কোস্টগার্ড
বাগেরহাট কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন ২৩ ভারতীয় জেলে
বাগেরহাট জেলা কারাগারে বন্দি থাকা ভারতীয় ২৩ জন জেলে মুক্তি পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে আদালতের নির্দেশে কারা কর্তৃপক্ষ কোস্টগার্ডের কাছে তাদের হস্তান্তর করেন। এ সময় ভারতীয় দুতাবাসের কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন। পরে কোস্টগার্ড সদস্যরা নিরপত্তা দিয়ে ভারতীয় ওইসব জেলেদের মোংলায় নিয়ে যান।
আগামী পরশু (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমার মধ্যবর্তী স্থানে ভারতীয় কোস্টগার্ড সদস্যদের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হবে বলে জানায় কারা কর্তৃপক্ষ।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাদেশ জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ ধরার অপরাধে নৌবাহিনীর সদস্যরা গত অক্টোবর মাসে দুই দফায় ওই ২৩ জন জেলেকে আটক করেন। এর মধ্যে একটি ট্রলারসহ ১৪ জনকে এবং অপর একটি ট্রলারসহ ৯ জনকে আটক করা হয়েছিল। পরে বাগেরহাটের মোংলা থানায় হস্তান্তর করে তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বাংলাদেশ জলসীমায় প্রবেশ এবং মাছ ধরার অপরাধে সমুদ্র মৎস্য আইনে মামলা করা হয়।
পরে পুলিশ তাদের বাগেরহাট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠালে বিচারক জেলা কারাগারে পাঠান।
বাগেরহাট জেলা কারাগারের সুপার মো. মোস্তফা কামাল জানান, বাংলাদেশ জলসীমা থেকে আটক ভারতীয় ১৪ জেলে ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর এবং ৯ জেলে ২৪ অক্টোবর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে আসেন। চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি বাগেরহাটের আদালত থেকে ভারতীয় ওই ২৩ জেলেকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর ২৫ জানুয়ারি স্বারাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আদেশ আসে। আদেশ মোতাবেক তাদের কারগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানান মোস্তফা কামাল।
কোস্টগার্ড মোংলা পশ্চিম জোনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সেলিম বিশ্বাস জানান, বাগেরহাট জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ আজ (মঙ্গলবার) ভারতীয় ২৩ জেলেকে তাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। আগামীকাল (বুধবার) সকালে মোংলা থেকে কোস্টগার্ড সদস্যরা ওই জেলেদের নিয়ে সমুদ্র পথে রওনা হবেন। এরপর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমার মধ্যবর্তী স্থানে ভারতীয় কোস্টগার্ডের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৭ ডিসেম্বর বাগেরহাট জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে আরও ৪৭ জন ভারতীয় জেলে দেশে ফিরে গেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
নৌপথে পণ্যের চোরাচালান বন্ধে কোস্টগার্ডদের সতর্ক থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
সমুদ্র-নৌপথে ইলিশ ও সারসহ বিভিন্ন পণ্যের চোরাচালান বন্ধে কোস্টগার্ডদের সতর্ক থাকতে হবে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ে কোস্টগার্ডের সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নাবিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান উপদেষ্টা।
আরও পড়ুন: পুলিশ সংস্কারে শিগগির কমিটি গঠন করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
তিনি বলেন, নিজস্ব চাহিদা বিবেচনায় সরকার এ বছর ভারতে ইলিশ রপ্তানি করছে না। তাছাড়া বিদ্যমান ডলার সংকটের মধ্যেও সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ সার আমদানির মাধ্যমে সারের যোগান অব্যাহত রেখেছে।
এ অবস্থায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে ইলিশ ও সারের চোরাচালানের ঝুঁকি রয়েছে বলে জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীগুলোর মধ্যে নৈতিকতার ক্ষেত্রে স্খলন দেখা দিলেও কোস্টগার্ড এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। তারা নৈতিক মানদণ্ড বজায় রেখেছে ও দায়িত্বের ক্ষেত্রে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে।
