প্রধান আসামি
বোনকে কুপ্রস্তাবে প্রতিবাদ করায় বড় বোনকে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানায় ছোট বোনকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বড় বোনকে গলা কেটে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. আবুল কালামকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত পৌনে ১০টার দিকে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার স্টেশন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কালাম কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার চর হরিকেশ এলাকার মৃত হোসেন আলীর ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, কালাম ও তার সহযোগীরা শাহিদা খাতুনের ছোট বোনকে পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে অনৈতিক সম্পর্কের কুপ্রস্তাব দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে শাহিদা ও তার ছোট ভাই প্রতিবাদ করেন এবং এ বিষয়ে গ্রাম্য সালিশের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে আসামি সালিশে উপস্থিত না হওয়ায় বিষয়টি অমীমাংসিত থেকে যায়।
গত ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহিদা বাড়ির উঠানে রান্নার চাল ধোয়ার জন্য যান। সে সময় তাকে একা পেয়ে কালাম ও তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন।
এ ঘটনায় শাহিদার বাবা মো. সাইফুর রহমান বাদী হয়ে কচাকাটা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
র্যাব-১৩-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-১৩।
৮ দিন আগে
শরীয়তপুরে বিএনপি নেতা হত্যা: প্রধান আসামির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় বিএনপি নেতা খবির উদ্দিন সরদার হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি আলমাস সরদারের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে জাজিরা থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের ওমরদি কান্দি এলাকার জব্বার মাষ্টারের পরিত্যক্ত ভিটা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাতে উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের উমরদি মাদবরকান্দি এলাকায় মসজিদের মাইকের আজানে ঘুমের ব্যাঘাত হচ্ছে অভিযোগ তুলে ইমামকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠে আলমাসের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদ করায় বড়কান্দি ইউনিয়ন বিএনপি নেতা খবির সরদারকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠে। ওই ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত ছিল নিহত আলমাস।
নিহত খবির সরদার বড়কান্দি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই দানেশ সরদার বাদী হয়ে আলমাসসহ ২০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে জাজিরা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নিখোঁজ সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের লাশ উদ্ধার
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন অভিযুক্ত আলমাস সরদার। তাকেও হত্যা করে গুম করে কোথাও রাখা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী সারা দিন খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার মরদেহটি ওই পরিত্যাক্ত ভিটার মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে নিহত আলমাসের পরিবারের সদস্যরা এসে লাশটি তার বলে শনাক্ত করেন।
এ বিষয়ে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বলেন, বিএনপি নেতা খবির সরদার হত্যা মামলার প্রধান আসামি আলমাস সরদারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৯৭ দিন আগে
যুবককে চোখ উপড়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
কুমিল্লার দেবীদ্বারে ভ্যানচালক শফিউল্লাহকে নৃশংসভাবে চোখ উপড়িয়ে হত্যার প্রধান আসামি রাছেল হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শনিবার (১৭ মে) রাতে পটুয়াখালী জেলার বাউফলের নগরের হাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি রাছেল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাছেল হোসেন দেবীদ্বার উপজেলার আন্দিরপাড় গ্রামের মো. কিরনের ছেলে।
আরও পড়ুন: নাটোরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘গ্রেপ্তার রাছেলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
গত মঙ্গলবার (৬ মে) পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে কুমিল্লার দেবীদ্বার থানাধীন ত্রিবিদ্যা গ্রামে মো. ছফিউল্লাহ (৪৩) নামে এক ভ্যানচালককে শাবল দিয়ে মাথা ও বুকে গুরুতর আঘাত করে হত্যা করা হয়। পরে ড্রিল মেশিন দিয়ে নির্মমভাবে ভিকটিমের চোখ উপড়ে ফেলা হয়।
৩০০ দিন আগে
প্রাইম এশিয়ার ছাত্র পারভেজ হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
ঢাকার বেসরকারি প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জাহিদুল ইসলাম পারভেজ হত্যা মামলার এক নম্বর (প্রধান) আসামি মেহরাজ ইসলামকে গ্রেপ্তারের করেছে র্যাব-১৩।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) বিকাল ৪টা ৩৫ মিনিটে গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ভবানীপুরের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মেহরাজ ইসলাম ঢাকার বনানীর বাসিন্দা নুরুল ইসলাম সরদারের ছেলে।
আরও পড়ুন: প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন ড. রেবেকা সুলতানা
র্যাব-১৩ গাইবান্ধা অফিস থেকে জানায়, পারভেজ হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি মেহেরাজ ইসলামকে র্যাব-১ এবং র্যাব-১৩ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এর আগে আলোচিত এই হত্যা মামলায় গত রবিবার মধ্যরাতে ঢাকার মহাখালী ওয়ারলেস গেইট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে বনানী থানা পুলিশ। তারা হলেন— মো. আল কামাল শেখ ওরফে কামাল (১৯), আলভী হোসেন জুনায়েদ (১৯) ও আল আমিন সানি (১৯)।
