ভ্রাম্যমাণ আদালত
এলপিজি সংকট কৃত্রিম, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস-এলপিজির পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও খুচরা বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ অবস্থাকে ‘কৃত্রিম সংকট’ আখ্যা দিয়ে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লক্ষ করা যাচ্ছে খুচরা পর্যায়ে এলপিজির বাজার স্বাভাবিকের চেয়ে ঊর্ধ্বমুখী। বিষয়টি লক্ষ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট বিভাগের সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে পরিস্থিতি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।
গতকাল (রবিবার) বিকেল ৩টায় এলপিজির বাজার স্বাভাবিক করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এলপিজি অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে জ্বালানি বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে চলমান এলপিজি সংকট বিষয়ে আলোচনায় পর্যবেক্ষণ গুলো তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে এলপিজি গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারা বাজারে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। যদিও বিশ্ব বাজারে মূল্য বৃদ্ধি এবং জাহাজ সংকট ও কিছু কিছু কার্গোর (জাহাজ) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় আমদানি পর্যায়েও কিছু সংকট তৈরি হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায়, গত নভেম্বর মাসে এলপিজির আমদানির পরিমাণ ছিল এক লাখ ৫ হাজার টন। অথচ ডিসেম্বর মাসে আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে এক লাখ ২৭ হাজার টন। অর্থাৎ আমদানি বৃদ্ধি হলেও বাজারে এলপি গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার কোনো যুক্তিসংগত কারণ নেই বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
সভায় জানানো হয়, দেশের প্রায় ৯৮ ভাগ এলপিজির চাহিদা বেসরকারি খাতের আমদানিকারকদের মাধ্যমে পূরণ করা হয়। তবে বিভিন্ন বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৩২টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ১৫টি কোম্পানি ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ লাখ ৫৮ হাজার ১৫২ দশমিক ৪৫ টন এলএনজি আমদানি করতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এ মাসে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি করতে পারে জেনে খুচরা বিক্রেতারা এ সংকট তৈরি করেছে বলে এলপিজি অ্যাসোসিয়েশনের নেতা ও আমদানিকারকরা জানিয়েছেন।
গতকাল সন্ধ্যায় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ থেকে ১ হাজার ৩০৬ টাকায় বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ইতোমধ্যে গ্রিন ফুয়েল বিবেচনায় অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে উত্থাপিত কিছু দাবির (এলসি সহজীকরণ, আরোপিত ভ্যাট হ্রাস করা ইত্যাদি) বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দাবি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এলপিজি অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সভায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত তুলে ধরে বলা হয়, এলপিজি অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বাজারে সৃষ্ট কৃত্রিম সংকটের বিষয়ে বিবৃতি প্রদান করবে।
তাছাড়া, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপের ফলে এলপিজির দাম দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
১ দিন আগে
পঞ্চগড়ে পশুর হাটে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগে ইজারাদারকে জরিমানা
পঞ্চগড়ের বোদায় পশু ক্রয়-বিক্রয়ে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগে এক হাট ইজারাদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (৩১ মে) বিকালে উপজেলায় পৌরসভার নগরকুমারী পশুর হাটে এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বোদা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম ফূয়াদ।
অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বোদা ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জাহিদ আল মাসুদ, বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন, থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত ফি দিয়ে পশু বিক্রির নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ বিক্রেতার সেই অনুমতি ছিল না। এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, আর সেই সুযোগে ইজারাদার অতিরিক্ত ২০০ টাকা করে আদায় করছিলেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে হাটে অভিযান চালানো হয় এবং প্রায় ৫০ জনের অভিযোগ শোনা হয়। এতে ইজারাদারের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে অপরিপক্ব আম বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীদের জরিমানা
