এনআইডি
ভোটার হলেন তারেক রহমান
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোটার হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা সারার পরের দিনই তার নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান সাহেবের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি মাননীয় নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।’
এর আগে, গতকাল (শনিবার) তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমান আগাওগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন ও ভোটার হওয়ার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
তারেক রহমান ও জাইমা রহমান গুলশান এলাকার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওতায় ঢাকা-১৭ আসনে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। ভোটার নিবন্ধনে গুলশান-২-এর ১৯৬ নম্বর বাড়ি তাদের ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
গতকাল ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন, তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানের ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। তাদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে রবিবার সিদ্ধান্ত নেবে ইসি।
তিনি আরও বলেছিলেন, ভোটার নিবন্ধন আইন ২০০৯-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক, ভোটার হতে সক্ষম ব্যক্তিকে ভোটার করার এখতিয়ার কমিশনের আছে। তাদের (তারেক ও জাইমা) আবেদন আগামীকাল (রবিবার) কমিশনে পেশ করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
১৪ দিন আগে
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এনআইডি পাবেন তারেক রহমান: ডিজি
ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করার ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাবেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এস এম হুমায়ুন কবীর।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নির্বাচন কমিশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
হুমায়ুন কবীর বলেন, আমরা যতটুকু জেনেছি, তিনি অনলাইনে ফরম পূরণ করেছেন। এখন আমাদের কাছে এসে কেবল আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন। এরপর সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার তথ্য সার্ভারে অনুসন্ধান করে দেখবে, সেটি কারও সঙ্গে মিলছে কি না। না মিললে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে। এটি আমাদের হাতে নেই।
মহাপরিচালক বলেন, তিনি আমাদের কাছ থেকে এনআইডি বা স্মার্ট কার্ড যে কোনোটি নিতে পারবেন। আবার তার মোবাইলে এসএমএস যাবে, সেখান থেকেও ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
আজ দুপুরেই তার নিবন্ধন সম্পন্ন করার কথা রয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারেক রহমান ইনকিলাব মঞ্চের সদ্য প্রয়াত মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন।
১৫ দিন আগে
দেশের কোনো নাগরিকেরই এখন দুটি এনআইডি কার্ড নেই: ডিজি
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এস এম হুমায়ুন কবীর বলেছেন, ‘বর্তমানে দেশের কোনো নাগরিকেরই দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি কার্ড) নেই।’ জাতীয় পরিচয়পত্রের ডেটাবেজ এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৯ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নিবার্চন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে তিনি এসব কথা বলেন।ডিজি হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘দুটি জাতীয় পরিচয়পত্রধারী ৫৮৬ জনকে শনাক্ত করেছি। আমরা তাদের প্রথম এনআইডিকার্ডটি সচল রেখে দ্বিতীয়টি বাতিল করেছি।’
