অভিযান
পদ্মায় নৌ পুলিশের অভিযান, মা ইলিশ ও কারেন্ট জালসহ আটক ৭
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে মা ইলিশ শিকারের অভিযোগে সাত জেলেকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। এ সময় পাঁচ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ১০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ২টা থেকে সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত গোয়ালন্দের মজলিশপুর ও কলাবাগান এলাকার তিনটি পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে দৌলতদিয়া নৌ ফাঁড়ির পুলিশ তাদের আটক করে।
আটক জেলেরা হলেন ফরিদপুর সদর উপজেলার মেঝোমিয়ার ডাঙ্গি গ্রামের মো. রিপন খাঁন (৩৫) ও ইকরাম মৃধা (২৪), আছরউদ্দিন মুন্সির ডাঙ্গী গ্রামের শেখ আয়নাল (৫৭), তালেব খাঁর ডাঙ্গী গ্রামের মো. মিজান শেখ (২৭), আমিন ফকিরের ডাঙ্গী গ্রামের সোবহান শেখ (৩০) এবং রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার নইমুদ্দিন খাঁ পাড়ার জয় সরকার (২১) ও আব্দুর রহিম শেখ (১৯)।
দৌলতদিয়া নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ত্রিনাথ সাহা বলেন, মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে পদ্মা নদীতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মা ইলিশ শিকারের অভিযোগে সাত জেলেকে আটক করা হয়েছে। অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ১০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় মাদরাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জব্দ করা কারেন্ট জাল উন্মুক্ত স্থানে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৫৩
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩৫৩ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
রবিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম চালানো হয় বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। জেলার ১৮টি থানার পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এতে অংশ নেয়।
কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার যেসব থানা এলাকায় কিশোরদের দিয়ে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে, সেসব স্থানে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।
আটক ব্যক্তিরা অপরাধে জড়িত কি না, তা যাচাই করছে পুলিশ। যাচাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ আরও জানায়, কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযান চলাকালে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও নজরদারি করা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
৩ দিন আগে
চাঁদপুরের মাদক ও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ও গ্রেপ্তার ৯০
চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। এ সময় মোট ৯০ জনকে আটক ও গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি ৫১ পিস ইয়াবা ও ২৯৩ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ।
রবিবার (১১ অক্টোবর) জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিয়া নূর ইউএনবিকে এসব তথ্য জানান। এর আগে গতকাল (শনিবার) জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবনের অপরাধে আটজন ও ১১ পিস ইয়াবাসহ একজনকে আটক করে। পাশাপাশি ফরিদগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার ও ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ ২৩ গ্রাম গাঁজাসহ দুজনকে এবং মতলব উত্তর থানা পুলিশ ২৪ পিস ইয়াবা ও ২০ গ্রাম গাঁজাসহ দুজনকে আটক করে।
এছাড়া হাজীগঞ্জে পাঁচ পিস ইয়াবাসহ দুজন, শাহরাস্তিতে ছয় পিস ইয়াবাসহ দুজন এবং কচুয়ায় পাঁচ পিস ইয়াবা ও ১৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুজনকে আটক করা হয়।
আটক বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অন্যদিকে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে হাইমচরে একজন, ফরিদগঞ্জে ১৪ জন, মতলব উত্তরে আটজন, হাজীগঞ্জে ১৪ জন, শাহরাস্তিতে ১৭ জন ও কচুয়ায় ১৬ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। মাদকমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে তিনি সব স্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
৪ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ২৫২
কুমিল্লা জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২৫২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান চালানো হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের নির্দেশনায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত রয়েছে, এমন বিভিন্ন স্থানকে অভিযানের আওতায় আনা হয়। এতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. লুৎফর রহমান জানান, আটকদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে অভিযানের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
৬ দিন আগে
ফরিদপুরে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান, ৫ হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা
ফরিদপুরে অভিযান চালিয়ে ৫টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানগুলোতে অব্যবস্থাপনা ও লাইসেন্সবিহীন কার্যক্রম পরিচালনার প্রমাণ পাওয়ায় করায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত এসব প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিভিল সার্জন ডা. মাহামুদুল হাসান। এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান ও নাজমুন নাহার নাঈম উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে আল-জারা স্পেশালাইজড হাসপাতাল, মেডিকো হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লিলি প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হলিসিটি প্রাইভেট হাসপাতাল ও মা-মনি ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি থাকা রোগীদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অথবা অন্য উপযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুলাই আল-জারা স্পেশালাইজড হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় আয়েশা আফরিন (১৭) নামে এক কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে হাসপাতালটির বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার বিষয় উঠে আসে।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সরেজমিনে পরিদর্শন করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এ সময় হাসপাতালটির নানা অব্যবস্থাপনার সত্যতা পাওয়া যায়। যার মধ্যে অস্ত্রোপচার কক্ষে (ওটি) অব্যবস্থাপনা, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগীদের শয্যায় মনিটর না থাকা এবং ৩০ শয্যার হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত সংখ্যক চিকিৎসক ও নার্স না থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়ম উঠে আসে। পরে হাসপাতালটির অস্ত্রোপচারসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন সিভিল সার্জন মাহামুদুল হাসান। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক আতিকুল আহসানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
