কনটেইনার
চট্টগ্রাম বন্দরের ৪৪২ কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে
চট্টগ্রাম বন্দরে অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য ৪৪২ কনটেইনার পণ্য ই-অকশনের মাধ্যমে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম। এসব পণ্যের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি, কাপড়, সুতা, সোলার মডিউল, লবণ, টাইলস ও গৃহস্থালি পণ্য রয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সোমবার (২৪ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার জট নিরসন, বন্দরের কর্মক্ষমতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে নিয়মিত নিলামের অংশ হিসেবে এসব পণ্য ই-অকশনে তোলা হচ্ছে।
এবারের নিলামে দুটি ই-অকশনে মোট ২৯০টি এবং ১৫২টি—অর্থাৎ ৪৪২টি কনটেইনারের পণ্য রয়েছে।
এনবিআরের স্থায়ী আদেশ ও বিশেষ আদেশ অনুযায়ী, বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এ ১০১ লটে ২৯০টি কনটেইনারের পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক ওয়েস্টেজ (স্ক্র্যাপ), চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, বিভিন্ন ধরনের সুতা ও কাপড়, সোলার মডিউল, লবণ, কাগজ, টাইলস, গৃহস্থালি পণ্য এবং ৮৬টি পুরোনো খালি কনটেইনার রয়েছে।
এই বিশেষ ই-অকশনের পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য (রিজার্ভড ভ্যালু) রাখা হয়নি।
অন্যদিকে, ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এ ১০৯ লটে ১৫২টি কনটেইনারের পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, ফেব্রিক্স, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, কেমিক্যাল, এসির যন্ত্রাংশ, টাইলস, স্টেইনলেস স্টিল কয়েল, স্ক্যানার, ব্যাডমিন্টন র্যাকেট, এলিভেটর ও লবণ।
নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। আগ্রহী ক্রেতারা কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে অনলাইনে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন।
দুই ই-অকশন নম্বরের পণ্যই ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অফিস চলাকালে সরেজমিনে পরিদর্শনের সুযোগ থাকবে।
ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর দরপত্র ২৭ আগস্ট থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর দরপত্র ২৭ আগস্ট থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা পর্যন্ত অনলাইনে দাখিল করা যাবে।
অনলাইন বিডিংয়ের সময় প্রস্তাবিত দরমূল্যের ন্যূনতম ১০ শতাংশ জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মূল কাগজপত্রও দাখিল করতে হবে।
সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪-এর প্রযোজ্য শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে পণ্য খালাস নিতে হবে।
আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর দরপত্র বাক্স এবং ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর দরপত্র বাক্স খোলা হবে।
নিলামসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য কাস্টমসের ই-অকশন পোর্টালে পাওয়া যাবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর এ নিলাম কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
২ দিন আগে
পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু
চট্টগ্রাম বন্দরের বহুল প্রত্যাশিত পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সোমবার (১০ জুন) সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী 'মার্স্ক দাভাও' নামের একটি কন্টেইনার জাহাজ আজ সকালে টার্মিনালে নোঙর করার মধ্য দিয়ে নিয়মিত পরিচালনা কার্যক্রম শুরু হয়।
কর্তৃপক্ষ আশা করছে যে টার্মিনালটি বছরে প্রায় ৫ লাখ বিশ-ফুট সমতুল্য ইউনিট (টিইইউ) পরিচালনা করবে।
পিসিটি চট্টগ্রাম বন্দরের ইতিহাসে প্রথম টার্মিনাল যা একটি বিদেশি সংস্থা ‘রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল’দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এটি বিদেশি বিনিয়োগ এবং অপারেশনাল মডেলের নতুন যুগের সূচনা করে। এই রূপান্তর চট্টগ্রামকে একটি ল্যান্ডলর্ড বন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যা বাংলাদেশের সামুদ্রিক অবকাঠামোর জন্য একটি উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন।
সৌদি আরবের জেদ্দাভিত্তিক রেড সি গেটওয়ে টার্মিনালের (আরএসজিটি) সঙ্গে ৬ মাস আগে চুক্তি হয় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের।
আরও পড়ুন: পতেঙ্গায় বঙ্গোপসাগরে নোঙর করা লাইটার জাহাজে আগুন, আহত ৩
