সিঙ্গাপুর
সিঙ্গাপুর থেকে কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ পদ্ধতিতে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা। এছাড়া ৩০ হাজার টন ব্যাগজাত দানাদার ইউরিয়া সার কেনা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব অনুমোদন দেওয়া হয়।
আজকের সভায় মোট চারটি ক্রয় প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনা হয়। এর মধ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রস্তাব ছিল।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা-২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুসারে আন্তর্জাতিক কোটেশন (আরএফকিউ) পদ্ধতিতে ১৫-১৬ আগস্ট সময়ের জন্য ৪২তম কার্গো এলএনজি কেনা হবে।
এলএনজি সরবরাহের জন্য সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভিটোল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ দশমিক ৩৫ ডলার। এই ক্রয়ে এআইটিসহ মোট ব্যয় হবে ৯৪৯ কোটি ৪৩ লাখ ১২ হাজার ১৮৪ টাকা।
অন্যদিকে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রথম লটে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগজাত দানাদার ইউরিয়া সার কেনার অনুমোদন করা হয়েছে।
এ ক্রয়ের জন্য প্রতি টনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫৭ দশমিক ২৫ ডলার। মোট ক্রয়মূল্য ১৩২ কোটি ৬২ লাখ ৯০ হাজার ৬২৫ টাকা।
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি উভয় প্রস্তাবই অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে।
১৫ দিন আগে
হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের পথে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
উন্নত চিকিৎসার জন্য ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় এসে পৌঁছায়। এরপর দুপুর ১টা ১০ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে হাদিকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে দেড়টার দিকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।
ওসমান হাদির সঙ্গে তার ভাই ওমর বিন হাদি এবং ওসমান হাদির বন্ধু আমিনুল হাসান ফয়সাল সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানায়, সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের অ্যাকসিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি বিভাগে হাদির চিকিৎসার সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তার উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে সরকার টানা দুদিন ধরে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
এর আগে রোববার এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের পরামর্শ এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার পর বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়–বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জাফর এবং হাদির ভাই ওমর বিন হাদির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২৪২ দিন আগে
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন খন্দকার মোশাররফ
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটি সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সস্ত্রীক সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে খন্দকার মোশাররফের ছোট ছেলে খন্দকার মারুফ হোসেন ইউএনবিকে বলেছেন, সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে তিনি ডাক্তার দেখাবেন। মস্তিষ্কে টিউমারের ফলো-আপ চিকিৎসার জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করা হবে।
পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি দেশের মানুষের কাছে তার বাবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনায় দোয়া চেয়েছেন।
‘ফ্যাসিবাদবিরোধী’ আন্দোলনের সময়ে ২০২৩ সালের ১৭ জুন রাজধানীতে বিএনপির এক পদযাত্রায় অসুস্থ হয়ে পড়লে খন্দকার মোশাররফকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আট দিন চিকিৎসা নেন তিনি। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে ২৭ জুন তাকে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। সেখানে দুই মাস ১০ দিন চিকিৎসার পর ৫ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকায় ফেরেন।
