এতিম শিশু
সিরাজগঞ্জের এতিম শিশু রায়হান-রোহানের পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী
সিরাজগঞ্জের দুই এতিম শিশু রায়হান ও রোহানের পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ‘বাবা মারা গেছেন ছোটবেলায়, চার মাস আগে হারিয়েছে মাকেও; নানীর অন্যের বাড়িতে কাজের টাকায় কোনো রকমে চলছে এতিম দুই শিশুর জীবন’–শীর্ষক একটি প্রতিবেদন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’–এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়।
এরপরই প্রধানমন্ত্রী তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে শিশু দুটির খোঁজখবর নিতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আজ শুক্রবার (১৫ মে ২০২৬) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের একডালা গ্রামে শিশু দুটির বাড়িতে যায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধিদল। সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে এবং উপদেষ্টা আবুল কাশেমের উপস্থিতিতে প্রতিনিধিদলটি রায়হান ও রোহানের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেয়।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলটি শিশু দুটির নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে এককালীন ও মাসিক শিক্ষা বৃত্তির ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা, কাজিপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুস সালাম, বিএনপি নেতা হাসান, সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল কায়েস, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মুস্তাকিম বিল্লাহ, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফ, ছাত্রদল নেতা মশিউর রহমান মহান, আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ স্থানীয় নেতারা।
উল্লেখ্য, ৯ বছর বয়সী রায়হান ও ৭ বছর বয়সী রোহান শৈশবেই বাবাকে হারায়। গত চার মাস আগে তাদের মায়েরও মৃত্যু হয়। বর্তমানে তারা বৃদ্ধ নানা আজিজুর রহমান ও নানী মালেকা বেগমের সঙ্গে জরাজীর্ণ একটি ঘরে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছে। অর্থাভাবে শিশু দুটির পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
২ দিন আগে
এতিম শিশুদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে আল-ইসলাহ ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু
মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদা— খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিতে কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আল-ইসলাহ ফাউন্ডেশন’।
প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে অবস্থিত দারুত তাহফিজ মাদরাসা ও লিল্লাহি বোর্ডিংয়ের এতিম শিশুদের এক মাসের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে সংগঠনটি। এছাড়া ‘তৃপ্তির আহার’ নামে এক প্রকল্পের আওতায় শিশুদের জন্য বিশেষ মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করে তারা।
বিতরণ করা খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল— ৫০ কেজি চাল, ১০ কেজি ডাল, ৫২ কেজি পেঁয়াজ, ৫০ কেজি আলু, ১০ কেজি তেল, ২ কেজি রসুন এবং ৬ কেজি গরুর মাংসসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক বাজার।
২২ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় এতিম শিশুদের নিয়ে পিঠা উৎসব
চুয়াডাঙ্গায় এতিম শিশুদের জন্য একটি আনন্দমুখর পিঠা উৎসব আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা সরকারি শিশু পরিবারে এতিম শিশুদের জন্য এ উৎসব আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'সংযোগ' টিম।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিশুদের জন্য ছিল মধ্যাহ্ন ভোজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পিঠা উৎসব, যা শিশুদের মাঝে এক ভিন্নরকম আনন্দের সৃষ্টি করে।
মধ্যাহ্ন ভোজ দিয়ে সূচনা হয় অনুষ্ঠানের। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। শিশুদের পরিবেশনায় ছিল ইসলামী সংগীত, রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল গীতি এবং নৃত্য। এসব পরিবেশনা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে। অসাধারণ পরিবেশনার জন্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ১৫ জন বিজয়ী শিশুকে পুরস্কৃত করা হয়।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালীন, 'সংযোগ' টিমের নারী ভলেন্টিয়ার শাখা 'সংযুক্তা' তাদের বাসায় তৈরি বিভিন্ন ধরনের পিঠা-মিঠাই পিঠা, পাকান পিঠা, জামাই পিঠা, পায়েস, মোয়া এবং রাশিয়ার পিঠা উপস্থিত সবার মাঝে পরিবেশন করে। মা-বাবা হারানো এসব এতিম শিশুরা একে অপরের সঙ্গে পিঠা ভাগাভাগি করে খেয়ে বিশেষ আনন্দ করে, যা তাদের জন্য এক অমূল্য অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।
'সংযোগ' টিমের চুয়াডাঙ্গা জেলা কোঅর্ডিনেটর মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মধ্যে পারিবারিক বন্ধন সৃষ্টি করে, যা তাদের মানসিক বিকাশে সাহায্য করে। শিশুরা একে অপরের সঙ্গে পিঠা ভাগাভাগি করে আনন্দ পায় এবং উৎসবের মাধ্যমে তারা নিজেকে সমাজের সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত অনুভব করে।’
এ অনুষ্ঠানটির বাস্তবায়নে কাজ করেন 'সংযোগ' চুয়াডাঙ্গা টিমের ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংযোগের আকাশ, স্পনীল, সাদিয়া (ফিন্যান্সিয়াল কোঅর্ডিনেটর), সুমন, নাহিদ (মিডিয়া কোঅর্ডিনেটর), মাহিন (স্টোর কোঅর্ডিনেটর), রোজা, নিতু (সংযুক্তা টিম কোঅর্ডিনেটর) সহ অন্যান্য কমিটি সদস্যরা।
উল্লেখ্য, উৎসবটি শুধু পিঠা খাওয়ার মাধ্যমে শেষ হয়নি, বরং শিশুদের মধ্যে সামাজিকতা এবং পারিবারিক বন্ধন গড়ে তুলতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করেছে।
৪৬৩ দিন আগে
ইউএনওর সহায়তায় মেহেরপুরের ৪ এতিম শিশু পাচ্ছে পাকা ঘর
দুধ খাওয়া শেষ না হতেই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মা মারা গেছেন। এদিকে, বাবা বিয়ে করে আলাদা সংসারে মন দিয়েছে। বিয়ের পরে নিজ ছেলে-মেয়ের কোনো খোঁজ খবর নিচ্ছে না।
২১৭৭ দিন আগে