সড়ক দুর্ঘটনা
চট্টগ্রামে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের বাড়ি ঝিনাইদহে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় যাত্রীবাহী মারসা পরিবহনের দুটি বাসের সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ঝিনাইদহের দুই যুবক রয়েছেন।
তারা হলেন— ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর গ্রামের চাঁদ আলী বকসের ছেলে নাইমুর রহমান জিহাদ (২১) ও একই উপজেলার পোতাহাটী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের একমাত্র ছিলে নাঈম (২২)।
তাদের নিহতের খবর নিশ্চিত করে সদর উপজেলার মধুহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন জানান, জিহাদ ও নাঈমসহ তারা ৮ জনের একটি গ্রুপ কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়েছিল। তাদের বহন করা যাত্রীবাহী বাসটি শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের হোটেল ফোর সিজনের সামনে পৌঁছালে দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তাদের আরও ৪ বন্ধু গুরুতর আহত হন বলেও ইউপি চেয়ারম্যান জানান।
এদিকে, পোতাহাটী গ্রামের গিয়াস উদ্দীন সেতু জানান, নাঈম ছিলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল এক যুবক। তার আকস্মিক মৃত্যুতে গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে, নাঈম তার বাবার একমাত্র ছেলে ছিলেন বলে জানান তিনি।
সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর গ্রামের মহিদুল ইসলাম জানান, যুবক নাইমুর রহমান জিহাদ বিজিবি সদস্য ছিলেন। তার চাকরির বয়সও বেশিদিন হয়নি। প্রশিক্ষণ চলাকালীন কষ্ট হয়ে যাওয়ায় জিহাদ তা ছেড়ে বাড়ি চলে আসেন। এরই মধ্যে এ দুর্ঘটনায় তার প্রাণ গেল। এমন মৃত্যুতে তার পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নাইমুর রহমান জিহাদ ও নাঈম নামে দুই যুবকের মৃত্যুর তথ্য জানতে পেরেছেন। তাদের বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোতাহাটী ও বাজারগোপালপুর গ্রামে। তবে এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর বা চট্রগ্রাম পুলিশ থেকে বিস্তারিত কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ৪
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শনিবার (৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ফোর সিজন এলাকায় দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— মুহাম্মদ নাইম (২৩), নাইমুর ইসলাম জিহাদ (২৪), রেহানা বেগম ও মনির আহমদ (২৫)। নিহত জিহাদ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবির সদস্য বলে জানা গেছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ মাসুম (৩০), আরাফাত (২২), দ্বীপ দত্ত (৩০) ও রিয়াজসহ (২৮) আরও অনেকে। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের অনেকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে। কয়েকজনের হাত-পা ভেঙে গেছে এবং গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে।
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অর্থোপেডিক্স বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. তাসফিক আহমেদ জানান, দুর্ঘটনায় আহত ৭ জনকে ট্রমা সেন্টারে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতিতে আসা দুটি বাস ফোর সিজেন এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের বিকট শব্দে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
দুর্ঘটনায় আহত আরাফাত জানান, তারা মারছা পরিবহনের একটি বাসে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে একটি বিষয় নিয়ে বাসচালক মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এরপরও একই চালক বাস চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে কুয়াকাটা সড়ক এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একই কোম্পানির আরেকটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে তার দুই বন্ধু নিহত হন।
দোহাজারি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দীন চৌধুরী বলেন, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ থাকলেও পরে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
মানিকগঞ্জে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, নিহত ৩
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেল ৬টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন।
এর আগে, আজ (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উত্তর পাড়তিল্লী বিলপাড়া সেতুর পূর্ব পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যান।
ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের আরোহী আলমের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন মোটরসাইকেলচালক সোনা মিয়া (২২) ও অপর আরোহী কালু মিয়া (১৬)। পরে তাদের উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে কালু মিয়া এবং বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সোনা মিয়া মারা যান।
ওসি মো. মোশাররফ হোসেন জানান, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১ দিন আগে
রাজধানীতে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাণ গেল যুবকের
রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়া বাঁশেরপুল এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মো. নাজমুল (২০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইমন (১৯) নামের এক যুবক আহত হয়েছেন।
বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক নাজমুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নাজমুলের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও গ্রামে। তার বাবার নাম মো. দেলোয়ার হোসেন। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন তিনি।
হতাহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী মো. শাহিন জানান, কোনাপাড়া বাঁশেরপুর পেপার মিল গেটের সামনে দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নাজমুল ও তার বন্ধু ইমন গুরুতর আহত হন। পরে আমরা তাদের দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে নাজমুলকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া ইমনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
২ দিন আগে
এপ্রিলে ৪৬৩ সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরেছে ৪০৪ প্রাণ
দেশে গত এপ্রিল মাসজুড়ে ৪৬৩টি দুর্ঘটনায় ৪০৪ জন নিহত এবং ৭০৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫৩ জন নারী ও ৪৮টি শিশু রয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পাঠানো মাসিক সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংস্থাটি।
এতে দেখা যায়, এককভাবে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাই সবচেয়ে বেশি প্রাণ কেড়েছে। ১৪২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১১৩ জন, যা মোট নিহতের ২৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
যানবাহন ও সড়কভিত্তিক পরিসংখ্যান
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। এছাড়া যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৪৬ জন।
বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। এ বিভাগে ১০৯টি দুর্ঘটনায় ১০২ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ১২টি দুর্ঘটনায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় ৩৬টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত ও ৬৭ জন আহত হয়েছেন।
সড়কের ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৪১ দশমিক ৬৮ শতাংশ দুর্ঘটনা আঞ্চলিক সড়কে এবং ৩৬ দশমিক ২৮ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনাগুলোর বড় একটি অংশ (৪১.৯০ শতাংশ) ঘটেছে চালক নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে।
পেশাজীবী ও অন্যান্য হতাহত
নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী রয়েছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত মাসে ৪৯ জন শিক্ষার্থী, ১৯ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, ১৭ জন বিক্রয় প্রতিনিধি, ১৪ জন এনজিও কর্মী এবং ১২ জন ধানকাটা শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও প্রাণ হারিয়েছেন।
সড়ক ছাড়াও গত মাসে ৩৪টি রেল দুর্ঘটনায় ২৬ জন এবং ৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার কারণ ও সুপারিশ
দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও শারীরিক অসুস্থতা এবং দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে চিহ্নিত করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংস্থাটি ১২ দফা সুপারিশ পেশ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনআরএসসি) পুনর্গঠন, বিআরটিএ’র স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা, মহাসড়কে সার্ভিস রোড নির্মাণ এবং টেকসই পরিবহন কৌশলের আওতায় সমন্বিত যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠন করা। সংস্থাটির মতে, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত জরুরি।
৩ দিন আগে
ময়মনসিংহে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় ট্রাকের চাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ২ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (৪ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মনতলা সমিতিঘর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে, হতাহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাত্রীবাহী অটোরিকশাটি ময়মনসিংহ-মুক্তাগাছা সড়কের মনতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত হন এবং গুরুতর আহত হন আরও অন্তত ৩ জন।
আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে আরেকজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে।
মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনা সাধারণত অতিরিক্ত গতি ও অসতর্ক ওভারটেকিংয়ের কারণে ঘটে থাকে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
৫ দিন আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
টাঙ্গাইলে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত দুইজন।
সোমবার (৪ মে) ভোরে টাঙ্গাইল শহর বাইপাসের রাবনায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কে রাবনা ফ্লাইওভারের ওপর উত্তরবঙ্গগামী একটি ট্রাক সামনের একটি পিকআপকে ওভারটেক করতে গেলে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ২ জন নিহত এবং ২ জন আহত হন।
তিনি আরও জানান, পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এছাড়া আহতদের একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত, চালক ছিলেন ‘ঘুমাচ্ছন্ন’
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ট্রাক ও পিকআপের সংঘর্ষে নিহত ৮ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সে বিষয়ে প্রাথমিক ধারণার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
