাকে না নিয়ে ঘরের মধ্যে আটকে রেখে কেনাকাটা করতে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর পাশের বাড়ির লোকজন ওই ঘর থেকে একটা শব্দ শুনতে পেয়ে দরজা ভেঙ্গে দেখতে পায় রিমন নিজেদের ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুঁলে আছে। তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় নামিয়ে দ্রুত গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
এসময় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো.রবিউল ইসলাম বলেন, রিমন গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে স্থানীয় লোকজন হাসপাতালে আনার পর জানায়। আমরাও প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, শিশুটি আত্মহত্যা করেছে। তার গলায় দাগ রয়েছে। তবে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়না তদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তবে ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলেও জানান ওসি।
আরও পড়ুন: ‘বাড়ি বাঁচাতে না পেরে’ প্রেসক্লাবের সামনে নারীর আত্মহত্যাচেষ্টা
বাগেরহাটে ৩ বছরের ছেলেকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা
১২৯৭ দিন আগে
উলিপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা
কুড়িগ্রামের উলিপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে এক গৃহবধূর আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার ভোরে উপজলার ধামশ্রনী ইউনিয়নের বিজয়রাম তবকপুর খেয়াঘাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ময়না বেগম (৪০) ওই গ্রামের ছক্কু মিয়ার স্ত্রী। ওই দম্পতির দুই মেয়ে রয়েছে।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা
ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা উলিপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোকারম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ময়না তিন থেকে চার মাস যাবৎ মানসিক রোগে ভুগছেন। শনিবার ভোর আনুমানিক ৪ টার দিকে সে সবার অজান্তে গোয়াল ঘরের ধরনার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ কবির বলেন, ময়না বেগম মানসিক ভাবে অসুস্থ ছিল।
উভয় পরিবারের অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: পাউরুটির সঙ্গে শিশুপুত্রকে বিষ খাইয়ে মায়ের আত্মহত্যা!
চাঁদপুরে আ.লীগ নেতা হত্যায় সন্দেহভাজন কিশোরের ‘আত্মহত্যা’
১৩৩৪ দিন আগে
গলায় ফাঁস দিয়ে চাঁদপুরে শিশুর আত্মহত্যা!
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে ১২ বছরের এক শিশুর আত্মহত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার লাউতলী এলাকায় নিজবাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: টিভি দেখতে না করায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে শিশুর আত্মহত্যা!
নিহত তারেকুল ইসলাম উপজেলার লাউতলী গ্রামের রিকশাচালক রুবেল হোসেনের ছেলে এবং স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন: এসএসসির বাংলা ১মপত্র খারাপ হওয়ায় খুলনায় পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা!
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদ হোসেন জানান, শিশুটির বাবা প্রতিদিনের মতো রিকশা নিয়ে সকালে বাহিরে যান। তার মা বাড়ির পাশে সবজি খেতে শাক তুলতে গেলে কোনো এক ফাঁকে সে গলায় ফাঁস দেয়। খবর পেয়ে তার বাবা বাড়িতে এসে ছেলেকে নামিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: মোবাইল গেম খেলতে না দেয়ায় স্কুলছাত্রের ‘আত্মহত্যা’
ওসি জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিকালে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
১৩৪২ দিন আগে