চীন
চীনে ঝড়ে প্রাণহানি বেড়ে ৩৯, ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘বাভি’
দক্ষিণ চীনে ক্রান্তীয় ঝড় ‘মেসাক’-এর প্রভাবে টানা বৃষ্টি ও ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখনও ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে এর মধ্যেই ‘বাভি’ নামে আরেকটি টাইফুন আঘাত হানার পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। নতুন ঝড়ের আঙ্কায় তাইওয়ান ও চীনের পূর্ব উপকূলে সতর্কতা ও প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
নানিং শহরের ভাইস মেয়র ডিং ওয়েই এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই ঝড়ে নানিংয়ের পূর্বাঞ্চলের একটি এলাকায় বাঁধ ভেঙে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ২৬ জন মারা গেছেন। তিনি বলেন, গুয়াংসি অঞ্চলে এখনও ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
এর আগে মৃতের সংখ্যা ৬ জন ছিল বলে জানিয়েছিল দক্ষিণ চীনের কর্তৃপক্ষ।
মেসাকের প্রভাবে গত শনিবার থেকে গুয়াংসিতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে একাধিক জলাধারের বাঁধ ভেঙে যায়। বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর সেখান থেকে নেমে আসা প্রবল পানির তোড়ে বিভিন্ন শহর ও জনপদ প্লাবিত হয়েছে। বহু মানুষ কয়েক দিন ধরে নিজেদের বাড়ি ও বিভিন্ন ভবনে আটকা পড়ে ছিলেন।
১০ ঘণ্টা আগে
রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন বিরোধীদলীয় নেতা
রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত সমাধান এবং বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা কামনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ সহযোগিতা চান। বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে উভয়ে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে আরও বেগবান করতে উভয় দেশ একযোগে কাজ করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
২ দিন আগে
চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, একাধিক সমঝোতা স্মারক সই
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৫টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এই বৈঠক শুরু হয়। এরপর সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় বৈঠকটি শেষ হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অন্যদিকে চীনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।
বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে বলে জানিয়েছেন রুমন।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অর্থনীতি ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
১৪ দিন আগে
চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তারেক রহমান
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৫টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এই বৈঠক শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অন্যদিকে চীনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অর্থনীতি ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
১৪ দিন আগে
দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ‘সামার দাভোস’ নামে পরিচিত দুই দিনব্যাপী ১৭তম বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
চীনের রাজধানীতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু করতে উচ্চগতির ট্রেনে করে স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ১ টা ৫৬ মিনিটে তারেক রহমান তার স্ত্রী ড. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দালিয়ান ত্যাগ করেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার তিন দিনের আনুষ্ঠানিক চীন সফরের সূচনা করবেন। সফরকালে তিনি আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এছাড়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করার কথা রয়েছে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা জানাবেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী সেখানে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন যেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার ওপর জোর দেওয়া হবে।
এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রী দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে ডব্লিউইএফ-এর ১৭তম বার্ষিক সভায় অংশ নেন বলে জানিয়েছেন আতিকুর রহমান রুমন।
উদ্ভাবন কীভাবে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটাতে পারে এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারে, তার ওপর জোর দিয়ে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ (ব্যাপক পরিসরে উদ্ভাবন) থিম নিয়ে সম্মেলনটি শুরু হয়। তার আগে তিনি সকাল ৯টায় শুরু হওয়া সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনেও যোগ দেন।
ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যালোইস জুইঙ্গি উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।
তারেক রহমান ছাড়াও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ন্যাম-ওসর উছরাল, গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদৌ ওউরি বাহ, মন্টেনেগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিক এবং কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ এই অধিবেশনে যোগ দেন।
অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই আলোচনাগুলো বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সংযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর আলোকপাত করে।
অধিবেশনের বিরতির সময় অংশগ্রহণকারী বিশ্বনেতারা একটি আনুষ্ঠানিক ফটো সেশনে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সরকার, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যমের নেতাসহ ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন।
‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যের এবারের ইভেন্টটি বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উদীয়মান প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ, চীনের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, যুব কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনসহ প্রধান বৈশ্বিক বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করে। দ্রুত প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং এর ব্যাপক অর্থনৈতিক সুবিধার মধ্যকার ব্যবধান দূর করা এই সম্মেলনের অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল।
১৫ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে রাতে ঢাকা ছাড়ছেন আরও দুই মন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চীন সফরে যোগ দিতে আজ মঙ্গলবার রাতে ঢাকা ছাড়বেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বিএনপির উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং দলের যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে চীনের বেইজিংয়ে যোগ দেবেন।
বিএনপি মিডিয়া সেলের তথ্যমতে, সফরকালে তারা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সম্পৃক্ত থাকবেন।
এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন তিনজন পূর্ণমন্ত্রী। তারা হলেন—পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং পানিসম্পদমন্ত্রী।
গত রবিবার বিকেল পৌনে ৩টায় সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে তিনি দেশটি সফর করেন।
মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে সরাসরি চীন সফরে যান প্রধানমন্ত্রী।
চীন সফরকালে আগামী ২৫ জুন তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং ২৬ জুন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া তিনি ২৩ থেকে ২৫ জুন লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ‘নিউ চ্যাম্পিয়ন্স’-এর সপ্তদশ বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন।
মালয়েশিয়া সফরকালে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি এবং উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদারের বিষয় গুরুত্ব পাবে। আগামী ২৬ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
১৬ দিন আগে
জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সহায়তায় ডব্লিউইএফকে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশসহ বদ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর সহায়তায় সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) চীনের দালিয়ানে ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অ্যালোয়া জুইঙ্গির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় ডব্লিউইএফের বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের শুরুতে জুইঙ্গি বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ডব্লিউইএফের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
পরিবেশ রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিবেশ সুরক্ষার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে উৎসাহিত করতে সরকার কর রেয়াত সুবিধা দিচ্ছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৬ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার জবাবে ১০ মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক এক পদক্ষেপের জবাবে ১০টি মার্কিন সামরিক-সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চীন। এর আগে কয়েকটি শীর্ষ চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে বাদ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জুন) চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি প্রতিষ্ঠানে চীনের ‘ডুয়াল ইউজ’ পণ্য রপ্তানি না করতে চীনের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ডুয়াল ইউজ বলতে এমন পণ্যকে বোঝায়, যা সামরিক ও বেসামরিক দুই ধরনের কাজেই ব্যবহার করা যায়।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, এই রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা চীনের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের তথাকথিত ‘চীনের সামরিক প্রতিষ্ঠানের তালিকার অন্যায্য সম্প্রসারণের’ জবাবে নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বৃহৎ চীন-বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য এশিয়া গ্রুপের পার্টনার জর্জ চেন বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রতি চীনের প্রতিক্রিয়া। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠান বা মার্কিন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো চীনে ব্যবসা করতে পারবে না।
অন্যদিকে, চীনের অর্থ মন্ত্রণালয় আলাদা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সরকারি সংস্থাগুলোকে ৪৬টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের পণ্য কেনা থেকে নিষিদ্ধ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে লকহিড মার্টিন, রেথিয়ন এবং জেনারেল ডায়নামিকসের একাধিক ইউনিট। তবে ওই বিবৃতিতে নিষেধাজ্ঞার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
এ মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আলিবাবা ও বাইডুসহ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে চীনের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত বলে নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত করে। এই তালিকাভুক্তির ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চুক্তি পাওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়ে। তবে বাইডু জানায়, এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সামরিক প্রতিষ্ঠান বলা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তখন জানিয়েছিল, গত মে মাসে চীনে ট্রাম্পের সফরের সময় শি জিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্প ঐকমত্যে পৌঁছেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞা সে সময় হওয়া ঐকমতের পরিপন্থি।
