মরদেহ উদ্ধার
ধানমন্ডি লেক থেকে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের লেকের পাড়ে আবেশ অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের ৭ নম্বর শাখার পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
মৃত ব্যক্তির নাম মো জাভেদ আহম্মেদ (৫১)। তিনি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকে বসবাস করতেন।
ধানমন্ডি থানা পুলিশ জানায়, সকালে মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে মরদেহের পকেটে একটি এনআইডি কার্ড খুঁজে পায়। পরে নিহতের পরিবারকে খবর দিলে তার স্ত্রী শাহানা জাবিন খান তার মরদেহ শনাক্ত করেন।
শাহানা পুলিশকে জানিয়েছেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন বেকার ছিলেন এবং আর্থিক সংকটের কারণে বিপর্যস্ত ছিলেন।
তবে কীভাবে তিনি ওই লেকে গিয়ে মারা গেলেন বা তার আর্থিক সংকট এই মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কিনা, সেসব বিষয়ে প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।
ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গফুরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
তবে জাভেদ আহম্মেদের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
২ দিন আগে
খুলনায় হোটেল কক্ষ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১
খুলনা নগরীর আবাসিক হোটলের কক্ষ থেকে সোহেল রানা ওরফে বাবু নামের এক যুবককের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের কথিত স্ত্রী ফাতেমাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সদর থানার খানজাহান আলী রোডের কপোতাক্ষ আবাসিক হোটেলের দ্বিতীয় তলার ১০ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত যুবক লবণচরা থানার হরিণটানা অটোস্টান্ড রোডের লোকমান ফকিরের ছেলে।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গেল শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাবু ও ফাতেমা স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেলে অবস্থান করেন। তাদের উভয়ের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বাবুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন ফাতেমা। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বাবুর মরদেহ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। অন্যদিকে, ফাতেমাকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন রিপন বলেন, বাবুর আরেকজন স্ত্রী রয়েছেন। তিনি ঢাকায় থাকেন। তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না বাবুর। ফাতেমার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। ফলে ফাতেমা তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
তিনি আরও বলেন, গতকাল (রবিবার) রাতে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বাবুর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেছে বলে ফাতেমা প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এরই জেরে তাকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান ওসি।
৩ দিন আগে
ন্যাম ভবন থেকে এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীতে একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর এলাকার ন্যাম ভবন থেকে মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ন্যাম ভবন এলাকার ৫ নম্বর ভবনে যায়। এ সময় তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরিয়মের মরদেহ দেখা যায়।
ওসি জানান, ঘটনাস্থলে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দল এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিটের সদস্যরা পৌঁছেছেন।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ দরজা ভেঙে ফ্ল্যাটে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। মরিয়ম কখন আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ওসি মনির।
৪ দিন আগে
কুবি শিক্ষিকার নিখোঁজ ছেলের মরদেহ উদ্ধার
মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিখোঁজের পরদিন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অপ্রতিম বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (শুক্রবার) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে ওই দিন সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।
সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ পাওয়া গেছে। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
এদিকে, অপ্রতিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
৫ দিন আগে
বরিশালে যাত্রীবাহী বাস পুকুরে, একজনের মরদেহ উদ্ধার
বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কের গড়িয়ারপাড় এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের পুকুরে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় আব্দুল মালেক (৫৫) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় একাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল মালেক বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী হাই স্কুল-সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা।
বরিশাল বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, বাসটি যাত্রী নিয়ে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি থেকে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদের দিকে যাচ্ছিল। পথে গড়িয়ারপাড় এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়।
তিনি বলেন, স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাসের অনেক যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর আহতদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি উদ্ধারের কাজ শুরু করেছেন বলে জানান ওসি।
