সড়ক দুর্ঘটনা
সিলেটে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩
সিলেটের জৈন্তাপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট-তামাবিল সড়কের পৃথক স্থানে দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জৈন্তাপুর উপজেলার বিরাইমারা সেতুর পাশে সিলেট-তামাবিল সড়কে দুটি প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই গাড়ির চার যাত্রী আহত হয়।
জৈন্তাপুর থানা পুলিশ ও তামাবিল হাইওয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পরে সেখান থেকে কয়েকজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক এক শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তিন মাস বয়সী আয়াত গোয়াইনঘাট উপজেরার পশ্চিম মাখেরপাড়া গ্রামের হাসানুজ্জামানের ছেলে।
এ দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে মারজানা আক্তার (৩৫) নামের একজন পথচারীও রয়েছেন। তিনি পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে জৈন্তাপুরের ফেরিঘাট কাটাগাং এলাকায় সিলেট-তামাবিল সড়কে জাফলংগামী পর্যটকবাহী বাসের সঙ্গে সিলেটগামী পাথরবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়।
এতে বাসের কয়েকজন যাত্রী আহত হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় তামাবিল হাইওয়ে পুলিশ ও জৈন্তাপুর থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, তামাবিল সড়কে পর্যটকবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাসচালক ও এক নারী যাত্রী রয়েছেন। হাসপাতালে আরও পাঁচজন ভর্তি রয়েছেন। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন সিলেট কোতয়ালী থানাধীন পল্লবী রোড এলাকার আলী আহমদের ছেলে কাওসার (৪৮) এবং তার মেয়ে আতিশা (১০) ও ছেলে আলিফ (১৬)।
আহতদের স্বজনরা জানান, রাজবাড়ী জেলা থেকে ছয় দিনের সফরে সিলেট ভ্রমণে এসেছিলেন একদল পর্যটক। আজ দুপুরে বাসে করে তারা জাফলংয়ের উদ্দেশে রওনা হন। পথে ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের কাদায় পড়ে যায়।
১ দিন আগে
কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনসহ নিহত ৫
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ধানবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে রৌমারী উপজেলার সায়দাবাদ এলাকার শিবের ডাঙ্গী সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন উপজেলার চরলাকান্দা গ্রামের প্রভাষক শহিদুল ইসলামের স্ত্রী লিপি বেগম (৪২), তার দুই সন্তান রিশাদ (১২) ও তুবা মনি (৭) এবং লিপি বেগমের বোন কত্তিমারী এলাকার বাসিন্দা বাদল মিয়ার স্ত্রী শরিফা খাতুন (৫০)। নিহত আরেক ব্যক্তি হলেন অটোরিকশাটির চালক। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে যাত্রী নিয়ে অটোরিকশাটি শিবের ডাঙ্গী সড়ক দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিল। পথে সায়দাবাদ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির ধানবোঝাই একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং দুর্ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
পরে স্থানীয়রা সঙ্গে সঙ্গে এগিয়ে এসে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত একজনকে উদ্ধার করেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে রৌমারী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের দেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাওসার আলী (ওসি) জানান, নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে এবং ট্রাকটিকে আটকের চেষ্টা চলছে।
এদিকে একই পরিবারের চার সদস্যসহ পাঁচজনের এমন হৃদয়বিদারক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে সায়দাবাদ ও চরলাকান্দা গ্রামে বিরাজ করছে শোকের আবহ।
১ দিন আগে
নরসিংদীতে পৃথক সড়ক দুঘর্টনায় শিশুসহ নিহত ৩
নরসিংদী, ১৫ অক্টোবর (ইউএনবি)— নরসিংদীতে পৃথক সড়ক দুঘর্টনায় শিশুসহ তিনজন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জেলার রায়পুরা, শিবপুর ও বেলাব উপজেলায় দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
এদিন দুপুরে রায়পুরা আঞ্চলিক সড়কের মাহমুদনগর এলকায় দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংর্ঘষে একজন নিহত হন। এ সময় চালকসহ আরও ১১ জন আহত হন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দুপুর ২টার দিকে নরসিংদীর আরশিনগর স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা রায়পুরায় যাচ্ছিল। অটোরিকশাটি মাহমুদনগর ১০ নম্বর সেতুর কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে সংর্ঘষ হয়ে। এতে একটি অটোরিকশা সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায় এবং অপরটি রাস্তার পাশে উল্টে যায়। এতে দুটি অটোরিকশাই দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
পরে আশপাশের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের মধ্যে উজ্জ্বল শীল (৩৫) নামের এক যাত্রীকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত উজ্জ্বল রায়পুরা উপজেলার মেথীকিন্দা গ্রামের নারায়ন চন্দ্র শীলের ছেলে।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. ফরিদা গুলশান আরা কবির জানান, দুপুরে সড়ক দুর্ঘটনার ১২ জন রোগী আমাদের কাছে আসে। এর মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় পাই। অহতদের মধ্যে একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকিরা এখানেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এর আগে সকালে শিবপুর উপজেলার শিবপুর কলেজ গেট এলাকায় চলন্ত ইটবাহী ট্রলি থেকে ছিটকে পড়ে চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে মো. ছাব্বির মিয়া (১৯) নামের এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
