ভ্রাম্যমাণ আদালত
নিরাপদ খাদ্য আইনে এক সপ্তাহে ৭ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
জনস্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সারা দেশে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। ৯ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত এক সপ্তাহে কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বাজার ও খাদ্য প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং কার্যক্রম, জনসচেতনতামূলক টেলিভিশন ও বেতার প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর যথাযথ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাজধানী ঢাকা, বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে (৯ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত) নিরাপদ খাদ্য আইনে ঢাকা মেট্রোপলিটনে মোট ৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানের মাধ্যমে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা ও তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, ঢাকা মেট্রোপলিটনের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায়ও ভ্রাম্যমাণ আদালত র্কাযক্রম চলমান রয়েছে। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুসারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার, ঢাকা ও মানিকগঞ্জে মোট ৪টি প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ৪টি মামলা করা হয়।
অর্থাৎ, ঢাকা মেট্রোপলিটন এবং বিভিন্ন জেলা মিলে মোট ৭টি প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ খাদ্য আইনে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও ৭টি মামলা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ কোর্টের পাশাপাশি খাদ্যস্থাপনা মনিটরিং কার্যক্রমও চলমান। বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান, খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে তদারকি জোরদার করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সারা দেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের জন্য ১৩০টি খাদ্যস্থাপনায় মনিটরিং করা হয়েছে।
এছাড়া, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় গত ১৪ আগস্ট ‘খোলা ভোজ্যতেল বিক্রয় বন্ধের লক্ষ্যে স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের ভূমিকা’ সংক্রান্ত একটি সেমিনার জয়পুরহাটে আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব আব্দুল বারী। এ সময় তিনি কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরি ভ্যানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ সময়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ট্রান্সফ্যাট-বিষয়ক বার্তা বাংলাদেশ টেলিভিশন ১৪ মিনিট এবং নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক ভিন্ন ভিন্ন তিনটি বার্তা বাংলাদেশ বেতারে ৩৫ মিনিট প্রচার করা হয়েছে।
এসব প্রচারণার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন এবং ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ছবি, রিলস ও ভিডিওর মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন বার্তা ব্যাপকভাবে প্রচার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপদতা ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঝুঁকি নিরূপণ এবং নীতিনির্ধারণে সহায়ক তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আইন প্রয়োগ, নিয়মিত মনিটরিং, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, গবেষণা, গণসচেতনতামূলক প্রচারণা এবং অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার, ব্যবসায়ী, উৎপাদক, ভোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষের এ ধরনের কার্যক্রম আরও ব্যাপক ও কার্যকরভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানান মো. শফিকুল ইসলাম।
২ দিন আগে
কুমিল্লায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হামলার চেষ্টা, যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড
কুমিল্লা নগরীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চলাকালে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে এক যুবককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে নগরীর মোগলটুলি ও ইসলামপুর রোড এলাকায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত এই দণ্ডাদেশ দেন। আদালত পরিচালনা করেন কুসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নগরীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ, যানজট নিরসন এবং জনসাধারণের চলাচলের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আজ মোগলটুলি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছিল। অভিযান চলাকালে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার একপর্যায়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বাধা সৃষ্টি করেন। সে সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আচমকা কয়েকজন ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র, চাপাতি ও রামদা নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দিকে তেড়ে আসেন এবং হামলার চেষ্টা চালান।
এ ঘটনায় সেখানে চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ঘটনাস্থল থেকে একজনকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হন।
