কর্মচারী
ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের পাল্টাপাল্টি অবস্থান
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলামের বদলিকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক এবং কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ঢামেক হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকে এই চিত্র দেখা যায়।
একদিকে ঢামেক হাসপাতালের চিকিৎসকরা হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামানের বদলি চাচ্ছেন। অন্যদিকে, তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হানিফকে মারধরের ঘটনায় অবস্থান নিয়েছেন কর্মচারীরা।
আজ দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের একটি দল হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে প্রবেশ করে ‘দফা এক, দাবি এক—পরিচালকের পদত্যাগ’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরে তারা পরিচালকের কক্ষে অবস্থান নেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলামের বদলি ও তার পরিবর্তে নতুন কর্মকর্তার যোগদানকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরেই হাসপাতালটিতে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
সম্প্রতি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলামকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি করা হয়। একইসঙ্গে ময়মনসিংহের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোজাম্মেল হককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি করা হয়। তবে মোজাম্মেল হককে ঢাকা মেডিকেলে যোগদান করতে না দেওয়ায় চিকিৎসকদের একটি পক্ষ পরিচালকের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করে। ওই পক্ষের চিকিৎসকরা মোজাম্মেল হককে দ্রুত যোগদান দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
গত রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলামকে ময়মনসিংহে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে সোমবার চিকিৎসকদের ওই পক্ষ রেজাউলের কক্ষে তালা দিতে গেলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী মো. হানিফের কাছে তালা চান। এ সময় চিকিৎসকরা তাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করেন হানিফ।
এ ঘটনার প্রতিবাদে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা সোমবার হাসপাতালে প্রতিবাদ মিছিল করেন। একই সঙ্গে তারা তাদের সহকর্মী হানিফকে মারধরের ঘটনায় পরিচালকের কাছে মৌখিকভাবে বিচার দাবি করেন। মঙ্গলবার তারা লিখিতভাবে পরিচালকের কাছে হানিফকে মারধরের ঘটনার বিচার চেয়ে স্মারকলিপি দিতে প্রশাসনিক ব্লকে যান।
তবে ওই সময় চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের একটি দল পরিচালকের কক্ষে প্রবেশ করে অবস্থান নেওয়ায় কর্মচারীরা স্মারকলিপি দিতে পারেননি। বর্তমানে পরিচালকের কক্ষের ভেতরে চিকিৎসকরা অবস্থান করছেন এবং বাইরে কর্মচারীরা অবস্থান করছেন। ফলে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলামের বদলির আদেশের প্রজ্ঞাপন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সোমবার বাতিল করেছে বলে জানা গেছে। এর পরদিনই চিকিৎসকরা হাসপাতালে এসে পরিচালকের পদত্যাগের দাবিতে তার কক্ষে অবস্থান নেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আজিম বলেন, আমাদের কর্মচারী মো. হানিফকে মারধরের ঘটনায় আমরা পরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছিলাম। আমাদের কর্মচারীর গায়ে কেন হাত দেওয়া হলো, সেটির বিচার আমরা চাই। আমরা এখনও স্মারকলিপি দিতে পারিনি। চিকিৎসকরা পরিচালকের কক্ষের ভেতরে অবস্থান করছেন।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফুল আলম বাদশা বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি চিকিৎসা করতে দেননি। তিনি ফ্যাসিস্টের দোসর। যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি পদত্যাগ না করবেন, ততক্ষণ আমাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
১৩ দিন আগে
ভাটারায় গ্যারেজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কর্মচারী নিহত
রাজধানীর ভাটারার বারিধারা এলাকায় একটি গাড়ির গ্যারেজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. রিয়াজ (২৮) নামে এক কর্মচারী নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।
গ্যারেজের মালিক জাকির হোসেন জানান, সকালে গ্যারেজ খোলার পর লাইট জ্বালাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে রিয়াজ অচেতন হয়ে পড়েন। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।
৯৬ দিন আগে
রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে ডেন্টাল হাসপাতালের কর্মচারী গুলিবিদ্ধ