৫ দিন আগে
নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার
পাবনা সদর উপজেলায় নিখোঁজের ৭ দিন পর কামরুন্নাহার কলি (১০) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার মরদেহটি বস্তার ভেতরে টুকরো টুকরো অবস্থায় ছিল।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত কামরুন্নাহার কলি উপজেলার দোগাছী কুলোনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে। সে কুলুনিয়া আল ফালাহ অ্যাকাডেমির তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন আশপাশের এলাকার অসংখ্য মানুষ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে স্থানীয় শ্রীপুর বাজারে যায় কলি। বাজার শেষে বাবার সঙ্গে বাড়িতে ফিরে বাজারের ব্যাগ মায়ের হাতে দিয়ে বাড়ির পাশে চলে যায় সে। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে শিশুটির পরিহিত স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে শিশুটির বাবা পাবনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান চেয়ে প্রচার চালানো হয়। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পাবনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন নিহতের স্বজন ও সহপাঠীরা।
এর এক দিন পর আজ (বুধবার) সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি কলির বলেই শনাক্ত করেন তার স্বজনরা।
স্থানীয়দের ধারণা, তাকে হত্যা করে টুকরো টুকরো করে বন্তায় বন্দি করে এই ডোবায় ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, কলি নিখোঁজ হওয়ার পর তারা পুলিশকে বেশ কিছু তথ্য ও সম্ভাব্য ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে সেগুলো নিয়ে যথাযথভাবে তদন্ত করা হয়নি। তাদের ধারণা, স্থানীয় কেউ এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে শিশুর পরিবারের সঙ্গে এলাকার কারও কোনো পূর্ববিরোধ ছিল না বলেও জানান তারা।
শিশুটির বাবা কামাল প্রামাণিক বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকেই আমরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও পাইনি।
তিনি বলেন, আমার মেয়েকে কারা হত্যা করেছে, কারা আমাদের এত বড় সর্বনাশ করল তা জানতে চাই। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, এমনকি ফাঁসি দিতে হবে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, একটি শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কীভাবে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, এসব বিষয় তদন্ত করছে পুলিশ। খুব শিগগিরই হত্যার রহস্য ও কারা জড়িত তা উদঘাটন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ওসি।
৮ দিন আগে
রাজধানীতে ভাড়া বাসা থেকে আইনজীবীর অর্ধগলিত দেহ উদ্ধার
রাজধানীর লালবাগে ভাড়া বাসা থেকে মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন নামের এক আইনজীবীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুই থেকে তিন দিন আগে স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লালবাগ থানার শহীদনগরের বউবাজার ৩ নম্বর গলির ১০/১ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, পাশের কক্ষের এক ভাড়াটিয়া আনোয়ার হোসেনকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনি কার্যক্রম শুরু করে। এ সময় সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জজ কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের অ্যানেক্স ভবনের প্রথম তলার ২১৪ নম্বর কক্ষে তার চেম্বার। তিনি ওই বাসায় একাই থাকতেন। তার পরিবার গ্রামে থাকে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।
লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জামিল হোসেন বলেন, আনোয়ার হোসেন জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট ছিলেন এবং ওই বাসায় ব্যাচেলর হিসেবে থাকতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহটি দুই থেকে তিন দিন আগের হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আনোয়ারের ড্রাইভিং লাইসেন্স পুলিশের কাছে রয়েছে। সেটি যাচাই করে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।
মরদেহের সুরতহালসহ প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম চলছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
১২ দিন আগে
মধুখালীতে তিন বস্তায় যুবকের ছয় টুকরো অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুরের মধুখালীতে ধানখেতের পাশ থেকে তিনটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরা এক অজ্ঞাতনামা যুবকের ছয় টুকরো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের বোয়ালিয়া স্ট্যান্ডসংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালিয়া স্ট্যান্ড থেকে প্রায় ২০০ গজ সামনে ফরিদপুরগামী সড়কের ডান পাশে লাভলু মল্লিক ও ইসহাক মিয়ার ধানখেতের পাশে একটি তালগাছের গোড়ায় তিনটি মুখ বাঁধা প্লাস্টিকের বস্তা দেখতে পান স্থানীয় পথচারীরা। বস্তাগুলো পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হলে তারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এবং মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বস্তাগুলোর মুখ খুললে সেগুলোর ভেতর থেকে আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহের ছয়টি বিচ্ছিন্ন অংশ পাওয়া যায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদুজ্জামান জানান, উদ্ধার করা মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিচয় শনাক্ত না হলে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফনের জন্য আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১২ দিন আগে
