পণ্য
চট্টগ্রাম বন্দরের ৪৪২ কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে
চট্টগ্রাম বন্দরে অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য ৪৪২ কনটেইনার পণ্য ই-অকশনের মাধ্যমে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম। এসব পণ্যের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি, কাপড়, সুতা, সোলার মডিউল, লবণ, টাইলস ও গৃহস্থালি পণ্য রয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সোমবার (২৪ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার জট নিরসন, বন্দরের কর্মক্ষমতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে নিয়মিত নিলামের অংশ হিসেবে এসব পণ্য ই-অকশনে তোলা হচ্ছে।
এবারের নিলামে দুটি ই-অকশনে মোট ২৯০টি এবং ১৫২টি—অর্থাৎ ৪৪২টি কনটেইনারের পণ্য রয়েছে।
এনবিআরের স্থায়ী আদেশ ও বিশেষ আদেশ অনুযায়ী, বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এ ১০১ লটে ২৯০টি কনটেইনারের পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক ওয়েস্টেজ (স্ক্র্যাপ), চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, বিভিন্ন ধরনের সুতা ও কাপড়, সোলার মডিউল, লবণ, কাগজ, টাইলস, গৃহস্থালি পণ্য এবং ৮৬টি পুরোনো খালি কনটেইনার রয়েছে।
এই বিশেষ ই-অকশনের পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য (রিজার্ভড ভ্যালু) রাখা হয়নি।
অন্যদিকে, ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এ ১০৯ লটে ১৫২টি কনটেইনারের পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, ফেব্রিক্স, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, কেমিক্যাল, এসির যন্ত্রাংশ, টাইলস, স্টেইনলেস স্টিল কয়েল, স্ক্যানার, ব্যাডমিন্টন র্যাকেট, এলিভেটর ও লবণ।
নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। আগ্রহী ক্রেতারা কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে অনলাইনে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন।
দুই ই-অকশন নম্বরের পণ্যই ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অফিস চলাকালে সরেজমিনে পরিদর্শনের সুযোগ থাকবে।
ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর দরপত্র ২৭ আগস্ট থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর দরপত্র ২৭ আগস্ট থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা পর্যন্ত অনলাইনে দাখিল করা যাবে।
অনলাইন বিডিংয়ের সময় প্রস্তাবিত দরমূল্যের ন্যূনতম ১০ শতাংশ জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মূল কাগজপত্রও দাখিল করতে হবে।
সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪-এর প্রযোজ্য শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে পণ্য খালাস নিতে হবে।
আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর দরপত্র বাক্স এবং ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর দরপত্র বাক্স খোলা হবে।
নিলামসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য কাস্টমসের ই-অকশন পোর্টালে পাওয়া যাবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর এ নিলাম কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
১২ দিন আগে
শাহজালাল বিমানবন্দরে অভিযানে সিগারেট, স্বর্ণালংকার, বিদেশি মদসহ ২ কোটি টাকার পণ্য আটক
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই কোটি টাকার বেশি দামের বিদেশি সিগারেট, স্বর্ণালংকার, নিষিদ্ধ গৌরি ক্রিম এবং বিদেশি মদ আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারপোর্টে শিফটের কর্মকর্তারা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। আজ (শুক্রবার) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুবাই থেকে আগত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট নম্বর বিজে-১৪৮-এর যাত্রীদের ব্যাগেজ গ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকালে ১ নম্বর ব্যাগেজ বেল্টে যাত্রীবিহীন অবস্থায় তিনটি সন্দেহজনক ব্যাগেজ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ব্যাগেজগুলো তল্লাশি করে মন্ড ব্র্যান্ডের ৩৭০ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
