ব্রহ্মপুত্র নদী
ব্রহ্মপুত্রের তীর রক্ষা বাঁধের বড় অংশজুড়ে ধস, ঝুঁকিতে কয়েক গ্রামের মানুষ
ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষায় কুড়িগ্রামের চিলমারীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দেওয়া বাঁধের চারটি আলাদা স্থানে প্রায় ২০০ মিটার অংশজুড়ে ধস দেখা দিয়েছে। এতে ঝুঁকিতে রয়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারি এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে বাঁধের আরও প্রায় ৩৫ মিটার অংশে নতুন করে ধস দেখা দেয়।
গত এক সপ্তাহে স্বল্প দূরত্বের মধ্যে তিনটি স্থানে ফাটল ও ধস দেখা দেওয়ায় বাঁধের প্রায় ৬০০ মিটার অংশ ভাঙনঝুঁকিতে পড়েছে। এতে কাঁচকোল ও পুঁটিমারি এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
এর আগে গত ১, ১৬ ও ২০ জুলাই তিন দফায় ব্রহ্মপুত্রের ডান তীর রক্ষা বাঁধে ধস দেখা দেয়। পরে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ধস ঠেকানোর উদ্যোগ নেয় পাউবো। এর প্রায় দুই মাসের ব্যবধানে একই বাঁধের বড় একটি অংশে আবারও ধস দেখা দিল।
এদিকে, বাঁধে ধসের খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে চিলমারীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পাউবো রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত মেরামতকাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বাঁধে ধস শুরু হয়। একের পর এক কংক্রিটের ব্লক ও জিও ব্যাগ নদে ধসে পড়তে থাকে। এতে কাঁচকোল ও পুঁটিমারি এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পাউবো সূত্র জানায়, কাঁচকোল বাজার থেকে পুঁটিমারি পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিটার অংশের মধ্যে চারটি স্থানে অন্তত ২০০ মিটার অংশে ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। ফলে বাঁধের প্রায় ৬০০ মিটার অংশ ঝুঁকিতে রয়েছে। বাঁধের ওই অংশটি দুর্বল কাঠামোর ওপর নির্মিত হওয়ায় সেখানে প্রায়ই ধস দেখা দেয়। পরে জরুরি প্রতিরক্ষা কাজের মাধ্যমে ঝুঁকি মোকাবিলা করা হয়।
পাউবো জানায়, বাঁধের ডান তীর ঘেঁষে নদের মূল প্রবাহ থাকায় সেখানে বারবার ফাটল ও ধস দেখা দিচ্ছে। বিষয়টি জানিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত সপ্তাহে কাঁচকোল বাজারসংলগ্ন ডান তীর রক্ষা বাঁধের প্রায় ২৮ মিটার অংশে ধস দেখা দেয়। এর প্রায় ৬০০ মিটার দূরে পুঁটিমারি বাজারসংলগ্ন বাঁধের আরও প্রায় ৩০ মিটার অংশের জিও ব্যাগ সরে গিয়ে ব্লক পিচিংয়ে ফাটল দেখা দেয়। ওই দুটি স্থানের মেরামতকাজ শুরুর আগেই বৃহস্পতিবার রাতে তাদের মধ্যবর্তী স্থানে আরও প্রায় ৩৫ মিটার অংশে ধস দেখা দেয়। এতে তীর রক্ষা বাঁধের কংক্রিটের ব্লক নদে ধসে পড়ছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা কাজ শুরু করা না হলে তীরবর্তী এলাকার বহু বাড়িঘর ও আবাদি জমি নদে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা কবিরুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে পানি বাড়ছে। যে হারে ভাঙন চলছে, তাতে দ্রুত এটি বন্ধ করার ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বাঁধটির বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।’
পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘প্রায় ৬০০ মিটার অংশজুড়ে চারটি স্থানে কোথাও ফাটল, আবার কোথাও ধস দেখা দিয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছি। মূল্যায়ন শেষে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের মোট দূরত্ব বলা যাবে। প্রয়োজনীয় মেরামতকাজের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অনুমতি পেলেই কাজ শুরু করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, আপাতত বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩ দিন আগে
ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার
গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন নাহিদ ও তন্ময় নামে দুই স্কুলছাত্র।
বুধবার (৬ মার্চ) বিকালের দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীর বালাসিঘাট এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে।
এর আগে বুধবার (৬ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বালাসিঘাট এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় নাহিদ ও তন্ময়।
আরও পড়ুন: পল্লবীতে নারীর লাশ উদ্ধার, স্বামী গ্রেপ্তার
স্থানীয়রা জানান, গাইবান্ধা শহর থেকে ছয় বন্ধু সাঁতার কাটার জন্য বালাসীঘাটের ব্রহ্মপুত্র নদীতে নামে। এ সময় চার বন্ধু কিনারে উঠে এলেও দুই বন্ধু নিখোঁজ হয়। পরে স্থানীয়দের খবরে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে।
ফুলছড়ি ফায়ার সার্ভিসের সাব স্টেশন অফিসার আব্দুল বারী জানান, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নিখোঁজ নাহিদ নামের একজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর নিখোঁজ স্কুল ছাত্র তন্ময়ের সন্ধান মেলে বিকালে সাড়ে তিনটার দিকে।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে হাত-পা বাঁধা নারীর লাশ উদ্ধার
চরমোনাই মাহফিলে গিয়ে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার
৯৩৬ দিন আগে
কুড়িগ্রামে বন্যায় বিপর্যস্ত জনজীবন, পানিতে ডুবে ২০ জনের মৃত্যু
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলাসহ অন্যান্য নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় এক মাস ধরে দুর্ভোগে রয়েছেন সাড়ে তিন লাখ মানুষ।
২২৫৮ দিন আগে
কুড়িগ্রামে বন্যার পানি কমলেও মানুষের দুর্ভোগ চরমে
কুড়িগ্রামে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি কমতে থাকলেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। জেলায় প্রথম দফায় ১২ দিন এবং দ্বিতীয় দফায় প্রায় এক সপ্তাহ ধরে পানি বিপদ সীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
২২৬৩ দিন আগে
গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: ২৬ ইউনিয়ন প্লাবিত
উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
২২৬৬ দিন আগে
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী
ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।
২২৬৯ দিন আগে
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বিপদ সীমার ওপরে, পানিবন্দী ৫০ হাজার মানুষ
ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
২২৬৯ দিন আগে