হত্যা
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিজের স্ত্রী-সন্তানকে ‘জবাই করে হত্যা’
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী ও ৫ বছর বয়সী ছেলেকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাদের আরেক ছেলে গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি এ পলাতক রয়েছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এহেসামুল হকের (৩৭) স্ত্রী শহীদ নুর ওরফে সুফিয়া (৩০) এবং শিশু সন্তান মোহাম্মদ শামীম (৫)। এ ঘটনায় আহত হয়েছে তাদের বড় ছেলে মোহাম্মদ আফছার ওরফে বাপ্পী (১৪)।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ হুসাইন জানান, গতকাল (বুধবার) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পারিবারিক কলহের জেরে রোহিঙ্গা এহেসামুল হক ও তার স্ত্রী শহীদ নুর ওরফে সুফিয়ার মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে এহেসামুল হক ধারালো দা দিয়ে তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে শামীম ও বাপ্পীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার স্ত্রী ও ছোট ছেলে নিহত হয়।
গুরুতর আহত বড় ছেলে বাপ্পীকে স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত এহেসামুল হক পালিয়ে গেছেন বলে জানান তিনি।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, বুধবার দিবাগত রাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একই পরিবারের দুই সদস্য নিহতের ঘটনায় মরদেহ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারের পরে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
১০ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহে শিশু নিছামনি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় চাঞ্চল্যকর পাঁচ বছরের শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও নদীতে ফেলে হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে তাদের দুই লাখ টাকা করে জরিমানা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক সুদীপ্তা সরকার এই রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— আরিফ, রাকিব ও সিয়াম। এই মামলায় অপ্রাপ্তবয়স্ক অপর আসামি মারুফকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের টাঙ্গাহাটি গ্রামের তাজু মিয়ার মেয়ে শিশু নিছামনিকে ধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। পরদিন ১৫ জুন নিছামনির বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) বজলুল করিম চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে মামলার মাত্র ৯ দিনে ৪ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঘটনার ২৫ দিনের মধ্যে আদালত তিন আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, রায়ে নিছামনির বাবা-মা সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন। তারা এই রায় কার্যকর করতে সরকারের কাছে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানান।
নিছামনির মা বলেন, ‘এই রায় দ্রুত কার্যকর হলে আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে। আমার মতো আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়।’
বাবা তাজু মিয়া বলেন, আমার মেয়ের বয়স ছিল ৪ বছর ৭ মাস। এই বয়সের একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যার পর পানিতে ফেলে দেয়। এই ঘটনা যে শুনেছে, সে-ই কেঁদেছে। আমি দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই এবং সরকার যেন এই রায় দ্রুত কার্যকর করে, সেই দাবি জানাই।
তবে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন সরকার।
১০ ঘণ্টা আগে
বগুড়ায় রাইস মিলমালিককে হত্যা করে ‘বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার লুট’
বগুড়ার শিবগঞ্জে মোহাম্মদ আলী (৭০) নামে এক রাইস মিলমালিককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর তারা মিল থেকে তিনটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (৫ জুলাই) রাতে উপজেলার ফেনিগ্রাম ফুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোহাম্মদ আলী উপজেলার ফেনিগ্রাম পূর্বপাড়া এলাকার মৃত কছিরউদ্দীনের ছেলে।
জানা গেছে, গতকাল (রবিবার) রাতে মোহাম্মদ আলী নিজের রাইস মিলে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা মিলের পেছনের দিক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তাকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। এ সময় মিলে থাকা তিনটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার লুট করে নিয়ে যায় তারা।
