লাশ
বিএসএফের হাতে আটকের ১১ মাস পর লাশ হয়ে দেশে ফিরলেন ঠাকুরগাঁওয়ের আজিজুর
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার দিনমজুর আজিজুর রহমানের জীবনের করুণ পরিণতি নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো জেলার মানুষকে। সীমান্তে ঘাস কাটতে গিয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফের হাতে আটক হওয়ার প্রায় ১১ মাস পর অবশেষে লাশ হয়ে দেশে ফিরেছেন তিনি।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় শুক্রবার (৩ এপ্রিল) পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে তার মরদেহ দেশে আনা হয়। সকালেই মরদেহ হস্তান্তরের কথা থাকলেও স্বজনরা বিকেল ৪টার দিকে মরদেহটি গ্রহণ করেন।
আজিজুরের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার শাহানাবাদ গ্রামে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারি ও শোকের মাতমে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এ সময় তার স্ত্রী তাসকারা বারবার চিৎকার করে বলেন, ‘বিএসএফের নির্যাতনেই আমার স্বামী মারা গেছে। ঘাস কাটতে যাওয়া কোনো অন্যায় হতে পারে না।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সারোয়ার মোহাম্মদ শাহরিয়ার খানের সই করা ২ এপ্রিলের এক আদেশে জানানো হয়, গত ২২ মার্চ ভারতে মৃত্যুবরণকারী আজিজুর রহমানের মরদেহ সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনতে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে মরদেহটি প্রত্যাবর্তন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৩ মে দুপুরে রাণীশংকৈল উপজেলার শাহানাবাদ গ্রামের দিনমজুর আজিজুর রহমানসহ চারজন সীমান্ত এলাকায় ঘাস কাটতে যান। তারা সীমান্ত পিলার ৩৭৩/১-এসের কাছে পৌঁছালে ভারতের ১৮৪ আমবাড়ী ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করেন। এ সময় তিনজন পালিয়ে এলেও আজিজুর রহমান ধরা পড়েন।
আজিজুরের স্ত্রী তাসকারা বেগম অভিযোগ করেন, আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে গিয়ে বিএসএফ সদস্যরা পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়েছে। নির্যাতনের কারণে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। দীর্ঘ ১১ মাস ভারতে বন্দি অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২২ মার্চ ভারতের ইসলামপুরের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ভারতে অবস্থানরত আত্মীয়দের মাধ্যমেই আমরা এই মর্মান্তিক সংবাদ জানতে পারি।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজীর আহমেদ জানান, দেশে আনার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা আরও কঠোর অবস্থানে যাব। একইসঙ্গে নিজেদের নিরাপদ রাখতে সীমান্তের মানুষদের কাঁটাতারের বেড়া ও নো ম্যানস ল্যান্ড এলাকায় না যাওয়ার জন্য আমরা নিষেধ করেছেন তিনি।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়ার পর রাতেই তার দাফন সম্পন্ন করা হয়। মরদেহ নষ্ট হতে শুরু করায় তা আর রাখা সম্ভব হয়নি বলেই দ্রুত দাফনের ব্যবস্থা করা হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সীমান্তের মানুষের মনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সীমান্তে যে কোনো ঘটনার জন্য আইনি প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও লাশ হয়ে ফিরে আসার ঘটনা মানতে নারাজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তের বাসিন্দারা।
১৫ দিন আগে
যশোরে ‘প্রেমিকের’ বাড়ি থেকে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
যশোরে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবার ‘তাকে হত্যা করা হয়েছে’ দাবি করলেও যে বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তারা বলছে, মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে।
সোমবার (০৮ ডিসেম্বর) গভীর রাতে সদর উপজেলার ইছালি ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামে ঘটে এই ঘটনা।
স্থানীয়রা জানান, নিহত কিশোরী ওই গ্রামের এক প্রবাসীর মেয়ে এবং স্থানীয় সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। একই গ্রামের নাজমুল নামের এক যুবকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এর জের ধরেই এই ঘটনা ঘটে। নাজমুলের বাড়ির উঠানের আম গাছ থেকেই ঝুলন্ত অবস্থায় মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তারা জানান, নাজমুল বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিন বছর মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রেখেছিল। কিন্তু সম্প্রতি ছেলেটি তাদের সম্পর্ক প্রত্যাখ্যান করলে সোমবার রাতে তার বাড়িতে বিয়ের দাবি নিয়ে যায় ওই কিশোরী।
তাদের দাবি, ওই বাড়িতে যাওয়ার পর নাজমুল ও তার পরিবারের সদস্যরা মেয়েটিকে মারপিট করে হত্যা করে এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতে গামছা ও মেয়েটির গায়ে থাকা ওড়না পেঁচিয়ে মরদেহ গাছে ঝুলিয়ে দেয়।
তবে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে নাজমুল ও তার বাড়ির সদস্যদের দাবি, মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে।
যশোর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে প্রেম-সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা বের করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
১৩০ দিন আগে
সিলেটে নিখোঁজের একদিন পর নদীতে মিলল শিশুর লাশ
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর আরিয়ান আহমদ (৬) নামের এক শিশুর লাশ সুরমা নদীতে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলার লামাকাজি ইউনিয়নের মাহতাবপুরসংলগ্ন সুরমা নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।আরিয়ান উপজেলার লামাকাজি ইউনিয়নের মির্জারগাঁও গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।
আরও পড়ুন: খাগড়াছড়িতে নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
এর আগে, শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে গ্রামের পূর্বের বালুর মাঠ থেকে সে নিখোঁজ হয়।