এছাড়া একই এলাকার আরও ৪টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করেন সিভিল সার্জন। লাইসেন্স ছাড়া পরিচালনা করার অপরাধে এসব হাসপাতালের কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
অভিযান শেষে সিভিল সার্জন মাহামুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘যেখানে নিয়মবহির্ভূতভাবে স্বাস্থ্যসেবার কার্যক্রম পরিচালিত হবে, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আমরা সেগুলো বন্ধ করে দেব।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি মানুষ যাতে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায়, সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের। সেই লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
আল-জারা হাসপাতালে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যিনি অস্ত্রোপচার করেছেন, তিনি একজন অভিজ্ঞ সার্জন এবং সহকারী অধ্যাপক। এই হাসপাতালে এসে অস্ত্রোপচার করা তার ঠিক হয়নি। তার বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নেব এবং তাকে শোকজ করা হবে।’
৭২ দিন আগে
ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গাঁজাসহ আসামি আটক
ভোলার সদর উপজেলার ইলিশা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও গাঁজাসহ মো. জাকির হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।
আটক মো. জাকির হোসেন কোরালিয়া খায়েরহাট এলাকার বাসিন্দা।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে ভোলা দক্ষিণ জোন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, জাকির হোসেন একাধিক মামলার আসামি। তিনি ঢাকা থেকে কর্ণফুলী-১৩ লঞ্চে করে আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক নিয়ে ভোলায় আসছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (সোমবার) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কোস্ট গার্ড বেস ভোলা ইলিশা তুলাতুলি মোহনা-সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় লঞ্চে তল্লাশি চালিয়ে একটি একনলা বন্দুক, ৪ রাউন্ড গুলি এবং আনুমানিক ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ২ কেজি গাঁজাসহ জাকির হোসেনকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন।
সাব্বির আলম বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তার কাছ থেকে পাওয়া অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।
১৬৩ দিন আগে
নাটোরে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৬
নাটোরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জনকে আটক করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এর মধ্যে ৪ জনকে কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত পুলিশের বিশেষ দল উপজেলার বিভিন্ন মাদকের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন মাদকের আস্তানায় অভিযান চালায় পুলিশের বিশেষ দল। এ সময় বাবুল, আসলাম ও সাইদুর নামে ৩ মাদক ব্যবসায়ী ও আশরাফুল নামে এক মাদকসেবীকে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, একই রাতে বাগাতিপাড়া উপজেলার হিজলী পাবনাপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি ইয়াবাসহ আশিকুল ইসলাম ও আশিকুর রহমান নামে ২ জনকে আটক করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন- র্যাব। পরে তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
১৭৫ দিন আগে
রংপুরে র্যাবের অভিযানে অসাধু ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের জরিমানা
রংপুরে দুটি ভোজ্যতেলের গুদামে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও র্যাব-১৩।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম।
এ সময় র্যাব-১৩, রংপুরের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামীর নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল অভিযানে সহায়তা করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, নগরীর সেনপাড়া এলাকায় অবস্থিত মেসার্স এস এস ট্রেডার্সের গুদামে তেল মজুদ ও বাজারজাতকরণে নানা অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় গুদামে সংরক্ষিত ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম না মানা, কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা এবং বাজারে সরবরাহে অসঙ্গতির প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপরে একই অভিযোগে গোমাস্তপাড়ায় আয়াত ট্রেডার্স নামে প্রতিষ্ঠানের মালিক পারভেজকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার পাশাপাশি দুটি প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একই কথা জানান র্যাব-১৩ এর জেষ্ঠ্য সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামীও।
১৮৯ দিন আগে
যশোরের চরমপন্থি নেতা গোফরান ও তার সহযোগী গ্রেপ্তার
যশোরের অভয়নগরসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কের আরেক নাম হয়ে ওঠা চরমপন্থি নেতা নাসির শেখ গোফরান ও তার সহযোগী সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (১৪ মার্চ) খুলনার রূপসা উপজেলা থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার মো. নাসির শেখ গোফরান (৪০) বাগেরহাটের রামপাল থানার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। মো. সোহেল রানা (২৮) বাগেরহাটের রূপসা থানার আলাইপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, গোফরান ‘বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি’র নেতা পরিচয়ে একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলে যশোর, খুলনা ও নড়াইলজুড়ে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলবাজির রাজত্ব চালিয়ে আসছিল। তার বিরুদ্ধে রয়েছে অস্ত্র, হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ ২০টিরও বেশি মামলা রয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে যশোর জেলা পুলিশের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) আবুল বাশার জানান, গত ১ মার্চ গভীর রাতে অভয়নগরের গোপিনাথপুর গ্রামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে গোফরান বাহিনী। সে সময় তারা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গোফরান বাহিনী নগদ ২০ হাজার টাকা, মোটরসাইকেল, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।
এই ঘটনার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে চক্রটি। তাদের ধরতে ব্যাপক অভিযান শুরু হয়। ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে গত শনিবার খুলনার রূপসা উপজেলার জাবুসা গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন।
২১৩ দিন আগে
গাজীপুরে বস্তিতে বিশেষ অভিযান, আটক ৫৪
গাজীপুরের টঙ্গীর মাজার বস্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযানে মোট ৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম ফয়েল পেপার, দেয়াশলাইট, ইয়াবা, একটি চাপাতি, দুইটি চাকু ও নেশা করার সরঞ্জামাদির পাশাপাশি বেশ কিছু ভোটার আইডি কার্ডও উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অভিযানে পুলিশকে সহযোগিতা করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (তদন্ত)।
অভিযান সম্পর্কে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার জানান, এলাকায় মাদক ও অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
২১৩ দিন আগে