স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর মঈন খানের
ডেঙ্গুতে আরও প্রাণহানি ঠেকাতে অ্যাকশন প্ল্যানের পাশাপাশি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ওয়ার্কশপ অন স্ট্র্যাটেজিক অ্যাকশন প্ল্যানিং ফর ডেঙ্গু প্রিভেনশন’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস প্রকল্পের (আইইউপিএইচপিএসপি) আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা কম। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, সাধারণত আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ সংক্রমণের সময়।
তিনি আরও বলেন, তাই বর্তমানে মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কম হলেও আমাদের আত্মতুষ্ট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এই সেপ্টেম্বর, এরপর অক্টোবর এবং এমনকি নভেম্বরের কিছু সময়ও রয়েছে, এ সময়ে মৃত্যুর সংখ্যা যাতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে না যায়, সে জন্য অ্যাকশন প্ল্যানের পাশাপাশি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় দুই মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, আপনারা লক্ষ্য করেছেন, মাত্র দুই দিন আগে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং সারা দেশে এর বিস্তার ঠেকাতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম—এই নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু হওয়ার পর চিকিৎসা করার চেয়ে রোগটি প্রতিরোধ করা অনেক সহজ। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রকল্পে কাজ করা বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী জনগণের কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে ও নিরবচ্ছিন্নভাবে নিজেদের নিয়োজিত রাখার আহ্বান জানান।
প্রকল্পটিতে সহায়তা দেওয়ার জন্য বিশ্বব্যাংককে ধন্যবাদ জানান তিনি। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের শুরুর দিক পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। তবে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও এর সুফল অব্যাহত রাখতে হবে বলে জোর দেন তিনি।
এছাড়া বাংলাদেশে ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের উন্নত বিশ্বে এ বিষয়ে গবেষণারত গবেষকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞান সংগ্রহের আহ্বান জানান ড. আব্দুল মঈন খান।
তিনি বলেন, আমরা গর্বিত যে আমাদের দেশের বিশেষজ্ঞরা এখানে কাজ করছেন। তবে আমি আপনাদের এটাও অনুরোধ করব, উন্নত বিশ্বে যারা এ বিষয়ে গবেষণা করছেন, তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞান সংগ্রহ করবেন।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ১৯৬৪-৬৫ সালের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে ডেঙ্গু ধীরে ধীরে বেড়েছে। ওই সময়ে ঢাকায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছিল। গত বছর ও এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারে পৌঁছেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার বিকল্প নেই: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের ভিত্তি তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী না হলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক কাঠামোও সুদৃঢ় করা সম্ভব নয়।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মতো বিপুল জনসংখ্যার দেশে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে শক্তিশালী ও কার্যকর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকারকে কার্যকরভাবে শক্তিশালী করতে প্রকৃত বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। জনগণের অংশগ্রহণ ও স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করা সম্ভব।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে বদ্ধপরিকর বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার, গণতন্ত্র ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়া, গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, জনগণের কাছে জবাবদিহি আরও বাড়ানো এবং নারী ক্ষমতায়নের মতো ক্ষেত্রে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বৈঠকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরও সুদৃঢ় করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করা, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও কার্যকর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগের বিস্তার রোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, মশার লার্ভার উৎস ধ্বংসের পাশাপাশি মশা নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা বাড়াতে গবেষণা ও কারিগরি সক্ষমতা জোরদার করা হচ্ছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির জরুরি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং গাজীপুরের মতো বড় ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সিটি করপোরেশনগুলো সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। মশার লার্ভা যেখানে জন্ম নেয়, সেসব স্থান চিহ্নিত করে পানি জমতে না দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, জাপানসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের সহযোগিতায় মশা নিধনের ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদেরও এ কাজে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে জনসচেতনতার পাশাপাশি কারিগরি সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সিটি করপোরেশনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্প্রে ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলছে।
প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
প্রতিমন্ত্রী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাড়ির ভেতর, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশে পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগ ও স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, ১৩টি সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকার বাইরের ১১টি সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
১৫ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জানতে ইসির সঙ্গে বসবে সরকার
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে, তা জানতে আগামী সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে আলোচনা করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আগামী সপ্তাহে হয়তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আমি হয়তো কথা বলব যে তাদের প্রস্তুতিটা কতদূর বা কী অবস্থা।’
তিনি বলেন, আসলে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও পরিচালনা করবে ইসি। মাঠ থেকে নির্বাচন উঠিয়ে নিয়ে আসবে তারাই।