রাজধানীর বনানীর মহাখালী পুরাতন কাঁচাবাজার এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে মো. রফিকুল ইসলাম (৪০) নামে মিরপুর ডেন্টাল হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মচারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
গুলিবিদ্ধ রফিকুল বরগুনা সদরের ঘরবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুল রশিদের ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে মহাখালী আইপিএস স্টাফ কোয়ার্টারে বসবাস করতেন।
রফিকুলের বোন রাশেদা বেগম জানান, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে মহাখালী পুরাতন কাঁচাবাজার এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলে চড়ে এসে ৫ থেকে ৬ জন লোক রফিকুলের পায়ে গুলি করেন। এরপর তারা পালিয়ে যান। আমার ভাইয়ের বাম পায়ে হাঁটুর নিচে গুলি লাগলে তিনি আহত হন। পরে আমরা খবর পেয়ে তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাই। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, আমরা সে বিষয়ে কিছুই জানি না।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, গত রাতে বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। বর্তমানে হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।
১০৮ দিন আগে
ভাতার দাবিতে আন্দোলন: সচিবালয়ের ১৪ কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত
সচিবালয় ভাতার দাবিতে আন্দোলন করা ১৪ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আদালত চার্জশিট গ্রহণ করায় সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে ওই কর্মচারীদের বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীদের মধ্যে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির, সহ-সভাপতি শাহীন গোলাম রাব্বানী ও নজরুল ইসলাম রয়েছেন।
এ ছাড়াও সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অন্য কর্মচারীরা হলেন—স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মো. তায়েফুল ইসলাম, বিকাশ চন্দ্র রায়, ইসলামুল হক, মো. মহসিন আলী, রোমান গাজী ও আবু বেলাল, তথ্য মন্ত্রণালয়ের মিজানুর রহমান সুমন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কামাল হোসেন ও মোহাম্মদ আলিমুজ্জামান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিপুল রানা বিপ্লব এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নাসিরুল হক।
সচিবালয় ভাতার দাবিতে গত ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে আন্দোলনে নামেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশের নেতৃত্বে হওয়া ওই আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রায় ছয় ঘণ্টা সচিবালয়ের একটি দপ্তরে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন আন্দোলনকারীরা।
পরের দিনও আন্দোলন অব্যাহত থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কয়েকজন কর্মচারীকে সচিবালয় এলাকা থেকেই আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে আদালত তাদের রিমান্ডেও পাঠান।
সরকার দাবির বিষয়ে আশ্বাস দেওয়ার পরও আন্দোলন অব্যাহত রাখায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আন্দোলনকারী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো।
২৫০ দিন আগে
কর্মচারীদের দাবি প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব
‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিল করার বিষয়ে কর্মচারীদের দাবি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অবহিত করা হবে। তার কাছে দাবিগুলো তুলে ধরবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
বুধবার (২৮ মে) সকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিল করার বিষয়ে কর্মচারীদের দাবিগুলো তুলে ধরেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদসহ কয়েকজন সচিব।
এর আগে, গতকাল (মঙ্গলবার) আন্দোলনরত সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। বৈঠকে কর্মচারীরা অধ্যাদেশটি সম্পূর্ণ বাতিলের দাবি জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সালেহ আহমেদ বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে কর্মচারীদের দাবিসহ গতকালের আলোচনার বিষয়টি জানিয়েছি। এখন এ বিষয়ে তার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। তাই তিনি বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার কাছে তুলে ধরবেন।’
আরও পড়ুন: সচিবালয়সহ সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভের ডাক