একই সময়ে অন্যান্য ফ্লাইটে আগত বিভিন্ন যাত্রীর কাছ থেকে আরও ১১১ কার্টন বিদেশি সিগারেট আটক করা হয়। এ নিয়ে অভিযানে মোট ৪৮১ কার্টন সিগারেট আটক করা হয়েছে।
আটক সিগারেটের আনুমানিক মূল্য ২১ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা। প্রযোজ্য শুল্ক-কর এবং ৬২১ শতাংশ টোটাল ট্যাক্স ইনসিডেন্স—টিটিআই বিবেচনায় সিগারেটগুলোর মোট মূল্য প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার টাকা।
একই ফ্লাইটে আগত যাত্রী মো. তাজুল ইসলামের হ্যান্ডব্যাগ তল্লাশি করে কৌশলে লুকানো ৯৯ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
৩৬ দিন আগে
আমদানিকৃত চালানে ৫৪০ কেজি অতিরিক্ত পণ্য, শুল্ক-জরিমানাসহ ১৯ লক্ষাধিক টাকা আদায়
চট্টগ্রামে আমদানিকৃত একটি পণ্যচালানে ঘোষণার চেয়ে ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়ায় অতিরিক্ত শুল্ক-কর, অর্থদণ্ড ও বিমোচন জরিমানাসহ মোট ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা আদায় করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
বুধবার (২৯ জুলাই) এক বার্তায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় চট্টগ্রাম রেইনবো করপোরেশনের (Rainbow Corporation) আমদানিকৃত একটি পণ্যচালান কায়িক পরীক্ষণ করে।
সি-১১৩৮৭০৬ নম্বরের, গত ৫ জুলাইয়ের বিল অব এন্ট্রির আওতায় আমদানি করা চালানটিতে আমদানিকারক ৬ হাজার ৭০৪ কেচি ৫৬০ গ্রাম চকলেট ঘোষণা করলেও পরীক্ষায় ৭ হাজার ১৩২ কেজি ২৫০ গ্রাম পণ্য পাওয়া যায়। এছাড়া ২ হাজার ৫৭২ কেজি ১৬০ গ্রাম ওয়েফার ঘোষণা করা হলেও প্রকৃত ওজন পাওয়া যায় ২ হাজার ৬৮৪ কেজি ৮৮০ গ্রাম।
বার্তায় বলা হয়েছে, পরীক্ষায় চালানটিতে ঘোষিত ওজনের তুলনায় মোট ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়া যায়, যা ঘোষিত নিট ওজনের প্রায় ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।
এ ঘটনায় বিচারাদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত শুল্ক-কর বাবদ ৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা, অর্থদণ্ড হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং বিমোচন জরিমানা হিসেবে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে মোট অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা।
চট্টগ্রামে আমদানিকৃত একটি পণ্যচালানে ঘোষণার চেয়ে ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়ায় অতিরিক্ত শুল্ক-কর, অর্থদণ্ড ও বিমোচন জরিমানাসহ মোট ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা আদায় করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
বুধবার (২৯ জুলাই) এক বার্তায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় চট্টগ্রাম রেইনবো করপোরেশনের (Rainbow Corporation) আমদানিকৃত একটি পণ্যচালান কায়িক পরীক্ষণ করে।
সি-১১৩৮৭০৬ নম্বরের, গত ৫ জুলাইয়ের বিল অব এন্ট্রির আওতায় আমদানি করা চালানটিতে আমদানিকারক ৬ হাজার ৭০৪ কেচি ৫৬০ গ্রাম চকলেট ঘোষণা করলেও পরীক্ষায় ৭ হাজার ১৩২ কেজি ২৫০ গ্রাম পণ্য পাওয়া যায়। এছাড়া ২ হাজার ৫৭২ কেজি ১৬০ গ্রাম ওয়েফার ঘোষণা করা হলেও প্রকৃত ওজন পাওয়া যায় ২ হাজার ৬৮৪ কেজি ৮৮০ গ্রাম।
বার্তায় বলা হয়েছে, পরীক্ষায় চালানটিতে ঘোষিত ওজনের তুলনায় মোট ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়া যায়, যা ঘোষিত নিট ওজনের প্রায় ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।
এ ঘটনায় বিচারাদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত শুল্ক-কর বাবদ ৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা, অর্থদণ্ড হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং বিমোচন জরিমানা হিসেবে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে মোট অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা।
৩৮ দিন আগে
হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
একদিন বন্ধের পর আবারও দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে।
শনিবার (১৫ মার্চ) ভারতে হোলি উৎসবের কারণে এই পথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল।
হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শাহীনুর ইসলাম জানান, রবিবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ভারত থেকে বিভিন্ন পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরের পানামা পোর্টে প্রবেশ করে। এর মাধ্যমে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়।
আরও পড়ুন: দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
শনিবার ভারতে হোলি উৎসবরের কারণে স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
ফলে শনিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কোনো পণ্যবাহী ট্রাক আসা-যাওয়া করেনি।
৫৩৮ দিন আগে
সুনামগঞ্জে ২ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত এলাকা থেকে ২ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) তাহিরপুর উপজেলাধীন ১ নম্বর উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের চারাগাঁও বিওপি কর্তৃক সীমান্ত পিলার-১২৯৪/৩- এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জঙ্গলবাড়ি নামক স্থান হতে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।
জব্দ করা পণ্যগুলো হলো— শার্ট ৫ হাজার ১২৭টি, প্যান্টের কাপড় ১৫৬ মিটার, ব্লেজার কাপড় ১ হাজার ২৯৬ মিটার, পাঞ্জাবি কাপড় ২০ হাজার ৪৩০ মিটার ও স্কিন সানরাইজ ক্রীম ৯ হাজার পিস। আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯২ হাজার ৫০০ টাকা।
আরও পড়ুন: বেনাপোলে কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ
সুনামগঞ্জ ২৮ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চারাগাঁও বিওপির টহল দল জঙ্গলবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন ভারতীয় পণ্যগুলো আটক করে।’
তিনি বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তের চোরাকারবারিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। জব্দ করা মালামাল শুল্ক কার্যালয়, সুনামগঞ্জে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
৫৪৭ দিন আগে
জানুয়ারিতে বাংলাদেশের ৪৪৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ৪৪৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।
এছাড়া চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এটিও আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল আড়াই হাজার কোটি ডলার।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। সর্বশেষ তথ্য-উপাত্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের স্থিতিস্থাপকতা ও প্রতিযোগিতার সক্ষমতা প্রদর্শন করে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তুলে ধরেছে।
অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে অধিকাংশ খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি বেড়েছে ১২ শতাংশ, নিটওয়্যার ১২ শতাংশ এবং বুনন পোশাক খাতে ১১ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এ সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৩৫০ কোটি ডলারের।
আরও পড়ুন: বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে রপ্তানির ভিত্তি শক্তিশালী করুন: ড. ইউনূস
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি পণ্য, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত মাছ এবং প্লাস্টিক পণ্যসহ অন্যান্য প্রধান রপ্তানি খাতেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১২ দশমিক ৪৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়।
রপ্তানি সম্পর্কে একটি আনুষ্ঠানিক মন্তব্যে ইপিবি বলেছে, এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যটি বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে।
৫৭৯ দিন আগে
ফেনী সীমান্তে কোটি টাকার পণ্য জব্দ