আরও পড়ুন: মাজারে হামলা বন্ধের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
কোস্টগার্ডদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানে তাদের অতীত ঐতিহ্য ও সম্মান সমুন্নত রেখে অস্ত্রসহ বিভিন্ন পণ্য ক্রয় ও সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখার আহ্বান জানান উপদেষ্টা।
তিনি কোস্টগার্ডের আবাসন, জনবল, অস্ত্র এবং টহল ও উদ্ধারকারী নৌযান ক্রয় ও সংগ্রহসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সহযোগিতা ও ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
এসময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন- জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়াল এডমিরাল মীর এরশাদ আলী।
আরও পড়ুন: সীমান্ত হত্যা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
৪৯৮ দিন আগে
নৌকাডুবিতে নিখোঁজ অভিবাসীর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে ইতালির কোস্টগার্ড
চলতি সপ্তাহে ক্যালাব্রিয়ান উপকূল থেকে ১৯৫ কিলোমিটার (১২০ মাইল) দূরে বিপজ্জনক মধ্য ভূমধ্যসাগরে একটি নৌকাডুবিতে নিখোঁজ কয়েক ডজন অভিবাসন প্রত্যাশীর সন্ধানে সমুদ্র পথে ইতালির কোস্টগার্ড অনুসন্ধান চালানোর পর বৃহিস্পতিবার থেকে আকাশ থেকেও অনুসন্ধান শুরু করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।
অনুসন্ধান অভিযানের কমান্ডার বলেছেন, আংশিক ডুবে যাওয়া নৌকাটি এখনও দৃশ্যমান, তবে সেখানে কোনও মৃতদেহ দেখা যাচ্ছে না।
সোমবার নৌকাডুবির পর একটি মাছ ধরার নৌকা সেখান থেকে ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল। যদিও উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে একজন পরে মারা যান। এছাড়া ছয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বেঁচে ফেরা ব্যক্তিরা বলছেন, আরও ৬০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বেঁচে যাওয়া আরোহীদের বরাতে ইউএন শরণার্থী সংস্থা এবং জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থা বলছে, ইরান, সিরিয়া ও ইরাকের প্রায় ৭৫ জন আরোহী নিয়ে তুরস্ক থেকে রওনা হওয়ার আট দিন পর নৌকার মোটরটিতে আগুন ধরে যাওয়ায় এটি ইতালির উপকূলে ডুবে যায়। এদের মধ্যে ২০ জনেরও বেশি শিশু রয়েছে।
ডক্টরস উইদাউট বর্ডারের এক মুখপাত্র বলেন, বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা মানসিক ও শারীরিক উভয় ধরনের আঘাতের শিকার হয়েছেন এবং 'খুবই বিভ্রান্ত' রয়েছেন।
গোষ্ঠীটির মানবিক বিষয়ক দায়িত্বে থাকা সিসিলিয়া মোমি বলেছেন, ‘তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ... এবং এখনও জানি না তাদের পরিবারের মধ্যে কে বেঁচে আছেন এবং কে সমুদ্রে মারা গেছেন।’
আরও পড়ুন: তিউনিসিয়া উপকূলে নৌকাডুবিতে নিহত ৮ বাংলাদেশির মরদেহ আজ দুপুরে ঢাকায় পৌঁছাবে
তিনি বলেন, ‘অনেকের পুরো পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। কেউ হারিয়েছেন স্ত্রীকে, কেউ হারিয়েছেন সন্তানকে, আবার হারিয়েছেন স্বামীকে, বন্ধুকে এবং ভাতিজাকে।’
সোমবার আরেকটি ঘটনায় দাতব্য উদ্ধারকারী জাহাজ নাদির সিরিয়া, মিশর, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা ৫১ জনকে উদ্ধার করে ল্যাম্পেদুসা বন্দরে নিয়ে যায়। দুর্ঘটনার শিকার ওই পাচারকারী নৌকার নিচের ডেক থেকে আরও ১০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। যারা সেখানে শ্বাসরোধে মারা যান।
জাতিসংঘের সংস্থাগুলো জানিয়েছে, এই মৃত্যুর ফলে ৮০০ জনেরও বেশি লোক মারা গেছে বা নিখোঁজ হয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে চলতি বছরে মধ্য ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় তারা মারা গেছেন। সেই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে পাঁচজন মারা গেছেন।
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস বলেছে, এই ঘটনাগুলো ‘অভিবাসন এবং আশ্রয়ের ক্ষেত্রে ইউরোপের ব্যর্থ দৃষ্টিভঙ্গির আরেকটি প্রমাণ। যা মানবিক অভ্যর্থনার চেয়ে বাধাদান এবং প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দেয়।’
আরও পড়ুন: ভূমধ্যসাগরে দুটি নৌকাডুবিতে ১১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৬৪
