এইচএসসি
চট্টগ্রাম বোর্ডের শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতি অবনতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সকল জেলার আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠেয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন জেলা ব্যাতীত) অন্যান্য জেলার পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে।
আগামীকাল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।
চট্টগ্রাম বোর্ডের জেলাগুলো হলো— চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।
এর আগে, চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন সব জেলার ৮ জুলাইয়ের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।
টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। রাঙামাটি ও কক্সবাজারেও টানা ভারী বৃষ্টিতে অনেক এলাকা তলিয়ে গেছে।
১৬ দিন আগে
দেশের এইচএসসির শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত দক্ষতা সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির সমমানের: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বিশ্ব ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের গড় এইচএসসির শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত দক্ষতা অনেক ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর সমমানের। এই বাস্তবতা আমাদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
রবিবার (২৮ জুন) ঢাকার তেজগাঁও কলেজে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ (শিক্ষাবর্ষ ২০২৫-২৬) নবীন বরণ অনুষ্ঠান-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে পুনর্গঠন করা হবে যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু ডিগ্রিধারী নয়, দক্ষ, নৈতিক ও কর্মসংস্থান-উপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। অতীতের মতো কেবল সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, বরং দক্ষতা, মূল্যবোধ ও বাস্তব কর্মজীবনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষাই হবে সরকারের অগ্রাধিকার।
এ সময় বিশ্ব ব্যাংকের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের গড় এইচএসসি শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত দক্ষতা অনেক ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর সমমানের। এই বাস্তবতা আমাদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাই শুধু পরীক্ষায় পাস করানো নয়, শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শেখা, দক্ষতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে বহু শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জনের পরও কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বর্তমান সরকার এই বাস্তবতা পরিবর্তনে শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে কাজ করছে।
২৮ দিন আগে
কুমিল্লা বোর্ডের ৮ কলেজে নেই কোনো এইচএসসি পরীক্ষার্থী
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় ৮টি কলেজ থেকে একজন শিক্ষার্থীও অংশ নিতে পারছে না। এর মধ্যে ৪টি কলেজে কোনো শিক্ষার্থী নিবন্ধনই করেনি, বাকি ৪টি কলেজে নিবন্ধিত ৩৫ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হতে পারেনি। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার্থী শূন্য এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার, তিনটি কুমিল্লা জেলার এবং একটি ফেনী জেলার। কলেজগুলো হলো— ফেনীর নোবেল কলেজ, কুমিল্লার বেগম জহুরা মহিলা কলেজ, ষাইটশালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ ও সিসিএন মডেল কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাতগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, কৃষ্ণনগর আব্দুল জব্বার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, তিতাস মডেল কলেজ এবং উলুকান্দি কলেজ।
এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার ৪৬৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৯৪ হাজার ৮০২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্রী ৫৭ হাজার ১৯৬ জন এবং ছাত্র ৩৭ হাজার ৬০৬ জন। অর্থাৎ ছাত্রী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছাত্রদের তুলনায় ১৯ হাজার ৫৯০ জন বেশি।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চ মাধ্যমিক) মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ‘এ বছর বোর্ডের অধীনে ৪৬৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৯৪ হাজার ৮০২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তবে আটটি প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি থাকলেও কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না। এছাড়া গত বছর শূন্য থেকে ৫ শতাংশ পাসের হার থাকা ১৩টি প্রতিষ্ঠানের কলেজ শাখার স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে, ফলে সেগুলোও এ বছর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও ছাত্রী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এটি নারী শিক্ষার অগ্রগতির ইতিবাচক দিক হলেও ছাত্রদের সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।’
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাইটশালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শিবু চন্দ্র সরকার জানান, ‘২০১২ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে কলেজ শাখা চালু রয়েছে। কিন্তু এবারই প্রথম কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না।
‘তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে আসছিল। এ বছর ১০ জন শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল, কিন্তু তারা কেউই পরীক্ষার জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। আর্থিক সংকট ও শিক্ষক সংকটের কারণে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির প্রচারণাও যথাযথভাবে চালানো সম্ভব হয়নি।’
