ফরিদপুর
ফরিদপুরে ইজিবাইকচালক হত্যা মামলায় অজ্ঞান পার্টির ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
ফরিদপুরে চেতনানাশক দিয়ে ইজিবাইকচালককে অজ্ঞান করে রাস্তার পাশে ফেলে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় পিবিআই ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংস্থাটির পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম।
গ্রেপ্তার মুরাদ শেখ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদাহ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে এ ঘটনায় গ্যারেজ মালিক কামাল ও ছিনতাইকারী সুমন আহমেদ নামে আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ সুপার জানান, গত ১৪ অক্টোবর রাতে ফরিদপুর শহরের ফলপট্টি এলাকা থেকে মুরাদ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে পাঠানো হলে তিনি ইজিবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পিবিআই আরও জানায়, ২০২২ সালের ১৬ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাঁচ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে ২০০ টাকা ভাড়ায় তালমা যাওয়ার কথা বলে একটি ইজিবাইক ভাড়া করে।
ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের বাখুন্ডা এলাকায় পৌঁছালে চক্রের সদস্যরা রুমালের মধ্যে চেতনানাশক মিশিয়ে চালক বিশ্বনাথ সরকারকে অজ্ঞান করেন। সে সময় তাকে অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে ইজিবাইকটি নিয়ে পালিয়ে যান তারা।
পরে স্থানীয়রা বিশ্বনাথকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে পরদিন সকালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রবি কুমার সরকার বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা ও ছিনতাইয়ের মামলা করেন।
মামলার তিন মাস পর তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। একটি গ্যারেজ থেকে ছিনতাই হওয়া ইজিবাইকের হুটের সূত্র ধরে দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তদন্তের পর একে একে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় জড়িত চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।
২ দিন আগে
ফরিদপুরে স্কুলে যাওয়ার পথে শিশুকে ধর্ষণ, যুবকের মৃত্যুদণ্ড
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় স্কুলে যাওয়ার পথে আট বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. আবুল বাশার মিঞা এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আকিদুল শেখ (২৫) আলফাডাঙ্গা উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২০ জুন সকালে আকিদুল শিশুটিকে রাস্তা পার করে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে পাশের বাঁশবাগানে নিয়ে যান। পরে সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান তিনি।
ঘটনার পর শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় বিদ্যালয়ে পৌঁছায়। শিক্ষকরা তার শারীরিক অবস্থা দেখে ও ঘটনার কথা শুনে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে শিশুটিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার পরদিন শিশুটির বাবা আকিদুল শেখের বিরুদ্ধে আলফাডাঙ্গা থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। এরপর পুলিশ তদন্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আদালত।
৩ দিন আগে
ভারত থেকে দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা করছে ফ্যাসিবাদীর দোসররা: রিজভী
সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ভারতে অবস্থানরত ফ্যাসিবাদী শক্তির দোসররা দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজিরটেক এলাকায় লকাই বিশ্বাসের জন্য নবনির্মিত বাড়ির চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী এ অভিযোগ করেন।
‘আমরা বিএনপি পরিবারে’র উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে লকাই বিশ্বাসকে চিকিৎসা সহায়তা, নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য সেলাই মেশিন বিতরণ ও অসহায়দের নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে রিজভী বলেন, বিশ্ববাজারে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে একটি মহল দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ভারতে অবস্থানরত ফ্যাসিবাদী শক্তির দোসররা দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।
এ সময় দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বিএনপি নেতা।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের নেতাকর্মীরা ব্যাংক লুটের অর্থ বিদেশে নিয়ে বিলাসী জীবনযাপন করছেন। আর সেখানে বসেই দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন তারা।
