আবহাওয়া
৯ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস
বিরাজমান লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে দেশের ৯ জেলার ওপর সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, খুলনা, মাদারীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এই সময়ে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালীতে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ৫ বসতঘর বিধ্বস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে অন্তত ৫টি বসতঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে উপড়ে পড়েছে শত শত গাছপালা।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নবাবগঞ্জ ও সলিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার পর কয়েক দফায় প্রবল বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। এতে নবাবগঞ্জ গ্রামের মন্নান বয়াতি, মরিয়ম ও মাধবের বসতঘর এবং সলিমপুর গ্রামের নির্মল বিশ্বাস ও বিমল বিশ্বাসের বসতঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো প্রতিবেশীদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।
এছাড়া লতাচাপলী, মহিপুর, ধুলাসার ও মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের বেশ কিছু ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে হতদরিদ্র পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে আহাজারি চলছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলায় ১৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগর উত্তল রয়েছে। তবে মাছধরা ট্রলারগুলো নিরাপদে রয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাদের সহযোগিতার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’
৭ দিন আগে
কুড়িগ্রামে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে গাছপালা ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, বোরো ধানে ব্যাপক ক্ষতি
কুড়িগ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের বসতঘরগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত ১টার দিকে ঝড় শুরু হয়।
স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন ধরেই কুড়িগ্রামে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন এবং থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার গভীর রাতে হঠাৎ প্রচণ্ড দমকা হাওয়া ও ঝড় শুরু হয়। ঝড়ের তীব্রতায় জেলার ৯টি উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ও চরাঞ্চলে অনেক গাছপালা উপড়ে পড়ে। এছাড়া অনেক ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের শিবরাম রাঙ্গাতিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা খোকন আলী বলেন, ‘গত রাতের ঝড়ে গাছ ভেঙে আমার টিনের ঘরের ওপর পড়ে। আমি গরিব মানুষ, কী দিয়ে এখন টিন কিনে ঘর ঠিক করব?’
একইভাবে হলোখানা ইউনিয়নের চর সারোডোব এলাকার ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘রাতে হঠাৎ ঝড়ে আমার তিনটি ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। এখন হাতে টাকা-পয়সা নেই। পরিবার নিয়ে কীভাবে থাকব বুঝতে পারছি না।’
৭ দিন আগে
বরিশালে দুই বিদ্যালয়ে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ ১৬ জন আহত
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পৃথক দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় এক শিক্ষকসহ ১৬ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে ক্লাস চলাকালে উপজেলার চর এককরিয়া ইউনিয়নের দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, গতকাল (মঙ্গলবার) দুপুর সোয়া ২টার দিকে বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা ছোটাছুটি শুরু করে। এ সময় ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলামসহ ৮ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাদের কয়েকজন জ্ঞানও হারান।
আহতরা হলেন— ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলাম, সপ্তম শ্রেণির জান্নাত বেগম, অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা বেগম, সুমাইয়া বেগম, মীম আক্তার এবং নবম শ্রেণির আফরোজ আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার মৌ বলেন, ‘দুপুরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে বিদ্যালয়ের ওপর বজ্রপাত হয়। স্যারসহ আমরা কয়েকজন জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।’
পরে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষক ও স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দুপুর সোয়া ২টায় ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বজ্রপাতে এ ঘটনা ঘটে। আমরা দ্রুত আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাই।’
একই সময়ে আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় আরও ৮ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানান বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বাহাদুর মৃধা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন ফকির বলেন, ‘বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে শিক্ষার্থীরা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ও অজ্ঞান হয়ে যায়। তাদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের বলেন, বজ্রপাতে আহত হয়ে দাদপুর স্কুলের ৮ জন হাসপাতালে এসেছে। তবে তাদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা অনেকটা সুস্থ। তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।
এ বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মহি উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনার পর থেকেই আমি আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার নিয়মিত খোঁজখবর রাখছি। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’
৮ দিন আগে
সাগরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, চার দিন বৃষ্টি ঝরার পর বাড়বে গরম
ঢাকা, ২৮ এপ্রিল (ইউএনবি)— টানা কয়েকদিন তাপপ্রবাহের পর গত দুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে কমবেশি বৃষ্টি হচ্ছে। সেই সঙ্গে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টিও হচ্ছে কিছু কিছু জায়গায়। ঝড়বৃষ্টির এই ধারা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের সই করা আবহাওয়ার এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।
এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত
এছাড়া, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার বিশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ এ একে এম নাজমুল হকের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যশোর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে একই দিক থেকে থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস
এদিকে, আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের সই করা আরেক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে আজ (মঙ্গলবার) বেলা ১১টা থেকে পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে তাকে ভারী এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে তাকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে চিহ্নিত করে থাকে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বস হতে পারে বলে সতর্ক করেছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
চার দিন পর বাড়বে গরম
