যৌন নিপীড়ন
টঙ্গীর সেই মাদরাসা শিক্ষক কারাগারে
গাজীপুরের টঙ্গীতে শিশুকে যৌন নিপীড়নের মামলায় মাদরাসা শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুরের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওমর হায়দারের আদালত এ আদেশ দেন।
অভিযুক্ত মো. মোসলেম আহমদ টঙ্গীর ক্বরীউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল।
আদালত সূত্রে জানা যায়, সাত বছর বয়সী শিশুটির বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এরপর বিচারকের কাছে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
এর আগে ১৯ অক্টোবর টঙ্গীতে মাদরাসাটির নিচতলার সিঁড়িতে ওই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন করা হয় বলে অভিযোগ করে পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, শিশুটির মধ্যে হঠাৎ মাদরাসায় যেতে অনীহা দেখা যায়। কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে সে মা-বাবাকে ঘটনার কথা জানায়। এরপর ২১ অক্টোবর দুপুরে শিশুটির স্বজনরা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে জেরা করেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজনও সেখানে জড়ো হন। এ সময় শিক্ষককে মারধরও করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
২০ ঘণ্টা আগে
ঢাবি শিক্ষক ওয়াসেল বিন সাদাতকে বরখাস্ত কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) শিক্ষক ওয়াসেল বিন সাদাতকে চূড়ান্ত বরখাস্তের আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রোববার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) এ রুল জারি করেন। সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মুরাদ হোসাইন।
২০২৩ সালের আগস্টে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী গবেষণাপত্র জমা দিতে এসে শিক্ষক ওয়াসেল বিন সাদাতের কক্ষে যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন। ওয়াসেল ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কোর্সের এক্সটার্নাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
অভিযোগপত্রে ওই ছাত্রী উল্লেখ করেন, অধ্যাপক ওয়াসেল তার থিসিস সুপারভাইজার। ১৫ আগস্ট থিসিসের বিষয়ে দেখা করতে গেলে তিনি অত্যন্ত অমার্জিত আচরণ শুরু করেন। পরে ওয়াসেল তাকে মৌখিক ও শারীরিকভাবে হয়রানি করেন বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী।
অভিযোগে বলা হয়, সেদিন অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় পুরো ভবনটি খালি ছিল।
ওই অভিযোগের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রথমে ওয়াসেল বিন সাদাতকে সাময়িক বরখাস্ত করে। পরে গত ৪ আগস্ট তাকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়।
চূড়ান্ত বরখাস্তের ওই আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করা হয়। এর প্রাথমিক শুনানি শেষে আজ রবিবার হাইকোর্ট রুল জারি করেন।
৪৯ দিন আগে
মাগুরায় ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাগুরা পুলিশ লাইন্স মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক অলোক কুমার মৌলিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১২ এপ্রিল) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।
মাগুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আইয়ুব আলী জানান, পুলিশ লাইন্স এলাকার একটি বাসায় ঐ ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে গেলে সহপাঠীদের ছুটি দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর উপর নিপীড়ন চালান। এ বিষয়ে ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতারকচক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার
তিনি আরও বলেন, নিপীড়নের শিকার শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিদ্যালয় প্রধানের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও অভিযুক্তের বিচারের জন্য কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যে ঘটনার প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের হুমকি দিলে সদর থানায় এ বিষয়ে একটি মামলা নেওয়া হয়। ওই মামলার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে গতকাল মাগুরা শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিপীড়নের শিকার মেয়েটির মা অভিযোগ করেন, বিচার চেয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। উপরন্তু বিভিন্ন মহলকে দিয়ে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে অপমান করা হয়েছে। ঘটনাক্রমে মেয়ের সহপাঠীরা বিষয়টি জানতে পেরে তাদের ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করেছে। এই ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রধান ইমাম হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীর পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলেও এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
মাগুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়ে মাগুরা থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশের তদন্ত চলছে।
৫৬০ দিন আগে
যৌন নিপীড়নের ২০ বছর পর ১০ বছরের কারাদণ্ড
নাটোরে শিশুকে যৌন নিপীড়ন ও আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার প্রায় ২০ বছর পর কাজেম আলী ও আতিকুর রহমান নামে দুই ব্যক্তিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় দেন। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: অর্থ আত্মসাত: ডেসটিনির রফিকুল আমীনসহ ১৯ জনের ১২ বছরের কারাদণ্ড
বিশেষ সরকারি কৌসুঁলি (পিপি) আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, ‘এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করলে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ ও শুনানি শেষে বিচারক প্রায় ২০ বছর পর আজ (রবিবার) এ রায় দেন।’
