সড়ক দুর্ঘটনা
রাজধানীতে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত
রাজধানীর রমনা থানায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় আব্দুল বারী (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
রবিবার (৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে থানার ডিবি কার্যালয়ের পাশের ক্রসিংয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু হানিফ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ডিবি কার্যালয়ের পাশে ক্রসিংয়ে একটি কাভার্ডভ্যান মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে আব্দুল বারী নামে ওই মোটরসাইকেলচালক গুরুতর আহত হন। পরে আহত অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, আমরা নিহত ব্যক্তির ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে তার নাম পরিচয় জানতে পারি। তার বাড়ি নোয়াখালী জেলার সদর থানার মহব্বতপুর গ্রামে। তিনি ওই এলাকার নুরুল হকের ছেলে ছিলেন। আমরা তার পরিবারকে খবর দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় একটি তারবার্তা পাঠিয়েছি।
ঘটনার পর কাভার্ডভ্যানের চালক পালিয়ে গেলেও ভ্যানটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। চালককে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন এসআই আবু হানিফ।
৮ ঘণ্টা আগে
রাতে রাজধানীর সড়কে ঝরল ৪ প্রাণ
গতরাতে রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত দুইজন।
শুক্রবার (৬ মার্চৃ) সাড়ে রাত ১০টা ও ১১টার দিকে যথাক্রমে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এবং সায়েন্স ল্যাবে এই দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতরা হলেন— সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আলিম (৪৮) ও যাত্রী হারুনুর রহমান (৩২)। তারা দুজন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকায় নিহত হন। অন্যদিকে, সায়েন্স ল্যাব এলাকায় প্রাণ হারান সাজু আহমেদ সুমন (৪৫) ও তার মেয়ে সুমাইয়া আহমেদ তৃষা (২০)।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে অটোরিকশার চালক ও তিন যাত্রী আহত হন।
পরে রাত ১১টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চালক আলিম এবং যাত্রী হারুনুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া হ্যাপি আক্তার (২২) ও নিহত হারুনের স্ত্রী বৃষ্টি আক্তার (২৫) আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ঢামেক থেকে হারুনের আত্মীয় নাবিল জানান, রাত সাড়ে দশটার দিকে সিএনজিতে করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকা দিয়ে মহাখালী তাদের বাসায় যাওয়ার সময় ইউটার্ন নিতে গিয়ে আইল্যান্ডের সঙ্গে অটোরিকশাটির ধাক্কা লাগে। এতে অটোরিকশায় থাকা তিন যাত্রী ও চালক গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে চালক আলিম ও যাত্রী হারুন নিহত হন।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় বৃষ্টি আক্তার ও হ্যাপি আক্তার দুজনেই গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের দুজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানার দশ কানিয়া গ্রামে বলে জানান নাবিল।
এ দুর্ঘটনার বিষয়ে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা থেকে আহত অবস্থায় চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। তাদের মধ্যে সিএনজিচালক ও এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত দুই নারীর জরুরি বিভাগে চিকিৎসা চলছে।
অপরদিকে, নিউমার্কেট থানার সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় বাবা-মেয়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেছে নিউমার্কেট থানা পুলিশ।
শুক্রবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সাজু আহমেদ সুমন নিহত হন। পরে গুরুতর অবস্থায় তৃষাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক মাহমুদুল। তিনি জানান, সায়েন্স ল্যাব এলাকা দিয়ে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন সুজন ও তার মেয়ে তৃষা। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও জানান, নিহত সাজু আহমেদ সুজন সেগুনবাগিচায় গণপূর্ত বিভাগে চাকরি করতেন। তার মেয়ে একজন শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানা গেছে। তারা বর্তমানে রাজধানীর দক্ষিণ শাহজাহানপুর এলাকায় বসবাস করতেন।
২ দিন আগে
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ, নিহত ২
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন ৩ জন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কসবা এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম শেখ জানান, বরিশাল থেকে টেকেরহাট পরিবহন নামে একটি বাস ঢাকার উদ্দেশে যাওয়ার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা বরিশালগামী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। এতে মাইক্রোবাসটির চালকসহ ২ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনায় ৩ জন আহত হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে (শেবাচিম) পাঠায়। গাড়ি দুইটি জব্দ করা হয়েছে। তবে বাসচালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যানচলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। পরে উদ্ধারকাজ শেষ হলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।