তাদের দুটি এনআইডি লক ছিল, তাই কোনোভাবেই নাগরিক সেবা নিতে পারছিলেন না তারা। তবে, এখন থেকে এ ব্যক্তিরা সব নাগরিক সেবা ভোগ করতে পারবেন বলে আশ্বস্থ করেন হুমায়ুন কবীর।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক বলেন, ‘কমিশন চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে দ্বৈত এনআইডি সমস্যা সমাধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। দুই সপ্তাহের মধ্যেই সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে।’
‘আমাদের জানামতে এ মুহূর্তে আর কারও দুটি এনআইডি নেই।’ তবে, যদি কারও দুটি শনাক্ত হয়- একই নিয়মে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ডিজি।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ডেটাবেজে সাড়ে ১২ কোটিরও বেশি নাগরিকের তথ্য রয়েছে। এ তথ্যভাণ্ডার থেকে কয়েকবার তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে।
তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি রোধে এখন সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান ডিজি হুমায়ুন কবীর।
আরও পড়ুন: জব্দ করা চুরির অর্থ ও সম্পদ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ব্যয় করবে সরকার: গভর্নর
তিনি বলেন, ‘আমাদের ডেটা সেন্টার যেহেতু ২৪ ঘণ্টা চলে, এটি মাঝে মাঝে মেইনটেইনেন্সের জন্য আমরা একটু বন্ধ করি, আবার চালু করি। যেমন পরশুদিনও (শনিবারও) আমরা এটি করেছিলাম, যা ৪ ঘণ্টা পর চালু করা সম্ভব হয়।
‘মেইনটেনেন্সের (রক্ষণাবেক্ষণ) ধারাবাহিকতায় ডেটা সেন্টার নিজস্ব জনবল দিয়ে চেক করা হয়েছিল। কোনো সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে কি না, হালনাগাদ রয়েছে কি না— আমাদের অবস্থান থেকে যতগুলো উদ্যোগ নেওয়া দরকার, সে ব্যবস্থাগুলো নিয়েছি। এখন আমাদের এ ডেটা সেন্টার পরিপূর্ণ নিরাপদ।’
তিনি বলেন, ডেটা সেন্টারের দৈনন্দিন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, যাতে কোনও পরিস্থিতিতেই ডেটা ফাঁস বা ক্ষতি না হয়।
ভবিষ্যতেও ডেটাবেজ নিরাপদ রাখার জন্য সম্ভাব্য সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ডিজি হুমায়ুন কবির।
২৩৭ দিন আগে
অনলাইনে আবেদন করে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়া ই-পাসপোর্ট পাওয়ার উপায়
ই-পাসপোর্ট পরিষেবায় বাতিল করা হয়েছে পুলিশ ভেরিফিকেশন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে পরিপত্র জারির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ। এখন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ন্যাশনাল আইডি (এনআইডি) কার্ড-এ বিদ্যমান তথ্যের ভিত্তিতে সরবরাহ করা হবে ই-পাসপোর্ট। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও প্রবাসি বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় এনআইডি কার্ড করার সুযোগ থাকে। তাই এই দুই শ্রেণীর নাগরিকদের পাসপোর্টের আবেদন নিরীক্ষার মাপকাঠি ধরা হবে অনলাইনে নিবন্ধনকৃত জন্ম নিবন্ধন সনদ। চলুন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ব্যতীত ই-পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য আবেদনের সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি দেখে নেওয়া যাক।
অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
• অনুর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সী প্রার্থীর জন্য অনলাইনে নিবন্ধনকৃত জন্ম সনদপত্র (BRC English Version)
• প্রার্থী ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সী হলে তার জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা অনলাইনে নিবন্ধনকৃত জন্ম সনদ (BRC English Version)
• ২০ বছরের অধিক আবেদনকারীদের জন্য এনআইডি কার্ড অত্যাবশ্যক। তবে অন্যান্য দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন থেকে আবেদনকারীরা তাদের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (BRC English Version) দিতে পারবেন।
• শিশুদের ক্ষেত্রে পিতামাতা প্রত্যেকের এনআইডি কার্ড
• বসবাসরত ঠিকানার সাম্প্রতিক ইউটিলিটির (গ্যাস, বিদ্যুৎ বা পানি) বিল প্রদানের রশিদ