ফেনীর সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযানে ভারতীয় ২০ কেজি গাঁজাসহ ১ কোটি ১৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বার) রাতে ফেনীর ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযানে পণ্যগুলো জব্দ করা হয়।
জব্দ করা পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিপুল পরিমাণ ভারতীয় লেহেঙ্গা, শাড়ি, কাশ্মিরী শাল, থ্রি পিস, চশমা ও ২০ কেজি গাঁজা।
আরও পড়ুন: সিলেট সীমান্তে ৭০ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ
শুক্রবার (২২ নভেম্বর) বিজিবি জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার রাজেষপুর, দেবপুর, ছাগলনাইয়া, চম্পকনগর ও মধুগ্রাম বিওপির টহলদল সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
এসময় ভারতীয় ২০ কেজি গাঁজাসহ বিপুল পরিমাণ লেহেঙ্গা, শাড়ি, কাশ্মিরী শাল, থ্রি পিস, চশমা জব্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ফেনী-৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, বিজিবি’র অভিযানে গাঁজাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়।
এছাড়া জব্দ করা পণ্যগুলো কাস্টমস এবং গাঁজাগুলো মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে জমা দেওয়া কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
আরও পড়ুন: সিলেটে ভারতীয় কসমেটিক্সসহ ৫০ লাখ টাকার পণ্য জব্দ
৬৫২ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে কৃষিজাত পণ্যের জন্য বিশেষ ট্রেন স্থগিত
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে কৃষিপণ্য কম খরচে ঢাকায় পরিবহনের লক্ষ্যে চালু করা বিশেষ ট্রেন স্থগিত করা হয়েছে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত কুমার বিশ্বাস জানান, শুক্রবার রাতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করেছে।
গত ২৬ অক্টোবর থেকে কৃষিপণ্য নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
ট্রেনটি প্রতি শনিবার কৃষিপণ্য পরিবহন করার কথা ছিল। ঢাকার তেজগাঁও স্টেশনে পৌঁছানোর আগে নাচোল ও আমনুরা জংশনসহ ১৩টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করার কথা ছিল।
প্রথম দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর স্টেশন থেকে কোনো ধরনের কৃষিপণ্য ছাড়াই ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় বিশেষ ট্রেনটি।
স্পেশাল ট্রেন চালুর পর চাষিদের কাছ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি জানিয়ে সুজিত বলেন, ‘তারা ট্রেনে করে কৃষিপণ্য পরিবহনে আগ্রহী নয়, কর্তৃপক্ষ এটি স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে।’
আরও পড়ুন: ট্রেনের সময়সূচিতে বিপর্যয় কাটেনি, ২ ট্রেনের যাত্রা বাতিল
৬৭২ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘ছানামুখী’ পেল জিআই পণ্যের স্বীকৃতি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুস্বাদু মিষ্টি ছানামুখী ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই ছানামুখীর সুনাম রয়েছে সারা দেশে।
এছাড়া কোনো একটি পণ্য চেনার জন্য জিআই স্বীকৃতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে পণ্যের জিআই স্বীকৃতি দেয় ডিপিডিটি।
জেলা প্রশাসনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই ছানামুখী জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, সেটিকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: শিল্পকলায় মিষ্টি মেলা: বাহারি মিষ্টির স্বাদ-গন্ধে মাতোয়ারা রাজধানীবাসী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম বলেন, ছানামুখী জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সরকারিভাবে ব্র্যান্ডিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে। জেলার ব্র্যান্ডবুকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২৪ সেপ্টেম্বর শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) ছানামুখী জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ার বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে নিশ্চিত করে। ডিপিডিটিতে ছানামুখী ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) নম্বর ৪১।