স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ মে) দুপুর ২টা ৫মিনিটে চার দিনের সরকারি সফরে জাপানে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা। ৩১ মে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
সালেহ আহমেদ আরও বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা দেশে ফেরার পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব বিষয়টি তার কাছে তুলে ধরবেন।’
এদিকে, গতকাল ভূমি সচিবের সঙ্গে আলোচনা পরিপ্রেক্ষিতে আজকের কর্মসূচি স্থগিত করেন কর্মচারীরা। চলমান পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান জানাতে আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনও ডেকেছেন সচিবালয়ের আন্দোলনরত কর্মচারীরা।গত রবিবার (২৫ মে) চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধুমাত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে—এমন বিধান রেখে 'সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫' জারি করে সরকার।
তবে ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদনের পর থেকেই সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আইনটি প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ে বিক্ষোভ করে আসছিলেন।
৪৫৩ দিন আগে
সরকারি কর্মচারী অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি: বিক্ষোভে উত্তাল সচিবালয়
‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
অধ্যাদেশটি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তারা। সোমবার (২৬ মে) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে প্রশাসনের এই প্রাণকেন্দ্র।
এদিন বেলা পৌনে ১১টা দিকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়।
পরে বেলা ১১টার দিকে তাদের সঙ্গে নূরুল ইসলাম ও মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিষদের অপর অংশও যুক্ত হয়।
এ সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও বিক্ষোভে অংশ নিতে কাজ ফেলে নিচে নেমে এসেছেন। অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
আরও পড়ুন: দাবিদাওয়া নিয়ে বিভিন্ন সংগঠনের আন্দোলনে প্রশাসনে অচলাবস্থা
এর আগে, রবিবার (২৫ মে) চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধু কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে— এমন বিধান রেখে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেন রাষ্ট্রপতি।
অধ্যাদেশে শৃঙ্খলা বিঘ্নিত, কর্তব্য সম্পাদনে বাধা, ছুটি ছাড়া কর্মে অনুপস্থিত, কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানির জন্য আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে চাকরিচ্যুতির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করা হচ্ছে।
গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর শনিবার (২৪ মে) থেকে সচিবালয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। রবিবারও সচিবালয়ের প্রধান ফটক আটকে বিক্ষোভ করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবগুলো সংগঠন।
আরও পড়ুন: অধ্যাদেশ সংশোধনের আশ্বাসে এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার
৪৫৫ দিন আগে
অধ্যক্ষ নিয়োগে জটিলতায় কলেজের বেতন বন্ধ, বিপদে শিক্ষক-কর্মচারীরা
অধ্যক্ষ নিয়োগের জটিলতার কারণে প্রায় দুই মাস ধরে নেত্রকোনার কেন্দুয়া সরকারি কলেজের বেতন বন্ধ রয়েছে। বেতন বন্ধ থাকায় পরিবার-পরিচন নিয়ে কলেজের ৫২ শিক্ষক, ৮ অফিস স্টাফ ও ১৮ জন মাস্টার রোলের কর্মচারী পড়েছেন বিপদে।
এ অবস্থায় ব্যাহত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম, বিরূপ প্রভাব পড়ছে সেখানে ভর্তি প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থীর ওপরও।
২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলেজের অধ্যক্ষের পদটি শূন্য হলে সাময়িকভাবে রুটিনমাফিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ আব্দুল মালেক। তবে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অধ্যক্ষের পদে ৭ জন প্রার্থী থাকলেও এখনও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে কোনো স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায়নি।
আব্দুল মালেক বলেন, ‘আমরা চাই দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্য পদটি পূরণ হোক। কলেজের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’
এ সময় কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক স্বপন কুমার বনিক, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মো. শওকত আলী, শরীরচর্চা শিক্ষক মো. আব্দুল হাই, সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক পলাশ রঞ্জন কর, অর্থনীতির প্রভাষক মো. মোতাসিম বিল্লাহসহ অনেকেই তাদের অসুবিধার কথা জানান।