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত নগরকুমারী পশুর হাটের ইজারাদার শাহানারা বেগমকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম ফূয়াদ। হাট ইজারাদারের পক্ষ থেকে আদালতে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করা হয়। একইসঙ্গে তাকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।
অতিরিক্ত ফি আদায় হওয়া ক্রেতাদের অর্থও পরবর্তীতে ফেরত দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম ফূয়াদ বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি এবং অভিযোগের সত্যতা মেলায় জরিমানা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
২১৯ দিন আগে
চাঁদপুরে চার ইটভাটাকে ১৭ লাখ টাকা জরিমানা
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে চার ইটভাটা মালিককে ১৭ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের পাশে বড়কুল র্পূব ইউনিয়নের রায়চোঁ এলাকায় থাকা এসব ইটভাটায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক র্কাযালয়ের নির্বাহী হাকিম ও জোষ্ঠ সহকারী কমিশনার আমজাদ হোসেন।
এ সময় মেসার্স সেলিম ব্রিকসকে চার লাখ টাকা, মের্সাস অনি ব্রিকসকে চার লাখ টাকা, মের্সাস মার্ক ব্রিকসকে চার লাখ টাকা এবং মের্সাস রণি ব্রিকসকে পাঁচ লাখ টাকা লাখ টাকাসহ মোট ১৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে ৪ ইটভাটায় ৫ লাখ টাকা জরিমানা
পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুরের উপ-পরিচালক মো মিজানুর রহমান এসব তথ্য ইউএনবিকে নিশ্চিত করে বলেন, ইট প্রস্তুত ও ভাটা নিয়ন্ত্রন আইন- ২০১৩ এর ধারা লঙ্ঘন করে ইটভাটা পরিচালনা করার দায়ে এসব ব্রিকস ফিল্ডসদের জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে চাঁদপুর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হান্নান মিয়া ও পরিদর্শক শারমিতা আহমেদ লিয়া, যৌথ বাহিনীর সদস্য, পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: শেরপুরে ৮ ইটভাটাকে ৪৭ লাখ টাকা জরিমানা
৩৩৫ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে ৩ হাসপাতাল মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের যৌথ অভিযানে তিনটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া সুলতানা কেয়ার ভ্রাম্যমাণ আদালত এই জরিমানা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জান গেছে, রবিবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বেলকুচি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনী, এনএসআই, সিভিল সার্জন অফিস ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান চালায়।
এ অভিযান চলাকালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা, সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না করা, স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি বেশি রাখা ও কাগজপত্র সঠিক না থাকার অপরাধে বেলকুচি পৌর এলাকার চালা মহল্লার ঢাকা জেনারেল হাসপাতালকে এক লাখ টাকা, মুকুন্দগাঁতী বাজারের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা ও বেলকুচি প্রাইভেট হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় এনএসআই’র যুগ্ম পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সেনাবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত ক্যাম্প কমান্ডার, উপপরিচালক নাসির উদ্দিন, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৪৩৫ দিন আগে
সাংবাদিককে দণ্ড: তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে অগ্রগতি জানালেন প্রধান তথ্য কমিশনার
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাংবাদিক শফিউর রহমান রানাকে কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনার অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে জানিয়েছেন প্রধান তথ্য কমিশনার।
সোমবার (১৮ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে তার দপ্তরে গিয়ে মন্ত্রীকে এসব জানান প্রধান তথ্য কমিশনার ড. আবদুল মালেক।
ঘটনাটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দেওয়ায় তথ্য কমিশনকে এ সময় ধন্যবাদ জানান তথ্য প্রতিমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য আইন ও নিয়ম-নীতি দরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
শফিউর রহমান দৈনিক দেশ রূপান্তরের শেরপুরের নকলা উপজেলা সংবাদদাতা।