নিহত ছাব্বির মিয়া উপজেলার মাছিমপুর ইউনিয়নের ধানুয়া গ্রামের মো. মাসুদ মিয়ার ছেলে।
এছাড়া সকালে বেলাব উপজেলার পাটুলি নদীপাড় এলাকায় আলিশা আক্তার নোহা (৩) নামের এক শিশু ইটবাহী ট্রলির চাপায় মারা যায়। সে পাটুলি গ্রামের কাশেম মিয়ার মেয়ে।
মৃত্যুর ঘটনাগুলো নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান, শিবপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কোহিনূর মিয়া ও বেলাব থানার ওসি এস এম আমানউল্লাহ।
৩ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অটোরিকশায় ট্রাকের ধাক্কা, যাত্রী নিহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক যাত্রী নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কের ছত্রাজিতপুর-ফুলতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আজিম উদ্দিন (৩২) শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা এলাকার হাসানুলের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা শিবগঞ্জ উপজেলার ছত্রাজিতপুর-ফুলতলা এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় সোনামসজিদ স্থলবন্দর থেকে ছেড়ে আসা পাথরবোঝাই একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে আটোরিকশার যাত্রী আজিম উদ্দিন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটক করে এবং আজিমকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান জানান, ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক পলাতক রয়েছেন।
এ ঘটনায় পরবর্তীতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৪ দিন আগে
বেড়াতে যাওয়ার পথে সড়কে ঝরল দুই বন্ধুর প্রাণ
শ্রীমঙ্গলে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলআরোহী নরসিংদীর দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে সরাইল উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বৈশামুড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন নরসিংদী শহরের বৌয়াকুড় মহল্লার প্রয়াত ক্ষিতীশ দাসের ছেলে অনুপ কুমার দাস (৫৭) এবং একই শহরের শিববাগ মহল্লার বাসিন্দা ও গাজীপুরের পূবাইল আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ইসলামি ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম (৫৮)। তারা সম্পর্কে বন্ধু ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ (বুধবার) সকালে দুই বন্ধু মোটরসাইকেলে করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বৈশামুড়া এলাকায় পৌঁছালে একটি মালবাহী ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে তারা সড়কের পাশে ছিটকে পড়েন।
দুর্ঘটনাস্থলেই অনুপের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত আনোয়ারুলকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান। পরে খবর পেয়ে নিহতদের স্বজনরা দেহ নরসিংদীতে নিয়ে আসেন।
অনুপের ছোট ভাই তরুণ কুমার দাস বলেন, তার ভাই একসময় প্রবাসে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি দেশে ফিরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন।
দুই বন্ধুর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দুজনের মধ্যে গভীর ঘনিষ্ঠতা ছিল, চলেও গেলেন একই সঙ্গে।’
অনুপের দেহ নরসিংদীর শ্মশানে দাহ করা হয়েছে। অন্যদিকে আনোয়ারুলের দেহ তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
সরাইল খাঁটিহাতা (কুট্টাপাড়া) হাইওয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক আবদুল হালিম জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাক ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে। মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন আনোয়ারুল। এ সময় দুই আরোহীর মাথায় হেলমেট ছিল বলেও জানান তিনি।
৪ দিন আগে
কুমিল্লায় খাদে বাস, হেলপার নিহত
কুমিল্লার বরুড়ায় বলাকা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে হেলপার নিহত ও পাঁচ যাত্রী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার দেওড়া ফকিরা মোকাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আতিকুল্লাহ সবুজ (২২) বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের হাজারপাড় গ্রামের বাসিন্দা।
বাসচালক মনির বলছেন, স্টিয়ারিং লক হয়ে যাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি নিজেই গাড়িটির মালিক এবং দুর্ঘটনার সময় তিনিই বাসটি চালাচ্ছিলেন।
এদিকে দুর্ঘটনায় নিহত সবুজের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিক নেতা আবদুল জলিল। নিহতের পরিবারকে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া বলাকা বাস মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আরও আর্থিক সহযোগিতা এবং আহত যাত্রীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কথা জানানো হয়েছে।
বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের দেহ উদ্ধার করে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি থানার হেফাজতে রাখা হবে জানিয়ে ওসি বলেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
সকালে হাঁটতে বের হয়ে গাড়িচাপায় দম্পতি নিহত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সকালে হাঁটতে বের হয়ে এক অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলা হরিপুর মসজিদের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন উপজেলার জিংলাতলী গ্রামের নজরুল ইসলাম (৬২) ও তার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৪৮)। তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ঝরনা বেগম সকালে হাঁটতে বের হন। ফজর নামাজ পড়ে তারা জিংলাতলী গ্রামের বাড়ি থেকে হাঁটতে হাঁটতে মহাসড়কের গৌরীপুর ইউনিয়নের হরিপুরের কাছে এসেছিলেন।
মহাসড়কে হাঁটার সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ি তাদের ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এ সময় তারা ছিটকে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর অন্য পথচারীরা দুইজনকে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে উপজেলা গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান তাদের মৃত্যু হয়েছে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রেমলাল দাস বলেন, অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যুর বিষয়টি জেনেছি। মহাসড়কের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে গাড়িটি শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
৫ দিন আগে
যাত্রাবাড়ীতে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় গ্যারেজ শ্রমিক নিহত
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে অজ্ঞাত দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় ফালু মিয়া (৪৬) নামে এক গ্যারেজ শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে কোনাপাড়ায় মোল্লা কলেজের সামনের সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতের স্বজন রতন জানান, কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথেই দুর্ঘটনার শিকার হন ফালু মিয়া। তিনি বর্তমানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজধানীর পূর্ব কদমতলী এলাকায় বসবাস করতেন। নিহতের বাবার নাম আব্দুল মতিন। তিনি পেশায় একজন গ্যারেজ মেকানিক ছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সজিবুর রহমান জানান, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে তারা কোনাপাড়ার মোল্লা কলেজের সামনের সড়কে ওই ব্যক্তিকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেখতে পান। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাত ১২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তি কাজ শেষে পায়ে হেঁটে বাসায় ফেরার পথে একটি দ্রুতগামী অজ্ঞাত গাড়ি তাকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘাতক যানবাহনটি শনাক্তে আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এসআই সজিবুর রহমান।
৫ দিন আগে
বাসচাপায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বউ-শাশুড়ি নিহত
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় বাসের চাপায় উফেজা বেওয়া (৬৫) ও তার ছেলের বউ ফরিদা বেগম (৪০) নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার নিলক্ষিয়া ঠাকুরপাড়া গ্রামে ঢাকা-বকশীগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত উফেজা বেওয়া বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষিয়া ঠাকুরপাড়া গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর স্ত্রী ও ফরিদা বেগম তার ছেলে নূর ইসলামের স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বকশীগঞ্জগামী যাত্রীবাহী একটি বাস রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা উফেজা বেওয়া ও ফরিদা বেগমকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা বাস ও তার সহকারী মহিউদ্দিনকে আটক করে পুলিশে দেন।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন জানান, এ ব্যাপারে বকশীগঞ্জ হাইওয়ে থানার পক্ষ থেকে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে হাইওয়ে থানার ওসির মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
৮ দিন আগে
সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের সিলেটের ওসমানীনগরে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রোবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— চাঁদপুর সদর উপজেলার মহামায়া গ্রামের সুহেল আহমদ (৪৭) ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার খায়রুল ইসলাম (৪৭)।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানান, সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে সিলেটগামী একটি হাইয়েস মাইক্রোবাসের এবং শেরপুরগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়।
এতে মাইক্রোবাসের যাত্রী সুহেল ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক খায়রুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে একজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
৯ দিন আগে