মরদেহ উদ্ধার
মুক্তিপণ দাবির দুই দিন পর ফরিদপুরে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুর সদর উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, তাকে অপহরণের পর মুক্তিপণ হিসেবে ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল। টাকা দিতে না পারায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের রোকমান খারডাঙ্গী গ্রামের একটি পাটখেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইউসুফ ফকির (৪৫) ওই গ্রামের সেকেন ফকিরের ছেলে। দুই মেয়ে ও এক ছেলের বাবা ইউসুফ পেঁয়াজের পাইকারি ব্যবসায়ী ছিলেন।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করলে ইউসুফ ফকির স্ত্রীকে জানান, তিনি মমিনখার হাট বাজারে গিয়ে একটি ডিসপেনসারিতে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করাবেন। এ কথা বলে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। বাজারের কাজ শেষে সন্ধ্যার দিকে একটি ইজিবাইকে করে বাড়ির সামনে নামলেও এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
নিহতের শ্বশুর আজিজ খান বলেন, যে ইজিবাইকে তিনি বাজার থেকে ফিরেছিলেন, তার চালক জানিয়েছেন যে তিনি ইউসুফকে বাড়ির সামনেই নামিয়ে দেন। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কয়েকবার তার মোবাইল ফোনে কল করা হলে তিনি তা কেটে দেন। রাত ৯টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাতিজা সাইফুল ফকির বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
আজিজ খান বলেন, শুক্রবার বিকেলে প্রথমে ইউসুফের মোবাইল নম্বর থেকেই তার মেয়ের ফোনে কল করে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা দিলে ইউসুফকে অক্ষত অবস্থায় ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে একটি আইপি নম্বর থেকে আরও দুইবার একই দাবি জানানো হয়। তারা ঠিকানা জানতে চাইলে ফোনের অপর প্রান্তের ব্যক্তি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আলী মদ্দীন ফকির বলেন, আজ সকাল ৬টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি পাট কাটতে গিয়ে ইউসুফের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরের একটি পাটখেতে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তার মুখ দিয়ে কীটনাশকের বিষাক্ত ফেনা বের হচ্ছিল। মরদেহের পাশেই একটি কীটনাশকের বোতল পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ভোরের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নানান বিষয় মাথায় রেখে আমরা ঘটনাটি তদন্ত করছি। যারা এ ঘটনার পেছনে আছে বা কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সেই বিষয়টি খুব দ্রুতই আপনাদের জানাতে পারব।’
৭ দিন আগে
নওগাঁয় দম্পতির মরদেহ উদ্ধার, ছেলে হেফাজতে
নওগাঁর মহাদেবপুরে নিজ বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের ছেলেকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— পাহাড়পুর গ্রামের লোকমান মণ্ডল (৫৫) ও তার স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম (৪৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (রবিবার) রাতে খাবার খেয়ে তারা দুজনে ঘুমাতে যান। ভোর ৪টার দিকে নিহতদের ছেলে মুক্তার হোসেন প্রতিবেশীদের খবর দিলে খাটের ওপর তাদের মরদেহ দেখতে পান তারা।
পুলিশ ও স্থানীয়দের দাবি, ছেলে মুক্তার হোসেন নেশা ও অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। নেশার জন্য বাবা-মায়ের কাছে টাকা চাইলে তা দিতে অস্বীকার করলে মুক্তার বিষাক্ত কিছু খাইয়ে এই ঘটনা ঘটাতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহদুটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত কিছু খাবারের মাধ্যমে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
তিনি জানান, নেশা আর অনলাইনে জুয়া খেলার টাকা না পেয়ে ইতোপূর্বে তার ছেলে মুক্তার হোসেন বাবা-মাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যমতে, ছেলের সঙ্গে মা-বাবার আর্থিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
ওসি আরও জানান, এসব তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এটি রহস্যজনক মৃত্যু না হয়ে হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে। এ ঘটনায় মুক্তার হোসেনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
১২ দিন আগে
শাহবাগে পৃথক স্থান থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর শাহবাগ এলাকার তিনটি ফুটপাত থেকে অজ্ঞাত তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১২ জুলাই) তিনটি পৃথক জায়গা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আনন্দবাজার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের সামনের সড়কের ফুটপাত থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, পৃথক তিন স্থানে তিন ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা থানা পুলিশকে খবর দেন।
