আহত
রংপুরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু, আহত ১
রংপুরে বজ্রপাতে পৃথক এলাকায় রহমত উল্যাহ (৩৫) ও আব্দুর রশিদ (৪৮) নামে দুই কৃষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় খোরশেদ আলম নামে আরও এক কৃষক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে মিঠাপুকুর উপজেলার বড় হযরতপুর এলাকা ও বদরগঞ্জ উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়নের ঘিরনই এলাকায় এ দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদ হোসেন বলেন, বিকেলে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষক আব্দুর রশিদ ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
অপরদিকে, আজ (শুক্রবার) দুপুরে বদরগঞ্জ উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়নের ঘিরনই এলাকায় বজ্রপাতে একজন কৃষক নিহত ও আরেকজন কৃষক আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে রহমত উল্যাহ, খোরশেদ আলমসহ কয়েকজন কৃষক মাঠে কাজ করছিলেন। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশের একটি সেচযন্ত্রের ঘরে আশ্রয় নেন। কিছুক্ষণ পর বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই রহমত উল্যাহ নিহত হন। খোরশেদ আলম গুরুতর আহত হন। একই ঘটনায় বজ্রপাতে ছয়টি ছাগলও মারা যায়।
পরে স্থানীয়রা আহত খোরশেদকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার বলেন, ‘ঘটনা জানার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহতকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিকে দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
১৮ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক-সংক্রান্ত বিরোধে সালিশে সংঘর্ষ, নিহত ১
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলায় সালিশ চলাকালে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
বুধবার (১০ জুন) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের দুর্লভপুর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় মাদক চোরাকারবারিদের বিজিবির কাছে ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে আজ (বুধবার) দুর্লভপুর এলাকায় সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন চর দুর্লভপুর এলাকার বাসিন্দা শওকত আলীর ছেলে ইব্রাহিম আলী (৩৮)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। আহতদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মাদক-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
২ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৩
কুষ্টিয়ার মিরপুরে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে সজীব (২৫) নামে এক ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হেলপার জিহাদসহ (১৫) আরও দুজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোর ৪টার দিকে কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের উপজেলার ৯ মাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বরিশালের বাবুগঞ্জ থেকে আম সংগ্রহের উদ্দেশ্যে একটি ট্রাক নিয়ে রাজশাহীর দিকে যাচ্ছিলেন চালক সজীব ও হেলপার জিহাদ। তারা রাজশাহী যাওয়ার পথে ৯ মাইল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পাথরবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে তাদের ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক সজীব নিহত হন। এ সময় হেলপার জিহাদসহ তাদের আরও ২ জন সহযোগী আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। নিহত সজীবের মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
দুর্ঘটনায় ট্রাক দুটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ ঘটনায় মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ থাকলেও প্রায় এক ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবায়েদ জানান, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৪ দিন আগে
হবিগঞ্জে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ৫০
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানার ওসিসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (৮ জুন ) সকালে উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি ফরিদ মিয়া জুলাই আন্দোলনের মামলায় কারাগারে ছিলেন। এ সময় তার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় যুবদল নেতা কফিল উদ্দিন।
সম্প্রতি কারাগার থেকে বের হন ফরিদ আহমেদ। তিনি হাইকোর্টের আদেশে স্বপদে পুনর্বহাল হন। তবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন দায়িত্ব হস্তান্তরে গড়িমসি করতে থাকেন।
এদিকে, সোমবার সকালে চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ভিজিএফ চাল বিতরণ শুরু করেন। সেই কার্যক্রমে কফিল উদ্দিন বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। এ সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর হামলা করে। সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
খবর পেয়ে বানিয়াচং থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এ সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হকসহ ৪ জন আহত হন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে সংঘর্ষ থামাতে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। এছাড়া সেখানে পাঁচটি সাউন্ড গ্রেনেড ও তিন রাউন্ড টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