পরবর্তীতে সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও হামলার চেষ্টার প্রাথমিক সত্যতা মেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন অনুযায়ী ওই যুবককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডিত ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কুসিক প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা জানান, নগরবাসীর সুবিধার্থে অবৈধ দখল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কুসিকের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলা বা আইনি কাজে বাধা সৃষ্টির মতো ঘটনা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
৩ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় গরুর খামার ভাড়া নিয়ে বানানো হচ্ছিল নকল সিগারেট
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একটি নকল সিগারেট উৎপাদন কারখানার সন্ধান মিলেছে। গরুর খামার ভাড়া নিয়ে সেখানে নকল সিগারেট তৈরি করা হচ্ছিল। অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা মূল্যের নকল সিগারেট ও কাঁচামাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দৌলতপুর ইউনিয়নের গড়বাড়িয়া গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গড়বাড়িয়া গ্রামের আহসান হাবিব মাস্টারের একটি গরুর খামার ভাড়া নিয়ে গড়ে তোলা ওই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে অভিযানকালে কারখানার ভেতরে কাউকে পাওয়া যায়নি।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, জয়রামপুর গ্রামের আজিরুদ্দিন সরকারের ছেলে শাকিল আহমেদ ও বৈদ্যনাথতলা গ্রামের ইনসার আলীর ছেলে লোকমান হোসেন লিওন খামারটি ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে নকল সিগারেট তৈরি করে আসছিলেন।
অভিযানে মোট ২৫ লাখ ৫০ হাজার শলাকা নকল সিগারেট ও বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৬ লাখ টাকা মূল্যের ১২ লাখ শলাকা ‘ডার্বি’, ৮৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ১১ লাখ ৫০ হাজার শলাকা ‘রয়েলস’ ও ‘রয়েল নেক্সট’, ২০ লাখ টাকা মূল্যের ২ লাখ শলাকা ‘নেভি’ এবং ১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা মূল্যের ৩০ বস্তা (২১০০ কেজি) পচা তামাক রয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের সর্বমোট আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা।
অভিযানের বিষয়ে প্রদীপ কুমার দাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট ও নিম্নমানের তামাক উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা আগেই পালিয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে ও জনস্বাস্থ্যের হুমকিস্বরূপ এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে কারখানার মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত শাকিল আহমেদ ও লোকমান হোসেন লিওনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ম্যাজিস্ট্রেট।
৬ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তেল মজুদ রেখে বিক্রি না করায় ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জ্বালানি তেল মজুদ রেখে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি না করার অভিযোগে একটি ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের বড়দাদপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির মুন্সি। অভিযানে মেসার্স ব্রাদার্স অ্যান্ড সিস্টার্স ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে জ্বালানি তেল বিক্রি না করার প্রমাণ পাওয়া যায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির মুন্সি জানান, প্রতিষ্ঠানটি জ্বালানি তেল মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে অনিয়মে জড়িত ছিল। পাশাপাশি তারা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করেছে। এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ফিলিং স্টেশনটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জ্বালানি তেল বিক্রি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৪৪ দিন আগে
জ্বালানির বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামছে ভ্রাম্যমাণ আদালত
জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পরিবীক্ষণ শাখা থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব নাহিদা আক্তার তানিয়ার সই করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট যেন তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে মূলত তেলের অবৈধ মজুদ গড়ে তোলা বন্ধ করা, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি প্রতিহত করা এবং খোলা বাজারে তেল বিক্রি ও পাচার রোধে কড়া নজরদারির মাধ্যমে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে গত ৮ মার্চ একটি সূত্রের মাধ্যমে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই জনস্বার্থে এবং তেলের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে মাঠ প্রশাসনকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই নির্দেশের পর সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের তদারকিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বাজার মনিটরিং এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা শুরু করবেন। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, জনস্বার্থে এই কার্যক্রম দ্রুত কার্যকর করতে হবে।
১৬২ দিন আগে
এলপিজি সংকট কৃত্রিম, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস-এলপিজির পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও খুচরা বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ অবস্থাকে ‘কৃত্রিম সংকট’ আখ্যা দিয়ে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লক্ষ করা যাচ্ছে খুচরা পর্যায়ে এলপিজির বাজার স্বাভাবিকের চেয়ে ঊর্ধ্বমুখী। বিষয়টি লক্ষ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট বিভাগের সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে পরিস্থিতি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।
