ভারতীয় হাইকমিশনার
ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হচ্ছে রবিবার: হাইকমিশনার
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আবারও পর্যটন (ট্যুরিস্ট) ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছে ভারত।
বৃহস্পতিবার (২৫) রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (আইভ্যাক) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে নিযুক্ত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী এই ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, দেশের পাঁচটি কেন্দ্রের মাধ্যমে এই ভিসা সেবা দেওয়া হবে। সেগুলো হলো: ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনা।
এর আগে, দিনেশ ত্রিবেদী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেন।
আজ দুপুরে বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরিচয়পত্র পেশের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রপতি নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, তার কর্মকাল বাংলাদেশ-ভারত পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, ফলপ্রসূ ও জনকল্যাণমুখী করতে সহায়ক হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে সব ধরনের ভিসা সীমিত করে ভারত। পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় ট্যুরিস্ট ভিসা। এর মধ্যে কেটে গেছে প্রায় দুই বছর।
এরপর বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম সপ্তাহেই ভারতে দেশটির নাগরিকদের জন্য স্থগিত থাকা ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালু করে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা প্রক্রিয়া কবে স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসছিল না।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছিল, নিরাপত্তা উদ্বেগ, জনবল সংকট ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে পুরো কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। এরই মধ্যে নতুন হাইকমিশনার আসার পর ট্যুরিস্ট ভিসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে আলোচনা ছিল।
১২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির নিকট ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরিচয়পত্র পেশের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রপতি নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, তার কর্মকাল বাংলাদেশ-ভারত পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, ফলপ্রসূ ও জনকল্যাণমুখী করতে সহায়ক হবে।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে গঠিত নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার অংশগ্রহণের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা এবং জনগণের কল্যাণকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে সম্মানজনক ও ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ প্রসঙ্গে হাইকমিশনার বলেন, আমাদের দুইটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান, আর এটাই স্বাভাবিক।
রাষ্ট্রপতি এ সময় দুদেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সীমান্ত সমস্যাসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক উদ্যোগের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
১২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
রবিবার (২৪ মে) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
৪৪ দিন আগে
ঢাকার সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলকভাবে কাজ করতে আগ্রহী দিল্লি: প্রধানমন্ত্রীকে প্রণয় ভার্মা
পারস্পরিক স্বার্থ ও দ্বিপাক্ষিক লাভের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং দূরদর্শী পন্থায় একত্রে কাজ করার বিষয়ে ভারতের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ে তার সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ভারতীয় হাইকমিশনার এই আগ্রহের কথা জানান।
৯২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকটি বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে জনস্বাস্থ্য, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন, পল্লী উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ব্যবসা সহজীকরণ, প্রযুক্তি অংশীদারত্ব এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর আলোকপাত করা হয়।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনার পবন বাধে উপস্থিত ছিলেন।
৯২ দিন আগে
শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়ে ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশ সরকারের উদ্বেগ জানাতে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়। পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন পদ্মায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইউএনবিকে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ‘বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার আহ্বান জানিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য অব্যাহত রাখার অনুমতি দেওয়ায়’ বাংলাদেশ সরকারের গভীর উদ্বেগের কথা ভারত সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে দ্রুত প্রত্যর্পণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