লামাকাজি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়া বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন নদীতে শিশুটির লাশ ভাসতে দেখে উদ্ধার করেন। সে সাঁতার জানত না। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।’
এ বিষয়ে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সাঁতার না জানায় নদীর পানিতে ডুবে শিশুটি মারা গেছে।
২৬৬ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মসজিদে মিলল নিখোঁজ শিশুর রক্তাক্ত লাশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নিখোঁজের একদিন পর ময়না আক্তার (৯) নামে এক শিশুর বিবস্ত্র ও রক্তাক্ত লাশ স্থানীয় একটি মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের ছন্দুমিয়ার পাড়া থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ময়না ওই পাড়ার বাহরাইন প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে এবং লতিফ মোস্তারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় একটি মাদরাসার নূরানী বিভাগে পড়াশোনা করতেন।
পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানান, শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে ময়না বাড়ি থেকে খেলাধুলা করতে বের হয়, তারপর তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হলেও কোনো খবর না পেয়ে মাইকিংও করা হয়। পরদিন সকালে, শিশুরা হাবলিপাড়া জামে মসজিদে গিয়ে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় ময়নার রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায়। এরপর মসজিদের ঈমাম ময়নার মাকে খবর দেন।
পরে গ্রামবাসী মসজিদে গিয়ে ময়নার বিবস্ত্র ও গলায় কাপড় পেঁচানো লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ, পিবিআই ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করেন।
আরও পড়ুন: ব্রহ্মপুত্রে নৌকাডুবি: নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর দুই শিশুর লাশ উদ্ধার
এদিকে, এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামবাসী এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) তপন সরকার বলেন, ‘খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে দুইজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে, তবে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা— তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
২৮৬ দিন আগে
রাজধানীতে বাসাবাড়ি থেকে দুই বোনের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার
রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় একট আবাসিক ভবনের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দুই বোনের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই দুইজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (৯ মে) রাতে মেট্রো স্টেশন-সংলগ্ন পশ্চিম শেওড়াপাড়ার ৬৪৯ নম্বর বাড়ির দ্বিতীয় তলার বি-১ ফ্ল্যাট থেকে লাশদুটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতরা হলেন— মরিয়ম (৬০) ও তার বোন সুফিয়া (৫০)।
মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদুর রহমান ইউএনবিকে জানান, শুক্রবার রাত পৌনে নয়টার দিকে আমরা ঘটনার খবর পাই। তাৎক্ষণিক পুলিশের একটি দল গিয়ে ছয় তলা বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে লাশদুটি উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: সিলেটের গোলাপগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
লাশদুটিকে ময়নাতদন্তের জন্য শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, নিহত দুইজনকে শীল-পাটা ও ছুরি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত মরিয়মের সন্তান মিষ্টি (২৬) ওই ফ্লাটে থাকেন এবং তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরি করেন। কিন্তু ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন না।
পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে তাদের হত্যা করা হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির দারোয়ানকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
৩৪৪ দিন আগে
সেফটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নেমে লাশ হয়ে ফিরল শ্রমিক
লালমনিরহাটে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নেমে মারুফ নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় রহিম নামে আরেক শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করে লালমনিরহাট ফায়ার সার্ভিস।
শনিবার (৩ মে) সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের সাতপাটি গ্রামের জহুরুলের বাড়ির সেফটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নেমে এই হতাহতের ঘটনাটি ঘটে।
মারুফ হোসেন (২২) সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের বালাপাড়া এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে এবং জীবিত উদ্ধার হওয়া রহিম মিয়া (৩০) একই এলাকার মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।
আরও পড়ুন: নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত
স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নামেন দুই শ্রমিক। সেপটিক ট্যাংকে নামার পর বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্রমিক রহিম ওপরে উঠে আসলেও মারুফ উঠতে পারেনি। মারুফ উঠতে না পারায় স্থানীয় লোকজন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে মারুফের লাশ উদ্ধার করে।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরনবী বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের কারণে একজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য কোনো কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করা হচ্ছে। লাশ লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।’
৩৫১ দিন আগে
নিখোঁজের একদিন পর ডাকাতিয়া নদীতে ভেসে উঠল কলেজছাত্রের লাশ
