প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় জোর দিচ্ছে সরকার
দারিদ্র্য, অভিবাসন, প্রতিবন্ধকতা কিংবা পারিবারিক সংকটের কারণে দেশের হাজারো শিশুর কাছে স্কুলশিক্ষা এখনও অধরা। দীর্ঘদিন শ্রেণিকক্ষের বাইরে থাকা এসব শিশুর জন্য এবার ‘দক্ষতাভিত্তিক বিকল্প শিক্ষা কর্মসূচি’র মতো নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
স্কুলবহির্ভূত শিশুদের শিক্ষার আওতায় আনতে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ‘অল্টারনেটিভ লার্নিং অপরচুনিটিস ফর আউট-অব-স্কুল চিলড্রেন’ শীর্ষক এ প্রকল্প অনুমোদন পেলে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের ৬৪টি জেলার নির্বাচিত কিছু উপজেলায় এটি বাস্তবায়ন করবে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো (বিএনএফই)।
প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১৪৭ কোটি ৩ লাখ টাকা সরকার দেবে এবং ১১ কোটি ৭০ লাখ টাকা প্রকল্প সহায়তা হিসেবে দেবে ইউনিসেফ।
শ্রেণিকক্ষের বাইরেও শেখার সুযোগ
এই উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে, যেসব শিশু কখনও স্কুলে ভর্তি হয়নি বা মাঝপথে ঝরে পড়েছে, তাদের জন্য মানসম্মত অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা।
তবে এটি শুধু পড়ালেখায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞানের পাশাপাশি কর্মমুখীমুখী ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগও থাকবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, শিশুদের মূলধারার শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি পরিবর্তিত ও দক্ষতানির্ভর অর্থনীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য।
এ প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত শিশুদের চিহ্নিত করতে মাঠপর্যায়ে জরিপ চালানো হবে। এরপর নমনীয় পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম ও দক্ষতা মডিউল পরিচালনা, নিয়মিত তদারকি ও মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা হবে।
অগ্রগতি সত্ত্বেও চ্যালেঞ্জ
প্রাথমিক শিক্ষায় প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে গত কয়েক দশকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। সর্বজনীন প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চিত করা, ঝরে পড়ার হার কমানো এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী শিক্ষার হার বাড়ানো—এসব ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে দৃশ্যমান। বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা সাংবিধানিক অঙ্গীকার হিসেবেও বহাল রয়েছে।
অবশ্য তারপরও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী কিশোর-যুবকদের প্রায় ২২ দশমিক ১০ শতাংশ এখনও নিরক্ষর। ২০২২ সালের জনশক্তি জরিপে দেখা গেছে, কর্মরত মানুষের ২৮ দশমিক ৭ শতাংশের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই এবং ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ কেবল প্রাথমিক স্তর পর্যন্ত পড়েছে। তাদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের মতো মানুষ মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছাতে পেরেছে।
এই পরিসংখ্যানগুলো দেখায়, শৈশবে শিক্ষা থেকে বঞ্চিতদের ক্ষেত্রে মানবসম্পদ উন্নয়নে এখনও বড় ঘাটতি রয়েছে।
দ্বিতীয় সুযোগের প্রয়াস
নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, এ প্রকল্প শিশুদের স্থায়ীভাবে পিছিয়ে পড়া থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নমনীয় শিক্ষা ও ব্যবহারিক দক্ষতার সমন্বয় শিক্ষাকে আরও প্রাসঙ্গিক ও অর্থবহ করে তুলবে।
পরিকল্পনা কমিশনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য দক্ষতাভিত্তিক, মানসম্মত অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত হবে। এতে তারা মূলধারার শিক্ষায় ফিরতে পারবে এবং আধুনিক বিশ্বের জন্য প্রস্তুত হবে।’
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য বিনিয়োগ মানবিক দায়িত্বের পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়নের অপরিহার্য অংশ। প্রয়োজনীয় সহায়তা না পেলে এসব শিশুদের জন্য শিশুশ্রম, দীর্ঘমেয়াদি দারিদ্র্য ও সামাজিক প্রান্তিকতার ঝুঁকি তৈরি হয়।
শিক্ষা ও দক্ষতার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া সুযোগকে নতুন সম্ভাবনায় রূপান্তর করার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশে আরও দক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ জনশক্তি গড়ে ওঠে।
৩ দিন আগে
অ্যাকটিভ অর্গানাইজেশন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
‘অ্যাকটিভ অর্গানাইজেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৩’ অর্জন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
রবিবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার দেয় বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে এ পদক গ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: পুনরাবৃত্তি-মূলধনী ব্যয়ের ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ অর্থ মন্ত্রণালয়ের