আজ (সোমবার) সকালে মোহাম্মদ আলী বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার রাইস মিলে যান। সেখানে গিয়ে তারা বিছানায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
৩ দিন আগে
ময়মনসিংহে যুবককে জবাই করে হত্যার অভিযোগ, আটক ২
ময়মনসিংহ নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোডের ছত্রিশ বাড়ী কলোনি এলাকায় রুবেল (৩৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রামকৃষ্ণ মিশন রোডের ছত্রিশ বাড়ী কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ সুপারসহ পুলিশের বিভিন্ন সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
নিহত যুবকের নাম মিজানুর রহমান রুবেল ওরফে কাইল্যা রুবেল। তিনি ওই এলাকায় মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আজ (রবিবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রুবেল নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোডের ছত্রিশ বাড়ী কলোনির একটি ভাড়া বাসায় তার নিজ ঘরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার ঘরে ঢুকে প্রথমে বাঁশ দিয়ে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। একপর্যায়ে তারা তাকে জবাই করে ঘরের ভেতর ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা রুবেলকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরে এই ঘটনাটি ঘটতে পারে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করা হয়েছে। প্রকৃত হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যহত আছে।
৪ দিন আগে
পটুয়াখালীতে পিতাকে ‘হত্যা’, ছেলে আটক
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘুমন্ত অবস্থায় শিল-পাটার আঘাতে বাবা উত্তম দেবনাথকে (৬০) হত্যা করার অভিযোগে ছেলে তাপস দেবনাথকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার দেউলি সুবিদখালী ইউনিয়নের পূর্ব সুবিদখালী (লঞ্চঘাট এলাকা) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত উত্তম পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে খাবার খেয়ে উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস নিজ ঘরে ও উত্তম দেবনাথের স্ত্রী কানন দেবনাথ ঘরের পেছনের বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন। আজ ভোর ৪টার দিকে তাপস ঘুম থেকে উঠে ঘরে থাকা শিল-পাটা দিয়ে উত্তম দেবনাথের কপালের ডান পাশের ভ্রুর ওপর আঘাত করেন।
এ সময় উত্তম চিৎকার করলে তার স্ত্রী ঘরে গিয়ে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান এবং চিৎকার দেন। পরে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দেখেন উত্তম তিনি সেখানে পড়ে রয়েছেন। এ সময় তারা উত্তমের কপালের ডান পাশে ভ্রুর ওপর রক্তাক্ত জখম দেখতে পান।
পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মোশারেফ হোসেন থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ সকাল ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় অভিযুক্ত তাপসকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশ।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে তাপসকে আটক করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে নিখোঁজের এক দিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিখোঁজের এক দিন পর মো. মোতালেব হোসেন (৬১) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকার জামতলা হাজী ব্রাদার্স রোডের এমপি গলি-সংলগ্ন সড়কের পাশ থেকে লেপ-তোশকে মোড়ানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মোতালেব হোসেন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার শিবপুর এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফতুল্লার মাসদাইর গোরস্থান এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি মাসদাইর বাজারে একটি লাইব্রেরি ও বিকাশ এজেন্টের ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাত থেকে মোতালেব হোসেন নিখোঁজ ছিলেন। পরে তার স্বজনরা ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এরপর আজ বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয়রা সড়কের পাশে লেপ-তোশকে মোড়ানো একটি মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার রাতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ছাড়া শ্বাসরোধের পাশাপাশি গরম পানির ছ্যাঁকা দেওয়ারও আলামত পাওয়া গেছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