চাঁদপুরে বন্ধুদের সঙ্গে ডাকাতিয়া নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজের একদিন পর কলেজছাত্র সৌম্য দীপ সরকার আপনের (১৭) ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধার দিকে চাঁদপুরের গাছতলা সেতুর নীচে ডাকাতিয়া নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে রবিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে চাঁদপুর শহরের পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের গুনরাজদী এলাকায় ডাকাতিয়া নদীতে নিখোঁজ হন সৌম্য।
চাঁদপুর শহরের মিশন রোড এলাকার মানিক রঞ্জন সরকারের একমাত্র ছেলে সৌম্য। তিনি চাঁদপুর পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, বন্ধুদের সঙ্গে ডাকাতিয়া নদীতে গোসলে গিয়েছিলেন সৌম্য। এ সময় তিন বন্ধুর সঙ্গে নদী পাড় হওয়ার প্রতিযোগিতার জন্য সাঁতার কাটা শুরু করেন।
আরও পড়ুন: নড়াইলে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবকের লাশ উদ্ধার
তখন দ্রুতগামী বলগেটের ঢেউয়ে সৌম্য তলিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। এরপর গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় চাঁদপুরের গাছতলা সেতুর নীচে ডাকাতিয়া নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
চাঁদপুর নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল জানান, নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল ও কোষ্টগার্ড সবাই মিলে শহরতলীর গাছতলা সেতুর নীচে থেকে সৌম্যর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় চাঁদপুরের সদর মডেল থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
৩৫৫ দিন আগে
নিখোঁজের দুদিন পর সেপটিক ট্যাংকে মিলল ছাত্রদল নেতার লাশ
নিখোঁজের দুদিন পর সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে মীর হোসেন ওরফে সাদ্দাম (৩১) নামের এক সাবেক ছাত্রদল নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের দুর্গাপুর সওদাগরের বাড়ির পাশের নতুন বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: ডুবে যাওয়ার ৬ ঘণ্টা পর শিশুর লাশ উদ্ধার
সাদ্দাম রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও রাজগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিসানের দোকানের (সোলেমান ট্রেডার্স) ম্যানেজার ছিলেন। তিনি রাজগঞ্জ ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর গ্রামের মৃত মমিনুলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, দুদিন আগে নিখোঁজ হন সাদ্দাম। এরপর তার পরিবার বিষয়টি মৌখিকভাবে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশকে অবহিত করে। আজ (শনিবার) সকাল ৬টার দিকে দুর্গাপুর গ্রামের সওদাগরের বাড়ির পাশের নতুন বাড়িতে আম কুড়াতে যায় কয়েকটি শিশু। সেখানে তারা একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতর পলিথিন মোড়ানো অবস্থায় সাদ্দামের লাশ পড়ে থাকতে দেখে। পরে তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে বিষয়টি দেখে পুলিশকে অবহিত করেন।
আরও পড়ুন: কেরাণীগঞ্জে নারীর মাথাবিহীন খন্ডিত লাশ উদ্ধার
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর ও বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এদিকে নিহতের গলায় ও মুখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আবু তাহের বলেন, ‘হত্যার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
৩৫৮ দিন আগে
হাসপাতালের টয়লেট থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার
যশোর শহরের ইবনে সিনা হসপাতালের টয়লেট থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
ইবনে সিনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাসপাতালের ১০১ নম্বর কক্ষটি মহিলা স্যাম্পল কালেকশন রুম। এই রুম সংলগ্ন টয়লেটটি নারীরা ব্যবহার করে থাকেন। রাতের শিফটের ক্লিনার আল-আমিন হোসেন নিয়মিত ডিউটির সময় টয়লেটের একটি ঝুড়িতে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় লাশটি দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান।
হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক আসিফ নেওয়াজ বলেন, খবর পেয়ে তিনি ও অন্যান্য কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং নবজাতককে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন: বিএসএমএমইউতে একসঙ্গে চার অপরিণত নবজাতকের জন্ম
সেখানে চিকিৎসক নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি হেফাজতে নেয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান বলেন, ‘হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।’ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
৩৫৯ দিন আগে
স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ নিতে পুলিশকে কল স্বামীর
সাভারে স্ত্রীকে হত্যা করে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ কল দিয়ে পুলিশকে লাশ নিয়ে যেতে বলেছেন এক ঘাতক স্বামী।
বুধবার(২৩ এপ্রিল) দুপুরে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের নতুনপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
হত্যার শিকার ওই নারীর নাম রুমানা আক্তার (২০)। এ ঘটনার পর স্বামী সাজ্জাদ হোসেন মানিক তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে পালিয়ে গেছেন।
পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে নওগাঁ থেকে সাজ্জাদ হোসেন মানিক স্ত্রীকে নিয়ে সাভারে তার ভাইয়ের ভাড়া বাসায় বেড়াতে আসেন। পরবর্তীতে পারিবারিক কলহের জেরধরে সাজ্জাদ হোসেন মানিকের ভাই সকালে গার্মেন্টসে কাজে গেলে বেড়াতে আসা স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে স্বামী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ কল দিয়ে লাশ নিয়ে যেতে বলেন পুলিশকে।
আরও পড়ুন: প্রাইম এশিয়া ছাত্র পারভেজ হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
পরে খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
ট্যানারি পুলিশ ফাঁড়ি ও সাভার মডেল থানার (এসআই) আমির হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে। স্বামীকে আটকে অভিযান চলছে।
৩৬১ দিন আগে