৩ দিন আগে
সিলেটে পিকআপের ধাক্কায় কলেজছাত্র নিহত, আহত ২
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ভারতীয় অবৈধ মহিষবোঝাই একটি বেপরোয়া গতির ডিআই পিকআপের ধাক্কায় জসিম উদ্দিন (১৮) নামে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরও দুই আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে গোয়াইনঘাট-সারীঘাট সড়কের পুকাশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জসিম উদ্দিন উপজেলার ৯ নম্বর ডৌবাড়ী ইউনিয়নের ঘোষগ্রামের আব্দুল হকের ছেলে। তিনি গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
আহতরা হলেন—গিয়াস উদ্দিন সাদি (২২) ও ইয়ামিন (১৮)। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণের পরামর্শ দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (সোমবার) রাতে মোটরসাইকেলে করে তিনজন গোয়াইনঘাট সদর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে পুকাশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভারতীয় অবৈধ মহিষবোঝাই একটি দ্রুতগামী ডিআই পিকআপ মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আরোহীরা সড়কে ছিটকে পড়েন। এ সময় ঘটনাস্থলেই জসিম উদ্দিন নিহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় মোটরসাইকেল চালকের মাথায় হেলমেট ছিল না।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঘাতক পিকআপটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনাগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ওসি।
১৩ দিন আগে
নেপালে পাহাড়ি সড়ক থেকে বাস খাদে, নিহত ১৮
নেপালে পাহাড়ি মহাসড়ক থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ২৬ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
স্থানীয় সময় রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে বাগমতি প্রদেশের ধাদিং জেলার পৃথ্বী মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাস্থল কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পশ্চিমে।
কাঠমান্ডু পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, বাসটি পোখরা থেকে রাজধানী কাঠমান্ডুর উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। পথিমধ্যে ধাদিংয়ের বেনিঘাট রোরাং গ্রামীণ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌরাউন্ডির কাছে চিনাধারা এলাকায় পৌঁছে মহাসড়ক থেকে খাদে পড়ে যায়। এরপর সেটি খাদের তলদেশে ত্রিশুলী নদীতে গিয়ে পড়ে।
পুলিশের বরাত দিয়ে হিমালয়ান টাইমসের এক খবরে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ৪৪ জন যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী। দুই বিদেশিও এ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন।
এছাড়া আরও অন্তত ২৬ জন আহত যাত্রীকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হলেও অধিকাংশকে কাঠমান্ডুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
ধাদিং জেলা ট্রাফিক পুলিশ কার্যালয়ের প্রধান শিশির থাপা জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা শুরুতে ১৭ জন থাকলেও পরে তা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
নেপালি সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজে অংশ নেন। তবে গভীর রাতে দুর্ঘটনা ঘটায় উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
১৪ দিন আগে
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৪
দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। ওই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩১ জন।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
আফ্রিকার প্রাদেশিক পরিবহনমন্ত্রী ভায়োলেট ম্যাথিয়ে জানিয়েছেন, বাসটি যখন দক্ষিণ আফ্রিকার গাউতেং প্রদেশ থেকে জিম্বাবুয়ের দিকে যাচ্ছিল, তখন হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এটি সীমান্তের কাছাকাছি এন১ মহাসড়কের পাশের একটি খাদে পড়ে যায়।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এসএবিসিকে ম্যাথিয়ে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছি। আরও কিছু লোককে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা জানাব।’ বাসটি যখন খাদে পড়ে যায়, তখন এতে আরও যাত্রী ছিল বলেও জানান তিনি।
লিম্পোপো পরিবহ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি।
২০২৫ সালে অক্টোবর মাসে যেখানে আরেকটি বাস দুর্ঘটনায় ৪২ জন নিহত হয়েছিল, সেই একই এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
১৮ দিন আগে
দিনাজপুরে বাসচাপায় শিশু নিহত, আহত ৫
দিনাজপুরে বাসচাপায় জুনায়েদ (৬) নামের এ শিশু নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আরও ৫ শিশু আহত হয়েছে। তারা সবাই একটি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী ছিল।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে চিরিরবন্দরের আমতলী ব্রিজের ওপর এ দু্র্ঘটনা ঘটে।