প্রধান অফিস সহকারী এনামুল হক বলেন, ‘বেতন বন্ধ থাকায় আমরা খুবই অসুবিধায় আছি। দ্রুত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রয়োজন।’
আরও পড়ুন: দশম গ্রেডের বেতন স্কেল দাবি প্রাথমিকের শিক্ষকদের
ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘দুই মাস বেতন বন্ধ। গত মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা ঋণ করতে হয়েছে। রমজান ও ঈদ কীভাবে চলবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান আহম্মদ আব্দুল্লাহ হারুন বলেন, ‘শিক্ষকতা মহান পেশা হলেও বেতন বন্ধ থাকায় আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ফর্ম পূরণ ও ভর্তির টাকা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই শূন্য পদটি দ্রুত পূরণের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাই।’
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, এটি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিষয়। আশা করছি, খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
৫৩৮ দিন আগে
সচিবালয়ের কর্মচারীদের ৪ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ স্থগিত
৯ দফা দাবিতে আগামী ৪ ডিসেম্বর সচিবালয়ের কর্মচারীদের ডাকা মহাসমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে।
রবিবার (১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ও ভূমি সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবির।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের আর্থিক সুবিধা প্রদান, নতুন পে-কমিশন গঠনের আগে পর্যন্ত ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদান, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড চালু, রেশনিং প্রথা চালু, অবসরের বয়স বাড়ানো, পদনাম পরিবর্তন ও পদোন্নতিসহ ৯ দফা দাবিতে আগামী বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছিল কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ।
সাংবাদিকদের বাদিউল কবির বলেন, জনপ্রশাসন সচিব, ভূমি সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বসে আমাদের দাবির যৌক্তিকতা স্বীকার করে নিয়েছেন। দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবায়ন করা হবে। তাই আমরা মহাসমাবেশ স্থগিত ঘোষণা করেছি।
আরও পড়ুন: পদোন্নতির দাবিতে একট্টা হচ্ছেন সচিবালয়ের বিএনপি-জামায়াতপন্থী কর্মকর্তারা
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোখলেস উর রহমান বলেন, সচিবালয়ে ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক কর্মচারি আছেন দুই হাজারের ওপরে। দীর্ঘদিন তারা বেতন ও পদোন্নতি-বঞ্চিত ছিলেন। তাদের ৯ দফা যে দাবি, সেগুলোর কোনোটিই অযৌক্তিক নয়। এসব দাবি পূরণ করা সম্ভব, তবে সময়সাপেক্ষ। কিছু দাবি তাৎক্ষণিকভাবে পূরণ করা গেলেও কয়েকটি রয়েছে যা দীর্ঘমেয়াদী।
ভূমি সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ বলেন, সচিবালয়ের কর্মচারীদের দাবি নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। ধাপে ধাপে তাদের এসব দাবি পূরণ করা হবে।
এ বিষয়ে আইনি কিছু জটিলতা রয়েছে, যা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গেও আলোচনা করতে হবে বলে জানান তিনি।
৯ দফা দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করছিলেন সচিবালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এও) ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা (পিও)। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ নভেম্বর সচিবালয়ে এক বিক্ষোভ সমাবেশে দাবি পূরণ না হলে ৪ ডিসেম্বর সচিবালয়ে মহাসমাবেশের ডাক দেন কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি।
আরও পড়ুন: হামলার গুজবে সচিবালয় ছাড়লেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
৬৩১ দিন আগে
চানাচুর কোম্পানির ভেতরে কর্মচারীকে গলা কেটে হত্যা
যশোরে রানী চানাচুর কোম্পানির ফ্যাক্টরিতে এক কর্মচারীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে শহরের বকচর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
মিলন মণিরামপুরের ঝালঝাড়া খালকান্দা গ্রামের আসমত আলীর ছেলে। তিনি ওই কোম্পানির ভেতরে গরুর খামারে কাজ করতেন।
আরও পড়ুন: সাতক্ষীরায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামীসহ আটক ৭
সোমবার সকালে কোম্পানির কর্মচারীরা মিলনের সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের ভেতরে যায়। সেখানে মিলনের গলা কাটা লাশ দেখতে পায় তারা। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
তবে কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড সেটি তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ।