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জামাল নাসের বলেন, অনেক ক্ষেত্রে উচ্চ বিদ্যালয়ের সঙ্গে কলেজ শাখা চালু করা হলে তা কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। এর ফলে আর্থিক সংকট তৈরি হয়, শিক্ষার মান কমে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। পরিকল্পিতভাবে এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করে আলাদা কলেজ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করা হলে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব।
এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যেসব কলেজ থেকে কোনো পরীক্ষার্থী অংশ নিতে পারেনি, তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা হবে। কেন এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়ন কিংবা প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ আছে কি না, সেটিও পর্যালোচনা করা হবে।’
৩৭ দিন আগে
২০২৭ সালের এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন
আগামী এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময় এগিয়ে আনা হয়েছে। আগামী বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। অন্যদিকে, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে শুরু হবে আগামী বছরে ৬ জুন এবং শেষ হবে ১৩ জুলাই।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ কথা জানান।
তিনি বলেন, এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আমাদের এসএসসি ও সমমানের প্রায় ২০ লাখ এবং এইচএসসি ও সমমানের প্রায় ২০ লাখ; এই ৪০ লাখ শিক্ষার্থী—এদের লেখাপড়া, ভবিষ্যৎ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসএসসি পরীক্ষা দিতে এবং পাস করতে স্বাভাবিকভাবে একটি ছাত্রের জীবনে ১৬ বছর সময় লাগে। আর এইচএসসি অর্থাৎ টুয়েলফথ গ্রেড, হায়ার সেকেন্ডারি—আরও দুই বছর যোগ করলে ১৮ বছর সময় লাগে। কিন্তু আমরা ইতোমধ্যেই দেখেছি যে এই এইচএসসি পাস করতে ২০ বছর বয়স হয়ে যায়। অর্থাৎ জ্যামিতিক লভ্যাংশে আমরা দেখেছি যে জাতি ৪০ লাখ বছর পিছিয়ে যায়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সেই ক্ষেত্রে আমরা চেষ্টা করছি সেশন জটকে কমিয়ে আনা, সিলেবাস কভার করা এবং সঠিকভাবে তাদের শিখন সম্পন্ন হওয়ার পরে পরীক্ষা নেওয়া। এই বিষয়গুলোকে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। এসএসসি পরীক্ষার জন্য বসে থেকে ছাত্রছাত্রীদের প্রায় এক বছর নষ্ট হয় এবং এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ছাত্রছাত্রীরা বসে থেকে প্রায় এক বছর নষ্ট হয়। এই গ্যাপটাকে ক্রমান্বয়ে আমরা বন্ধ করতে চাচ্ছি। ধরে নিচ্ছি যে ডিসেম্বর বছরের শেষ মাস এবং এটা হলো পরীক্ষার মাস; সেই দিকে আমরা এগোচ্ছিলাম।
তিনি বলেন, নবম-দশম শ্রেণিতে দুই বছরের সিলেবাস কারিকুলাম ডিসেম্বরে শেষ হবে। সিলেবাস শেষ হওয়ার পরে এসএসসি পরীক্ষা দেবে। ঠিক সেভাবে ফলাফল দুই মাসের মধ্যে বেরিয়ে যাবে। আবার এইচএসসিতে ভর্তি হবে এবং তারা সময়মতো বেরিয়ে যাবে। এবং পরীক্ষা দেওয়ার পর ফল বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন আবার তারা ভর্তি হতে পারে, সেই জিনিসগুলো আমরা সমন্বয় করার জন্য লক্ষ নির্ধারণ করেছি যে এসএসসি এবং এইচএসসির সেশন সমাপ্ত করার জন্য ডিসেম্বর হচ্ছে উপযুক্ত মাস।
এহছানুল হক মিলন বলেন, সেটাকে সামনে রেখে আমরা কাজ শুরু করেছি। এবার আমরা ২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছি। তবে অংশীজনদের সঙ্গে ব্যাপক আলোচনা সাপেক্ষে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আগামী এসএসসি পরীক্ষা আমরা শুরু করব ৭ জানুয়ারি এবং পরীক্ষা শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। আমরা রুটিন ইতোমধ্যে করেছি, একইসঙ্গে তা দিয়ে দিচ্ছি, যেন শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে পরিকল্পনা করে লেখাপড়া করতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, এইচএসসি নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি। এখানে কিছুটা সময় আমরা গুছিয়ে এনেছি যেন তারা পরীক্ষায় পাস করার পর ফল সেমিস্টার (বিদেশে উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হওয়ার সময়কাল) ধরতে পারে। সেই টার্গেট নিয়ে এবং সিলেবাসও যেন কাভার করতে পারে। যদিও এর আগে অ্যাডমিশন কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে, সেটাকে আমরা গুছিয়ে আনছি। এইচএসসি পরীক্ষা শুরু করব ৬ জুন এবং শেষ করব ১৩ জুলাই। এই পরীক্ষার রুটিনও আমরা করে ফেলেছি।
ফল প্রকাশের সময়সীমা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ফল প্রকাশের সময় দুই মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার নীতি রয়েছে এবং ভবিষ্যতে তা আরও সংক্ষিপ্ত করার চেষ্টা করা হবে।
উচ্চশিক্ষায় ভর্তি সমন্বয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফল প্রকাশের পর কোনো গ্যাপ না রেখে দ্রুত ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট না হয়।
৭৩ দিন আগে
এইচএসসির ফল: ময়মনসিংহে ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কোনো শিক্ষার্থী
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার শতকরা ৫১.৫৪ ভাগ। তবে এই বোর্ডের আওতাধীন ১৫টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল্লাহ এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, এবার ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন শিক্ষার্থী। মোট ৩৯ হাজার ৯৬ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৮৪ জন।