নিহত জুনায়েদ চিরিরবন্দরের পলাশডাঙ্গী গ্রামের জুয়েলের ছেলে ছিল। আহত অপর ৫ শিক্ষার্থীকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ (দিমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
চিরিরবন্দর থানার উপপরিদর্শক মাইনুল জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আহাদ পরিবহনের একটি বাস দিনাজপুর শহরে যাওয়ার সময় আমতলী ব্রিজের ওপর থেকে শিশুদের বহন করা স্কুলগামী একটি অটোভ্যানকে চাপা দেয়। এতে আমতলীর মোল্লা স্কুলের কেজি শ্রেণির ছাত্র জুনায়েদ ঘটনাস্থলে নিহত হয়।
এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ঘটনায় দুজন গুরুতর আহতসহ মোট ৫ শিক্ষার্থীকে দিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাসের চাপায় অটোভ্যানটি দুমড়েমুচড়ে গেছে। দুর্ঘটনার পর চালক বাসসহ পালিয়ে গেছেন।
১৮ দিন আগে
জানুয়ারিতে ৫৫৯ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮৭
নতুন বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে ৫৫৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৭ জন নিহত এবং ১ হাজার ১৯৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৬৮ জন নারী ও ৫৭ জন শিশু। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ২০৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৯৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট প্রাণহানির ৪০.২৪ শতাংশ। মোট দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেলের সম্পৃক্ততার হার ৩৭.২০ শতাংশ। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় ১৩২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৭.১০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৭ জন (১৩.৭৫ শতাংশ)।
এ সময়ে ৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত ও ৭ জন আহত হন। এছাড়া ৪১টি রেল দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে।
যানবাহনভিত্তিক প্রাণহানি
দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী ১৯৬ জন (৪০.২৪ শতাংশ), বাসযাত্রী ২১ জন (৪.৩১ শতাংশ), ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর আরোহী ২৮ জন (৫.৭৪ শতাংশ), প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্স-জীপ আরোহী ৯ জন (১.৮৪ শতাংশ), থ্রি-হুইলার যাত্রী ৭৭ জন (১৫.৮১ শতাংশ), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ১৩ জন (২.৬৬ শতাংশ) এবং বাইসাইকেল আরোহী ১১ জন (২.২৫ শতাংশ)।
দুর্ঘটনার স্থান ও ধরন
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ১৫৬টি (২৭.৯০ শতাংশ) দুর্ঘটনা জাতীয় মহাসড়কে, ২০৭টি (৩৭.০৩ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ৮৫টি (১৫.২০ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে, ১০৩টি (১৮.৪২ শতাংশ) শহরের সড়কে এবং ৮টি (১.৪৩ শতাংশ) অন্যান্য স্থানে ঘটেছে।
দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৩৫টি (২৪.১৫ শতাংশ) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২০৯টি (৩৭.৩৮ শতাংশ) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১৩৭টি (২৪.৫০ শতাংশ) পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেওয়া, ৭২টি (১২.৮৮ শতাংশ) যানবাহনের পেছনে আঘাত এবং ৬টি (১.০৭ শতাংশ) অন্যান্য কারণে ঘটেছে।
সম্পৃক্ত যানবাহন ও সংখ্যা
দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি-ড্রাম ট্রাক-ট্যাংকার-ময়লাবাহী ট্রাক-রোড রোলার ২৮.৫৮ শতাংশ, যাত্রীবাহী বাস ১২.২০ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-জীপ ৪.৬৩ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২৪.৫১ শতাংশ, থ্রি-হুইলার ১৮.৫৩ শতাংশ, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ৩.৯৫ শতাংশ, বাইসাইকেল-রিকশা ২.১৪ শতাংশ এবং অজ্ঞাত যানবাহন ৫.৪২ শতাংশ।
মোট ৮৮৫টি যানবাহন দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিল। এর মধ্যে বাস ১০৮টি, ট্রাক ১৪৪টি, কাভার্ডভ্যান ১৬টি, পিকআপ ৩২টি, ট্রাক্টর ২১টি, ট্রলি ১৮টি, লরি ৪টি, ড্রাম ট্রাক ১১টি, ট্যাংকার ৩টি, ময়লাবাহী ট্রাক ২টি, রোড রোলার ২টি, মাইক্রোবাস ১৪টি, প্রাইভেটকার ১৭টি, অ্যাম্বুলেন্স ৪টি, জীপ ৬টি, মোটরসাইকেল ২১৭টি, থ্রি-হুইলার ১৬৪টি, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ৩৫টি, বাইসাইকেল ৮টি, রিকশা ১১টি এবং অজ্ঞাত ৪৮টি।
সময় ও বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণ
সময়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভোরে ৬.৬১ শতাংশ, সকালে ২৬.৬৫ শতাংশ, দুপুরে ১৫.৫৬ শতাংশ, বিকালে ১৩.৯৫ শতাংশ, সন্ধ্যায় ১৩.৫৯ শতাংশ এবং রাতে ২৩.৬১ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনা ২৫.৫৮ শতাংশ ও প্রাণহানি ২৪.৪৩ শতাংশ; চট্টগ্রামে দুর্ঘটনা ২০.৩৯ শতাংশ ও প্রাণহানি ২০.৭৩ শতাংশ; রাজশাহীতে দুর্ঘটনা ১৩.৭৭ শতাংশ ও প্রাণহানি ১৪.৯৮ শতাংশ; রংপুরে দুর্ঘটনা ১১.০৯ শতাংশ ও প্রাণহানি ৯.৮৫ শতাংশ; ময়মনসিংহে দুর্ঘটনা ৮.৯৪ শতাংশ ও প্রাণহানি ৮.২১ শতাংশ; খুলনায় দুর্ঘটনা ৮.৫৮ শতাংশ ও প্রাণহানি ৯.৪৪ শতাংশ; বরিশালে দুর্ঘটনা ৭.৩৩ শতাংশ ও প্রাণহানি ৮.৬২ শতাংশ এবং সিলেটে দুর্ঘটনা ৪.২৯ শতাংশ ও প্রাণহানি ৩.৫৯ শতাংশ।
ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১৪৩টি দুর্ঘটনায় ১১৯ জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সর্বনিম্ন ২৪টি দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ২৬টি দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ৪১ জন আহত হয়েছেন।
নিহতদের পেশাগত পরিচয়
নিহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্য ২ জন, শিক্ষক ১৩ জন, চিকিৎসক ২ জন, সাংবাদিক ৬ জন, আইনজীবী ৪ জন, ব্যাংক-বীমা খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারী ১১ জন, এনজিও কর্মী ১৯ জন, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ২৭ জন, স্থানীয় ব্যবসায়ী ২১ জন, বিক্রয় প্রতিনিধি ২৬ জন, পোশাক শ্রমিক ৯ জন, নির্মাণ শ্রমিক ৬ জন, প্রতিবন্ধী ৩ জন এবং ৫৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।
কারণ, সুপারিশ ও পর্যালোচনা
প্রতিবেদনে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যান চলাচল, ট্রাফিক আইন না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি ও গণপরিবহনে চাঁদাবাজিকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সুপারিশের মধ্যে দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ, বেতন-কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ, সার্ভিস রোড নির্মাণ, মহাসড়কে রোড ডিভাইডার স্থাপন, রেল ও নৌপথ সংস্কার, টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন এবং সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রতিদিন গড়ে ১৯.৬১ জন নিহত হলেও চলতি বছরের জানুয়ারিতে এ হার ১৫.৭০ জনে নেমেছে, যা ১৯.৯৩ শতাংশ কম। তবে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন মনে করছে, এ হার টেকসই উন্নতির সূচক নয়; কারণ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান কোনো কাঠামোগত উন্নতি হয়নি।
সংগঠনটি আরও বলেছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা অতিরিক্ত গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটছে। প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণের পাশাপাশি পথচারীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জীবনমুখি প্রচারণা জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিবহন শ্রমিকদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত ও নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে
ময়মনসিংহে সেনা ট্রাক-বাস সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫ জন
ময়মনসিংহে সেনাবাহিনী সদস্যবহনকারী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে উভয় গাড়ির চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বালিয়া মোড় এলাকায় কাকলি রাইস মিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— সেনাবাহিনীর ট্রাকচালক সার্জেন্ট রেজাউল (৩৬) ও বাসচালক আব্দুল বাসেত (৫০)। তবে তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনায় আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হাসান জানান, আজ (বুধবার) সকালে সেনাবাহিনী তাদের ক্যাম্প কার্যক্রম শেষ করে ফুলপুর থেকে ময়মনসিংহ ফেরার পথে বালিয়া মোড়ে পৌঁছালে শেরপুরগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে সেনাবাহিনীর ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ ঘটনায় আহত হয় কমপক্ষে ১৫ জন।
আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ৯ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি ৬ জনকে ময়মনসিংহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে মমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে ট্রাকটির ড্রাইভার সার্জেন্ট রেজাউল করিম (৩৬) এবং যাত্রীবাহী বাসের চালক আব্দুল বাসেত (৫০) মারা যান।
ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এই ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, দুর্ঘটনার পরপরই ময়মনসিংহ-হালুয়াঘাট সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে দুর্ঘটনার শিকার যান সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
১৯ দিন আগে
সিলেটে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা ও বিয়ানীবাজার উপজেলার আছিরগঞ্জ এলাকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
আজ সকাল ৯টার দিকে বিয়ানীবাজার উপজেলার আছিরগঞ্জ এলাকার বসন্তপুরে হাইড্রোলিক ট্রাক্টর ও টমটমের সংঘর্ষে কামাল হোসেন নামের এক টমটমযাত্রী নিহত হন।
নিহত কামাল হোসেন (৪২) বিয়ানীবাজারের তিলপাড়া ইউনিয়নের বড়াউট গ্রামের মক্তার আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের মাধ্যমে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক জানান, ঘটনার পর পুলিশ ট্রাক্টরটি জব্দ করলেও চালক পালিয়ে গেছেন।
এর আগে, সকাল ৮টার দিকে গোলাপগঞ্জ উপজেলায় অপর সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলচালক ফরহাদ হাসান (৩০) নিহত হয়েছেন।
ফরহাদ বিয়ানীবাজার উপজেলার মাটিজুরা গ্রামের মৃত আব্দুর রউফের ছেলে।
পুলিশ জানায়, সকালে দুর্ঘটনার শিকার মোটরসাইকেল ও চালকের নিথর দেহ রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি।
১৯ দিন আগে