সেনাপ্রধান
অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের আশা সেনাপ্রধানের, ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের বিজ্ঞান ভবনে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘আজকে আমাদের জাতির জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন, আনন্দের দিন। আমরা গত দেড় বছর এ দিনটার অপেক্ষায় ছিলাম। আজকে আলহামদুলিল্লাহ নির্বাচন হচ্ছে।’
তিনি জানান, সকাল থেকেই সারা দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে এবং ভোটগ্রহণের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি বজায় রয়েছে।
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আরও বলেন, ‘আমি সকালে খবর নিয়েছি, সারা বাংলাদেশে কোথায় কী ঘটছে। আমার কাছে যে খবর, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন চলছে।
এ সময় ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। সবাই নির্ভয়ে বাসা থেকে বের হয়ে পোলিং স্টেশনে গিয়ে ভোট দিন।
গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশংসা করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘যারা ভোট দিতে পারছেন না মিডিয়ার লোকজন আপনারা কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন। সারা দেশের পরিস্থিতি জনগণকে জানাচ্ছেন। জনগণ আশ্বস্ত হচ্ছেন। তারা ভোট দিতে যাচ্ছেন। ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহী হচ্ছেন।’
সেনাপ্রধান আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হবে। তিনি বলেন ‘ইনশাআল্লাহ, আমরা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করতে সক্ষম হব।’
২ দিন আগে
বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বৈঠক
অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বর্তমান পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে ড. ইউনূস আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর অব্যাহত অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি সেনাবাহিনীর এই ভূমিকা সুসংহত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী নির্বাচনের আগে স্পষ্ট কমান্ড কাঠামো ও সব বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সমন্বয় জরুরি।
পড়ুন: নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই: আইন উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি জাতির কাছে অঙ্গীকার করেছি যে এমন একটি নির্বাচন আয়োজন করব— যা ভোটার উপস্থিতি, নতুন ও নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ, নিরাপত্তা এবং বিশ্বব্যাপী আস্থার দিক থেকে আলাদা হবে। এটি হবে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের এক উৎসব।’
প্রধান উপদেষ্টাকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, গুজবে কান দেবেন না। সরকারের সব উদ্যোগ ও কর্মসূচি সফল করতে পুরো সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
১৬৬ দিন আগে
বাংলাদেশে ধর্ম, জাতি ও গোত্রের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না: সেনাপ্রধান
বাংলাদেশে ধর্ম, জাতি ও গোত্রের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বক্তব্যে উৎসবে আমন্ত্রণের জন্য সেনাপ্রধান আয়োজনকারীদের ধন্যবাদ জানান।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ। শত বছর ধরে এখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পাহাড়ি, বাঙালি, উপজাতি সবাই মিলে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। এই দেশ সবার। আমরা সবাই এই দেশের নাগরিক। এখানে কোনো ধর্ম, জাতি বা গোত্রের মধ্যে ভেদাভেদ থাকবে না। এই দেশের প্রতিটি বিষয়ে আমাদের সমান অধিকার। সেইভাবেই আমরা সামনের সোনালি দিনগুলো দেখতে চাই।’
অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানসহ অন্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন: জন্মাষ্টমীর ইতিহাস ও তাৎপর্য
সেনাপ্রধান আরও বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হবে— আমরা সবসময় শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখব এবং সবাই মিলে শান্তিতে বসবাস করব। সারা বাংলাদেশে স্বশস্ত্র বাহিনী মোতায়েত রয়েছে। আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকব এবং এক হয়ে আপনাদের সাথে কাজ করে যাব।’
তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা নিশ্চিন্তে এ দেশে বসবাস করবেন এবং আপনারা আপনারা ধর্মীয় উৎসব আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করবেন। আমরা একসঙ্গে এই আনন্দ ভাগাভাগি করব।’
সেনাপ্রধান আশাপ্রকাশ করেন, ‘জন্মাষ্টমীর এই দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে। এই আদর্শের ভিত্তিতেই আমরা একসঙ্গে সুন্দরভাবে বসবাস করব।’
১৮১ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টা, বিচারপতি ও সেনাপ্রধানকে হত্যার হুমকি দিয়ে গ্রেপ্তার আ. লীগ কর্মী
ফেসবুকে রক্তমাখা ছুরি দেখিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানকে হত্যার হুমকি দেওয়া মো. আলমগীর নামে আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ জুন) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি জাফতনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়- আলমগীর নামে ফটিকছড়ি উপজেলার রক্তমাখা একটি ছুরি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। ভিডিওতে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করতেও দেখা গেছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে এই নিয়ে জনগণে অসন্তোষ দেখা দেয়।