এ ছাড়াও আগামী নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার জন্য ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সদস্যদের বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করার জন্য ভারত সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার চেষ্টায় জড়িত সন্দেহভাজনদের ভারতে পালিয়ে যাওয়া রোধ করতে এবং যদি তারা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়, তবে তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ নিশ্চিত করতে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া রক্ষায় বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়ানো ভারতের কাছ থেকে প্রত্যাশিত।
এ সময় ভারতের হাইকমিশনার বলেছেন, ভারত বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে এবং এ বিষয়ে তারা সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।
২০৫ দিন আগে
কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের হাইকমিশনার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তার।
আরও পড়ুন: সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আইনমন্ত্রীর বৈঠক
বৈঠকে দুই দেশের কৃষিখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এ সময় মো. আব্দুস শহীদ ভারতের উদ্ভাবিত বিভিন্ন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত বাংলাদেশে অবমুক্তি, চাষ ও বীজ উৎপাদনের জন্য ভারতের সহযোগিতা কামনা করেন।
এসময় সীমান্তমুক্ত বীজের প্রস্তাব দেন তিনি।
এছাড়া সেচকাজে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার এবং বাংলাদেশকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞামুক্ত রেখে রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে ভারতের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।
ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারতেও মাঝে মধ্যে কোনো কোনো পণ্যের ঘাটতি দেখা দেয়, দাম বেড়ে যায়। সেজন্য অনেক সময় রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অনেক সময় বিশেষ ছাড় বা স্পেশাল এক্সেমশন দেওয়া হয়ে থাকে।
এ সময় কৃষি গবেষণা জোরদার করতে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার উপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
শিগগিরই উচ্চ পর্যায়ের সাইন্টিফিক ভিজিটের মাধ্যমে গবেষণার অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: ভিয়েতনাম,বেলজিয়াম, চেক ও সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ড. হাছানের বৈঠক
কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি বিশেষ করে ড্রোনের ব্যবহার, এগ্রো-প্রসেসিং, পোস্ট হার্ভেস্ট ব্যবস্থাপনা, কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন প্রভৃতি বিষয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন ভারতের হাইকমিশনার।
এসময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। স্বাধীনতার সময় থেকে তারা সবসময় আমাদের পাশে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলাম। প্রায় এক কোটি মানুষকে ভারতে আশ্রয় দিয়েছিল, বিভিন্ন রকম সহযোগিতা করেছিল, কখনো মনে হয়নি আমরা রিফিউজি হিসাবে ভারতে আছি।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে মন্ত্রী আরও বলেন, ফসলের উন্নত জাতের বীজ সীমান্তমুক্ত থাকলে আমরা ফসলের উৎপাদন আরও বাড়াতে পারব। খাদ্যে উদ্বৃত্ত হওয়াও সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, গবেষণা ছাড়া কোনো জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। কৃষি গবেষণায় আমরা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চাই। দেশে আমরা কৃষি গবেষণার সুযোগসুবিধা ও বিজ্ঞানীর সংখ্যা বাড়াতে চেষ্টা করব।
আরও পড়ুন: উজবেকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও তাসখন্দ স্টেট ইউনিভার্সিটি অব ওরিয়েন্টাল স্টাডিজের রেক্টরের বৈঠক
৮৮২ দিন আগে
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিক: ভারতীয় হাইকমিশনার
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকেই তা চলমান রয়েছে। আমাদের এই দুই দেশের সম্পর্ক আত্মত্যাগের সম্পর্ক।
তিনি বলেন, দুই দেশের নাগরিকদের বন্ধন ব্যক্তিগত সম্পর্কের। যা দুই দেশের নাগরিকদের অটুট সম্পর্কের ধারাবাহিকতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ের মতো এমন অটুট সম্পর্ক বজায় থাকলে দুই দেশই বিভিন্ন খাতে আরও এগিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: ‘ভারত বিচিত্রা’ পত্রিকাটিকে দুই দেশের বন্ধুত্বের সেতু হিসেবে উল্লেখ ভারতীয় হাইকমিশনারের
সোমবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে বন্দরের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক, সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট ও রাজস্ব কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা উভয় দেশের সঙ্গে যুক্ত। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের উন্নয়নে আমরা যা প্রত্যাশা করি, সে অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন যাতে আরও অগ্রসর হয়, সেলক্ষ্যে কাজ করছে দুই দেশের সরকার।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার সহধর্মিণী মানু ভার্মা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ডা. শিমুল আহমেদ শিমুল, ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার (রাজশাহী) মনোজ কুমার, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হায়াত, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ, সোনামসজিদ স্থলবন্দর পোর্ট ম্যানেজার মো. মাইনুল ইসলাম, শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধুরী জোবায়ের আহমেদসহ অন্যান্যরা।
সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা সোনামসজিদ স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ'র সঙ্গে মতবিনিময় করে ফিরে আসেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়: প্রধানমন্ত্রীকে ভারতীয় হাইকমিশনার
বঙ্গবন্ধু বিংশ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী ও সাহসী নেতা: ভারতীয় হাইকমিশনার
১১৭৭ দিন আগে
‘ভারত বিচিত্রা’ পত্রিকাটিকে দুই দেশের বন্ধুত্বের সেতু হিসেবে উল্লেখ ভারতীয় হাইকমিশনারের
ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত একটি স্মারক অনুষ্ঠানে এর বহুল আলোচিত মাসিক প্রকাশনা ভারত বিচিত্রা’র একটি বিশেষ সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করে পত্রিকাটির সুবর্ণ জয়ন্তী উদ্যাপন করেছে।
বৃহস্পতিবারের (৬ এপ্রিল) এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যোগদান করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও ভারতবিষয়ক প্রচারের ক্ষেত্রে ভারতীয় হাইকমিশনের একটি অমূল্য মঞ্চ হিসেবে ভারত বিচিত্রার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি পত্রিকাটিকে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের সেতু হিসেবে বর্ণনা করেন।
ভারত বিচিত্রার বিশেষ সংস্করণটি যৌথ পরম্পরা ও মূল্যবোধের পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্বের অগ্রগতিকে উদযাপন করে এবং এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও স্থায়ী সম্পর্কের একটি নিদর্শন।
তিনি ভারত বিচিত্রার সুবর্ণজয়ন্তী সংখ্যার সঙ্গে যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তার মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের ইতিহাস, সমাজ, সংস্কৃতিকে তুলে ধরছে ভারত বিচিত্রা। ৫০ বছর ধরে দুই দেশের হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ককে ধারণ করছে।
এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধ, দুই দেশের রক্তের সম্পর্ককে স্মরণ করেন। বাংলাদেশকে জি-২০ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি দেশ হিসেবে সঙ্গে রাখার কথা উল্লেখ করেন হাইকমিশনার।
‘ভারত বিচিত্রা মানেই বেলাল চৌধুরীর কথা মনে পড়ে। বেলাল ভাই বহু লেখককে সেসময় একত্র করেছিলেন। ভারত বিচিত্রা থাকায় আমি লেখক হিসেবে জায়গা পেয়েছি। আমার মতো মানুষের লেখাও তিনি ছেপেছেন। একটি পত্রিকার ৫০ বছর টিকে থাকা অনেক বড় ব্যাপার।’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর।
ঢাকার বারিধায় ভারতীয় হাইকমিশনের চ্যান্সারি ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে তিনি বলেন, ভারত বিচিত্রার প্রচ্ছদগুলো সব সময় অনেক তাৎপর্যপূর্ণ হয়। বঙ্গবন্ধু, গান্ধী, রবীন্দ্রনাথ- যখন যাকে তুলে আনা দরকার তখন তাকে তুলে এনেছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়: প্রধানমন্ত্রীকে ভারতীয় হাইকমিশনার
১১৮৭ দিন আগে
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রণয় ভার্মা দম্পতি
ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ও তার সহধর্মিণী মিসেস ভার্মা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া সফর করেছেন।
শুক্রবার এই সফরে তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
আরও পড়ুন: মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি
সমাধি সৌধে লিখিত মন্তব্যে হাইকমিশনার বাংলাদেশের ইতিহাসে মার্চ মাসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং ভারত ও বাংলাদেশের অংশীদারিত্বমূলক উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর দর্শনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও গৌরবময় পরম্পরা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অগ্রগতির জন্য তার অনন্য ত্যাগস্বীকারের চিত্রকর্ম পরিদর্শন করেন।
গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম সারা বিশ্বের মানুষকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
তার গৌরবময় পরম্পরা ভারত ও বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য একটি আলোর দিশা এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির যাত্রায় অবিচল অংশীদারিত্বের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন আ.লীগের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের
১২২২ দিন আগে