আজ বেলা ১১টার দিকে দুজনকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। তাদের মধ্যে একজনের বয়স আনুমানিক ৬০ বছর ও অপরজনের বয়স ৫৫ বছর।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের পাশ থেকে অজ্ঞাত (৩৫) আরও এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মৃত তিন ব্যক্তির নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে তারা ভবঘুরে। মরদেহগুলো ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
১২ দিন আগে
জামালপুরে ২৪ ঘণ্টায় পৃথক ঘটনায় স্কুলছাত্রীসহ চারজনের মৃত্যু
জামালপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথক ঘটনায় এক স্কুলছাত্রীসহ চারজনের অপমৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে, একজনকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায়, একজনকে গাছে ঝুলন্ত এবং অপর একজনকে ট্রেনে কাটা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার পাগলাপাড়া গ্রামে পানির ট্যাংকে বিদ্যুতের সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আবু বক্কর (৬০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, নিজ বাড়িতে পানির ট্যাংকের বৈদ্যুতিক লাইনের কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন আবু বক্কর। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, আজ সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার আইরমারী গ্রামে নিজ বাড়ির পাশের একটি কামরাঙা গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মোতালেব সরকার (৫৫) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি মৃত আবদুল হাই সরকারের ছেলে।
ওসি মকবুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
অন্যদিকে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলার চাঁনপুর গ্রামে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে ঐশামনি (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রী। সে এনায়েত করিম ওরফে ইব্রাহিম মাস্টারের মেয়ে।
নারায়ণপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মকবুল হোসেন জানান, ঘটনার আগে ঐশামনি তার মাকে বলেছিল, তার লেখাপড়া ভালো লাগে না। মা তাকে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেন। কিছুক্ষণ পর রান্নাঘর থেকে ফিরে এসে তিনি মেয়েকে ঘরের মধ্যে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা তাকে নামিয়ে মৃত অবস্থায় পান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর আগে, বুধবার রাতে জামালপুর রেলস্টেশনের অদূরে ট্রেনে কাটা পড়ে সুফিয়া বেগম (৬০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। তিনি শহরের ডাকাপাড়া এলাকার আব্দুল আজিজের স্ত্রী।
স্বজনরা জানান, বুধবার মাগরিবের নামাজের পর থেকে সুফিয়া বেগম নিখোঁজ ছিলেন। পরে রেলওয়ে পুলিশের মাধ্যমে তার মরদেহ শনাক্ত করা হয়।
জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, স্থানীয় রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ভুয়াপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় পরে পিবিআইয়ের সহায়তায় আঙুলের ছাপের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।
২২ দিন আগে
নড়াইলে ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর বিল থেকে হুসাইন শেখ (১৩) নামে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন এক সাংবাদিক।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে কালিয়া উপজেলার নওয়াগ্রাম দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিক্ষার্থী স্থানীয় নওয়াগ্রাম দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা শাবু শেখের ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (শনিবার) বিকেলে হুসাইন শেখ তার দুই বন্ধুর সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি বিলে ঘুড়ি ওড়াতে যায়। একপর্যায়ে ঘুড়ির সুতা কেটে গেলে সেটির পেছনে একাই দৌড়ে যায়। দীর্ঘ সময় পার হলেও সে ফিরে না আসায় তার সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু তাকে খুঁজতে শুরু করে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিলের একটি নির্জন স্থানে মাটির মধ্যে মাথা দেবে থাকা অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা। পরে কাছে গিয়ে পা ধরে টেনে তুললে সেটি তাদের নিখোঁজ বন্ধুর মরদেহ বলে শনাক্ত হয়।
এদিকে, আজ (রবিবার) সকালে নিহতের বাড়িতে ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে নিহতের স্বজনদের বাধার সম্মুখীন হন একজন সাংবাদিক। এছাড়া নিউজের জন্য নেওয়া ভিডিও ডিলিট করতে বাধ্য করা হয় তাকে।
স্থানীয়দের দাবি, নিহতের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। তবে তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে নড়াইলের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রবিন হালদার বলেন, নিহতের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৭ দিন আগে
রাজধানীতে আবাসিক হোটেল থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর বংশালের সিদ্দিক বাজারের একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে মো. শামিম হাসনাত (৪৬) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহফুজুল হক।
