মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীতে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
ঢাকার শ্যামপুর থানার মীরহাজীরবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে লাকি আক্তার (১৭) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী সজীব পলাতক রয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মীরহাজীরবাগের বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহত লাকির বাড়ি ভোলার সদর থানার রতনপুর গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মো. হারুনের মেয়ে। বর্তমানে শ্যামপুর থানার মীর হাজারীবাগে স্বামীর সঙ্গে থাকতেন তিনি।
শ্যামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিকেলে খবর পেয়ে ওই বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ঘরের মেঝেতে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে ছিল।
প্রতিবেশীদের বরাতে পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, স্বামী সজিবের সঙ্গে ওই বাসায় দেড় মাস যাবত ভাড়া থাকতেন লাকি। সোমবার রাতে তাদের ঘরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রচুর ঝগড়ার আওয়াজ পাওয়া যায়। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি ওই বাসায়। ঘরে দরজাও বাইরে থেকে বন্ধ পাওয়া যায়। একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা দরজার ফাঁক দিয়ে দেখতে পান, লাকি মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। এরপর তারা থানায় খবর দেন।
সোমবার রাতের কোনো এক সময় সজিব তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে ঘরেই মরদেহ রেখে পালিয়ে যান বলে ধারণা পুলিশের। সজিবকে গ্রেপ্তার করা গেলে ঘটনার বিষয়ে জানা যাবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৩ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুরে পৃথক স্থান থেকে দুই মরদেহ উদ্ধার
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সায়েলা পারভীন (৩৩) নামের এক নারীর এবং খানসামায় শফিকুল ইসলাম নামের এক রিকশাচালকের গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। তবে দুজনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে কালাইচড়া গ্রাম থেকে পারভীনের এবং দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মুন্সিপাড়া মহল্লায় শফিকুল ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ পৃথকভাবে উদ্ধার করে পুলিশ।
খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাছেদ জানান, মুন্সিপাড়া মহল্লায় শয়নকক্ষের বাঁশের আড়ায় রিকশাচালক শফিকুল ইসলামকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার স্বজনরা। তিনি ঢাকায় রিকশা চালাতেন। দুই সন্তানের জনক ছিলেন তিনি।
পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরও জানান, বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের ভার ছিল তার কাঁধে। এ কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা তার পরিবারের।
অন্যদিকে, নবাবগঞ্জের কালাইচড়া গ্রামের বাবার বাড়ির বসতঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় সায়েলা পারভীন মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ।
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান জানান, স্বামী পরিত্যক্ত সায়লা পারভীন ৬-৭ বছর ধরে বাবার বাড়ীতে আশ্রিত ছিল। আজ (বুধবার) সকালে তার গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৬ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় গড়াই নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার
কুষ্টিয়ায় গড়াই নদী থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে শহরতলীর মঙ্গলবাড়ীয়া বাঁধ এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এটি উদ্ধার করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
ঈশ্বরদী নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শফিকুল ইসলাম জানান, মরদেহটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য এটি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যার রহস্য জানা যাবে।
১১ দিন আগে
জাতীয় প্রেসক্লাবের বাথরুম থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর তোপখানা রোডে অবস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবের বাথরুম থেকে এক সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে শাহবাগ থানার ঢাকা মেট্রোপলিট্রন পুলিশ (ডিএমপি)।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯ টার দিকে বাথরুমের দরজা খুলে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত সাংবাদিকের নাম আলী মাসুদ। তিনি দৈনিক দিনকালের সাংবাদিক ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আজ (মঙ্গলবার) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফোন দিয়ে বিষয়টি জানান। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে ওয়াশরুমের দরজা খুলে ওই সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা তিনি স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেছেন। মরদেহ এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
২২ দিন আগে
রাবির নারী শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজকর্ম বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসংলগ্ন মেহেরচণ্ডীর একটি বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।
নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম জোবাইদা ইসলাম ইতি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন জোবাইদা। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে প্রক্টর মাহবুবুর রহমান বলেন, রাবির পার্শ্ববর্তী এলাকা মেহেরচণ্ডীর একটি বাসা থেকে ইতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাকে রামেকে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যার পর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই নারী শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে কি না এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
৩২ দিন আগে
