দুর্ঘটনা
হাটহাজারীতে অনুশীলন চলাকালে গোলাবর্ষণে ২ সেনাসদস্য নিহত
চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুই সেনাসদস্য নিহত এবং এক কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্ঘটনায় আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
৯ মিনিট আগে
আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ প্রাণহানি, আহত ৬৬৪
গত আগস্ট মাসে দেশে ৫১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জন নিহত এবং ৬৬৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৬১ জন নারী ও ৫৮ জন শিশু।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের (আরএসএফ) আগস্ট মাসের সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্টে ১৮৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৬.৫৯ শতাংশ। মোট দুর্ঘটনার ৩৫.৬৭ শতাংশ ছিল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা।
এই সময়ে ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২১.২০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৭ জন, অর্থাৎ মোট নিহতের ১৩.৯২ শতাংশ। এছাড়া আগস্টে সাতটি নৌ-দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত ও নয়জন আহত হয়েছেন। ৩৪টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছেন।
আরএসএফ ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।
দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৭৬ জন (৩৬.৫৯ শতাংশ), বাসের যাত্রী ৩৭ জন (৭.৬৯ শতাংশ), ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-লরি-ড্রাম ট্রাকের আরোহী ৫১ জন (১০.৬০ শতাংশ), মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-জিপের আরোহী ১১ জন (২.২৮ শতাংশ) নিহত হয়েছেন।
এছাড়া থ্রি-হুইলার যাত্রী—অটোরিকশা, অটোভ্যান, ইজিবাইক, সিএনজি ও লেগুনা—নিহত হয়েছেন ৭৮ জন (১৬.২১ শতাংশ)। স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের—নসিমন, ভটভটি ও মাহিন্দ্র—যাত্রী নিহত হয়েছেন ২১ জন (৪.৩৬ শতাংশ)। রিকশা ও বাইসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন পাঁচজন (১.০৩ শতাংশ)।
আরএসএফের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৬৩টি (৩১.৭৭ শতাংশ) জাতীয় মহাসড়কে, ২১৭টি (৪২.৩০ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ৬২টি (১২.০৮ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে এবং ৭১টি (১৩.৮৪ শতাংশ) শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আগস্টে দুর্ঘটনায় মোট ৭৪৯টি যানবাহন সম্পৃক্ত ছিল। এর মধ্যে বাস ১০৩টি, ট্রাক ১০৮টি, কাভার্ডভ্যান ৩৬টি, পিকআপ ৩২টি, ট্রাক্টর আটটি, ট্রলি ছয়টি, লরি ১২টি, ড্রাম ট্রাক ১০টি, তেলবাহী ট্রাক একটি, ১৪ চাকার লরি একটি, মাইক্রোবাস ১৪টি, প্রাইভেটকার ২০টি, অ্যাম্বুলেন্স আটটি, জিপ চারটি, মোটরসাইকেল ১৯৪টি, থ্রি-হুইলার ১১২টি, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ৩৬টি, রিকশা আটটি, বাইসাইকেল পাঁচটি এবং অজ্ঞাত যানবাহন ৩১টি।
থ্রি-হুইলারের মধ্যে অটোরিকশা, অটোভ্যান, ইজিবাইক, সিএনজি ও লেগুনা এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের মধ্যে নসিমন, ভটভটি, আলমসাধু, টমটম ও মাহিন্দ্র রয়েছে।
সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগস্টে সংঘটিত দুর্ঘটনার ৮ শতাংশ ভোরে, ২৭.৮৭ শতাংশ সকালে, ১৮.৯০ শতাংশ দুপুরে, ১৫.২০ শতাংশ বিকালে, ৯.৯৪ শতাংশ সন্ধ্যায় এবং ২০.০৭ শতাংশ রাতে ঘটেছে।
বিভাগভিত্তিক চিত্র
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে মোট দুর্ঘটনার ৩৩.৫২ শতাংশ এবং প্রাণহানির ২৯.৯৩ শতাংশ ঘটেছে। রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১৪.৮১ শতাংশ ও প্রাণহানি ১৮.৫০ শতাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ১৭.৩৪ শতাংশ ও প্রাণহানি ১৫.৫৯ শতাংশ, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ৯.৯৪ শতাংশ ও প্রাণহানি ৮.৭৩ শতাংশ।
বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ২.৯২ শতাংশ ও প্রাণহানি ২.৯১ শতাংশ, সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ৫.০৬ শতাংশ ও প্রাণহানি ৭.৬৯ শতাংশ, রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ১০.৫২ শতাংশ ও প্রাণহানি ১০.৮১ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৫.৮৪ শতাংশ ও প্রাণহানি ৫.৮২ শতাংশ।
ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৭২টি দুর্ঘটনায় ১৪৪ জন নিহত হয়েছেন। বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম ১৫টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। একক জেলা হিসেবে বগুড়ায় সবচেয়ে বেশি ৩৭ জন নিহত হয়েছেন।
