বিরোধ
রাজশাহীতে আম পাড়া নিয়ে বিরোধে নিহত ১
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় আম পাড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে আব্দুর রাজ্জাক (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের হরিহরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুর রাজ্জাক ওই গ্রামের ভূগোর মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, আম পাড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ওই গ্রামের রাসেল নামের এক যুবক আব্দুর রাজ্জাকের আমবাগান থেকে আম পেড়ে বাজারে বিক্রি করেন। গতকাল (শনিবার) এ বিষয়ে রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় একই গ্রামের মুকবুল হোসেন (৫২), তার ছেলে শাহিন আলমসহ (৩০) কয়েকজন পূর্বশত্রুতার জেরে আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তারা আব্দুর রাজ্জাককে কিল-ঘুষি ও ইট দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুর রাজ্জাককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ করছে।
১৯ দিন আগে
বিরোধের জেরে রাস্তা বন্ধ, চাঁদপুরে অবরুদ্ধ শিক্ষক পরিবার
জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে টানা তিন মাস ধরে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের এক শিক্ষক পরিবারের চলাচলের একমাত্র পথ বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে পরিবারটি। ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে পুকুরের পাড় ঘেঁষে ঝুঁকি নিয়ে বাড়িতে যাতায়াত করতে হচ্ছে পরিবারের শিশুসহ সব সদস্যদের।
এ ঘটনা ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৬ নম্বর রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের উত্তর সাহেবগঞ্জ এলাকার ফজল বেপারী বাড়িতে।
রবিবার (২২ জুন) সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে চলাচলের পথে প্রতিপক্ষের দেওয়া বাঁশ ও কাঁটাযুক্ত বেড়ার কারণে কার্যত ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে এ পরিবারটি।
ভুক্তভোগী শিক্ষিকা তাছলিমা সুলতানা জানান, তিনি সাহেবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষিকা। তার স্বামী মো. রাসেল হোসেন সরকারি চাকরির সুবাদে ঢাকায় কর্মরত রয়েছেন। তাদের স্কুল পড়ুয়া ৩টি সন্তান রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত চলাচলের পথ জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে। এতে স্বাভাবিকভাবে বাড়িতে প্রবেশের সুযোগ না থাকায় অমানবিক ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে।
তাছলিমা সুলতানা বলেন, ‘সারা দিন বিদ্যালয়ে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান শেষে ক্লান্ত শরীরে বাড়ি ফিরি। কিন্তু নিজের ঘরে প্রবেশের কোনো স্বাভাবিক পথ নেই। দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত চলাচলের রাস্তায় কাঁটা ও বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে অমানবিক ও ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে প্রতিদিন বাড়িতে প্রবেশ করতে হচ্ছে। একজন শিক্ষক ও সাধারণ মানুষের ওপর এমন অন্যায় ও সামাজিক নির্যাতনের বাস্তব চিত্র না দেখলে কেউ এটা উপলব্ধি করতে পারবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু আমাকেই নয়, আমার ছোট ছোট সন্তানদেরও একইভাবে পুকুরে নেমে বাড়িতে যেতে হয়। সারা দিন বাচ্চাদের পড়ানো শেষে যখন বাড়ি ফিরি, তখন নিজের ঘরে ঢুকতেও অন্যের অত্যাচার সহ্য করতে হয়। একজন শিক্ষিকা হয়ে আমি আজ নিজ ভূমিতে অবরুদ্ধ ও অসহায়।’
ভুক্তভোগী পরিবার আরও অভিযোগ করে, গত ১৬ জুন তাছলিমা সুলতানা বেড়া পার হয়ে ঘরে প্রবেশ করতে গেলে প্রতিপক্ষের লাসমিন আক্তার দা নিয়ে তাকে আক্রমণের চেষ্টা করেন এবং সোহেল হোসেন প্রকাশ্যে কোপানোর হুমকি দেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তারা একাধিকবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং থানায় অভিযোগ ও মামলা করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তাদের অভিযোগ, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত চলাচলের পথ বন্ধ করে রেখেছে এবং পরিবারটিকে নিয়মিত ভয়ভীতি ও মানসিক হয়রানি করছে।
এদিকে, ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলালউদ্দীন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এই বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ আসেও নাই। থানায় এসে আমাদের বিস্তারিত জানালে, অভিযোগ দিলে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর বলেছেন, তিনি এ ব্যাপারে চেষ্টা করছেন। কিন্তু সমাধানে আসতে পারেননি।
ইউএনও সেটু কুমার বড়ুয়া জানান, সমস্যাটি নিয়ে এলাকার চেয়ারম্যানও সমাধান করতে ব্যার্থ হয়েছেন। আমি উভয় পক্ষকে ডেকেছি । আশাকরি বিষয়টি সমাধান হয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আইনত প্রকৃতপক্ষে চলাচলের পথ কেউ আটকাতে পারে না।