এদিকে সোমবার রাতে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের মনাইরকান্দি গ্রামে অভিযান চালিয়ে পারভেজকে হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত আসামি হৃদয় মিয়াজিকে (২৩) গ্রেপ্তার করে র্যাব। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বনানী থানার যুগ্ম সদস্যসচিব।
এর আগে শনিবার বিকালে ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের দুই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে জাহিদুল ইসলাম পারভেজের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে তর্কাতর্কি হয় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীর। একপর্যায়ে দুই পক্ষকে নিয়ে মীমাংসার জন্য বসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
তবে ক্যাম্পাস থেকে বের হওয়ার পর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ২২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহিদুলকে একদল যুবক ছুরিকাঘাত করে। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: বনানীতে প্রাইম এশিয়া ভার্সিটিতে সংঘর্ষে শিক্ষার্থী নিহত
এ ঘটনায় একইদিন রাতে নিহতের মামাতো ভাই হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে বনানী থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বহিরাগতসহ আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন— মেহেরাজ ইসলাম, আবু জহর গিফফারি পিয়াস, মাহাথির হাসান, সোবহান নিয়াজ তুষার, হৃদয় মিয়াজি, রিফাত, আলী ও ফাহিম। এছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে।
৩২৫ দিন আগে
গৃহবধূকে ধর্ষণের পর চুল কেটে দেওয়া মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ২২ বছর বয়সী এক গৃহবধূকে শিকল দিয়ে হাত–পা বেঁধে ধর্ষণের পর চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে হওয়া মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, নির্যাতনের পর তার ঘরে থাকা টাকা, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এমনকি পালিয়ে যাওয়ার সময় তারা ঘরের জামাকাপড়েও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ডিবি পুলিশ পরিচয়ে স্বর্ণের দোকানে চাঁদাবাজি, আটক ২
এদিকে এই ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি ইমাম হোসেনকে (২৪) গ্রেপ্তার করে। এরপর শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নির্যাতনের শিকার ২২ বছর বয়সী ওই গৃহবধূর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে তিন ব্যক্তি। এরপর তারা এই নৃশংস ঘটনা ঘটান।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই গৃহবধূ। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়ে অভিযোগটিকে মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। মামলায় দুজনের নাম উল্লেখ করে একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। রাতেই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার এজাহারে গৃহবধূ উল্লেখ করেন, তার স্বামী ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গাড়িচালক হিসেবে চাকরি করেন। গ্রামের বাড়িতে অসুস্থ শাশুড়ি (৭০) ও মেয়েকে (২) নিয়ে বসবাস করেন তিনি। তাদের সঙ্গে আসামি ইমাম হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা চলে আসছে।
ইমামসহ তার লোকজন নিয়ে ওই গৃহবধূ ও পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে হয়রানি করে আসছিলেন। তিনি আগেও বেশ কয়েকবার তাকে ধর্ষণের হুমকি দেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অজ্ঞাতনামা দুজনসহ দেশীয় অস্ত্র, লোহার শেকল, তালা–চাবিসহ তাদের বসতঘরের দরজা ভেঙে গৃহবধূর কক্ষে ঢুকে পড়েন ইমাম। এ সময় আসামি গৃহবধূর মেয়ের মুখে তার জামা ঢুকিয়ে দেন এবং অপর আসামিদের সহযোগিতায় ওড়না দিয়ে তার মুখ বেঁধে ফেলেন। এরপর লোহার শেকল দিয়ে গৃহবধূর হাত–পা বেঁধে তালা মেরে তারা দুষ্কর্ম করেন। ঘটনার সময় ইমাম হোসেন বারবার জাহিদুল্লাহর নাম উচ্চারণ করেন। পরে তার অসুস্থ শাশুড়ি টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে তারা পালিয়ে যান।
আরও পড়ুন: শিশু ধর্ষণ ও হত্যার পর মুখে অ্যাসিড: অপরাধীদের সবাই কিশোর
এ বিষয়ে ওই গৃহবধূ বলেন, ‘আমি বারবার তাদের কাছে মিনতি করেছি, আমার ক্ষতি না করার জন্য। কিন্তু তারা আমার কোনো কথাই না শুনে একের পর এক অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে গেছে। আমি এই লম্পটদের বিচারসহ তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়ে মামলাটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করা হয়। এরপর শুক্রবার রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ইমাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
‘আমামিকে শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছ।’
৩২৯ দিন আগে
মা ও দুই সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি জহিরুল গ্রেপ্তার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নরসিংদীর মাধবদী উপজেলা টাটাপাড়ার শ্বশুরবাড়ি থেকে মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জহিরুল ইসলাম নিহত জেকি আক্তারের বড় বোনের মেয়ের স্বামী। তার বাড়ি নরসিংদীর মাধবদী থানার আলগীরচর গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল খালেক।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গ্রেপ্তার