কিন্তু আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে ৫ ডিসেম্বর তাকে ফের এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকেরা পরবর্তীতে তাকে আবারও সিঙ্গাপুরে গিয়ে চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করার পরামর্শ দেন।
২০২৪ সালের ২৭ জানুয়ারি সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে খন্দকার মোশাররফের মস্তিস্কে টিউমারের সফল অস্ত্রোপচার হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরেছিলেন।
২৪৩ দিন আগে
এএফসি এশিয়ান কাপ: ঘরের মাঠে সিঙ্গাপুরের কাছে হারল বাংলাদেশ
এএফসি এশিয়ান কাপ সৌদি আরব ২০২৭ বাছাই পর্বের গ্রুপ সি’র দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-২ গোলের ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার ঢাকায় নতুনভাবে উদ্বোধন করা জাতীয় স্টেডিয়ামে এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১৯৭৩ সালে প্রথম মুখোমুখি হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের জন্য সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এটি টানা দ্বিতীয় পরাজয়।
১৯৭৩ সালের ২ আগস্ট মালয়েশিয়ায় মের্দেকা কাপ আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রথমবার মুখোমুখি হয়ে ১-১ গোলে ড্র করেছিল বাংলাদেশ। পরে ২০১৫ সালের ৩০ মে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-২ গোলে পরাজিত হয় বাংলাদেশ।
এই দিনের অন্য গ্রুপ সি ম্যাচে, স্বাগতিক হংকং ভারতের বিরুদ্ধে ১-০ ব্যবধানে জয়লাভ করেছে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছে হংকংয়ে নতুনভাবে উদ্বোধন করা কাই টাক স্পোর্টস পার্কে।
এই ম্যাচের ফলাফলে সিঙ্গাপুর গ্রুপ সি’র শীর্ষে স্থান অর্জন করেছে। তারা দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট অর্জন করেছে। হংকংও চার পয়েন্ট সংগ্রহ করে সিঙ্গাপুরের পরেই অবস্থান করছে। বাংলাদেশ এবং ভারত এক পয়েন্ট করে নিয়ে তৃতীয় এবং চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।
মঙ্গলবারের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মিডফিল্ডার সং ইউ ইয়ং ৪৫ মিনিটে গোল করে সিঙ্গাপুরকে এগিয়ে নেন (১-০)। এরপর ৫৮ মিনিটে ফরোয়ার্ড খসান ফান্দি আহমদ একটি আরেকটি শট থেকে সিঙ্গাপুরের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন (২-০)।
বাংলাদেশ ৬৭ মিনিটে হামজা দেওয়ান চৌধুরির একটি জাদুকরি পাস থেকে রাকিব হোসেনের একটি সোজা শটে ব্যবধান এক পয়েন্টে নামিয়ে আনে (২-১)।
এর পরেও বাংলাদেশ একাধিক আক্রমণ করলেও তাদের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। ২৮ মিনিটে রাকিব হোসেন শমিত সোমের পাস থেকে গোলের কাছাকাছি পৌঁছালেও শেষ পর্যন্ত তার শটটি বাইরে চলে যায়।
আরও পড়ুন: স্পেনকে হারিয়ে ফের নেশন্স লিগ চ্যাম্পিয়ন রোনালদোর পর্তুগাল
শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশ ডিফেন্ডার তারিক কাজির একটি দুর্দান্ত হেডারের পর বলটি ক্রসবারে স্পর্শ করে বাইরে চলে যায়, যা ছিল তাদের শেষ সুযোগ।
বাংলাদেশের স্প্যানিশ হেড কোচ জাভিয়ের কাব্রেরার অধীনে এই ম্যাচে পাঁচজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত বিদেশি খেলোয়াড় খেলেছেন—ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ডিফেনসিভ মিডফিল্ডার হামজা দেওয়ান চৌধুরী, কানাডার জাতীয় দলের মিডফিল্ডার শমিত সোম, ইতালিয়ান লিগের ফরোয়ার্ড ফাহামিদুল ইসলাম, ফিনল্যান্ডের ডিফেন্ডার খেলোয়ার তারিক রাইহান কাজি এবং কানাডার ডিফেন্ডার সৈয়দ কাজেম শাহ কিরমানি।
তবে, আজকের সেরা একাদশে জায়গা হয়নি বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ও দীর্ঘদিনের মিডফিল্ডার জামাল ভূঁইয়ার, যিনি ডেনমার্কের পক্ষে খেলে থাকেন।
স্টেডিয়ামটি দর্শকে ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। ফুটবলপ্রেমী মানুষ দীর্ঘ সারি করে টিকিট সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের পরাজয়ে তারা হতাশ হয়ে ফিরে যান।
গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক ফিফা টিয়ার-১ বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভুটানকে ২-০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করার পর বাংলাদেশ এই ম্যাচে আত্মবিশ্বাসী ছিল। বাংলাদেশ তাদের পরবর্তী গ্রুপ ম্যাচটি ৯ অক্টোবর হংকংয়ের বিরুদ্ধে খেলবে।