মিলনের সহকর্মী তরিকুল ইসলাম বলেন, ওইদিন রাত ১১টা পর্যন্ত মিলন এক নাইটগার্ডের সঙ্গে ওয়াজ মাহফিল শুনেছেন। পরে ঘুমাতে যান। সকালে এসে দেখি তিনি ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
নিহতের বাবা আসমত বলেন, মিলন সেখানে একাই থাকত। মিলনের স্ত্রী ও দুই ছেলে মণিরামপুরের বাড়িতে থকে। ছেলেকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
ছেলের হত্যার বিচার দাবি করেন তিনি।
রানি চানাচুর কোম্পানির এক কর্মকর্তা জানান, মিলন গত তিন বছর ধরে তাদের গরুর খামার দেখাশুনা করেন। মিলন নিরীহ প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান বলেন, মিলন হত্যার বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের খবর শুনে ঘটনাস্থলে যান যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান, ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ওসি শহিদুল ইসলাম, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) (তদন্ত) বাবুল আক্তার, পিবিআই কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: সাভারে পূর্ব শত্রুতার জেরে শ্রমিককে গলা কেটে হত্যা
৬৭৯ দিন আগে
সব কর্মচারীকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সম্পদের হিসাব দিতে হবে: জনপ্রশাসন সচিব
সব কর্মচারীকে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সম্পদের হিসাব দিতে হবে। তবে আগামী বছর থেকে প্রতি বছরের সম্পদের হিসাব ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দিতে হবে।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি কর্মচারীদের সম্পত্তির হিসাব জমাদান নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ১৫ লাখ সরকারি কর্মচারীকে 'সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি, ১৯৭৯' এর আলোকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের কাছে সম্পদের হিসাব জমা দিতে হবে। প্রতি বছরের সম্পদের হিসাব ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দিতে হবে। এবার যেহেতু আমরা নতুন বছর পাইনি, ভাঙা বছর পেয়েছি, এজন্য এ বছরেরটা আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে জমা দিতে হবে।
আরও পড়ুন: জনপ্রশাসন সচিব হলেন মোখলেসুর রহমান
সিনিয়র সচিব বলেন, 'সম্পদের হিসাব সিলগালা করা খামে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। সম্পদ বিবরণীতে ভুল তথ্য কিংবা গোপন এমন কোনো তথ্য থাকে যা মিসলিড করে, এটি হবে ১৯৭৯ সালের বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।'
'এই অনুশাসন মালা সব কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সরকারিভাবে কর্মচারী বলা হয়।'
মোখলেস উর রহমান জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রণীত নির্ধারিত ছকে সম্পদ-বিবরণী দাখিল করতে হবে। ছকটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর বা সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
সিনিয়র সচিব বলেন, বিজ্ঞ আদালতের আদর্শ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া সম্পদ বিবরণীর তথ্য সম্পূর্ণ অংশ বিশেষ হস্তান্তরযোগ্য নয়। সম্পদ বিবরণী অতি গোপনীয় দলিল বিধায় এক্ষেত্রে 'তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯' প্রযোজ্য হবে না।
তিনি বলেন, 'সম্পদ বিবরণী জমা না দিলে কী হবে- অনেকে জানতে চেয়েছিলেন? জমা না দিলে অনেক কিছু হয়।'
'নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ-বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা কোনো ভুল তথ্য প্রদান কিংবা তথ্য গোপন করা হলে বা সম্পদের কোনোরূপ অসংগতি পরিলক্ষিত হলে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'
'সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮' এর ৪(৫)(গ) উপবিধি অনুযায়ী 'অসদাচরণ' এর জন্য লঘুদণ্ড ও গুরুদণ্ড আরোপের বিধান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তিরস্কার পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা, দায়িত্বে অবহেলার কারণে সরকারের আর্থিক ক্ষতির সম্পূর্ণ অংশ বা অংশবিশেষ আদায়, বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনমিত করা হচ্ছে লঘুদণ্ড।
অন্যদিকে গুরুদণ্ডের মধ্যে রয়েছে- নিম্নপদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিত করা, বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান, চাকরি থেকে অপসারণ ও চাকরি থেকে বরখাস্ত করা বলেও জানিয়েছেন মোখলেস উর রহমান।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী কোটা নিয়ে প্রয়োজনে আইন পাস করা হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
৭০১ দিন আগে