শোকজ
যশোরের শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শোকজ করবে বোর্ড
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করা হবে বলে জানিয়েছেন যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব (প্রেষণে) প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন।
তিনি বলেছেন, এসব প্রতিষ্ঠানে অ্যাকাডেমিক দুর্বলতা কিংবা শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় সারা দেশের সঙ্গে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এ উপলক্ষে যশোর শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বোর্ডের ফলাফলের বিস্তারিত পরিসংখ্যান তুলে ধরে এসব কথা বলেন সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন।
এ বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ বোর্ড থেকে ১১ হাজার ৪৭৮ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এ বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৬৯ হাজার ৮৫ জন ছাত্র এবং ৭১ হাজার ৯৭৯ জন ছাত্রী। ফলাফলে এবারও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুই ক্ষেত্রেই ছাত্রীরা তুলনামূলক ভালো করেছে।
বিভাগভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের বড় অংশও বিজ্ঞান বিভাগের।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে মানবিক বিভাগের ফলাফল তুলনামূলকভাবে হতাশাজনক। এ বিভাগে পাসের হার মাত্র ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। বিপরীতে ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন বলেন, বিষয়টি শিক্ষা বোর্ড গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাকাডেমিক দুর্বলতা বা শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
ফলাফল বিশ্লেষণ করে সচিব বলেন, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ হলেও মানবিক বিভাগে তা ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ বৈষম্য উদ্বেগের বিষয়। শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর পাশাপাশি ফলাফলের এই বৈষম্য কমানোর দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, এবারও ফলাফলে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় ভালো করেছে। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা ও নির্ধারিত নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। শুধু পরীক্ষায় পাসের হার বা জিপিএ-৫-এর সংখ্যা বাড়ানো নয়, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাই বোর্ডের মূল লক্ষ্য।
ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকাল (মঙ্গলবার) থেকে টেলিটক মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে এ আবেদন করতে পারবে।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। সেই হিসাবে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ পাসের হার নিয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ড জাতীয় গড়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বলে জানান বোর্ডের সচিব।
৪ দিন আগে
এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ
চলমান এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে ত্রুটি ও অসঙ্গতির ঘটনায় প্রশ্নপত্র পরিশোধনের দায়িত্বে থাকা চার শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীন স্বাক্ষরিত নোটিশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়া চার শিক্ষক হলেন—শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, মুরারী চাঁদ (এমসি) কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান এবং সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
নোটিশে বলা হয়, ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ‘মারাত্মক ত্রুটি/অসঙ্গতি’ পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রশ্নপত্রে এ ধরনের ত্রুটির কারণে পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীরা চরম মানসিক চাপে পড়েন।
এতে আরও বলা হয়, একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক ও প্রশ্নপত্র পরিশোধক হিসেবে এ ধরনের ত্রুটি থেকে যাওয়া চরম দায়িত্বহীনতা এবং পেশাগত কর্তব্যে অবহেলার সামিল। পাশাপাশি এ ঘটনায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
নোটিশে প্রশ্নপত্র পরিশোধনে এমন গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতির জন্য কেন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ পাওয়ার তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
৩১ দিন আগে
সাভারে সরকারি জমি দখলের অভিযোগে মামলা, পৌর কর্মকর্তাকে শোকজ
সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার মডেল মসজিদ-সংলগ্ন প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের ২ একর ১৭ শতাংশ সরকারি জমি দখল, ভাঙচুর, লুটপাট, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধন এবং কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে।
এ ঘটনায় সরকারি জায়গার সীমানা প্রাচীর ভাঙতে পৌরসভার বুলডোজার ব্যবহারের অভিযোগ ওঠায় কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টরকে শোকজ করেছে কর্তৃপক্ষ।
