সিটিটিসি
দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দেওয়ার আশঙ্কা নেই: সিটিটিসি প্রধান
দেশে বর্তমানে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দেওয়ার মতো কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক। তিনি বলেছেন, উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, গোয়েন্দা তথ্য ও নিজস্ব ডাটাবেজের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশে কোনো জঙ্গিবাদ নেই বলে বারবার দাবি করেছে। অথচ জঙ্গিবাদ দমনে বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে সিটিটিসি গঠনের পরও কেরানীগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে বোমা বিস্ফোরণ এবং সর্বশেষ মতিঝিলে ছাতার ভেতর বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়কে সিটিটিসি কীভাবে দেখছে এবং বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাগুলোর তদন্তে উগ্রবাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে কি না—জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকরা।
জবাবে সিটিটিসি প্রধান বলেন, সিটিটিসি ইউনিটের বেশ কয়েকটি বিভাগ রয়েছে। এর মধ্যে একটি বিভাগ কাউন্টার টেররিজম। এছাড়া আরও কয়েকটি বিভাগ রয়েছে যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাজ করছে।
তিনি বলেন, উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের ওপর অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নিজস্ব ডাটাবেজের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। কোনো তথ্য পাওয়া মাত্রই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিটিটিসি সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনই এমন কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে দেশের পরিস্থিতিতে আশঙ্কাজনক কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
মতিঝিলে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বর্তমানে ঘটনাটি নিয়ে মতিঝিল বিভাগ তদন্ত করছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ ঘটনায় কারা জড়িত ছিল বা তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
সংবাদ সম্মেলনে জঙ্গিবাদসংক্রান্ত গ্রেপ্তার ও মামলার অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক বলেন, গ্রেপ্তারের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান পরে জানানো হবে। তবে তিনি জানান, আলোচিত পাতা কমব্যাট মামলায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
সিটিটিসি জানিয়েছে, সম্ভাব্য উগ্রবাদী তৎপরতা প্রতিরোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম আগের মতোই অব্যাহত থাকবে।
১১ ঘণ্টা আগে
এসএসসির ভুয়া প্রশ্ন দিয়ে অর্থ হাতানো চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার
চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত চলমান এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কিত অনলাইন প্রতারণা-সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন এসব তথ্য দেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন— মো. সিফাত আহমেদ সজীব, মো. সালমান, মো. মেজবাউল আলম মাহি এবং মো. মহিউজ্জামান মুন্না।
এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। তার কথায়, বর্তমানের প্রশ্নপত্রের সঙ্গে তাদের দেওয়া প্রশ্নের মিল নেই। প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিত তারা।
মুনশী শাহাবুদ্দীন বলেন, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) সিটিটিসির অনলাইন ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ বিভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারির সময় ‘এসএসসি-২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস গ্রুপ’ নামের একটি ফেসবুক পেজ শনাক্ত করে। সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি দল একই দিন রাত ৮:২০টায় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার জিরাবো তাঁজপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. সিফাত আহমেদ সজিবকে গ্রেপ্তার করে।
৯৩ দিন আগে
ঢাকার তুরাগ থেকে হিযবুত তাহরীরের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির উপকমিশনার (ডিসি-মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এর আগে গত অক্টোবরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনটির মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর ইমতিয়াজ সেলিমকে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি।
হিযবুত তাহরীরের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর গ্রেপ্তার
৬৪০ দিন আগে
মৌলভীবাজারে জঙ্গি আস্তানায় ‘অপারেশন হিলসাইড’ চালাচ্ছে সিটিটিসি