• দত্তক কিংবা অভিভাবকত্ব গ্রহণকারীদের জন্য সুরক্ষা সেবা বিভাগ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) কর্তৃক জারিকৃত আদেশ
• বিবাহ সনদ অথবা নিকাহনামা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তালাকনামা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
আরো পড়ুন: পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা শিথিল করে পরিপত্র
বিভিন্ন পেশাজীবী আবেদনকারীরা যে নথিপত্র দেখাবেন
• ড্রাইভার, ইঞ্জিনিয়ার, ও ডাক্তারের মতো কারীগরি কিংবা প্রযুক্তিগত পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কারীগরি সনদপত্র
• শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তার সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদানকৃত প্রত্যয়নপত্র বা নিদেনপক্ষে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড
• বেসরকারী কর্মকর্তার জন্য তার প্রতিষ্ঠান থেকে সরবরাহকৃত আনুষ্ঠানিক প্রত্যয়নপত্র
• সরকারী চাকরিজীবিদের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত যে কোনো একটি নথি (ইস্যূকারী কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে নোটিশ হিসেবে প্রকাশিত হতে হবে):
o সরকারী আদেশ (জিও)
o অনাপত্তি পত্র (এনওসি)
o প্রত্যয়নপত্র
o অবসরোত্তর ছুটির আদেশ (পিআরএল অর্ডার)
o পেনশন বই
· কৃষক বা কৃষি কাজে নিযুক্ত থাকলে তার জমির পর্চা (অনুলিপি)
· ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স (অনুলিপি)
আরো পড়ুন: ২০২৫ সালে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা
আবেদন জমা দেওয়ার সময় উপরোক্ত নথিপত্রের সাথে আরও যা যা যুক্ত করতে হবে:
· বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের নির্ধারিত সময়সহ আবেদনপত্রের সারাংশ (মুদ্রিত কপি)
· অনলাইন নিবন্ধিত পূর্ণ আবেদনপত্র (মুদ্রিত কপি)
· পাসপোর্টের ফি জমা প্রদানের রশিদ
· অনুর্ধ্ব ৬ বছর বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে গ্রে ব্যাকগ্রাউন্ডে ল্যাবে মুদ্রিত সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি
· ৬ বছরের অধিক প্রার্থীর পৃথক ভাবে কোনো ছবি দেওয়ার দরকার নেই। আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় এই সকল নথিগুলো সত্যায়িত করার প্রয়োজন নেই।
আরো পড়ুন: আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট করবেন যেভাবে
ধাপে ধাপে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদনের নিয়ম
.
অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণ
সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের ব্রাউজার ওপেন করে সরাসরি চলে যেতে হবে www.epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে। অতঃপর ‘অ্যাপ্লাই অনলাইন’ ট্যাবে ক্লিক করলে প্রথমে আসবে আঞ্চলিক ই-পাসপোর্ট কার্যালয় নির্ধারণের পালা। স্ক্রিনে ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে প্রার্থীর অবস্থানরত জেলা ও থানার নাম বাছাই করতে হবে। এতে করে স্বয়ংক্রিয় ভাবে অধিভূক্ত ই-পাসপোর্ট কার্যালয়ের নামটি নির্ধারিত হয়ে যাবে।
এছাড়া আলাদাভাবে নিজের নিকটস্থ ই-পাসপোর্ট কার্যালয়ের চেনার জন্য এই লিঙ্কে যাওয়া যেতে পারে- https://dip.gov.bd/site/page/4d4ea063-50df-46ee-a326-492d8ef2dbb0/-।
পাসপোর্ট অফিস নির্ধারণের পরের কাজ হলো ই-পাসপোর্ট অনলাইন নিবন্ধন পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খোলা। এর জন্য ই-মেইল ঠিকানা, এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন এবং মোবাইল নাম্বার দিয়ে একটি অনন্য পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে। এভাবে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়ে গেলে পরবর্তীতে এই ই-মেইল বা মোবাইল নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করা যাবে।