পদক প্রাপ্তির প্রেক্ষাপটে জানানো হয়, ২০১০ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে সাফল্যের সঙ্গে ‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এ পুরস্কারে ভূষিত করে।
পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশগ্রহণ শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় টুর্নামেন্ট দুইটি আয়োজন করে আসছে।
তিনি আরও বলেন, এ টুর্নামেন্ট ফুটবলার তৈরির আঁতুড়ঘর হয়ে উঠছে। ২০২২ সালে সাফ উইমেনস ফুটবল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের পাঁচজন খেলোয়াড় উঠে এসেছে এ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে।
সচিব বলেন, ২০২৩ সালে ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত ২২ লাখ ২২ হাজার ৩৬ জন শিক্ষার্থী টুর্নামেন্ট দুটিতে অংশ নেয়। অংশগ্রহণের দিক থেকে এখন বিশ্বের বৃহত্তম টুর্নামেন্ট এ দুইটি। এ অনন্য অর্জন ‘গিনেসবুকে’ স্থান করার উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
তিনি এ ব্যাপার গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।
এছাড়াও ‘সানজিদা’বঙ্গমাতা টুর্নামেন্টের প্রথম নারী খেলোয়াড় হিসেবে ভারতের প্রফেশনাল ফুটবল লিগে কোলকাতা ইস্ট বেঙ্গলে খেলেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার থাইল্যান্ড সফরে সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচনের প্রত্যাশা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
৩৫টি জেলায় দুধ-ডিম-মাংস বিক্রি: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
৬৬৪ দিন আগে
প্রাথমিকে থাকছে না বৃত্তি পরীক্ষা
প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে পরীক্ষা বন্ধ হলেও ভিন্ন প্রক্রিয়ায় মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: আগামীকাল প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) বিকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৩ সালে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত এক আলোচনা সভায় জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন ইউএনবিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বৃত্তি পরীক্ষা থাকছে না। ভিন্ন প্রক্রিয়ায় মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, তবে বৃত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কী কী মানদণ্ড থাকবে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার সংশোধিত ফল প্রকাশ
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত ঘোষণা
৯২৩ দিন আগে
প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটি বাড়ল ২৯ মে পর্যন্ত
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য আগামী ২৯ মে পর্যন্ত সকল ধরনের সরকারি/ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের চলমান ছুটি বাড়ানো হয়েছে।
রবিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞতিতে বলা হয়, এ সময়ে নিজেদের ও অন্যদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞতিতে আরও জানানো হয়, প্রাধনমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত নির্দেশনা ও অনুশাসনসমূহ শিক্ষার্থীদের মেনে চলতে হবে। শিক্ষার্থীদের বাসস্থানে অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পরিবীক্ষণ করবেন।
এতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা তাদের নিজ নিজ শিক্ষার্থীরা যাতে বাসস্থানে অবস্থান করে ও নিজ নিজ পাঠ্যবই অধ্যয়ন করে সে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অভিবাবকদের মাধ্যমে নিশ্চিত করবেন।
এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ল
শনিবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে অতি সম্প্রতি চলমান কোভিড-১৯ অতিমারিতে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সাথে পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
১৭৩৭ দিন আগে
প্রাথমিকে ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার সুবর্ণ সুযোগ
প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া শিশুদের আবারও পড়ালেখায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ঝরে পড়া এই সব শিশুদের পঞ্চম শ্রেণি পাসের পর দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
১৮৪৭ দিন আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ল
মহামারি করোনার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
১৮৫৮ দিন আগে
প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকা এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যালয় নির্মাণের সুপারিশ
দেশের যেখানে সর্বনিম্ন দুই কিলোমিটারের মাঝে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
১৮৬৭ দিন আগে
পিইসি পরীক্ষা বাতিল বিষয়ে প্রস্তাব যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে
করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবারের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) বাতিল করা হবে কী না এবং প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক বিষয়ে কী করা যায় এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
২০১৫ দিন আগে