রবিবার (৩ মে) সকাল ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের তেলিবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, অন্যান্য দিনের মতো আজ (রবিবার) ভোরে নগরীর আম্বরখানা এলাকা থেকে ২০ থেকে ২২ জন নির্মাণ শ্রমিক একটি পিকআপে করে লালাবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। সেখানে একটি নির্মাণাধীন ভবনে ঢালাই কাজ করার কথা ছিল তাদের। পিকআপে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ধাতব মিক্সার মেশিনও ছিল তাদের সঙ্গে।
পিকআপটি দক্ষিণ সুরমার তেলিবাজার এলাকায় পৌঁছালে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী কাঁঠালবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে সেটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৪ জন শ্রমিক নিহত হন। নিহতদের মধ্যে দুজন নারীও ছিলেন।
আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আরও ৩ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়। এতে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮ জনে।
নিহতরা হলেন— সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের মৃত ফখরুল আলীর ছেলে মো. সুরুজ আলী (৬০), একই উপজেলার সেঁততি গ্রামের বসির মিয়ার মেয়ে মোছা. মুন্নি (২৬), ভাটিপাড়া নুরনগর এলাকার মৃত নূর সালামের ছেলে ফরিদুল (৩৫), ধর্মপাশা উপজেলার সরিবা গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার স্ত্রী নার্গিস (৪৫), বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার আজির উদ্দিন (৪০) ও আমিরউদ্দিন (৩৫), সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পুটামারা এলাকার সুরত আলীর ছেলে মো. বদরুল জামান (৪০) এবং একই উপজেলার শিবপুর গ্রামের কুটির বিশ্বাসের ছেলে পাণ্ডব বিশ্বাস (২০)।
৬ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলে থাকা ২ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক ও দুলাভাই ছিলেন।
রবিবার (৩ মে) সকাল পৌনে ৬টার দিকে নাচোল উপজেলার বেনিপুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— শিবগঞ্জ উপজেলার আটরশিয়ার ইউনিয়নের বালুটুংগী গ্রামের মোজ্জাম্মেলের ছেলে রবিউল ইসলাম জিসান (২৭) এবং নাচোল উপজেলার আজিপুর গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে সোহাগ হোসেন (১৭)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিউল ও সোহাগ আজ (রবিবার) সকাল পৌনে ৬টার দিকে মোটরসাইকেলে নাচোল থেকে ধানসুড়ার উদ্দেশে রওনা হন। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ধানসুড়ার দিক থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হন।
নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল দেবনাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দ্রুত সেখানে পৌঁছে ট্রাকটি জব্দ করে। সেখান থেকে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান।
৬ দিন আগে
সিলেটে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৮
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ট্রাক ও পিকআপের সংঘর্ষে ৮ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
রবিবার (৩ মে) সকাল সোয়া ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের তেলিবাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ৮ জনের মধ্যে ৪ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন— সিলেটের জালালাবাদ থানার সুজাত আলীর ছেলে বদরুল (৩০), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের মৃত খরম আলীর ছেলে মো. সুরুজ আলী (৬০), একই গ্রামের আব্দুল বাসিরের মেয়ে মোছা.মুন্নি (৩৫) ও মৃত নূর সালামের ছেলে ফরিদুল (৩৫)।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন সিলেট নগরীর কালিবাড়ি এলাকার মৃত শুকুর উল্লাহর ছেলে তোরাব উল্লাহ (৬০), আম্বরখানার লোহারপাড়ার মৃত আলিম উদ্দিনের ছেলে রামিন (৪০) ও একই এলাকার মল্লিক মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া (৪০), কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পাউমারা গ্রামের বদরুজ্জামানের মেয়ে হাফিজা বেগম (৩০), হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আমকান্দি গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে মো. আলমগীর (৩২), সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার গাছতলা গ্রামের খোকন মিয়ার মেয়ে রাভু আক্তার (২৫) এবং দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়ার জফুর আলীর ছেলে রাজা মিয়া (৪৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি পিকআপে করে বেশ কয়েকজন শ্রমিক সিলেট থেকে সুনামগঞ্জে যাচ্ছিলেন। তেলিবাজার এলাকায় যাওয়ার পর উল্টোদিক থেকে আসা কাঁঠাল ভর্তি একটি ট্রাকের সাথে পিকআপের সংঘর্ষ হয়।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো মনজুরুল আলম বলেন, নিহতদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ ও ২ জন নারী। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৪ জন মারা যান। এছাড়া ওসমানী হাসপাতালে ৩ জন এবং উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন মারা যারা যান।
তিনি বলেন, এই দুর্ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে নিহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তাদের পরিচয় নিশ্চিতে পুলিশ কাজ করছে।
৬ দিন আগে