রাজধানী ঢাকায় আগস্টে ৪৮টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত এবং ৫৪ জন আহত হয়েছেন।
জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে
আরএসএফের পর্যালোচনায় বলা হয়, গত জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ১৩.৪১ জন নিহত হয়েছিলেন। আগস্টে প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ১৫.৫১ জন। এ হিসাবে আগস্টে প্রাণহানি বেড়েছে ১৫.৬৫ শতাংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এ গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি এবং চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।
যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং পথচারীদের অসচেতনতার কারণে পথচারী নিহতের ঘটনাও বাড়ছে বলে উল্লেখ করে আরএসএফ। এজন্য সরকারি উদ্যোগে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে জীবনমুখী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।
দুর্ঘটনার প্রধান কারণ
আরএসএফের প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা এবং মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকেও দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১১ দফা সুপারিশ
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনআরএসসি) পুনর্গঠন করে এর অধীনে বিআরটিএ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) পরিচালনার সুপারিশ করেছে আরএসএফ। কাউন্সিলের হাতে আইন, বিধি ও নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
সংস্থাটি বিআরটিএ, বিআরটিসি ও ডিটিসিএর ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং এসব কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের নিয়োগের সুপারিশ করেছে।
মোটরযানে আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা এবং সড়ক থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহারের কথাও বলা হয়েছে।
রাজধানীতে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু, বিআরটিসির বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি ও পরিবহন সেবা উন্নত করে সরকারের পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে আরএসএফ।
দক্ষ চালক তৈরির প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ বৃদ্ধি করে তাদের বেতন, কর্মঘণ্টা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং স্বল্পগতির ছোট যানবাহনের জন্য সব মহাসড়কে সার্ভিস রোড নির্মাণসহ নিরাপদ রোড ডিজাইনের সুপারিশ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও সব রেলক্রসিংয়ে গেটকিপার নিয়োগ, সড়ক ব্যবহারকারীদের সচেতনতা ও দক্ষতা বাড়াতে জাতীয় বাজেটে অর্থ বরাদ্দ এবং প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, টেকসই পরিবহন কৌশলের অধীনে সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহন একত্রিত করে একটি অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠন করা হলে সমন্বিত, পরিকল্পিত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
আরএসএফ বলেছে, সময়োপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য শিক্ষা ও সচেতনতা কার্যক্রমের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ‘অতীব জরুরি’।
২ দিন আগে
গাইবান্ধায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত, আহত ২
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল-আরোহী ও মাইক্রোবাসচালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাদুল্লাপুরে ছেলেকে মোটরসাইকেলে করে স্কুলে পৌঁছে দিতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় গোলাম রব্বানী নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের শিবপুর এলাকার বাসিন্দা গোলাম রব্বানী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে সাদুল্লাপুরে যাচ্ছিলেন। পথে নলডাঙ্গা থেকে আসা ফাতেমা পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলটি ছিটকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গোলাম রব্বানী নিহত হন।
মোটরসাইকেলের অপর যাত্রী তার ছেলে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
সাদুল্লাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু তালেব দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত গোলাম রব্বানী সাদুল্লাপুর সরকারি কলেজের হিসাব বিভাগে কর্মরত ছিলেন।