পাস ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছেলেদের সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৭৬ এবং মেয়েদের সংখ্যা ২২ হাজার ৪২০ জন। অন্যদিকে, জিপিএ-৫ পাওয়া ছেলেদের সংখ্যা এক হাজার ১১৭ এবং মেয়েদের সংখ্যা এক হাজার ৫৬৭ জন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, এবার ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের মাত্র ৩টি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা শতভাগ পাস করেছে। প্রতিষ্ঠান ৩টি হলো ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার চরজিথর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নেত্রকোণার খালিয়াজুরি উপজেলার আব্দুল জব্বার রাবেয়া খাতুন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এর বিপরীতে শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৫টি।
এর মধ্যে ময়মনসিংহের ৭টি, জামালপুরের ২টি, নেত্রকোণার ৪টি এবং শেরপুরের ২টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ভুটিয়ারকোণা আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নান্দাইলের বরিল্লা কে. এ. হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ত্রিশালের সিটি রয়েল কলেজ, ত্রিশাল আইডিয়াল কলেজ, গৌরীপুর পাবলিক কলেজ, মুক্তাগাছার প্রিন্সিপাল পারভীন জাকির কলেজ, ফুলবাড়িয়ার আলাপসিংহ কলেজ।
আরও পড়ুন: এইচএসসির ফলে এগিয়ে ঢাকা বোর্ড, কুমিল্লার পাসের হার সবচেয়ে কম
এছাড়া শতভাগ অকৃতকার্যের তালিকায় রয়েছে জামালপুরের বকশিগঞ্জের চন্দ্রাবাজ রাশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মেলান্দহ উপজেলার এস. এম. শিখা মোখলেসুর রহমান কলেজ, নেত্রকোণার কেন্দুয়ার গোপালপুর মডেল কলেজ, জনতা আদর্শ মহাবিদ্যালয়, নেত্রকোণা সদর উপজেলার ভাষাসৈনিক আবুল হোসেন কলেজ এবং পূর্বধলার জোবায়দা জহুরউদ্দিন সরকার মহিলা কলেজ। শেরপুর সদরের মন্মথ দে কলেজ এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার হীরন্ময়ী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
ফল ও শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং ম্যানেজিং কমিটিকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে বলে মত দেন বোর্ড চেয়ারম্যান।
এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৩০৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে ৫১ জন শিক্ষার্থী অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন।
২৮৩ দিন আগে
এইচএসসির ফলে এগিয়ে ঢাকা বোর্ড, কুমিল্লার পাসের হার সবচেয়ে কম
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ। পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা বোর্ড, অন্যদিকে সর্বনিম্ন পাসের হার রেকর্ড হয়েছে কুমিল্লা বোর্ডে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড একযোগে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
এবার গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে ১৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী।
এ বছরের ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬৪.৬২ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৫৯.৪০ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮.৮৬ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৫০.২০ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২.৫৭ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৬২.৫৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫১.৮৬ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৭.৪৯ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১.৫৪ শতাংশ।
আরও পড়ুন: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ
এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার সর্বোচ্চ ৬৪.৬২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন পাসের হার কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮.৮৬ শতাংশ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেন। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন ছাত্রী।
সারা দেশে মোট ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেননি। আর এবারও ফল তৈরি হয়েছে ‘বাস্তব মূল্যায়ন’ নীতিতে।
গত জুলাই মাসে প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার মতো এবারও এইচএসসির ফল প্রকাশ ঘিরে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিকতা রাখা হয়নি।
২৮৩ দিন আগে
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ। গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৯ শতাংশ। ২০২৪ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড একযোগে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
পরে পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে রাজধানীর বকশীবাজারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ব্রিফিং করেন বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির।
তিনি জানান, এবার ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬৪.৬২, রাজশাহীতে ৫৯.৪০, কুমিল্লায় ৪৮.৮৬, যশোরে ৫০.২০, চট্টগ্রামে ৫২.৫৭, বরিশালে ৬২.৫৭, সিলেটে ৫১.৮৬, দিনাজপুরে ৫৭.৪৯, ময়মনসিংহে ৫১.৫৪, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৫.৬১ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬২.৬৭।
খন্দোকার এহসানুল জানান, এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন।
এদিকে ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পান ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন। গতবারের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ কমেছে অর্ধেকেরও বেশি।
আরও পড়ুস: এইচএসসির ২২ ও ২৪ জুলাইয়ের স্থগিত পরীক্ষা একই দিনে হবে
পরীক্ষার্থীরা তিনভাবে এইচএসসির ফলাফল জানতে পারছেন। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেন।
শিক্ষার্থীরা ফলাফল দেখবেন যেভাবে
১.
সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের রেজাল্ট (Result) কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN–এর মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবেন। সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে Result কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবেন।
২.
পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা বোর্ডগুলোর সমন্বিত ওয়েবসাইট ঠিকানা ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
৩.
নির্ধারিত Short Code–16222–এ এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল পাবেন শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এসএমএসের মাধ্যমে HSC Board Name (First 3 Letters) Roll Year টাইপ করে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে শিক্ষার্থীদের।
উদাহরণ: HSC Dha 123456 2024 লিখে 16222–তে পাঠাতে হবে।
শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা অফিসে ফলাফল পাওয়া যাবে না বলে শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২৬ জুন। লিখিত পরীক্ষা গত ১৯ আগস্ট শেষ হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২১ থেকে ৩১ আগস্ট। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেন।
২৮৩ দিন আগে
এইচএসসির ২২ ও ২৪ জুলাইয়ের স্থগিত পরীক্ষা একই দিনে হবে
এইচএসসি ও সমমানের ২২ এবং ২৪ জুলাইয়ের স্থগিত পরীক্ষা একই দিনে নেবে সরকার। তবে পরীক্ষার তারিখ এখন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়নি। বুধবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষা উপদেষ্টা সিআর আবরার এমন তথ্য দিয়েছেন।
উপদেষ্টা বলেন, ২২ জুলাইয়ের পরীক্ষা সকালে এবং ২৪ জুলাইয়ের পরীক্ষা বিকালে নেওয়া হবে।
কবে দুই দিনের স্থগিত পরীক্ষা নেওয়া হবে, এখনো সেই সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ২২ ও ২৪ জুলাইয়ের পরীক্ষা কবে নেওয়া হবে, বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়ে দেব। তবে ২২ জুলাইয়ের পরীক্ষা সকালে এবং ২৪ জুলাইয়ের পরীক্ষা একই দিন বিকালে নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: ২৪ জুলাইয়ের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত
এর আগে রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনায় মঙ্গলবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে ২৪ জুলাইয়ের পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার ঘোষণাও এসেছে।
রুটিন অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রসায়ন (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র/ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র (মানবিক শাখা)/ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র/গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন দ্বিতীয় পত্র/উত্পাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা ছিল।
আর ২৪ জুলাই অর্থনীতি প্রথম পত্র/প্রকৌশল অঙ্কন ও ওয়ার্কশপ প্র্যাকটিস প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
৩৬৮ দিন আগে
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২৬ জুন, রুটিন প্রকাশ
উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুন থেকে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে ১০ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১১ আগস্ট শুরু হয়ে শেষ হবে ২১ আগস্ট।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম কামাল উদ্দিন হায়দার সই করা সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন: এইচএসসির ফল পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে সচিবালয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশাবলি
পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
ব্যবহারিক বিষয়-সংবলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।
পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় পর্যন্ত চলবে। এমসিকিউ ও সিকিউ উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল সাড়ে ৯টায় অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী ওএমআর শিট বিতরণ সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে।
সকাল সাড়ে ১০টায় বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে। (২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ১০.২৫ মিনিট)।
আর দুপুর ২টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে দুপুর দেড়টায় অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী ওএমআর শিট বিতরণ। দুপুর ২টা বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে। দুপুর আড়াইটায় বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে।
(২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ২.২৫ মিনিট) প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করবে।
প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত উত্তরপত্রে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাজ করা যাবে না।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে এইচএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ
পরীক্ষার্থীকে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশ পত্রে উল্লিখিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।
৫২২ দিন আগে
এইচএসসির ফল পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে সচিবালয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
এইচএসসির ফল পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে সচিবালয়ে বিক্ষোভের চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য বা খারাপ ফলাফল পাওয়া শিক্ষার্থীরা বিকেল ৩টার দিকে সচিবালয়ে হামলা চালান। প্রকাশিত ফল পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে স্লোগান দেন তারা।
আরও পড়ুন: এইচএসসির পর বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিবেন যেভাবে
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচির হুমকিও দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
একপর্যায়ে পুলিশ তাদের ধাওয়া করলে সচিবালয় ছাড়তে বাধ্য হন তারা।
এর আগে গত ২০ অক্টোবর এইচএসসির ফল বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে 'এইচএসসি ব্যাচ ২০২৪' ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী ঢাকা শিক্ষা বোর্ড প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন।
ফলাফলকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীরা সব বিষয়ের ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ফল প্রকাশের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।
গত ১৫ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন: এইচএসসিতে ঈর্ষণীয় ফলাফল শেরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সবুজের
৬৪১ দিন আগে