পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
পাট রপ্তানি সম্প্রসারণে দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ, হবে আন্তর্জাতিক জুট এক্সপো
পাটখাতের রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় যৌথভাবে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি অচিরেই আন্তর্জাতিক মানের একটি ‘ইন্টারন্যাশনাল জুট এক্সপো’ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকায় ‘বাংলাদেশের পাটখাতের কৌশলগত অর্থনৈতিক কূটনীতি ও রপ্তানি সম্প্রসারণ’ শীর্ষক সমন্বয় সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এ ঘোষণা দেন।
সভায় দুই মন্ত্রণালয়ের সচিব, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, পাট অধিদপ্তর, পাটশিল্প ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভার শুরুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম পাটশিল্প পুনরুজ্জীবনে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, পাটখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ‘সোনালি আঁশের’ সোনালি দিন ফিরিয়ে আনতে পাট ও পাটজাত পণ্যের প্রদর্শনীর গুরুত্ব রয়েছে। এ খাতের উন্নয়নে বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এ উদ্যোগের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান। তিনি পাট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং নতুন রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে দুই মন্ত্রণালয় ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
৪ দিন আগে
কুয়েতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে সরানো বাংলাদেশিদের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান
কুয়েতের হাসাবিয়া ও আব্বাসিয়া এলাকার কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের নিরাপত্তাজনিত কারণে সরিয়ে নিয়েছে কুয়েত সরকার। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রবিবার (১৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পেরেছে, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে কুয়েত সরকার সংশ্লিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে হাসাবিয়া এলাকায় অবস্থিত খাদিজা বিনতে জাবের স্কুলে অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছে।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে একাধিকবার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের খোঁজখবর নিয়েছেন। একই সঙ্গে তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করেছেন।
দূতাবাসের বরাতে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আশ্রয়কেন্দ্রে কুয়েত সরকার খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণসহ প্রয়োজনীয় মৌলিক সুবিধার ব্যবস্থা করেছে। এছাড়া উচ্ছেদ হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের স্বার্থ সংরক্ষণে দূতাবাস কুয়েতের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে দূতাবাস ইতোমধ্যে জরুরি যোগাযোগের নম্বরসহ পৃথক একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
একই সঙ্গে কুয়েতে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি নাগরিককে দেশটির প্রচলিত আইন, বিধিবিধান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৬ দিন আগে
সার্ক ও বিমসটেকের মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই: শামা ওবায়েদ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা—সার্ক ও বহুখাতভিত্তিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য বঙ্গোপসাগরীয় উদ্যোগ—বিমসটেকের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এ দুটি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে প্রতিযোগিতা নয়, বরং পরিপূরক সম্পর্ক থাকা উচিত।
সোমবার (৬ জুলাই) এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সার্ক এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্ম, বিশেষ করে বিমসটেকের পারস্পরিক সম্পর্ক তুলে ধরে এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমসটেক দক্ষিণ এশিয়াকে বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে। অন্যদিকে, সার্ক দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিস্তৃত আঞ্চলিক পরিচয়ের প্রতিনিধিত্ব করে, যেখানে বিমসটেকের বাইরে থাকা দেশগুলোও অন্তর্ভুক্ত।
তিনি বলেন, উপ-আঞ্চলিক উদ্যোগগুলো যেন সার্কের গতি কমিয়ে না দেয়; বরং এগুলোকে বৃহত্তর আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ একই সঙ্গে সার্ক এবং বিমসটেককে সমর্থন করতে পারে। কারণ, যোগাযোগ, স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে উভয় প্ল্যাটফর্মই বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সেন্টার ফর বে অব বেঙ্গল স্টাডিজের উপদেষ্টা এবং সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়া স্টাডিজের ভিজিটিং রিসার্চ ফেলো তারিক এ করিম।
আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত পররাষ্ট্রসচিব (সার্ক ও বিমসটেক) এবং কোডারসট্রাস্ট বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুল হক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান অনুষ্ঠানে স্বাগত ও সমাপনী বক্তব্য দেন।
মূল প্রবন্ধে মানচিত্র নিয়ে আপত্তি
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় প্রদর্শিত একটি মানচিত্র নিয়ে আপত্তি জানান ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক ও তথ্য) পূজা কুমারী ঝা।
তিনি বলেন, এখানে ভারতের যে মানচিত্র দেখানো হয়েছে, তা সঠিক নয়। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই উপস্থাপিত মানচিত্রটি সঠিক নয় বলে আমি মনে করি।
জবাবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকারী সাবেক রাষ্ট্রদূত তারিক এ করিম বলেন, মানচিত্রটি শুধু উপস্থাপনার সুবিধার্থে ব্যবহার করা হয়েছে এবং এটি প্রকৃত সীমারেখা নির্দেশ করে না।
পরে পূজা কুমারী ঝা বলেন, আমি বুঝতে পারছি, স্যার। কিন্তু জম্মু ও কাশ্মীরকে আমরা ভারতের অংশ হিসেবে দেখি এবং এখানে সেটি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাই বিষয়টি শুধু উল্লেখ করতে চেয়েছি।
এর জবাবে তারিক করিম বলেন, বিষয়টি নথিভুক্ত করা হলো।
‘সর্বোচ্চ কার্যকর অবস্থায়’ সার্ক পরিচালনার আহ্বান
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রাথমিক ধাপে বাংলাদেশ চায়, পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত সংস্থাটি ‘সর্বোচ্চ কার্যকর অবস্থায়’ পরিচালিত হোক।
