দুর্গাপূজা
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং সেগুলো পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল বার্তা।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকার রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে বলতে পারি, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই।’
বিশ্বজুড়ে যখন সংঘাত, সহিংসতা ও বিদ্বেষ বিরাজ করছে, তখন বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্গাপূজা তাদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব ন্যায়বিচার, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের মূল্যবোধ তুলে ধরে।
তিনি আরও বলেন, এ দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব ঘটেছে, আর বাংলাদেশের মানুষ তাদের পরাজিত করেছে।
রমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয় এবং পরে ১৯৭৩ সালে এটি ভেঙে ফেলা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলত, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় তিনি খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে ২০০১ সালে মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করা হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
দুর্গাপূজায় এবার সর্বোচ্চ অনুদান দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাধীনতার পর এবার দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার তামাকান্দা গ্রামে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি। তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি একটি অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনায় বিশ্বাসী। তার নেতৃত্বে সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
তিনি আরও বলেন, পূজা নির্বিঘ্ন ও আনন্দমুখর করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থেকে পূজা উদযাপনে সহযোগিতা করছেন বলে জানান তিনি।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরকার সবসময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
এ সময় তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি বজায় রেখে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মনোহরদী ও বেলাব উপজেলার ৮০টি পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন এবং অসহায় মানুষের মধ্যে শাড়ি বিতরণ করেন।
বেলাব উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবীব বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, বেলাব উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এম এ কাদের জলিল, মনোহরদী পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল হান্নান মিয়া, মনোহরদী পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি রাজিব রায় ও সাধারণ সম্পাদক সুকোমল মোদকসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
দুর্গাপূজায় সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত টানা সাত দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে এ সময় ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রুহুল আমিন বলেন, দুর্গাপুজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি এবং ভারতের মহদিপুর স্থলবন্দর রপ্তানিকারক সমিতির ছুটি মিলিয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই বন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
তবে বন্দরের ভেতরে আগের আমদানিকৃত পণ্য লোড ও আনলোড কার্যক্রম চালু থাকবে বলে জানান তিনি।
এছাড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াতও স্বাভাবিক থাকবে।
আগামী ২৪ অক্টোবর (শনিবার) সকাল থেকে বন্দরের স্বাভাবিক আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম আবার শুরু হবে বলেও জানান সংগঠনটির সদস্য সচিব।
৪ দিন আগে
দুর্গাপূজায় বেনাপোলে টানা ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা আট দিন আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে এ সময়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ও বাংলাদেশে সরকারি ছুটি থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে পুনরায় আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মহসিন মিলন বলেন, বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০০ ট্রাক পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। এ বন্দর থেকে সরকার দৈনিক প্রায় ২০ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। সেই হিসাবে টানা আট দিন বাণিজ্য বন্ধ থাকলে সরকার প্রায় ১৬০ কোটি টাকার রাজস্ব কম পাবে।
এদিকে দীর্ঘ সময় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় বন্দরে পণ্যজট ও যানজটের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই স্থলবন্দর দিয়ে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয়। ভারত থেকে স্থলপথে আমদানি করা পণ্যের বড় একটি অংশ আসে বেনাপোল দিয়ে। ফলে টানা আট দিন বন্দর বন্ধ থাকলে শিল্পকারখানায় কাঁচামাল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আমদানি করা পণ্যের বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী বলেন, দুর্গাপূজার সরকারি ছুটির কারণে ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত পেট্রাপোল বন্দরে বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। অন্যদিকে বাংলাদেশে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি থাকায় দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম টানা আট দিন বন্ধ থাকবে। ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে যথারীতি বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু হবে।
এদিকে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান।
তিনি বলেন, দুর্গাপূজার সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ইমিগ্রেশন ডেস্কে অতিরিক্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন বলেন, ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও দুই দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের পক্ষ থেকে ছুটির বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে ১৮ ও ১৯ অক্টোবর বন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ও কাস্টমসের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। এ সময় আগে আমদানি করা পণ্য খালাস করা যাবে। একই সঙ্গে পণ্য খালাস শেষে ভারতীয় খালি ট্রাকগুলো নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবে।
৫ দিন আগে
দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক
দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মূলত টানা পাঁচ দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ব্যাংকগুলোতে ছুটি থাকবে। তবে ১৭ অক্টোবর (শনিবার) স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে।
গত ৭ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
তবে ২০ থেকে ২২ অক্টোবরের সরকারি ছুটি এবং ২৩ ও ২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা, বুথ ও উপশাখাগুলোতে সীমিত পরিসরে আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত কাজ চালু থাকবে।
বিদ্যমান নির্দেশনা অনুসরণ করে এসব শাখা স্থানীয় প্রশাসন ও বন্দর বা শুল্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
৬ দিন আগে
দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুরান ঢাকায় ক্রেতাদের ভিড়
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শাঁখারীবাজার ও তাঁতীবাজারে দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে কেনাকাটা ও উৎসবের প্রস্তুতি বেড়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।