নিউইয়র্কে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অসম্মান করার ঘটনায় দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোদাররেছ আলী ইছা, সদস্য সচিব এ কে কিবরিয়া স্বপন, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক খন্দকার সেলিম, কৃষকদল নেতা খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, যুবদল নেতা রাজিব হোসেন, বেনজীর আহমেদ তাবরিজসহ ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
ফরিদপুরে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি গুনতে হচ্ছে
ফরিদপুরে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
জেলা শহরের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও প্রত্যন্ত এলাকায়ও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি কিনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে।
ভোক্তাদের অভিযোগ, বাজারে এলপিজির সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও অনেক ক্ষেত্রে বিক্রেতারা সরকারি নির্ধারিত মূল্যের তোয়াক্কা করছেন না। বর্তমানে ফরিদপুরের বিভিন্ন বাজারে আকার ও ব্র্যান্ডভেদে একটি ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকার নির্ধারিত দাম এক হাজার ৮৩৭ টাকা।
নগরকান্দা, সালথা, মধুখালী উপজেলার প্রত্যন্ত বাজারগুলোতে কোথাও কোথাও দাম আরও বেশি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ফরিদপুর শহরের মুজিব সড়কের দুজন অটোচালক, একজন হোটেল ব্যবসায়ী ও একজন গৃহিনী জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামই বেড়েছে। এর মধ্যে রান্নার গ্যাসও যদি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কিনতে হয়, তাহলে সাধারণ পরিবারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়। সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকির দাবি জানান তারা।
এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপরও। নগরকান্দা বাজারের কয়েকজন জানান, উপজেলা সদরের তুলনায় গ্রামে গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম অনেক বেশি। হোটেল, রেস্তোরাঁ, খাবারের দোকান ও চায়ের দোকানের মতো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এলপিজি ব্যবহার হওয়ায় তাদের ব্যয় বেড়েছে।
উপজেলার ব্যবসায়ীরা জানান, গ্যাসের দাম বাড়লেও সেই তুলনায় আয় বাড়েনি। ফলে বাড়তি খরচ সামাল দিতে গিয়ে লাভ কমে যাচ্ছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘গ্যাসের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রান্নার খরচও বেড়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে অন্যান্য পণ্যের দামও বেশি। সব মিলিয়ে আগের মতো ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’
তবে খুচরা এলপিজি বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে প্রয়োজনের তুলনায় এলপিজির সিলিন্ডারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। সরবরাহ সংকটের কারণে তাদেরও বাড়তি দামে সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে হচ্ছে। ফলে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে সরকার নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
একজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, ‘আমরাও বেশি দামে গ্যাস কিনে এনেছি। সরবরাহ ঠিকমতো না থাকায় অনেক সময় সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে বাড়তি খরচ হচ্ছে। তবে আমরা ইচ্ছা করে বেশি দাম নিতে চাই না।’
এদিকে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ থাকলেও ফরিদপুরের বিভিন্ন বাজারে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। বাজারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুস্মিতা সাহা বলেন, ‘এলপিজির দাম নিয়ে বাজার তদারকির জন্য জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
১২ দিন আগে
ফরিদপুরে গৃহবধূ হত্যার দায়ে স্বামী-শাশুড়ির যাবজ্জীবন
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সুমি আক্তার হত্যা মামলায় তার স্বামী ও শাশুড়িকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন নিহতের স্বামী আতিয়ার রহমান তালুকদার (২৮) ও শাশুড়ি মোছা. রাহেলা বেগম (৫০)। এ মামলার অপর আসামি সুমির শ্বশুর খলিলুর রহমান তালুকদারকে (৫৫) খালাস দেওয়া হয়েছে। আতিয়ার বর্তমানে পলাতক এবং রাহেলা ও খলিলুর রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) চৌধুরী জাহিদ হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করে এ রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন।
মামলার এজাহার, অভিযোগপত্র ও নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী উপজেলার কেশরাইল গ্রামের আতিয়ার রহমান তালুকদারের সঙ্গে ২০১০ সালে সুমি আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সুমিকে স্বর্ণালংকার ও টাকা-পয়সা দেওয়া হয়েছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