তিনি বলেন, ‘সর্বোচ্চ কার্যকর অবস্থায়’ কথাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর অর্থ শুধু প্রতীকীভাবে সার্ককে টিকিয়ে রাখা নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাস্তবসম্মতভাবে যতটুকু সম্ভব, তার সর্বোচ্চটা করা। অর্থাৎ লক্ষ্য হবে উচ্চাভিলাষী, কিন্তু পদ্ধতি হবে বাস্তবভিত্তিক।
১৯ দিন আগে
সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না: শামা ওবায়েদ
বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত, জাপান, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা হলি আর্টিসান বেকারিতে হামলার শিকার ৯ জন ইতালীয় নাগরিকসহ ২৪ জনেরও বেশি নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ করেছেন। হামলার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তারা সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা এবং এই ক্ষেত্রে দেশটির অর্জনের কথা স্মরণ করেন।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো এই হামলার দশম বার্ষিকী উপলক্ষে তার বাসভবনে একটি স্মারক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
ইতালি দূতাবাসের কনস্যুলার চ্যান্সেলরির প্রধান লরা শিলা স্মারক অনুষ্ঠানটির সূচনা করেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণের আগে সব ভুক্তভোগীর নাম পাঠ করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, কূটনৈতিক কোরের ডিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এসওয়াই রামাদান, ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা, ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপমিশন প্রধান আলবার্ট সিয়া এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধি পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।
হামলার শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না। বাংলাদেশ কাউকেই শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেবে না।
১ জুলাইয়ের সন্ত্রাসী হামলাকে মানবতার ওপর এক নৃশংস আঘাত হিসেবে বর্ণনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, (সন্ত্রাস দমনে) উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
২০১৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশের ঢাকার গুলশান কূটনৈতিক এলাকার হোলি আর্টিসান বেকারিতে একটি নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়, যা ২৪ জনের (২০ জন জিম্মি ও ২ জন পুলিশ কর্মকর্তা, এবং ৬ জন হামলাকারী) প্রাণ কেড়ে নেয়। ১২ ঘণ্টার এই অবরুদ্ধ দশা ছিল দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ও নৃশংস ঘটনা।
২৪ দিন আগে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাজেট ১ টাকায় নামলে বিদেশে নামাতে হবে লাল-সবুজের পতাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ১ টাকায় নামিয়ে আনার ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। এর জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, এমনটি হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস বন্ধ করে দিতে হবে, এমনকি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক লাল-সবুজের জাতীয় পতাকাও নামিয়ে ফেলতে হবে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরি দাবি ভোটের জন্য উপস্থাপনের সময় বিরোধী দলের সদস্যরা এ ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
সাতক্ষীরা-৪, রংপুর-১, চট্টগ্রাম-১৬ এবং চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে বক্তব্য দেন এবং ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেটের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন, ‘ছাঁটাই প্রস্তাব অনুযায়ী আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাজেট ১ টাকায় নামিয়ে আনা হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমাদের দূতাবাসগুলো বন্ধ করে দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক লাল-সবুজের পতাকা নামিয়ে ফেলতে হবে। বন্ধ করে দিতে হবে প্রবাসীদের দেওয়া আমাদের সব সেবা। জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে বার্ষিক প্রদেয় অর্থ আমরা দিতে পারব না, যার ফলে জাতিসংঘে আমাদের সদস্যপদ স্থগিত হয়ে যেতে পারে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানের এই পরিবর্তনশীল এবং ভূ-রাজনৈতিকভাবে জটিল বিশ্বব্যবস্থায় একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা অনেকাংশেই তার দূরদর্শী ও সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর নির্ভর করে। আজকের এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে আমাদের কূটনীতির মূল চালিকাশক্তি এবং লক্ষ্য হচ্ছে— সবার আগে বাংলাদেশ, যার অভূতপূর্ব সাম্প্রতিক উদাহরণ হচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর।’
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আমাদের জনগণের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
২৫ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর চীন-মালয়েশিয়া সফরের অর্জন নিয়ে যা জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্জন করেছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করা, তিস্তা প্রকল্পে অগ্রগতি, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ পুনরায় শুরুর আশ্বাস, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনা ত্বরান্বিতকরণ এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার মতো বিষয়।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
চীন সফরে নতুন উচ্চতায় সম্পর্ক, তিস্তা ও আঞ্চলিক সংযোগে অগ্রগতি
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সম্মেলনে বিশ্বের উদীয়মান শক্তিগুলোর অন্যতম প্রতিনিধি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী অংশ নেন। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অগ্রণী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ফোরামের বার্ষিক সভায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপনের প্রস্তাব দেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন ডব্লিউইএফের সিইও।
