বিষাক্ত গ্যাস
ভালুকায় ইটিপি ট্যাংক পরিষ্কার করতে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি সিরামিকস কারখানার নির্মাণাধীন ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) পরিষ্কার করতে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পাড়াগাঁও এলাকায় অবস্থিত এক্সিলেন্ট সিরামিকস কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার নকসা গ্রামের ফারুক গাজীর ছেলে ও মেকানিক্যাল ওয়েল্ডার শফিকুল ইসলাম (২৮) এবং নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি উপজেলার বল্লী গ্রামের কুহিল মিয়ার ছেলে ও সিভিল হেলপার রুমেল মিয়া (২৫)।
সহকর্মীদের অভিযোগ, কাজ করার সময় প্রথমে শফিকুল ইসলাম ইটিপি প্ল্যান্টের ট্যাংকে নামেন। বেশকিছু সময় তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রুমেল মিয়া নিচে নামেন। তিনিও বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে অন্য শ্রমিকরা তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে এর আগেই কারখানা কর্তৃপক্ষ অসুস্থ দুই শ্রমিককে উদ্ধার করে মমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ দুটি বর্তমানে মমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
ময়মনসিংহ শিল্প পুলিশ-৫-এর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনছার উদ্দিন বলেন, এ ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে কারখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি বা উদ্ধারকাজে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৯ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় সেপটিক ট্যাংকে ২ নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু
কুষ্টিয়ায় সেপটিক ট্যাংকে বিষাক্ত গ্যাসের বিষক্রিয়ায় দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার সকালে শহরের জুগিয়া পালপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন জেলার মিরপুর উপজেলার পশ্চিম গোবিন্দপুর গ্রামের ছামেদ মন্ডলের ছেলে সাদেক বাচ্চু ও একই এলাকার রুহুলের ছেলে মানিক।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ২ শ্রমিকের মৃত্যু
পুলিশ জানায়, নির্মাণ শ্রমিক সাদেক বাচ্চু জুগিয়া পাল পাড়ায় তার বোনের বাড়িতে কয়েকদিন আগে বাথরুমের নতুন সেপটিক ট্যাংক তৈরি করেন। শুক্রবার সকালে সাটারিং খোলার জন্য প্রথমে সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে নামেন নির্মাণ শ্রমিক মানিক। বেশ কিছুক্ষণ কেটে যাওয়ার পর তার কোনও সাড়াশব্দ না পাওয়ায় মিস্ত্রী সাদেক বাচ্চুও ভেতরে নামেন। এরপর তারও কোনও সাড়া শব্দ না পেয়ে স্থানীয়দের খবর দেন সাদেক বাচ্চুর ভগ্নিপতি আমিরুল। স্থানীয়রা এসে তাদেরকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে নারী ও ২ শিশু নিহত
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত কবির জানান, বৃষ্টি-বাদলের কারণে বাড়ির লোকজন সেপটিক ট্যাংক বন্ধ করে রেখেছিল। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় সেখানে মিথেন গ্যাসের সৃষ্টি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস আর অক্সিজেন সংকটের কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই বিষয়টি পরিস্কার হবে।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় সেপটিক ট্যাংকে পড়ে রাজমিস্ত্রির মৃত্যু
১৯১৭ দিন আগে
লক্ষ্মীপুরে সেফটি ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাসে ২ শ্রমিকের মৃত্যু
লক্ষ্মীপুরে নির্মাণাধীন একটি সেফটি ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়া অপর দুজনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২১৫৭ দিন আগে