মৌলভীবাজারের পূর্ব তাকতিউলিতে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার (১২ আগস্ট) সকালে‘অপারেশন হিলসাইড’ নামে এ অভিযান শুরু করা হয়।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে নতুন জঙ্গি সংগঠনের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার ফারুক হোসেন চলমান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট শনিবার সকালে গোপন আস্তানা থেকে উদ্ভূত সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে এই অভিযান শুরু করে।
আরও পড়ুন: আদালত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া জঙ্গি সোহেলের স্ত্রী গ্রেপ্তার
বান্দরবানে জামাতুল আনসারের প্রশিক্ষক কমান্ডারসহ ৮ জঙ্গি গ্রেপ্তার: র্যাব
১০৮০ দিন আগে
জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল আনসারের নায়েবে আমির গ্রেপ্তার: সিটিটিসি
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট বলছে, ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল আনসার ফিল হিন্দাল শরকিয়ার নায়েব-ই-আমিরকে গ্রেপ্তার করেছে তারা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিটিটিসি ইউনিটের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে অভিযান চালিয়ে মহিবুল্লাহকে দু’টি মোবাইল ফোন সেট ও একটি ল্যাপটপসহ গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: সোনাগাজীতে ১৬ বছর পর ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
বুধবার সিটিটিসি ইউনিটের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার জঙ্গির নাম মহিবুল্লাহ ওরফে ভোলার শায়েখ।
ব্রিফিংকালে আসাদুজ্জামান বলেন, মহিবুল্লাহ জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের পার্বত্য জেলায় নিয়ে যাওয়ার পর খুতবা দিতেন এবং উদ্বুদ্ধ করতেন।
সিটিটিসি প্রধান বলেন, ধর্মীয় শাস্ত্রের অপব্যাখ্যা করার পর নতুন নিয়োগকারীদের মনস্তাত্ত্বিকভাবে ‘জিহাদের’ জন্য প্রস্তুত করাই ছিল তার প্রধান লক্ষ্য।
কিছুদিন পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে থাকার পর মহিবুল্লাহ ঢাকায় ফিরে আসেন এবং এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ জোরদারসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
মহিবুল্লাহ ঢাকা, সিলেট ও কিশোরগঞ্জে তৎপরতা জোরদার করতে জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকও করেছেন।
তিনি চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারীর মাদ্রাসায়ও যেতেন বলে জানান আসাদুজ্জামান।
হাটহাজারীর একটি মাদ্রাসার ছাত্রাবস্থায় মহিবুল্লাহ নিষিদ্ধ চরমপন্থী সংগঠন হরকাত-উল-জিহাদ বাংলাদেশের (হুজি-বি) একজন সক্রিয় সদস্যও ছিলেন। তিনি হুজি-বি-এর অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও ‘জিহাদি প্রশিক্ষণ’ নিয়েছেন।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে হত্যাসহ ১০ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার: র্যাব
সিরাজগঞ্জে ফেনসিডিল জব্দ, ৪ ‘মাদক ব্যবসায়ী’ গ্রেপ্তার: র্যাব
১২৫১ দিন আগে
ঢাকায় ৫ ‘হুজি জঙ্গি’, ১ ‘আল কায়েদা সদস্য’ গ্রেপ্তার: সিটিটিসি
নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাত-উল-জিহাদ আল-ইসলামির (হুজি) সন্দেহভাজন পাঁচ সদস্য এবং আল কায়েদার একজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
শনিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: জামায়াতের আমির নতুন জঙ্গি সংগঠন তৈরিতে জড়িত: সিটিটিসি প্রধান
ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কাছ থেকে নয়টি মোবাইল ফোন সেট জব্দ করেছে।
শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তাকৃতরা হলেন- ফখরুল ইসলাম (৫৮), সাইফুল ইসলাম (২৪), সুরুজ্জামান (৪৫), আবদুল্লাহ আল মামুন(৪৬), দীন ইসলাম(২৫) ও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন(৪৬)।
ফখরুল গাজীপুরের তামিরুল মিল্লাত মাদ্রাসায় নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। তিনি ১৯৮৮ সালে পাকিস্তানে যান। সেখানে তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আল-কায়েদা কমান্ডার মুফতি জাকির হোসেনের সঙ্গে দেখা করেন।
পরে ফখরুল মুফতি জাকিরের সঙ্গে বেশ কয়েকবার আফগানিস্তানে গিয়ে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নেন বলে জানান তিনি।
প্রশিক্ষণে ফখরুল একে-৪৭, এলএমজি, রকেট লঞ্চারসহ বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার শিখেছেন।
এরপর তিনি আল-কায়েদা নেতা মোল্লা ওমর এবং ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে দেখা করেন বলে জানান সিটিটিসি প্রধান।
আফগানিস্তানে জিহাদি প্রশিক্ষণ শেষ করে তিনি পাকিস্তানের করাচিতে ফিরে আসেন। করাচি থেকে তিনি ১৯৯৫ সালে ইরানের রাজধানী তেহরানে যান এবং সেখানে প্রায় তিন বছর থাকার পর করাচিতে ফিরে আসেন। ১৯৯৮ সালে ফখরুল বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
এছাড়া হাফেজ মো. আবদুল্লাহ আল মামুন নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করে একটি সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপ চালাতেন বলে জানান আসাদুজ্জামান।