আবেদন ফর্মের প্রত্যেকটি তথ্য অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী হতে হবে। ন্যূনতম তারকা চিহ্নিত তথ্যগুলো সফলভাবে প্রদানের পর আসবে পাসপোর্ট ফি প্রদানের অপশন। ফি তাৎক্ষণিকভাবে অনলাইনে পরিশোধ করা হলে রশিদ নাম্বার স্বয়ংক্রিয় ভাবে সংযুক্ত হয়ে যাবে।
এরপরের সেকশনে বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের জন্য দিনক্ষণ ঠিক করতে হবে। স্ক্রিনে প্রদর্শিত ক্যালেন্ডার থেকে উপলব্ধ তারিখগুলো থেকে প্রার্থী নিজের পছন্দসই একটি তারিখ বাছাই করতে পারবেন।
তারপরেই চূড়ান্ত পর্যায়, যেখানে সাবমিট সম্পন্ন করার পর অ্যাপয়েন্টমেন্টসহ পুরো আবেদনের একটি সামারি দেখা যাবে। এই সামারি এবং সাবমিটকৃত পুরো অনলাইন নিবন্ধনের প্রিন্ট কপি অন্যান্য নথিগুলোর সাথে সংযুক্তি হিসেবে দিতে হবে।
ই-পাসপোর্ট ফি পরিশোধ
ফি পরিশোধের জন্য পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের অনুমোদিত কিছু পেমেন্ট সিস্টেম রয়েছে। এগুলো হলো- ভিসা, মাস্টার, ও অ্যামেরিকান এক্সপ্রেস কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেট, ইউপে, ডিমানি, ওকে ওয়ালেট, এবং এমবিএল রেইন্বো। অনুমোদিত ব্যাঙ্কগুলো হলো- ব্যাঙ্ক এশিয়া, ব্র্যাক ব্যাঙ্ক, ইস্টার্ন ব্যাঙ্ক, সিটি ব্যাঙ্ক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাঙ্ক, আরব-বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক, ডাচ-বাংলা ব্যাঙ্ক, এবং মিডল্যান্ড ব্যাঙ্ক।
আরো পড়ুন: প্রবাসী বাংলাদেশিরা কিভাবে ই-পাসপোর্ট করবেন: দেশের বাইরে থেকে পাসপোর্ট নবায়নের উপায়
৫ বছর / ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট আবেদনের খরচ
পাসপোর্ট বইয়ের পৃষ্ঠা, পাসপোর্টের মেয়াদ, এবং বিতরণের সময়সীমার ভিত্তিতে ফি বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। প্রধানত রেগুলার, এক্সপ্রেস এবং সুপার এক্সপ্রেস- এই তিন ক্যাটাগরিতে ই-পাসপোর্ট সরবরাহ করা হয়।
সবচেয়ে দ্রুত সময়ে পাসপোর্ট পাওয়া যায় সুপার এক্সপ্রেসের মাধ্যমে, যার সময়সীমা বায়োমেট্রিক সংগ্রহের তারিখ থেকে মাত্র ২ কার্যদিবস। এক্সপ্রেস ক্যাটাগরিতে প্রক্রিয়াকরণের সময়কাল বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের তারিখ থেকে ৭ কার্যদিবস থেকে সর্বোচ্চ ১০ দিন। সর্বাধিক সময়সীমা রেগুলার ক্যাটাগরিতে, যেখানে বায়োমেট্রিক প্রদানের তারিখ থেকে ন্যূনতম ১৫ কার্যদিবস বা ২১ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট হাতে পাওয়া যায়।
৫ বছর মেয়াদ সম্পন্ন ৪৮ পৃষ্ঠা সম্বলিত ই-পাসপোর্ট
· ৫ বছর মেয়াদ সম্পন্ন ৪৮ পৃষ্ঠা সম্বলিত ই-পাসপোর্ট
· রেগুলার: ৪ হাজার ২৫ টাকা
· এক্সপ্রেস: ৬ হাজার ৩২৫ টাকা
· সুপার এক্সপ্রেস: ৮ হাজার ৬২৫ টাকা
৫ বছর মেয়াদ সম্পন্ন ৬৪ পৃষ্ঠা সম্বলিত পাসপোর্ট
· রেগুলার: ৬ হাজার ৩২৫ টাকা
· এক্সপ্রেস: ৮ হাজার ৬২৫ টাকা
· সুপার এক্সপ্রেস: ১২ হাজার ৭৫ টাকা
১০ বছর মেয়াদ সম্পন্ন ৪৮ পৃষ্ঠা সম্বলিত ই-পাসপোর্ট
· রেগুলার: ৫ হাজার ৭৫০ টাকা
· এক্সপ্রেস: ৮ হাজার ৫০ টাকা
· সুপার এক্সপ্রেস: ১০ হাজার ৩৫০ টাকা
১০ বছর মেয়াদ সম্পন্ন ৬৪ পৃষ্ঠা সম্বলিত পাসপোর্ট
· রেগুলার: ৮ হাজার ৫০ টাকা
· এক্সপ্রেস: ১০ হাজার ৩৫০ টাকা
· সুপার এক্সপ্রেস: ১৩ হাজার ৮০০ টাকা
আরো পড়ুন: ই-পাসপোর্টে ভুল তথ্য সংশোধন পদ্ধতি
আবেদন পত্রসহ নথিপত্র জমা ও বায়োমেট্রিক নিবন্ধন পদ্ধতি
উপরোল্লিখিত যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে পূর্বনির্ধারিত দিনে উপস্থিত হতে হবে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে। এই দিন আবেদনকারীর ছবি তোলা এবং হাতের আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া হয়। বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়ার সুবিধার্তে ছবি উঠানোর জন্য অবশ্যই রঙ্গিন পোশাক পরে পাসপোর্ট কেন্দ্রে যেতে হবে।
যাবতীয় কাজ শেষে প্রার্থীকে বিতরণের সম্ভাব্য তারিখ সম্বলিত একটি স্লিপ দেওয়া হবে। এই স্লিপটি প্রার্থীর বায়ো নিবন্ধনের প্রমাণপত্র, তাই এটি পাসপোর্ট সংগ্রহের দিন অবশ্যই সাথে রাখতে হবে।
অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করবেন যেভাবে
বায়ো নিবন্ধনের দিন থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহের সম্ভাব্য দিনটির আগে অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদনের অবস্থা যাচাই করা যায়। এর জন্য সরাসরি চলে যেতে হবে-
https://www.epassport.gov.bd/authorization/application-status- লিঙ্কে।
পাসপোর্ট অফিস থেকে দেয়া সেই বিতরণ স্লিপে ১৩ অঙ্ক বিশিষ্ট একটি অ্যাপ্লিকেশন আইডি পাওয়া যাবে। আবেদনের বর্তমান অবস্থা যাচাইয়ের জন্য এই আইডি অথবা আবেদন ফর্মে থাকা ওআইডি (অনলাইন রেজিস্ট্রেশন আইডি) ব্যবহার করতে হবে।
আরো পড়ুন: পুরাতন পাসপোর্ট নবায়নের উপায়
পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়া ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ
পূর্বে বায়োমেট্রিক নেয়ার কিছুদিনের মধ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য কল করা হতো। এখন থেকে এই কার্যক্রমটি আর সম্পন্ন হবে না। ই-পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে গেলে যথারীতি আবেদনপত্রে উল্লেখিত মোবাইল নাম্বার ও ই-মেইল ঠিকানায় নির্দিষ্ট তারিখ সম্বলিত বার্তা পাঠানো হবে। তদানুসারে বিতরণ স্লিপ ও এনআইডি কার্ড সঙ্গে নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট কার্যালয়ে হাজির হতে হবে।
পরিশিষ্ট
অনলাইনে আবেদন করে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়া ই-পাসপোর্ট করার এই পদ্ধতি পাসপোর্ট প্রাপ্তির সময়কে আরো কমিয়ে আনবে। এতদিন আবেদন ফর্ম পূরণ থেকে বায়োমেট্রিক পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ বেশ সাবলীল ভাবে উতড়ে যাওয়া যেতো। কিন্তু বিড়ম্বনায় পড়তে হতো পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পর্যায়ে এসে। এবার প্রতিটি স্তরের নাগরিকদের রেহাই মিলবে এই পুলিশি হয়রানি থেকে। উপরন্তু, পুরো প্রক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে এনআইডি কার্ডকে রাখার ফলে নথিটি আপ-টু-ডেট রাখার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি হবে জনসাধারণের মাঝে। সর্বসাকূল্যে, এটি পাসপোর্ট পরিষেবা তুলনামূলক সহজীকরণের অভিমুখে এক বিরাট পদক্ষেপ।
আরো পড়ুন: অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদনে ভুল হলে সংশোধনের নিয়ম
৩১৩ দিন আগে
তথ্য ফাঁস ঠেকাতে এনআইডি ভেরিফিকেশনে নতুন সিদ্ধান্ত ইসির
তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য ফাঁস বন্ধ করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই সেবা দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ডাটা সার্ভার থেকে আর কোনো নাগরিকের তথ্য সরাসরি সরবরাহ করবে না কর্তৃপক্ষ।
তিনি বলেন, “যখন তারা (সংস্থাগুলো) তথ্য দেবে, তখন আমরা তাদের বলব যে, এটি 'মিল আছে' বা 'মেলেনি' এক কথায়, 'হ্যাঁ' বা 'না'। এনআইডি ভেরিফিকেশন সেবা পেতে তাদের কোনো সমস্যা হবে না।”
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এনআইডি মহাপরিচালক তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, বর্তমানে মোট ১৮২টি প্রতিষ্ঠান ইসির ডাটা সার্ভার থেকে এনআইডি ভেরিফিকেশন সেবা গ্রহণ করছে। ২০১৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো যাচাইয়ের জন্য তাদের কাছে থেকে কিছু তথ্য পেতে পারে।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘যেহেতু আমরা এনআইডির তথ্য ফাঁসের কিছু প্রমাণ পেয়েছি, তাই আমরা সেগুলো বন্ধ করে দিয়েছি।’
আরও পড়ুন: এনআইডির তথ্য বেহাত, কম্পিউটার কাউন্সিলের সঙ্গে ইসির চুক্তি বাতিল
তথ্য ফাঁস রোধে করণীয় নির্ধারণে গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশন ও এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে মতবিনিময় সভার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অধিদপ্তর বলেছে, 'তথ্য ফাঁসের প্রেক্ষাপটে মূল্যবান (এনআইডি) তথ্য আরও ভালোভাবে সুরক্ষিত রাখতে আমরা ৬৪টি ব্যাংক, সরকারি সংস্থা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলাদাভাবে মতবিনিময় সভায় বসেছিলাম।’
তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে এনআইডির তথ্য সুরক্ষার জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোর সিস্টেম পরীক্ষা করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি টিমও গঠন করা হবে।
তবে তিনি বলেন, এখন প্রতিষ্ঠানগুলো যাচাই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ছবি দেখতে পারবে।
আজ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে হুমায়ুন কবির বলেন, বৈঠকে এনআইডি সেবাপ্রার্থীদের ঝুলে থাকা আবেদন নিষ্পত্তির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, এর আগে তারা বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে তিন মাসের মধ্যে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ঝুলে থাকা আবেদন নিষ্পত্তির ঘোষণা দিয়েছিল। তাই এই কর্মসূচির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করতেই বৈঠকটি হয়।
তিনি বলেন, আমি মনে করি প্রায় ৫০ শতাংশ ঝুলন্ত আবেদনের নিষ্পত্তি ইতোমধ্যে করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের কাজে নিজের সন্তুষ্টির কথাও জানান এনআইডি মহাপরিচালক।
আরও পড়ুন: এনআইডির তথ্য ফাঁস: ৫ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তথ্যের প্রমাণ পেয়েছে ইসি
৩২৮ দিন আগে
এনআইডির তথ্য ফাঁস: ৫ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তথ্যের প্রমাণ পেয়েছে ইসি
এনআইডি সেবা ব্যবহার করে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য ফাঁস করেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ভবনে এনআইডি যাচাই সেবা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
অভিযুক্তরা হলেন— স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ইউসিবি ব্যাংকের ইউপে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইবিএএস।
সচিব বলেন, ‘এসব প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। গাফিলতির কারণে এমনটা হয়েছে নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ যদি নিজ উদ্যোগে এ কাজ করে থাকেন, তাহলে এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’
আরও পড়ুন: আমরা কোনো রাজনীতিতে ঢুকতে চাই না: সিইসি
তিনি আরও বলেন, এনআইডি উইং থেকে ১৮২টি প্রতিষ্ঠান এই সেবা ব্যবহার করছে। এনআইডি সার্ভারের ডাটা ব্যবহারের একটা লিমিট থাকা উচিত।
আখতার আহমেদ বলেন, ১৮২টি সংস্থা নির্বাচন কমিশন থেকে এনআইডির তথ্য যাচাই করে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান তৃতীয় পক্ষকে এনআইডি ভেরিফিকেশন সেবা দিয়ে থাকে, যা চুক্তির শর্তের লঙ্ঘন।
তিনি বলেন, অংশীজনদের সঙ্গে তিন দিনব্যাপী এই মতবিনিময়ে একটি প্রতিষ্ঠানের কী পরিমাণ তথ্য প্রয়োজন এবং প্রয়োজনের তুলনায় তারা বেশি সুবিধা ব্যবহার করছে কিনা তা পর্যালোচনা করা হবে।
৩৩৫ দিন আগে
রোহিঙ্গারা অবৈধভাবে ভোটার হওয়ার চেষ্টা করছে: ইসি
মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে পালিয়ে এসে কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা দেশের বিভিন্ন স্থানের নির্বাচন অফিস থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলার নির্বাচন অফিসে রোহিঙ্গারা এনআইডি সংগ্রহের অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছেন। কিন্তু ভোটার তালিকা আইন ২০০৯ এর ৭ (১) (ক) অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হলে তাকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির কোনো সুযোগ নেই।
ইসি জানায়, বাংলাদেশের কিছু অসাধু ব্যক্তি বা দালালচক্র রোহিঙ্গাদের ভোটার বানানোর কাজে সহায়তা করছেন। এটি ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এবং জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।
বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে-জেলা, উপজেলার নির্বাচন অফিসগুলোতে কোনো রোহিঙ্গা বা অন্য কোনো বিদেশি নাগরিক জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংগ্রহের অপচেষ্টা করলে তার তথ্য নির্বাচন কমিশনের স্থানীয় উপজেলা, জেলা নির্বাচন অফিস, আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে জানানোর অনুরোধ জানিয়েছে ইসি।
এছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ০২-৫৫০০৭৬০০ নম্বরে ফোন করে, [email protected] এই ই-মেইলে, কল সেন্টার ১০৫ এ (টোল ফ্রি) করে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়াও ডাকযোগে- বরাবর সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, নির্বাচন ভবন, প্লট নং ই-১৪/জেড, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭ এ জানাতে বলা হয়েছে।
৪০৯ দিন আগে
ইসিতেই এনআইডি নিবন্ধনের কাজ রাখার দাবি কর্মকর্তাদের
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রম নির্বাচন কমিশন থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগে স্থানান্তরে বিগত আওয়ামী লীগের আমলে প্রণীত আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০২৩ বাতিলের দাবিতে মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠনটির মহাসচিব এবং ইসির জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মুহাম্মদ হাসানুজ্জামানের সই করা স্মারকলিপিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিজস্ব জনবল ব্যবহার করে গত ১৭ বছর ধরে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
কমিশন ২০০৭-২০০৮ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় জাতীয় ভোটার ডাটাবেজ তৈরির পর জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ অনুযায়ী নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করে আসছে।
যেহেতু ইসির জনবল নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়, তাই এতে বাড়তি কোনো খরচের প্রয়োজন হয় না।আরও পড়ুন: ভোটার উপস্থিতির যে কোনো সংখ্যাই গ্রহণযোগ্য: নির্বাচন কমিশনার আলমগীর
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সারা দেশে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব অবকাঠামো, প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল রয়েছে।
কিন্তু বিগত সরকার সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক দল ও বিশেষজ্ঞদের মতামত উপেক্ষা করে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০২৩ প্রণয়ন করেছিল
ইসির কর্মকর্তারা তাদের স্মারকলিপিতে বলেন, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে রোল মডেল হিসেবে বিবেচনা করে জ্যামাইকা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, সেন্ট লুসিয়া এবং সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রানাডা দ্বীপপুঞ্জসহ বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশন সফলভাবে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তারা বলেন, নিবন্ধন কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্থানান্তর করা হলে তা অহেতুক বিতর্কের সৃষ্টি করবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজ নিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করবে।
সমস্যার কথা উল্লেখ করে তারা বলেন, আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, আইনি জটিলতা ও ভোটার তালিকার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, নাগরিকদের তথ্যের গোপনীয়তার সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হবে, নতুন অবকাঠামো স্থাপন ও জনবল নিয়োগে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থের অপচয় হবে এবং ডাটাবেজের সত্যতা নষ্ট হয়ে যাবে এবং ডেটার জন্য নিরাপত্তা হুমকি দেখা দেবে।