বাংলাদেশের মূল একাদশ
মিতুল মার্মা, শাকিল আহাদ, তপু বর্মণ, সাদ উদ্দিন, তারিক রাইহান কাজি, মোহাম্মদ হৃদয়, হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, কাজেম শাহ কিরমানি, ফাহমিদুল ইসলাম ও রাকিব হোসেন।
৪৩০ দিন আগে
সোমবার সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরছেন মির্জা ফখরুল
সিঙ্গাপুরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সস্ত্রীক দেশে ফিরছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিকালে ইউএনবিকে ফখরুল বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমরা ১৪ এপ্রিল (সোমবার) বিকালে দেশে ফিরব। আমাদের দুইজনেরই সবগুলো রিপোর্ট ভালো। আমার স্ত্রীর অবস্থাও ভালো। উনি সুস্থ ও ভালো আছেন।’
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ৬ এপ্রিল সিঙ্গাপুর যান মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার ফখরুলের নামে একটি ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজ থেকে তার স্ত্রীকে নিয়ে এক পোস্ট আলোচনার জন্ম দেয়।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন ফখরুল
৪৯০ দিন আগে
সিঙ্গাপুরে পালিয়ে যাওয়া অপরাধীদের ফিরিয়ে আনতে সহায়তা কামনা
সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ থেকে যেসব অপরাধী পালিয়ে গেছে, তাদের ফিরিয়ে আনতে দেশটির সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময়ে বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে সিঙ্গাপুর মডেল অনুসরণ করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ডেরেক লোহের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
উপদেষ্টা বলেন, সিঙ্গাপুর একটি উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ, যেখানে সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। তারা গত কয়েক দশকে তথ্যপ্রযুক্তিসহ অবকাঠামো উন্নয়নে ঈর্ষণীয় অগ্রগতি সাধন করেছে।
‘দুর্নীতিমুক্ত ও উন্নত সেবার কারণে দেশটি বিশ্ব পর্যটকদের অন্যতম প্রধান গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। সীমিত ভূমির কিভাবে সর্বোচ্চ ব্যবহার করা যায়, তার উদাহরণ দেশটি। দুর্নীতিমুক্তভাবে বিভিন্ন সেবা প্রদানের রোল মডেল সিঙ্গাপুর। তাই বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে সিঙ্গাপুর মডেল অনুসরণ করা প্রয়োজন।’
বৈঠকে দুদেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ইস্যু, জনশক্তি রপ্তানি, অগ্নিদুর্ঘটনার তদন্তসহ বিভিন্ন বিষয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণ, সিঙ্গাপুরে পালিয়ে যাওয়া অপরাধীদের ফেরত প্রদান, অভিবাসীসহ মানব পাচার রোধ, মানবাধিকার রক্ষা, বিমানবন্দের তৃতীয় টার্মিনালে এপিআইএস চালু বিষয়ে সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দেশটিতে প্রচুর বাংলাদেশি কর্মী কাজ করছেন, যা সিঙ্গাপুরের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে।
তিনি এসময় রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি হারে জনশক্তি আমদানির আহ্বান জানান। বিষয়টি বিবেচনা করে হবে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, সিঙ্গাপুরের প্রায় ৫ শতাংশ অধিবাসী বাংলাদেশের। এসময় তিনি বলেন, দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব গভীর করতে জনগণের মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ বৃদ্ধি অপরিহার্য, যা পারস্পরিক ভরসা ও বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করবে।
আরও পড়ুন: নববর্ষ উদ্যাপনে কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস কর্মী তথা ফায়ার ফাইটাররা অগ্নি নির্বাপণ ও অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে অত্যন্ত দক্ষ। কিন্তু আমাদের বড় ধরনের অগ্নি দুর্ঘটনার তদন্তের ক্ষেত্রে সামর্থ্যের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। সেক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের কারিগরি সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন। এ বিষয়ে তিনি সিঙ্গাপুরের সিভিল ডিফেন্স ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে আলোচনা করবেন মর্মে রাষ্ট্রদূত জানান।
উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ থেকে অনেক অপরাধী পালিয়ে গিয়ে সিঙ্গাপুরে আশ্রয় নিয়েছে। তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনতে দেশটির সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক আইনি সহায়তা বিষয়ক চুক্তি বা লিগ্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট স্বাক্ষর হতে পারে। রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরে চিঠি দেয়ার প্রস্তাব করেন।
বৈঠকে ঢাকাস্থ সিঙ্গাপুর দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি, সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া ও সাব-সাহারান আফ্রিকা ডিরেক্টরেট এর কান্ট্রি অফিসার রাহুল আইজ্যাকসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৪৯৩ দিন আগে
সিঙ্গাপুর-যুক্তরাজ্য থেকে ২ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দরপত্রের মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা।
এরমধ্যে সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এবং যুক্তরাজ্য থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মর্চ) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক এই প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮’ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়ায় স্পট মার্কেট থেকে (১৪-১৫ এপ্রিল ২০২৫ সময়ে ১৫তম) এলএনজি আমদানির প্রত্যাশাগত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।
সূত্রটি জানিয়েছে, সিঙ্গাপুরের গানভর সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এক কার্গো এলএনজি আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ৬৭৫ কোটি ২৮ লাখ ৫৮ হাজার ১১২ টাকা। প্রতি এমএমবিটিইউ’র মূল্য ধরা হয়েছে ১৪ দশমিক ০৮ মার্কিন ডলার।
আরও পড়ুন: চাহিদা মেটাতে এলএনজি, সার, মসুর ডাল আমদানি করবে সরকার
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আর এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮’ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়ায় স্পট মার্কেট থেকে (১৪-১৫ এপ্রিল ২০২৫ সময়ে ১৬তম) এলএনজি আমদানির প্রত্যাশাগত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।
যুক্তরাজ্যের মেসার্স টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে এই এক কার্গো এলএনজি আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ৬৯১ কোটি ৫৯ লাখ ২৪ হাজার ২৮৮ টাকা। প্রতি এমএমবিটিইউ’র দাম ধরা হয়েছে ১৪ দশমিক ৫৭ মার্কিন ডলার।
৫০৫ দিন আগে
আরেফিন সিদ্দিকের সার্বিক অবস্থা ‘খুবই ঝুঁকিপূর্ণ’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সার্বিক অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাকে এখন যেকোনো পরিবর্তনের জন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। রবিবার (৮ মার্চ) ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের চিকিৎসকরা এমন তথ্য জানিয়েছেন।
তবে এয়ার এম্বুলেন্সে করে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতাল কিংবা মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হতে পারে বলে তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে। ওই সূত্র বলেছে, সিঙ্গাপুরে জেনারেল হাসপাতাল আর মাউন্ট এলিজাবেথে ডকুমেন্টস পাঠানো হয়েছে। ঢাকার ডাক্তাররা অনুমতি দিলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে তাকে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।
বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের অধীনে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন ঢাবির সাবেক এই উপাচার্য। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এমন তথ্য জানা গেছে।
এতে বলা হয়, গেল বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর ৩টার পরে আরেফীন সিদ্দিকী ঢাকা ক্লাবে অবস্থানকালে হঠাৎ দাঁড়ানো অবস্থা থেকে পড়ে যান। এরপর তার জ্ঞানের মাত্রায় পরিবর্তন হওয়ায় এবং বমি হওয়ায় তাকে কাছের বারডেম জেনারেল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এরপর ইমার্জেন্সি বিভাগ থেকে তাৎক্ষণিকবাবে তার মস্তিষ্কের পরীক্ষায় ‘রাইট সাইডেড অ্যাকিউট অন ক্রোনিক সাব ডিউরাল হেমাটোনা উইথ ফ্রন্টাল লব আইসিএইচ ও সিএএইচ দেখা দেওয়ায় দ্রুত তাকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগে রেফার করা হয়।