২০০৫ সালের ১৮ মার্চ নাটোর সদর উপজেলার মাঝদিঘা শীবপুর গ্রামে ১১ বছর বয়সী রিপা খাতুন শিউলি নামে এক শিশু বাড়ির পাশে ভেড়া চরাতে গেলে প্রতিবেশী আতিকুর ও কাজেম তাকে যৌন নিপীড়ন করেন। এরপর লজ্জায় বাড়ি ফিরে শিশুটি কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করে।
৬৪৪ দিন আগে
খুলনায় ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
খুলনার তেরোখাদা উপজেলার আজগড়া ইউনিয়নের খড়বাড়িয়া গ্রামের খাদিজাতুল কোবরা (রা) মহিলা দাখিল মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন শিকদারের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে শনিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে মাদরাসার শিক্ষক আলাউদ্দিন শিকদার ক্লাস নেওয়ার সময় বিভিন্ন অযুহাতে ছাত্রীর শরীরে স্পর্শ করে।
আরও পড়ুন: নওগাঁয় ব্যবসায়ী সুমন হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মাদরাসা থেকে বাড়িতে ফিরে কান্নাকাটি করলে তার মা কারণ জিজ্ঞেস করলে সে ওই ঘটনার কথা খুলে বলে।
প্রতিবেশীরা আলাউদ্দিন শিকদার সম্পর্কে জানান, পূর্বেও ওই শিক্ষক একাধিক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করেছেন। মাদরাসার এক ছাত্রীকে বিয়ে করে তিন বছর পর তালাক দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান জানান, ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বৃহস্পতিবার থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে আজ সকালে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নেতানিয়াহু ও হামাসের নিহত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
৭০১ দিন আগে
তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার
খুলনায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মো. হাসিবুর রহমান হাসিব নামে এক মাদরাসার সুপারকে (মাদরাসা প্রধান) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার নগরীর সোনাডাঙ্গা সৈয়দ আলী হোসেন সড়কের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নিপিড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার মো. হাসিবুর রহমান হাসিব শহীদ শেখ আবু নাসের দাখিল মাদরাসার সুপার (মাদরাসা প্রধান)।
এর আগে শুক্রবার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মাদরাসা সুপার মো. হাসিবুর রহমান হাসিবের বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। শিশুটি বর্তমানে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানান, ওই শিশু ও তার ভাই প্রতি রাতে হুজুরের বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায়। বৃহস্পতিবার রাতে পড়তে গেলে হুজুর ভুক্তভোগীর ভাইকে ওজু করতে পাঠান। একা পেয়ে শিশুটির যৌন নিপীড়ন করে। বাড়ি ফিরে শিশুটি কাঁদতে থাকে এবং একপর্যায়ে মাকে সব বলে দেয়। এ ঘটনায় রাতেই এলাকাবাসী ওই শিক্ষকের বাড়ির সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন।
সোনাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার মিত্র বলেন, মাদরাসার সুপারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া আজ রবিবার আদালতে তার রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হবে বলেও জানান উত্তম কুমার মিত্র।
আরও পড়ুন: জাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলায় শিক্ষার্থীর নামে জিডি
যৌন নিপীড়নের অভিযোগে জবি শিক্ষক শাহেদ ইমনকে বরখাস্ত ও চেয়ারম্যান জুনায়েদ হালিমকে অব্যাহতি
৮৯০ দিন আগে
যৌন নিপীড়নের অভিযোগে জবি শিক্ষক শাহেদ ইমনকে বরখাস্ত ও চেয়ারম্যান জুনায়েদ হালিমকে অব্যাহতি
শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন বিভাগের প্রভাষক আবু শাহেদ ইমনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এরই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে অসহযোগিতার অভিযোগে অধ্যাপক ড. জুনায়েদ হালিমকে বিভাগীয় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিন্ডিকেট সভা শেষে সিদ্ধান্তের কথা জানান জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।
উপাচার্য বলেন, 'যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সেলের দেওয়া প্রতিবেদনে যৌন হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীর দায়ের করা অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন: ফাইরুজের আত্মহত্যার ঘটনায় জবি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, অভিযুক্ত সহকারী প্রক্টর ও সহপাঠী সাময়িক বরখাস্ত
এ বিষয়ে আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, ‘আমি উপাচার্য হিসেবে এখানে আসার পর আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আমরা আশা করছি খুব শিগগিরই প্রতিবেদন পাওয়া যাবে।’
তিনি আরও বলেন, আইন বিভাগের শিক্ষার্থী অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আম্মান সিদ্দিকী ও সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ নিয়ে সিন্ডিকেট সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: অবন্তিকার আত্মহত্যা: বিচারের দাবিতে জবি আইন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
অবন্তিকার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে গঠিত কমিটি সম্পর্কেও সিন্ডিকেট সদস্যদের জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
৯৪৮ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় ২ মাদরাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন: বাড়িওয়ালার বিরুদ্ধে মামলা
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দুই মাদরাসা ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে অভিযুক্ত বাড়িয়ালার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় এই মামলাটি করে।