অন্যদিকে, সকাল ১০টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার সাকোয়া সেতু-সংলগ্ন মাঝিপাড়া এলাকায় বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে মাইক্রোবাসচালক মাসুদ রানা নিহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, গাইবান্ধা থেকে যাত্রী নিয়ে আল হামরা পরিবহনের একটি বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। বাসটি সাকোয়া সেতু এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসচালক মাসুদ রানা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনায় মাইক্রোবাসের অপর এক যাত্রী আহত হয়েছেন।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
৬ দিন আগে
জিম্বাবুয়েতে গির্জার সদস্যদের বহনকারী মিনিবাসের দুর্ঘটনায় নিহত ২৭
জিম্বাবুয়েতে গির্জার সদস্যদের বহনকারী একটি মিনিবাসের সঙ্গে পণ্যবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে ২৭ জন নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাতে দেশটির চিভু শহরের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আজ শনিবার পুলিশের মুখপাত্র পল নিয়াথি জানান, সাদা পোশাক পরার কারণে পরিচিত একটি জনপ্রিয় স্থানীয় আফ্রিকান খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যরা একটি সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। পথে একটি মহাসড়কে মিনিবাসটির সঙ্গে ট্রাকটির সংঘর্ষ হয়।
তিনি বলেন, রাজধানী হারারে থেকে ১৩২ কিলোমিটার দক্ষিণে চিভু শহরের কাছে ট্রাকটি একটি গাড়িকে ওভারটেক করার সময় মিনিবাসটির সঙ্গে হয়।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জেডবিসি নিউজ প্রাদেশিক সরকারের এক মন্ত্রীর বরাত দিয়ে জানায়, দুর্ঘটনাস্থলেই ২৩ জন নিহত হন। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও কয়েকজন মারা যান।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনের ছবিতে দেখা যায়, সংঘর্ষের পর মিনিবাসটিতে আগুন ধরে সেটি প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
পুলিশ কর্মকর্তা নিয়াথি জানান, দুটি যানবাহনেই কতজন যাত্রী ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি।
জিম্বাবুয়েতে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই বাস, মিনিবাস ও অনিয়ন্ত্রিত সেডান ট্যাক্সির দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। বেপরোয়া গাড়ি চালনা এবং সড়কের বেহাল অবস্থা এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মনে করা হয়।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনার ৯৪ শতাংশই মানুষের ভুলের কারণে ঘটে।
জাতিসংঘের আফ্রিকার জন্য অর্থনৈতিক কমিশনের (ইউএনইসিএ) তথ্য অনুযায়ী, আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে প্রায় তিন লাখ মানুষ নিহত হন যা বিশ্বব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনায় মোট মৃত্যুর প্রায় এক-চতুর্থাংশ। অথচ ১৫০ কোটি জনসংখ্যার মহাদেশ আফ্রিকায় বিশ্বের মোট যানবাহনের মাত্র ৩ শতাংশের মতো রয়েছে।
১০ দিন আগে
নতুন মোটরসাইকেল কিনে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল দুই বন্ধুর
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাইয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। নতুন মোটরসাইকেল কিনে বাড়ি ফেরার পথে দ্রুতগতির লরির ধাক্কায় ঘটনাস্থলে দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) মধ্যরাতে উপজেলার জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল সড়কের বড়তাকিয়া বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই যুবকের নাম তালাত মাহমুদ শুভ (১৯) ও আব্দুল্লাহ আল ওমর (১৯)।
শুভ উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের মিয়াপাড়া গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের পুত্র এবং আব্দুল্লাহ আল ওমর একই ইউনিয়নের ফকিরপাড়া এলাকার প্রবাসী শেখ ফরিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় বারৈয়ারহাট বাজার থেকে নতুন মোটরসাইকেল কিনে বাড়ি ফেরার পথে বড়তাকিয়া গেট এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির লরির সঙ্গে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে শুভ নিহত হয়। ওমরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি।