তাকে সেদিন বিকাল ৪টা ২১ মিনিটে সরাসরি নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. নজরুল হোসেইনের অধীনে নিউরো আইসিউতে ভর্তি করা হয়। তখন তার জ্ঞানের মাত্রা ছিল ১৩/১৫। ভর্তির অল্প সময় পরেই হঠাৎ তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, চোখের মনি বড় হয়ে যায়, হার্টরেট কমতে থাকে এবং জ্ঞানের মাত্রা ৪/১৫ হয়ে যায়। দ্রুত তার স্বজনদের জানিয়ে তাকে তৎক্ষনাৎ লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আরেফিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হন ২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি। এর প্রায় সাড়ে চার বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়।
আরও পড়ুন: লাইফ সাপোর্টে ঢাবির সাবেক ভিসি আরেফিন সিদ্দিক
নির্বাচনের পর ২০১৩ সালের ২৫ অগাস্ট প্যানেলে থাকা তিনজনের মধ্যে আরেফিন সিদ্দিককে বেছে নেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও আচার্য আবদুল হামিদ। ১৯৫৩ সালের ২৩ অক্টোবর ঢাকায় জন্ম নেওয়া আরেফিন সিদ্দিক ১৯৬৯ সালে এসএসসি এবং ১৯৭১ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।
১৯৭৩ সালে বিএ এবং ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে এমএ করেন তিনি। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগ দেওয়ার আগে বুয়েটের পিআর ছিলেন আরেফিন সিদ্দিক।
বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থক শিক্ষকদের নীল দলের নেতা আরেফিন সিদ্দিক দুই মেয়াদে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার চেয়ারম্যান ও প্রেস ইনস্টিটিউটের সদস্যও ছিলেন তিনি।
উপাচার্যের দায়িত্ব পাওয়ার আগে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।দুঃখপ্রকাশ: ‘চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে আরেফিন সিদ্দিককে’ বলে ভুলবশত খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে। মূল বিষয় হচ্ছে, তার চিকিৎসাসংক্রান্ত নথি সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতাল, মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল এবং ভারতের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসার জন্য তাকে এসব দেশে পাঠানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
৫২৪ দিন আগে
আন্দোলনে আহত আরও ২ জনকে পাঠানো হলো সিঙ্গাপুর
জুলাই আন্দোলনে চোখ ও মেরুদণ্ডে গুলিবিদ্ধ ইমরান ও মহিউদ্দিন নামে আরও দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) তাদের দুজনকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়।
বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে সকাল ৮টায় সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল আই সেন্টার এবং ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের উদ্দেশে রওয়ানা দেন তারা।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে অর্থাভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন না জুলাই বিপ্লবে আহত সাজিদ
এর আগে চোখে গুলিবিদ্ধ আহত ইমরান হোসাইন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
অন্যদিকে মেরুদণ্ডে গুলিবিদ্ধ মহিউদ্দিন রাব্বি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (ঢাকা) চিকিৎসাধীন ছিলেন।
৫৬৩ দিন আগে
উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর পাঠানো হলো জুলাই অভ্যুত্থানে আহত সাতজনকে
জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে আহত সাতজনকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারা সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল আই সেন্টারে চিকিৎসার জন্য ঢাকা ত্যাগ করেন।
এর আগে আহতরা রাজধানীর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।
তথ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চিকিৎসা নিতে বিদেশ যাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন- আব্দুল্লাহ আল বাকী, আক্তার হোসেন, মো. ইয়ামিন, ফয়েজ আহম্মেদ, মিনহাজুল ইসলাম শুভ, মোহাম্মদ রমজান ও সালমান বিন শোয়েব।
আরও পড়ুন: জুলাই অভ্যুত্থান: জাতিসংঘ মিশনের প্রতিবেদন মধ্য-ফেব্রুয়ারিতে
৫৬৭ দিন আগে