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার সকালে জহিরুল ইসলামকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে পাঠানো হয়।
তিনি আরও জানান, মা ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় নিহত জেকি আক্তারের বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর পরই ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন করতে বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ, পিবিআই, সিআইডিসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর একাধিক টিম কাজ শুরু করে।
নিহত জেকি আক্তারের বাবা আবুল হোসেন বলেন, এই শোক সইতে পারব না। আমার মেয়ে ও নাতিদের পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে জহিরুল।
উল্লেখ্য যে, গত মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর ইউনিয়নের চর ছায়ানি দক্ষিণপাড়ায় ঘরের দরজা ভেঙে জেকি আক্তার ও তার দুই ছেলের লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে বিছানায় জেকির কন্যা শিশু সন্তান নয় মাসের অজিহাকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় বিচারকের সই জাল করে আসামিদের অব্যাহতি, সাবেক পেশকারসহ গ্রেপ্তার ৫
ভোলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় ৩৪ জেলে গ্রেপ্তার
৮৭৮ দিন আগে
সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাহমুদুলের জামিন স্থগিত
জামালপুরের সাংবাদিক গোলাম রব্বানি নাদিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি কারাবন্দি সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলমকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম বুধবার এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে আগামী ২০ নভেম্বর শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আ.লীগ নেতা বড় মনিরের জামিন স্থগিত, নবজাতকের ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ
এর আগে ওই মামলায় নিম্ন আদালতে বিফল হয়ে চলতি মাসে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মাহমুদুল আলম। শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল দিয়ে মাহমুদুলকে ছয় মাসের জামিন দেন। এ আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ মঙ্গলবার আপিল বিভাগে আবেদন করেন, যা আজ চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন শুনানি করেন, সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম সাইফুল আলম। আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির।
সংবাদ প্রকাশের জেরে গত ১৪ জুন রাতে বকশীগঞ্জে বাসায় ফেরার পথে উপজেলার পাটহাটি এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হন সাংবাদিক নাদিম। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ জুন বিকাল ৩টায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ১৮ জুন সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলার প্রধান আসামি সাধুরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ মামলায় প্রধান আসামি বাবুর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।
সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালেরবার্তি গ্রামের ফাহিম ফয়সাল রিফাত, নামাপাড়া গ্রামের ননির ছেলে এমডি রাকিবিল্লাহ রাকিব, আরচাকান্দির গাজী আমর আলী মেম্বার, কাগমারীপাড়া গ্রামের সাফিজল হকের ছেলে শরীফ মিয়া, মালিরচর তকিরপাড়ার আব্দুল করিমের ছেলে লিপন মিয়া, পূর্ব কামালেরবার্তী গ্রামের মফিজল হকের ছেলে মনিরুজ্জামান মনির, নামাপাড়ার শেখ ফরিদ, টাঙ্গারীপাড়ার কামালের ছেলে ওমর ফারুক, বটতলী সাধুরপাড়ার আবুল কালামের ছেলে রুবেল মিয়া, খেতারচর দক্ষিণপাড়ার জহুরুল হকের ছেলে সুরুজ মিয়া আইড়মারি শান্তি নগরের জলিলের ছেলে বাদশা মিয়া, মদনেরচরের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আবু সাঈদ, আরচাকান্দির মজিবুর রহমানের ছেলে ইমান আলী, কুতুবের চরের সাবেক মেম্বার রফিকুল ইসলাম ও সুর্য্যনগর গ্রামের কারিমুল মাস্টারের ছেলে আমান উল্লাহ।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: বিএনপি নেতা চাঁদের জামিন ও রিমান্ড নামঞ্জুর
আমান উল্লাহ আমানের স্ত্রী’র জামিন মঞ্জুর ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত
৯০৬ দিন আগে
কক্সবাজারে ২ নৃত্যশিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
কক্সবাজার শহরের কলাতলীর কটেজ জোনে দুই নৃত্যশিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মনিরুল ইসলাম ওরফে হারবদলকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টার রামু উপজেলা রাবার বাগান এলাকার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হারবদল কক্সবাজার পৌরসভার ঘোনাপাড়া এলাকার নূর আহম্মদের পুত্র। শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১৫ সিনিয়র সহকারী পরিচালক আবু ছালাম চৌধুরী।
আরও পড়ুন: কাশিমপুর কারাগারে গাঁজা ও দেশীয় অস্ত্র জব্দ, গ্রেপ্তার ২
তিনি জানান, কলাতলী এলাকার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের বিপরীতে অবস্থিত রাজন কটেজে সোমবার রাতে দুই নৃত্যশিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। কয়েকদিন আগে তাদের দুজনকে একটি অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশনের জন্য ঢাকা থেকে কক্সবাজারে আনা হয়েছিল। যার মাধ্যমে তারা আসেন সেই ব্যক্তি তাদের একটি চক্রের হাতে তুলে দেন।