মানবিক দিক বিবেচনা করে চলাচলের পথটি খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর প্রতিবেশীসহ আশপাশের সবাই।
২৪ দিন আগে
দিনাজপুরে সম্পত্তির অংশীদারত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে বাবা এবং সৎভাই খুন
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে সম্পত্তির অংশীদারত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে দ্বিতীয় পক্ষের দুই সন্তানের ছুরিকাঘাতে বাবা ও সৎভাই খুন হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) ভোর ৬টার দিকে ওই ঘটনা ঘটেছে।
চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল নবী জানান, গৃহকর্তা দুলু মিয়ার দুই স্ত্রীর ৪টি ছেলে রয়েছে। পিতার প্রায় ১৬ বিঘা জমির অংশীদারিত্ব ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে আজ (মঙ্গলবার) ভোর ৬টার দিকে দ্বিতীয় পক্ষের দুই ছেলে সাদেকুল এবং সাকিব ধারাল ছুরি দিয়ে বাবা দুলু মিয়ার এবং সৎ ভাই কাবিলকে হত্যা করেছেন। এ সময় আরেক সৎ ভাই হাবিল আহত হয়েছেন। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সাদেকুল এবং সাকিব আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৬৬ দিন আগে
ঢামেকে চিকিৎসকের সঙ্গে ‘হাতাহাতি’, পুলিশে দেওয়া হলো রোগীর স্বজনকে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসকের সঙ্গে হাতাহাতি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ফাহিয়া আক্তার নামে এক নারীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের গাইনি বিভাগের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ফাহিয়া আক্তার সাভারের কাউনিয়া এলাকার জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী।
এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, রাতে মনি আক্তার নামে সাভার থেকে আসা এক রোগী গাইনি বিভাগের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হন। তার সঙ্গে স্বজন হিসেবে ওই ওয়ার্ডে ছিলেন ফাহিয়া। এ সময় চিকিৎসক ফাহিয়াকে বাইরে যেতে বলেন। তবে তিনি বাইরে যেতে অস্বীকৃতি জানান। পরে সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. ফারজানা আক্তার মীম ও মেডিকেল অফিসার ডা. সাবিনা সুলতানা তাকে হাত ধরে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
একপর্যায়ে ওয়ার্ডের অপারেশন থিয়েটারের সামনে ফাহিয়া আক্তার চিকিৎসকদের সঙ্গে হাতাহাতি, গালাগালি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এ সময় হাসপাতালের আনসার সদস্যরা তাকে আটক করে পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয় বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৮ এপ্রিল ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হামলায় ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হন। ওই ঘটনার পর প্রায় চার ঘণ্টা জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে ঘটনা সমাধানের ৬ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
৯৬ দিন আগে
শরীয়তপুরে ‘জমির বিরোধে’ মসজিদের ইমামের ওপর হামলা
শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আব্দুর রহমান রাসেল নামের এক মসজিদের ইমামের ওপর হামলা হয়েছে। জুমার নামাজ পড়াতে যাওয়ার পথে একদল সন্ত্রাসী লোহার রড ও শাবল দিয়ে পিটিয়ে তার দুই হাতের হাড় পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গোসাইরহাট পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মিত্রশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত আব্দুর রহমান রাসেল ডামুড্যা উপজেলার উত্তর ডামুড্যা মাতুব্বর বাড়ি বাইতুল আমান জামে মসজিদের ইমাম। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুর্নবাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনার পর স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গোসাইরহাটের কুচাইপট্টি ইউনিয়নের সাইখ্যা এলাকার মৃত রফিকুল আকনের পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার প্রভাবশালী মফিজুল আকন (৬২) ও জয়নাল আকনদের জায়গাজমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে বিবাদীপক্ষ এর আগেও তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। গত রমজান মাসে রাসেলের ছোট ভাইকে কলেজ থেকে ফেরার পথে মারধর করেছিল বিবাদীপক্ষের লোকজন।
গতকাল (শুক্রবার) সকালে আব্দুর রহমান রাসেল তার বাড়ি থেকে কর্মস্থল ডামুড্যার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি মিত্রশন নদীর পাড়-সংলগ্ন বাচ্চু ঢালীর দোকানের সামনের রাস্তায় পৌঁছালে মফিজুল আকন ও জয়নাল আকনের নেতৃত্বে ৫-৬ জন অস্ত্রসহ তার পথরোধ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রধান অভিযুক্ত মফিজুলের হুকুমে জয়নাল ও সুমনসহ অন্যরা লোহার রড ও শাবল দিয়ে রাসেলকে মাথায় আঘাত করতে যান। আত্মরক্ষার্থে রাসেল হাত বাড়ালে তার বাঁ হাতের কনুইয়ের নিচের দুটি হাড় এবং ডান হাতের অনামিকার হাড় ভেঙে যায়। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
