মরদেহ উদ্ধার
বীরগঞ্জে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থেকে আব্দুল জলিল (২৭) নামক নিখোঁজ হওয়া এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। তার মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার সময় খবর পেয়ে নিহতের বাড়ির পাশের ভুট্টাখেত থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করে স্থানীয় থানা পুলিশ।
আব্দুল জলিল বীরগঞ্জের ৬ নম্বর নিজপাড়া দামাইক্ষেত্র প্রামাণিক পাড়ার দুলাল মিয়ার ছেলে ছিলেন।
বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, গতকাল (রবিবার) রাতে হাবলুহাট বাজার থেকে বাড়ি ফিরে রাতের খাবার শেষ করে পাশের একটি বাজারে গিয়েছিলেন আব্দুল জলিল। বাজার থেকে ফিরে ঘরে শুয়েছিলেন তিনি। পরে ঘরে গিয়ে তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার স্বজনরা। কয়েক ঘন্টা ধরে তল্লাশি চালানোর একপর্যায়ে বাড়ির পাশেই ভুট্টাখেতের আইলে জলিলের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান তার চাচাতো ভাই আইনুল এবং প্রতিবেশী বেলাল।
বীরগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাওন কুমার সরকার জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখযোগ্য কোনো আলামত চোখে পড়েনি তাদের। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহটি উদ্ধার করে আজ (সোমবার) দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ মর্গে প্রেরণ করেছেন তারা।
৭ দিন আগে
সিলেটে আবাসিক হোটেল থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
সিলেটের একটি আবাসিক হোটেল থেকে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে কোতোয়ালী থানাপুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত ব্যবসায়ীর নাম মোফাজ্জল হক সৌরভ (৩২)। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কসবা গ্রামের বাসিন্দা সৌরভ সিলেট নগরীর লামাবাজারের ‘তন্বী কিচেন’ নামে একটি হোটেলের মালিক ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সৌরভ নগরীর ধোপাদিঘীর উত্তরপাড়ের ‘রিল্যাক্স ইন’ নামের একটি আবাসিক হোটেলের পঞ্চম তলার একটি কক্ষে থাকতেন। ওই হোটেলের কর্মচারীরা গতকাল (রবিবার) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাঈনুল জাকির জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৪ দিন আগে
ভাটারায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, পাশে পড়েছিল একাধিক মদের বোতল
রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ষষ্ঠ তলার একটি ফ্লাটের কক্ষ থেকে আনিপা নিন্দিয়া (২৫) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৯ মার্চ) সকালের দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত আনিপা চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার একলাসপুর গ্রামের আশফাক ভূঁইয়ার মেয়ে। বর্তমানে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। তিনি লালমাটিয়া মহিলা কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
আনিপার ছোট ভাই আকিল ভূঁইয়া বলেন, গতরাতে বাসায় ফিরে আমার আপুর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা জোরে ধাক্কা দিয়ে দেখি, ও অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছে। পরে আমি বিষয়টি থানা পুলিশকে জানাই।
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রায়হানুল ইসলাম জানান, গতরাতে খবর পেয়ে ওই বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করি। এ সময় ওই নারীর আশপাশে বেশ কয়েকটি খালি মদের বোতল পাই। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবুও মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে মরদহ ময়নাতদন্তের জন্য আজ সকালে ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
১৫ দিন আগে
দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুর রহমান।
বাসডুবির ঘটনায় ডুবুরি দল ২১ জনের মরদেহ উদ্ধার করে। তার আগে, দুজনকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ নিয়ে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
এখন পর্যন্ত যে ২৩ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে, তারা হলেন— রাজবাড়ী পৌরসভার লালমিয়া সড়ক ভবানীপুর এলাকার মৃত ইসমাঈল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬১) ও ছেলে আহনাফ তাহমিদ খান (২৫), কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ড মজমপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৫৬), কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাগড়বাড়ীয়া গ্রামের হিমাংশু বিশ্বাসের ছেলে রাজীব বিশ্বাস (২৮), রাজবাড়ী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সজ্জনকান্দা গ্রামের মৃত আব্দুল আলীমের মেয়ে জহুরা অন্তি (২৭) এবং একই মহল্লার কাজী মুকুলের ছেলে কাজী সাইফ (৩০), গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের চর বারকিপাড়া গ্রামের রেজাউল করিমের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (৩২) ও তার মেয়ে সাফিয়া আক্তার রিন্থি (১২), কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার ধুশুন্দু গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইস্রাফিল (৩), রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের সন্তান ফাইজ শাহানূর (১১) এবং একই উপজেলার মহেন্দপুর ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামের আব্দুল আজিজের স্ত্রী নাজমিরা ওরফে জেসমিন (৩০), রতনদিয়া ইউনিয়নের মহেন্দপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে আব্দুর রহমান (৬), রাজবাড়ী পৌরসভার সজ্জনকান্দা মহল্লার কেবিএম মুসাব্বিরের ছেলে তাজবিদ (৭), বালিয়াকান্দি উপজেলার পশ্চিম খালখোলা গ্রামের আরব খানের ছেলে বাসচালক আরমান খান (৩১), সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের সোবাহান মন্ডলের মেয়ে লিমা আক্তার (২৬), একই ইউনিয়নের চর বেনিনগর গ্রামের মান্নান মন্ডলের স্ত্রী জোস্না (৩৫) এবং সদর উপজেলার দাদশি ইউনিয়নের আগমারাই গ্রামের শরিফুল ইসলামের শিশু সন্তান সাবিত হাসান (৮); গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের নোয়াধা গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে মুক্তা খানম (৩৮), দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মথুয়ারাই গ্রামের মৃত নূর ইসলামের স্ত্রী নাছিমা (৪০), ঢাকার আশুলিয়া উপজেলার বাগধুনিয়া পালপাড়া গ্রামের মো. নুরুজ্জামানের স্ত্রী আয়েশা আক্তার সুমা (৩০), রাজবাড়ী পৌরসভার সোহেল মোল্লার মেয়ে সোহা আক্তার (১১), কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার সমসপুর ইউনিয়নের গিয়াস উদ্দিন রিপনের মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা (১৩) এবং ঝিনাইদহর শৈলকুপা উপজেলার কাচেরকোল ইউনিয়নের খন্দকবাড়িয়া গ্রামের নুরুজ্জামানের শিশুসন্তান আরমান (৭ মাস)।
এদের মধ্যে ২১ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাসচালক আরমান খান এবং দিনাজপুরের নাছিমা (৪০) নামের নারীর মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুর রহমান।
১৮ দিন আগে
ঢামেক হাসপাতালের পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের মসজিদের পাশ থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নিহতের বয়স আনুমানিক ৪০ বছর।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আজিম জানান, আজ সকালে খবর পেয়ে নতুন ভবনের নুর মসজিদের পাশে অচেতন অবস্থায় ওই যুবককে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে কয়েকজন ট্রলিম্যানের সহায়তায় তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক জানান তিনি আর বেঁচে নেই।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকদের জিজ্ঞেস করে ওই যুবকের নাম পরিচয় জানা যায়নি। তাই প্রযুক্তির সহায়তায় তার নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৯ দিন আগে
খুলনায় নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
খুলনায় নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর সাড়ে ৪ বছরের শিশু জান্নাতুল মাওয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৩ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে হরিণটানা গেট-সংলগ্ন একটি ফাঁকাস্থান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শিশুটি নগরীর লবনচরা থানাধীন রায়পাড়া কালভার্ট এলাকার বাসিন্দা শাহাজালালের মেয়ে ছিল।
পুলিশ জানায়, সোমবার দুপুরে শিশুটি বাবা-মায়ের সঙ্গে ছোট মামার বিয়ের দাওয়াত খেতে সাচিবুনিয়া মোহাম্মাদপুর এলাকায় যায়। সেখানে পরিচিত এক ব্যক্তি তাকে আইসক্রিম খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে নেন। এর মধ্যে মেয়ের ফিরে আসতে দেরি দেখে তার মা তাকে ফোন দেন। তখন বিপরীত থেকে তাকে জানানো হয়, মাওয়া আইসক্রিম খাচ্ছে; ওর যেতে দেরি হবে। এরপর থেকে পরিচিত ওই ব্যক্তির ফোন বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশ আরও জানায়, দুপুরের পর থেকে মাওয়াকে ফিরে পেতে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করতে থাকেন, কিন্তু না পেয়ে তার বাবা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর রাত ২টার দিকে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে হরিণটানা গেটসংলগ্ন একটি ফাঁকা স্থান থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
লবনচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তুহিনুজ্জামান বলেন, মরদেহের পাশে একটি দড়ি ছিল। সেটি দিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
২০ দিন আগে
বান্দরবানের পাহাড়ি খাদ থেকে মা মেয়ের লাশ উদ্ধার