নরসিংদীতে নিখোঁজের তিন দিন পর পোল্ট্রি খামারির মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীর বেলাবোতে নিখোঁজের তিন দিন পর আজীমূল কাদের ভূঁইয়া (৪৫) নামে এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার নাগের বাজার এলাকার একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আজিমুল কাদের ভূঁইয়া বাজনাব ইউনিয়নের বাঘবের গ্রামের মৃত মান্নান ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বেলবো উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি নিজ এলাকার নিজের পোল্ট্রি খামার থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজের পর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে পরদিন বুধবার বেলাবো থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয়রা এলাকার একটি ডোবায় মরদেহ দেখতে পেয়ে বেলাব থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৫ দিন আগে আজীমূল তার পোল্ট্রি খামারে কাজ করার জন্য দুইজন শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছিলেন। আজীমূলের নিখোঁজের পর থেকেই ওই দুই শ্রমিককেও খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের একজনের নাম রুবেল হলেও অপরজনের নাম-পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
বেলাব থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নাসির উদ্দিন বলেন, জিডি করার পর পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে তৎপরতা শুরু করে। পরে রাতে খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
৩২ দিন আগে
পটুয়াখালীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার
পটুয়াখালীর ২ নং বাধঘাট এলাকায় চার দিন নিখোঁজ থাকার পর পিয়ারা বেগম (৬৯) নামে এক বৃদ্ধার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে নিহতের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা বলেন, পিয়ারা তিন মেয়ে ও দুই ছেলের সঙ্গে একই বাড়িতে বাস করতেন। গত বুধবার তিনি নিখোঁজ হন। পরেরদিন (বৃহস্পতিবার) তার ছেলে সুমন পটুয়াখালী সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
স্থানীয়রা খালে একটি বস্তা ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান ওসি।
৩৮ দিন আগে
নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর সুগন্ধা নদীর পাড় থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠি পৌরসভার নতুন চর এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৮ ঘণ্টা পর এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম নিলুফা বেগম (৬২)।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে সুগন্ধা নদীর পাড়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল (সোমবার) রাত ১০টার দিকে নিলুফা বেগম নতুন চর এলাকা থেকে নিখোঁজ হন।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, তার সঙ্গে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোন হারিয়ে গেছে। তার স্বর্ণের নাকফুল ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করছেন তারা, কারণ তার নাক রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল।
ঝালকাঠি সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টির তদন্ত চলছে এবং আইনগত প্রক্রিয়াও চলমান আছে বলে জানান তিনি।
৪৩ দিন আগে
আত্রাই নদী থেকে উদ্ধার ২ মরদেহের পরিচয় শনাক্ত, হত্যার কারণ এখনও অজানা
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের আত্রাই নদী থেকে গতকাল (সোমবার) উদ্ধার হওয়া দুই যুবকের মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে তাদের হত্যার রহস্য এখনও উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।
নিহত দুই যুবকের একজন হলেন মোহাম্মদ রাসেল মিয়া (২৫)। তিনি উপশহরের ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ড এলাকার সাইদুল ইসলামের ছেলে। অপরজন নিমনগর দক্ষিণ বালুবাড়ী লাইন পাড়ের বাসিন্দা মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে আল আমিন (২৮)। তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
সোমবার (১২ জানিয়ারি) চিরিরবন্দরের ভিয়াইল ইউনিয়নের বানিয়াখাড়ি দোল্লা গ্রামের লক্ষ্মীতলা সেতুর কাছে আত্রাই নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।
চিরিরবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আহসান হাবিব জানান, মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির একটি বিশেষ টিম কাজ করেছিল। তাদের আঙুলের ছাপের মাধ্যমেও পরিচয় বের করতে পারেনি সিআইডি। পরে বিকেলে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ (দিমেক) হাসপাতালের মর্গে পরণের কাপড় দেখে তাদের শনাক্ত করেন স্বজনেরা।
পরিবারের বরাতে পুলিশ পরিদর্শক জানান, রাসেল ও আল আমিন প্রায়ই একসঙ্গে বের হয়ে ৫ থেকে ৭ দিন পর বাড়ি ফিরতেন। গত ৬ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা একসঙ্গে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল, এরপর আর ফেরেনি। এমনকি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল তাদের।
তিনি আরও জানান, গতকাল (সোমবার) পরিবারের স্বজনরা বিচলিত হয়ে থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে এসেছিলেন। পাশাপাশি কোনো খোঁজ পেলে তাদের জানানোর জন্য ফোন নম্বর দিয়ে রেখেছিলেন। পরে দিমেক হাসপাতালের মর্গে মরদেহ আসার পর তাদের খবর দেওয়া হলে মর্গে গিয়ে পরণের পোশাক দেখে দুই যুবককে শনাক্ত করেন তাদের স্বজনেরা। টানা কয়েকদিন মরদেহ পানিতে ডুবে থাকায় চেহারা বিকৃত হয়ে গিয়েছিল দুই যুবকের।
হত্যার কারণ জানতে এবং জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চালাচ্ছেন বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৫০ দিন আগে
দিনাজপুরে আত্রাই নদী থেকে ২ যুবকের মরদেহ উদ্ধার
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আত্রাই নদী থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের বয়স ২৪-২৫ বছর বলে ধারণা করছে পুলিশ।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের বানিয়াখাড়ি দোল্লা গ্রামের লক্ষ্মীতলা সেতুর কাছ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। ৫ থেকে ৭ দিন আগে তারা হত্যার শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।
চিরিরবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আহসান হাবীব জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে লক্ষ্মীতলা সেতুর কাছে আত্রাই নদী থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানতে পারিনি। মরদেহ শনাক্তে আঙ্গুলের ছাপ স্ক্যান করার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি কাজ করছে।
হত্যাকারীরা নদীর উজানের কোনো স্থানে মরদেহগুলো ভাসিয়ে দিয়েছিল বলে নিজের ধারণার কথা জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৫১ দিন আগে