সোমবারের ঘোষণায় মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তৃতীয় দেশের কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি চীন থেকে এসব নিষিদ্ধ মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘ডুয়াল ইউজ’ পণ্য স্থানান্তর করতে পারবে না। পাশাপাশি বলা হয়েছে, যেসব পণ্য বাস্তবিকভাবে প্রয়োজনীয়, সেগুলো অনুমোদনের জন্য চীনের প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের কাছে আবেদন করতে পারবে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো: ক্যালিফোর্নিয়ার সিমি ভ্যালির এভিওএক্স, সাউথ সল্ট লেকের রেড ক্যাট হোল্ডিংস এবং টিল ড্রোনস, স্প্রিংভিলের আইএমএসএআর, ব্রিস্টল, রোড আইল্যান্ডের জাইয়া রোবোটিকস, কলোরাডোর ব্রুমফিল্ডের ব্যাল অ্যারোস্পেস অ্যান্ড টেকনোলজিস, উইসকনসিনের ওশকশ ডিফেন্স, ভার্জিনিয়ার নরফোকের এল৩হ্যারিস মেরিটাইম সার্ভিসেস, লাস ভেগাসের এমপি ম্যাটেরিয়ালস এবং ওকলাহোমার স্টিলওয়াটারের ইউএসএ রেয়ার আর্থ।
১৭ দিন আগে
মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
দুই দিনের সরকারি সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া থেকে চীনের বন্দরনগরী দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে দালিয়ান রওনা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া থেকে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন। আগামী দুই দিন তিনি দালিয়ানে একের পর এক কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকবেন।’
তিনি জানান, তারেক রহমান পরবর্তীতে চীনের রাজধানী বেইজিং সফর করবেন। সেখানে তার চীন সফরের মূল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক্সক্লুসিভ ভিভিআইপি টার্মিনাল বুঙ্গা রায়া কমপ্লেক্সে মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলকিফলি হাসান এবং তার স্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।
মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী এবং উপ-হাইকমিশনার মোসাম্মৎ শাহানারা মনিকাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরে গতকাল (রবিবার) কুয়ালালামপুরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সফরকালে তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নেন।
চীনা প্রিমিয়ার লি ছিয়াং-এর আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, দালিয়ানে অবস্থানকালে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সপ্তদশ বার্ষিক নিউ চ্যাম্পিয়ন্স সভায় যোগ দেবেন, যা ‘সামার ডাভোস’ নামে ব্যাপকভাবে পরিচিত। এটি ২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত লিয়াওনিং প্রদেশে অনুষ্ঠিত হবে।
‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত এই ইভেন্টে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ফোরামে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, শিল্প রূপান্তর এবং টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হবে।
ফোরামে যোগ দেওয়া ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর চীনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা রয়েছে।
মন্ত্রী ২৫ জুন চীনা প্রিমিয়ার লি ছিয়াং এবং ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশ সফর শেষ করে ২৬ জুন রাতে তিনি দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে বলে জানান আতিকুর রহমান রুমন।
১৭ দিন আগে
নতুন অংশীদারত্ব গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করবে কুনমিং এক্সপো: বাণিজ্যমন্ত্রী
চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো ২০২৬-এ থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ের ডিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘১০ম চায়না–সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলা–২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ শুধু সম্মানের বিষয় নয়, বরং এটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এই আয়োজন দুই দেশের ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে নতুন অংশীদারত্ব গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করবে।
আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত চলমান এই আন্তর্জাতিক মেলায় বিশ্বের ৬৮টি দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক অংশগ্রহণ করছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ব্যবস্থাপনায় এবং কুনমিংস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সহযোগিতায় এবারের মেলায় বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।
বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে দেশের প্রধান রপ্তানি খাতসমূহের পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, টেক্সটাইলস, ওষুধশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত সামগ্রী, প্লাস্টিক পণ্য এবং হস্তশিল্প।
এর আগে, সকাল ৯টায় থিম কান্ট্রি হিসেবে স্থাপিত বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবো। পরে মন্ত্রী প্যাভিলিয়নের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবোর সভাপতিত্বে চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের ভাইস চেয়ারম্যান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার, লাওসের উপ-প্রধানমন্ত্রী, শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যমন্ত্রী, নেপালের ডেপুটি স্পিকার, সার্ক মহাসচিব এবং সার্ক চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, আখতার হোসেন এমপি, মো. খালেদ হোসেন মাহবুব এমপি, সুলতানা জেসমিন এমপি, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ, কুনমিংস্থ বাংলাদেশের কনসাল জেনারেলসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ইপিবি এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মেলার প্রথম দিনে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার ইয়ান ডং বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে, এক্সপোর সাইডলাইন ইভেন্ট ‘বিগ মার্কেট ফর অল: এক্সপোর্ট টু চায়না’-এ ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ চীনে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরে বক্তব্য দেন।
আগামীকাল (১২ জুন) এক্সপো প্রাঙ্গণে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন হবে, যেখানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং রপ্তানি সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মহলের সামনে আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরা হবে।
২৮ দিন আগে