প্রধান তথ্য কমিশনারের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যম ও পেশাদার সাংবাদিকদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় যেকোনো পেশাদার সাংবাদিকের অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানির বিপক্ষে এবং পেশাদার সাংবাদিকদের সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার আছে। সরকারের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তথ্য অধিকার আইন করেছেন। এ আইনের আওতায় জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক অনুসন্ধান প্রতিবেদন এরইমধ্যে কমিশনে দাখিল করেছেন মর্মেও প্রতিমন্ত্রীকে জানান প্রধান তথ্য কমিশনার।
মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট উভয়পক্ষকে তথ্য কমিশনে সমন করা হবে বলেও প্রতিমন্ত্রীকে জানান প্রধান তথ্য কমিশনার।
এ সময় তিনি তথ্য কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কেও প্রতিমন্ত্রীকে জানান। তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক ও তথ্য কমিশনার মাসুদা ভাট্টি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শফিউর রহমান রানাকে কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় গত ৭ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকের প্রথম পৃষ্ঠায় ‘তথ্য চেয়ে আবেদন করে দেশ রূপান্তরের সাংবাদিক জেলে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয। এর পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ২৫(৫) ধারা অনুযায়ী ঘটনাটি তদন্তের জন্য তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুককে দায়িত্ব দেয় তথ্য কমিশন।
সাংবাদিককে কারাদণ্ড দেওয়ার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আমলে নিয়ে তথ্য এ বিষয়ে প্রধান তথ্য কমিশনারের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের উপর জোর দেন। প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেছেন।
ওই ঘটনা অনুসন্ধানের জন্য তথ্য কমিশনার গত ১০ মার্চ সকালে শেরপুর জেলা কারাগারে গিয়ে সাংবাদিক শফিউজ্জামান রানার সঙ্গে কথা বলেন এবং তার বক্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
এদিন দুপুরে তিনি নকলায় সাংবাদিক রানার বাসায় গিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেন। একইদিন বিকালে তথ্য কমিশনার নকলা গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া উম্মুল বানিনের সঙ্গে সাংবাদিকের আবেদনের বিষয়ে কথা বলেন ও সাজার নথি দেখেন।
আরও পড়ুন: 'জিম্মি নাবিক ও জাহাজ বিষয়ে সংবাদ প্রচারে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
কুষ্টিয়ায় চাচার কবরের পাশে সাংবাদিক বৃষ্টির দাফন
৬৫৯ দিন আগে
সাংবাদিককে কারাদণ্ডের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে জোর তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দৈনিক দেশ রুপান্তরের শেরপুর জেলার নকলা উপজেলা সংবাদদাতা শফিউর রহমান রানাকে কারাদণ্ড প্রদানের ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তে জোর দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে প্রধান তথ্য কমিশনার মো. আব্দুল মালেকের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিষয়টির খোঁজ-খবর নেন। এ সময় ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের ওপর জোর তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন।
আরও পড়ুন: চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদানে আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
প্রতিমন্ত্রী ঘটনাটির খোঁজ নিলে প্রধান তথ্য কমিশনার প্রতিমন্ত্রীকে জানান, তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী উক্ত বিষয়ে তদন্তের জন্য তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক ১০ মার্চ শেরপুর জেলার নকলা উপজেলা ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় যাবেন।
সোমবার (১১ মার্চ) তথ্য কমিশনে তার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন প্রধান তথ্য কমিশনার।
আরও পড়ুন: ৭ মার্চের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
গত ৭ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকের প্রথম পৃষ্ঠায় ‘তথ্য চেয়ে আবেদন করে দেশ রূপান্তরের সাংবাদিক জেলে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে তথ্য কমিশন থেকে তথ্য অধিকার আইনের ২৫(৫) ধারা অনুযায়ী বিষয়টি তদন্তের জন্য তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুককে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার সংবাদদাতা শফিউজ্জামান রানা একই উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চেয়ে আবেদন করার কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে তার পরিবার অভিযোগ করেছে।