৪ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ নিহত ৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) সকালে জেলা সদরের রামরাইলে ও কসবা উপজেলার বাড়িউড়া বাজার এলাকায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা রয়েছে।
আজ (শুক্রবার) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশ্বর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন— জেলার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের কাউসার মিয়ার স্ত্রী জোসনা বেগম (৪০), তার শিশুপুত্র আশরাফুল (৫) ও অটোরিকশার চালক মাহবুব (৪৫)।
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সরাইল-বিশ্বরোড যাচ্ছিলেন কাউসার মিয়া। তারা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশ্বর এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি মাছভর্তি পিকআপভ্যান অটোরিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হন অটোরিকশার চালক মাহবুব (৪৫), অটোরিকশাযাত্রী জোসনা বেগম (৪০) ও তার শিশুপুত্র আশরাফুল (৫), জোসনার স্বামী কাউসার (৫০) ও তার মেয়ে আদিবা (৪)।
পরে তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চালক মাহবুব, জোসনা ও তার শিশুপুত্র আশরাফুলের মৃত্যু হয়।
আহত অন্যদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের দেওয়ান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক পিকআপ ভ্যানচালক ও সহযোগী পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা যায়নি।
এদিকে, সকাল ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের জেলার সরাইলে প্রাইভেটকার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে অটোরিকশার যাত্রী মো. অলি মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
উপজেলার বাড়িউড়া বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত অলি মিয়া সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বরইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের হাজ্বী মোহাম্মদ ইদন মিয়ার ছেলে।
৭ দিন আগে
শৈলকুপায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৬৫ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে সামাজিক দল গঠন নিয়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহত বিএনপি নেতা মতিয়ার রহমান সমর্থিত বেষ্টপুর গ্রামের মিরাজ জোয়ার্দার, আবু তালেব, উল্লাস, ইমরান, শাহিন মন্ডল, ফজলুর রহমান, সেলিম এবং একই গ্রামের কফিল মেম্বার সমর্থিত মো. লাল্টু বিশ্বাস, মো. আক্তার হোসেন, মো. খাইরুল ইসলাম, মফিজুল আলী, মোশারফ হোসেন, আনিস মোল্লা, সাকিব, আব্দুল কাদের, মো. বিল্লাল হোসেন, অক্ষন, সাঞ্জু, আবেদ আলীর পরিচয় মিলেছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় গ্রামের বসিন্দা ইউনুস আলী জানান, সামাজিক দল গঠন নিয়ে মতিয়ার ও কফিল উদ্দীনের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। উভয় গ্রুপের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের লোকজন ভেড়ানো নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে গ্রামটিতে সামাজিক দল ভেঙে যায়।
স্থানীয়রা জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে বিষ্ণুপুর গ্রামের একটি চায়ের দোকানে বাকি খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে আওয়ামী লীগ ঢুকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় অন্তত ১৫টি বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের মতিয়ার রহমান সমর্থিত আহতরা ঝিনাইদহে ও কফিল মেম্বরের লোকজন শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১৭ জনের অবস্থা বেশ গুরুতর বলে জানান শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রাশেদ আল মামুন।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, সামাজিক বিরোধ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। এখনও এ বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন দুপুরে জানান, এখনো থানায় কোনো মামলা হয়নি। আহতরা এখনো তাদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। বিকালে বা রাতে হয়তো মামলা হতে পারে।
৮ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৩
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির একটি কার্যালয়ে অতর্কিতভাবে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে স্থানীয় দুই বিএনপি নেতার বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
রবিবার (৩১ মে) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার পিয়ারপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে অবস্থিত বিএনপি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পিয়ারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা জহুরুল করিম বিশ্বাস এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান মুনতাজের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