নিহত শামীম হাসনাতের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার শশেয়দিঘি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ছিলেন।
এ বিষয়ে আবাসিক হোটেলের মালিক মো. আবদুল কাদির জানান, গতকাল (বুধবার) রাত থেকেই তার হোটেলের কক্ষটি বন্ধ ছিল। পরে আজ সকালে হোটেলের ঝাড়ুদার সাহিদা বেগম কক্ষের দরজা ধাক্কা দিলে দরজা খুলে যায়। এ সময় ওই ব্যক্তিকে বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তিনি।। পরে আমরা বিষয়টি স্থানীয় থানা পুলিশকে জানাই।
নিহতের বড় ভাই মোশারফ হোসেন জানান, ‘আমার ছোট ভাই কোনো কাজকর্ম করত না; আমার কাছ থেকে হাতখরচ নিয়ে চলত। প্রায় দশ বছর আগে সে বিয়ে করেছিল, বিয়ের দুই মাসের মধ্যেই অবশ্য তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। সে ইয়াবায় আসক্ত ছিল। এ কারণে আমার বাবা তাকে ২০১৮ সালে বাসা থেকে বের করে দেন। পরে আজকে আমি কর্মস্থলে এসে টেলিফোনে জানতে পারি, আমার ভাই ওই হোটেলে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে।’
পুলিশের এক সূত্র থেকে জানা যায়, অতিরিক্ত মাদক সেবনে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওসি মাহফুজুল হক জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে খবর পেয়ে বংশাল থানাধীন সিদ্দিক বাজার এলাকার ‘ঢাকা প্যালেস’ নামে একটি আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার ১২১ নম্বর কক্ষ থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করি। প্রাথমিক তদন্তে আমরা ঐ ব্যক্তির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাইনি। পরে মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আমরা হোটেলের ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে জানতে পারি, ঈদুল আজহার পর থেকে ওই হোটেলেই ভাড়া থাকতেন শামীম হাসনাত। তবে তিনি ঠিক কী কাজ করতেন, সে বিষয়ে এখনও আমরা জানতে পারিনি।
২৯ দিন আগে
ফরিদপুরে হাত-পা কাটা অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় হাত-পা কাটা অবস্থায় পান্নু ফকির ওরফে জামু রহমান ফকির (৩৮) নামে এক ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে উপজেলার যদুনন্দী মৌজার একটি সড়ক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পান্নু ফকির উপজেলার কুমারকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (বুধবার) গভীর রাতে সালথা বাজার এলাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হাতে তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন বলে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যার পর মরদেহটি উপজেলার যদুনন্দী মৌজার একটি সড়কের ওপর ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে স্থানীয় লোকজন সড়কে মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনই নিশ্চিত কিছু বলতে রাজি হয়নি পুলিশ।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে নগরকান্দা-সালথা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আল ফাহাদ বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পাটখেতের ভেতরে তাকে হত্যার পর মরদেহ রাস্তার ওপর ফেলে রাখা হয়। মরদেহের শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা সম্ভব হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
৩০ দিন আগে
চট্টগ্রামে অপহৃত সেই শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫
চট্টগ্রামের পটিয়ায় অপহরণ হওয়া শিশু জায়ানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহজনক পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ গোবিন্দারখীল গ্রামের পূর্ব পাড়া এলাকার একটি ময়লার ভাগাড় থেকে ডিবি পুলিশ ও থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন— মো. সাইফুল, শাহানুর, নিহা, নিহান ও ওয়াসিফা। গ্রেপ্তারদের বসতঘরের পেছনে ময়লার ভাগাড় থেকে জায়ানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনার বিচার দাবি করে দুপুরের দিকে পটিয়া থানার সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির সামনের রাস্তায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় ৫ বছরের শিশু জায়ান। পরে শিশুটির শয়নকক্ষের বিছানায় একটি হাতে লেখা চিঠি পাওয়া যায়। ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ না দিলে শিশুটিকে হত্যা করা হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ্ করা হয়।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, ভোরে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুপুরের দিকে পটিয়া থানার সামনে বিক্ষোভ মিছিল করে নিহত শিশুর স্বজনসহ স্থানীয়রা।
এ ঘটনার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
৩৭ দিন আগে
ঝিনাইদহে পাঁচ মাসে ২১ মরদেহ উদ্ধার, নেপথ্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিরোধ
ঝিনাইদহ জেলায় গত পাঁচ মাসে খুনসহ অন্তত ২১ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার মরদেহগুলোর মধ্যে ১৩টি হত্যাকাণ্ড বলে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাকি ৮টি ঝুলন্ত বা রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা বলে পুলিশি তদন্তে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত পাঁচ মাসে জেলায় যে ১৩টি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে, তার মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের বুলবুলি, পাগলাকানাই এলাকার খুশি খাতুন, মহেশপুর উপজেলার ঘোষপুর গ্রামের জোহরা আক্তার এবং কালীগঞ্জ উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামের শিশু তাবাসসুমকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জেলাজুড়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের পেছনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতা থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিরোধের চরম রূপ দেখা গেছে।
হরিণাকুণ্ডু উপজেলার হরিশপুর গ্রামে মোটরসাইকেলের হর্ন বাজানো নিয়ে বিরোধের জেরে দেলোয়ার নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। শৈলকুপার মাধবপুর গ্রামে সামাজিক বিরোধে নিহত হন মোহন শেখ। মহেশপুরের পলিয়ানপুর এলাকায় ইছামতি নদী থেকে আফগান নাগরিক হাসমত মোহাম্মদী ও রতিকান্ত জয়ধরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা পরে হত্যাকাণ্ড বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
এছাড়া হরিণাকুণ্ডুর কুল্ল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামে বিএনপি কর্মী আবুল কাশেম ও সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে বিএনপি নেতা তরু মুন্সিকে হত্যা করা হয়েছে। জেলা শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার তাজ ফিলিং স্টেশনে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা নীরবকে। এ ছাড়াও হরিণাকুণ্ডুর দৌলতপুর গ্রামে ভ্যানচালক জসিম এবং শৈলকুপার জয়ন্তিনগর গ্রামে কেসমত আলীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
১৩টি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ ছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আরও ৮টি মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, এসব মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই ৮টি মৃত্যুর পেছনে আত্মহত্যার আলামত পাওয়া গেছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। পারিবারিক অশান্তি ও মানসিক অবসাদই এসব আত্মহত্যার প্রধান কারণ বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঝিনাইদহের সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সাবেক সভাপতি সায়েদুল আলমের মতে, ঝিনাইদহে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির পেছনে মূলত রাজনৈতিক ও সামাজিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াই কাজ করছে। বিশেষ করে শৈলকুপা, হরিণাকুণ্ডু ও সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দলাদলি ও আধিপত্যের জেরে এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। এছাড়া পারিবারিক কলহ ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে বিভিন্ন হত্যার ঘটনা ঘটছে, যার শিকার হচ্ছেন নারী ও শিশুরা।
এ বিষয়ে জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন আজ (সোমবার) দুপুরে জানান, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে এবং আসামিদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। দুইটি রাজনৈতিক হত্যা মামলার আসামিরা গ্রেপ্তার হয়েছেন, আবার অনেকেই আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। জেলায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধীদের দমনে পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
৪৬ দিন আগে
নাটোরে পুকুর থেকে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ব্রহ্মপুর হাজীপাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে মিলন প্রাং (৪৫) নামে নিখোঁজ এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৯ মে) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্রহ্মপুর হাজীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মিলন প্রাং গত বুধবার (২৭ মে) বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি।
পরদিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে বাড়ির পাশের কালামের পুকুরপাড়ে তার ব্যবহৃত জামা ও জুতা পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের লোকজন সেগুলো বাড়িতে নিয়ে যান। আজ (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ওই পুকুরে একটি ভাসমান মরদেহ দেখতে পান তার স্ত্রী শাবানা খাতুন। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে মিলনের মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে নলডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, মিলন প্রাং দীর্ঘদিন ধরে মদ্যপানে আসক্ত ছিলেন এবং মাঝেমধ্যে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যেতেন।
তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষে জানা যাবে জানিয়েছেন নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) নুরে আলম বলেছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
৫৭ দিন আগে