৫৮৬ দিন আগে
চট্টগ্রামে গভীর সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলে জীবিত উদ্ধার
গভীর সাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে তিন দিন ধরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
সোমবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ১৯ আগস্ট ‘এফবি রাজু’ নামের একটি ফিশিং বোট চট্টগ্রামের আকমল আলী ঘাট থেকে সাগরে মাছ ধরতে যায়। ওই দিন বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ইঞ্জিন বিকল হয়ে বোটটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে সমুদ্রে ভাসতে থাকে।
২১ আগস্ট বোটটি ভাসতে ভাসতে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আসলে জেলেরা উদ্ধার সহায়তা চেয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পূর্ব জোনে যোগাযোগ করে।
আরও পড়ুন: নিম্নচাপে ভোলায় ৫ ট্রলারডুবি, ৬ জেলে নিখোঁজ
পরবর্তীতে কোস্ট গার্ডের নিয়মিত টহল জাহাজ ‘অপূর্ব বাংলা’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাইফুর রহমান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে সকাল ৯টায় সাগরে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কোস্টগার্ড জানায়, জেলেরা সাগরে তাদের সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি। উত্তাল সাগরে টানা তিন ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে বিপজ্জনকভাবে ভাসতে থাকা বোটটি আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে ১৩ জেলেসহ সাঙ্গু গ্যাসফিল্ড থেকে আনুমানিক ১০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ পূর্বে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়।
উদ্ধার জেলেরা নোয়াখালী জেলার বাসিন্দা। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও খাবার সরবরাহ করা হয়।
উদ্ধার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য কোস্টগার্ড জাহাজ জেলেসহ বোটটি কোস্টগার্ড বার্থ পতেঙ্গায় এনে মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন: সুন্দরবন থেকে অপহৃত ১৪ জেলে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫
৮৮৯ দিন আগে
চাঁদপুরে যাত্রীবাহী লঞ্চ থেকে ৯ কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ
চাঁদপুরে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ থেকে ৮ কোটি ৯২ লাখ টাকার কারেন্ট জাল জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড (বিসিজি) সদস্যরা।
শুক্রবার (১৮ আগস্ট) চাঁদপুর কোস্টগার্ডের স্টেশন অফিসার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাশহাদ উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে চাঁদপুর জেলার মেঘনা নদীর মোহনায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে কুরিয়ার সার্ভিস থেকে ২০ লাখ মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার
তিনি বলেন, অভিযানকালে ফতুল্লা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি গাজী সালাউদ্দিনে তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে আড়াই লাখ মিটারের বেশি নতুন কারেন্ট জাল জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৮ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তবে অভিযানে কাউকে আটক করা যায়নি।
তিনি আরও জানান, পরে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জব্দ করা কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: অবৈধ কারেন্ট জালসহ ১৭ জেলে গ্রেপ্তার
কুষ্টিয়ায় ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার
৮৯২ দিন আগে
টাইটান সাবমার্সিবল বিস্ফোরিত হয়ে ৫ অভিযাত্রীরই মৃত্যু হয়েছে: মার্কিন কোস্টগার্ড
টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাওয়া পাঁচজন অভিযাত্রীকে বহনকারী ডুবোজাহাজ টাইটান সাবমার্সিবল বিস্ফোরিত হয়ে জাহাজে থাকা সবাই প্রাণ হারিয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পাঁচজনকে জীবিত খুঁজে পাওয়ার আশা কমতে থাকে, কেননা রবিবার যাত্রার সময় সাবমার্সিবলটিতে মাত্র ৯৬ ঘণ্টা বেঁচে থাকার মতো অক্সিজেন ছিল।