২৪ সেপ্টেম্বর ডিপিডিটির মহাপরিচালক মো. মুনিম হাসানের সই করা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো জিআই সনদে উল্লেখ রয়েছে, ভৌগোলিক নির্দেশক (যার নমুনা এতদসঙ্গে সংযুক্ত আছে) নিবন্ধন বইয়ে জেলা প্রশাসকের নামে ২৯ ও ৩০ শ্রেণিতে জিআই-৭৫ নম্বরে ছানামুখী মিষ্টি পণ্যের জন্য চলতি বছরের ৮ এপ্রিল থেকে নিবন্ধিত হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তৎকালীন জেলা প্রশাসক (১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত) মো. শাহগীর আলম প্রথমে ও পরে সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান গত ২ এপ্রিল ছানামুখীকে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) খাবার হিসেবে স্বীকৃতি দিতে ডিপিডিটির রেজিস্ট্রারের কাছে ১০ পৃষ্ঠার একটি আবেদন পাঠান।
সেখানে ছানামুখী মিষ্টান্নের বৈশিষ্ট্য, ভৌগোলিক নাম, ছানামুখীর বর্ণনা, উৎপাদনের প্রদ্ধতিসহ নানা বিষয় বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেন।
জানা গেছে, জেলা তথ্য বাতায়নে পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী খাবার হিসেবে উল্লেখ আছে এই ছানামুখীর নাম। ছানামুখীর উৎপত্তি ব্রিটিশ রাজত্বকালে বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। এক কেজি ছানামুখী তৈরিতে গাভির ৭ থেকে ৮ লিটার দুধ লাগে। প্রতি কেজি ছানামুখীর দাম ৭০০ টাকা।
মাতৃভাণ্ডারের দুলাল চন্দ্র পাল বলেন, ৭ থেকে ৮ লিটার দুধের সঙ্গে ১ কেজি চিনি দিয়ে তৈরি হয় ১ কেজি ছানামুখী। প্রথমে গাভির দুধ জ্বাল দিয়ে এরপর ঠান্ডা করে ছানায় পরিণত করতে হবে। পরে ওই ছানাকে কাপড়ে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখতে হবে, যাতে সব পানি ঝরে যায়। এভাবে দীর্ঘক্ষণ ঝুলিয়ে রাখলে ছানা শক্ত হবে। শক্ত ছানাকে ছুরি দিয়ে ছোট ছোট করে কাটতে হবে। এরপর চুলায় একটি কড়াই বসিয়ে তাতে পানি, চিনি ও এলাচি দিয়ে ফুটিয়ে সিরা তৈরি করতে হবে। এরপর ছানার টুকরাগুলো চিনির সিরায় ছেড়ে নাড়তে হবে। সবশেষে চিনির সিরা থেকে ছানার টুকরাগুলো তুলে একটি বড় পাত্রে রাখতে হবে। পাত্রকে খোলা জায়গা বা পাখার নিচে রেখে নেড়ে শুকাতে হবে। এতেই প্রস্তুত হয়ে যাবে ছানামুখী।
আরও পড়ুন: লালবাগে মিষ্টির দোকানে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিট
ঈদের দিন মুক্তিযোদ্ধাদের ফুল, ফল ও মিষ্টি পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
৭০৬ দিন আগে
রবিবার থেকে দেশব্যাপী টিসিবির নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী রবিবার থেকে সারাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।
এ কর্মসূচির আওতায় ১ কোটি পরিবার ভর্তুকি মূল্যে চাল, ভোজ্যতেল ও মসুর ডাল কিনতে পারবে।
আরও পড়ুন: রমজানে ওএমএসের ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ও ১৬০ কোটি লিটার ভোজ্যতেল কিনবে টিসিবি
শনিবার টিসিবির যুগ্ম পরিচালক মো. হুমায়ুন কবিরের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিটি পরিবার ৩০ টাকা কেজি দরে পাঁচ কেজি চাল, ১০০ টাকা লিটার দরে দুই লিটার ভোজ্যতেল এবং ৬০ টাকা কেজি দরে দুই কেজি মসুর ডাল কিনতে পারবে। এসব পণ্য টিসিবির নির্ধারিত ডিলার শপ অথবা সিটি করপোরেশন, জেলা ও উপজেলায় তাদের স্থায়ী আউটলেটে পাওয়া যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত তারিখ ও সময় অনুযায়ী জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় এ বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। কার্ডহোল্ডাররা মনোনীত ডিলারদের কাছ থেকে ভর্তুকি দেওয়া পণ্য- চাল, ভোজ্য তেল ও মসুর ডাল কিনতে পারবেন।
আরও পড়ুন: টিসিবি ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ডিপিএমের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করতে পারবে
জুলাই থেকে স্থায়ী দোকানে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু: প্রতিমন্ত্রী
৭২১ দিন আগে