গোসাইরহাটে স্থানীয় হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. আনিকা বলেন, রোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক গুরুতর হাড় ভেঙে গেছে। উন্নত অস্ত্রোপচারের জন্য আমরা তাকে দ্রুত ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।
গোসাইরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেসবাহ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক থাকলেও তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তবে ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, রমজানে রাসেলের ছোট ভাইকে মারধরের পরও সেসময় কোনো বিচার না হওয়ায় বেপরোয়া হয়ে এই হামলা ঘটিয়েছে প্রতিপক্ষ।
৯৬ দিন আগে
রাজশাহীতে বিএনপির দুপক্ষের বিরোধে এক নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় বিএনপির কর্মীরা নিজ দলের এক নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের সিপাইপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম এরশাদ আলী (৬৫)। তিনি সিপাইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ইউসুফপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন। তিনি রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদের অনুসারী ছিলেন।
অভিযুক্তরা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের অনুসারী। তিনি এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে চারঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম জানান, গতকাল (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর স্থানীয়রা মসজিদে বসে একটি ইসলামি জলসা আয়োজন করার ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন। এ সময় একপক্ষ বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলকে প্রধান অতিথি করতে চান। আর অপরপক্ষ স্থানীয় এমপি আবু সাঈদ চাঁদকেই প্রধান অতিথি করতে চান। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কিতে আলোচনা ভেস্তে যায়।
ঘটনার বিবরণে তিনি আরও জানান, তর্কাতর্কির পর রাতে এরশাদ আলী তারাবির নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন। ওই সময় চায়ের দোকানে বসে ছিলেন আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের অনুসারী সাইদুর রহমান, গাজী, সুমন আলী, সাব্বির, আশাদুল, জোয়াদসহ কয়েকজন। তারা এরশাদ আলীকে দেখতে পেয়ে লাঠি ও গাছের ডাল দিয়ে তাকে পেটাতে থাকেন। এ সময় ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। তার বাড়ির পাশেই ঘটনাটি ঘটে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বাড়ি নিয়ে যান।
এসআই সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা ঘটনার পরই পালিয়েছেন। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে। আর নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
১৩৯ দিন আগে
সংস্কার ও নির্বাচনের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই: ফখরুল
সংস্কার ও নির্বাচনের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই এবং দুটোই একসঙ্গে চলতে পারে বলে এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘সংস্কারও চলবে, নির্বাচন হবে এবং যে সরকার আসবে, তারা সংস্কারগুলো এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির এই নেতা আশ্বস্ত করে বলেন, ‘আমাদের দলের পক্ষ থেকে পরিষ্কার করে বলতে পারি, প্রতিটি সংস্কারকে (যদি সরকার গঠন করি) এগিয়ে নিয়ে যাব।’
এ সময় চার সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাই না। কারণ পুরো রিপোর্ট এখনও আমাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি। সরকার যেটা বলেছে এবং পরিকল্পনা করেছে—এই রিপোর্টগুলো পাওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে, তার পরেই সিদ্ধান্ত হবে। ঐকমত্য ছাড়া কোনোকিছুই গ্রহণযোগ্য হবে না।’
আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচনে ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন না দিতে সতর্ক থাকবে বিএনপি
তিনি বলেন, ‘একইসঙ্গে আমরা সব মানুষের মধ্যে শক্তিশালী ঐক্য কামনা করি এবং আশা করি যে আমরা শিগগিরই একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রে ফিরে আসতে পারব, একটি সঠিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারব।’
এর আগে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মির্জা ফখরুল।
এদিন বেলা সোয়া ১১টার দিকে মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে বিএনপির ও দলটির অঙ্গ সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির খোকন, আবদুস সালাম, কামরুজ্জামান রতন, মীর সরাফত আলী, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাইফুল আলম নীরব, ডা. রফিকুল আলম মঞ্জু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে বিএনপির শ্রদ্ধা নিবেদন