সাভার মডেল থানায় বাগধনিয়া ভূমি কার্যালয়ের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. জয়দুল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১৪০ থেকে ১৫০ জন হকারকে আসামি করা হয়েছে। মামলার আর্জির সঙ্গে প্রমাণ হিসেবে আটটি স্থিরচিত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, সাভার মডেল থানার ছোট বলিমেহের মৌজায় সরকারের নামে রেকর্ডভুক্ত ২ একর ১৭ শতাংশ জমি টিনের সীমানা প্রাচীর দিয়ে ঘেরা ছিল। গত সোমবার দুপুরে বিপুলসংখ্যক হকার সেখানে গিয়ে প্রায় ১০০ ফুট টিনের প্রাচীর ভেঙে ফেলেন এবং টিন নিয়ে যান।
এ ঘটনায় সরকারের প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া লুট হওয়া টিনের মূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
মামলায় আরও বলা হয়, হর্টিকালচার সেন্টার ও রাজালাখ ফার্ম এলাকায় সরকারি মালিকানাধীন জমিতে সংঘবদ্ধভাবে প্রবেশ করে হকাররা ভাঙচুর চালান। এ সময় ভূমি কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা মারমুখী আচরণ করেন এবং ভবিষ্যতে বাধা দিলে বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেন।
স্থানীয়দের দাবি, জমিটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা।
ভূমি প্রশাসন জানিয়েছে, ওই জমিতে ভবিষ্যতে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ও প্রস্তাবিত উপজেলা ভূমি কার্যালয় নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে, সরকারি জমি দখলে পৌরসভার বুলডোজার ব্যবহারের অভিযোগে কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর মো. সেলিম আহম্মেদকে শোকজ করা হয়েছে।
সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, পৌরসভার সরকারি বুলডোজার ব্যবহারের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী সোমবার তদন্ত কমিটি গঠন করে জবাব পর্যালোচনা করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী বলেন, সরকারি জমি দখলের চেষ্টায় জড়িতদের শনাক্ত এবং লুট হওয়া টিন উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।
৯৪ দিন আগে
আর্থিক অনিয়ম: কুষ্টিয়ায় এনসিপির দুই নেতাকে শোকজ
কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সমন্বয়কারী ইবাদত আলী ও কুমারখালী উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী হেলাল উদ্দিনকে এ নোটিশ দেওয়া হয়।
দলটির কুষ্টিয়া জেলার প্রধান সমন্বয়কারী জান্নাতুল ফেরদৌস টনি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নোটিশে দুই নেতার বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দকৃত চালের অর্থ আত্মসাৎ এবং নির্বাচনের সময় দলীয় নীতিমালা লঙ্ঘন করে অন্য রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে নোটিশের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে কুমারখালী উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী হেলাল উদ্দিন বলেন, শোকজ নোটিশ পেয়েছি। আমি আমার ব্যাখা দিয়ে দেব।
এ বিষেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস টনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা বিষয়গুলো জানতে পেরেছি। দলের স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ওই দুইজনকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে পারলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। আর যদি প্রমাণ না করতে পারে তাহলে আমরা বিষয়টি কেন্দ্রকে জানাব। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
১৪৬ দিন আগে
রুমিন ফারহানাকে শোকজ, সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে স্বশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ২২ জানুয়ারি সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ব্যাখা দিতে বলা হয় তাকে।
এর আগে, রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে ‘মব’ সৃষ্টির অভিযোগ করা হয়েছে। সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবুবকর সরকার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই অভিযোগ আনা হয়।
নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এবং সিনিয়র সিভিল জজ আশরাফুল ইসলামের কাছে গত শনিবার এ চিঠি পাঠিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
রিটানিং কর্মকর্তা কারণ দর্শানোর নোটিশে লেখেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে রুমিন চারশো থেকে পাঁচশো লোকের উপস্থিতিতে জনসভায় বৃহৎ স্টেজ নির্মাণ করে রাজনৈতিক বক্তব্য রাখেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনসভা বন্ধ করতে বললে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে বিভিন্নরকম হুমকি প্রদান করেন তিনি।
উল্লেখ্য, শনিবার সরাইলের ইসলামাবাদ গ্রামে জনসমাবেশে অংশ নেন রুমিন ফারহানা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে সমাবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সে সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জুয়েল মিয়া নামে একজনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এরপর ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচনি প্রচারণায় প্রশাসনের বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন। তাকে বাধা দেওয়া হচ্ছে, অথচ যারা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উদ্দেশে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘এইরকম (বৃদ্ধাঙ্গুল উঁচু করে) দেখায় আপনাদের। প্রশাসনে বসে আছেন, আপনারা খোঁজ নিন। সব জায়গায় সভা হচ্ছে। আপনি পারলে থামাতেন। আজকে আমি ভদ্রতা দেখিয়ে থামিয়েছি। নেক্স টাইম (পরবর্তী সময়ে) এই ভদ্রতাটা করব না।’