মন্ত্রী বলেন, তবে যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে, এখানে নির্বাচনের যে খরচ এবং অন্যন্য যে বিষয়গুলো যেমন: মেয়াদ কবে উত্তীর্ণ হচ্ছে, কী হচ্ছে—এই বিষয়গুলো আমরা সহায়তা দেব।
তফসিলের বিষয়ে কোনো তথ্য জানা গেছে কি না, জানতে চাইলে মীর শাহে আলম বলেন, তফসিলের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিটা আমরা এখনও জানি না। তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। এ প্রশ্নের উত্তর ইসি দিতে পারবে।
সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সরকারের প্রস্তাব তো আমি এর আগেও বহুবার বলেছি যে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে এই পাঁচটি নির্বাচন করবার জন্য যে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন, সেটা আমরা রেখেছি।’
২০ দিন আগে
পানি-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় সরকার
পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষি কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সরকার।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানানো হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব এবং স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন খাতে সহযোগিতার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষি হিমাগারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগানো হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর ও টেকসই হবে।
তিনি বলেন, এসব ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে বাংলাদেশ উপকৃত হবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জনগণের সরকার। আমরা জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করি।’
বর্তমান সরকার দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নগর ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানান তিনি।
সাক্ষাতের শুরুতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন মন্ত্রীকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শুভেচ্ছা জানান। তিনি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে এ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আলোচনায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এ খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার খাতেও সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২১ দিন আগে
যথাসময়ে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরেই নির্বাচন হবে: মঈন খান
সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ও নিয়মকানুন মেনে যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরেই নির্বাচন হবে এবং সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হবেন—এটাই সরকারের প্রত্যাশা।
রবিবার (২৩ আগস্ট) দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হবে এবং কতদিনের মধ্যে নির্বাচন শেষ হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া রয়েছে। তাই নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করে এখনই কিছু বলা যুক্তিসংগত হবে না।
তিনি বলেন, ‘সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় নিয়মকানুন অক্ষরে অক্ষরে পালন করে যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘোষণা করা হবে।’
এক বছরের মধ্যে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার কোনো পরিকল্পনা বা লক্ষ্য রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার কোনো আলাদা টার্গেট নেই। আমাদের জনগণের সরকার, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আমরা এই সরকার গঠন করেছি এবং এটাই আমাদের সরকারের টার্গেট।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুধু সিটি করপোরেশনকে কেন্দ্র করে নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরে নির্বাচন রয়েছে এবং প্রত্যেকটি স্তরেই নির্বাচন হবে।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়নি। ‘দীর্ঘদিন পরে আমরা সৌভাগ্যবান যে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে আমরা আজকে আপনাদের সামনে এসেছি।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সংবিধানের নিয়মকানুন মেনে, আমাদের সরকারের নীতি অনুযায়ী এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানোর জন্যই আমরা এ দেশে নির্বাচন করব।
তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরে নির্বাচন রয়েছে। প্রত্যেকটি স্তরে নির্বাচন হবে এবং সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রতিনিধিরা সেই নির্বাচনে নির্বাচিত হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
জনগণের সেবা হবে প্রধান অগ্রাধিকার
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর মন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকার সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমার অগ্রাধিকার হচ্ছে জনগণ।’ তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয় অন্য অনেক মন্ত্রণালয়ের তুলনায় ব্যতিক্রমধর্মী। কারণ এই মন্ত্রণালয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা। বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় অগ্রগণ্য এবং এটি জনগণের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে।
স্থানীয় সরকারকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় যদি সঠিকভাবে কাজ করে এবং জনগণকে সঠিকভাবে সেবা দিতে পারে, তাহলে পুরো বাংলাদেশ ও সরকার সঠিকভাবে চলবে। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা এই গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেছি।
তৃণমূলের মানুষের কাছে সেবা পৌঁছানোর অঙ্গীকার
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাজ তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, সরকারের নীতি ও কর্মপদ্ধতির মাধ্যমে জনগণের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে চান তিনি।
তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয় তৃণমূলের সঙ্গে কাজ করে। আমরা এই মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে পারলে এবং আমাদের সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে আমরা সফল হব। আমাদের সরকারও সফল হবে।
মন্ত্রী জানান, তার সঙ্গে থাকা প্রতিমন্ত্রীর স্থানীয় সরকারে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি একসঙ্গে কাজ করতে চান। তার অভিজ্ঞতা থেকে নিজে অনেক কিছু শিখতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন।
দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিতরা অগ্রাধিকার পাবে
মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের সব মানুষের সেবা করবে। তবে সমাজের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকার দেশের কোটি কোটি মানুষের সেবা করে, সবার প্রতিনিধিত্ব করে। তবে সরকারের মূল লক্ষ্য থাকবে সমাজের ভাগ্যাহত, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি। তারা হবে অগ্রাধিকার।
এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, সচ্ছল ও ধনী মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই মেটাতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারের সহায়তা বেশি প্রয়োজন।
মন্ত্রীর ভাষ্যে, ‘যারা সচ্ছল ও ধনী, তারা নিজেদের প্রয়োজন ও কার্যক্রম নিজেরাই পরিচালনা করতে পারে। কিন্তু যারা দরিদ্র, তাদের সরকারের সহায়তা বেশি প্রয়োজন। বাংলাদেশে কাগজে-কলমে হিসাব করলে শতকরা ৪০ শতাংশ মানুষ এখনও কোনো না কোনোভাবে দরিদ্র।’
বিগত সরকারের সময়ে দরিদ্র মানুষের অধিকার হরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী।
ড. মঈন খান বলেন, ‘জনাব তারেক রহমান দরিদ্র মানুষের পক্ষ হয়ে কথা বলছেন। তাদের উন্নয়নের জন্য তিনি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের প্রথা প্রবর্তন করেছেন।’
তিনি বলেন, আমার মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন মেটাতে সেবা দেওয়া। অতীতে সরকারের পক্ষ থেকে আমি এ বিষয়ে কাজ করেছি এবং ভবিষ্যতেও জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে, জনগণের কাতারে দাঁড়িয়ে এ দেশের সেবা করতে চাই।
২২ দিন আগে
দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগেই মিলবে টেকসই সমাধান: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
দূষণ নিয়ন্ত্রণ, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগই টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ও অন্যান্য দূষণরোধে আয়োজিত মন্ত্রী পর্যায়ের মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম অংশ নেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রীবলেন, পরিবেশ দূষণ বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। নগরায়ন, অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদী ও জলাশয়ে বর্জ্য নিক্ষেপ এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও পলিথিনের ব্যবহার পরিবেশের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়, বরং সমন্বিত ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ক্ষতিকর পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার কমানো এবং বিকল্প পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী পরিবেশ সংরক্ষণে তার মন্ত্রণালয়ের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ ও চলমান কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দিতে হবে।
মতবিনিময় সভায় পানি দূষণ, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নদ-নদী সংরক্ষণ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহা. শওকত রশীদ চৌধুরী, এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, দুই সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সভায় বক্তারা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, পানি ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
৪১ দিন আগে
পরিবর্তনের দাবি উঠলেই এ দেশের মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জনগণ যখনই পরিবর্তনের দাবি তুলেছে, তখনই তাদের জীবন দিতে হয়েছে। তিনি বলেন, শহিদদের আত্মত্যাগ তখনই সার্থক হবে, যখন দেশের প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা, দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর তথ্য ভবন মিলনায়তনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা জুলাই শহিদ দিবসবিষয়ক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন এবং আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পরিবর্তন একটি চলমান ও অনিবার্য প্রক্রিয়া। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রতিটি ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য জনগণকে জীবন দিতে হয়েছে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি পরিবর্তনের পেছনেই রয়েছে মানুষের আত্মত্যাগ। স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর যদি পরিবর্তনের দাবিতে আবারও তরুণদের রক্ত দিতে হয়, তবে তা আমাদের জন্য আত্মসমালোচনার বিষয়।
৪৬ দিন আগে
জাইকা বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী, সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী। দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও জনসেবামূলক বিভিন্ন খাতে জাইকার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও জাইকার মধ্যকার সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) সচিবালয়ে জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাইকার চলমান এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় সরকার খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে চান। আমরা সবাই তার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছি।
মন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে সরকার। এ ক্ষেত্রে জাইকার অভিজ্ঞতা, কারিগরি সহায়তা ও বিনিয়োগ দেশের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, এনডিসি এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও জাইকার দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারত্বকে আরও সুসংহত করবে এবং স্থানীয় সরকার খাতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র সৃষ্টি করবে।
৭১ দিন আগে
জিয়ার নেতৃত্বে স্বাধীনতার সূচনা, তারেকের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে দেশ: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমরা আধিপত্যবাদের বাইরে গিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াব, দেশের মানুষ এখন সেই বাংলাদেশ দেখতে চায়। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সকল পক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মিত্রদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। পাশাপাশি গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ এবং জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিলেন।
এর আগে, অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক অবদানভিত্তিক সংবাদপত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। প্রদর্শনীতে তার রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং দেশের উন্নয়নে অবদানসংবলিত বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন, আলোকচিত্র ও দলিল উপস্থাপন করা হয়।
১০২ দিন আগে