৫৪৪ দিন আগে
সিলেটে ভাইয়ের সঙ্গে জমির বিরোধে খুনের অভিযোগ
সিলেটে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সুলতান আহমদ নামের এক যুবক আপন চাচাতো ভাই হুসেন আহমদকে গলাকেটে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
কানাইঘাটের দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের বাউরভাগ নয়াগাউ গ্রামে শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকাল ৬টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।
এদিকে গ্রামবাসী সুলতানকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।
আরও পড়ুন: গোলাপগঞ্জে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
স্থানীয়রা জানান, জমি নিয়ে হুসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সুলতান ও তার পরিবারের বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে সুলতান ধারালো অস্ত্র দিয়ে আপন চাচাতো ভাই হুসেনকে গলকেটে হত্যা করে।
এসময় সুলতানকে গ্রামবাসীরা আটক করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং সুলতানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুলতানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
আরও পড়ুন: গোলাপগঞ্জে স্ত্রীর হাতে মসজিদের ইমাম খুনের অভিযোগ
৬১৫ দিন আগে
মেহেরপুরে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে দুই জনের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত আটক
মেহেরপুরের গাংনীতে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আপন বড় বোন ও ভাইয়ের স্ত্রীকে হত্যায় অভিযুক্ত মহিবুল ইসলাম ওহিদকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক মহিবুল ইসলাম ওহিদ সানঘাট পল্লী উন্নয়ন সংস্থা নামের একটি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক।
এর আগে শনিবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলার সানঘাট গ্রামের দাড়িপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: সীমান্ত দিয়ে ভারত যাওয়ার সময় ২ নারী আটক
নিহতরা হলেন- সানঘাট গ্রামের জাহিদ হোসেনের স্ত্রী জাকিয়া আক্তার (৪৫) ও চুয়াডাঙ্গার বোয়ালিয়া গ্রামের হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী জোছনা খাতুন (৫৫)।
নিহত জাকিয়া অভিযুক্ত মহিবুল ইসলাম ওহিদের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ও জোছনা খাতুন তার বড় বোন।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহত জাকিয়ার স্বামী জাহিদ হোসেন ও অন্যবোন শামীমা আক্তার। আহতরা মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল বলেন, লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতককে আটক করা হয়েছে।
তাজুল ইসলাম জানান, পৈতিৃক সম্পত্তি নিয়ে ভাই-বোনদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল। শনিবার সকালে নিহত জোছনা খাতুন অপর বোন শামীমা খাতুন পিতার ১ একর ২৭ শতক জমির পুকুরে মাছ ছাড়তে এসেছিলেন। সকালে সবাই মিলে বাড়িতে মীমাংসায় বসেছিলেন। একপর্যায়ে বড় বোন জোছনা, ছোট ভাই জাহিদ ও তার স্ত্রী জাকিয়া পুকুরে মাছ ছাড়তে যান। এ সময় মহিবুল ইসলাম ওহিদ ধারালো রামদা নিয়ে হামলা করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান বোন জোছনা খাতুন ও ভাইয়ের স্ত্রী জাকিয়া।
মেহেরপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল করিম বলেন, এই ঘটনায় দুইজন নিহত ও দুইজন আহত হয়েছেন। সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে ফেসবুকে মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি: ২ যুবককে আটক
৬৪২ দিন আগে
হবিগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে ভাইকে হত্যার অভিযোগ
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগ বটোয়ারা নিয়ে বড় ভাইকে খুনের অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) বানিয়াচং উপজেলার দোয়াখানী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: নড়াইলে ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত
নিহত নওশাদ মিয়া (৪০) ঐ এলাকার মৃত কিম্মত আলীর ছেলে। এ ঘটনার পর থেকেই ছোট ভাই জুনেদ মিয়া (২৫) পালিয়ে গেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগ বটোয়ারা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে তাদের মাঝে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে জুনেদ ধারাল অস্ত্র দিয়ে নওশাদকে গুরুতর জখম করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর জুনেদ পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে বাঁশখালী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ নিরাপত্তা কর্মী নিহত
৬৮২ দিন আগে