৭ দিন আগে
ইতালিতে নোয়াখালীর একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা
ইতালির রোমে নিজ বাসায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় একজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নিহতরা সবাই নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে রাজধানী রোমের পার্শ্ববর্তী এলাকা কাসালোত্তির ভিয়া মন্তিলিওর একটি অ্যাপার্টমেন্টে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহতরা হলেন— কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল (৪৫), তার স্ত্রী আরজু বেগম (৪০) এবং তাদের মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা (৫)।
এ ঘটনায় ছেলে আমির হোসেন অয়ন (২০) আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় জেমেলি পলিক্লিনিক হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত কামাল উদ্দিন বাবুলের আত্মীয় আফনান হোসেন নাইম জানান, শুক্রবার ইতালির স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত বাবুলের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায়। সে সময় ঘরে থাকা বাবুল, তার স্ত্রী ও মেয়েকে লক্ষ্য করে তারা ছুরিকাঘাত করে। ঐ মুহূর্তে ছেলে অয়ন বাইরে থেকে ঘরে ফিরছিলেন। কক্ষে প্রবেশ করার সময় বিষয়টি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে দুর্বৃত্তরা অয়নকেও কুপিয়ে জখম করে। পরে অয়নের চিৎকারে আশপাশের লোকজন বের হয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা বাবুলসহ চারজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং অয়নকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
নিহত কামাল উদ্দিনের বাবা সিরাজুল ইসলাম জানান, আমার ছেলে পরিবারের আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল করার জন্য বছর ১৫ আগে ইতালি পাড়ি জমান। দেড় বছর আগে বাবুল দেশে আসেন এবং তার স্ত্রী, এবং ছেলেমেয়েকে তার সঙ্গে ইতালি নিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, বছরখানেক আগে তার গ্রামের বাড়িতে বসতঘরের সামনে লাল বাহিনী পরিচয়ে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। সেখানে লক্ষাধিক টাকা চাঁদার দাবি করা হয়। চাঁদা পরিশোধ না করলে কামালকে হত্যা ও তার পরিবারের ক্ষতি করার হুমকির কথা উল্লেখ করা হয় চিরকুটে। এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কোম্পানিগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তবে এ হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তিনি সুনিশ্চিত করে এই মুহূর্তে কাউকে দায়ী করেননি এবং অন্যকোনো ধারণাও পোষণ করছেন না।
এ হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে নিহতের গ্রামের পরিবার, বাড়িসহ স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে দাবি করা হয়েছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরত আনাসহ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে তাদের শাস্তি দেওয়া হোক।
রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হতাহতদের পরিবার ও সেখানকার বাঙালি কমিউনিটির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে।
১২ দিন আগে
সাইপ্রাসে হত্যার পর পাতা দিয়ে ঢেকে রাখে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ
প্রবাসে লেখাপড়া করতে গিয়ে হত্যার শিকার হন রায়পুরার যুবক শাহরিয়ার আহমেদ ওরফে ইমন (২২)। হত্যার পর তার মরদেহ গুম করার চেষ্টা করে অপহরণকারী।
দীর্ঘ দশ দিন পর শাহরিয়ার আহমেদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে রবিবার (২১ জুন) শাহীন বাবু (২২) নামে এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে সাইপ্রাস পুলিশ।
নিহতের স্বজনরা জানান, শাহীনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওখানকার একটি জঙ্গলের ভেতর পাতা দিয়ে ঢেকে রাখা শাহরিয়ারের মরদেহ ও হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত শাহরিয়ার আহমেদ নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার উত্তরবাখরনগর ইউনিয়নের লোচনপুর গ্রামের গ্রিসপ্রবাসী নাসির মিয়ার ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে শাহরিয়ার সবার বড়।
তিন মাস আগে শিক্ষার্থী ভিসায় ভূমধ্যসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসে যান তিনি। সাইপ্রাসের লারনাকার ওরোক্লিনি এলাকায় তিনি বসবাস করতেন। সেখানে তার রুমমেট ছিল তারই গ্রামের প্রতিবেশী রায়হান।