আরও পড়ুন: অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালগুলো স্ট্রিমলাইন করাচ্ছি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
৬৬৭ দিন আগে
নৌ দুর্ঘটনা রোধে বাল্কহেড নিয়ন্ত্রণসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জাতীয় কমিটির
নৌ দুর্ঘটনা রোধে বালুবাহী নৌযান (বাল্কহেড) চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ সব ধরনের অবৈধ নৌযানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর দাবি জানিয়েছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি। এজন্য সারা দেশে অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি হাজি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়সহ নৌপরিবহন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের প্রতি এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে সনদবিহীন চালককে (মাস্টার ও ড্রাইভার) শাস্তি প্রদানের পাশাপাশি অবৈধ চালক নিয়োগ দেওয়ায় নৌযান মালিককেও আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া জনস্বার্থে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশকেও এ কাজে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান নাগরিক সংগঠনটির নেতারা।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জে ট্রলারডুবি: বাল্কহেডের মালিক-চালকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
বাল্কহেডের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত নৌ দুর্ঘটনা ও যাত্রীবাহী নৌযান ডুবে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে বলা হয়, সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত বাল্কহেড চলাচল নিষিদ্ধ হলেও প্রশাসনের নাকের ডগায় রাতে শত শত বাল্কহেড চলাচল করছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বরাত দিয়ে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির নেতারা বলেন, নিবন্ধিত নৌযানের সংখ্যা ১৫ হাজার হলেও সারা দেশে বিভিন্ন ধরনের অন্তত ৮৫ হাজার নৌযান রয়েছে। এই ৭০ হাজার অবৈধ নৌযানের মধ্যে অন্তত ছয় হাজার রয়েছে বাল্কহেড।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিবন্ধিত ১৫ হাজার নৌযানের মধ্যে নিয়মিত বার্ষিক জরিপ (ফিটনেস পরীক্ষা) করা হয় মাত্র আট হাজারের। নিয়ন্ত্রক সংস্থা নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জ্ঞাতসারে অবশিষ্ট সাত হাজার ত্রুটিপূর্ণ নৌযান অবাধে চলাচল করছে।
কর্তৃপক্ষ সেগুলোর বিরুদ্ধে অদৃশ্য কারণে ব্যবস্থা না নেওয়ায় অহরহ দুর্ঘটনা ঘটছে।
জাতীয় কমিটি অবৈধ ও আইন অমান্যকারী নৌযান চলাচলের সুযোগ দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও নৌযান মালিককেও উপযুক্ত শাস্তি প্রদানের দাবি জানিয়েছে।
শনিবার রাতে মুন্সিগঞ্জে পদ্মা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবে আটজন এবং ১৭ জুলাই রাতে ঢাকার কেরাণীগঞ্জে তৈলপট্টিঘাটে বুড়িগঙ্গা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় ওয়াটারবাস ডুবে তিন যাত্রীর মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: বুড়িগঙ্গায় বাল্কহেডের ধাক্কায় ওয়াটার বাস ডুবে নিহত ৪
৮৮৩ দিন আগে
ডিএনসিসির মশক নিধন অভিযান: ২৩ প্রতিষ্ঠানকে ৩.৬৬ লাখ টাকা জরিমানা
এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ২৩ প্রতিষ্ঠানকে তিন লাখ ৬৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ ছাড়া এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে করপোরেশনের আওতাধীন ৭৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস, সচিবালয়, মসজিদ, কমিউনিটি সেন্টার, কবরস্থান, বাজার প্রভৃতি স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন: ডিএনসিসির মাসব্যাপী বিশেষ মশক নিধন অভিযান
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কলাবাগান, লেক সার্কাস, মতিঝিল, ফকিরাপুল, লালবাগ, ইমামগঞ্জ, চম্পাতলী, ওয়ারী, খিলগাঁও, মান্দা ও ডেমরা এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে মোট ২৯৯টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করা হয় এবং ২৩টি বাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় ৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন: ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া গুলশান শপিং সেন্টার সিলগালা ডিএনসিসির
ডিএনসিসির মশকবিরোধী অভিযান: দ্বিতীয় দিনে ৬ লাখ টাকার বেশি জরিমানা আদায়
৯০৭ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রীকে জোর করে বিয়ে, ‘বর’ ও ঘটককে কারাদণ্ড