অভিযুক্ত হাজী মো. শহিদুল ইসলাম পৌরসভার দুর্গাপুর এলাকার মৃত নুরুল হক বিশ্বাসের ছেলে। তিনি উপজেলা সাব রেজিট্রার’র কার্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত ট্যাক্স কালেক্টর ও দুই সন্তানের জনক।
আরও পড়ুন: যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন: স্ত্রীর মামলায় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
মাদরাসার পরিচালনা পরিষদ জানায়, প্রায় সাত মাস আগে মহিলা মাদরাসাটি দুর্গাপুর এলাকার হাজী মো.শহিদুল ইসলামের বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়। মাদরাসার একটি কক্ষে বাড়ি মালিক ও তার স্ত্রী থাকেন। মোবাইল চার্জ দিতে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই ওই কক্ষে যায়। সেই সুযোগে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন করেন বাড়ির মালিক মো.শহিদুল ইসলাম। এরপর থেকে হত্যার হুমকি দিয়ে ওই ছাত্রীকে নিয়মিত যৌন নিপীড়ন করে আসছিলেন তিনি।
গত বুধবার আরেক ছাত্রী মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে শহিদুলের অপকর্ম দেখে ফেলে। তাকেও হত্যার হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করে বাড়ির মালিক শহিদুল।
আরও পড়ুন: মীরসরাইয়ে ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনায় ৩ চালকের বিরুদ্ধে মামলা
এদিকে এ ঘটনার পর থেকে প্রভাবশালী একটি মহল থানায় অভিযোগ না করে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। তবে শুক্রবার মাদরাসার দুই শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের বিষয়টি সংবাদ সম্মেলন চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীরা কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মো. খাইরুল আলমকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং মামলার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করতে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল আতিকুল ইসলামকে কুমারখালী থানায় পাঠান।
আরও পড়ুন: রংপুরে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ: ২ হাজার জনের বিরুদ্ধে মামলা
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি ২০১৯ সালে হজ্জ করেছি। এমন কাজ আমি করতে পারি না আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
১৫০০ দিন আগে
যশোরে ৫ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে বৃদ্ধ আটক
যশোরে পাঁচ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক বৃদ্ধকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক মোজাম্মেল হোসেন (৫৬) সদর উপজেলার ডহেরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে মোজাম্মেল ওই শিশুকে টিভি দেখানোর কথা বলে বাড়ির পাশে তার ভাতিজার বাড়িতে নিয়ে যায়। এসময় ওই বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে জোর করে শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন করেন মোজাম্মেল।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে পুলিশের সাথে বিএনপির সংঘর্ষ, আটক ৭
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম জানান, পাঁচ বছরের এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মোজাম্মেল হোসেন নামে এক বৃদ্ধকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে পলাতক আসামিসহ আটক ৫
১৮৭৮ দিন আগে
মে মাসে ১০৪ শিশু, ১৩৬ নারী নির্যাতনের শিকার: মহিলা পরিষদ
মে মাসে মোট ২৪০ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। এর মধ্যে ১০৪ জন কন্যাশিশু এবং ১৩৬ জন নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এ তথ্য জানায়।
দেশের ১৩টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৯৫ জন, তার মধ্যে ৪৫ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার, ৫ জন কন্যাশিশু সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার, ৩ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের পর হত্যার শিকার এবং ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছে ২ জন কন্যাশিশু।
এছাড়াও ৭ জন কন্যাশিশুসহ ১২ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। একজন শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছে। ২ জন কন্যাশিশুসহ ৭ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে।
আরও পড়ুন: এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: অধ্যক্ষ ও হোস্টেল সুপারকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ
মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে নড়াইলে পালিত পিতা কারাগারে
প্রতিবেদনে বলা হয়, অগ্নিদগ্ধের শিকার হয়েছে একজন। উত্ত্যক্তকরণের শিকার হয়েছে ২ জন। ৭ জন কন্যাশিশু অপহরণের ঘটনার শিকার ও ৩ জন কন্যাশিশুকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়েছে। বিভিন্ন কারণে ১১ জন কন্যাশিশুসহ ৪১ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও ২ জন কন্যাশিশুসহ ৬ জনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।
অঅরও পড়ুন: চাঁদপুরে হাত-পা বেঁধে ৯ বছরের শিশু ‘ধর্ষণ’, আটক ১
পিরোজপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভেযোগে আটক ২
এছাড়াও, যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৯ জন, তার মধ্যে ৩ জনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে ২ জন কন্যাশিশুসহ মোট ৬ জন। এছাড়াও আত্মহত্যায় প্ররোচনার শিকার একজন ও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে একজন। বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে আত্মহত্যা করেছে একজন কন্যাশিশুসহ ৫ জন। প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখানের শিকার ২ জন। ৯ জন কন্যাশিশুসহ ৩৬ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বাল্যবিবাহ সংক্রান্ত ঘটনা ঘটেছে ৩টি। জোরপূর্বক বিয়ে ঘটনা ঘটেছে একটি। সাইবার অপরাধের শিকার ২ জন কন্যাশিশুসহ ৩ জন।
১৯৭১ দিন আগে