শাহরিয়ারের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ঈদুল ফিতরের কয়েকদিন আগে শাহরিয়ার শিক্ষার্থী ভিসায় সাইপ্রাসে যান। বিদেশে যাবার আগেই অনলাইনে সেখানকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে যাওয়ার পর তার খরচ হিসেবে পরিবার থেকে প্রতি মাসে ৫০-৬০ হাজার টাকা পাঠাতে হতো। পরিবারের ওপর চাপ কমাতেই শাহরিয়ার কাজের সন্ধান করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি কাজও পান।
গত ১১ জুন বিকেলে তার মায়ের সঙ্গে কথা বলে শাহরিয়ার জানিয়েছিলেন, ‘কাজের ব্যবস্থা হয়েছে। আজ রাত থেকে ডিউটি শুরু। দোয়া কইরো।’
কাজ পাওয়ার কথাটি তার প্রবাসী বাবা ও তার রুমমেট রায়হান মিয়াকেও জানান তিনি। রায়হান তাকে বলেছিলেন, ‘সেখানে গিয়ে লোকেশন পাঠাস, যাতে কোনো প্রয়োজন হলে যেন যোগাযোগ করা যায় সহজে। পরে স্থানীয় সময় রাত ৯টায় কর্মস্থলে পৌঁছে রায়হানের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে লোকেশন পাঠান শাহরিয়ার। কিছুক্ষণ পর রায়হান ফিরতি মেসেজে ‘ওকে’ লিখলেও তা আর দেখেননি শাহরিয়ার।
এরপর রাত ১০টার দিকে শাহরিয়ারের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকেই বাবা নাসির মিয়ার কাছে একটি বার্তা (মেসেজ) পাঠানো হয়। তাতে লেখা ছিল, ‘আপনার ছেলেকে কিডন্যাপ করেছি। ছেলেকে ফিরে পেতে চাইলে ৩৫ হাজার ইউরো দিতে হবে (বাংলাদেশি মূদ্রায় যা প্রায় ৫০ লাখ টাকা)। যদি দেন ছেলেকে ফিরে পাবেন, না দিলে তার চোখ ও কিডনি খুলে বিক্রি করে দেব।’
রাতেই শাহরিয়ারের বাবা পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানান। তবে সবাই ভেবেছিল, হয়তো শাহরিয়ারের হোয়াটসঅ্যাপ আইডিটি ‘হ্যাক’ হয়েছে।
পরদিন ১২ জুন সকালে কাজ থেকে আর ফিরে আসেননি শাহরিয়ার। এরপরই রায়হান ওখানকার স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে গিয়ে রিপোর্ট করেন। পরে পুলিশের সঙ্গে ওই লোকেশনে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ২৪ ঘণ্টাই অনলাইনে সচল ছিল শাহরিয়ারের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর। প্রতিদিনই পরিবারের কাছে মুক্তিপণের টাকা চাওয়া হচ্ছিল।
শাহরিয়ারের ভাই নয়ন আহমেদ জানান, শাহরিয়ারের কোনো খোঁজ না পেয়ে একপর্যায়ে আমরা মুক্তিপণের টাকা পাঠাতে রাজি হই এবং অপহরণকারীদের সঙ্গে দর কষাকষির মাধ্যমে বাংলাদেশি পাঁচ লাখ টাকায় চুক্তি হয়। পরে রবিবার (২১ জুন) দুপুরে চুক্তি অনুযায়ী টাকা পাঠাতে ব্যাংকে যাই। ওখানে গিয়ে ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়ে টাকা পাঠাবার সিদ্ধান্ত নেই এবং অপহরণকারী কাছে থাকা আমার ভাইয়ের মোবাইল ফোন দিয়ে ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে চাই। কিন্তু অপহরণকারীদের কথাবার্তায় আচার-আচরণে সন্দেহ হলে টাকা না দিয়ে বাড়ি ফিরি।
একপর্যায়ে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরটি অফলাইনে চলে যায়। ওই দিন রাতেই জানতে পারি, সাইপ্রাস পুলিশ শাহীন বাবু নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওখানকার একটি জঙ্গল থেকে পাতা দিয়ে ঢাকা আমার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে গ্রেপ্তার ওই তরুণ শাহীন বাবুর বাড়ি বাংলাদেশের কোন এলাকায়, তা নিশ্চিত করেনি পুলিশ।
রায়পুরার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা বলেন, সাইপ্রাসে এক শিক্ষার্থী অপহরণের পর হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। সে ঘটনায় এক বাংলাদেশিকে ওখানকার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে শুনেছি। তবে বিষয়টি সাইপ্রাসের দূতাবাস থেকে এ পর্যন্ত আমাদের অফিশিয়ালি জানানো হয়নি। নিহত তরুণের পরিবারের পক্ষ থেকেও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। তারা যদি সহযোগিতা চায়, মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৬ দিন আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, গ্রেপ্তার ১
চট্টগ্রামের রাউজানের পাহাড়তলীতে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে হত্যার ঘটনায় অন্যতম হোতা মো. আইয়ুবকে (৪৫) রাঙামাটি থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
শনিবার (২০ জুন) ভোরে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের হাজীপাড়া এলাকার শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আইয়ুব রাউজানের কদলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কদলপুর সমশের পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব জানান, একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রামে নিয়ে গেছে র্যারের টিম ।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৭-এর মিডিয়া সেল জানায়, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