গত সেপ্টেম্বরে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০২৩ প্রণয়ন করা হলেও নিবন্ধন কার্যক্রম এখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হয়নি।
আরও পড়ুন: নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ বিষয়ে দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
৫০২ দিন আগে
১৪-১৮ বছর বয়সী নাগরিকরা এনআইডি ছাড়াই এমএফএস অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে: বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ছাড়াই ১৪-১৮ বছর বয়সী তরুণদের মোবাইল ফিনান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট (এমএফএস ) খোলার সুযোগ দিয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব পেমেন্ট সিস্টেম মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে, তা তাৎক্ষণিক বাস্তবায়নের জন্য মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডারদের কাছে পাঠিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৪-১৮ বছর বয়সী ব্যক্তি তার নিজের এনআইডি ছাড়াই বাবা-মায়ের গ্যারান্টির মাধ্যমে এমএফএস অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে।
তবে, অ্যাকাউন্ট খুলতে আগ্রহী ব্যক্তি ও বাবা-মা উভয়কেই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
এমএফএস অ্যাকাউন্ট খোলার সময় আবেদনকারীর বাবা-মা/অভিভাবককে অবশ্যই তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং ইচ্ছুক ব্যক্তির জন্ম শংসাপত্র দিতে হবে।
আরও পড়ুন: শিগগিরই এসক্রো বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক
অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বাবা-মায়ের এমএফএস অ্যাকাউন্ট বাধ্যতামূলকভাবে একটি লিঙ্কযুক্ত এমএফএস অ্যাকাউন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
বাবা-মা বা অভিভাবকদের এমএফএস অ্যাকাউন্টের সত্যতা নিশ্চিত করে এই অ্যাকাউন্টটি খোলা উচিত।
পিতামাতা বা আইনী অভিভাবকের সম্মতিতে এমএফএস অ্যাকাউন্ট খোলা উচিত। অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বাবা-মায়ের সম্মতি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, তাদের অবশ্যই তাদের মোবাইল ফোনে ওটিপি পাঠাতে হবে।
এছাড়াও, এই অ্যাকাউন্টগুলোতে লেনদেনের ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টধারীর মোবাইল ফোন নম্বরে বার্তাগুলো পাঠানো হয়েছে তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সময়ে, লেনদেনের তথ্য অভিভাবকদের জানাতে হবে।
আরও পড়ুন: ডলারের বিনিময় হার না বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও আবারও বেড়েছে
সর্বোচ্চ ১ বছরের জন্য ডলার বুকিং নীতি চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
৮৩১ দিন আগে
এনআইডি সার্ভার কখন চালু হবে তা জানাল ইসি
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সার্ভার মঙ্গলবার সকাল থেকেই ডাউন রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ইনফরমেশন সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট উইং (এনআইডি) এর সহকারী প্রোগ্রামার আমিনুল ইসলাম বলেছেন, রক্ষণাবেক্ষণের কাজের কারণে আগামী বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা পর্যন্ত এনআইডি সার্ভারের পরিষেবা পাওয়া যাবে না।
এর আগে গত ১৬ আগস্ট একই কারণে এনআইডি সার্ভার ডাউন হয়েছিল।
আরও পড়ুন: এনআইডি সার্ভার নিরাপদ: ডিজি
ইসি প্রথমবারের মতো ২০০৭ সালে ছবিসহ একটি সমৃদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির কাজ শুরু করে। এরপর, ২০০৯, ২০১২, ২০১৪, ২০১৫, ২০১৭ এবং ২০১৯ সালে ভোটারদের ঘরে ঘরে পৌঁছানোর মাধ্যমে তথ্য হালনাগাদ করা হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ ভোটারদের তথ্য নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হয়।
আরও পড়ুন: বুধবার সকাল থেকে এনআইডি সার্ভার ডাউন: নির্বাচন কমিশন
৮৪৫ দিন আগে