গতকাল (রবিবার) বিকেল ৩টায় এলপিজির বাজার স্বাভাবিক করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এলপিজি অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে জ্বালানি বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে চলমান এলপিজি সংকট বিষয়ে আলোচনায় পর্যবেক্ষণ গুলো তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে এলপিজি গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারা বাজারে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। যদিও বিশ্ব বাজারে মূল্য বৃদ্ধি এবং জাহাজ সংকট ও কিছু কিছু কার্গোর (জাহাজ) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় আমদানি পর্যায়েও কিছু সংকট তৈরি হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায়, গত নভেম্বর মাসে এলপিজির আমদানির পরিমাণ ছিল এক লাখ ৫ হাজার টন। অথচ ডিসেম্বর মাসে আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে এক লাখ ২৭ হাজার টন। অর্থাৎ আমদানি বৃদ্ধি হলেও বাজারে এলপি গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার কোনো যুক্তিসংগত কারণ নেই বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
সভায় জানানো হয়, দেশের প্রায় ৯৮ ভাগ এলপিজির চাহিদা বেসরকারি খাতের আমদানিকারকদের মাধ্যমে পূরণ করা হয়। তবে বিভিন্ন বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৩২টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ১৫টি কোম্পানি ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ লাখ ৫৮ হাজার ১৫২ দশমিক ৪৫ টন এলএনজি আমদানি করতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এ মাসে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি করতে পারে জেনে খুচরা বিক্রেতারা এ সংকট তৈরি করেছে বলে এলপিজি অ্যাসোসিয়েশনের নেতা ও আমদানিকারকরা জানিয়েছেন।
গতকাল সন্ধ্যায় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ থেকে ১ হাজার ৩০৬ টাকায় বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ইতোমধ্যে গ্রিন ফুয়েল বিবেচনায় অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে উত্থাপিত কিছু দাবির (এলসি সহজীকরণ, আরোপিত ভ্যাট হ্রাস করা ইত্যাদি) বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দাবি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এলপিজি অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সভায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত তুলে ধরে বলা হয়, এলপিজি অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বাজারে সৃষ্ট কৃত্রিম সংকটের বিষয়ে বিবৃতি প্রদান করবে।
তাছাড়া, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপের ফলে এলপিজির দাম দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
২২৬ দিন আগে
পঞ্চগড়ে পশুর হাটে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগে ইজারাদারকে জরিমানা
পঞ্চগড়ের বোদায় পশু ক্রয়-বিক্রয়ে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগে এক হাট ইজারাদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (৩১ মে) বিকালে উপজেলায় পৌরসভার নগরকুমারী পশুর হাটে এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বোদা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম ফূয়াদ।
অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বোদা ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জাহিদ আল মাসুদ, বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন, থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত ফি দিয়ে পশু বিক্রির নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ বিক্রেতার সেই অনুমতি ছিল না। এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, আর সেই সুযোগে ইজারাদার অতিরিক্ত ২০০ টাকা করে আদায় করছিলেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে হাটে অভিযান চালানো হয় এবং প্রায় ৫০ জনের অভিযোগ শোনা হয়। এতে ইজারাদারের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে অপরিপক্ব আম বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীদের জরিমানা
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত নগরকুমারী পশুর হাটের ইজারাদার শাহানারা বেগমকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম ফূয়াদ। হাট ইজারাদারের পক্ষ থেকে আদালতে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করা হয়। একইসঙ্গে তাকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।
অতিরিক্ত ফি আদায় হওয়া ক্রেতাদের অর্থও পরবর্তীতে ফেরত দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম ফূয়াদ বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি এবং অভিযোগের সত্যতা মেলায় জরিমানা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
৪৪৪ দিন আগে
চাঁদপুরে চার ইটভাটাকে ১৭ লাখ টাকা জরিমানা
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে চার ইটভাটা মালিককে ১৭ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের পাশে বড়কুল র্পূব ইউনিয়নের রায়চোঁ এলাকায় থাকা এসব ইটভাটায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক র্কাযালয়ের নির্বাহী হাকিম ও জোষ্ঠ সহকারী কমিশনার আমজাদ হোসেন।
এ সময় মেসার্স সেলিম ব্রিকসকে চার লাখ টাকা, মের্সাস অনি ব্রিকসকে চার লাখ টাকা, মের্সাস মার্ক ব্রিকসকে চার লাখ টাকা এবং মের্সাস রণি ব্রিকসকে পাঁচ লাখ টাকা লাখ টাকাসহ মোট ১৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে ৪ ইটভাটায় ৫ লাখ টাকা জরিমানা
পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুরের উপ-পরিচালক মো মিজানুর রহমান এসব তথ্য ইউএনবিকে নিশ্চিত করে বলেন, ইট প্রস্তুত ও ভাটা নিয়ন্ত্রন আইন- ২০১৩ এর ধারা লঙ্ঘন করে ইটভাটা পরিচালনা করার দায়ে এসব ব্রিকস ফিল্ডসদের জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে চাঁদপুর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হান্নান মিয়া ও পরিদর্শক শারমিতা আহমেদ লিয়া, যৌথ বাহিনীর সদস্য, পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: শেরপুরে ৮ ইটভাটাকে ৪৭ লাখ টাকা জরিমানা
৫৬০ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে ৩ হাসপাতাল মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের যৌথ অভিযানে তিনটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া সুলতানা কেয়ার ভ্রাম্যমাণ আদালত এই জরিমানা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জান গেছে, রবিবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বেলকুচি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনী, এনএসআই, সিভিল সার্জন অফিস ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান চালায়।
এ অভিযান চলাকালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা, সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না করা, স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি বেশি রাখা ও কাগজপত্র সঠিক না থাকার অপরাধে বেলকুচি পৌর এলাকার চালা মহল্লার ঢাকা জেনারেল হাসপাতালকে এক লাখ টাকা, মুকুন্দগাঁতী বাজারের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা ও বেলকুচি প্রাইভেট হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় এনএসআই’র যুগ্ম পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সেনাবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত ক্যাম্প কমান্ডার, উপপরিচালক নাসির উদ্দিন, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৬৬০ দিন আগে
সাংবাদিককে দণ্ড: তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে অগ্রগতি জানালেন প্রধান তথ্য কমিশনার
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাংবাদিক শফিউর রহমান রানাকে কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনার অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে জানিয়েছেন প্রধান তথ্য কমিশনার।
সোমবার (১৮ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে তার দপ্তরে গিয়ে মন্ত্রীকে এসব জানান প্রধান তথ্য কমিশনার ড. আবদুল মালেক।
ঘটনাটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দেওয়ায় তথ্য কমিশনকে এ সময় ধন্যবাদ জানান তথ্য প্রতিমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য আইন ও নিয়ম-নীতি দরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
শফিউর রহমান দৈনিক দেশ রূপান্তরের শেরপুরের নকলা উপজেলা সংবাদদাতা।
প্রধান তথ্য কমিশনারের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যম ও পেশাদার সাংবাদিকদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় যেকোনো পেশাদার সাংবাদিকের অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানির বিপক্ষে এবং পেশাদার সাংবাদিকদের সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার আছে। সরকারের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তথ্য অধিকার আইন করেছেন। এ আইনের আওতায় জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক অনুসন্ধান প্রতিবেদন এরইমধ্যে কমিশনে দাখিল করেছেন মর্মেও প্রতিমন্ত্রীকে জানান প্রধান তথ্য কমিশনার।
মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট উভয়পক্ষকে তথ্য কমিশনে সমন করা হবে বলেও প্রতিমন্ত্রীকে জানান প্রধান তথ্য কমিশনার।
এ সময় তিনি তথ্য কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কেও প্রতিমন্ত্রীকে জানান। তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক ও তথ্য কমিশনার মাসুদা ভাট্টি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শফিউর রহমান রানাকে কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় গত ৭ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকের প্রথম পৃষ্ঠায় ‘তথ্য চেয়ে আবেদন করে দেশ রূপান্তরের সাংবাদিক জেলে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয। এর পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ২৫(৫) ধারা অনুযায়ী ঘটনাটি তদন্তের জন্য তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুককে দায়িত্ব দেয় তথ্য কমিশন।
সাংবাদিককে কারাদণ্ড দেওয়ার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আমলে নিয়ে তথ্য এ বিষয়ে প্রধান তথ্য কমিশনারের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের উপর জোর দেন। প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেছেন।
ওই ঘটনা অনুসন্ধানের জন্য তথ্য কমিশনার গত ১০ মার্চ সকালে শেরপুর জেলা কারাগারে গিয়ে সাংবাদিক শফিউজ্জামান রানার সঙ্গে কথা বলেন এবং তার বক্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
এদিন দুপুরে তিনি নকলায় সাংবাদিক রানার বাসায় গিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেন। একইদিন বিকালে তথ্য কমিশনার নকলা গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া উম্মুল বানিনের সঙ্গে সাংবাদিকের আবেদনের বিষয়ে কথা বলেন ও সাজার নথি দেখেন।
আরও পড়ুন: 'জিম্মি নাবিক ও জাহাজ বিষয়ে সংবাদ প্রচারে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
কুষ্টিয়ায় চাচার কবরের পাশে সাংবাদিক বৃষ্টির দাফন
৮৮৩ দিন আগে