পড়ুন: ইনুকে ডান্ডাবেড়ি পরানোয় পুলিশকে হুমকি
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুর আহমেদ।
তিনি বলেন, রক্তমাখা একটি ছুরি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হত্যার হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে ফটিকছড়ি থানায় হওয়া একটি বিস্ফোরক মামলায় আদালতে পাঠানো হয়।
২৩০ দিন আগে
পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক
ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের চিফ অফ আর্মি স্টাফ (সিওএএস) ফিল্ড মার্শাল সাইয়েদ অসিম মুনির। এ সময়ে সন্ত্রাসীবিরোধী বিভিন্ন পদক্ষেপ ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ডন এমন খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়, গতকাল হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সাথে জেনারেল মুনিরের বৈঠক হয়েছে।
ক্ষমতাসীন কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পাকিস্তানের কোনো চিফ অফ আর্মি স্টাফের এটিই ছিল প্রথম কোনো মুখোমুখি বৈঠক। এছাড়া সামরিক শাসন কিংবা রাজনৈতিক কোনো পদ না থাকলেও মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায় থেকে এর আগে কখনো এমন আমন্ত্রণ পায়নি কোনো পাকিস্তানি সেনাপ্রধান।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ওভাল অফিসে বৈঠক শেষে ক্যাবিনেট কক্ষে ট্রাম্পের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন অসিম মুনির।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি স্টিফ উইটকফও অংশ নেন। এ সময়ে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ অসিম মালিকও উপস্থিত ছিলেন।
দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে তাদের মধ্যে ঘণ্টাখানেক বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তা দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছে।
আরও পড়ুন: অবিলম্বে তেহরান খালি করার আহ্বান ট্রাম্পের
বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় পাকিস্তানের প্রশংসা করেন ট্রাম্প। পাশাপাশি, দুই দেশের সন্ত্রাসবিরোধী জোরালো অভিযানেরও প্রশংসা করেন তিনি।
এতে বলা হয়, সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা বলা হয়েছে দুই পক্ষ থেকে। এ সময়ে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, খনি ও খনিজসম্পদ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), জ্বালানি, ক্রিপ্টোকারেন্সি ও নতুন নতুন প্রযুক্তির বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
পাকিস্তানের আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, কৌশলগত দীর্ঘমেয়াদি সমন্বয়ের ভিত্তিতে পাকিস্তানের সাথে পারস্পরিক লাভজনক বাণিজ্য অংশীদারত্বে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
‘আঞ্চলিক জটিল সময়ে আসিফ মুনিরের নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতারও প্রশংসা করেছেন তিনি। পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে পাকিস্তান সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন অসিম মুনির।’
পরবর্তীতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আজ তার সঙ্গে বৈঠক করে আমি সম্মানিতবোধ করছি। তিনি আমার সঙ্গে একমত হয়েছেন, যে কারণে আজ আমাদের এই বৈঠক হয়েছে। ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে না জড়ানোয় আমি তাকে ধন্যবাদ দিতে চেয়েছিলাম।’
‘আমি অবশ্য ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও ধন্যবাদ দিতে চাই, যিনি কিছুদিন আগে এখানে এসেছিলেন,’ বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
২৩৯ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সস্ত্রীক সাক্ষাৎ
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সস্ত্রীক সাক্ষাৎ করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
শনিবার (৭ জুন) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তারা সাক্ষাৎ করেন। তার সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নজমুল হাসান ও তার সহধর্মিণীও উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
এর আগে, সকালে অধ্যাপক ইউনূস জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। তিনি সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈদের জামাতে অংশ নেন।
ঈদের নামাজে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং ঢাকায় অবস্থানরত মুসলিম দেশগুলোর কূটনীতিকসহ হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসলিম।
আরও পড়ুন: বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ঐক্য ও ত্যাগের আহ্বান অধ্যাপক ইউনূসের
তার আগে, শুক্রবার (৬ জুন) রাতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে অধ্যাপক ইউনূস পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের শিক্ষা ধারণ করে বৈষম্যমুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ নতুন বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের শিক্ষা ধারণ করি এবং জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পর বৈষম্যমুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’
এ সময় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে তাঁর দেশবাসী এবং বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের ধারাবাহিক সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন তিনি।
২৫২ দিন আগে
সরকারি সফরে কাতার গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে কাতারের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