মামলার বাদী নিহতের ভাই মো. সরোয়ার মোল্যা (৪৫) এজাহারে অভিযোগ করেন, বিয়ের পর সুমি অন্তঃসত্ত্বা হলে আতিয়ার ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটান। তার পর থেকেই সুমিকে তার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি বিভিন্নভাবে নির্যাতন ও বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও সুমিকে নির্যাতন করা থামেনি বলে অভিযোগ করেন তার ভাই।
২০১১ সালের ১১ মে সকালে কেশরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. আবুজার মোল্যা মোবাইল ফোনে সুমির মৃত্যুর খবর তার ভাইকে জানান। খবর পেয়ে স্বজনরা কেশরাইল গ্রামে গিয়ে আতিয়ারের বাড়ির ঘরে খাটের ওপর সুমির মরদেহ দেখতে পান।
বাদী অভিযোগ করেন, সুমিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে দেহ ঘরের মধ্যে রেখে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তিনি বোয়ালমারী থানায় মামলা করেন।
২০ দিন আগে
ফরিদপুরে হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালেন স্বামী
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় তামান্না আক্তার মৌ (২৩) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালে রেখে তার স্বামী পালিয়ে গেছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার চন্ডিদাসদি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তামান্না ওই এলাকার শাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী এবং পার্শ্ববর্তী নগরকান্দা উপজেলার রামেশ্বর এলাকার আতিয়ার রহমানের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, সকালে তামান্নার ঘরের দরজা বন্ধ দেখেন তার স্বামী। পরে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তামান্নাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা গ্রীন প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে তামান্নার মরদেহ উদ্ধার করে। দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মর্গে পাঠানো হয়।
তামান্নার মা বলেন, ‘আমার মেয়েকে তার স্বামী শাখাওয়াত নির্যাতনের পর হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।’
ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ বলেন, ‘খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
২৭ দিন আগে
ফরিদপুরে পুলিশের হেফাজতে থাকা বাসে আগুন
ফরিদপুর সদর উপজেলার করিমপুর হাইওয়ে থানার পাশে পুলিশের হেফাজতে রাখা পূর্বাশা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লেগে পুড়ে গেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর-খুলনা (এন ৭) মহাসড়কে থানার সামনের খোলা মাঠে রাখা বাসটিতে আগুন লাগে। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।
করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম বলেন, রাত ১০টা ২৭ মিনিটে বাসে আগুন লাগার খবর পান তিনি। ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নেভানো হয়। তবে ততক্ষণে বাসটির বেশির ভাগ অংশ পুড়ে যায়।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা শ্রীবাস বাড়ৈ বলেন, রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। কয়েল, সিগারেটের আগুন, কেউ আগুন ধরিয়ে দেওয়া বা অন্য কোনো কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্তের পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে মধুখালী উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের মেছড়দিয়া মোড় এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বাসটি। মহাসড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা ময়দার বস্তাবোঝাই একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয় বাসটি। এতে বাসটির সুপারভাইজার নিহত হন। এরপর থেকে দুর্ঘটনার আলামত হিসেবে বাসটি করিমপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে ছিল।
পুলিশ জানায়, কয়েক মাস আগে করিমপুর হাইওয়ে থানা নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হয়েছে। নতুন স্থানে অবকাঠামোগত কাজ পুরোপুরি গুছিয়ে ওঠেনি। থানার সামনে মহাসড়কঘেঁষা খোলা মাঠে জব্দ করা যানবাহন রাখা হয়। সীমানাপ্রাচীর না থাকায় মাঠটি উন্মুক্ত।
ওসি আবদুস সালাম বলেন, নতুন স্থানে থানা স্থানান্তরের পর সবকিছু এখনও পুরোপুরি গুছিয়ে ওঠেনি। থানার সামনের মাঠটিও উন্মুক্ত। চারদিকে সীমানাপ্রাচীর থাকলে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো।
দুর্ঘটনার আলামত হিসেবে পুলিশের হেফাজতে থাকা বাসে আগুন লাগার ঘটনায় আগুনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি।
২৯ দিন আগে
ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে নারীর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ২৫
ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রেবেকা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
রেবেকা বেগমের বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায়। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান।
ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নতুন করে ২৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ৮১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, চলতি ডেঙ্গু মৌসুমে এখন পর্যন্ত ফরিদপুরের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫২০ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
সিভিল সার্জন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতন হতে হবে। বাড়িঘর ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সফল হওয়া সম্ভব বলে মতামত দেন তিনি।
৩০ দিন আগে
ফরিদপুরে শিশু পার্কের কর্মচারী হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন
ফরিদপুর শিশু পার্কের অস্থায়ী কর্মচারী হাসান শেখকে (৩৫) পূর্বশত্রুতার জেরে হত্যার দায়ে ৪ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শরীফ উদ্দীন এ রায় দেন।
এছাড়া একই মামলার অপর ধারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: শাহজাহান মাতুব্বর (৩৬), ফারুক শেখ (৩৫), চান্দু শেখ (২২) ও ফরিদা বেগম (৩০)। তাদের মধ্যে ফরিদা বেগম পলাতক রয়েছেন। আসামিরা সবাই জেলার সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের বাসিন্দা।
রায় ঘোষণার সময় চার আসামির মধ্যে তিনজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর পলাতক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বিচারক। পরে সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামিকে পুলিশি পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসান ফরিদপুর শিশু পার্কে অস্থায়ী চাকরির পাশাপাশি কৃষিকাজ করতেন। ২০১৮ সালের ৯ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রতিবেশী শাহজাহান কাকা ডেকেছেন বলে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। পরে তিনি সারা রাত বাড়িতে না ফেরায় সকালে তাকে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন।
নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে হাসানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বিষয়টি স্থানীয় থানায় জানিয়ে একটি জিডি করা হয়। নিখোঁজের চার দিন পর ঝাউখোলা এলাকার একটি আখখেত থেকে হাসানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ইমান উদ্দিন কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ঘটনার চার-পাঁচ মাস আগে হাসানের সঙ্গে প্রতিবেশী কয়েকজন যুবকের গণ্ডগোল হয়। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে শালিসি বৈঠক বসে। সেখানে হাসানকে মারধরের ঘটনায় তাদের শাস্তি দেওয়া হয়। ওই ক্ষোভ থেকেই সেদিন রাতে হাসানকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে তার মরদেহ গুম করা হয়।
স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শাহ মো. আজিজুর রহমান বিকু জানান, হাসান শেখ নৃশংস হত্যাকাণ্ড মামলার ঘটনায় দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে বিজ্ঞ বিচারক আজ এ রায় দেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
৩২ দিন আগে
মধুখালীতে তিন বস্তায় যুবকের ছয় টুকরো অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুরের মধুখালীতে ধানখেতের পাশ থেকে তিনটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরা এক অজ্ঞাতনামা যুবকের ছয় টুকরো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের বোয়ালিয়া স্ট্যান্ডসংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালিয়া স্ট্যান্ড থেকে প্রায় ২০০ গজ সামনে ফরিদপুরগামী সড়কের ডান পাশে লাভলু মল্লিক ও ইসহাক মিয়ার ধানখেতের পাশে একটি তালগাছের গোড়ায় তিনটি মুখ বাঁধা প্লাস্টিকের বস্তা দেখতে পান স্থানীয় পথচারীরা। বস্তাগুলো পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হলে তারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এবং মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বস্তাগুলোর মুখ খুললে সেগুলোর ভেতর থেকে আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহের ছয়টি বিচ্ছিন্ন অংশ পাওয়া যায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদুজ্জামান জানান, উদ্ধার করা মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিচয় শনাক্ত না হলে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফনের জন্য আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৩৬ দিন আগে