২০৮ দিন আগে
ব্যক্তিগত বক্তব্যের দায়ভার দল নেবে না: এমরান সালেহ প্রিন্স
অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের বক্তব্যে দল বিব্রত হওয়ায় তাকে শোকজ করা হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, যে যাই হোক, যত বড় নেতাই হোক দলের বাইরে গিয়ে ব্যক্তিগত বক্তব্য বা অবস্থানের দায়ভার দল মেনে নেবে না।
বুধবার(২৭ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আগামী ৩০ আগস্ট ময়মনসিংহে জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের প্রথম জাতীয় প্রতিনিধি সমাবেশ। এতে দেশের সমতল অঞ্চলের ১২টি জেলায় বসবাসরত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। সমাবেশে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও কেন্দ্রীয় নেতারা। সমাবেশ সফল করার আহবান জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, উনি একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, ত্যাগী ও সংগ্রামী মানুষ, তাকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তিনি যেটা বলছেন সেটা তার ব্যক্তিগত মত। দল করতে গেলে সব ব্যক্তিগত বক্তব্য প্রকাশ্যে আনা যায় না।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মৃগেন হাগিদগের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমাজাদ আলী, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের ভাইস চেয়ারম্যান সুভাস চন্দ্র বর্মণসহ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নেতাকর্মীরা।
৩৫২ দিন আগে
রাস্তা বন্ধের ঘটনায় জিএমপি কমিশনারকে শোকজ করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রাস্তা বন্ধ করে চলাচলের ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনারকে শোকজ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘তাকে শোকজ করা হবে এবং তার কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময়ে লুট হওয়া বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, লুট হওয়া বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গুলির সন্ধানদাতাদের পুরস্কৃত করা হবে এবং তথ্যদাতাদের পরিচয়ও গোপন রাখা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, এ ক্ষেত্রে তথ্য বা সন্ধানদাতাদের বিভিন্ন হারে পুরস্কার প্রদান করা হবে। পিস্তল ও শর্টগানের ক্ষেত্রে ৫০ হাজার টাকা, চায়না রাইফেলের ক্ষেত্রে এক লক্ষ টাকা, এসএমজি'র ক্ষেত্রে এক লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও এলএমজি'র ক্ষেত্রে পাঁচ লক্ষ টাকা হারে সন্ধানদাতাদের পুরস্কার দেওয়া হবে। তাছাড়া প্রতি রাউন্ড গুলির ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা হারে পুরস্কৃত করা হবে।
পড়ুন: হারানো এলএমজি ও অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
পুলিশসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরে এবার স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্তভাবে নিয়োগ হচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, আগে দুর্নীতির অন্যতম ক্ষেত্র ছিল পুলিশ, আনসার, বিজিবি সহ বিভিন্ন বাহিনীতে নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য। এবার সেটা দূর হয়েছে, বিশেষ করে নিয়োগের ক্ষেত্রে।
তিনি বলেন, এখন পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীতে অনেক নিয়োগ চলমান রয়েছে। এসব নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যাতে কোনো ধরনের দুর্নীতি না হয়, সেজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত এক বছরে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়েছে বলেই সাংবাদিকরা এ নিয়ে কোনো রিপোর্ট করতে পারেননি। উপদেষ্টা এ সময় নিয়োগ প্রক্রিয়া সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে কোনো দুর্নীতির খোঁজ পেলে সে সম্পর্কে রিপোর্ট করা ও মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন। তবে ভুল তথ্য দিয়ে কাউকে হয়রানি না করার অনুরোধ করেন তিনি।
ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৩৫৪ দিন আগে
শোকজের জবাব: নাহিদের সম্মতিতেই কক্সবাজার গিয়েছেন হাসনাত
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ কারণ দর্শানোর নোটিশের (শোকজ) জবাবে জানিয়েছেন, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সম্মতি দেওয়ার পরেই তিনি কক্সবাজার গিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন বরাবর দেওয়া শোকজ নোটিশের জবাবে হাসনাত লেখেন, ৪ আগস্ট রাতে প্রথমে তিনি নাহিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাকে না পেয়ে দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে কক্সবাজার ভ্রমণ প্রসঙ্গে জানান এবং অনুরোধ করেন নাহিদকে জানাতে।