মার্কিন কোস্টগার্ড ঘোষণা করেছে যে উত্তর আটলান্টিকে নিমজ্জিত টাইটানিক থেকে প্রায় ১৬০০ ফুট দূরে সাবমার্সিবলটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে।
ফার্স্ট কোস্টগার্ড ডিস্ট্রিক্টের রিয়ার অ্যাডএম জন মাগার বলেছেন, ‘এটি (দুর্ঘটনার কারণ) ছিল জাহাজটির একটি বিপর্যয়কর বিস্ফোরণ।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নৌবাহিনীর একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানিয়েছেন, নৌযানটি নিখোঁজ হওয়ার পরে মার্কিন নৌবাহিনী ফিরে যায় এবং এর শাব্দিক তথ্য বিশ্লেষণ করে একটি অসঙ্গতি খুঁজে পায়। শব্দটি ‘যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সময় টাইটান ডুবোজাহাজটি যেখানে কাজ করছিল তার আশেপাশে একটি বিস্ফোরণ বা বিস্ফোরণের শব্দের মতো।’
তিনি আরও বলেন, নৌবাহিনী সেই তথ্যটি কোস্টগার্ডের কাছে পাঠিয়েছিল, কারণ নৌবাহিনী শব্দটি শুনে নিশ্চিত কিছু বুঝতে পারেনি।
যে সংস্থাটি ডুবোজাহাজের মালিকানা এবং এই অভিযানটি পরিচালনা করেছিল সেই ওশানগেট এক্সপিডিশনস এক বিবৃতিতে বলেছে, সিইও ও পাইলট স্টকটন রাশসহ জাহাজের পাঁচজন লোকই ‘দুঃখজনকভাবে হারিয়ে গেছে।’
বোর্ডে অন্যদের মধ্যে ছিলেন একজন বিশিষ্ট পাকিস্তানি পরিবারের দুই সদস্য শাহজাদা দাউদ এবং তার ছেলে সুলেমান দাউদ; ব্রিটিশ অভিযাত্রী হামিশ হার্ডিং এবং টাইটানের বিশেষজ্ঞ পল-হেনরি নারজিওলেট।
ওশানগেট এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এই ব্যক্তিরা সত্যিকারের অভিযাত্রী ছিলেন, আমরা তাদের হারানোর ক্ষতিতে শোক প্রকাশ করছি এবং স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: নারীদের জমির মালিকানায় আইনি বাধা দূর করুন: জাতিসংঘ প্রধান
ওশানগেট ২০২১ সাল থেকে বার্ষিক সমুদ্রযাত্রার মাধ্যমে টাইটানিকের ধ্বংস এবং এর চারপাশের পানির নিচের ইকোসিস্টেম নিয়ে জরিপ করছে। কোম্পানির অফিস ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে, কারণ সংস্থাটির কর্মীরা তাদের দলের সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে’।
কোস্টগার্ড টাইটানের সঙ্গে কী ঘটেছে সে সম্পর্কে আরও জানতে অনুসন্ধান চালিয়ে যাবে।
হোয়াইট হাউস অনুসন্ধান ও উদ্ধার প্রচেষ্টায় সাহায্যকারী কানাডিয়ান, ব্রিটিশ ও ফরাসি অংশীদারদের সঙ্গে মার্কিন কোস্টগার্ডকেও ধন্যবাদ জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, টাইটানে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি আমাদের সমবেদনা। তারা গত কয়েকদিন ধরে এক যন্ত্রণাদায়ক অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়ে গেছে এবং আমরা তাদের আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনায় রাখছি।
স্থানীয় সময় রবিবার ভোর ৬টায় টাইটান উৎক্ষেপণ করা হয় এবং সেদিন বিকালে নিউফাউন্ডল্যান্ডের সেন্ট জন'স থেকে প্রায় ৪৩৫ মাইল (৭০০ কিলোমিটার) দক্ষিণে ওভারডিউ রিপোর্ট করা হয়েছিল।
ভার্জিনিয়ার নরফোকের একটি মার্কিন জেলা আদালতে সংস্থাটির দাখিলকৃত চিঠি অনুসারে, ২০২১ ও ২০২২ সালে অন্তত ৪৬ জন লোক সফলভাবে ওশানগেট এর ডুবোজাহাজে টাইটানিক সাইটে ভ্রমণ করেছিল।
কিন্তু সাবমার্সিবলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন যাত্রীরা।
কোম্পানির প্রথম গ্রাহকদের মধ্যে একজন দুই বছর আগে সাইটের একটি ডাইভকে একটি আত্মঘাতী মিশনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
গভীর-সমুদ্র বিষয়ক পরিবেশবিদ এবং ইংল্যান্ডের পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানের প্রভাষক নিকোলাই রোটারম্যান বলেছেন, টাইটানের অন্তর্ধান গভীর সমুদ্রের পর্যটনের বিপদ এবং অজানাকে মনে করিয়ে দেয়।
তিনি বলেন, ‘এমনকি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তিও ব্যর্থ হতে পারে এবং তাই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
রোটারম্যান আরও বলেছেন, ‘গভীর সমুদ্রের পর্যটন বৃদ্ধির সঙ্গে আমাদের অবশ্যই এরকম আরও ঘটনার কথা মনে রাখতে হবে।’
আরও পড়ুন: নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে নৌকাডুবিতে নিহত ১০৩
ইউক্রেনের কাখোভকা বাঁধ ধ্বংস, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭
৯৪৯ দিন আগে