নতুন পোশাক, ঐতিহ্যবাহী শাঁখার বালা, সিঁদুর, পূজার উপকরণ ও ঢাক—উৎসব উদযাপনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে জমজমাট বাজারগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
৬ দিন আগে
দুর্গাপূজায় চলবে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের অফ ডে প্রত্যাহার
দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সেই সঙ্গে পাঁচটি ট্রেনের নির্ধারিত বিরতির দিন (অফ ডে) প্রত্যাহার করা হয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সভাপতিত্বে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ২০ অক্টোবর চলবে ঢাকা স্পেশাল-৩ ট্রেন। ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ২০, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর চলবে ট্যুরিস্ট স্পেশাল-১ ও ২। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ২৪ অক্টোবর চলবে চট্টগ্রাম স্পেশাল-৪ ট্রেন।
একই সঙ্গে যাত্রীদের চাপ সামলাতে কক্সবাজার এক্সপ্রেসের ১৯ ও ২০ অক্টোবরের অফ ডে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ও রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসের ১৯ অক্টোবর, পদ্মা এক্সপ্রেসের ২০ অক্টোবর এবং মধুমতি এক্সপ্রেসের ২৪ অক্টোবরের অফ ডে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এছাড়া পূজায় অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পূর্বাঞ্চলে ২৩টি মিটারগেজ কোচ ও পশ্চিমাঞ্চলে ছয়টি ব্রডগেজ কোচ যাত্রীবাহী ট্রেনে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ট্রেনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ইঞ্জিনের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলেও সভায় জানানো হয়েছে।
ট্রেনের সময়সূচি ঠিক রাখা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন এবং সিগন্যাল কেবিনে কর্মকর্তা ও পরিদর্শকদের নিবিড় তদারকিতে ট্রেন পরিচালনা করা হবে বলেও জানিয়েছে রেলওয়ে।
রেলপথ ও সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহলের ব্যবস্থাও থাকবে। পাশাপাশি সিগন্যালিং ব্যবস্থা, কোচ ও ইঞ্জিনের নিবিড় পরিচর্যা করা হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত পাঠানোর জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে রিলিফ ট্রেন।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনাসহ প্রধান স্টেশনগুলোতে রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সহযোগিতায় পাহারা জোরদার করা হয়েছে।
পাশাপাশি ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ১৯ ও ২০ অক্টোবর ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করবেন। চলন্ত ট্রেন, স্টেশন ও রেললাইনে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আরএনবি, জিআরপি ও রেলওয়ের কর্মচারীদের নজরদারি ও তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সেতু বিভাগ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, সংশ্লিষ্ট সচিব ও দপ্তরপ্রধান, ঢাকা ও গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার এবং পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
৭ দিন আগে
দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির ১২ সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটি
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১২ সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে। দলের আরেক যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে করা হয়েছে সদস্য সচিব।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়নবিষয়ক সহ-সম্পাদক অপর্ণা রায় দাস, ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু ও জন গোমেজ এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী ও রমেশ দত্ত।
এছাড়া কমিটিতে রয়েছেন যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক পার্থ দে মন্ডল, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি জয়দেব রায়, সাবেক ছাত্রনেতা মিল্টন বৈদ্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস।
৮ দিন আগে
মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু দুর্গোৎসব
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার সূচনা পর্ব মহালয়া আজ শনিবার সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন মন্দিরে চণ্ডীপাঠ, তর্পণ ও দেবী দুর্গার বন্দনায় ভক্তিমূলক সঙ্গীতের ধ্বনি শোনা যাচ্ছে।
শরতের শান্ত ভোরে শাস্ত্রীয় মন্ত্রপাঠের মধ্য দিয়ে সূচনা হয়েছে দেবীপক্ষের, যা দেবীর উদ্দেশে নিবেদিত এক পক্ষকাল।
দেবী দুর্গাকে আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বানের দিন হিসেবে বিবেচিত মহালয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা শুরুর সাত দিন আগে পালিত হয়। হিন্দুদের বিশ্বাস, এই উদযাপনের মধ্য দিয়ে পৃথিবী নিজেকে প্রস্তুত করে এবং দেবী ও তার সন্তানদের আগমনে স্বাগত জানায়।
এদিন হিন্দুরা পূজার মাধ্যমে প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাদের নামে ব্রাহ্মণদের বস্ত্র, খাবার ও মিষ্টি দান করা হয়।
মহালয়ার মধ্য দিয়েই শুরু হয় দুর্গাপূজার দিন গণনা।
এ বছর ১৭ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজা উদযাপিত হবে। আর ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে দেবী কৈলাসে ফিরে যাবেন।
শাস্ত্রমতে, দুর্গাপূজার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হলো মহালয়া, বোধন ও সন্ধিপূজা। মহালয়ার দিন দেবী দুর্গা অসুররাজ মহিষাসুরকে বধ করার জন্য দেবতাদের কাছ থেকে ঐশ্বরিক নির্দেশ লাভ করেন।
ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের সম্মিলিত শক্তিতে বলীয়ান হয়ে দেবী ‘মহাশক্তি’ রূপে আবির্ভূত হন। ১০টি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সিংহের পিঠে চড়ে তিনি ৯ দিন ধরে যুদ্ধের পর মহিষাসুরকে বধ করেন।
৮ দিন আগে
এবারের দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের সরকারি ছুটি
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য এবার টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি থাকছে।
মহানবমী উপলক্ষে ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) নির্বাহী আদেশে এবং বিজয়া দশমী উপলক্ষে ২১ অক্টোবর (বুধবার) সাধারণ ছুটি থাকবে। এর সঙ্গে ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এরপর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সব মিলিয়ে এবার টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি ভোগ করবেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।
হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজয় কান্তি সরকার মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এছাড়া এবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে সারা দেশে পূজামণ্ডপগুলোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি
বিজয় কান্তি সরকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সারা দেশে পূজামণ্ডপগুলোর জন্য ৪ কোটি টাকার যে বিশেষ বরাদ্দ থাকে, এবার প্রধানমন্ত্রী আরও ১ কোটি টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছেন।’
উল্লেখ্য, এবার শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হবে ১৭ অক্টোবর থেকে।
এদিকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান উৎসব উপলক্ষে ধর্মীয় কল্যাণ তহবিল থেকে অনুদানের অর্থও আরও ১ কোটি টাকা বৃদ্ধি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। গত বছর ২ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছিল, এবার তা বাড়িয়ে ৩ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।
প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান উৎসব অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলবে।
১৯ দিন আগে