মো. আসাদুজ্জামান ব্রিফিংয়ে বলেন, তিনি একটি ইউটিউব চ্যানেলও তৈরি করেছেন যেখানে তিনি অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বোমা তৈরির ম্যানুয়াল এবং ভিডিও সহ চরমপন্থা-উস্কানিমূলক বিষয়বস্তু শেয়ার করেছেন।
গ্রেপ্তাকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে আল কায়েদা অনুপ্রাণিত ৬ জঙ্গি গ্রেপ্তার: সিটিটিসি
জামায়াতের আমির জানতেন তার ছেলে জঙ্গি সংগঠনের সদস্য: সিটিটিসি প্রধান
১২৭৬ দিন আগে
রাজধানীতে আল কায়েদা অনুপ্রাণিত ৬ জঙ্গি গ্রেপ্তার: সিটিটিসি
আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা থেকে অনুপ্রাণিত সন্দেহভাজন ছয় জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। সোমবার সিটিটিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আটককৃতরা হলেন- আব্দুর রব(২৮), মো. সাকিব(২৩), মো. শামীম হোসেন(১৮), মো. নাদিম শেখ(১৯), মো. আবছার(২০) ও মো. সাঈদ উদ্দিন(১৮)।
রবিবার রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, চট্টগাম ও টেকনাফ টেকনাফে সিটিটিসির নগর গোয়েন্দা বিশ্লেষণ বিভাগের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
আরও পড়ুন: জামায়াতের আমির জানতেন তার ছেলে জঙ্গি সংগঠনের সদস্য: সিটিটিসি প্রধান
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানায়, তারা সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন ভিত্তিক অ্যাপে যোগাযোগ করে গ্যাং গঠন করত। তারা স্থানীয় সহযোগীদের কাছে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে জিহাদ শুরু করার জন্য টেকনাফে অবস্থান করছিলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আটক আব্দুর রব এখানকার একটি কওমি মাদ্রাসায় পড়ার পর ২০১৯ সালের জুনে সৌদি-আরবে চলে যান। সৌদি আরবে অবস্থানকালে তিনি অনলাইনে বিভিন্ন জিহাদি পোস্ট ও ভিডিও দেখে জিহাদে যোগ দিতে অনুপ্রাণিত হন।
এতে আরও বলা হয়েছে, রব একজন সমন্বয়ক হিসাবে কাজ করতেন এবং শরিয়া ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন, জিহাদ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করতে সবাইকে অনলাইনে একত্রিত করতেন। পরে, তারা বিদেশে বসবাসকারী একজন বাংলাদেশীর সঙ্গে পরিচিত হন এবং অডিও-ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে ওই সদস্য লিবিয়ায় থাকা আরেক বাংলাদেশি এবং টেকনাফের স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেন। যৌথ আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় যে, আব্দুর রব, শামীম, সাকিব, নাদিম, সাঈদ এবং অন্যান্য যারা হিজরত করতে ইচ্ছুক তারা প্রথমে টেকনাফে যাবেন এবং বাংলাদেশে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জিহাদ করতে তাদের স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন।
গত বছরের ২২ নভেম্বর আব্দুর রব দেশে এসে পরিকল্পনা ও পরামর্শের জন্য একটি বাসা ভাড়া নেন।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আরও পড়ুন: জামায়াতের আমির নতুন জঙ্গি সংগঠন তৈরিতে জড়িত: সিটিটিসি প্রধান
হেফাজত থেকে জঙ্গি পালানোর মূল পরিকল্পনাকারী শনাক্ত: সিটিটিসি প্রধান
১৩০২ দিন আগে
জামায়াতের আমির জানতেন তার ছেলে জঙ্গি সংগঠনের সদস্য: সিটিটিসি প্রধান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান নতুন গঠিত জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র সঙ্গে তার ছেলে ডা. রাফাত সাদিক সাইফুল্লাহর জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান আসাদুজ্জামান এ দাবি করেছেন।
সিটিটিসি প্রধান বলেন, জামায়াতের আমির জানতেন যে তার ছেলে জঙ্গিবাদে জড়িত। ‘কিন্তু তিনি নীরব ছিলেন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে এ তথ্য জানাননি।’
তিনি বলেন, ‘যদি কেউ জঙ্গিবাদে জড়ানোর পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায়, পরিবার আবেদন করে, তাহলে বিবেচনা করা যেতো। কিন্তু তিনি (শফিকুর রহমান) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে না জানিয়ে পুরো বিষয়টি গোপন করেছিলেন।’
গত ৯ নভেম্বর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে শফিকুর রহমানের ছেলে রাফাতসহ তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: হাজিগঞ্জে ১১ নারী ‘জামায়াত কর্মী’ আটক
রাফাত আনসার আল ইসলামের সদস্য ছিলেন এবং তাদের নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ায় যোগ দেয়ার জন্য কিছু সমর্থক সংগ্রহ করেছিলেন।