প্রায় ৩০ মিনিট পর নাসীরুদ্দীন জানান, নাহিদ হাসনাতকে কক্সবাজার যাওয়ার সম্মতি দিয়েছে। পরবর্তীতে তার সঙ্গে এনসিপির বাকি নেতারা যুক্ত হোন বলে জানান হাসনাত।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তির দিনে কক্সবাজার সফরে যাওয়ার কারণ জানিয়ে হাসনাত লেখেন, ‘সরকারের উচিত ছিল এমন একটি ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা, যা সেই মানুষগুলোর আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিনিধিত্ব করবে। কিন্তু আমি এবং অনেকেই ব্যথিত হই, যখন দেখি যে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়নের সময় সেই মানুষদের কথা সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করা হয়েছে, যারা অভ্যুত্থানের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন। শহীদ পরিবার, আহত এবং নেতৃত্বদানকারীদের অনেকেই মতামত প্রদানের সুযোগ পাননি এমনকি অন্তর্ভুক্তির ন্যূনতম সম্মানটুকুও পাননি।’
‘আমার এ সফর ছিল অসম্পূর্ণ জুলাই ঘোষণাপত্রের প্রতি আমার নীরব প্রতিবাদ।’ লেখেন হাসনাত।
তিনি বলেন, 'ঘোষণাপত্রের চূড়ান্ত খসড়ায় এমন কিছু উপাদান দেখি, যা অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। যেমন— ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে সংবিধান সংস্কারের জন্য জনগণ পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর দায়িত্ব অর্পণের অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে। এই দাবিটি অসত্য এবং সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনার পথে একটি বড় অন্তরায়।'
পড়ুন: শোকজের জবাব দিয়েছেন এনসিপি নেতারা, সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে পরে
শোকজের জবাবে হাসনাত বলেন, 'আমরা শুরু থেকেই দাবি করে আসছি গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে, যা রাষ্ট্রের কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন আনবে এবং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ঘটাবে। উপরন্তু, ৪ আগস্ট সন্ধ্যায় জানতে পারি যে আমাদের আন্দোলনের আহত এবং নেতৃত্বদানকারী অনেক ভাইবোনকে এই অনুষ্ঠান থেকে সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটি আমার কাছে শুধু রাজনৈতিক নয়, নৈতিক ব্যর্থতা বলেই মনে হয়েছে।'
হাসনাত বলেন, 'আমি ব্যক্তিগতভাবে এই অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। যেখানে ঐক্যের পরিবর্তে বিভাজনকে, শহীদ ও আহতদের পরিবর্তে কিছু মুষ্টিমেয় গোষ্ঠীর কথা এবং মতামতকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, সেখানে উপস্থিত থাকার কোনো ইচ্ছা বা প্রয়োজন আমি বোধ করিনি। কাজেই, এরপরের দিন ঢাকার বাইরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। উদ্দেশ্য ছিল এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টিতে পূর্বে গৃহীত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো বোঝার চেষ্টা করা এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে চিন্তা করা।'
কক্সবাজার ভ্রমণ প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়ার পর যা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিমানবন্দর থেকে এনসিপি নেতাদের প্রতিটি পদক্ষেপের ছবি ও ভিডিও করে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা মিডিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কিছু মিডিয়া সেখানে ক্রাইম মুভির মিউজিক জুড়ে ইচ্ছেমতো মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগসহ সেইসব উপস্থাপন করেছে।
ক্ষোভ ঝেড়ে হাসনাত বলেন, ‘কিছু মিডিয়া ও গোয়েন্দা সংস্থার যোগসাজশে আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপকে অপরাধপ্রবণ এবং সন্দেহজনক হিসেবে উপস্থাপন করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। এমনকি গুজব ছড়ানো হয়েছে, যে আমরা পিটার হাসের সঙ্গে গোপন বৈঠকে যাচ্ছি গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করতে। অথচ তিনি তখন বাংলাদেশেই ছিলেন না।
‘রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এই প্রবণতা, যেখানে কাউকে টার্গেট করে রাষ্ট্রদ্রোহী বানিয়ে ফেলা যায়, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে চলতে পারে না। গোয়েন্দা সংস্থা ও মিডিয়ার এই সম্মিলিত ডিমোনাইজেশন টেকনিক আজকে আমাদের টার্গেট করেছে। ভবিষ্যতে অন্য যে কাউকে করতে পারে। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক ব্যাপার হলো, গোয়েন্দা সংস্থা এবং কিছু মিডিয়া এই একই প্যাটার্নে হাসিনার আমলেও বিরোধী দলের রাজনৈতিক নেতাদের নামে প্রোপাগান্ডা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করত। নতুন বাংলাদেশেও গোয়েন্দা সংস্থা এবং কিছু মিডিয়ার এই পুরনো অপরাধপ্রবণতা আমাকে একইসঙ্গে অবাক এবং ক্ষুব্ধ করে।’ বলেন হাসনাত।
৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়ে কক্সবাজারে ঘুরতে যান এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা ও যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ। পরদিন দলের পক্ষ থেকে তাদের শোকজ করা হয়।ৎ
৩৭২ দিন আগে
বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ভাড়া দেওয়া সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজ
শ্রেণিকক্ষ ভাড়ার বিনিময়ে একটি এনজিওকে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ করে দেওয়া সেই প্রধান শিক্ষক মকছেদ আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগ সত্য কি না- তা আগামী ৭ দিনের মধ্যে তাকে জানাতে বলা হয়েছে।
রবিবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে কুমারখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাজমুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মো. মকছেদ আলী কুমারখালীর যোগেন্দ্রনাথ (জেএন) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
২০০৯ সালে জেএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মকছেদ আলী। তার যোগদানের পর থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রায়ই একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও সংগঠনের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ কর্মশালাসহ নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১৪ বছর ধরে তিনি অসাধু উপায়ে এভাবে এনজিও প্রতিষ্ঠানের কাছে শ্রেণিকক্ষ ভাড়া দিয়ে আয় করে আসছেন।
দীর্ঘদিন ধরে এমন বাণিজ্য চলে আসলেও ভয়ে প্রধান শিক্ষকের এই কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: কলড্রপের কারণে গ্রামীণফোনকে বিটিআরসির শোকজ, জরিমানা হতে পারে ৩০০ কোটি টাকা
স্থানীয় ও অভিভাবকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সম্প্রতি প্রধান শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে সাংবাদিকরা।
একাধিক এনজিও ও সংগঠনের কর্মকর্তার দাবি, শ্রেণিকক্ষে তারা প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করে থাকেন, তা সত্য। তবে এর জন্য তারা প্রধান শিক্ষককে টাকাও দিয়ে আসছেন।
তবে প্রধান শিক্ষকের দাবি, তিনি ভাড়া বাবদ কোনো টাকা নেননি। প্রশিক্ষক হিসেবে এনজিও থেকে মাঝেমধ্যে কিছু সম্মানি পেয়েছেন মাত্র।
ছুটির দিন বা ছুটির পর এসব এনজিওর কাজ চলে থাকে বলে জানান তিনি।
প্রধান শিক্ষক মো. মকছেদ আলী বলেন, ‘কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছি। নোটিশের জবাবে জানানো হবে।’
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষ ভাড়া বাণিজ্যের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাজমুল হক।
তিনি বলেন, ‘প্রধান শিক্ষককে ৭ দিনের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাবের পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।’
আরও পড়ুন: ভোট কেন্দ্র দখলের অভিযোগে চবি ছাত্রলীগের ২৩ জনকে শোকজ
৬২১ দিন আগে
ফেনীতে শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহার করায় লাঙ্গলের প্রার্থীকে শোকজ
ফেনীর সোনাগাজীতে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীর মতবিনিময় সভার ব্যানারে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহার করার অভিযোগে ফেনী-৩ আসনের প্রার্থী লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিকালে ফেনী জেলা যুগ্ম-দায়রা জজ ও ওই আসনের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্ব অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান খায়রুন্নেসা এই নোটিশ দেন।
আগামীকাল শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) বিকাল ৩টার মধ্যে সশরীরে হাজির হয়ে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে নোটিশে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা-২০০৮-এর ৭ (৩) ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনী পোস্টারে বা ব্যানারে প্রার্থী তাহার প্রতীক ও নিজের ছবি ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ছাপাইতে পারেন না।
আচরণ বিধিমালা-২০০৮ এর ৭ (৪) উপবিধিতে (৩) যাই থাকুক না কেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত হইলে, সে ক্ষেত্রে তিনি কেবল তাহার বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ছাঁপাতে পারেন।
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জ-৪ আসন: ব্যারিস্টার সুমনকে আবারও শোকজ
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (০২ জানুয়ারি) বিকালে সোনাগাজীর মতিগঞ্জ কমিউনিটি সেন্টারে ফেনী-৩ আসনে জাতীয় পাটির লাঙ্গল প্রতীকের মতবিনিময় সভার ব্যানারে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহার করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাজারী। এসময় তাকে ফুলেল নৌকা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী।
এছাড়া জাপার লাঙ্গল মার্কার এ মতবিনিময় সভায় ব্যানারে দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের ছোট আকারের একটি ছবি থাকলেও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ছিল চোখে পড়ার মতো।
বুধবার একটি গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হলে তা নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির নজরে আসে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনী প্রচারের অভিযোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষককে শোকজ
৯৫৩ দিন আগে