আশুলিয়ায় স্বামী-স্ত্রী ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
সাভারের আশুলিয়ায় মধ্য জামগড়া এলাকার একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে স্বামী, স্ত্রী ও তাদের সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য সেগুলো ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, মধ্য গাজীরচট এলাকায় হাজী হযরত আলীর চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে ওই পরিবারটি বসবাস করছিল। গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা এক পুরুষ, এক নারী ও সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত পুরুষের গলায় গামছা পেঁচানো ছিল। এ কারণে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই কক্ষের দরজা-জানালা সবসময় বন্ধ থাকত। স্বামী-স্ত্রী সেখানে নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। শুক্রবার কক্ষটি থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।
এদিকে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। পুলিশের কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে।
১৯ দিন আগে
গাজীপুরে এক দিনে পাঁচ মরদেহ উদ্ধার
গাজীপুরে এক দিনে পৃথক ঘটনায় পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে কাপাসিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিলয় সরকার নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। কালিয়াকৈরে জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ।
এছাড়া নিখোঁজের পর কাপাসিয়ায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে পাঁচ বছরের শিশু এবং কালিয়াকৈরে বংশাই নদী থেকে ছয় বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই দিন মৌচাক রেলস্টেশন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক বাক্প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে কাপাসিয়া ও কালিয়াকৈর উপজেলার পৃথক স্থান থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পৃথক ঘটনাগুলো ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ প্রতিটি ঘটনার পৃথক তদন্ত করছে।
ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কাপাসিয়ার পাবুর দক্ষিণপাড়া বলখেলা বাজার এলাকায় গরুর ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে চাচাতো ভাই রাসেলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে নিলয় সরকারকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
নিহত নিলয় ওই এলাকার মনির সরকারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার বেলা ১১টার দিকে বাজারে ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে নিলয় ও রাসেলের মধ্যে বিরোধ হয়। পরে নিলয় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাসেল তার ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুর রশিদ এতিমখানার পাশে পাকা সড়কে পৌঁছালে রাসেল ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিলয়ের মাথায় কোপ দেন। গুরুতর আহত হয়ে নিলয় সড়কে পড়ে গেলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমেদ বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত রাসেল পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
জঙ্গলে ঝুলছিল অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ
আজ দুপুরে কালিয়াকৈর উপজেলার গলাচিপা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয়রা জঙ্গলের ভেতরে একটি গাছের সঙ্গে মরদেহটি ঝুলতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
কালিয়াকৈর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
নিখোঁজের তিন দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
কাপাসিয়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে পাঁচ বছরের শিশু জাহিদ হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার সকাল ৮টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে ব্রহ্মপুত্র নদের একটি ঘাটে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জাহিদ হাসান কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়া ইউনিয়নের খিরাটি গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে ছিল।
বংশাই নদীতে শিশুর মরদেহ
কালিয়াকৈরে বংশাই নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর ছয় বছরের শিশু সাথী আক্তারের মরদেহ ভেসে উঠেছে।
গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড়ইতলী এলাকায় নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয় সাথী। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল বিকেল ৫টা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও তার সন্ধান পায়নি। পরে আজ শনিবার সকালে নদীতে মরদেহ ভেসে ওঠে।
কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আলমগীর কবির জানান, শুক্রবার দিনভর তল্লাশি চালিয়েও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। আজ সকালে মরদেহ ভেসে ওঠার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান।
ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
এদিকে, গাজীপুরের মৌচাক রেলস্টেশন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে আবু বকর নামে এক বাক্প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে জয়দেবপুর-ঢাকা রেলসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফারুক আহমেদ জানান, নিহতের বাড়ি রেলস্টেশন এলাকায়। পরিবারের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেছেন।
২৬ দিন আগে