কাস্টমস আনুষ্ঠানিকতা ও প্রয়োজনীয় ইক্যুইপমেন্ট সংগ্রহ করে রেড সি গেটওয়ে বাংলাদেশ লিমিটেড সোমবার থেকে কাজ শুরু করছে।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন এ টার্মিনালে বাড়বে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা। কমে আসবে জাহাজের গড় অবস্থানকাল। নতুন নির্মিত এ টার্মিনাল বছরে ৫ লাখ টিইইউএস (২০ ফুট সমমানের) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করতে সক্ষম হবে। গত বছর দেশের প্রধান এ সমুদ্রবন্দর ৩০ লাখ ৫০ হাজার টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করেছে।
এর আগে সোমবার ‘মায়ের্কস দাবাও’ নামের একটি কনটেইনার জাহাজ ভেড়ানোর কথা বলেছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক।
তিনি আরও বলেছিলেন, এ উপলক্ষে মঙ্গলবার বিদেশি প্রতিষ্ঠানটি টার্মিনালে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
সমুদ্রগামী জাহাজের তথ্যসংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট মেরিন ট্রাফিকের তথ্যে দেখা গেছে, শনিবার দুপুরে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে।
বন্দর সূত্র জানায়, দায়িত্বপ্রাপ্ত বিদেশি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে পিসিটিতে আসা প্রথম জাহাজ মায়ের্কস দাবাও। এটি সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী। মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং হয়ে কনটেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম এসেছে। জাহাজটির দৈর্ঘ্য ১৮৫ দশমিক ৯৯ মিটার ও ড্রাফট (পানির নিচে থাকা অংশ) ৯ মিটার।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে এক হাজার ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা উপকূলে নির্মিত হয়েছে পিসিটি। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় সৌদি আরবের আরএসজিটি এ টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পায়। তারা শর্তসাপেক্ষে আগামী ২২ বছর টার্মিনাল পরিচালনা করবে। গত বছরের ৬ ডিসেম্বর আরএসজিটির সঙ্গে এ বিষয়ে চুক্তি হয়। অবশ্য তার আগেই টার্মিনালের নির্মাণকাজ শেষে উদ্বোধন করা হয়েছিল।
পরীক্ষামূলকভাবে সীমিত আকারে এখানে পণ্যও খালাস করা হয়। তবে গ্যান্ট্রি ক্রেন না আসায় শুরুতেই তারা পূর্ণ সক্ষমতায় যেতে পারছে না বলে জানা গেছে। আপাতত ক্রেনযুক্ত জাহাজ ভেড়ানো হবে। গ্যান্ট্রি ক্রেন আসলে ক্রেনবিহীন জাহাজও হ্যান্ডলিং করা হবে। গ্যান্ট্রি ক্রেন দিয়ে অল্প সময়ে জাহাজে অধিক কনটেইনার ওঠানো-নামানো যায় ।
এর আগে একটি অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়াল অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল জানিয়েছিলেন, সব সরঞ্জাম সংগ্রহ করে পিসিটি পূর্ণ সক্ষমতায় যেতে আরও এক থেকে দেড় বছর সময় লাগতে পারে। শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করবে দায়িত্ব পাওয়া বিদেশি প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে চার্জ পাবে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তির আওতায় পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনা করবে সৌদি কোম্পানি
পিসিটি’তে তিনটি কনটেইনার ও একটি তেল খালাসের (ডলফিন) জেটি রয়েছে। এগুলোতে একসঙ্গে চারটি জাহাজ ভেড়ানো যাবে। কনটেইনার জেটির দুটিতে গ্যান্ট্রি ক্রেন থাকবে। যেখানে ভিড়তে পারবে গিয়ারলেস (ক্রেনবিহীন) জাহাজ এবং অপরটিতে গিয়ার্ড (ক্রেনযুক্ত) জাহাজ। পিসিটির চারটি জেটিতে একসঙ্গে চারটি জাহাজ বার্থিং নিয়ে পণ্য ওঠানামা করার সুযোগ রয়েছে। ফলে বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজের চাপ কমে যাবে। পণ্য খালাসের অপেক্ষায় জাহাজকে দীর্ঘদিন বসে থাকতে হবে না।
৮০৭ দিন আগে
চট্টগ্রামে লরি থেকে কনটেইনার পড়ে ট্রাফিক পুলিশ নিহত, আটক ২
চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় কনটেইনার চাপা পড়ে নূরে আলম নামে এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ওই কনটেইনারবাহী লরির হেলপার ও চালককে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৬ জুলাই) ভোরের দিকে বন্দর থানা সংলগ্ন সিপিআর গেইট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) বিকালে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজয় কুমার সিনহা গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানান।