ওই চক্রের সদস্যরা রাজন কটেজে নিয়ে তাদের ধর্ষণ করেন। মঙ্গলবার সকালে তাদের ঢাকার একটি বাসে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু ভুক্তভোগী এক নৃত্যশিল্পী অসুস্থ হয়ে পড়লে বাস থেকে রামু বাইপাস এলাকায় নেমে যান। অপরজন ঢাকায় চলে যান। রামুতে নেমে যাওয়া নৃত্যশিল্পীকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার সময় চিকিৎসক ঘটনার বিস্তারিত জেনে পুলিশকে জানান। পুলিশ তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামি ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেন। অভিযুক্তকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে জুয়া চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার: র্যাব
শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলাকারী ১৬ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি চুয়াডাঙ্গায় গ্রেপ্তার
৯১৮ দিন আগে
সাভারে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা: প্রধান আসামির বাবা গ্রেপ্তার
সাভারের আশুলিয়ায় হাজী ইউনূস আলী স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে পিটিয়ে হত্যার চার দিন পর অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম জিতুর বাবা উজ্জল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) এমদাদ হোসেন মামলার অন্যতম আসামি উজ্জল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে।
তাকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছেন।
এর আগে ছাত্রের ক্রিকেট স্টাম্পের আঘাতে গুরুতর জখম হওয়া কলেজ শিক্ষক উৎপল কুমার সোমবার ভোররাতে এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মারা যান।
নিহত ৩৫ বছর বয়সী শিক্ষক উৎপল সরকার সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার এঙ্গেলদানি গ্রামের মৃত অজিত সরকারের ছেলে। তিনি প্রায় ১০ বছর আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকার হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
পড়ুন: সাভারে ছাত্রদের ক্রিকেট স্টাম্পের আঘাতে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
১৩৫৪ দিন আগে
বাগেরহাটে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে স্বামী ও ছেলেকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ডাকাতির মামলার প্রধান আসামি রিয়াজ শিকদারকে প্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার বিকালে জেলার কচুয়া উপজেলার বাগমারা খেওয়াঘাট থেকে র্যাব খুলনা-৬ এর সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করে।
এদিকে নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার বাগেরহাট সদর হাসপাতালে সম্পূর্ণ হযেছে। ওই নারী বাগেরহাট মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে ২২ ধারায় ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার রিয়াজ শিকদার (৩৮) বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার বর্শিবাহ গ্রামের আব্দুল মজিদ শিকদারের ছেলে।
র্যাব খুলনা-৬ এর সদরের কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার আল-আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম জানান, গৃহবধূ ধর্ষণ এবং ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের পাশাপাশি র্যাব সদস্যরা ছায়া তদন্ত শুরু করে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে র্যাব সদস্যরা ওই গৃহবধূ ধর্ষণ এবং ডাকাতির ঘটনার মুল হোতা রিয়াজ শিকদারের অবস্থান নিশ্চিত হয়। এর পর র্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে কচুয়া উপজেলার বাগমারা খেওয়াঘাট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। র্যাব কার্যালয়ে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অপর আসামিদের ধরতে র্যাবের অভিযান চলছে বলে তিনি জানান।
আরও পড়ুন: পথ হারিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার কিশোরী, আটক ৫
মোড়েলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধু বাগেরহাট মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে ২২ ধারায় ওই রাতের ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। আদালতের বিচারক তার ওই বর্ণনা লিপিবদ্ধ করেছেন। এছাড়া ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে।
ওসি আরও জানান, গৃহবধূ গণধর্ষণ এবং ডাকাতির ঘটনায় আসামিদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে। দ্রুত আসামিদের আটক করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদী।
বাগেরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শেখ আদনান হোসেন জানান, হাসপাতালের তিন সদস্যের নারী চিকিসকদের মেডিকেল বোর্ড ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পূর্ণ করেছে। ওই মেডিকেল বোর্ড তার বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে এবং নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। পরীক্ষার রিপোর্ট বিশ্লেষণ শেষে তারা রিপোর্ট দেবে বলে তিনি জানান।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার গভীর রাতে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে স্বামী ও ছেলেকে বেঁধে রেখে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে সংঘদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই গৃবধূর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানোর পর আসামিরা যাওয়ার সময় ঘরে থাকা স্বর্ণলংকার, দুই বস্তা শুকনা সুপারি, শাড়ি কাপড়, নগদ অর্থসহ কয়েক লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর দিনমজুর স্বামী বুধবার মোড়েলগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে রিয়াজ শিকদারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও আট থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
আরও পড়ুন: বাসা থেকে ডেকে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ৪
১৪৭২ দিন আগে