বান্দরবানে পাহাড়ি খাদের ১৫০ ফুট গভীর থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে জেলা শহরের মেঘলা লালমোহন বাগান তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ার গহীন এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— মা রমেসিং মার্মা (৩০) ও মেয়ে বৃষ্টি মার্মা (৪)। তাদের বাড়ী মেঘলার কানাপাড়া এলাকায়। তবে এটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা, না কি খুন, সে বিষয়ে এখনও জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাত থেকে রমেসিং মার্মা ও তার মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না স্বজনেরা। অনেক খোঁজাখুজির পর বৃহস্পতিবার দুপুরে গহীন এলাকার দেড়শ ফুট পাহাড়ের নিচে মা-মেয়েকে পড়ে থাকতে দেখতে পান স্থানীয়রা। এরপর বিষয়টি পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থল থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) সার্কেল মান্না দে বলেন, ঘটনাটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা, না কি খুন, তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
২৫ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে মিলল নবজাতকের মরদেহ
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পুকুর থেকে এক নবজাতকের ( মেয়ে শিশু) বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের খাগড়বাড়িয়া গ্রামের আজিজুর রহমানের পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাছ ধরতে গিয়ে স্থানীয় ছেলেরা পুকুরে একটি বস্তা পান। পরে তা উপরে তুলে দেখা যায় একটি নবজাতক শিশুর মরদেহ। শিশুটির ওজন প্রায় দুই কেজি হলেও তার বাবা-মায়ের পরিচয় জানা যায়নি। এতে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে একনজর মরদেহটি দেখতে ছুটে আসেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে পান্টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ আলী বাদল জানান, সড়কের ধারেই আজিজুরের বড় পুকুর রয়েছে। সেখানে কয়েকজন হাত দিয়ে মাছ ধরছিল। এ সময় এক ছেলের হাতে একটি বস্তা উঠে আসে। তখন তারা ভেবেছিল বস্তায় মাছ আছে। কিন্তু বস্তার মুখ খুলে দেখা যায় একটি মেয়ে নবজাতকের মরদেহ। এ খবর মুহূর্তেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ভিড় করেন।
বাদলের ভাষ্য, কেউ হয়তো শিশুটিকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে গেছেন। শিশুটির ওজন প্রায় দুই কেজি। তবে বাবা-মায়ের পরিচয় জানা যায়নি।
ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, স্থানীয়রা মাছ ধরতে গিয়ে পুকুর থেকে এক মেয়ে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২৫ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেপটিক ট্যাংক থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক
চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে নাসিমা বেগম নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্বামীকে আটক করেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের রাণীনগর-হঠাৎপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাসিমা বেগম (৩৬) ওই গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী।
চাাঁইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এ সময় নিহতের স্বামীকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিজানুর স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ।
তিনি আরও জানান, পারিবারিক কলহের জেরে গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে বাড়ির ভেতরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নাসিমা বেগমকে হত্যা করে মিজানুর। পরে তার মরদেহ বাড়ির বাইরে এনে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়।
মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
৩৩ দিন আগে
রাজধানীতে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
ঢাকার শ্যামপুর থানার মীরহাজীরবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে লাকি আক্তার (১৭) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী সজীব পলাতক রয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মীরহাজীরবাগের বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহত লাকির বাড়ি ভোলার সদর থানার রতনপুর গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মো. হারুনের মেয়ে। বর্তমানে শ্যামপুর থানার মীর হাজারীবাগে স্বামীর সঙ্গে থাকতেন তিনি।
শ্যামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিকেলে খবর পেয়ে ওই বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ঘরের মেঝেতে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে ছিল।
প্রতিবেশীদের বরাতে পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, স্বামী সজিবের সঙ্গে ওই বাসায় দেড় মাস যাবত ভাড়া থাকতেন লাকি। সোমবার রাতে তাদের ঘরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রচুর ঝগড়ার আওয়াজ পাওয়া যায়। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি ওই বাসায়। ঘরে দরজাও বাইরে থেকে বন্ধ পাওয়া যায়। একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা দরজার ফাঁক দিয়ে দেখতে পান, লাকি মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। এরপর তারা থানায় খবর দেন।
সোমবার রাতের কোনো এক সময় সজিব তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে ঘরেই মরদেহ রেখে পালিয়ে যান বলে ধারণা পুলিশের। সজিবকে গ্রেপ্তার করা গেলে ঘটনার বিষয়ে জানা যাবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৪০ দিন আগে