এদিকে, আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সেই সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। বিরাজমান লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকায় এই বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এই সময়ে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বৃষ্টিপাতের এই ধারা আগামী ২ মে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা এই সময়ের মধ্যে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
তবে শনিবার (২ মে) সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিপ্তর।
৮ দিন আগে
সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে আর মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। এর প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হচ্ছে। আজও দেশের ১৯ জেলায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
কালবৈশাখী নিয়ে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ (শনিবার) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, আগামীকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আজ সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। আগামীকালও সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমে তার পরের দিন থেকে বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
অন্যদিকে, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার জন্য আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে, যা অস্থায়ীভাবে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
আজ দুপুর ১২টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার (৩৩.৫) চেয়ে ৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৫৮ শতাংশ।
৪০ দিন আগে
ঈদের দিন সারা দেশে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় এবং মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় গত কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন স্থানে কমবেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই ধারা আগামীকাল ঈদুল ফিতরের দিনসহ পরবর্তী কয়েকদিনও অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
লঘুচাপের কারণে আজ রাজধানী ঢাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময় দমকা হাওয়ার প্রাবল্যও ছিল চোখে পড়ার মতো। দুপুরের পর থেকে বৃষ্টি না হলেও আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
আগামীকালও (শনিবার) দেশজুড়ে ঝড়বৃষ্টির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
শুক্রবার (২০ মার্চ) আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত
এদিকে, আজ দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দগুলোর জন্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, যশোর, খুলনা, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, রাঙামাটি এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তাছাড়া ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
৪৭ দিন আগে
দুই বিভাগে ঝড়, আগামী ৫ দিন সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে, আর মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। এর ফলে গত দুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হচ্ছে, যা আরও অন্তত পাঁচ দিন চলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।
সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি। এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পরের চার দিন, অর্থাৎ রবি, সোম, মঙ্গল ও বুধবারও বৃষ্টিপাতের এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আহওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রবি ও সোমবার সারা দেশের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও মঙ্গলবার থেকে তা আবার বাড়তে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এই পাঁচ দিনের শেষের দিকে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে। এছাড়া শ্রীমঙ্গলে ৪১ মিলিমিটার এবং ঢাকায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে। এছাড়া সর্বোচ্চ ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল যশোরে এবং সর্বনিম্ন ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়।
দুই বিভাগে ঝড়ের সম্ভাবনা
আজ (শনিবার) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
৫৪ দিন আগে
বসন্ত পড়তেই বৃষ্টিতে ভিজল ঢাকা
বর্ষা শেষ হয়ে শরৎ, হেমন্ত পেরিয়ে শীত; দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুম শেষ হয়ে বসন্ত এসেছে কয়েকদিন হলো। এর মধ্যেই বৃষ্টির আগমনে প্রাণ সঞ্চার হলো প্রকৃতিতে।
সোমবার (২ মার্চ) সকাল থেকেই আকাশে ছিল মেঘের আনাগোনা। সূর্যের দেখা তেমনভাবে মিলছিল না। এরপর দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই নামে বৃষ্টি।
বিকেল সাড়ে ৩টার পরপরই ঝুপ করে শুরু হয় বৃষ্টি। তার সঙ্গে ছিল ঝড়ো হাওয়া। সব মিলিয়ে শুষ্ক ধুলায় ঢাকা রাজধানীতে স্বস্তির পরশ নিয়ে এসেছে এই বৃষ্টি।
অবশ্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসও বলছিল একই সম্ভাবনার কথা। আজ দুপুর ১টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টায় ঢাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার বেগে হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া, আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এর প্রভাবে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
বৃষ্টির এই পূর্বাভাস আগামীকালও দেশের চার বিভাগে অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলেছে, আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
৬৬ দিন আগে
তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা, ৭.৫ ডিগ্রিতে নেমেছে পারদ
হাড় কাঁপানো শীতের দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ও ঘন কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন দিনমজুর, শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৭ শতাংশ।
চলতি শীত মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
তীব্র শীতের কারণে ভোর থেকেই শহরের বিভিন্ন মোড়, বাস স্ট্যান্ড ও চায়ের দোকানের সামনে নিম্ন আয়ের মানুষদের আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না।
শ্রমজীবী মানুষেরা জানান, ভোরে কাজে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এক কৃষক বলেন, শীতের কারণে হাত-পা অবশ হয়ে যাচ্ছে। তারপরও জীবিকার তাগিদে বের হতে হয়। অনেক সময় কাজ না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে।
শীতের প্রভাবে জেলার জনস্বাস্থ্যেও চাপ বেড়েছে। সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও সর্দিকাশিতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।
শীতের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমে গেছে। ভোরে প্রাইভেট পড়তে যাওয়া একদল শিক্ষার্থী জানায়, প্রচণ্ড শীত ও হিমেল বাতাসে যাতায়াত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
একই সঙ্গে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যেও ভাটা পড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বেলা বাড়ার আগে ক্রেতারা তেমন আসছেন না।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামিনুর রহমান জানান, জেলার ওপর দিয়ে আগামী ১১ বা ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
১২১ দিন আগে