পটুয়াখালীতে কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে আটক ১০
এসময় আটকদের কাছ থেকে ২৩ ড্রামভর্তি আনুমানিক ১৫ লাখ পিস বাগদা চিংড়ি রেণু পোনা এবং সাতটি বেহুন্দী জাল জব্দ করা হয়। এসময় মোট ১০ জনকে আটক করা হয়।
আরও পড়ুন: কোস্টগার্ডের অভিযানে ১০ হাজার কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ
জব্দকৃত রেনু পোনার বাজারমূল্য আনুমানিক ৩০ লাখ টাকা।
জানা যায়, পটুয়াখালীর কলাপাড়ার অমিথপুর এলাকায় কোস্টগার্ড নিজামপুর বিসিজি কন্টিনজেন্ট কমান্ডার এম আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে পাচারকালে একটি ট্রাক থেকে ২৩ ড্রামভর্তি আনুমানিক ১৫ লাখ পিস বাগদা চিংড়ি রেণুপোনা জব্দ করা হয়। এসময় ট্রাকসহ দুজন চালককে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে মৎস্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে জব্দকৃত চিংড়ি রেণুপোনা দুপুরে কলাপাড়ার সোনাতলা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
এছাড়া, আটক ট্রাক চালকদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অপরদিকে, কোস্টগার্ড পটুয়াখালী মহিপুর থানার আন্দারমানিক নদীর মোহনায় আরেকটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের বোট তল্লাশি করে সাতটি বেহুন্দী জাল ও একটি বোটসহ আট জেলেকে আটক করা হয়।
জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এছাড়াও আটক জেলেদের মুচলেকা নিয়ে বোটটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় মোখা: জেলেদের ফিরিয়ে আনতে ভোলায় কোস্টগার্ডের প্রচারণা
৯৯৯-এ ফোন: ঝড়ে চরে আটকে পড়া ২২ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড
৯৮৭ দিন আগে
ঘূর্ণিঝড় মোখা: জেলেদের ফিরিয়ে আনতে ভোলায় কোস্টগার্ডের প্রচারণা
ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাত থেকে রক্ষা পেতে গভীর সাগর ও সাগর মোহনায় মাছ শিকার করতে যাওয়া ভোলার জেলেদের নিরাপদে বাড়ি ফিরে আনার জন্য মাইকিং ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন জেলার কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের সদস্যরা।
শুক্রবার সকাল থেকে ভোলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের সদস্যরা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এসময় তারা জেলেদের সকর্ত করতে মাইকিংয়ের মাধ্যমে আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে সকর্ত করেন।
আরও পড়ুন: সিত্রাং: ২০ বাংলাদেশি জেলেকে উদ্ধার করল ভারতীয় কোস্টগার্ড
অপরদিকে, ভোলার মেঘনা নদীর পানি স্বাভাবিক রয়েছে। জেলেরাও নদীতে মাছ শিকার করছে। তবে সমুদ্রগামী অনেক জেলে আবহাওয়ার সংবাদ শুনে ঘাটে ফিরে এসেছে। তবে অনেকে এখনো সাগরে রয়েছে।
বিভিন্ন মাছ ঘাটে নদী ও সাগরে থাকা জেলেদের সতর্ক করতে মাইকিং করছে কোস্টগার্ড সদস্যরা। যাতে করে গভীর সমুদ্রে থাকা জেলেরা নিরাপদে ফিরে আসতে পারে।
এছাড়াও জেলেরা যারা সাগরে বা দূরবর্তী স্থানে রয়েছে তাদেরকে নিরাপদ স্থানে সরে আসতে ঘাটের আড়ৎদার ও পরিবারে মাধ্যমে খবর পাঠানো হচ্ছে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা শুনে আতঙ্কে রয়েছে উপকূলের মানুষ। ইতোমধ্যে জেলেরা তাদের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে আসতে শুরু করেছেন।
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের অপারেশন অফিসার লেফটেন্যান্ট মেহেদী হাসান গণমাধ্যমে জানান, গভীর সমুদ্রে অবস্থান করা মাছ ধরার ট্রলার যারা ভিএফএস রেডিও সেট ব্যবহার করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
তারা অলরেডি উপকূলে ফিরে আসছে। আর যাদের কাছে ভিএফএস রেডিও নেই তাদের ক্ষেত্রে মাছঘাট ও মৎস্য মালিক সমিতির মাধ্যমে বার্তাটি পৌঁছানো হয়েছে।
তারাও তীরে ফেরত আসছে বলে মালিক সমিতি নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও প্রতিটি মাছঘাটে কোস্টগার্ড সদস্য মাইকিং করছে।
ভোলা সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন জানান, সমুদ্রগামী জেলেদের তীরে ফিরিয়ে আনতে কোস্টগার্ড ও সিপিপি সদস্যদের মাধ্যমে প্রতিটি ঘাটে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ জেলে তীরে ফিরে এসেছে। বাকীরাও দ্রুত চলে আসবে।