সিটিটিসি প্রধান দাবি করেছেন, সম্প্রতি বাড়ি ছেড়ে আসা একদল যুবক রাফাতের নেতৃত্বে বান্দরবানে যায়, সেখান থেকে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি সশস্ত্র গ্রুপ কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এর সঙ্গে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণের জন্য সিলেটে যায়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে ১৩ ডিসেম্বর জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৭ ডিসেম্বর ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, জামায়াত প্রধানের দ্বারা নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়াকে সমর্থন ও অর্থায়ন করার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।
এদিকে ঢাকার আদালত থেকে দুই জঙ্গির পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সিটিটিসি প্রধান আজ (বৃহস্পতিবার) বলেন, ‘এখনও বলার সময় আসেনি। তারা এখনও দেশ থেকে পালাতে পারেনি।’
আরও পড়ুন: নতুন জঙ্গি সংগঠনকে মদদ দিচ্ছেন জামায়াতের আমীর: ডিএমপি কমিশনার
রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে ২ পুলিশ আহত
১৩১৩ দিন আগে
জামায়াতের আমির নতুন জঙ্গি সংগঠন তৈরিতে জড়িত: সিটিটিসি প্রধান
ঢাকা মেট্রেপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা.শফিকুর রহমান নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারকিয়ার কর্মীদের বান্দরবানে প্রশিক্ষণ নিতে এবং খরচ বহন করার জন্য সরাসরি সহায়তা প্রদানে জড়িত ছিলেন।
মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে আসাদুজ্জামান বলেন, গত ৯ নভেম্বর নগরীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে শফিকুর রহমানের ছেলে রাফাতকে তার এক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন:রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে ২ পুলিশ আহত
তিনি বলেন, রাফাতকে গ্রেপ্তারের আগে সিটিটিসি ইউনিট রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শরকিয়ার তিন সদস্যকে প্রশিক্ষণের জন্য সিলেটের দিকে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার করে। তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির পর তারা রাফাত ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে।
রাফাতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এখন নতুন জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘রাফাত আনসার আল ইসলামের সদস্য ছিল এবং জঙ্গি গোষ্ঠী থেকে কিছু সমর্থক সংগ্রহ করেছিল তাদের নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারকিয়ায় যোগ দেয়ার জন্য। রাফাতের নেতৃত্বে একদল যুবক, যারা সম্প্রতি বাড়ি ছেড়েছে, তারা বান্দরবান গিয়েছিল সেখান থেকে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি সশস্ত্র গ্রুপ কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এর সঙ্গে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণের জন্য সিলেটে গিয়েছিল।’
আসাদুজ্জামান বলেন, জামায়াতের আমির সম্প্রতি বাড়ি ছেড়ে যাওয়া তরুণদের পার্বত্য এলাকায় প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো এবং তাদের খরচ বহন করার সঙ্গে জড়িত ছিল।
এছাড়া এ ঘটনায় শাকির নামে এক চিকিৎসককেও আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের সিটিটিসি ইউনিট।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এ আদেশ দেন।
আরও পড়ুন:জামায়াত আমির ডা. শফিকুর গ্রেপ্তার
১৩২২ দিন আগে
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর গ্রেপ্তার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) ফারুক হোসেন ইউএনবিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি ইউএনবিকে বিষয়টি নিশ্চিত করলেও জামায়াতের আমিরকে গ্রেপ্তার ও অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।
আরও পড়ুন: বরগুনায় ৩ আলোকচিত্র সাংবাদিকের ওপর হামলা, আটক ২
জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম এক বিবৃতিতে দাবি করেন, রাজধানীর তার বাসা থেকে রাত ১টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া তিনি গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
এটিএম মাসুম আরও জানান, এ ধরনের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সরকার দেশে চলমান রাজনৈতিক বিক্ষোভ থামাতে পারবে না। ভয়ভীতি সৃষ্টি, হামলা ও মামলা দিয়ে জনগণের আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।
মাসুম অবিলম্বে শফিকুরসহ গ্রেপ্তার জামায়াত নেতাসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
১১ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীর আমির ১০ দফা দাবি ঘোষণা করেন, যা মূলত বিএনপির দাবির সঙ্গে মিলে যায় এবং বিএনপির ঘোষণার ঠিক পরেই ২৪ ডিসেম্বর একটি গণসমাবেশ ঘোষণা করে।
জামায়াতে ইসলামী দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ১০ দফা দাবির ভিত্তিতে দেশব্যাপী একযোগে গণমিছিল গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাবিতে ৫ ছাত্রদল কর্মীকে আটক করে পুলিশে দিল ছাত্রলীগ
মির্জা ফখরুলকে আটকের প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ
১৩২২ দিন আগে