শনিবার (৩ মে) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সফরকালে কাতারের সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন সেনাপ্রধান। সেইসঙ্গে সামরিক বাহিনী সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার লক্ষ্যে মতবিনিময়ও করবেন তিনি।
সফর শেষে আগামী ৫ মে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
এর আগে গত ৬ এপ্রিল সরকারি সফরে রাশিয়া এবং পরবর্তীতে গত ১০ এপ্রিল ক্রোয়েশিয়া সফর করেছিলেন ওয়াকার-উজ-জামান।
সফরকালে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর প্রধান, উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এছাড়া ক্রোয়েশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছিল তার।
২৮৭ দিন আগে
রাশিয়া-ক্রোয়েশিয়া সফর: দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছয়দিনের সফর শেষে শনিবার (১২ এপ্রিল) দেশের মাটিতে পা রাখেন তিনি।
সফরকালে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর প্রধান, ডেপুটি ডিফেন্স মিনিস্টারসহ উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ক্রোয়েশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে তার।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এমন তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ৭ এপ্রিল রাশিয়ার ডেপুটি ডিফেন্স মিনিস্টার জেনারেল এ ফোমিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান।
এ সময়ে তারা দুই দেশের সেনাবাহিনীর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, প্রশিক্ষণ সহায়তা, দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়ন ও পারস্পরিক আস্থা সৃষ্টি, রাশিয়াতে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি, উচ্চশিক্ষা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ে সহযোগিতা এবং যৌথ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন।
রাশিয়ান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওলেগ সালিইউকভের সঙ্গে তিনি দেখা করেন ৮ এপ্রিল। দুদেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি, প্রশিক্ষণ সহায়তা, বিশেষ করে সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রশিক্ষনার্থী বিনিময় এবং যৌথ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়াদিসহ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
আরও পড়ুন: সরকারি সফরে রাশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
এছাড়াও রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থা রোসাটামের মহাপরিচালকের সাথে রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের ভৌত সুরক্ষা ব্যবস্থার কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের ব্যবস্থাকরণের ব্যাপারে আলোচনা করেন তারা।
গত ১০ এপ্রিল ক্রোয়েশিয়া সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান ক্রোয়েশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল তোহিমির কুন্দিদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময়ে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনের সম্ভাব্য সুযোগ, যৌথ সামরিক মহড়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
গত ৬ এপ্রিল সরকারি সফরে রাশিয়া এবং পরবর্তীতে গত ১০ এপ্রিল ক্রোয়েশিয়া গমন করেছিলেন ওয়াকার-উজ-জামান।
৩০৭ দিন আগে
সরকারি সফরে রাশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ঢাকাসরকারি সফরে রাশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
রবিবার(৬ এপ্রিল) সকালে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।
রাশিয়া সফর শেষে আগামী ১০ এপ্রিল ক্রোয়েশিয়া যাওয়ার কথা রয়েছে তার।
আরও পড়ুন: প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন সেনাপ্রধান
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, সফরকালে তিনি উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন এবং প্রতিরক্ষা ও সংশ্লিষ্ট খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।
এছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনা ও অস্ত্র তৈরির কারখানা পরিদর্শন করবেন।
দুদেশ সফর শেষে আগামী ১২ এপ্রিল তিনি দেশে ফিরবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
৩১৪ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন সেনাপ্রধান
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। রবিবার (৩০ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তাদের এই বৈঠক হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে আসন্ন ঈদে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম প্রধান উপদেষ্টার কাছে তুলে ধরেন সেনাপ্রধান।
এছাড়াও লঞ্চ টার্মিনাল, ট্রেন স্টেশন ও বাসস্ট্যান্ডে নিরাপদ সেবা নিশ্চিতকরণসহ সড়কে নিরবিচ্ছিন্ন যান চলাচল; শিল্পাঞ্চলের মালিকদের সাথে শ্রমিকদের বোঝাপড়ার ব্যবস্থাকরণ এবং সেনাবাহিনীর চলমান বিবিধ কার্যক্রম সম্পর্কে তুলে ধরেন তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের সম্মানে দেশের সব সেনানিবাসে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন এবং আহত যোদ্ধা ও শহীদ যোদ্ধাদের পরিবারকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান সম্পর্কেও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয় বৈঠকে।
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
এ সময়ে প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান সেনাপ্রধান। প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
৩২০ দিন আগে