কুষ্টিয়ার খোকসায় জোর করে বিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ নিয়ে গেল নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটকসহ ‘বরকে’ সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার সকালে ছাত্রীটিকে কুমারখালী উপজেলার ঘাসখাল গ্রামে নিয়ে গিয়ে বাল্যবিবাহের জন্য বাধ্য করা হয়।
শিক্ষার্থী মিনু উপজেলার শোমসপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বুজরুখ মির্জাপুর গ্রামের সোহেল হোসেনের মেয়ে ও বিলাজানি দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির মানবিক শাখার ছাত্রী।
জানা গেছে, বিয়ের পর বুধবার বিকালে বর নূর হোসেন (২৫), বিয়ের ঘটক রমজান আলী শেখসহ ছাত্রীটিকে তার বাবার বাড়ি নিয়ে আসেন বিয়ের প্রধান আয়োজক দাদা আলাউদ্দিন ওরফে জান ও দাদি রেশমা খাতুন। এক পর্যায়ে সন্ধ্যায় ছাত্রীটি প্রতিবেশি মামীকে সঙ্গে করে খোকসা থানায় গিয়ে হাজির হয়। রাতেই থানা পুলিশ ছাত্রীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নূর হোসেন ও দালাল রমজানকে আটক করে। এ সময় ছাত্রীর দাদি ও দাদা আত্মগোপন করে।
আরও পড়ুন: আরেকটি সাজানো নির্বাচন করতে সরকার পুলিশ ও জনপ্রশাসনে রদবদল শুরু করেছে: ফখরুল
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে মোবাইল কোর্ট বসিয়ে নূর হোসেনকে দুই সপ্তাহ ও রমজানকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। বৃহস্পতিবার দণ্ডপ্রাপ্তদের কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত নূর হোসেন কুমারখালী উপজেলার নন্দিগ্রাম-ঘাসখাল গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। রমজান একই উপজেলার গোপালপুর গ্রামের জামাল শেখের ছেলে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানায়, বাবা-মা’র ইচ্ছার বিরুদ্ধে দাদা-দাদি তাকে জোর করে ধরে নিয়ে গিয়ে বিয়ে দিয়েছে। বিয়ের দুই ঘন্টা পর বাড়ি ফিরিয়ে আনা হয়। এই সুযোগে সন্ধ্যায় সে থানায় গিয়ে হাজির হয়। ন্যায় বিচার পাওয়ায় সে খুশি।
ছাত্রীর মা নাজমা খাতুন বলেন, ঘটকের খপ্পরে পরে তার শ্বশুর-শাশুড়ি জোর করে মেয়েকে নিয়ে গিয়ে বিয়ে দিয়েছে। মেয়ে পড়তে চায়। বাবাও মেয়েকে পড়াতে চায়।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা হাবিুল্লাহ জানান, ছাত্রীটি তার কাছে আসার সঙ্গে সঙ্গে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ছাত্রী ও ছেলে পক্ষের কথা শুনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার বিশ্বাস জানান, ছাত্রীটির বাবা-মা বিয়েতে রাজি না। তিন্তু দাদা-দাদি আর ঘটক মিলে জোর করে তাকে বিয়ে দিয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের কথা শুনে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে সাজা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: টুকু ও আমানের সাজা বহাল হাইকোর্টে
ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে সাজাভোগের পর দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি
৯২৮ দিন আগে
আচরণবিধি লঙ্ঘন: বরিশালে ৬ কাউন্সিলর প্রার্থীকে অর্থদণ্ড
আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে বরিশালে ছয় কাউন্সিলর প্রার্থীকে ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশন।
মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল থেকে কয়েক দফায় এই জরিমানা করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।
আরও পড়ুন: হাজীগঞ্জে শিয়ালের মাংস বিক্রি করায় ২ ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড
ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে ছিলেন- এম রকিবুল হাসান, আবি আব্দুল্লাহ, মঈন উদ্দিন।
অর্থদণ্ড প্রাপ্ত কাউন্সিলরদের নাম তাৎক্ষণিক প্রকাশ করা হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে অর্থদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ১২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জাকির হোসেন ভুলুকে পাঁচ হাজার, ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী শেখ আনোয়ার হোসেনকে ২০ হাজার টাকা, ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী শাহিদ খান আজাদকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়া আরও তিন প্রার্থীকে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মঈন উদ্দিন জানান, আগে থেকেই প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। তারপরও যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে তাদের জরিমানা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রীদের স্কুলে যাওয়ার দৃশ্য ধারণ করে টিকটক ভিডিও তৈরি, যুবকের অর্থদণ্ড
ফরিদপুরে হত্যা মামলা: ৫ জনের যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড
৯৬৬ দিন আগে