এ ঘটনায় ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. ইমরান উদ্দিন বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা করেন।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে আসামি বহনকারী বাস-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে ৩ পুলিশ আহত
গ্রেপ্তার দুইজন হলো- লরির হেলপার মো. সেলিম ওরফে লিটন (৩৬)। তার বাড়ি ফেনী জেলার সোনাগাজী থানার গুণক গ্রামে। চালক শামীম খানের (২৮) বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানার চন্ডিপুর গ্রামে। ঘটনার সময় লিটন লরি চালাচ্ছিলেন।
ওসি সনজয় কুমার সিনহা জানান, ট্রাফিক কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনায় লরি চালক শামীমকে বন্দর এলাকা থেকে এবং হেলপার লিটনকে ফেনীর সোনাগাজী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দ করা হয় লরিটি।
তিনি বলেন, ঘটনার সময় বেপরোয়াভাবে কনটেইনারবাহী লরিটি চালাচ্ছিলেন হেলপার লিটন। এতে লরি থেকে উল্টে পড়ে যায় কনটেইনার। কনটেইনারটির নিচে চাপা পড়েন কনস্টেবল নূরে আলম। পরে কনটেইনারটি সরিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় কনস্টেবল নূরে আলমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: সিলেটে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু
চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ নিহত
১১২৬ দিন আগে
চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ভর্তি মদের চালান আটক
চট্টগ্রাম বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা এক কনটেইনার ভর্তি মদের চালান আটক করেছে কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তারা।
আটক চালানটিতে ১৬ হাজার ৮৪০ লিটার মদ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নিরীক্ষা, তদন্ত ও গবেষণা (এআইআর) শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দীন গনমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদ থাকায় আজ (বৃহস্পতিবার) বিকালে শতভাগ কায়িক পরীক্ষা শেষে ৪০ ফুটের একটি এফসিএল কনটেইনার আটক করা হয়। কনটেইনারের ভেতরে আমরা বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ পেয়েছি। তাই কনটেইনারটি বন্দরের বিশেষ নজরদারি ও নিরাপত্তা হেফাজতে রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।
এতে করে সরকারের ১৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করেছে ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বিসমিল্লাহ করপোরেশন বলে জানান এই কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় গাঁজা-মদসহ ভারতীয় নাগরিক আটক
নাটোরে বিপুল পরিমাণ দেশীয় মদ জব্দ, আটক ৩
১২৫১ দিন আগে
চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার থেকে ধোঁয়া নির্গমনে আতঙ্ক
চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিনের পুরনো একটি কনটেইনার থেকে হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখা গেলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে কনটেইনারটি সরিয়ে নেয়ার পর ধোঁয়া নির্গমন বন্ধ হয়ে যায়।
মঙ্গলবার দুপুরে বন্দরের ৭ নম্বর ইয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, কনটেইনারের পণ্য অনেক আগে আমদানি করা হয়েছিল। কনটেইনারে অ্যাসিড থাকতে পারে। পুরনো ও জরাজীর্ণ কনটেইনারগুলো বন্দরের এক পাশে রাখা ছিল। দ্রুত বন্দরের যন্ত্র দিয়ে কনটেইনারটি আলাদা করে সরিয়ে রাখা হয়। এর আগেই ধোঁয়া নির্গমন বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: কন্টেইনার ডিপোতে আগুন: সরকারের অবহেলাকে দুষল বিএনপি
বন্দরের কর্মকর্তারা জানান, ২০১২ সাল থেকে কনটেইনারটি বন্দরে পড়ে আছে। সীতাকুণ্ডের বিএম ডিপোতে রাসায়নিক ভর্তি কনটেইনার বিস্ফোরণ ও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড, টার্মিনালে বছরের পর বছর পড়ে থাকা রাসায়নিকের কনটেইনার চিহ্নিত করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার কাজ করছে।
তারা জানান, কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষও যত দ্রুত সম্ভব স্পট নিলাম বা ধ্বংসের উদ্যোগ নিচ্ছে। সোমবার স্পট নিলামে দুই কনটেইনার হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড বিক্রি করেছে কাস্টম হাউসের নিলাম শাখা।
১৫৪১ দিন আগে
চট্টগ্রাম বন্দরে চালু হচ্ছে ‘ঈগলরেল’: আমেরিকান প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি
চট্টগ্রাম, ১৭ অক্টোবর (ইউএনবি)- চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ‘ঈগলরেল ওভারহেড কনভিয়ান্স সিস্টেম’ শিগগিরই চালু হচ্ছে।
২৫০৫ দিন আগে