অপরদিকে নতুন করে যাতে কোনো জেলে সাগরে যেতে না পারে সে ব্যাপারে নজর রাখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ৯৯৯-এ ফোন: ঝড়ে চরে আটকে পড়া ২২ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড
সেন্টমার্টিন থেকে ৭ লাখ ইয়াবা উদ্ধার: কোস্টগার্ড
৯৯০ দিন আগে
কক্সবাজারে ৯৯৯-এ কল দিয়ে উদ্ধার হলো ১৯ জেলে
কক্সবাজারে গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় ১৯জন জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। শনিবার সকালে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূল থেকে ২২.৫ নটিকাল মাইল দূরে গভীর সমুদ্রে থেকে একটি ফিশিং বোট থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।
গত ২৩ এপ্রিল এফডি ‘সজীব-১’ নামক একটি ফিশিং ট্রলার ভোলা জেলার মনপুরা এলাকা থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সমুদ্রে যায়। একপর্যায়ে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রনহীনভাবে গভীর সমুদ্রে ভাসতে থাকে। বিকল হয়ে যাওয়া মাছ ধরার ট্রলারটি ভাসতে ভাসতে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আসলে জেলেরা উদ্ধার সহায়তা চেয়ে ৯৯৯ নাম্বারে কল দেয়।
বিকালে শহরের নুনিয়াছড়া এলাকায় কোস্টগার্ড পূর্ব জোন বিসিজি স্টেশানে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লে. কমান্ডার এইচ এম লুৎফুল লাহিল মাজিদ।
তিনি বলেন, ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রনহীনভাবে গভীর সমুদ্রে ভাসতে থাকে। বিকল হয়ে যাওয়া মাছ ধরার ট্রলারটি ভাসতে ভাসতে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আসে জেলেরা উদ্ধার সহায়তা চেয়ে অবগত করে। এসময় গভীর সমুদ্রে নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিতে পারেনি জেলেরা।
তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে কোস্টগার্ড তৎক্ষণাৎ সমুদ্রে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে ১৯ জন জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
১০০৩ দিন আগে
৯৯৯-এ ফোন: ঝড়ে চরে আটকে পড়া ২২ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড
৯৯৯-এ কল পেয়ে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর লঞ্চঘাটের বিপরীতে মেঘনা নদীর পশ্চিমে বাহেরচরে ভ্রমণে গিয়ে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের সময় আটকা পড়া ২২ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) রাত ১০টায় কোস্ট গার্ড ঢাকা জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুর রহমান ইউএনবিকে এ তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে জুম্মাতুল বিদা’র বৃহত্তম জামাত অনুষ্ঠিত
তিনি বলেন, ৯৯৯-এ কল পেয়ে আনুমানিক রাত ৮টার দিকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ঢাকা জোন অধীনস্থ বিসিজি আউটপোস্ট মোহনপুর কর্তৃক কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. মনিরুজ্জামান এর নেতৃত্বে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানাধীন মোহনপুর লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীর বাহেরচর থেকে ২২ জন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড।
তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা বিকালে মেঘনা নদীর পশ্চিমে বাহেরচর পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে গিয়ে সন্ধ্যায় বৈরি আবহাওয়া কারণে আটকা পড়েন।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে ৯৯৯-এ খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুততার সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের নিরাপদে উদ্ধার করেন।
পরবর্তীতে তাদের সবাইকে মেঘনার পশ্চিম পাড়ে এনে পরিবারের কাছে পাঠানো হয় বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
এছাড়া এরা সবাই মতলব উত্তরের বিভিন্ন এলাকার বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ১৭ দিন পর দেখা মিলল স্বস্তির বৃষ্টির
চাঁদপুরে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু
১০০৫ দিন আগে