শুভর ভাই ইমাম হোসেন ফরহাদ ও ওমরের মামা সাইদুল ইসলাম শাহীন জানান, ওরা দুইজন পরস্পরের বন্ধু ছিল। পড়াশোনার পাশাপাশি স্থানীয় আবুতোরাব বাজারে একটি ল্যাবে চাকরি করত। বন্ধু ওমরকে নিয়ে শুভ নতুন মোটরসাইকেল কিনতে গিয়েছিল বারৈয়ারহাট। সেখান থেকে ফেরার পথে বড়তাকিয়া বাজার এলাকায় একটি দ্রুতগতির লরির ধাক্কায় দুজনই মারা গেছেন।
মীরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১০ দিন আগে
সিলেটে ট্যাংক লরির চাপায় সিএনজি অটোরিকশার চালকসহ নিহত ৪
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে তেলবাহী ট্যাংক লরি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত তিনজন। তারা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন: ওসমানীনগর উপজেলার মোহাম্মদপুর দরকা গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে ও অটোরিকশাচালক লালন মিয়া (২৫), সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরমসী গ্রামের নিয়ামত আলী (৩৫), তার স্ত্রী অযুফা বেগম (৩০) ও তাদের মেয়ে মারিয়া (৮)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া পদ্মা অয়েল কোম্পানির একটি তেলবাহী ট্যাংক লরি ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে চালক ও শিশুসহ সাতজন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে আহতদের উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়।
নিহত নিয়ামত আলীর মামা আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘আমার ভাগনা মারা গেছে। ভাগনার বউ ও মেয়েসহ তিনজন মারা গেছে। একই পরিবারের পাঁচজন ওই গাড়িতে ছিল। তাদের মধ্যে তিনজন মারা গেছে।’
তিনি জানান, নিহতদের মা-বাবা, ভাইসহ স্বজনরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ি হতাহতদের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি বলে জানিয়েছেন তারা।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, আহতদের মধ্যে প্রথমে একজন নারীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। আহত বাকি তিনজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এদিকে, গত ৭ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে একই মহাসড়কের ওসমানীনগরে ইউনিক ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের সংঘর্ষে ১১ জন নিহত হন। ওই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়।
পরে ১৬ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে ফাইজা আক্তার নামে এক শিশুকে মৃত ঘোষণা করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সপ্তম রায় প্রীতমসহ আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।
১৭ দিন আগে
হাঙ্গেরিতে বাস দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত
হাঙ্গেরিতে মহাসড়ক থেকে ছিটকে খাদে পড়ে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানী বুদাপেস্ট থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্বে মেজোকেরেস্তেশ শহরের কাছে এম-৩ মোটরওয়ের পূর্বমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বাসটিতে পোল্যান্ডের একদল পর্যটক ছিলেন বলে জানিয়েছে হাঙ্গেরি পুলিশ।
এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, চালক ঘুমিয়ে পড়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর চালককে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
হাঙ্গেরির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষের পরিচালক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ৫৭ জন যাত্রী ও দুইজন চালক ছিলেন। বাসটি উল্টে যাওয়ার পর কয়েকজন যাত্রী সেটির নিচে আটকা পড়েন।
এদিকে, পোল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাসিয়েই ভেভিওর পোলিশ সংবাদ সংস্থা পিএপিকে জানান, বাসযাত্রীদের সবাই পোল্যান্ডের নাগরিক ছিলেন।
এ ঘটনার পর পোল্যান্ডের রেৎসেসৎভ শহরের আঞ্চলিক সরকার এক ফেসবুক পোস্টে জানায়, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় পডকারপাকি অঞ্চলের বাসিন্দারা বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় তীর্থযাত্রা শেষে দেশে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে তাদের বাসটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী পিতার ম্যদিয়ার এক ফেসবুক বিবৃতিতে জানান, দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং ঘটনাস্থলে ছুটে যাওয়া উদ্ধারকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোকি এ দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমি নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
২৩ দিন আগে
রাজধানীতে পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত ২