স্থানীয়রা জানান, গত ১৩ জুন দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে রাঙ্গুনিয়ার যুবদল নেতা মাসুদকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের পর রাউজান-রাঙ্গুনিয়ার জনসাধারণ বিক্ষোভে নামেন। এ ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সরাসরি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরপর থেকে সন্ত্রাসীরা গাঁ ঢাকা দেয়।
তথ্য প্রযুক্তি ও সোর্সের মাধ্যমে র্যাব জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের অন্যতম হোতা আইয়ুব রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে তার নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন। অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর রবিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন র্যাব সদস্যরা।
মাসুদুল হক চৌধুরীকে হত্যার ঘটনায় ঘটনায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাউজান থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। গত ১৫ জুন রাত ১২টার দিকে নিহতের বড় ভাই মুহাম্মদ পিয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বাদী হয়ে রাউজান থানায় এ মামলা করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহত মাসুদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান পিয়ারুল ইসলাম চৌধুরী স্বপনের ছোট ভাই এবং বেতাগী এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান মৃত খালেদ চৌধুরীর ছেলে।
১৮ দিন আগে
দ্রুত সময়ের মধ্যে নন্দিনী হত্যার বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে চার্জশিট দিয়ে নন্দিনী হত্যা মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে নন্দিনীর বাড়িতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাজেট অধিবেশন থেকে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন শিশু নন্দিনীর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এবং যত ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন তা করতে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জেলার তিনজন সংসদ সদস্য ও জেলা শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এসেছি।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যতদূর শুনেছি, গ্রেপ্তার ব্যক্তি হত্যার দায় স্বীকার করেছে। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা রয়েছে, তা সম্পন্ন করে চার্জশিট দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ হত্যা মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে। যারা এতটুকু একটি ছোট শিশুকে হত্যা করতে পারে, তারা মানুষ নয়, নরপিশাচ। তাদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যাতে তা উদাহরণ হয়ে থাকে, এমন কাজে আর কেউ যেন যুক্ত হতে সাহস না পায়।
তিনি বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং আমাদের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসেছিলেন। তারা আসামিকে গ্রেপ্তার করে শান্তিপূর্ণভাবে ফিরছিলেন। সেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ কার ইন্ধনে, কার উসকানিতে, কার প্ররোচনায় প্রশাসনকে আক্রমণ করা হলো—সেটিও পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়, তারা নিশ্চিন্তে বাড়িতে থাকবে। কিন্তু যারা অপরাধী, যারা প্রশাসনকে আক্রমণ করে মব সৃষ্টি করেছে, তারা অপরাধী। আমরা বলেছি, যারা এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত যারা, তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
গত মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেত থেকে সাত বছরের শিশু নন্দিনীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ মামলায় গ্রেপ্তার বিধান চন্দ্র দায় স্বীকার করেছেন। এ ঘটনার পর শিশু নন্দিনীর পরিবারের কাছে যান ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। মন্ত্রী শিশুটির পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন, সমবেদনা জানান এবং এ হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের প্রতিশ্রুতি দেন।
এ সময় লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক উপস্থিত ছিলেন।
২১ দিন আগে