চীন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ‘সার্বিক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব’ (কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক কো-অপারেটিভ পার্টনারশিপ) থেকে ‘অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায়’ (চায়না-বাংলাদেশ কমিউনিটি উইথ অ্যা শেয়ার্ড ফিউচার) পর্যায়ে উন্নীত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ চালু এবং কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘২+২ ডায়ালগ মেকানিজম’ চালুর বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে উভয় দেশ একমত হয়েছে। পাশাপাশি ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই)-এর আওতায় বড় ও ছোট জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও সম্মতি হয়েছে।
২৮ দিন আগে
‘ডা. জাহেদের সঙ্গে ঘটা ঘটনাটি অনভিপ্রেত, দিল্লির ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় ঢাকা’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানোর ঘটনায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় বাংলাদেশ।
বুধবার (২৪ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র ইউএনবিকে এ কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, ডা. জাহেদ উর রহমান ভারত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (আইওরা) বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন—এ বিষয়টি কূটনৈতিক মাধ্যমে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে আগেই যথাযথভাবে অবহিত করা হয়েছিল।
এরপরও দিল্লি বিমানবন্দরে তাকে ঘিরে যে ঘটনা ঘটেছে, তা ‘অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেন মুখপাত্র।
এদিকে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এক বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে প্রতিটি রাষ্ট্রের নিজ নিজ ভূখণ্ডে বসবাসরত সংখ্যালঘুসহ সব নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সমান দায়িত্ব রয়েছে।
তিনি বলেন, সংখ্যালঘুসহ দেশের সব নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে।
৩১ দিন আগে
জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনারকে তলব
প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে দিল্লি বিমানবন্দরে আটকে দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধেকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ সময় নয়াদিল্লির কাছে ঢাকার অসন্তোষের কথা জানানো হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে তাকে কূটনৈতিক নিয়ম মেনে তলব করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, ওই ঘটনার বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে এবং বিষয়টি ভারতীয় কূটনীতিকের কাছে তুলে ধরা হয়েছে।
এর আগে, এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, নয়াদিল্লির বিমানবন্দর থেকে ডা. জাহেদ উর রহমানের ফেরত আসা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, দুঃখজনকও বটে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং আজ দিনশেষে আমরা এ বিষয়ে আপনাদেরকে জানাব।
দিল্লিতে সোমবার শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকে অংশ নিতে ড. জাহেদ উর রহমান রবিবার (১৩ জুন) বিকালে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল তার।অ
তবে সেখানে ইমিগ্রেশনে তাকে জেরার মুখে পড়তে হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা জিজ্ঞাসবাদের পর বিভিন্ন মহলের হস্তক্ষেপে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর প্রবেশের অনুরোধ করা হলে তিনি পাসপোর্ট ফেরত চান। এরপর তিনি কলম্বো হয়ে আজ সকালে দেশে ফিরে আসেন।
৪০ দিন আগে
ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন ৯১ মৎস্যজীবী
সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগে ভারতে আটক থাকা ৯১ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) বঙ্গোপসাগরে দুই দেশের আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, ভারতীয় কোস্ট গার্ডের কাছ থেকে বাংলাদেশের মালিকানাধীন চারটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ৯১ জন মৎস্যজীবীকে গ্রহণ করে।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যথাযথ দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সরকার সবসময় সহায়তা দিয়ে থাকে।
মৎস্যজীবীদের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
৪৮ দিন আগে
অবৈধ অভিবাসনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানাল সরকার
সাম্প্রতিক সময়ে ‘বাংলাদেশ-লিবিয়া-ইতালি’ রুটে অনিয়মিত অভিবাসনের সময় ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে কয়েকজন বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানিয়েছে সরকার।
এ লক্ষ্যে সোমবার (১১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড মোবিলিটি-বাংলাদেশ সিচুয়েশন’ শীর্ষক এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এতে পররাষ্ট্র সচিব, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত, লিবিয়া দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত এবং ঢাকাস্থ আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মিশন প্রধান অংশ নেন।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার অবৈধ অভিবাসনের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।
তিনি অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে জড়িত অসাধু সিন্ডিকেটগুলোকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন চলতি বছরের জুনে রাজনৈতিক আশ্রয় ও অভিবাসন বিষয়ে নতুন বিধিমালা কার্যকর করতে যাচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য আইনি প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
বৈঠকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন সম্প্রসারণের বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও ভাষাগত পারদর্শিতা অর্জনের পাশাপাশি নিয়মিত অভিবাসন প্রক্রিয়াকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা বলেন, নিয়মিত অভিবাসন সফলভাবে পরিচালনার জন্য গন্তব্য দেশের কর্মসংস্থানের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি নিতে হবে। একই সঙ্গে নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করার মতো অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে তারা রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ভিশন বাস্তবায়নে আরও বেশি অবদান রাখতে পারেন।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা অবৈধ অভিবাসন রোধ, নিয়মিত অভিবাসনকে উৎসাহিত করা এবং পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়াকে মানবিক, নিয়মিত ও অধিকারভিত্তিক রাখতে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।
৭৫ দিন আগে