রাজধানীর মুগদা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৃথক দুর্ঘটনায় এক রাজমিস্ত্রি ও এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) মুগদা জেনারেল হাসপাতালের নির্মাণাধীন নতুন আবাসিক ভবনের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে মো. ইউসুফ (৩০) নামে এক রাজমিস্ত্রি নিহত হয়েছেন।
আজ (রবিবার) দুপুর সোয়া ২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ইউসুফের বাড়ি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার খনচপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম পিয়ার মোল্লা।
হাসপাতালে নিহতের ভাতিজা মো. শাকিল জানান, ‘আমার চাচা রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। আজ দুপুরের দিকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালের নির্মাণাধীন নতুন আবাসিক ভবনের চতুর্থ তলায় কাজ করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে আমরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, আমার চাচা আর বেঁচে নেই।’
অন্যদিকে, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় মো. সোলায়মান দেওয়ান (৪৩) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে শনির আখড়া ফুটওভার ব্রিজের নিচে রাস্তা পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মো. সোলায়মান পেশায় স্টিলের আলমারির মিস্ত্রি ছিলেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে রাত ২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সোলায়মান দেওয়ানের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার নয়াগাঁও পূর্বপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল মজিদ দেওয়ান।
নিহতের শ্যালক লিটন জানান, সোলায়মান একটি প্রতিবেশীকে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে গ্রামে ফিরছিলেন। পথে শনির আখড়া এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগতির একটি কাভার্ড ভ্যান তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাকে দ্রুত ঢামেকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর চালক পালিয়ে গেলেও ঘাতক কাভার্ড ভ্যানটি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে এই দুই মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
৩৭ দিন আগে
রংপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেলের আরোহী দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহতরা সম্পর্কে পিতা-পুত্র। এছাড়া তাদের সঙ্গে থাকা নাতি আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মন্থনা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মানদ্রাইন এলাকার নির্মল চন্দ্র রায় (৭৫) ও তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায় (৩৫)। প্রশান্ত পেশায় পল্লী চিকিৎসক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্মল চন্দ্র রায়, তার ছেলে প্রশান্ত এবং নাতি বন্ধন একটি মোটরসাইকেলে করে তুলশীহাটে দাওয়াতে যাচ্ছিলেন। পথে মন্থনা বাজারে সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির ধাক্কা লাগে। এ সময় প্রশান্ত চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় নির্মল চন্দ্র রায়কে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন। আহত বন্ধন চন্দ্র রায় বর্তমানে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর জানান, ট্রাকটির চালক পলাতক রয়েছে। ট্রাকটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৬৮ দিন আগে
ফরিদপুরের চলন্ত ট্রাকের পেছনে আরেক ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ২
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত একটি ট্রাকের পেছনে আরেক ট্রাকের ধাক্কায় ২ জন নিহত হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) ভোর ৫টার দিকে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের আতাদি ফ্লাইওভার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোহেল খান জানান, ভোর পাঁচটার দিকে আতাতি ফ্লাইওভার-সংলগ্ন এলাকায় ঢাকাগামী গাছের চারাবোঝাই একটি ট্রাকের পেছনে আরেকটি মাছবাহী ট্রাক দ্রুত গতিতে ধাক্কা দেয়। এতে মাছবাহী ট্রাকের দুইজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
তিনি আরও জানান, নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা দুজন মাছবাহী ট্রাকের চালক ও সহকারী।
এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
১১৪ দিন আগে