রবিবার রাতে পিয়ারপুর গ্রামের মো. ফুরকান (৫৫), এছেম (৫০), ফিরোজ (৪৮) ও মনিরুজ্জামান মুনতাজের কয়েকজন কর্মী বিএনপি কার্যালয়-সংলগ্ন চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিতভাবে বিএনপি কার্যালয় লক্ষ্য করে কয়েকটি ককটেল নিক্ষেপ করে। বিকট শব্দে ককটেলগুলো বিস্ফোরিত হলে এলাকায় তখন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ সময় হামলায় আহত হন পিয়ারপুর এলাকার রহমত মন্ডলের ছেলে ফুরকান কসাই, হাজেদ্দিনের ছেলে এছেম এবং আতর আলী কবিরাজের ছেলে ফিরোজ। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের হাসপাতালে ভর্তি রাখার পরামর্শ দেন। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতদের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে মনিরুজ্জামান মুনতাজ বলেন, ‘এই হামলার সঙ্গে জহুরুল করিম বিশ্বাস ও তার লোকজন সরাসরি জড়িত। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।’
তবে সাবেক চেয়ারম্যান জহুরুল করিম বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘তারা (মুনতাজ ও তার লোকজন) নিজেরাই নিজেদের অফিসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আমার ও আমার লোকজনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
কুষ্টিয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, পিয়ারপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়ার মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১১ দিন আগে
রাজধানীতে দোকানে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ৩
রাজধানীর বংশালের টেকেরহাট লেনের পাওয়ার টুল স্কেলের দোকানের ভেতরে আগুন লেগে দগ্ধ হয়েছেন ৩ জন।
সোমবার (১ জুন) বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাদের দগ্ধ অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন— দোকান কর্মচারী মিরাজ (২৫), ইফাত (২০) ও রকি (২৬)।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আজ (সোমবার) দুপুরের দিকে বংশাল এলাকা থেকে তিন যুবককে দগ্ধ অবস্থায় জরুরী বিভাগের নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের মধ্যে মিরাজের শরীরের ২ শতাংশ, ইফাতের শরীরের ২৫ শতাংশ ও রকি শরীরের ২৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় রকি ও ইফাতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা দোকানের ম্যানেজার রাফিন জানান, আমাদের পাওয়ার টুল স্কেল দোকানের ভিতরে বিদ্যুৎ সুইচ দিলে হঠাৎ আগুন ধরে ৩ জন বিক্রেতা (সেলসম্যান) দগ্ধ হন। পরে আমরা দ্রুত তাদের জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
১১ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কেনাবেচা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মাদক কেনাবেচায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রায়হান (১৫) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন।
শুক্রবার (৩০ মে ) গভীর রাতে উপজেলার সৈয়দটুলা উত্তরপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত রায়হান উত্তরপাড়া এলাকার ছুটুন মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উত্তরপাড়া এলাকার সজীব মিয়া স্থানীয় এক যুবককে ইয়াবা কিনে আনার জন্য ৩০০ টাকা দেন। তবে ওই যুবক ইয়াবা না কিনে সেই টাকা দিয়ে বিস্কুট কিনে খেয়ে ফেলেন। এ নিয়ে সজীব মিয়া ক্ষুব্ধ হন। একপর্যায়ে বিষয়টি হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।
পরে বিষয়টি জানতে পেরে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করা স্থানীয় যুবক কামাল, জসিম, দেওয়ান উদ্দিনসহ কয়েকজন সজীব মিয়ার কাছে মাদক কেনাবেচার বিষয়ে জানতে চান। এ সময় সজীব মিয়ার পক্ষ থাকা এলাকার শাহীন ও রতন মিয়া নামে আরও দুই যুবক ক্ষিপ্ত হন । এ নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা আরও জানান, রাতের আঁধারে গ্রামে টর্চলাইট জ্বালিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন রায়হান। পরে তাকে উদ্ধার করে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত আরও ১৫ জন আহত হয়েছেন।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভুঁইয়া বলেন, ‘মাদক সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। সংঘর্ষে রায়হান নামে একজন মারা যান। তার মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
১৩ দিন আগে
সিলেটে কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে আহত অর্ধশতাধিক
ঈদুল আজহায় সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ২০ জন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আহতরা চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, আহতদের অধিকাংশই কোরবানির পশু জবাইয়ের সময় অসাবধানতাবশত দা ও ছুরির আঘাতে আহত হয়েছেন। এছাড়া গরুর লাথি ও শিংয়ের আঘাতেও কয়েকজন আহত হন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব দুর্ঘটনার পেছনে অদক্ষতা ও অভিজ্ঞতার অভাবই প্রধান কারণ। আহতদের বেশিরভাগই পেশাদার কসাই নন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার জামান বলেন, কোরবানির পশু জবাইয়ের কাজ করতে গিয়ে সিলেটের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৫০ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩০ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বাকি ২০ জন হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।
১৪ দিন আগে